Vuci
▪️I work…
▪️In finance.
▪️On your goals.
▪️Until the work is done.
▪️Beyond repair. Far from perfect. On the edge (of glory). In love with____. All about ____.
Not into ____.
23/07/2025
জুনায়েদের বলা শেষ কথাগুলো 😔😭
"আম্মু আমি আজ স্কুলে যাবো না।”
৭ বছরের বয়সী জুনায়েদের কথা শুনে মা ধ'ম'কে বললেন,
“একদম না যাওয়ার বায়না ধরবে না জুনায়েদ। যেতে হবে, চলো রেডি হও।”
“মা, ভালো লাগছে না আমার। কাল থেকে যাই?”
“না, বাবা এখনি যেতে হবে। স্কুল থেকে আসার পর, তোমাকে নিয়ে ঘুরতে যাব। কেমন?”
জুনায়েদের চোখ চকচক করে উঠল। বলল,
“সত্যি!”
“হ্যাঁ, সত্যি।”
জুনায়েদকে স্কুলের জন্য রেডি করে মা, আর ছেলে বেরিয়ে পড়লো। স্কুল গেইটে জুনায়েদকে নামিয়ে মা হেসে বললেন,
“আম্মু, বাসায় গিয়ে চিকেন রান্না করব, তোমার জন্য। ঠিক আছে?”
“ওকে, আম্মু।”
জুনায়েদের মা, রান্না করছিল। হঠাৎ নিউজ পেল, জুনায়েদের স্কুলে বিমান ক্র্যাশ করেছে। হাত থেকে চিকেনের পাতিলটা পড়ে গেল। কাঁ'পা কাঁ'পা হাতে জুনায়েদের বাবাকে কল দিলো। তারপর, ছুটে বেরুলো ছেলেকে খুঁজতে। “জুনায়েদ, ঠিক আছেতো?”
তারপর? তারপর, ২ ঘন্টা খোঁজার পর, হঠাৎ দেখতে পেলো, “পো/ড়া দে'হ নিয়ে জুনায়েদ তার আম্মুর দিকেই এগিয়ে আসছে। মুহুর্তেই পড়ে গেল মা'টিতে। শেষ নি’শ্বা’স ত্যাগ করলো জুনায়েদ। কলিজা কাঁ/পি/য়ে দেওয়ার মত চিৎ’কা’র করে উঠল জুনায়েদের বাবা-মা। মা কান্না করতে করতে বললেন,
“আমার বাজান, আমার বাজানে, না করছিল আম্মু আজ আমি স্কুলে যাব না। আমি জো'র করে পাঠিয়েছি। আমার বাজানে আজকে বিকেলে ঘুরতে যাওয়ার কথা ছিল আমার সাথে। ওহ বাজান, চিকেন খাইবা না তুমি? আব্বা, আমারে নিঃস্ব করে তুমি কই চইলা গেলা আব্বা?”
জুনায়েদের আর বাসায় ফেরা হলো না, চিকেন খাওয়া হলো না, তার আম্মুর সাথে ঘুরা হলো না, আর, হোমওয়ার্কও করা হলো না।
©মারশিয়া জাহান মেঘ
cp
মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা উত্তরা।
২১ জুলাই ২০২৫ ( ইতিহাসের কালো অধ্যায়)
12/06/2025
চা দিয়ে সকাল শুরু ............
সুপ্রভাত..........🌞🌞
11/06/2025
শুভ সকাল ....।।❤️🌅
10/06/2025
Good morning.......
09/06/2025
07/06/2025
পরিকল্পনা আগে থেকে না থাকলে,,সাধারণ কোন ঝ"গ"ড়া কখনোই বি"চ্ছে"দের কারণ হয় না।❤️
ঈদ মোবারক🐄🐄🐄
04/06/2025
কঠিন সময়ে টিকে থাকুন!
আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন।
জীবনের প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনো সময় কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। কখনও প্রিয়জনের দূরত্ব, কখনও চাকরির অনিশ্চয়তা, কখনও নিজের ভিতরের একাকীত্ব—এইসব কষ্ট যেন আমাদের ভেঙে দেয়ার জন্য আসে। কিন্তু মনে রাখুন, সবচেয়ে অন্ধকার সময়টাই নতুন ভোরের ঠিক আগে আসে।
কঠিন সময় মানেই শেষ না, বরং এটাই আপনার ভিতরের শক্তিকে আবিষ্কার করার সেরা সুযোগ।
আপনার কান্না, হতাশা, ভেঙে পড়া—সব কিছুই স্বাভাবিক।
তবে সেই কষ্টের মাঝেও প্রতিটি মুহূর্তে আপনি বেঁচে আছেন, হাঁটছেন, লড়ছেন—এই টিকে থাকাটাই আপনার সাহসের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
আপনার কষ্টের মূল্য আছে। আপনার চেষ্টার গুরুত্ব আছে।
হয়তো আজ কেউ বুঝবে না, কিন্তু আপনি নিজেই নিজের গল্পের নায়ক বা নায়িকা।
👉 নিজেকে ভালোবাসুন। সময় দিন। নিজের যত্ন নিন। প্রয়োজন হলে সাহায্য নিন।
একটা সময় আসবে, আপনি পেছনে তাকিয়ে দেখবেন—এই কঠিন সময়টাই আপনাকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছে।
হাল ছাড়বেন না। টিকে থাকুন। আপনি একা নন।
আর কেও থাকুক না থাকুক আল্লাহ আছেন আপনার সাথে।
ইনশাল্লাহ ।🤲
একদিন এই দিনের কষ্ট আর থাকবে না।
03/06/2025
বৈষম্য আছে বলেই দুনিয়া চলে।
আজ দুপুরে হঠাৎ মোবাইলে একটা SMS এলো। তাকিয়ে দেখি.. " আমার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে" খুশিতে আমার মন ভরে গেল। ঘর থেকে বের হলাম আর চিৎকার করে বাড়ির সবাইকে বলছি.... "সবাই শোনো, দিন বদলে গেছে, আমার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা এসে গেছে"।
ঘর থেকে বউ বেরিয়ে বললো, "অত খুশির কি আছে, আমার এ্যাকাউন্টেও ৭৫ লাখ টাকা দিয়েছে। এই যে মেসেজ দেখ।"
একটু অবাক হলাম, ভাবলাম আশেপাশে সবাইকে গিয়ে বলি। বাড়ির পাশের লোক আমায় বলছে, "বেশি উত্তেজিত হয়ো না, আমাদের এ্যাকাউন্টেও ৭৫ লাখ জমা হয়েছে।" আমার খুশি সব উড়ে গেল।
ভাবলাম যাই, বাজার থেকে কিছু মিষ্টি নিয়ে আসি। বাজারে গিয়ে দেখলাম, দোকান বন্ধ। পাশের একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, "ও ভাই এই মিষ্টির দোকান বন্ধ কেন?" সে বললো, "মিষ্টি দোকানদারের আর দোকানদারি করার কি দরকার। তার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা এসে গেছে।"
তাই ভাবলাম একটু নিউ মার্কেটে যাই, সেখান থেকে কিছু নিয়ে আসি। সেকি! কোনো দোকান পাট খোলা নেই। ওনাদের এ্যাকাউন্টেও নাকি ৭৫ লাখ এসে গেছে.....।
প্রচন্ড খিদে পেয়েছে ভাবলাম এখানে তো দোকান পাট বন্ধ। সামনের দিকে যাই, ভালো কোন হোটেলে তৃপ্তি করে খাওয়া যাবে। সামনে যতই যাই সবই দেখি ফাঁকা। হোটেলের বাইরে দাড়িয়ে থাকা স্বাগত জানানোর সেই লোকও নেই, যে কাস্টমার দেখলেই সালাম ঠুকে ওয়েলকাম করেন, শপিং মলের সিকিউরিটিও নেই। সবার এ্যাকাউন্টেই ৭৫ লাখ এসে গেছে।
মার্কেটে কেউ নেই।
সবজি ওয়ালা, চা ওয়ালা, সরবত ওয়ালা ফাস্টফুড ওয়ালা কেউ নেই। সব কিছুই বন্ধ। সকলের ঠিকানা এখন ব্যাঙ্কে ৭৫ লাখ টাকা তোলার জন্যে। কেননা এখন আর কারো কাজ করার দরকার নেই, সবার কাছেই ৭৫ লাখ টাকা আছে।
আমার এক বন্ধু ফোন করে বললো, "আমি জব ছেড়ে দিয়েছি, আমার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা আছে"
আমার এক বড় ভাই ফোন করে বললো,
"আমার আর্ট স্কুল অফ করে দিয়েছি"
"আমার আশেপাশের ছোট বোন আর স্কুলে যাচ্ছে না"
"আমার এক বন্ধু টিউশন পড়ানো বন্ধ করে দিয়েছে"
"নিশা নামের মেয়েটিও আর কলেজে যায় না"
"সমীর আর জব খু্ঁজে না"
'শ্রমিকরা আর কারখানায় যায় না, কলকারখানা সব বন্ধ"।
সবার এ্যাকাউন্টে ৭৫ লাখ টাকা জমা আছে। সবাই এখন বড়লোক।
সবাই সুর তুলছে, গান করছে, নৃত্য করছে.....
বিকেলে হাটতে হাটতে মাঠের দিকে গেলাম, কৃষকরা সবাই কাজ ছেড়ে বাড়িতে। কেউ নেই জমিতে। এখন তাদের রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করার আর দরকার নেই। তারা সবাই বড়লোক হয়ে গেছে। সবার এ্যাকাউন্টেই ৭৫ লাখ টাকা।
৭ দিন পর দেখা গেল খিদের জ্বালায় লোক কাঁদছে। কেননা, জমি থেকে কেউ ফসল তুলছে না, সমস্ত দোকানপাট বন্ধ, হোটেল, মেডিক্যাল সব বন্ধ। অসুস্থ হয়ে মানুষ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কেননা, খাবার নেই, ডাক্তার নেই। পশুরাও না খেতে পেয়ে মরছে। জমিতে সবুজ ঘাস নেই, সোনালী ফসল নেই। শিশুরা খিদের জ্বালায় কাঁদছে, গোয়ালা দুধ দিচ্ছে না বলে।
মানুষ এখন ছুটছে মুঠো মুঠো টাকা নিয়ে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে পকেটে টাকা নিয়ে। কাঁদছে মানুষ লক্ষ টাকা হাতে নিয়ে আর বলছে, "এই ভাই নাও ১০ হাজার টাকা, আমাকে ২০০ গ্রাম দুধ দাও। দুদিন বাচ্চাটা না খেয়ে আছে।
১০ দিন বাদে মানুষ না খেতে পেয়ে মরছে। কিছু কিছু লোক টাকার ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে রাস্তায়। এই নাও ভাই ৫ লাখ টাকা, "আমাকে ৫ কেজি চাল দাও। ১০ দিন থেকে না খেয়ে আছি।"
সব বাজার হাট বন্ধ হয়ে গেছে। শাক সবজি খাবার দাবার কারো কাছেই নেই। সবদিকে শুধু মৃত্যুর ছবি দেখা যাচ্ছে।
আমিও আমার ৭৫ লাখ টাকা নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছি, নাও ভাই নাও ৭৫ লাখ নিয়ে নাও, তবুও কিছু খাবার দাও"।
কে কার টাকা নেবে, খাবার কারো কাছেই নেই। মানুষ মানুষের দিকে তেড়ে আসছে হিংস্র সিংহের মত। মনে হচ্ছে, মানুষ মানুষকে খাবে।
অচেনা একলোক তাড়া করেছে আমাকে, চিবিয়ে খাবে বলে।
ছুটছি আমি। আমি ক্ষুধার্ত মানুষ, কতটা আর ছুটব?
পড়ে গেলাম হোঁচট খেয়ে. ..মা গো করে চিৎকার করে উঠলাম...
বউ তখন ঘুম থেকে লাফ দিয়ে উঠে "কি হলো তোমার ? সকাল হয়ে গেছে, ঘুম থেকে উঠো, চোখে মুখে জল দিয়ে আসো। এই তুমি বাচাঁও বাঁচাও বলে চেঁচাচ্ছিলে কেন? কোন খারাপ স্বপ্ন দেখছিলে নাকি ?"
আমি বললাম, "না, খারাপ নয়, ভালো দিনের স্বপ্ন"।
গরিব আমরা, কিন্তু ঘরে "দুমুঠো খাবার তো আছে"
"তৃষ্ণার জল তো আছে"
"শিশুরা খেলছে"
"পশুরা মাঠে ঘাস খাচ্ছে"
"দোকানে ভিড় আছে"
"যানবাহন চলছে তো চলছে"
"মানুষের সমাগম চলছে"
"বাগানে ফুল ফুটছে"
প্রকৃতি হাসছে...
অনেকে ভাবে, সৃষ্টিকর্তা কেন ধনী গরীব সৃষ্টি করছে?
সবাইকে তো চাইলে ধন সম্পদ দিতে পারতো। সবাইকে সুখ শান্তি দিতে পারতো। বাস্তবতা হল ধনী গরীব বৈষম্য আছে বলে এখনও পৃথিবী টিকে আছে এবং টিকে থাকবে।।
সংগৃহীত
02/06/2025
চিন্তা ভাবনা ছোট যার, টাকা থাকলেও সে আর বড় হতে পারেনা।
পারিবারিক ভাবে পেয়ে আসা বিষয় গুলো আসলেই জীবনের সব ক্ষেত্রেই ছাপ রেখে যায়।
মানুষের লাইফ স্টাইল কেমন হবে, সেটা আমার মনে হয় তার পারিবারিক শিক্ষার উপরে নির্ভরশীল। ছোটবেলায় যে পরিবেশে মানুষ বড় হয়, সেটা তার ভেতরে পাকাপাকিভাবে একটা ছাপ রেখে যায়।
আমি এমন অনেক ফ্যামিলি দেখেছি, যাদের উপার্জন মাসে ২/৩ লক্ষ টাকা, কিন্ত থাকেন একেবারে ঘুপচি বাসায়। ভালো একটা বাসায় থাকা উনাদের কাছে অপচয়, ভালো একটা বাসায় থাকলে যে মন-মানসিকতা ভালো থাকে- এইটা উনারা মানবেন না।
(আবার ঋণের টাকায় ইন্ডিয়া-নেপাল ঘুরে ফুটানি করে তারপর কিস্তি টানতে টানতে নাজেহাল কত জনকেও দেখেছি)
আবার এমন অনেক ফ্যামিলি আছে, যারা নিজেদের খুব সীমিত উপার্জনের মাঝেও খুব সুন্দর করে গুছিয়ে বাঁচেন। তাদের ঘরদোর বলেন আর লাইফস্টাইল, সবকিছুই খুব টিপটপ। (উনাদের আমার খুব ভালো লাগে)
এক বিশাল বড় সরকারি চাকুরের স্ত্রীকে আমি দেখেছিলাম ডিমের মাঝে পানি মিশিয়ে ভাজতে। তাতে নাকি দুইটা ডিমেই সবার নাস্তা হয়ে যায়! জীবনে কোনদিন যাকাত- ফিতরা পর্যন্ত দেন না। কাপড় কাচার সাবান দুই ভাগ করে কেটে ইউজ করেন, বুয়ারা নাকি বেশি ডলে ফেলে!
আবার আমার গৃহকর্মী স্বপ্নাকেই দেখি প্রতিদিন নিজের মেয়েদের জন্য এক লিটার করে দুধ কিনে নিয়ে আসে। আমার বাসায় বসে জ্বাল করে, ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিয়ে যায়। ওর দুই মেয়ে ঠান্ডা দুধ খেতে পছন্দ করে। কোনদিন আবার আমার থেকে মোল্ড নিয়ে আইস্ক্রিম বসায়। নিজের বাসায় মুরগি কাটলে একসাথে কয়েকদিনের পা-গিলা জমিয়ে আমার কুকুরদের রান্নায় দিয়ে দেয়...
স্বপ্না ঢাকায় হয়তো গৃহকর্মী, কিন্তু নিজের গ্রামে সে ভালো পরিবারের কন্যা, সেইটা তার লাইফস্টাইলেই বোঝা যায়। ওরা কোন বস্তিতেও থাকে না। আরো দুইটা পরিবারের সাথে মিলে কলাবাগান ফার্স্ট লেনে ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া করে থাকে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে। ৩ ফ্যামিলির ৩ রুম! জিজ্ঞেস করলে হেসে বলে- "মেয়েটেয়ে মানুষ করতে গেলে ভালো জাইগায় থাকা লাগে আপা!"
লোকে ঠিকই বলে-
টাকা থাকলেই রুচি থাকে না।
টাকা থাকলেই সুখ থাকে না।
এবং, ব্যবহারে বংশের পরিচয়।
আমার নানী বলতেন- "ভালোমন্দ খাইতে আত্মা লাগে। অন্যের পাতে ভাত বাড়তে গুর্দা লাগে!"
ভদ্রমহিলা মনে হয় ঠিকই বলতেন!
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1217