All In One

All In One

Share

All In One is video upload page.movie and Music.

Your horoscopes,science and technology and lifestyles you can see here as news
We always will be known you our new and best collection just stay with us

07/08/2023
14/05/2022

বছর ঘুরে রমজান মাস একবার এলেও, মুসলমানরা ২০৩০ সালে রমজান মাস পাবে দুবার। দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম নিউজ ২৪-এর প্রতিবেদন এ খবর নিশ্চিত করেছে।সিয়াম সাধনা ও আত্মশুদ্ধির পবিত্র মাস মাহে রমজান। প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের জন্য রমজান মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছরের বিশেষ এই মাসটি মহান আল্লাহর তরফ থেকে মুমিন বান্দাদের জন্য অফুরন্ত নেয়ামত আর বরকতে পরিপূর্ণ।বরকতের এই মাসটি প্রতিবছর একবার পাওয়া গেলেও ২০৩০ সালে রমজান মাস দুবার পাওয়া যাবে। দুবাই অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হাসান আহমেদ আল হারিরি নিশ্চিত করেছেন, ২০৩০ সালে দুটি রমজান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কারণ হিসেবে চন্দ্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইংরেজি বর্ষপঞ্জি ও চান্দ্র বছরের মাসগুলোর পার্থক্যের কারণে এমনটা ঘটবে। সাধারণত ইংরেজি বছরের মাসগুলো ৩০ অথবা ৩১ দিনে নির্ধারিত থাকে। কিন্তু চান্দ্র বছরের মাসগুলো নির্ধারিত হয় ২৯ অথবা ৩০ দিনে। মাসে দিনের এই পার্থক্যের কারণে ইংরেজি বছর শেষে চান্দ্র বছর ১১ দিন কমে যায়।

চন্দ্র বিশেষজ্ঞ মিনহাল খান জানান, এভাবে বছরে ১১ দিন পার্থক্য থেকে যাওয়ায় ২০৩০ সালে দুবার রমজান মাস পাবে মুসলমানরা।

এ বিষয়ে সৌদি আরব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের জলবায়ুর অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মুসনাদ মনে করেন, দুবার রমজান মাসের সঙ্গে সে বছর রোজা হবে ৩৬টি। তবে এই ৩৬টি রোজা একবারে হবে না।

চান্দ্রবর্ষ হিসাবমতে, ২০৩০ সালের প্রথম রমজান মাস পাওয়া যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি। এ হিসাবে ১৪৫১ হিজরির পবিত্র রমজান মাসের রোজা হবে ৩০টি।

এর ঠিক ১০ মাস পর আরও একটি রমজান মাস পাওয়া যাবে। অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাওয়া এই রমজান মাসে রোজা হবে ৬টি।ইংরেজি বর্ষপঞ্জি ও চান্দ্র বছরের মাসগুলোর পার্থক্যের কারণে মুসলমানরা ২০৩০ সালে দুটি রমজান মাস পাবে। সেই সঙ্গে রোজা পাবে ৩৬টি।

Copyright

09/05/2022

bow vul dhorte jaben na! Gele fese jaben

21/01/2022

মহানবি (স) এর বিদায় হজের ভাষণ সম্পকে জেনে নিন

মহানবি (স) এর মক্কা বিজয়ের পর মক্কার সকলে ইসলাম গ্রহণ করতে লাগল । এক পযায়ে বিশ্বজুড়ে ইসলাম পৌছে যেতে থাকল । তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি আর বেশি দিন পৃথিবীতে থাকবেন না । তাই ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে বা দশম হিজরিতে হজ করার ইচ্ছা করলেন । এই হজ বিদায় হজ নামেই পরিচিত ।

যুলহুলাইফা নামক স্থানে এসে সকলে ইহরাম বেঁধে বাইতুল্লাহর দিকে রওনা দিল । জিলহজ মাসের ৯ তারিখে আরফাত ময়দানে উপস্থিত জনসমুদ্রে উদ্দেশ্যে এক যুগান্তকরি ভাষণ দেন হযরত মোহাম্মদ (স) । এই ভাষণে তিনি কিছু দিক নিদেশনা দেন । আরাফাতের ময়দানের পাশে জাবালে রহমত নামক পাহাড়ে উঠে তিনি সবপ্রথম মহান আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা করলেন । তিনি এই ভাষণে আরও বলেন –

