Mamunur Rashid Raz

Mamunur Rashid Raz

Share

Media Personality | Digital Entrepreneur

25/09/2025

অলিম্পাস মন্স

মাউন্ট এভারেস্টকে তো আমরা পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে জানি, তাই না? কিন্তু মঙ্গল গ্রহে গেলে মনে হবে, এভারেস্ট আসলে একটা ছোট্ট টিলার মতো! 😂

মঙ্গল গ্রহের অলিম্পাস মন্স (Olympus Mons) হলো আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরি, যার আকার আর উচ্চতা এতটাই বিশাল যে, এর সামনে এভারেস্টকে সত্যিই তুচ্ছ মনে হয়।

- মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা প্রায় ৮.৮ কিলোমিটার, কিন্তু অলিম্পাস মন্স-এর উচ্চতা প্রায় ২২ কিলোমিটার! অর্থাৎ, এটি এভারেস্টের উচ্চতার প্রায় ২.৫ গুণ। এভারেস্টে চূড়ায় পৌঁছতে যেখানে প্রায় ৮,৮৫০ মিটার উঠতে হয়, সেখানে অলিম্পাস মন্স-এ চূড়ায় পৌঁছাতে হবে প্রায় ২২,০০০ মিটার!

- অলিম্পাস মন্স-এর ব্যাস প্রায় ৬০০ কিলোমিটার, যা আমাদের পৃথিবীর বেশ কয়েকটি রাজ্যের বা দেশের আয়তনের সমান। উদাহরণস্বরূপ, এটি আমেরিকার অ্যারিজোনা রাজ্যের প্রায় সমান। আরেকটু সহজ করে বললে, এটি আমাদের বাংলাদেশের মোট আয়তনের (প্রায় ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার) প্রায় দ্বিগুণ!

- অলিম্পাস মন্স একটি ঢাল আগ্নেয়গিরি (shield volcano)। এর ঢাল এতটাই কম যে, এর গড় ঢাল মাত্র ৫ ডিগ্রি। এটি কোনো খাড়া পর্বত নয়, বরং একটি বিশাল, সমতল ঢালের মতো। এর উপর দিয়ে হেঁটে চললে বোঝাও যাবে না যে একটি বিশাল পর্বতে ওঠা হয়েছে! এর চূড়া এতই দূরে যে, এর গোড়া থেকে দাঁড়ালে এর চূড়া দেখাই যাবে না, কারণ এটি দিগন্তের আড়ালে চলে যাবে।

- পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিগুলো সাধারণত কয়েক মিলিয়ন বছর সক্রিয় থাকে। কিন্তু অলিম্পাস মন্স-এর বয়স প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন বছর, এবং বিজ্ঞানীরা মনে করেন এটি এখনও মাঝে মাঝে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। এর শেষ অগ্ন্যুৎপাত প্রায় ২ থেকে ২৫ মিলিয়ন বছর আগে হয়েছিল বলে মনে করা হয়, যা মহাজাগতিক পরিমাপে 'খুব বেশি দিন আগের নয়'!

- অলিম্পাস মন্স-এর চারপাশে একটি বিশাল খাড়া প্রাচীর আছে, যার উচ্চতা ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রাচীরটি আগ্নেয়গিরির গোড়া থেকে শুরু হয়ে আশেপাশের সমতল ভূমি থেকে এটিকে আলাদা করে রেখেছে।

- কেন এটি এত বড় হলো? এর দুটি প্রধান কারণ আছে। প্রথমত, মঙ্গল গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর মাত্র ৩৭.৫%। অর্থাৎ, সেখানে কোনো কিছু খুব হালকা। দ্বিতীয়ত, মঙ্গল গ্রহে পৃথিবীর মতো প্লেট টেকটোনিকস নেই। ফলে, আগ্নেয়গিরির নিচে থাকা ম্যাগমা প্লুম (magma plume) একই জায়গায় মিলিয়ন বছর ধরে লাভা উদগীরণ করেছে, যা ধীরে ধীরে এই বিশাল আকার ধারণ করেছে।

- অতিকায় জ্বালামুখ (caldera)! অলিম্পাস মন্স-এর চূড়ায় একটি বিশাল জ্বালামুখ আছে, যা আমাদের মাউন্ট এভারেস্টের আকারের কাছাকাছি। এই জ্বালামুখের ব্যাস প্রায় ৮০ কিলোমিটার! এর ভেতরে ছয়টি আলাদা জ্বালামুখ একটার উপর আরেকটা করে বসে আছে।

