JS Blog
everyday there's sad news nd bad news,bt each day itself is glad news cz dream color is always blue
জীবনের উপন্যাসের পাতা জুড়ে হাজারটা প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, সুখ-দুঃখ লেখা থাকলেও, প্রচ্ছদ জুড়ে লেখা জীবন সুন্দর..
আজ থেমে গেছো? দেহ-মন ক্লান্ত? কোনও ব্যাপার না!
মনে রেখো... থেমে যাওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়।
বিশ্রাম নাও। দীর্ঘশ্বাস ফেলো।
কারণ কাল সকাল... তোমার জীবন নতুন শুরুর অপেক্ষায় আছে।
January isn’t about becoming new, it's about coming back to yourself.
আরও একটা গোটা বছর, আরেকটা ডিসেম্বর... বছর ঘুরে ফিরে তাকালে অনেক সহজ হিসেব আজ মেলাতে পারিনা, অভিমান-অভিযোগদের কারণ মেলে না। যা মেলে তা শুধু ধুলোর প্রলেপ, কিছু স্মৃতির গুচ্ছ আর অনেককিছু হারানোর স্বাদ। তীব্র আলোর ভীড়ে হারিয়ে ফেলি নিজেকে, রোজের নিয়মে হারিয়ে ফেলি, হারিয়ে যায় সব কিছু, দিনের মতো, রাতের মতো...
তাই হয়তো রবি ঠাকুর লিখেছিলেন, "তাই কেঁদে কাটে নিশি, তাই দহে প্রাণ, তাই মান অভিমান, তাই এত হায় হায়। এরা সুখের লাগি চাহে প্রেম, প্রেম মেলে না..."
"সব কিছু ঠিকঠাক মনে হলেও, ভেতরে কোথাও যেন সব এলোমেলো। চেনা মানুষদের ভিড়ে আমি আছি, হাসছি, কথা বলছি।
-তবু যেন নিজের সাথেই ঠিকভাবে থাকা হচ্ছে না। এই একাকীত্বটা কাউকে দেখানো যায় না, বোঝানোও যায় না। কারণ এই যুদ্ধটা নিজের ভেতরের, নিজেরই বিপক্ষে।
কখনো কখনো মনে হয়, আমিই কি নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু? ভালো থাকার অভিনয়টা এত নিখুঁত হয়ে গেছে যে, নিজেকেই আর চেনা যায় না। সবাই ভাবে আমি ভালো আছি, অথচ ভিতরে একরাশ প্রশ্ন, ক্লান্তি, আর অপূর্ণতা চেপে বসে থাকে।
'আমি কি সত্যিই ঠিক আছি?' এই প্রশ্নটার উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই হয়তো আরও একদিন কেটে যাবে।"
16/11/2025
ব্যক্তিত্ব এই শব্দটার ভেতরে কত নীরব আগুন, জানো?
কেউ ভাবে পোশাকের রঙ, কেউ ভাবে কথার মসৃণতা, কেউ ভাবে চেয়ার, পজিশন, আর কেউ ভাবে— কতোটা ভয় দেখাতে পারে মানুষকে।
কিন্তু আমি দেখি অন্য কিছু যা দাঁড়িয়ে থাকে একা, নিজের অন্ধকারে, নিজের আলোয়, যেখানে মুখোশ নেই, শুধু নিজস্ব এক অবিচল ছায়া।
ব্যক্তিত্ব মানে সেই মানুষ, যে হার মানে না জনসম্মোহনের ভিড়ে, যে নিজের মতের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে যেন একটি মহীরুহ
বাতাসে দুলে না, তবে গাছের পাতার শব্দে বলে—“আমি আছি।”
কেউ ভাবে, ব্যক্তিত্ব মানে ক্ষমতা; আমি বলি, ব্যক্তিত্ব মানে বিবেক।
কারণ যে নিজের ভেতরের ‘না’ উচ্চারণ করতে পারে, সে-ই পারে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন ‘হ্যাঁ’ বলতে।
যে নিজের ভুল স্বীকারে লজ্জা পায় না,
সে-ই সত্যিকারের শক্তিশালী।
কারণ স্বচ্ছতা, সাহস, ও নীরবতা এই তিনেই জন্ম নেয় ব্যক্তিত্বের আসল সংজ্ঞা।
ব্যক্তিত্ব কোনো পেশার উপাধি নয়,
এটা একরকম আত্মিক পরিমাপ,
যেখানে মাপা হয় মানুষ কতটা স্থির
নিজের সত্যের সামনে।
যে হাসে যখন কাঁদার কথা, যে নীরব থাকে যখন বলা দরকার সে নয়, ব্যক্তিত্বহীনতার প্রতীক মাত্র।
আমি দেখেছি অনেকে সাজে, গায়ে দামি পারফিউম মাখে, কণ্ঠে সোনালি ধ্বনি, চোখে অনুশীলিত মায়া, তবু তাদের ছায়া পড়ে না রোদে।