১। হে মানব সকল । আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনবে । কারণ আগামী বছর আমি এখানে সমবেত হতে পারব কিনা জানি না ।

২। আজকের এ দিন,স্থান ও মাস যেমন পবিত্র তেমনই তোমাদের জীবন ও সম্পদ পরস্পরের নিকট পবিত্র ।

৩। মনে রাখবে অবশ্যয় একদিন সকলকে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হতে হবে ও নিজ কাজের হিসাব দিতে হবে ।

৪। তোমরা স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যাবহার করবে । তাদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার আছে তেমনই তোমাদের উপর তাদের অধিকার রয়েছে ।

৫। সবদা আমানত রক্ষা করবে এবং পাপ কাজ করবে না ও সুদ খাবে না ।


৬। আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করবে না । আর অন্যায়ভাবে একে অন্যকে হত্যা করবে না ।

৭। ধম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না । পূবের অনেক জাতি এ কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে । নিজ যোগ্যতা বলে ক্রিতদাস যদি নেতা হয় তবে তার অবাধ্য হবে না । বরং আনুগত্য করবে ।

৮। আজ থেকে বংশগত শ্রেষ্ঠত্ব বিলুপ্ত হলো । শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি সৎকম । সে ব্যাক্তিই সবচেয়ে সেরা যে নিজের সৎকম দ্বারা শ্রেষ্ঠত্ব অজন করে ।

৯। আমিই শেষ নবি । আমার পরে আর কোন নবি আসবে না ।

১০। আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর কোরআন ও নবির আদশ রেখে দিলাম । এগুলো আকড়ে ধরলে তোমরা পথভ্রষ্ঠ হবে না ।

১১। তোমরা যারা উপস্থিত আছো তারা সবাই অনুপস্থিতদের কাছে আমার বাণী পৌঁছে দিবে ।

এছাড়া আরও কিছু গুরুত্বপূণ বক্তব্য দিয়েছিলেন । সব সময় ক্রিতদাসদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার নিদেশ দিয়েছেন ।

14/09/2021

আপনি কি জানেন...??Lol শব্দের অর্থ কি...!!

আপনি হয়তো বলবেন Lost of love অথবা Laughing lord..!!
নাহ আপনি ভাবতে ও পারবেন না এর পিছনে কতটা শয়তানী চক্র রয়েছে।

Lol শব্দের আরেক অর্থ :-Lucifer our Lord ও হয়। যার অর্থ :- শয়তান আমাদের ঈশ্বর!! (নাউজুবিল্লাহ).....!!

আপনি কি জানেন এর প্রচলন কোথা থেকে এসেছে...??

এটি এসেছে ইলুমিনাতি গুপ্ত সংগঠন থেকে। ইলুমিনাতি হলো সেইসব সংগঠন যারা শয়তান কে ঈশ্বর মানে।
যাদের কথায় কথায় lol শব্দ বলার অভ্যাসটা আছে।
তাই এখনই এটা ত্যাগ করুন...!!

আল্লাহ আমাদের সকল কে সঠিক বুঝ দান করুন এবং এই সমস্ত গুনাহ থেকে হেফাজত করুন।

আমীন...🤍🥀"অনেকেই অনেক রকম যুক্তি দিবেন।।মুসলিম হিসাবে বিতর্কিত বিষয় এড়িয়ে চলায় ভালো।

আর এটা ব্যাবহার না করলে যে সমস্যা হবে তা-তো-না।

08/09/2021

"কুষ্টিয়া শহরে কি আছে?

কিছুই নাই!

মজমপুর বাসস্টান্ড থেকে উঠবেন আটোতে, দশ মিনিট পড়ে ৫ টাকা দিয়ে বড়বাজার রেলগেটে নামবেন। কুষ্টিয়া শহর ঘুরে দেখা শেষ।

তারমাঝে রথখোলার মন্দির পাড় হওয়ার সাথে সাথে পুরাতন কলকাতার আবহাওয়া পাবেন হালকা। যারা পুরাতন কলকাতাতে ঘুরেছেনে তারা বুঝবেন। আশে পাশের বিল্ডিং গুলা, দোকানের প্যাটার্নের, রাস্তার পানিপুরি ফুচকার মাঝে এ আমেজটা আছে।

