Happy Life

Happy Life

Share

☞ জীবন খুব ছোট বন্ধুরা,
তাই জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত'কে উপভোগ করুন। 🫶❤️‍🩹
এবং
🍂~ আমার সাথে সবসময় যুক্ত থাকুন। 🍂

13/01/2025

আপনি কি ইয়াং হতে চান ?

কে না চায় তাই না ? ঘড়ির কাঁটা উল্টোদিকে চললে কি না ভালো হতো ? জাপানি , চাইনিজ, মার্কিন আর ইউরোপীয়ানরা অনেক গবেষণা করেছেন । সুন্দর কতগুলো নিয়ম বের করেছেন । আসুন না সেগুলো অনুসরণ করি ।

(১) তিনটি সাদা জিনিস পরিহার করুন । না, আমি আপনাকে "বর্ণবিদ্বেষী " হতে বলছিনা । চিনি, লবণ আর ময়দা এ তিনটি শব্দ আপনার অভিধান থেকে কেটে ফেলুন ।

আপনি রসগোল্লার মতো চোখ বড়ো বড়ো করে বলবেন "এটা কি করে সম্ভব " ? তাহলে মিষ্টির দোকানদাররা তো না খেয়ে মারা যাবে ।
মনে রাখবেন চিনি বিষ ।

যে সব পণ্ডিতরা বলবেন চিনি খেলে কিছু হবে না, তাদেরকে বলছি একটু পড়ালেখা করতে।

আপনি হয়তো বলবেন, লবণ ছাড়া কি ব্যঞ্জন হয় ? এটা কিন্তু আপনার উপর নির্ভর করছে । কখনো খাওয়ার সময় অতিরিক্ত লবণ নেবেন না । যদি একান্তই না পারেন, পরিমিত খাবেন কেমন । অনেক খাবারের মধ্যে লবণ লুকিয়ে আছে । তাই লবণ কম করে খেলেও আপনার গলগণ্ড রোগ হবে না।

রাতে শর্করা জাতীয় খাবার কম খাবেন। যেমন নুডলস, ভাত, আলু আর পরোটা। লাল আটার রুটি খাবার চেষ্টা করবেন, দাম একটু বেশি। তবে ময়দা নয় আটার রুটি খাবেন। রাত ৮ টার পর খাবেন না । যারা রাতে কাজ করেন তাদের অবস্থা অবশ্য আলাদা। ভয় নেই , আপনি অনাহারে মরবেন না ।

আপনি কি জানেন, আপনার অনেক অসুখের কারণ এই যে, আপনার পয়সা ছিল না খাবার কেনার জন্য এমনটা নয় বরং আপনার পয়সা বেশি ছিল বিজাতীয়/কুজাতীয় খাবার খাওয়ার জন্য।

(২) প্রতিদিন তিরিশ মিনিট হাঁটবেন । এটা কিন্তু শপিং এর হাঁটা নয় বা পার্কে প্রণয়ীর সঙ্গে প্রমোদ ভ্রমণও নয় । যাদের ছাদ আছে , ওখানে হাঁটুন । এতে লজ্জার কিছু নেই । যাদের হাঁটার কোনো সুযোগ নেই , ফেইসবুকটি সরিয়ে রেখে ৩০ টি বুকডন দিন ।

(৩) আপনি কি জানেন , পৃথিবীতে সুনামি আর সাইক্লোন যা ক্ষতি করেছে তার চেয়ে বেশি করেছে সফট ড্রিংকস । সফট ড্রিংকসকে হারাম মনে করুন । সফট ড্রিংকসের পরিবর্তে প্রচুর পানি খাবেন প্রতিদিন। সকালে নাস্তা খাবেন সম্রাটের মতো , দুপুরের খাবার রাজার মতো আর রাতের আহার ভিখারির মতো ।

(৪) ঝালমুড়ি , ফাস্টফুড খাবেন অথচ বলবেন আমি তো তেমন কিছুই খাই নি ।

আপনি বলবেন, তাহলে খাবোটা কি ? কেন মাছ-মাংস, ডাল , সালাদ, সবজী কি এগুলো তো চারপাশে প্রচুর আছে ?

(৫) এবার যেটা বলবো সেটা সবচেয়ে প্রয়োজনীয় । হাসুন । সারাক্ষণ হাসুন । আপনি বলবেন আপনার পক্ষে এটা বলা সহজ । জানেন আমার মনে কত ব্যথা । আমি জানি তবুও চেষ্টা করবেন হাসতে । অতীতকে ভুলে যান ।

আজকের দিনটির জন্য বাঁচুন । গতকাল রাতে ঝড় হয়েছিল বলে আজকের সোনালী রোদকে উপেক্ষা করবেন ?