আর এক ভিক্ষুকের চোখে আমি দেখেছি আত্মসম্মানের আগুন, যার দৃষ্টি এত দৃঢ় যে, রাজপথের সিংহরাও লজ্জায় মুখ নামায়।
ব্যক্তিত্ব মানে বিদ্রোহ নয় সবসময়,
কখনো মানে তা শান্ত থেকেও উচ্চ হওয়া।
যেমন নদী যে নিজের পথে চলে,
কখনো পাহাড় কেটে, কখনো পাথরে চুমু খেয়ে, তবু জানে তার উৎস, তার গন্তব্য দুটোই নিজের।
ব্যক্তিত্ব ঠিক তেমন অন্যের ছাঁচে না গড়ে,
নিজের ধাঁচে গড়ে তোলে পৃথিবি।
কখনো মনে হয়, আমাদের সমাজে ব্যক্তিত্ব মানে ভুল বোঝাবুঝি। যে নিজের মতো কথা বলে, তাকে বলে ‘অহংকারী’, যে সত্য বলে মুখের ওপর, তাকে বলে ‘অসভ্য’। যে আপস করে না, তাকে বলে ‘দুর্ব্যবহার’।
কিন্তু সময়ের কণ্ঠে শোনা যায় এইরকম মানুষরাই ইতিহাস লেখে, যারা ভিড়ের দিকে পিঠ দিয়ে নিজের আত্মার দিকে তাকাতে পারে।
একজন সত্যিকারের ব্যক্তিত্ববান মানুষ
নিজের অভ্যন্তরীণ নৈতিকতার আদালতে
প্রতিদিন বিচার দেয় নিজেকে সেখানেই জন্ম নেয় চরিত্র, যার কোনো দাম মাপে না বাজারের তরফে, তবু তার গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে সময়ের পাতায়।
ব্যক্তিত্ব মানে নিজের ভেতরের নীরবতার সুর শোনা যেখানে অহংকার নয়, দৃঢ়তা বাস করে, যেখানে ভয় নয়, বিশ্বাস বসে থাকে মুকুট পড়ে। যে ব্যক্তি বলে, “আমি জানি না, সে-ই সবচেয়ে শিক্ষিত। যে বলে, “আমি ভুল করেছি,” সে-ই সবচেয়ে মানবিক। আর যে বলে, “আমি নিজের মতো থাকব,” সে-ই সবচেয়ে মুক্ত।
আমি জানি ব্যক্তিত্বের এই পথে হাঁটা সহজ নয়। এ পথে বন্ধুরা হারায়,
কর্মস্থলে হাসি কমে যায়, আর মানুষ বলে “তুমি বদলে গেছো। হ্যাঁ, আমি বদলে গেছি কারণ আমি আর চাই না ভেসে যেতে কারও প্রশংসার স্রোতে, আমি চাই ডুবে যেতে নিজের নীরবতার গভীরে।
ব্যক্তিত্ব মানে সেই স্থির দৃষ্টি, যেখানে আপসের ঝড়েও টলে না চোখের ভিতর বিশ্বাস। যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত একেকটা তপস্যা, আর প্রতিটি নীরবতা একেকটা প্রতিবাদ। যে মানুষ নিজের ক্ষতি জেনেও সত্য বলে, সে-ই আসল মহীরুহ বৃক্ষের মতো অচঞ্চল, পাহাড়ের মতো গম্ভীর, জলের মতো নম্র।
আমি জানি, পৃথিবী এখন মুখোশের যুগে সবাই সাজে, সবাই অভিনয় করে,
সবাই চায় দেখাতে, “আমি বড়”। কিন্তু ব্যক্তিত্ববান মানুষ জানে, নিজেকে প্রমাণ করতে হয় না নিজেকে জানা যথেষ্ট। নিজেকে জানা মানে, কখন নীরব থাকতে হয়, কখন বলতে হয়, আর কখন কেবল চোখে রেখে দিতে হয় পুরো এক পৃথিবী।
ব্যক্তিত্ব—
একটা দীর্ঘ একাকীত্বের পথ, যেখানে হাততালি কম, কিন্তু আত্মমর্যাদা অটল।
যে মানুষ এই পথে হেঁটে যায়, সে জানে
মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় তার মুখ নয়, তার মেরুদণ্ড।
06/04/2025
কবে হবে এর শেষ?
একজন শিশু যে এখনো পৃথিবীর মুখ দেখেনি তার কি দোষ?
এতো হিংসা, বিদ্বেষ কেনো?
এই যুদ্ধ কবে শেষ হবে?
মনুষত্ব কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে এদের ?
এসব কি কোন মানুষের কাজ হতে পারে?
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি যালিমদের কর্মে উদাসীন নই; আমি তাদের সময় দেই, যেন তারা সঠিক পথে ফিরে আসে। কিন্তু একদিন আসবে—যেদিন তাদের চোখ স্থির হয়ে যাবে ভয়ের চাপে। সেই দিন তারা আল্লাহর বিচার এড়াতে পারবে না। আজ তারা স্বাধীন, কিন্তু কাল হবে হিসাবের দিন। (সূরা ইব্রাহিম, ১৪:৪২)
Click here to claim your Sponsored Listing.