বড় বাজার রেলগেটে নেমেই দেখবেন হাতের ডানে গান্ধী হোটেল। হাতে অফুরন্ত সময় থাকলে ধাম করে ডাবল ডিমের একটা মোগলাই এখানে খাওয়া যেতেই পারে। গান্ধী হোটেলর অপরদিকে কচুরী পাবেন খেতে৷

বড় বাজার থেকে ইচ্ছা হলে দুই মিনিট হেটে গড়াই নদীর তীরে যেতে পারেন, আবার আরেকটা অটো নিয়ে লালন শাহ এর মাজার ঘুরে দেখতে পারেন। মাঝ রাস্তাতে পড়বে টেগর লজ! রবী ঠাকুরের বাড়িতে উকি দিতেই পারেন। আর পুরা এই এলাকার মাঝে আছে, এক সময়কার এশিয়ার সব থেকে বড় বস্ত্রকল 'মোহিনী মিল'।

মোহিনী মিলের গেটের পাশেই কিন্তু পাবেন বিখ্যাত তিলের খাজার কারখানা। সাহস নিয়ে ঢুকে পড়বেন। ধীম ধাম গরম তিলের খাজা চালান করবেন পেটে। কুমিল্লার রসমালাই অনেক বিখ্যাত! খুব টেস্ট, বিশ্বাস করেন কুষ্টিয়া রসমালাই বিশেষ করে অশোকের রসমালাই খাওয়ার পড়ে, আপনাকে দ্বিতীয়বার চিন্তা করতে হবে৷ কুমারখালীর দই খাওয়ার পড়েও আপনাকে বগুড়ার দই-এর টেস্টের সাথে একটা পরীক্ষা করা লাগতেই পারে।

যেখানে শাহের বারাম খানা!! সেখানে গিয়ে গান শুনবেন। খানেক জিড়াবেন। একটা কুলফি খাবেন৷ অতঃপর রানীর ঘাটে বসে কালী নদীর শান্ত পানির দোলনের সাথে হাওয়া দেখবেন বাতাস খাবেন।

কুষ্টিয়াতে কিন্তু আবার গরুর দুধের চা বেশী চলে। আমরা মাঝে মাঝেই চা খেতে চলে যাই মোল্লা তেঘরিয়ার মোরে,কখনো রাহিনীতে আবার কখনো কাটাইখানা মোড়ে।ইচ্ছে হলে চা এর সাথে টা হিসেবে আপনি পোড়া রুটিও খেতে পারেন।আহা কি স্বাদ!অমৃতের মতো৷ গরম গরম পেটিস খেতে হলে হরিবাসোর মোরে মন্দিরের পাশে! বিকালে আড্ডাবাজির জন্য সরকারি কলেজের পুকুর হচ্ছে বেস্ট।সেখানকার ঝালমুড়ি খেয়ে দেখতে পারেন।মন্দ নয়!

বিকালে আগে ঘোরার জায়গা ছিলো রেইনউইক বাধ! এখন সেটা হরিপুর শেখ রাসেল ব্রীজ। ব্রীজে এপার ওপার দুইপারে জনসমুদ্র! এই জনসমুদ্র ভালো না লাগলে হুট করে চলে যাবেন মোহনায়! পদ্মার পেট ফুড়ে গড়াই এখানেই জন্মেছে! আহা কি তার রুপ! মনে হয় সাগর। শহরের দিকে গড়াই শুকনা।এটা কিন্ত কুষ্টিয়ার মিনি কক্সবাজার।

কুষ্টিয়া গিয়ে খুব টাইম ট্রাভেল এ ভ্রমণ করতে মন চাইলে হুট করে চলে যাবেন কুমারখালী!! এই শহরের আনাচে কানাচে এমন ভাবে অতীতকে আকড়ে ধরে আছে, আপনি না চাইলেও চলে যাবেন ব্রিটিশ আমলে। কুমারখালী গেলে রমেশের সন্দেশ কিন্তু মাস্ট। আর হ্যা, কুমারখালীর মটকা সাথে মটকা চা। এইটা কিন্তু এন্ডেমিক জিনিস ভাইয়া। লুংগি গামছা আর বেডশীট নিতে ভুলেন না কুমারখালী আসলে।একটু মশল্লা গুড় চেখে দেইখেন এখানকার।