- এটি শুধু সর্বোচ্চ নয়, বিশালও বটে! যদিও অলিম্পাস মন্স সৌরজগতের সর্বোচ্চ পর্বত, তবে এটি সবচেয়ে উঁচু পর্বত নয়। কারণ, ভেস্টা গ্রহাণুর 'রিয়াসিলভিয়া' নামে একটি পর্বত আছে, যা উচ্চতার দিক থেকে অলিম্পাস মন্সকে সামান্য ছাড়িয়ে গেছে। তবে, আয়তনের দিক থেকে অলিম্পাস মন্স অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

- নামটি এসেছে গ্রীকদের কাছ থেকে! গ্রীক পুরাণে দেব-দেবীদের নিবাস ছিলো অলিম্পাস পর্বত। যেহেতু এই আগ্নেয়গিরিটি এতটাই বিশাল যে এটিকে মহাজাগতিক দেবতাদের নিবাস হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে!

- ধুলোঝড়ের মধ্যেও দৃশ্যমান! মঙ্গল গ্রহে মাঝে মাঝেই বিশাল ধুলোঝড় হয়, যা পুরো গ্রহটিকে ঢেকে ফেলে। কিন্তু এই ঝড় এত বিশাল হলেও অলিম্পাস মন্স-এর চূড়া এতই উপরে থাকে যে, এটি ধুলোঝড়ের মেঘের উপরে উঠে যায়, এবং মহাকাশ থেকে সহজেই দেখা যায়। এটি যেন তার বিশালতার এক নীরব সাক্ষ্য!

18/09/2025

কাঠঠোকরার জিহ্বা সৃষ্টিকর্তার এক অবিশ্বাস্য সৃষ্টি

কাঠঠোকরার জিহ্বা সৃষ্টিকর্তার এক অবিশ্বাস্য সৃষ্টি। এর জিভ শুধু লম্বাই নয়, বরং এতটাই লম্বা যে তা ঠোঁট ছাড়িয়ে মাথার ভেতর ঢুকে, খুলি ঘুরে, এমনকি চোখের পাশ দিয়ে ঘুরে আবার বের হয়।

এই অদ্ভুত গঠন শুধু গাছের গভীরে লুকিয়ে থাকা পোকা খুঁজে বের করার জন্য নয়, এটা কাঠঠোকরার জন্য একধরনের প্রাকৃতিক শক-অ্যাবজর্বার হিসেবেও কাজ করে।

কাঠঠোকরা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২০ বার গাছের গায়ে ঠোকরায়। এই ভয়ংকর ধাক্কা মাথায় গিয়ে লাগার কথা, কিন্তু তার জিভের বিশেষ গঠন, যাকে বলা হয় হায়োইড অ্যাপারাটাস, এই ধাক্কা মাথায় সঠিকভাবে ছড়িয়ে দেয়, ফলে তার মস্তিষ্ক রক্ষা পায়।

মানুষ এমন ঠোকর খেলে মস্তিষ্কে ভয়ানক আঘাত পেত, কিন্তু কাঠঠোকরা এই অভাবনীয় উপায়ে নিজের মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখে।
কালেক্টেড

16/09/2025

✨ Alhamdulillah, another milestone achieved! 🚀

Successful handover of our Narayanganj Project 🎉
Led with pride by our honorable Chairman MR. MASRUR RAHMAN, this moment reflects the trust and quality we deliver with world-class elevator brands — BLT, HIDOKS, DIAO, SIGMA & FUJI. 🏢🔧

15/09/2025

অটোফ্যাজি

যখন আপনি দীর্ঘ সময় (১৪-২৪ ঘণ্টা) না খেয়ে থাকেন, তখন আপনার শরীর একটি আশ্চর্যজনক বায়োলজিক্যাল মোডে প্রবেশ করে। সে সময় শরীর নিজের পুরনো, নষ্ট, কিংবা অসুস্থ কোষগুলো “খেয়ে ফেলে” অর্থাৎ ভেঙে পুনর্ব্যবহার করে!
আর এই প্রক্রিয়ার নাম “অটোফ্যাজি” যার অর্থই হলো “নিজেকে খাওয়া”!

এতে কী হয় জানেন?
🔹 বয়সজনিত কোষ দূর হয়
🔹 প্রদাহ সৃষ্টিকারী কোষ পরিষ্কার হয়
🔹 এমনকি ক্যান্সার বা অ্যালঝেইমারের মতো রোগের কোষও নষ্ট করতে শুরু করে!

এই পুরো প্রক্রিয়াটা শরীরের একটা প্রাকৃতিক ডিটক্স সিস্টেম। কোষের ভেতরের আবর্জনা, খারাপ প্রোটিন, নষ্ট মাইটোকন্ড্রিয়া সব পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে শরীর ভিতর থেকে সতেজ হয়, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে।

এই অসাধারণ প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেন জাপানের বিজ্ঞানী ইয়োশিনোরি ওসুমি, যিনি ২০১৬ সালে পেয়েছিলেন নোবেল পুরস্কার।

আর সবচেয়ে চমকপ্রদ ব্যাপার হচ্ছে আপনি চাইলেই এই শক্তিশালী প্রক্রিয়াটি শুরু করতে পারেন শুধুই ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করে!

বয়স কমাতে চান? শরীরকে ভিতর থেকে সারাতে চান? রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে চান?
তাহলে মাঝে মাঝে না খাওয়াটাই হতে পারে আপনার সুস্থতার চাবিকাঠি।

14/09/2025

সত্য আগত, মিথ্যা দূরীভূত

📜 Alhamdulillah, Allahumma Barik, Agreement Signed 🤝

✨ “আর বলো, সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলীন হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা তো বিলীন হবারই।”
সূরা:বনী-ইসরাঈল, আয়াত নং: ৮১ ( পবিত্র আল-কুরআন)

ভণ্ড প্রতারক সব সময়ই বিতাড়িত হয়, আর আজ তা প্রমাণিত হলো। সত্যের জয় হবেই—ইনশা-আল্লাহ। 🌿

13/09/2025

ঢাকা টু কক্সবাজার ফ্লাইটের সময়সূচি ও ভাড়া

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (Biman Bangladesh Airlines)

ফ্লাইট সংখ্যা: প্রতিদিন ৪টি ফ্লাইট

সময়সূচি: সকাল ৭:১৫, সকাল ১১:১৫, বিকেল ৩:৩০, বিকেল ৫:২০

ভাড়া: ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স (US-Bangla Airlines)

ফ্লাইট সংখ্যা: প্রতিদিন ৭টি ফ্লাইট

সময়সূচি: সকাল ৭:১৫, সকাল ৯:৩০, দুপুর ১২:৩০, দুপুর ২:০০, বিকেল ৩:৪৫, বিকেল ৫:১৫, সন্ধ্যা ৬:৩০

ভাড়া: ৪,৫০০ থেকে ৯,০০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)

নভোএয়ার (NOVOAIR)

ফ্লাইট সংখ্যা: প্রতিদিন ৩টি ফ্লাইট

সময়সূচি: সকাল ১১:০০, দুপুর ১২:০০, বিকেল ৪:৩০

ভাড়া: ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)

এয়ার অ্যাস্ট্রা (Air Astra)

ফ্লাইট সংখ্যা: প্রতিদিন ৫টি ফ্লাইট

সময়সূচি: সকাল ৭:১৫, সকাল ১০:০০, দুপুর ১:০০, বিকেল ৩:৩০, বিকেল ৫:২০

ভাড়া: ৫,৫০০ থেকে ৮,৫০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)

---

যোগাযোগের তথ্য:

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

মোবাইল: 01777715577

ফোন: 02-996687097/98

ইমেইল: [email protected]

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

মোবাইল: 01777777800 থেকে 01777777806

ইমেইল: [email protected]

নভোএয়ার

ফোন: 13603, 09638-013603, 09666722224

ইমেইল: [email protected]

এয়ার অ্যাস্ট্রা

ফোন: 09678222888

ইমেইল: [email protected]

বিঃদ্রঃ ফ্লাইটের সময়সূচি ও ভাড়া পরিবর্তন হতে পারে। টিকিট বুকিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

09/09/2025

২০৫০ সালের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের এভারেজ রূপ: বলছে গবেষণা

একটানা কনটেন্ট তৈরি, ফিল্টার, ফিলার আর ঘন্টার পর ঘন্টা স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা- সবকিছুর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কেমন হতে পারে? চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা থেকে তৈরি করা হয়েছে এক চমকপ্রদ মডেল 'এভা', যাকে বলা হচ্ছে ২০৫০ সালের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের এভারেজ রূপ!