ভালো বই পড়ুন , ভালো গান শুনুন । তিলকে তাল না করে , সুখকে খুঁজে না বেড়িয়ে এই মুহূর্তে সুখী হন ।

এই নিয়মগুলি ৬ মাস নিষ্ঠার সাথে অনুসরণ করবেন , দেখবেন আপনার বয়স ৬ মাস বয়স বাড়লেও তারুণ্য একই রকম থাকবে নিশ্চিত।

( বিঃদ্রঃ এই লেখাটি পড়ে কেউ ভুল অর্থ প্রকাশ/ধর্মকে টেনে আনবেন না, এখানে ৯০ বছরের কেউ ১৯ বছরের মতো ইয়াং হওয়া বুঝানো হয়নি, সঠিক জীবনপ্রবাহের মাধ্যমে তারুণ্য দীর্ঘদিন ধরে রাখার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে)

13/01/2025

#পৌষ_সংক্রান্তি_কি?
কেন তা পালন করা হয় ?
---------------------------------
১৪ই জানুয়ারী ২০২৫খ্রি: / ২৯পৌষ১৪৩১
রোজ মঙ্গলবার পৌষ সংক্রান্তি এবং উত্তরায়ণ শুরু৷

প্রতিমাসের শেষ দিন অর্থাৎ যে দিন মাস পূর্ণ হবে সেই দিনকে সংক্রান্তি বলা হয়৷
#শাব্দিক অর্থে,
সংক্রান্তি অর্থ সঞ্চার বা গমন করা৷ সূর্যাদির এক রাশি হতে অন্য রাশিতে গমন করাকেও সংক্রান্তি বলা হয়৷ সং+ ক্রান্তি অর্থ সঙ মানে সাজা ক্রান্তি সংক্রমন বা গমন করাকে বুঝায়৷
অর্থাৎ ভিন্ন রুপে সেজে অন্যত্র গমন করা বা সঞ্চার হওয়াকে বুঝায়৷

মাঘ,ফাল্গুন,চৈত্র, বৈশাখ, জৈষ্ঠ, আষাঢ় এই ছয় মাস উত্তরায়ণ কাল
এবং
শ্রাবন,ভাদ্র,আশ্বিন,কার্ত্তিক,অগ্রহায়ন,পৌষ, এই ছয় মাস দক্ষিনায়ন কাল৷

পৌষ মাসের শেষ দিনে সূর্য উত্তরায়নের দিকে যাত্রা শুরু করে বলে একে উত্তরায়ণ সংক্রান্তিও বলা হয়৷

শাস্ত্রমতে মানুষের একবছর দেবতাদের একটি দিন রাতের সমান৷ অর্থাৎ মানুষের উত্তরায়নের ছয়মাস দেবতাদের একটি দিন এবং মানুষের দক্ষিনায়ণের ছয়মাস দেবতাদের একটি রাত৷

রাতে মানুষ যেমন দড়জা জানালা, প্রধান ফটক বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন তেমনি দেবতাগনও রাত্রে অর্থাৎ দক্ষিনায়নে সবকিছু বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন৷ এসময় বাহির থেকে প্রবেশ করার সুযোগ নেই অর্থাৎ দক্ষিনায়নে দেবলোক পুরোপুরি বন্ধ থাকে৷

আবার দেবতাগনের রাত পৌষ সংক্রান্তির দিন শেষ হয় বলে পরবর্তি সূর্য উদয়ের ব্রহ্মমুহূর্ত থেকে দেবতাগনের দিবা শুরু হয়৷ উক্ত সময়ে স্বর্গবাসী ও দেবলোকের সকলের নিদ্রা ভঙ্গ হয় এবং নিত্য ভগবৎ সেবামূলক ক্রিয়াদী শুরু হতে থাকে৷

এই জন্য সনাতন ধর্মাম্বলম্বীগন ব্রহ্ম মুহূর্তে স্নান, নামযজ্ঞ, গীতাপাঠ, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটিকে আনন্দময় করে তুলেন৷

অন্যদিকে গঙ্গাপুত্র ভীষ্ম তাঁর পিতা শান্তনু থেকে বর পেয়েছিলেন যে তিনি যখন ইচ্ছা মৃত্যুবরন করতে পারবেন৷ মহাভারতের কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের বীশ্ববিখ্যাত বীর, মহাপ্রজ্ঞ, সর্বত্যাগী ও জীতেন্দ্রিয় মহাপুরুষ ভীষ্মের মহাপ্রয়ানের স্মৃতির জন্য পৌষ
সংক্রান্তি আরও মর্যাদা পূর্ণ হয়েছে৷