হুম, জগতি! জগতিতেও যাবেন কিন্তু! দেশের সব থেকে প্রাচীন দুইটা রেল স্টেশনের একটা সে৷ আর দেখবেন চিনিকল। শহরের মাঝে দাঁড়িয়ে গ্রামে দেখার সৌভাগ্য জগতিতে গেলেই হবে। আর গড়াই রেলব্রীজ? বাংলাদেশের সব থেকে পুরাতন!! ১২০ হবে তার বয়স জলদিই।

দেশের অন্যতম বৃহত্তর চালের আরত খাজা নগর, আর অন্যতম প্রাচীন পোড়াদহ জংশন দেখতে যাওয়ার পথে চোখে পড়বে, বাংলাদেশের জায়েন্ট বিআরবি কেবলস এর সবগুলা ইন্ড্রাস্ট্রিই। পোড়াদহের রসগোল্লাটাও একটু খেয়ে নিয়েন বিরতিতে।

কুষ্টিয়া মানুষগুলা খুব রাফ! তবে এদের স্বভাব মুখে মধু অন্তরে বিষ টাইপের না। আমাদের কাছে মধু মানে মধুই, আর বিষ মানে বিষই। মাঝামাঝি পন্থা কুষ্টিয়ানদের মাঝে নেই। যেটা পিছে বলি সেটা সামনে বলতেও দ্বীধা নেই আমাদের।

কুষ্টিয়ার আসল মজা কিন্তু গড়াইয়ের তীরে না, রেনউইক বাধেও না। কুমারখালিতেও না। সেই মজা নেই সাইজির আখড়া বাড়িতেও। সেই মজা পাবেন না কুঠি বাড়ি, টেগর লজ কিংবা মীর মশাররফ হোসেন কাঙাল হরিনাথের বাড়িতেও।

কুষ্টিয়ার আসল মজা হচ্ছে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সড়ক। আমি না চোখ বুঝে, একটা জীবন এই তিন কিলো মিটার দীর্ঘ সড়কে কাটিয়ে দিতে পারি। কুষ্টিয়ার যে কাউকে জিজ্ঞাসা করেন। সবার আগে এন এস রোডের কথাই বলবে। একরাস্তার উপরের একটা শহর।

কুলফি হাতে এনএস রোডে ঘুরাঘুরি, রথখোলার পানিপুরি, এখন আবার মোটামুটিভাবে সব হোটেলেই পাবেন লুচি সবজি।আধুনিক ছোয়া লাগলেও কুষ্টিয়া আজো বড্ড পুরাতন!! তাই মায়া কুষ্টিয়াতে ঢুকলে লাগবেই। একটা জেলা শহর, একটা প্রাচীন শহর! এত নিস্তব্ধ! অথচ চারিদিকে কত প্রাণ!! এইটাই বুঝি এই শহরের সব থেকে বড় বৈশিষ্ট!!

এন এস রোডের সূচনা হচ্ছে পৌরসভার গেট থেকে!! প্রায় দেড়শ বছরের পুরাতন এই ভবনকে দেখে রাজপ্রাসাদ বলে ভ্রম হতেই পারে। শহরের প্রায় অর্ধেক থেকে এই ভবন আর এই গেট দেখা যায়। এক অনিন্দ্য মনরম এই ভবন। আহা!! অতীত আর বর্তমানের মেল বন্ধন।ভালো কথা,কুষ্টিয়ার বিখ্যাত লাল রঙা দেওয়াল কিন্ত পৌরসভাতেই বেশী পাবেন।

সাথে শাহী মসজিদ,মডেল মসজিদ,ছোট খাটো ইকো-শিশুপার্কগুলিও ঘুরে এসেন।ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় আর ইসলামিয়া কলেজ সাথে সরকারি কলেজে একটু পদাপর্ণ কইরেন।কিছু তো ফিল হবেইইই।

অনেক কিছুই বললাম। বাদ গেলো অনেক কিছুই।কুষ্টিয়া আসলেই একটা মায়ার শহর! যারা কুষ্টিয়ার লোক না, কিন্তু কুষ্টিয়া একবার হলেও বেড়াতে গেছে, তারাও এই মায়াটা অনুভব করে। আহা! কুষ্টিয়া!

কুষ্টিয়ার তুলনা কুষ্টিয়া নিজেই!!

তারপরেও কুষ্টিয়া শহরে কি আছে?
কিছুই নেই!

না ভুল, কুষ্টিয়া শহরে মায়া আছে! কুষ্টিয়া মায়া নগর। কুষ্টিয়া আরশীনগর।"
ভালোলাগা আর ভালোবাসা নিয়ে ফিরবেন। দাওয়াত রইল আমার শহরে..
Collected......

03/09/2021

Kodak কোম্পানিকে মনে আছে? ১৯৯৮ সালে কোড্যাক কোম্পানিতে প্রায় ১লক্ষ ৭০ হাজার কর্মচারী কাজ করতেন।
এবং বিশ্বে ছবি তোলার প্রায় ৮৫% ই কোড্যাক ক্যামেরায় তোলা হত। গত কয়েক বছরে মোবাইল ক্যামেরার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় এমন অবস্থা হয় যে Kodak ক্যামেরার কোম্পানীটাই উঠে যায়। এমনকি Kodak সম্পুর্ন দেউলিয়া হয়ে পড়ে এবং এদের সমস্ত কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক ছাঁটাই করা হয়।

ওই একই সময়ে আরো কতগুলি বিখ্যাত কোম্পানি তাদের ঝাঁপ পাকাপাকি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। যেমন-

HMT (ঘড়ি)
BAJAJ (স্কুটার)
DYANORA (TV)
MURPHY (radio)
NOKIA (Mobile)
RAJDOOT (bike)
AMBASSADOR (গাড়ি)

এই উপরের কোম্পানিগুলোর মধ্যে কারুরই কোয়ালিটি খারাপ ছিল না। তবুও এই কোম্পানি গুলো উঠে গেল কেন? কারণ এরা সময়ের সাথে নিজেকে বদলাতে পারেনি।

এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে আপনি হয়তো ভাবতেও পারছেন না যে সামনের 10 বছরে দুনিয়া কতটা পাল্টে যেতে পারে! এবং আজকের 70%-90% চাকরিই সামনের 10 বছরে সম্পুর্নভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। আমরা ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছি "চতুর্থ শিল্প বিপ্লব"-এর যুগে।

আজকের বিখ্যাত কোম্পানিগুলোর দিকে তাকান-

UBER কেবলমাত্র একটি software-এর নাম। না, এদের নিজস্ব কোন গাড়ি নেই। তবু আজ বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাক্সি-ভাড়ার কোম্পানি হল UBER.

Airbnb হল আজকে দুনিয়ার সবথেকে বড় হোটেল কোম্পানি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, পৃথিবীর একটি হোটেলও তাদের মালিকানায় নেই।

একইভাবে Paytm, ওলা ক্যাব, Oyo rooms ইত্যাদি অসংখ্য কোম্পানির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে।

আজকে আমেরিকায় নতুন উকিলদের জন্য কোন কাজ নেই, কারণ IBM Watson নামে একটি আইনি software যে কোন নতুন উকিলের থেকে অনেক ভাল ওকালতি করতে পারে। এইভাবে পরের 10 বছরে প্রায় 90% আমেরিকানদের আর কোন চাকরি থাকবে না। বেঁচে থাকবে খালি বাকি 10%। এই 10% হবে বিশেষ বিশেষজ্ঞ।

নতুন ডাক্তারদেরও চাকরি যেতে বসেছে। Watson নামের software মানুষের থেকেও 4 গুন নিখুঁত ভাবে ক্যানসার এবং অন্যান্য রোগ শনাক্ত করতে পারে। 2030 সালের মধ্যে কম্পিউটারের বুদ্ধি মানুষের বুদ্ধিকে ছাপিয়ে যাবে।

সামনের 20 বছরে আজকের 90% গাড়িই আর রাস্তায় দেখা যাবে না। বেঁচে থাকা গাড়িগুলো হয় ইলেক্ট্রিকে চলবে অথবা হাইব্রিড গাড়ি হবে। রাস্তাগুলো ক্রমশঃ ফাঁকা হতে থাকবে। পেট্রোলের ব্যবহার কমবে এবং পেট্রোল উৎপাদনকারী আরব দেশগুলি ক্রমশঃ দেউলিয়া হয়ে আসবে।

তখন গাড়ি লাগলে, উবারের মত কোন software-এর কাছেই গাড়ি চাইতে হবে। আর গাড়ি চাইবার কিছুক্ষনের মধ্যেই সম্পূর্ণ চালক-বিহীন একটা গাড়ি আপনার দরজার সামনে এসে দাঁড়াবে। আপনি যদি অনেকের সাথে ওই একই গাড়িতে যাত্রা করেন, তাহলে মাথাপিছু গাড়িভাড়া বাইকের থেকেও কম হবে।