দাগযুক্ত ত্বক, বাঁকা পিঠ আর অস্বাভাবিকভাবে তীক্ষ্ণ থুতনি রয়েছে এভার। গবেষকরা বলছেন, এই পরিবর্তনগুলো কেবল কাল্পনিক না, বরং আজকের দিনের তরুণ-তরুণীদের এই অভ্যাস যদি চলতেই থাকে, ভবিষ্যতে তা মানুষের শরীরে স্থায়ীভাবে বসে যেতে পারে।

এভার সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সমস্যাগুলোর মাঝে রয়েছে:

১) টেক্সট নেক সিনড্রোম: ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে নিচু হয়ে থাকার কারণে ঘাড় বাঁকা হয়ে যাওয়া।

২) কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস: বিভিন্ন বিউটি প্রোডাক্ট ও কেমিকেলের প্রভাবে ত্বকের প্রদাহ।

৩) ব্লু লাইট হাইপারপিগমেন্টেশন: স্ক্রিনের আলোতে ত্বকের রঙে দাগ ও কালচে ভাব।

৪) কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম (CVS): দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন দেখায় চোখে চাপ, ঝাপসা দেখা ও ব্যথা।

৫) সার্কাডিয়ান রিদম ডিসঅর্ডার: রাত-দিন অনিয়মিত ঘুমের কারণে বায়োলজিক্যাল ক্লক নষ্ট হয়ে যাওয়া।

৬) ওভারফিলিং সিনড্রোম: অতিরিক্ত কসমেটিক ফিলার ব্যবহারে মুখের অস্বাভাবিক পরিবর্তন।

৭) ট্র্যাকশন অ্যালোপেসিয়া: নিয়মিত চুল টেনে বাঁধার কারণে চুল পড়া ও টাকের সমস্যা।

সত্যি বলতে, এভা আসলে এক ওয়ার্নিং আমাদের সবার জন্য। আজকের অস্বাস্থ্যকর ডিজিটাল অভ্যাস, স্ক্রিনে আসক্তি আর চেহারা নিয়ে নার্সিসিজম কিভাবে আগামী দিনের শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে- সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে সে।

02/09/2025

অদৃশ্য ঘটনা (মেঘধ্বস),
এভারেস্ট পর্বতমালার পূর্ব দেয়ালে।

এটি রেকর্ড করা প্রথম ছবি। এটি সম্পূর্ণরূপে দুর্ঘটনাক্রমে পর্বতারোহীদের একটি দল দ্বারা রেকর্ড করা হয়েছিল, এবং পৃথিবীর ৮ বিলিয়ন জীবিত মানুষের মধ্যে প্রথম মানুষদের মধ্যে একজন যারা এই সুন্দর এবং ভয়ঙ্কর ঘটনাটি দেখার সৌভাগ্যবান। প্রকৃতির মহিমা দেখুন, বিশেষ করে মেঘের তুষারপাত অতিক্রম করার পরে নদীর উপর একটি রংধনু দেখা যাচ্ছে, যা এই ঘটনার সৌন্দর্য এবং মহিমা বৃদ্ধি করে!
collected

01/09/2025
31/08/2025

বিপদে ভেঙে পড়ার আগে ভাবুন

বিপদে ভেঙে পড়ার আগে ভাবুন যে, আপনি এমন এক সত্ত্বার ইবাদাত করেন যিনি ইব্রাহীম আলাইহিস সালামকে জ্বলন্ত আগুন থেকে, ইউনুস আলাইহিস সালামকে অন্ধকার গভীর সমুদ্রের বুকে মাছের পেট থেকে, আইয়্যুব আলাইহিস সালামকে দুরারোগ্য মারণব্যাধি থেকে, ইউসুফ আলাইহিস সালামকে গভীর কূপ থেকে, মুসা আলাইহিস সালামকে ফেরাউন বাহিনীর হাত থেকে উদ্ধার করেছিলেন।

রিযিকের ভয় আপনাকে তাড়িয়ে বেড়ালে ভাবুন, আপনি সেই মহামহিমের ইবাদাত করেন যিনি বনী ঈসরাঈলদের জন্য 'মান্না সালাওয়া' নামে আসমানী খাবার পাঠাতেন। মারঈয়াম আলাইহাস সালামের জন্য তিনিই ফেরেশতা মারফত খাবার তার কক্ষে পৌঁছে দিতেন।

যদি অসহ্য যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন, তাহলে স্মরণে নিমগ্ন হোন সেই রবের, যিনি জনমানবহীন উপত্যকায় অসহায় হাজরা আলাইহাস সালামের অনুনয় শুনে শিশু ইসমাঈলের পায়ের নিচ থেকে বের করে এনেছিলেন অবিরাম পানির ফুয়ারা। তিনিই নবি ইয়াকুব আলাইহিস সালামের বুকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পুত্র ইউসুফ আলাইহিস সালামকে। মুসা আলাইহিস সালামকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তার জন্মদাত্রীর কোলে।

সন্তান হচ্ছেনা বলে বিষাদগ্রস্ত?

যাকারিয়া আলাইহিস সালামের কথা ভাবুন তো। জীবন-সায়াহ্নে বসেও আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হোন নি তিনি, এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালাও তাকে নিরাশ করেন নি। তিনি কাউকেউ নিরাশ করেন না। একেবারে শেষ বয়সে বসে তিনি দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে সন্তান চাইলেন, এবং আল্লাহ তাকে সন্তান দিলেন।

'কেউ কথা রাখেনা' কে বললো? একজন ঠিক ঠিক কথা রাখেন। তার সাথেই কথা বলুন।

লেখক -আরিফ আজাদ

23/08/2025

ইউরোপ-আফ্রিকার মাঝে মাত্র ১৪ কিলোমিটার! তবুও সেতু নেই কেন?

ভাবুন তো, স্পেন থেকে মরক্কো — দূরত্ব মাত্র ১৪ কিলোমিটার!
অর্থাৎ আধা ঘণ্টারও কম সময়ে ইউরোপ থেকে আফ্রিকায় যাওয়া সম্ভব। এই জায়গাটাই হলো বিখ্যাত জিব্রাল্টার প্রণালী। এখানেই আটলান্টিক মহাসাগর আর ভূমধ্যসাগরের মিলন। প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ জাহাজ এই পথ দিয়ে পণ্য বহন করে, যার মধ্যে প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল।

তাহলে প্রশ্ন জাগে—এখানে এখনো কেন সেতু নেই?

#প্রথম কারণ: ভয়াবহ গভীরতা
এই প্রণালীর গভীরতা ৩০০ থেকে ৯০০ মিটার (প্রায় ৩ হাজার ফুট)! এত গভীরে সেতুর পিলার বসানো বর্তমান প্রযুক্তিতে ভীষণ কঠিন ও ব্যয়বহুল।

#দ্বিতীয় কারণ: ভূমিকম্পের ঝুঁকি
জিব্রাল্টার প্রণালী বসে আছে দুই বিশাল টেকটোনিক প্লেটের মাঝে—ইউরেশিয়ান ও আফ্রিকান। ফলে ভূমিকম্প এখানে নিত্যসঙ্গী। যেকোনো শক্তিশালী কম্পনে সেতু মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে।

#তৃতীয় কারণ: স্রোত ও বাতাসের তাণ্ডব
আটলান্টিকের ঠান্ডা পানি প্রবেশ করছে ভূমধ্যসাগরে, আর ভূমধ্যসাগরের উষ্ণ পানি বেরিয়ে যাচ্ছে আটলান্টিকের দিকে। সঙ্গে আছে বিপরীতমুখী প্রবল বাতাস—লেভান্তে (উষ্ণ, শুষ্ক) আর পোনিয়েন্তে (শীতল, আর্দ্র)। ফলে সেতুর কাঠামো সবসময় মারাত্মক চাপের মুখে পড়বে।

এই কারণেই ১৯৭৯ সালে স্পেন-মরক্কো যৌথভাবে সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা করলেও তা বাতিল হয়। পরে ইউরোমেড ট্রানজিট প্রজেক্টও থেমে যায়। এখন পানির নিচ দিয়ে টানেল তৈরির পরিকল্পনা চলছে, তবে সেটি আদৌ সফল হবে কিনা—সময়ই বলবে।

এখানে একটা তুলনা করা যায়—আমাদের পদ্মা সেতু। পদ্মার গভীরতা সর্বোচ্চ প্রায় ৪৭৯ মিটার হলেও প্রকৌশলীরা সাহসের সঙ্গে সেতু নির্মাণ করেছেন। অথচ জিব্রাল্টারের প্রণালীতে গভীরতার পাশাপাশি স্রোত, বাতাস ও ভূমিকম্প—সব মিলে এক ভয়ংকর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

👉 এখন প্রশ্ন হলো, যদি কোনো দিন টানেল বা সেতু সত্যিই তৈরি হয়, তাহলে কি পৃথিবীর মানচিত্র বদলে যাবে না?

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Dhaka