উল্লেখ্য কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৌরব পক্ষের চারজন সেনাপতির মধ্যে তিনিই প্রধান সেনাপতি ছিলেন৷

উভয় পক্ষের আঠার দিন যুদ্ধের দশম দিবসে সূর্যাস্তের কিছুক্ষন পূর্বে পান্ডব পক্ষের সেনাপতি অর্জুনের শরাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে ভীষ্মদেব রথ থেকে পড়ে যান৷ কিন্তু তিনি মাটি স্পর্ষ না করে আটান্নদিন তীক্ষ্ণ শরশয্যায় শুয়ে উত্তরায়নের উত্তরায়নের অপেক্ষা করে পৌষ সংক্রান্তির দিনে যোগবলে দেহত্যাগ করেন৷

গ্রাম বাংলা সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ভোরবেলা আগুন লাগানো হয় খর ও বাঁশ দিয়ে বানানো স্তুপে৷ ৷এটা মূলত পিতামহ ভীষ্মদেবের চিতার স্বরুপ৷৷

পৌষ সংক্রান্তির দিন সূর্য উত্তর মেরুতে হেলে পড়তে থাকে যার জন্য একে মকর সংক্রান্তি বা উত্তরায়ণ সংক্রান্তি বলে৷ শাস্ত্রমতে ভীষ্মদেব মৃত্যুর পরে ভাগবদ্ ধামে যাননি৷ তিনি ছিলেন দৌ মতান্তরে দ্যু নামক অষ্টবসু৷

যিনি মহর্ষি বশিষ্টের অভিশাপ গ্রস্ত হয়ে ইহলোকে মনুষ্য হিসাবে কৃতকর্ম ভোগের জন্য জন্ম নিয়েছিলেন৷ তাই তাঁর পুনরায় দেবলোকে যাবার কথা৷ কারন তিনি সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা৷

দক্ষিনায়ণের সময়ে দেবলোকে রাত্রি,সেই সময় সেখানকার সব কিছুই বন্ধ থাকে,ভীষ্মদেব যদি দক্ষিনায়ণে দেহত্যাগ করতেন তবে তাঁকে তাঁর লোকে প্রবেশ করার জন্য বাইরে প্রতিক্ষা করতে হতো৷ তিনি ইচ্ছামৃত্যু বরন করেছিলেন বলে ভেবে দেখলেন, দক্ষিনায়ণে মহাপ্রয়ান করলে দেবলোকে গিয়ে বাইরে প্রতিক্ষা করার চেয়ে এখানে থেকে উত্তরায়নের প্রতিক্ষা করাই ভালো৷ কারন এখানে *ভগবান শ্রীকৃষ্ণের* দর্শণ লাভ হবে এবং সৎসঙ্গ হতে থাকবে৷

যার ফলে সকলেরই মঙ্গল হবে৷ দেবলোকে একলা প্রতীক্ষা করে কী হবে৷ এই ভেবে তিনি দক্ষিনায়ণে শরীর ত্যাগ না করে উত্তরায়ণে শরীর ত্যাগ করেছিলেন৷

দীর্ঘ ৫৮ দিন শরশয্যায় অবস্থানের পর পৌষ সংক্রান্তির নিশান্তে পিতামহ ভীষ্মদেব যোগবলে দেহত্যাগ করে দেবলোকে গমন করেন৷

৫০০০ বছর পূর্ব হইতে আমরা প্রতিবৎসর পৌষ সংক্রান্তি বা উত্তরায়ণে প্রাতকালে খরকুটো জড়ো করে পিতামহ ভীষ্মদেবের প্রতিকী শবদাহ করে থাকি, অনেকে এই শবদাহকে বুড়ির ঘর বা মেড়ামেড়ির ঘর জ্বালানো বলে থাকেন এবং এই দিনে মাছ,মাংস আহার করে থাকেন যাহা সম্পূর্ণ অনুচিত৷ কারণ উত্তরায়ণ বা পৌষ সংক্রান্তি অন্তোষ্টিক্রিয়া ও শ্রাদ্ধ সংক্রান্ত অনুষ্ঠান৷

অন্যদিকে এই দিনটি এতই গুরুত্বপূর্ন যে, এই দিন প্রাতঃকালে দেবলোকের সকল দেবতাগন ও স্বর্গবাসী পূর্বপুরুষগন নিদ্রা থেকে জাগ্রত হন৷ এই জন্য সনাতন ধর্মাবলম্বীগন ব্রহ্মমুহূর্তে স্নান, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, গ্রামে নগড়ে সংকীর্তন, গীতাপাঠ, ইত্যাদি মঙ্গলজনক কাজ করে থাকেন৷

প্রতিবৎসর আমরা শাস্ত্রসন্মতভাবে ভাবগাম্ভীর্যের সহিত এই অনুষ্ঠান পালন করার আশা ব্যক্ত করে সবাইকে মহা সংক্রান্তির প্রণাম, প্রীতি ও শুভেচ্ছা৷

11/01/2025

ভুল থেকে শিক্ষা নিন

১।"আমি পারবো না"-> আপনি কতবার চেষ্টা করে নিশ্চিত হয়েছেন যে আপনি পারবেন না?

২।"আমার দ্বারা সম্ভব নয়"-> কে আপনাকে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে আপনার দ্বারা আর সম্ভব নয়?

৩।"সব শেষ হয়ে গেছে"-> আপনি শুরুটা কোথায় দেখলেন যে শেষ বলছেন?

৪।"অনেক সময় চলে গেছে"-> কোন ঘড়ির কাঁটা জানান দিচ্ছে যে সময় চলে গেছে?

৫।"আমার কেউ সাহায্যকারী নেই"-> সবাই নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত,কার এত সময় আছে যিনি আপনাকে সাহায্য করবে.....?

৬।"আমি অনেক কষ্টে আছি"-> একজন মানুষের নাম বলুন যিনি বলেছেন আমি আরামের ভেতর থেকে সফল হয়েছি!

৭।"অনেক টাকার দরকার"-> টাকা হাতে নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে এমন একজনের নাম বলুন ! নিজের টাকা নিজের চেষ্টাতেই অর্জন করে নিতে হয়- পরের টাকায় সাহায্য হতে পারে,কিন্তু বড় হওয়া যায় না!

৮।"আমাকে দেখতে খারাপ"-> ভালো চেহারা না হলে বড় হওয়া যায় না- এমন নিশ্চয়তা কোথায় পেলেন?

৯।"আমার কপাল টাই খারাপ"-> কোন আয়নায় দেখেছেন? সেখানে কপালে কি লেখা আছে তা কি পড়তে পেরেছেন?

১০। "আমি হতাশায় ভুগছি"->হতাশা থেকে কতবার বেরোতে মরিয়া চেষ্টা করেছেন.....?

নিজের হাতেই নিজেকে গড়েছেন এখন আবার নিজেকেই বলছেন "কেন এমন হল !"

কেন আপনার মনের মতো করে সব কিছু হয়নি তা কি কখনও ভেবেছেন....? নিজের মনের ভিতরে এক নিষ্ঠ ভাবে আত্ম মন্থন , আত্ম সমোলোচনা করেছেন...? যদি ভেবে থাকেন তাহলে এটাও নিশ্চিত বুঝতে পারবেন "নিজের হাতেই নিজেকেই আবার গড়তে হবে- নতুন করে- নতুন ভাবে জেগে উঠতে হবে, আর সময়ের অপচয় করা যাবেনা এই পৃথিবীতে নিজের কি অবদান রেখে যাবেন।

তাহলে আবার শুরু থেকেই প্রারম্ভ করুন।
বিগত দিনের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে !!!

10/01/2025

তুমি হলে উত্তাল সমুদ্র, আমি তোমার মাঝি! যতই তুমি হও উতলা, তোমার মাঝেই বাঁচি 🫠

06/01/2025

ধৈর্য ধরে এবং ভগবানের উপর ভরসা রেখে সময়কে
একটু সময় দিন। 💗

দেখবেন আজ যেই জিনিসটা দম বন্ধ করা কষ্ট দিচ্ছে, সেটাই কাল ভেবেই হাসি পাবে, এবং ভগবানের দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার মনে হবে । ♥️

02/01/2025

ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি বিমান হংকং থেকে ২০২৫ সালের পয়লা জানুয়ারির রাত ১২টা ২১ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। নির্ধারিত সময়ে সেটি যখন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে পৌঁছায়, তখনও সেখানকার ঘড়ির কাঁটায় বাজে ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা ৩৩ মিনিট। অর্থাৎ ২০২৫ সালে রওনা দেওয়া বিমানটি পৌঁছায় ২০২৪ সালে।

এই ঘটনাটি মূলত পৃথিবীর সময় অঞ্চলের পার্থক্যের কারণে ঘটে। হংকং গ্রিনিচ মান সময় (GMT) থেকে ৮ ঘণ্টা এগিয়ে আর লস অ্যাঞ্জেলস ৮ ঘণ্টা পিছিয়ে। ফলে হংকংয়ে ২০২৫ সাল শুরু হলেও লস অ্যাঞ্জেলস তখনও ২০২৪ সালের শেষ রাত কাটাচ্ছিল। ফলে বিমানের যাত্রীরা দুইটি ভিন্ন স্থানে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দুইবার নববর্ষ উদযাপনের সাক্ষী হয়।

😮😯

02/01/2025

আমরা কবে এমন সভ্য হবো..😥

01/01/2025

যে মানুষটি জীবনে একবারও হেরে যায় নি... সে কখনোই সত্যিকারের জয়ী হওয়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারবে না।

সো পিস এর প্লাস্টিকের ফুলে আর যাই হোক... বাগানের ফুলের মতো আকর্ষণ, পাগল করে দেওয়া মৌ মৌ গন্ধের আকুলতা থাকে না।

যে মানুষটি জীবনের কাছে হেরেছে বারংবার... আবার নিজে নিজে উঠেও দাঁড়িয়েছে প্রতিবার, সে জানে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি কি, সে জানে আত্নবিশ্বাসের মর্যাদা কি, সে জানে পূর্ণতার তৃপ্তি কি।

যে মানুষটি জীবনে পরিবার - পরিজন, আত্নীয় - স্বজন, বন্ধু - বান্ধব, প্রেমিক - প্রেমিকার কাছ থেকে একাধিকবার ঠকেছে কিংবা উচ্চতর যোগ্যতা থাকা সত্বেও কর্মহীনতায় দিনের পর দিন হীনমন্যতায় ভুগেছে, সে শিক্ষা নিয়েছে জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক- "বাস্তবতা" ও সবচেয়ে বড় বন্ধু "বই" থেকে, সে বুঝতে শিখেছে সময়ের কাছ থেকে, সে চিনতে শিখেছে অসময়ের কাছ থেকে।

জীবনে আপন - পর, ভালো - মন্দের কোনো মাপকাঠি হয় না... এগুলো নির্ধারণ করা অতোটাও সোজা কাজ না, এগুলো বুঝতে হলে নিজেকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করাতে হলেও জীবনে অসময় অর্থাৎ খারাপ সময় আসা উচিত।

যে মানুষটিকে পরাজয় কখনো গ্রাস করে ফেলতে পারেনি... সে মানুষটিই তো সত্যিকারের মেধাবী, শক্ত, হাজার শক্তি সম্পন্ন মানুষ।

জীবন নামের যুদ্ধক্ষেত্রে টিকে থাকতে গেলে.... শুধু মনের ভেতর অটুট বিশ্বাস রাখা দরকার এই যে- হাজার লম্বা টিকেটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সর্বশেষ ব্যক্তিটিও একটা না একটা সময় ঠিকই টিকেট পেয়ে গন্তব্যে পৌঁছায়, যদি তার মধ্যে ধৈর্য্য আর নিষ্ঠা থাকে, তাই জীবন যুদ্ধে টিকে থাকতে গেলে ভেঙ্গে পড়লে চলবে না, শুধু ব্রতী হিসেবে মনে রাখতে হবে-- "যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ"।

"জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সকলের যুদ্ধ অনিবার্য"

Be strong.✊❤️‍🩹

31/12/2024

Happy new year 2025.
সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
এই বছরটি সবার ভালো কাটুক এই কামনা করি সৃষ্টকর্তার কাছে। 💖💗

31/12/2024

আমার জীবনের বেস্ট একটা সাল কাটিয়েছি এই বছর। (২০২৪)
আমার জন্মের পর থেকে গত ২০ বছরে যা শিখি নাই।
এর থেকে বেশি শিখিয়েছে এই বছর আমাকে।
সারাজীবন এই বছরের প্রতিটা মুহূর্ত মনে থাকবে এবং কিছু মানুষকে এবং তাদের ব্যবহার।
এই সব মানুষগুলোকে বলতে চাই
আমি হার মানতে রাজি নই।
কারণ আমি ভগবানের পরিকল্পনায় বিশ্বাসী।
সঠিকভাবে পরিশ্রম করলে ভগবান কখনো কাউকে হারান না।
তাই আমি বিশ্বাস করি ভগবান সময়মত আমাকে সবকিছু দিবেন।
সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ ২০২৪ সালকে।

হ্যাপি নিউ ইয়ারের ২০২৫ এর অগ্রিম শুভেচ্ছা সবাইকে। 🫶💗
এই সালটা সবার জীবনে সুখ, শান্তি নিয়ে আসুক ভগবানোর কাছে এই কামনা করি ।🙏💖

22/11/2024

Me.. 😐

22/11/2024

☺️

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka