SL Rana
কাঁটার মাঝে হাঁটতে শিখো,
হারলে তবু ভেঙো না,
যুদ্ধ করে জিততে হবে,
সাফল্য একদিন পাবে
03/08/2025
পেছনের চাকা ঘুরুক না ঘুরুক, আমি এখন রাজা এই সিংহাসনের! 🐶🏍️
বাইকটা আমার বিশ্রামের বিছানা, আর স্বপ্ন? পথের ধুলোয় লেখা গল্প! 😄
এটা হচ্ছে আমাদের ভীম
29/07/2025
"প্রকৃতি তার হৃদয় দিয়ে যখন কথা বলে,
তখন একটি গোলাপই যথেষ্ট—
চোখে সৌন্দর্য, মনে শান্তি, আর বাতাসে কবিতা… 🍃🌺"
13/07/2025
04/07/2025
স্বামীকে বাঁচাতে নিজের কি*ডনি দিলেন স্ত্রী, সুস্থ হয়েই পরকীয়ায় জড়িয়ে তাকেই করলেন নি-র্যা' তন
সাভারের মোহাম্মদ তারেককে বাঁচাতে নিজের কি*ডনি দেন স্ত্রী টুনি। অথচ সাত বছর পর সুস্থ হয়ে ওঠার পর সেই তারেকই আজ তার জীবনসঙ্গিনী টুনিকে মা/রধ/র করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি এক ডিভোর্সি নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে সংসার করছেন।
বিয়ের মাত্র দুই বছরের মাথায় টুনি জানতে পারেন, তার স্বামীর দুটি কি*ডনিই অচল হয়ে গেছে। বাঁচতে হলে তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হবে। এ সময় তাদের ঘর আলো করে এসেছে এক সন্তান। কঠিন এই সময়ে ভেঙে না পড়ে স্বামীর পাশে শক্তভাবে দাঁড়ান টুনি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যান, নিজে বুটিকে চাকরি করেন, বিয়ের স্বর্ণ বিক্রি করেন, মায়ের পেনশনের টাকা কাজে লাগান। সবশেষে নিজের একটি কি*ডনি স্বামীকে দান করেন। কি*ডনি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে তারেক নতুন জীবন ফিরে পান।
টুনি ভেবেছিলেন, তাদের কষ্টের দিন শেষ হলো। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর তারেক বদলে যেতে থাকেন। এক সময় জড়িয়ে পড়েন এক তালাকপ্রাপ্ত নারীর সঙ্গে পরকীয়ায়। এরপর শুরু হয় টুনির ওপর নি/র্যা/তন। একপর্যায়ে তাকে মা/রধ' র করে বাড়ি থেকে বের করে দেন তারেক।
বেদনার বিষয় হলো, চিকিৎসার সময় তারেকের পরিবারের সদস্যদের কি*ডনি ম্যাচ করলেও কেউ কি*ডনি দিতে রাজি হননি। একমাত্র স্ত্রী টুনিই নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে তাকে বাঁচান। অথচ সেই টুনির সাথেই এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা করলেন তারেক। মানুষ এতো জঘন্য হয় কি করে?
30/06/2025
শুভ সকাল
29/06/2025
নীরব দুপুরে সবুজের মাঝে দু’টি কালো পাখি, যেন ভালোবাসার গল্প বুনে যাচ্ছে নির্জনে
25/06/2025
🌸 আদরের ছোট বোনটা যেন একটুকরো ফুলের হাসি—সবুজের মাঝে তার গোলাপি রূপটা যেন স্বপ্নের মতো সুন্দর! 💖🌿
#ভালোবাসা_ভরা_একটু_পৃথিবী 🌺👧✨
24/06/2025
অল্প কিছু মুহূর্ত, কিন্তু মনে রাখার মতো দৃশ্য। 🌿✨
20/06/2025
বিদ্যুতের খুঁটির ক্যাবলের স্পর্শে নিভে গেল দুই নিরীহ প্রাণ…
নিরব কান্না বয়ে গেল সবুজ ঘাসের বুকে।
একটি সর্ক, দুটি প্রাণ...
অবহেলা আর অসতর্কতায় হারিয়ে গেল আকাশের গান।
নিচে পড়ে থাকা এই দুইটি পাখি,
আমাদের বলে গেলো — বিদ্যুৎ শুধু আলো আনে না, মৃত্যুও আনতে পারে।
উড়তে চেয়েছিল…
কিন্তু তার আগেই বিদ্যুতের সর্ক থামিয়ে দিল চিরতরে।
পাখিরা তো আকাশে ওড়ে,
আজ বিদ্যুৎ তাদের মাটিতে নামিয়ে আনলো – চিরদিনের জন্য।
Click here to claim your Sponsored Listing.