গাড়িগুলো চালকবিহীন হবার ফলে 99% দুর্ঘটনা কমে যাবে। এবং সেই কারণেই গাড়ি-বীমা করানো বন্ধ হবে এবং গাড়ি-বিমার কোম্পানি গুলো সব উঠে যাবে।

গাড়ি চালানোর মত কাজগুলো আর পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। 90% গাড়িই যখন রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে, তখন ট্রাফিক পুলিশ এবং পার্কিং-এর কর্মী-দেরও কোন প্রয়োজন থাকবে না।

ভেবে দেখুন, আজ থেকে 10 বছর আগেও রাস্তার মোড়ে মোড়ে STD বুথ ছিল। দেশে মোবাইল বিপ্লব আসার পর, এই সবকটা STD বুথই কিন্তু পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হল। যেগুলো টিকে রইল, তারা মোবাইল রিচার্জের দোকান হয়ে গেল। এরপর মোবাইল রিচার্জেও অনলাইন বিপ্লব এল। ঘরে বসেই অনলাইনে লোকে মোবাইল রিচার্জ করা শুরু করল। এই রিচার্জের দোকান গুলোকে তখন আবার বদল আনতে হল। এরা এখন কেবল মোবাইল ফোন কেনা-বেচা এবং সারাইয়ের দোকান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সেটাও বদলাবে খুব শিগগিরই। Amazon, Flipkart থেকে সরাসরি মোবাইল ফোন বিক্রি বাড়ছে।

টাকার সংজ্ঞাও পাল্টাচ্ছে। একসময়ের নগদ টাকা আজকের যুগে "প্লাস্টিক টাকায়" পরিণত হয়েছে। ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের যুগ ছিল কদিন আগেও। এখন সেটাও বদলে গিয়ে হয়ে যাচ্ছে মোবাইল ওয়ালেট-এর যুগ। Paytm-এর রমরমা বাজার, মোবাইলের এক টিপে টাকা এপার-ওপার।

যারা যুগের সাথে বদলাতে পারে না, যুগ তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়। তাই ক্রমাগত যুগের সাথে বদলাতে থাকুন।

সাফল্যকে সাথে রাখুন, সময়ের সাথে থাকুন।

-Collected

17/08/2021

যারা বলে সব সমস্যার সমাধান আছে 🙄
এটা তাদের জন্য.. 👇🙄 সমাধান বের করেন :)

Photos from All In One's post 15/08/2021
03/08/2021

ডাঃ জাহাঙ্গীর কবিরের অপচিকিৎসার কিছু নমুনাঃ

১) তিনি ফাস্টিং বা রোযা রাখতে বলেন।
২) তিনি ফাস্টফুড, প্রসেসফুড থেকে দূরে থাকতে বলেন
৩) তিনি ক্ষতিকারক সয়াবিন তেলের বদলে ঘানিভাঙ্গা সরিষার তেল সেবন করতে বলেন।
৪) তিনি অত্যাধিক শর্করা জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে বলেন।
৫) তিনি ফাস্টিং এর মাধ্যমে ইন্সুলিন রেজিস্টেন্স দূর করে ডায়বেটিসকে রিভার্স করেন।
৬) তিনি কিছু হলেই পানির মতো ওষুধ খেতে নিষেধ করেন।
৭) তিনি লাইফস্টাইল চেইঞ্জ করতে বলেন।
৮) তিনি রাত ১০/১১ ভিতরেই ঘুমাতে ও স্ট্রেস ফ্রী থাকতে বলেন।
৯) তিনি শরীর চর্চাকে অত্যাধিক গুরুত্ব দেন।
১০) তিনি রোযা ফাস্টিং এর মাধ্যমে মেটাবলিক সিন্ড্রোম দূর করেন।
১১) দিনে ৩০ মিনিট রৌদ্র থেকে ভিটামিন ডি নিতে বলেন।
১২) তিনি পেট ভরে আহার করতে নিষেধ করেন।

দেশের অন্যান্য ভালো ডাক্তাররা এতকিছু বলেনা। উনিই বলেন। তাই উনি খারাপ।

এগুলো অপচিকিৎসা হলে চিকিৎসা কাকে বলে??

- কপি

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka