TanMon

TanMon

Share

❣️আল্লাহুমা ইন্নী আস আলুকা মিন ফাদলিক❣️

10/06/2026

স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহর দে-- হ আবার ক-ব-র থেকে উত্তোলন করা হবে।। সালমান শাহর দে--হ বশেষ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছে আদালত।। আর কতবার তাকে তোলা হবে ক--ব--র থেকে!! আবারো নাকি ম--য়--নাত--দন্ত করা হবে এর আগে ও দুইবার তোলা হয়েছে, না জানি আর কতবার এই দে--হটাকে ক-- ব--র থেকে তুলতে হবে ন্যায়বিচারের আশায়।। অলরেডি ৩০ বছর হয়ে গেছে এখন কি এতটা সহজ কিভাবে খু-- ন করেছে প্রমান করা ওই দে-- হ দিয়ে!! হ্যা সম্ভব কিন্তু ভীষণ কঠিন কাজ।।

সালমান শাহ হ--** ত্যা মা//ম//লা//য় সামিরা আর ডন কে প্রধান আসামি করা হয়েছিলো।। এতগুলো দিন হয়ে গেলো তাঁদের কি ধরতে পেরেছে!! সামিরা আর ডন তো দিব্যি ফু--টানি করে পা--লিয়ে বেড়াচ্ছে।। তাঁদের ধরার তো কোনো হেলদোল দেখতে পাচ্ছিনা।। আবার ৩০ বছর পর লা-/ শ তুলে এরা কি প্রমান করবে!! সামিরা আর ডন রে ধরে গোটা চারেক ডিম খাওয়ালে তো সব সত্যি ব-- মি করে বের করে দিতো।। কাজের কাজ কিছুই নেই খালি পড়ে পড়ে অ-- কাজ করে।। এতো গুলো দিন হয়ে গেলো এখনো আসল ডা-য়নি টাকে গ্রে--প্তা--র করতে পারিনি, ঐদিকে মৃ**--**ত মানুষটাকে ম--রা--র ৩০ বছর পর ও শান্তি দিচ্ছেনা।।

এতই যদি সালমান শাহ কে ন্যায়বিচার দিতে চায় তাহলে সামিরা আর ডন কে আগে গ্রে--ফ--তার করা হোক।।😔

10/06/2026

সদরঘাটে লঞ্চ দু--র্ঘ--টনায় মা// রা যাওয়া সোহেল ফকিরের কথা আপনাদের মনে আছে!! রোজার ঈদ করতে গর্ভবতী স্ত্রী আর বাবাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলো সোহেল।। প্রায় ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে বাঁ---চাতে গিয়ে নিজের প্রা--ণ টাই দিয়ে দিয়েছিলো সোহেল।। লঞ্চ যখন এগিয়ে আসছিলো নদীতে ঝাঁপ দিলে বেঁ/ চে যেতো পারতো সোহেল।। কিন্তু সামনে ছিলো স্ত্রী যার গর্ভে সোহেলের অনাগত সন্তান।। অনাগত সন্তানকে আর স্ত্রীকে রক্ষা করতে সোহেল সামনে দাঁড়িয়ে রুখে দিতে চেয়েছিলো লঞ্চটিকে, কিন্তু লঞ্চের শক্তির কাছে হার মেনে যায় সোহেলের শক্তি পি--- ষ্ট করে দেয় লঞ্চ সোহেলকে,
মা//**রা যায় সোহেল।।

তবে ঐদিন এক বাবার সন্তানকে বাঁচানোর সেই আত্মবিশ্বাস জিতে গেলো।। সোহেল বাবা হয়েছে, সোহেলের স্ত্রী ও সন্তান একদম সুস্থ আছে।। সোহেল
মা// রা গেছে প্রায় ৩ মাস বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের সোহেল আর তার বাবা একই দিনে লঞ্চ দু--র্ঘ--টনায়
মা// রা গিয়েছিলো।। সারা বাংলাদেশ কেঁদেছিলো ওই নি--*র্ম--**ম মৃ// ত্যু দেখে।। আজকে সোহেলের ঘর আলো করে ফুটফুটে এক পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছে।। তবুও সোহেলের পরিবারে শো--কের ছায়া ওদের চোখের অশ্রু যেনো থামছেই না।। জন্মের পর বাবা দেখলোনা সন্তানকে, সন্তান দেখলোনা বাবা কে, এ কেমন ভাগ্য!! অনাগত সন্তান গর্ভে থাকতে কতো স্বপ্ন দেখেছিলো সোহেল তাকে নিয়ে।।

সোহেলের ছেলে যখন বড় হবে তখন ওই ভিডিও গুলা দেখবে কিভাবে তার বাবা তার মা আর তাকে বাঁ--চা--তে গিয়ে হিরোর মতো সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল।। তাকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে তার মা একা ফাইট করেনি, তার বাবা ও প্রা-- ণ বি-- লিয়ে দিয়ে গেছে।। আল্লাহ বাচ্চাটিকে নেক হায়াৎ দান করুন।

10/06/2026

সম্পর্ক হতে হবে সমতার, মর্যাদার।। কথা হবে চোখে চোখ রেখে।। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সম্মানের প্রশ্নে বিন্দুমাত্র ছাড় নয়। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি, সাবাস।।
গু**--**লি করতে করতে বেডাদের অনেক তেল জমে গেছিলো।। আজকে বিজিবি ওদের তেল ছু--টালো, ভয়ে বেডারা লেজ গুটিয়ে পালালো।।

ওপার থেকে এপারে দাদাগিরি করছিলো বিএসএফ।। এক বাংলাদেশী নাগরিক নিজেদের সীমানায় কৃষিকাজ করছে।। হঠাৎ লাল পতাকা নিয়ে এসে ভা--রতের বিএসএফ বিজিবির সাথে এসে পাট নিচ্ছে।। বেডারা পাট নিয়ে বলে --- আমরা কিন্তু ওদের গু**//**লি করবো।।

আমাদের বিজিবি একদম স্পটেই এমন ভাবে রুখে দাঁড়ালো যেইটা দেখে গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেলো।। আমাদের বিজিবি সিনা টান করে, গলা উঁচিয়ে বললো --- আপনারা গু**--**লি চালাবেন আমরা কি হাতে চুড়ি পড়ে থাকবো!! এত বড় সাহস, গু**--**লি চালানোর কথা বললেন কেন!! আপনারা গু**--**লি করবেন, আমরা কি চুড়ি পড়ে আছি!! আমাদের কি গু-- **--লি নাই!!

এই কথা বলার পরে বেডাদের চেহারা দেখার মতো ছিলো।। দাদাগিরি করতে এসে মিয়াও হয়ে চলে গেলো।। ওরা ভুলে গেছে বাঙালি কি জিনিস।। বাঙালিরা বাংলার বাঘ ওইসব মিয়াও এ ভয় পায়না।। যু--দ্ধ করতে সব সময় সাহস লাগে ঈমানী শক্তি লাগে আর সেটা বাংলার জনগণের আছে দেশের এক ইঞ্চি মাটি ছাড় দেওয়া হবে না।।
চির উন্নত মম শীর, স্যালুট জানাই আমাদের বিজিবি কে🥰

