Edubook
Empowering learners and educators with engaging, high-quality educational resources.
গল্প এক
---------
০১. নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডকে গ্রহণ করেনি।
০২. ইয়াহু গুগলকে প্রত্যাখ্যান করেছিলো।
০৩. কোডাক এড়িয়ে গিয়েছিলো ডিজিটাল ক্যামেরাকে।
শিক্ষাঃ
------------
০১. ঝুঁকি নিতে হয়।
০২. পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে হয়।
০৩. সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে না-চাইলে, বাতিল হয়ে যেতে হয়।
************************
গল্প দুই
---------
০১. ফেসবুক নিয়ে নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইন্সটাগ্রামকে।
০২. দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় গ্র্যাব নিয়ে নিয়েছে উবারকে।
শিক্ষা:
------------
০১. অতো ক্ষমতাধর হতে হবে, যাতে প্রতিদ্বন্দ্বীরা মিত্রতা করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
০২. শীর্ষে উঠে যেতে হবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বিনাশ করে দিতে হবে।
০৩. নতুন আইডিয়ায় মনোযোগ দিতে হবে।
********************************
গল্প তিন
--------------
০১. কর্নেল স্যান্ডার্স কেএফসি প্রতিষ্ঠা করেছেন ৬৫ বছর বয়সে।
০২. জ্যাক মা, যিনি 'কেএফসি'-তে চাকরি পাননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন 'আলিবাবা' এবং ৫৫ বছর বয়সে অবসরে চলে গেছেন।
শিক্ষাঃ
-------------
০১. বয়স একটি সংখ্যা মাত্র।
০২. যারা চেষ্টায় থাকে, শুধুমাত্র তারাই সফল।
*********************************
গল্প চার:
--------------
০২. ল্যামবোর্ঘিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন একজন ট্রাক্টর-নির্মাতা, ফেরারি'র প্রতিষ্ঠাতা তাকে অপমান করেছিলো বলে এবং এর প্রতিশোধ হিসেবে।
শিক্ষাঃ
--------------
কাউকে তুচ্ছ ভাবতে নেই, কক্ষনো না।
স্রেফ পরিশ্রম করে যেতে হবে,সময়কে বুদ্ধিমত্তার সাথে ইনভেস্ট করতে হবে,ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া যাবে না।
Thanks for reading
Follow for more
23/11/2024
•আমার ১৯ বছর জাপান লাইফে কোথাও কোনদিন দেখলাম না কোন জাপানিজ মা খাবার নিয়ে বাচ্চার পিছ পিছ ঘুরে ঘুরে বা কার্টুন দেখিয়ে ঠেসে ঠুসে বাচ্চাকে খাবার খাওয়ায়।
•অথচ এ আমাদের প্রতিটি ঘরের কমন দৃশ্য ! ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যায় করতে হয় মায়েদের প্রতিদিন বাচ্চাকে খাবার খাওয়ানোর এই যুদ্ধে কিন্তু কেন করি এই কাজ আমরা হয়তো ভেবেই দেখিনা।
•আমি নিজেও প্রথম সন্তানের বেলায় এই অত্যাচার মাঝে মধ্যে করেছি বটে অনভিজ্ঞতার কারণে। ভুলিয়ে ভালিয়ে জোর করে খাওয়াতে খাওয়াতে শেষমেশ যখন বমি করে দিতো তখন আফসোস করতাম, ইশ এই শেষ লোকমা টা কেন খাওয়ালাম ! এতো সময় আর পরিশ্রম তো পন্ড হলো !
•ছোট একটা মানুষ তার স্টমাক আর কত বড় হবে, অল্পতে তার চাহিদা পূরণ হয়ে যায় কিন্তু আমাদের মন ভরেন, পারলে আমরা নিজেদের মতো এক প্লেট খাবার খাওয়াতে পারলে খুশি হতাম। এই কাজ যদি আমার উপর কেউ প্রয়োগ করতো, প্রতিদিন আমার পেট ভরে যাওয়ার পরেও কেউ জোর জবরদস্ত আমাকে খাওয়াতো যে পর্যন্তনা আমি বমি করি ! আহা নিজের সন্তাদের প্রতি এই জুলুমের কারণে এখনো আমি কষ্ট পাই।
•চাহিদার অতিরিক্ত খাওয়া কারোর জন্যই উপকারী বয়ে আনেনা, ক্ষতি ছাড়া। নাদুস নুদুস শরীর ওয়ালা বাচ্চা দেখলে আমার কষ্ট হয়, মনে হয় মাগুলোকে বকা দিই !
