Preaching Authentic Islam In Bangla
[সালাফিয়্যাহ] ~ এই পৃষ্ঠাটির একমাত্র উদ্দেশ্য কুর‘আন ও সুন্নাহ্র আলোকে ইসলামের প্রকৃত বার্তা ছড়িয়ে দেয়া।
👉 বিশেষ নীতিমালা (Disclaimer)
https://www.facebook.com/PreachingAuthenticIslamInBangla
• এই পৃষ্ঠাটির একমাত্র উদ্দেশ্য কুর‘আন ও সুন্নাহ্র আলোকে ইসলামের প্রকৃত বার্তা ছড়িয়ে দেয়া।
• এই পৃষ্ঠাটি বিশেষ মতাবলম্বী, রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের আওতাভুক্ত নয়।
• এখানে প্রাপ্ত সকল উপকরণের মৌলিক উদ্দেশ্য জ্ঞান অর্জন। এখানে প্রকাশিত মতামত বা শেয়ারকৃত লিঙ্কের দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় পৃষ্ঠাটির নিজস্ব মতামতের প্
➽ আমাদের মা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর কাছে আসা নারীদের বলতেন,
“তোমরা তোমাদের স্বামীদের নিকট আমার বর্ণনা দিও না।”
📚 ইবন আবী শাইবাহ, আল-মুসান্নাফ ১৭৯২৪।
এ হচ্ছে আমাদের ও উম্মতের সকলের মায়ের বাণী। এটা থেকে আমরা যেসব শিক্ষা পাই তা হচ্ছে,
১- নারীদের উচিত নিজেদেরকে জাহির না করা।
২- আমাদের নারীদের উচিত তাঁকে আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করা।
৩- আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীর জন্য পবিত্রা নারীদেরকেই স্ত্রী হিসাবে বাছাই করেছেন।
৪- কোনো নারীর উচিত নয় অপর কোনো নারীর বিবরণ তার স্বামীকে জানানো।
৫- আমাদের নারীরা যেভাবে যেভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের প্রচার করে বেড়াচ্ছে সেটা কোনো জান্নাতী নারীর বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।
৬- একজন নারীর ওপর কর্তব্য হচ্ছে এমন স্থানে না যাওয়া যেখানে তার পর্দা লঙ্ঘিত হবে।
৭- একজন নারীর ওপর কর্তব্য হচ্ছে অপর নারীদেরকে তার বিষয়ে বাইরে কারো কাছে না বলার ব্যাপারে অসিয়ত করা।
৮- যারা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার ব্যাপারে বাজে কোনো মন্তব্য করে, যেমন শিয়া সম্প্রদায় তারা জগতের সর্বনিকৃষ্ট লোকদের অন্তর্ভুক্ত।
৯- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্নাম স্বয়ং আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার ফযীলত বর্ণনা করেছেন।
১০- দীনের অনেক মাসআলা আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার কাছ থেকে নিতে হয়েছিল তারপরও তিনি কোনো তালীমে বের হতেন না, পরামর্শ সভায় যোগ দিতেন না, রাষ্ট্রীয় পদ-পদবী গ্রহন করতেন না।
_ডক্টর আবু বকর মোহাম্মদ জাকারিয়া (হাফিযাহুল্লাহ)
ইমাম ইবনুল ক্বাইয়্যিম রাহি’মাহুল্লাহ বলেছেন,
“আল্লাহ তাঁর প্রিয় ঈমানদার বান্দাকে, যাকে তিনি ভালবাসেন, তাকে সামান্য ভুল ভুল-ত্রুটির কারণেই পাকড়াও করেন, শুধুমাত্র তাকে সতর্ক আর সংশোধন করার জন্য।
আর যে ব্যক্তি আল্লাহর চোখে নগন্য এবং তাঁর ভালবাসা থেকে বঞ্চিত, তাকে তিনি ইচ্ছামত পাপ করার সুযোগ দেন। বরং, যখনই সে একটা পাপ কিংবা অবাধ্যতার কাজ করে, তিনি তাকে (দুনিয়াবি সাফল্য দিয়ে) পুরস্কৃত করেন। ধোঁকা খেয়ে যাওয়া মানুষেরা ভাবে এইসব (সাফল্য) বুঝি সে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়ার কারনেই পাচ্ছে! অথচ এটাই হচ্ছে ব্যর্থতার চূড়ান্ত পর্যায়, আর তিনি তার জন্য ভয়াবহ আর চিরন্তন শাস্তি নির্ধারন করে রেখেছেন।”
[যাদুল মাআ’দঃ ৩/৫০৬]
🔊 চেয়ারে বসে কিভাবে সালাত আদায় করবেন? ~ শায়খ ডক্টর আযিয বিন ফারহান আল আনজি (হাফিযাহুল্লাহ)
🔊 তাশাহহুদে হাত রাখার সঠিক স্থান ও আঙুল নাড়ানোর সঠিক নিয়ম। ~ শায়খ ডক্টর আযিয বিন ফারহান আল আনজি (হাফিযাহুল্লাহ)
Click here to claim your Sponsored Listing.