10/06/2026

৭ লাখ টাকা ঋণ করে মালদ্বীপ যাওয়া যুবকের বুকফাটা আর্তনাদ! 💔"বাড়ি ফেরার সাহসটুকুও হারিয়ে ফেলেছি..." 🥺
সংসারের অভাব দূর করবেন, পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন—এই আশায় ৭ লাখ টাকা ঋণ করে মালদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিলেন এক যুবক। কিন্তু ভাগ্য তার সহায় ছিল না। মাত্র ১৯ দিনের মাথায় সব হারিয়ে তাকে দেশে ফিরে আসতে হলো। 😔
এই অল্প কদিনে তাকে লড়তে হয়েছে কাজের অনিশ্চয়তা, তীব্র অর্থকষ্ট আর অনাহারের সাথে। অনেক সময় খাবার জোটেনি, শুধু পানি খেয়ে দিন পার করতে হয়েছে। 💧🍽️
আজ তিনি বিমানবন্দরে বসে আছেন নীরবে। বাড়ি যাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না। মাথায় শুধু একটা চিন্তা—"পরিবারকে কী জবাব দেব? ঋণের টাকা কীভাবে শোধ করব?" 😭
ঝলমলে প্রবাস জীবনের পেছনে লুকিয়ে থাকা এমন হাজারো বাস্তব আর করুণ গল্প হয়তো আমাদের অজানাই থেকে যায়। আল্লাহ এই ভাইকে এই কঠিন বিপদ থেকে উদ্ধার করুন। 🤲❤️

10/06/2026

এই দুই এতিমের বাপ ঋণ করে বিদেশ গিয়েছিল। গ্রামের মানুষের কাছ থেকে ধার, এনজিওর কিস্তি, আত্মীয়দের কাছে হাত পেতে জোগাড় করা টাকা—সব মিলিয়ে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমিয়েছিল প্রবাসে। ভেবেছিল, কষ্ট করবে, ঋণ শোধ করবে, ছেলেমেয়েদের মুখে হাসি ফুটাবে।

কিন্তু ভাগ্য বড় নির্মম।

ঋণের চাপ, সংসারের চিন্তা আর টেনশনে একদিন স্ট্রোক করে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন তিনি। রেখে গেলেন দুইটা ছোট্ট এতিম সন্তান, অসহায় স্ত্রী সালমা বেগম আর পাহাড়সম দেনা।

স্বামী মারা যাওয়ার পর সালমা বেগম যখন দিশেহারা, তখন শুনলেন সরকার থেকে প্রবাসী মৃত্যুর অনুদান পাওয়া যাবে। সেই আশায় দুই সন্তানকে বুকে নিয়ে অফিসে গেলেন আবেদন করতে। কিন্তু সেখানে কিছু মানুষ মানুষের কষ্টকে ব্যবসা বানিয়ে বসে ছিল।

যে আবেদন সম্পূর্ণ ফ্রি, সেই আবেদন করার জন্যই তার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা দাবি করা হলো!

ভাবেন একবার, যে নারী স্বামী হারিয়ে দুইটা এতিম সন্তান নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই করছে, তার কাছ থেকেও টাকা নিতে বিবেক কাঁপলো না!

কিন্তু সালমা বেগম হার মানেননি। গোপনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। তারপর সেই ভিডিও নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে যান, পরে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের কাছেও পৌঁছান। ভিডিও দেখে তিনিও হতবাক হয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে গিয়ে অভিযুক্ত দুইজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন এবং বহিষ্কারের নির্দেশ দেন।

আল্লাহর দুনিয়ায় সব সময় অন্যায় টেকে না।

তবে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়—মানুষ কতটা নিচে নামলে এতিম বাচ্চার হক খেতে পারে? যে টাকা তাদের বাবার মৃত্যুর পর শেষ ভরসা হওয়ার কথা, সেই টাকাও যদি কেউ হাতিয়ে নিতে চায়, তাহলে তার বিবেক কি সত্যিই বেঁচে আছে?

এই পৃথিবীতে গরিবের কান্না আর এতিমের হক নিয়ে খেলা করার চেয়ে বড় লজ্জা আর কিছু নেই। 💔

10/06/2026

১৭ জন ডাকাত মিলে প্রবাসীর স্ত্রী এবং মেয়েকে পালাক্রমে ধ/র্ষ/ণ করেন।
গ্রামবাসী বলছেন প্রবাসীর স্ত্রী ও মেয়ে সুন্দরী,
ডাকাতদের মেইন উদ্দেশ্যই ছিল ধ/র্ষ/ণ করা,
আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছে ঐ এলাকার মেয়ে*রা।
এদেশে নিরাপত্তা কি আর কখনো ফিরে আসবে না
হচ্ছেটা কি, বিবেক বুদ্ধি সব লো*প পেয়ে যাচ্ছে।
পৃথিবীতে এরকম দেশ কি আর আছে, যেখানে নির্বিঘ্নে অন্যা*য় অবি*চার করা যায়?
--- কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে😢