•বহু সুন্নাহর অনুসরণ আমি করতে দেখি জাপানিজদের মধ্যে যা আমাদের মধ্যে নেই, কি লজ্জার বিষয়! এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় দ্রুত ঘুমানো দ্রুত জেগে ওঠা।
•এটা যেমন জরুরি বড়দের জন্য তেমনি ছোটদের। বাচ্চার শারীরিক মানসিক বৃদ্ধিতে এটা খুই জরুরি একটা বিষয়। রাতে দ্রুত ঘুমালে সকালটাও হয় দ্রুত, সারাদিনের রুটিন টাই বদলে যায়। আমার বড় মেয়েটা কিছুদিন ডে-কেয়ারে ছিল আমার জব করার কারণে, তখন যে চমৎকার রুটিন টা আমি দেখেছি তা নিজেও কিছুটা মানার চেষ্টা করেছি। জাপানে একটা বাচ্চা বছর খানিক বয়স হলেই নিজে হাতে খাওয়া শিখানো হয়, চামুচ অথবা চপস্টিক দিয়ে, পরিবার বর্গের সাথে একসাথে খাবার খায়, ছোটদেরও একটা আলাদা চেয়ার থাকে, যতক্ষণ স্বেচ্ছায় খাবে ততক্ষনই, কোন জোরাজুরি নেই।
•এরপর বেলা ১০ টার দিকে স্নাক্স খেতে দেয় এরপর দুপুর ১২:৩০ এর দিকে তাদের লঞ্চ খাবার সময়। এরপর দুপুরের ঘুম দিয়ে ৩টার দিকে একটু হালকা খাবার খেয়ে মাঠে খেলতে যায়। খাওয়া যেমন জরুরি তেমনি জরুরি খেলাধুলা শারীরিক ব্যায়াম আর মেইন খাবারের আগে আগে তারা কখনো স্নাক্স খেতে দেয়না যাতে ক্ষুদা নষ্ট না হয়।
•৫টার দিকে ঘরে ফিরে গোসল সেরে ৬-৭ টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে ব্রাশ করে ৮টায় বেডে যাওয়া, ৯টার আগেই ঘুম !
•যখন ঘরে খাবার থাকেনা তখন আমাদেরও ক্ষুদা বেড়ে যায়, মেন্টাল কিছু ব্যাপার এখানে আছে। বাচ্চা যখন দেখবে খাবার টাইম শেষ হলে সে আর খাবার পাবেনা সে তখন ঠিকই খেয়ে নিবে। মা কে একটু শক্ত হতে হবে, দরকার হলে এক বেলা না খাইয়ে রাখতে হবে, দু এক বেলা না খেলে কিছু হয়না।
•কোন কিছু নিয়ে অলওয়েজ চাপা চাপা করলে এক ধরণের অনীহা আসতে পারে, উল্টা ক্ষুধামন্দা হতে পারে।
•আপুরা রুটিন টা যদি ফলো করতে পারো তাহলে গৃহকর্তা ঘরে ফিরলে তার সাথে কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটাতে পারবে। সে ঘরে ফেরার আগে নিজেকে একটু প্রস্তুত করতে পারবে এবং এটা খুব জরুরি একটা বিষয়। বাচ্চা হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে স্বামীকে আগের মতো কোয়ালিটি টাইম দেয়া সম্ভব হয়না তবে খেয়াল রাখতে হবে কোনোভাবেই যেন দূরত্ব তৈরী হয়ে না যায়। বাচ্চার খাওয়া দাওয়ার পিছে প্রয়োজনাতিরিক্ত সময় না দিয়ে কিছুটা সময় বাঁচিয়ে রাখবে স্বামীর জন্যে।
•আমার কাছে ও এই বিষয়টি খুব বিরক্তিকর।
ঘন্টার পর ঘন্টা সময় অথবা কার্টুন দেখিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ানো।
•হয়ত অনেকেই বলবেন আপনার বাচ্চা ভালো তাই আপনি বুঝবেন না।
•আচ্ছা একটা প্রশ্নের উত্তর দিন- কার্টুন দেখিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ানো এটা কি আপনার বাচ্চা আপনাকে শিখিয়েছে?
না কি আপনি আপনার বাচ্চা কে শিখিয়েছেন????
সময় থাকতে সাবধান হওয়া উচিত,,,,
******সংগৃহীত*****""
07/11/2024
•মা-বাবার মধ্যে ভালোবাসা দেখলে সন্তান নিজেও অনেক খুশি থাকে। তাদের মানসিক বিকাশ ভালোভাবে হয়।
যে পরিবারের সন্তানেরা মা-বাবাকে ঝগড়া করতে দেখে তাদের মনে নেগেটিভ ধারনা সৃষ্টি হয়। সবসময় মনের মধ্যে ভয় নিয়ে বড় হতে থাকে।
মা-বাবা থেকেই একটা বাচ্চা শিক্ষা পায়। এখন সেটা পজেটিভ হোক বা নেগেটিভ তার জন্য মা-বাবা ই দায়ী।
পরবর্তীতে সন্তান সেই শিক্ষাটা নিজের সাংসারিক জীবনেও ঘটায়।
নিজের বাচ্চা না শুধু কোন বাচ্চার সামনেই ঝগড়া করবেন না। তাদের সামনে এমন আচরণ করবেন না যেটা তাদের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।
প্রতিটি বাচ্চা সুস্থ- সুন্দর পরিবার পাক।
*******************************
28/10/2024
জাতীয় স্মৃতিসৌধ দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ বিসর্জন দেওয়া শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য নির্মিত একটি স্মৃতিসৌধ। এটি সাভার, ঢাকার কাছে অবস্থিত। স্মৃতিসৌধটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।স্মৃতিসৌধের নকশা করেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি স্তম্ভ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপকে প্রতীকায়িত করে। প্রতিটি স্তম্ভ দেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথে জনগণের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ধাপগুলোকে চিহ্নিত করে, যা জাতির চেতনা ও সংকল্পকে ধারণ করে। এই সাতটি স্তম্ভ নিম্নোক্ত ধাপগুলোকে প্রকাশ করে:
1. ১৯৫২- ভাষা আন্দোলন, মাতৃভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।
2. ১৯৫৪ - যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, যা গণতন্ত্রের জন্য প্রথম বড় বিজয়।
3. ১৯৫৮- সামরিক শাসনের সূচনা ও গণতন্ত্র হরণের প্রতিকূলতা।
4. ১৯৬৬ - ৬-দফা আন্দোলন, যা স্বাধীনতার রূপরেখা নির্ধারণ করে।
5. ১৯৬৯ - গণঅভ্যুত্থান, গণতন্ত্র ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন।
6. ১৯৭০ - সাধারণ নির্বাচন, যেখানে বাঙালির রাজনৈতিক অভিলাষ স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়।
7. ১৯৭১- মহান মুক্তিযুদ্ধ ও চূড়ান্ত বিজয়, যার মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জিত হয়।
এই সাতটি স্তম্ভ দেশের জন্য আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও অর্জনের ধারাবাহিকতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল।
প্রতিটি স্তম্ভের আকার ক্রমান্বয়ে বড় থেকে ছোট হওয়ার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ক্রমবিকাশকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি দেশের গর্ব ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে দেশবাসী প্রতি বছর মহান স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
27/10/2024
•আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যাক্টরি, শত কোটি টাকার উপর ব্যাংক লোন। এক মুহূর্তের জন্য শান্তি নেই। সারাদিন ব্যাস্ত দুনিয়ার পেছনে।
একদিন তাঁর অফিসে বসে গল্প করছিলাম, এমন সময় তাঁর এক কর্মচারী আসল। তার কোন কারণে কিছু টাকার দরকার। সে ইনিয়ে বিনিয়ে বলল, সে অত্যন্ত অভাবি ব্যক্তি, তাঁকে সাহায্য করার জন্য।
আমার বন্ধু হেসে বলল ''যদি অভাবের কথাই বলতে হয়, এই পুরো অফিসে আমার চেয়ে অভাবি আর কেউ নেই। আমরা একটু থতমত হয়ে গেলাম। আমি বললাম 'আমাদের সবার মিলিয়ে যত সম্পদ আছে তোর একারই তার বেশি আছে।'
সে বলল তোদের একটা গল্প শুনাই। তাহলেই আমার অভাবের রহস্য বুঝবি।
এক বিশাল ব্যবসায়ি, তাঁর সবই আছে খালি শান্তি নেই। খালি হাহাকার আর টেনশান। চিন্তায় মাথার চুল একটাও বাকি নেই। সে একদিন দেখল তাঁর অফিসের পিয়ন টেবিল মুছছে আর গুনগুন করে গান গাচ্ছে।
সে পিয়নকে দেকে বলল এই যে তুমি মনে মনে গান গাও, তোমার কি অনেক সুখ, তোমার মনে কি কোন দুঃখ নেই, কোন হতাশা নেই ?
পিয়ন বলে না, হতাশা কেন থাকবে স্যার, আপনি যা বেতন দেন তাদিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমার ভালই চলে যায়। আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই।
ব্যবসাইতো আরো টেনশানে পড়ে গেলেন। ওনার ম্যানেজারকে ডেকে বললেন, আমার সব আছে কিন্তু শান্তি নেই, আর ওই লোককে আমি সামান্য কয়টা বেতন দেই, সে আছে মহা সুখে, এর রহ্স্যটা কি?
ম্যানেজার বলল , রহস্য বললে বুঝবেননা। সত্যই যদি বুঝতে চান তাহলে, ওই পিয়নকে প্রমোশান দিয়ে একটা বড় পোস্টে দিন। আর তাঁকে দশলক্ষ টাকা দিয়ে দিন। এরপর দেখুন।
ব্যবসায়ি তাই করল।এতোগুলো টাকা,আর এতবড় চাকরি, পেয়ে পিয়ন আনন্দে আত্মহারা। বাসায়ও সবাই খুশি। যেহেতু এখন অফিসার হয়ে গেছে, এখনতো আর টিনের ঘরে থাকা যায়না। কলিগরা কি মনে করবে।
প্রথমেই বাসা পরিবর্তন করে আরেকটু অভিজাত এলাকায় এপার্টমেন্টে উঠলো। দেখল, বিল্ডিং এর সবাই সন্তানকে বড় সকুলে পাঠায়, তাই বাচ্চার স্কুলওচেঞ্জ করতে হল। কিছুদিন পড় বউ ঘ্যনঘ্যন শুরু করলো সবার বাসায় কত দামি আসবাব, ফ্রিজ, টিভি, আর আমাদের বাসায় কিচ্ছু নেই। ওগুলোও কিনতে হোল। এরপর শুরু হোল বাচ্চার প্রাইভেট টিউশান, নানা রকম দাবি দাবা। আগে ঈদে একজোড়া জুতা পেয়েই সবাই কত খুশি হত, আর এখন প্রতি মাসে একজোড়া দিলেও তৃপ্তি নেই।
যেহেতু সে এখন বড় চাকরি করে , পরিবারের সবার তাঁর কাছে প্রত্যশাও অনেক। সাধ্যমত চেষ্টাকরে, তাও সবার চাহিদা মেটাতে পারেনা। আত্মীয় স্বজন বন্ধু গন তাঁকে অহংকারি ভেবে দুরে সরে গেলো।।
এদিকে অফিসের সবাই ফ্লাট বা প্লট এ বুকিং দিচ্ছে। বৌ সারাদিন বাসায় খোটা দেয় , তোমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা। ছেলে মেয়র ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সে চাকরির ফাকে একটা দুইটা টিউশানি করা শুরু করলো। তাতেও কিছু হয়না। নানাবিধ টেনশান আর দুশ্চিন্তায় তারো মাথার চুল আসতে আসতে কমতে লাগলো।
ব্যবসায়ি লক্ষ করলেন ব্যপারটা। উনি বললেন কি ব্যপার , তোমাকে এতো বড় প্রমোশান দিলাম, এতো টাকাদিলাম, আর এখন দেখি তুমি আগের মত আর প্রাণবন্ত নেই। ঘটনা কি?
সে বলল স্যার , কিছু দুনিয়াবি সম্পদ দিয়েছেন, কিন্তু তাঁর সাথে যে এতো চাহিদা আর অভাব আসবে তাতো আর বুঝিনি। আগে আমার কিছুই ছিলনা, অভাবও ছিলনা। আর এখন যে দিকেই তাকাই , খালি নাই আর নাই। আগে আমার অভাব পড়লেও সেটা ছিল এক দুই হাজারের ব্যপার। কোন ভাবে মেটান যেত। আর এখন আমার অভাব লক্ষ কোটি টাকার। এটা মেটাবো সে চিন্তায় আমার এখন আর রাতে ঘুম আসেনা স্যার।
ব্যবসায়ি বলল, এতদিনে বুঝলাম, আমার মুল অসুখ। ১ টাকার সম্পদের সাথে দুই টাকার অভাব আসে। যতই দুনিয়ার পিছনে ছুটি কবরের মাটি ছাড়া এই অভাব আর অন্য কিছু দিয়েই পূর্ণ হবে না।
#সংগৃীত
22/10/2024
"একটি শিক্ষনীয় পোস্ট"
টমাস আলভা এডিসন কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনি জীবনে ভুল করেছেন?