10/06/2026

ভাইরে ভাই! বাংলাদেশ একটা মনের মতো প্রধানমন্ত্রী পাইছে।😁

ঘটনাটা হলো, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাহেব নাকি ফ্রান্স যাওয়ার একটা সুন্দর প্ল্যান করেছিলেন। উদ্দেশ্য হলো, ফ্রান্সে গিয়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন।

​কিন্তু বিধি বাম! ফাইল যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টেবিলে গেলো, তিনি এক কলমের খোঁচায় প্রস্তাবটা রিজেক্ট করে দিলেন। আর রিজেক্ট করার পেছনে যে যুক্তিটা দিয়েছেন, সেটা এক কথায় রিয়েলিস্টিক!

​প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার নোটে লিখে দিয়েছেন,
​"রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক প্রকৌশলী নন, বিধায় তাঁর যাওয়া কোনো গুরুত্ব বহন করে না। এ বিষয়ে কোনো প্রকৌশলী জ্ঞান আহরণ করলে তা কাজে লাগবে।"

​একদম ঠিক কথা! টেকনিক্যাল নলেজ শিখতে যাবেন ইঞ্জিনিয়ার, সেখানে আমলা বা প্রশাসকের গিয়ে কী লাভ?

প্রধানমন্ত্রী আরও একটা দারুণ পরামর্শ দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের ইনোভেটিভ কাজে বাইরের দেশের দিকে না তাকিয়ে আমাদের দেশের বুয়েট বা অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাহায্য নেওয়া উচিত।

এই কালচারটা আমাদের দেশে বহু বছর ধরে চলে আসছে। নলেজ শেয়ারিং এর নামে সরকারি টাকায় আমলাদের বিদেশ ভ্রমণ। পুকুর খনন শিখতে বিদেশ, খিচুড়ি রান্না দেখতে বিদেশ, মশক নিধন করতে বিদেশ আর এখন লাইট-বিদ্যুতের কাজ দেখতেও প্রশাসক সাহেবের ফ্রান্স যাওয়া লাগবে?
ট্যাক্সের টাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ আসলে এক ধরণের লাক্সারি ট্যুর ছাড়া কিছুই না।

যেই ডিপার্টমেন্টের কাজের সাথে যার কোনো সম্পর্ক নেই, তিনিও লিস্ট বগলদাবা করে বিদেশে উড়াল দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তটাকে ১০-এ ১০ দেওয়াই যায়। আশা করি শুধু রাজশাহী না, দেশের বাকি সব দপ্তরের ভ্রমণপিয়াসী কর্মকর্তাদের জন্যও এই মেসেজটা একদম ক্লিয়ার থাকবে।
জনগণের টাকার অপচয় বন্ধ হোক। 🖤

09/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো হয়েছে,,,
ধ/র্ষ/ণকা/রীকে প্রথমে শা-য়েস্তা করলেন এলাকার নারীরাই। লাল জামা পরা মেয়েটি যেন একাই প্র-তিবা-দের প্রতী-ক হয়ে উঠেছিল। তিনি বলতে থাকেন, “তোমরা পুরুষরা কোনো বি-চার করতে পারবে না, আজ আমরা এর বি-চার করব।”

এরপর পুলিশের কাছ থেকে ধ/র্ষ/ণকা/রীকে টে-নে নিয়ে গিয়ে একের পর এক চ/ড়-থা/প্পড় মা/রতে থাকেন তিনি। ছবিগুলোতেও দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি তিনিই তাকে আ/ঘা/ত করছেন। তার সঙ্গে আরেকজন তরুণীও ছিলেন, তিনিও কম যাননি।

মেয়ে দুটির ক্ষো-ভ ও তা-ণ্ডব দেখে আশপাশের ১৫-২০ জন পুরুষ দূ'রেই দাঁড়িয়ে থাকেন। কেউ এগিয়ে আসেননি। মাত্র ৩-৪ মিনিটের মধ্যেই তারা ধ/র্ষ/ণকা/রীকে ভালোভাবেই শা-য়েস্তা করে ফেলেন। এলাকাবাসী তাদের এই ক্ষো-ভ দেখে অবা'ক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন, আবার কেউ কেউ হাসছিলেন।

পাঁচ বছরের একটি শি'শুকে ধ/র্ষ/ণের অ'ভিযো'গে অভি-যুক্ত ওই ব্যক্তিকে এলাকাবাসী ধ-রে পুলিশের হা-তে তু-লে দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নে।

09/06/2026

📣⚽ বিশ্বকাপের আনন্দ রূপ নিল বি'ষাদে: চাঁদপুরে মর্মা'ন্তিক দুর্ঘ'টনা! 😥
একটি পতাকা ওড়াতে গিয়ে ঝরে গেল একটি তা'জা প্রাণ। চাঁদপুরে কাঁচা বাঁশের মাথায় প্রিয় দলের পতাকা বেঁধে আম গাছের মাথায় ওড়াতে চেয়েছিল এই ফুটবলপ্রেমী কিশোর। কিন্তু হঠাৎ কাঁচা বাঁশটি ব্যালেন্স হারিয়ে সরাসরি কারেন্টের তারের উপর পড়ে...😭 আর মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় সব!
⚠️ সবাই সাবধান হোন:
বিশ্বকাপের এই আনন্দ যেন কোনোভাবেই কারো পরিবারের আজী'বনের ক'ষ্টের কারণ না হয়। উন্মা'দনা যেন আমাদের বিবেক ও সতর্কতা গ্রাস না করে। আল্লাহ পাক সবাইকে বুঝার তাওফিক দান করুন। আমিন। 😔

09/06/2026

🗣️টিআইবির প্রতিবেদনে উ/দ্বেগ: নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ হ/ত্যা/কা'ণ্ড, ধ/র্ষ/ণের শিকার ২০৯ নারী-শি/শু
ঢাকা: নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ১০০ দিনে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উ'দ্বেগ প্রকাশ করেছে Transparency International Bangladesh (TIB)। সংস্থাটির প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এ সময়ে দেশে হ/ত্যা, ধ/র্ষ/ণ, নারী ও শি/শু নি/র্যাতন, অ/পহরণ, ছি/ন//তাই,
ডা/কাতি ও চু/রিসহ বিভিন্ন ধরনের অ'পরাধের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে ঘটেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০০ দিনে দেশে মোট ৬০৫টি হ/ত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। একই সময়ে ২০৯ জন নারী ও শি/শু ধ/র্ষ/ণের শিকার হয়েছেন। এছাড়া নারী ও শি/শু নি/র্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৪৯৬টি, অ/পহরণের ঘটনা ১৯৬টি, ছি/নতাই ২৯৪টি, ডা/কাতি ৯০টি এবং চু/রির ঘটনা ২ হাজার ২১৪টি। এ সময় পুলিশের ওপর হা/মলার ১২৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক Dr. Iftekharuzzaman বলেন, সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক ছিল। হ/ত্যা,
ধ/র্ষ/ণ, ডা/কাতি ও বিভিন্ন ধরনের অরাজকতার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটেছে, যা জননিরাপত্তা ও সুশাসন নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নাগরিকের জীবন, সম্পদ ও সম্মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাই এসব অপরাধের পরিসংখ্যান কেবল সংখ্যা নয়; এর পেছনে রয়েছে অসংখ্য পরিবারে নেমে আসা শোক, আ/তঙ্ক ও অ/নিশ্চয়তার বাস্তবতা।
বিশ্লেষকদের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। জননিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের উদ্যোগ কতটা
সফল হবে, তা নিয়ে নজর রাখছে দেশের সচেতন মহল।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Dhaka