তিনি বলছিলেন, 'অসংখ্যবার!'
তা শুনে প্রশ্নকর্তা বলেছিলেন, 'তাহলে তো আপনার মাথায় বুদ্ধি কম?
'উত্তরে এডিসন বলছিলেন 'মাথায় বুদ্ধি কম ছিলো কিন্তু অসংখ্যবার ভুল করার কারণে তা বেড়ে অসংখ্য গুণ হয়ে গিয়েছে!'
বেপারটা এমন, প্রতিবার ভুলের পর এডিসন নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করতেন । এভাবে সৃষ্ট সফল আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে।
"কানাডিয়ান বিখ্যাত লেখক রবিন শর্মা বলেছিলেন,
'ভুল বলে কিছু নেই সবি নতুন শিক্ষা।''
"বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন,
'কেউ যদি বলে সে কখনো ভুল করেনি, তার মানে সে কখনো চেষ্টাই করেনি।'
"বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন বলেছিলেন,
'উন্নয়ন হলো চেষ্টা এবং ভুলের একটি সমন্বিত পক্রিয়া।''
"বিজনেস গুরু রিচার্ড ব্রানসনের মতে, 'নিয়ম মেনে কেউ হাঁটা শিখতে পারে না বরং চেষ্টা এবং বার বার ভুল পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে হাঁটা শিখতে হয়।''
"কলিন পাওয়েলের মতে, 'যোগ্য নেতা জন্ম নেয় না তৈরী হয় চেষ্টা, ভুল এবং অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।''
"অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ মাইকেল জর্ডান বলেছিলেন, 'আমি অসংখ্যবার ভুল করেছি এবং ফেইল করেছি বলে আমি আজ সফল।''
"হেনরি ফোর্ড বলেছিলেন, 'ভুল হলো একমাত্র সুযোগ যার মাধ্যমে নতুন করে শুরু করার আরো সুযোগ পাবেন।''
"কথায় আছে, সত্যিকার মানুষ কখনো নির্ভুল হতে পারে না!"
"যদি সবকিছু নির্ভুল থাকে তাহলে তুমি কখনো কিছু শিখতে পারবে না!"
"মাঝে মাঝে ভুল লিখো-তাহলে দেখবে, জিন্দেগী তেও যে তোমার পোস্টে কমেন্ট করবে না বলে পন করেছে, সে ও লাফিয়ে লাফিয়ে এসে কমেন্ট করবে"
"পেন্সিল মানসিকতা হওয়ার চেষ্টা করো, যাতে ভুল হলে পিছন দিয়ে ঘষে মুছে নতুন করে চেষ্টা করার সুযোগ থাকবে! মুছা না গেলে চিত্র হয় না!"
"কলম মানসিকতার মানুষগুলো নিজেকে নির্ভুল ভাবে !
তাই কলম দিয়ে সুন্দর চিত্র হয় না"
সংগৃহীত
22/10/2024
প্রায় ৬ মাস আগে আমার সামনের ফ্ল্যাটের নতুন প্রতিবেশী ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড চাইলো। দিয়েও দিলাম, কারণ আমার তো আর অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে না; এছাড়া নতুন প্রতিবেশীর সাথে একটু খাতিরও হলো।
গতকাল বাসায় ফিরছিলাম। উনাকে দরজার সামনে দেখে কুশল বিনিময় ও হাল্কা আলাপের মাঝে জানালেন যে সম্প্রতি উনি নেটফ্লিক্স এ সাবস্ক্রাইব করেছেন এবং নতুন নতুন ম্যুভি দেখে সময়টা ভালোই কাটছে। মজা করে বললাম -" ভাই সারাদিন এতো ব্যস্ত থাকি যে টিভি দেখার সময়ই পাই না। আপনার নেটফ্লিক্সের পাসওয়ার্ডটা দিলে আমিও মাঝে মাঝে দুই-একটা সিরিয়াল দেখতাম।"
উনার ঘরের দরজা খোলা ছিল। ভিতর থেকে উনার গিন্নি প্রায় বেশ জোরে বলে উঠলেন-"পাসওয়ার্ড দিতে পারবো না। আমরা পয়সা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করেছি, পাসওয়ার্ড কেনো দিবো?"
কয়েক মুহূর্তের নিরবতা ভদ্রলোক ভাংলেন অপ্রস্তুত হাসি আর টুকটাক আলাপ শুরু করে। আমিও পালটা হাসি দিয়ে- "আরে কোন সমস্যা না" বলে নিজের বাসায় ঢুকে গেলাম।
কিছুক্ষন পর ভদ্রলোক আর তার গিন্নি হন্তদন্ত হয়ে বেল বাজালেন- দরজা খুলতেই জানালেন যে ওয়াইফাই কাজ করছে না, পাসওয়ার্ডও নিচ্ছে না, আর নেটফ্লিক্সও চালাতে পারছেন না।
এবার মুচকি হাসি দিয়ে বললাম- জি, পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দিয়েছি। ইন্টারনেট বিলটা যেহেতু আমিই দিচ্ছি তাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করবোনা ঠিক করেছি। মুখ শুকনা করে তারা ফিরে গেলেন । এর পর আর তাদের সাথে আন্তরিকতার দেখানোর প্রয়োজন অনুভব করিনি।"
লেখাটি একটা ইংরেজি লেখার অনুবাদ। তবে এর থেকে কিছু শিক্ষা অবশ্যই নেওয়া যায়-
বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, স্নেহ, মমতা, আন্তরিকতা, সন্মান এই সব কিছুই হওয়া উচিৎ পারস্পরিক।
নিরবতার বদলে নিরবতা, শুন্যতার বদলে শুন্যতা, মায়ার বদলে মায়া, অনুভূতির বদলে অনুভূতি, আনুগত্যর বদলে আনুগত্য, সন্মানের বদলে সন্মান- এভাবে চলতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান খুব সহজেই সম্ভব। এতে জীবনটা অনেক অনেক শান্তিময় হবে।
(সংগৃহীত)
আমড়ার উপকারিতা:
---------------------
আমড়া একটি পুষ্টিকর ফল এবং এর অনেক উপকারিতা রয়েছে। এখানে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপকারিতা দেওয়া হলো:
1. উচ্চ ভিটামিন সি এর উৎস:
আমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
2. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ:
আমড়ায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিকাল থেকে রক্ষা করে এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
3.হজমশক্তি বাড়ায়:
আমড়ায় থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
4. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ:
আমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে, যা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক।
5. ত্বক ও চুলের যত্নে:
আমড়ার ভিটামিন সি ত্বককে উজ্জ্বল করতে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
6. ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ:
ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের জন্য খুবই উপকারী এবং আমড়ায় প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে।
এছাড়া আমড়া ওজন নিয়ন্ত্রণ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়ক।
************************************
সুরা আল-ফাতিহা:
---------------------
• بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
• উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহি-ম।
✓ অনুবাদ : শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
• الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
• উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ -লামি-ন।
✓ অনুবাদ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
• الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
• উচ্চারণ : আররহমা-নির রাহি-ম।
✓ অনুবাদ : যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
• مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
• উচ্চারণ : মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন।
✓ অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি।
• إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
• উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন
✓ অনুবাদ : আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
• اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
•উচ্চারণ : ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম
✓ অনুবাদ : আমাদের সরল পথ দেখাও।
• صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
•উচ্চারণ : সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন।
✓ অনুবাদ : সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
পেয়ারার উপকারিতা:
---------------------
পেয়ারা একটি পুষ্টিকর ফল যা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার নিয়ে আসে। এটি ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি সমৃদ্ধ উৎস। পেয়ারার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা হলো:
1. ভিটামিন সি-এর উৎস:
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী।
2. হজমে সহায়ক:
পেয়ারাতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে, যা হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে।
3. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:
পেয়ারাতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী।
4. হৃদরোগ প্রতিরোধ:
পেয়ারা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, কারণ এতে পটাশিয়াম এবং সলিউবল ফাইবার রয়েছে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে।
5. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:
পেয়ারার ফাইবার ও পুষ্টিগুণ ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে, কারণ এটি ক্ষুধা কমাতে এবং দীর্ঘ সময় ধরে তৃপ্তি দিতে সহায়ক।
6. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো:
পেয়ারাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং লাইকোপেন থাকে, যা শরীর থেকে ফ্রি র্যাডিক্যাল অপসারণ করে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
7. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি:
পেয়ারা ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, যা চোখের জন্য উপকারী এবং রাতকানা বা অন্যান্য দৃষ্টিশক্তি সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
এই উপকারিতা ছাড়াও পেয়ারা সহজে পাওয়া যায় এবং এটি খাওয়া সহজ, তাই এটি দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka