Creative Mind
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Creative Mind, Chef, Shahmokdum Avenue, Dhaka.
08/04/2026
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার হয়ে আসছেন আরিফ মোহাম্মদ খান। এই ঘটনা শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। এমনকি বিশ্বেও এমন দৃষ্টান্ত একেবারেই নগণ্য।
আরিফ মোহাম্মদ খান ৪০ বছর আগে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ছিলেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি হওয়ার কথা তার।
কিন্তু, কেন তাকে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে?
আরিফ মোহাম্মদ খান ভারতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক খেলোয়াড়। রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ছাত্র থাকার সময়ে। কংগ্রেসসহ একাধিক সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন। সবশেষ যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। বিহারের সদ্য সাবেক গভর্নর।
ভারত কাঁপিয়ে দেওয়া একটি মামলা ছিলো-শাহ বানুর তালাক। ওই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ছিলেন আরিফ মোহাম্মদ খান। তখন লোকসভায় দাঁড়িয়ে শাহ বানুর রায়ের পক্ষে এমন বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি, যার ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, ভারতে পিছিয়ে পড়া মুসলিমদের পক্ষ নেবে সরকার।
কিন্তু বান্তবে তা হয়নি। রাজীব গান্ধীর কংগ্রেস সরকারের অবস্থান হয় উল্টো। আর সেই সময়ের প্রভাবশালী তরুণ প্রতিমন্ত্রী আরিফ মোহাম্মদ খান রাজীব গান্ধীর মন্ত্রিসভা, এমনকি কংগ্রেস থেকেও পদত্যাগ করেন। বাবরি মসজিদ ভাঙার যে রাজনীতি, তা সবার আগে উপলব্ধি করেছিলেন আরিফ মোহাম্মদ খান। মুসলিম রক্ষণশীলদের উত্থানের তীব্র বিরোধীতা করেছিলেন তিনি।
ভারতে তরুণ বয়সে যে কয়জন ব্যক্তি মন্ত্রী হয়েছিলেন, আরিফ মোহাম্মদ খান ছিলেন তাদের অন্যতম। অত্যন্ত প্রভাবশালী এই ব্যক্তি রাজীব গান্ধীর খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। কিন্তু শাহ বানুর মামলায় রাজীব গান্ধীর অবস্থান নিয়ে দ্বিমত প্রকাশ করে মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস ত্যাগ করেন।
(এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে Alap - আলাপ -এর এক্সপ্লেইনার দেখতে পারেন। কমেন্টে লিংক দেওয়া আছে।)
কংগ্রেস ত্যাগ করে অন্যদলে যোগ দেন আরিফ খান। ১৯৮৯ সালের নির্বাচনে ব্যাপক ভরাডুবি ঘটে রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের। এই ভরাডুবির পেছনে আরিফ মোহাম্মদ খানের কংগ্রেস ত্যাগকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হয়।
কারণ, শাহ বানুর মামলার রায় ঘোষণার কয়েকমাসের মধ্যেই ঘোলাটে হয়ে ওঠে রাজনৈতিক পরিবেশ। রাজীব গান্ধীর ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড ও রক্ষণশীল ধর্মীয় নেতারা। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে কয়েকটি উপনির্বাচন হয়। সেখানে ভরাডুবি ঘটে কংগ্রেস প্রার্থীদের। ভয় পেয়ে যান রাজীব গান্ধী। মুসলিম ভোট ব্যাংক হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা পেয়ে বসে তাকে।
এক সময় রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন আরিফ মোহাম্মদ খান। বলা হয়ে থাকে, আরিফের কথামতোই চলতো রাজীবের সরকার।
কিন্তু মুসলিম তোষণ করতে গিয়ে আরিফ খানকে এড়িয়ে চলা শুরু করেন তরুণ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। আরিফ খানকে কিছু না জানিয়েই রক্ষণশীল আলেমদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু করে সরকারের শীর্ষ মহল। রাজীব গান্ধী সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, মুসলিম ভোট ধরে রাখতে হলে ওলামাদের সঙ্গে আপস করতেই হবে।
ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি আসন নিয়ে ভারতে ক্ষমতায় এসেছিলেন রাজীব গান্ধী। তরুণ প্রধানমন্ত্রীকে সবাই আধুনিক ও প্রগতিশীল নেতা হিসেবে দেখতেন। আশা করা হয়েছিল, তার হাত ধরে ভারতে বড় ধরনের সামাজিক সংস্কার আসবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশার ওপর জল ঢেলে দিয়ে রাজীব গান্ধী শেষ পর্যন্ত ওলামাদের পক্ষেই দাঁড়ালেন। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, সুপ্রিম কোর্টের শাহ বানু রায়কে কার্যত অকার্যকর করে দিতে নতুন আইন পাস করা হবে সংসদে।
১৯৮৬ সালে সংসদে ‘মুসলিম মহিলা (বিবাহবিচ্ছেদে অধিকার সুরক্ষা) বিল’ আনার ঘোষণা দেয় সরকার। এর বিরোধিতা করেন আরিফ মোহাম্মদ খান। ক্ষোভ ও হতাশায় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা ব্যবহার করে পরে বিলটি পাসও করে নেয় কংগ্রেস। ইতিহাসে এই ঘটনাই পরিচিত হয়ে যায় “শাহ বানু রায়কে উল্টে দেওয়া” হিসেবে। কার্যত, সুপ্রিম কোর্টের মানবিক ও প্রগতিশীল রায় অকার্যকর হয়ে যায় সংসদের এক ভোটে।
এরপরই আরিফ খান মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস ত্যাগ করেন। কিন্তু তার পথচলা থেমে যায়নি। একাধিকবার মন্ত্রী হয়েছেন। শেষে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। সর্বশেষ বিহারের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সেই আরিফ খানকেই এবার ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে হাইকমিশনার করে। ভারত সরকার এর আগে এত বড় প্রোফাইলের কাউকে কখনো রাষ্ট্রদূত করেছে কি না, তা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা চলছে। আর বাংলাদেশেই কেন এত বড় ঝানু রাজনীতিককে পাঠানো হচ্ছে?
আরিফ খান বাংলাদেশে হাইকমিশনার হয়ে এলে তার পদমর্যাদা কী হবে? সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাকে হয়ত পাঠানো হবে ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে। এর কম দেওয়াটা তার ক্ষেত্রে মানায় না।
আরিফ মোহাম্মদ খানের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদকে কেন বাংলাদেশে হাইকমিশনার করে পাঠানো হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চলছে বাংলাদেশ ও ভারতে।
06/03/2026
ভারতে একটা ন্যাভাল ইভেন্ট হচ্ছিল! পৃথিবীর সব দেশের নেভি সদস্যরা এই সৌহার্দ্যপূর্ণ গ্যাদারিংয়ে আসে, আনুষ্ঠানিকতা করে, বন্ডিং তৈরি করে দেশে ফিরে যায়।
গত সপ্তাহে ভারতে হলো ওদের বাৎসরিক “মিলন” ন্যাভাল এক্সারসাইজ। এই সব এক্সারসাইজে আসা-যাওয়ার সময় সেইলররা আনআর্মড থাকে, আর শিপের গান/উইপনগুলোও ডিঅ্যাক্টিভেট করে রাখা হয়।
এই মিলন ন্যাভাল এক্সারসাইজে ইরান থেকে এসেছিল তাদের ন্যাভাল শিপ আইআরআইএস দিনা। সিকিউরিটি আর কমান্ড ছাড়া মোটামুটি ১৮০ জন নন-কমব্যাট্যান্ট মার্চিং ব্যান্ড ইত্যাদির তরুণ সেইলর ছিল এই জাহাজে।
মিলন এক্সারসাইজ শেষ হওয়ার পর আইআরআইএস দিনা ইরানে ফিরছিল। কিন্তু ফিরতে পারেনি। ইউএস নেভি টরপেডো করে জাহাজটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। শ্রীলঙ্কান নেভি ৩৬ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।
ইরানি জাহাজটা কোনো কমব্যাট জোনে ছিল না। ইউএস নেভি এই জাহাজকে কোনো ওয়ার্নিং দেয়নি। বলেওনি শিপ ইভাকুয়েট কর, যুদ্ধবন্দি করতে পারত। সেটাই সভ্য যুদ্ধের নিয়ম। কিন্তু জাস্ট বোমা মেরেছে হত্যা করার জন্য।
সামুদ্রিক যুদ্ধে এটা আজীবনের চুক্তি, জাহাজ ধ্বংস হয়ে গেলে ধ্বংস হয়ে যাওয়া শত্রু জাহাজের সেইলরদের পানি থেকে উদ্ধার করা হয়। ভিডিও ফুটেজ দেখেছি, স্টিল ছবি দেখেছি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিরাও এই বেসিক রুলটা অধিকাংশ সময় ফলো করেছে।
কিন্তু ট্রাম্পের ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার এই জীবনের জন্য সামান্য ভ্যালুটাও দেখাতে পারেনি। আহত সেইলররা পানিতে খাবি খেতে খেতে মারা যাচ্ছে, আগুনে পুড়তে পুড়তে ডুবে যাচ্ছে, আমেরিকানরা সেলিব্রেট করেছে। হোয়াইট হাউজ দম্ভ করে জ্বলন্ত জাহাজের ছবি পোস্ট করেছে।
©️ Rumi Ahmed
23/01/2026
🫵 আপনার বীর্য যখন মোবাইলের স্ক্রিন দেখে বের হয়,
📱 তখন আপনার স্ত্রীর বুক চিরে বের হয় এক দলা দীর্ঘশ্বাস। 😔
🚪 দরজা বন্ধ।
🎧 কানে হেডফোন।
📱 মোবাইলের উজ্জ্বল আলোয় ভেসে উঠছে একের পর এক নগ্ন শরীরের ভাঁজ।
👀 আপনি দেখছেন,
🔥 উত্তেজিত হচ্ছেন,
✊ আর নিজের পৌরুষকে চিপে ধরে
😶🌫️ একটু সস্তা সুখ খুঁজছেন।
❓ আচ্ছা ভাই,
🎬 ওই ভিডিওতে যে মেয়েটিকে দেখছেন—
👩🦰 সে কি আপনার স্ত্রী?
❌ না।
💔 সে কি আপনার প্রেমিকা?
❌ না।
💸 সে টাকার বিনিময়ে দেহ বিক্রি করা একজন অভিনেত্রী মাত্র।
😵 অথচ তার ওই মেকি চিৎকারে উত্তেজিত হয়ে
⬆️ আপনি যখন চরম সুখের শিখরে পৌঁছান,
⏰ ঠিক তখনই
🛏️ পাশের ঘরে
বা ওই বিছানাতেই
👩❤️👨 আপনার বিবাহিত স্ত্রী
⏳ আপনার অপেক্ষায়
🐦🔥 চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকে।
🫵 আপনার বীর্য যখন মোবাইলের স্ক্রিন দেখে বের হয়,
😔 তখন আপনার স্ত্রীর বুক চিরে বের হয়
এক দলা দীর্ঘশ্বাস।
⚠️ আজ আপনাকে একটা অপ্রিয় সত্য বলি
🤔 আপনি হয়তো ভাবেন—
“আরে, একটু পর্ন দেখলে কী হয়?
😏 এটা তো সবাই দেখে!”
❌ ভুল!
🚫 সবাই দেখে না।
🧠 যারা দেখে,
🧟♂️ তারা নিজেদের মস্তিষ্ক পচিয়ে ফেলেছে।
❓ আপনি কি জানেন—
☠️ আপনি দিনের পর দিন
এই ‘নীল বিষ’ পান করে
🔥 আপনার বাস্তব জীবনটাকে
জাহান্নাম বানিয়ে ফেলছেন?
🩸 আপনি নিজের হাতে
🍆 আপনার লিঙ্গকে,
🧠 আপনার মস্তিষ্ককে
এবং
🏠 আপনার ভালোবাসার সংসারকে
🔪 হত্যা করছেন।
💪 যদি সাহস থাকে,
📖 তবে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
😖 আজকের পর
📱 আপনার হাতে মোবাইলটা নিতেও
ঘৃণা লাগবে।
🔵 পর্নে যা দেখেন—সবই ভুয়া
👁️ আপনি ভিডিওতে কী দেখেন?
💪 একজন সুঠাম দেহের পুরুষ
📏 তার ৭ ইঞ্চি লম্বা ‘অস্ত্র’ দিয়ে
👩 একজন নারীকে
⏱️ আধঘণ্টা ধরে
🔁 একটানা সঙ্গম করছে।
😮 নারীটি ব্যথায় কঁকাচ্ছে না,
🤯 বরং আনন্দে লাফাচ্ছে।
❌ কোনো ফোর-প্লে নেই,
❌ আদর নেই—
💥 ধপাস করে শুরু,
🔄 আর নন-স্টপ ঘর্ষণ!
🤤 আর আপনি সেটা দেখে ভাবেন—
“ইস! আমি যদি এমন পারতাম!
😒 আমার বউ কেন এমন করে না?”
🤦♂️ আরে বোকার দল!
⏳ ওই আধঘণ্টার ভিডিও শুট করতে
⌛ সময় লাগে ৫ ঘণ্টা!
🥤 মাঝে ব্রেক নেয়,
💧 পানি খায়,
💄 মেকআপ ঠিক করে।
✂️ এডিট করে কেটে কেটে
🎞️ ওটাকে ২০ মিনিট বানানো হয়।
💉 ওই নায়কের লিঙ্গে
বিশেষ ইনজেকশন দেওয়া থাকে
🧱 যাতে সেটা ঘন্টার পর ঘণ্টা শক্ত থাকে।
🚫 এটা স্বাভাবিক কোনো পুরুষের পক্ষে
সম্ভব নয়।
🎭 নায়িকার ওই
“আহ! উহ!”
সব মেকি।
🎬 পরিচালক যেভাবে চিৎকার করতে বলে,
সে ঠিক সেভাবেই করে।
😐 তার ওখানে হয়তো
কিছুই অনুভব হচ্ছে না।
💔 অথচ এই মিথ্যা অভিনয় দেখে
👩❤️👨 আপনি আপনার রক্তমাংসের বউকে
🛏️ বিছানায়
সেই পর্নস্টারের মতো আচরণ করতে
⚠️ বাধ্য করেন।
😤 আপনি চান—
👩🦱 আপনার স্ত্রীও
ওভাবে লাফালাফি করুক।
😞 কিন্তু বাস্তবে
আপনার স্ত্রী একজন সাধারণ মানুষ।
😖 তার শরীর ব্যথা পায়,
😩 সে ক্লান্ত হয়।
💭 সে যখন আপনার ওই ফ্যান্টাসি
পূরণ করতে পারে না,
😠 তখন আপনার তাকে ভালো লাগে না।
🗣️ মনে হয়—
“বউটা আনস্মার্ট।”
❗ আসল সত্য হলো—
👩 বউ আনস্মার্ট নয়,
🧠 আপনার মস্তিষ্ক বিকৃত হয়ে গেছে।
☠️ আপনি বিষ খেয়ে
🍯 এখন আর অমৃতের স্বাদ
বুঝছেন না।
✋ অতিরিক্ত মাস্টারবেশনের মরণ কামড়
🎥 পর্ন দেখার সাথে সাথে
➡️ অবধারিতভাবে যেটা আসে—
✊ হস্তমৈথুন
বা মাস্টারবেশন।
👦 যুবক বয়সে
❓ কৌতুহলবশত শুরু করেছিলেন,
👨💼 আর এখন
💍 বিবাহিত হয়েও
🚿 বাথরুমে লুকিয়ে
এই কাজ করেন।
🔁 দিনে একবার,
🔁 দুবার,
🔁 তিনবার…
💥 ফলাফল কী?
✊ আপনার হাত
🍆 আপনার লিঙ্গকে যতটা জোরে চাপে,
😶 যোনিপথ ততটা জোরে চাপ দিতে পারে না।
⚡ ফলে বছরের পর বছর
হাত দিয়ে করতে করতে
🧠 আপনার লিঙ্গের স্নায়ুগুলো
❌ নষ্ট হয়ে গেছে।
😵 এখন স্ত্রীর নরম যোনিপথে
ঢুকিয়ে
😐 আপনার আর কোনো অনুভূতি হয় না।
🌬️ মনে হয়—
বাতাসের মধ্যে চালাচ্ছেন।
😰 এজন্যই বিছানায়
আপনার ইরেকশন হয় না,
বা হলেও
⏱️ বেশিক্ষণ থাকে না।
⏳ আপনি পর্ন দেখার সময়
দ্রুত শেষ করতে চান
👀 যাতে কেউ দেখে না ফেলে।
⚡ এই ‘তাড়াহুড়ো’ করতে করতে
🧠 আপনার মস্তিষ্ক শিখে গেছে—
⏲️ ২ মিনিটেই কাজ শেষ করতে হবে।
😞 তাই আজ
💍 বিয়ের পর
🛏️ যখন স্ত্রীর কাছে যান,
⏱️ ওই ২ মিনিটেই
আপনার খেলা শেষ।
🧪 ডোপামিন হরমোনের খেলা
📺 পর্ন দেখলে
🌊 মস্তিষ্কে বন্যার মতো
😊 ডোপামিন
(সুখের হরমোন)
নিঃসৃত হয়।
👩❤️👨 বাস্তব স্ত্রী,
💞 সাধারণ আদর
বা রোমান্সে
❌ অত ডোপামিন আসে না।
😒 তাই স্ত্রীকে এখন
আপনার
‘পানসে’ লাগে।
😡 বিছানায় স্ত্রীকে ঘৃণা কেন?
📩 অনেক পুরুষ
আমাদের ইনবক্সে লেখেন—
🗣️ “ভাই, স্ত্রীকে দেখলে উত্তেজিত হই না।
😕 মনে হয় শরীরটা কেমন মোটা,
🍔 পেটে চর্বি,
🎨 বা রঙ কালো।
😈 কিন্তু পর্ন দেখলেই ঠিকই শক্ত হয়।”
🤮 ছিঃ ভাই!
🧠 আপনার রুচি
📉 এত নিচে নেমে গেছে?
🎥 পর্নে আপনি দেখছেন
🌍 দুনিয়ার সেরা ফিগারের
🧬 প্লাস্টিক সার্জারি করা মেয়েদের।
🍒 তাদের স্তন,
⏳ কোমর,
👄 ঠোঁট—
সব কৃত্রিমভাবে বানানো।
💡 লাইটিং আর
💄 মেকআপের কারসাজি।
🏠 আর আপনার ঘরে আছে
একজন রক্তমাংসের নারী।
👩👧 যার শরীর
🤰 হয়তো মা হওয়ার পর
কিছুটা ভেঙে গেছে।
🧵 যার পেটে
সন্তান ধারণের দাগ
(Stretch Marks) আছে।
🍳 যে আপনার জন্য
রান্না করে,
🏡 সংসার সামলায়।
🤯 আপনি ওই প্লাস্টিক পুতুলের সাথে
👩❤️👨 আপনার জীবনসঙ্গিনীর
তুলনা করছেন?
🙏 বিশ্বাস করুন—
👩 আপনার স্ত্রী কুৎসিত নন,
🧠 আপনার দৃষ্টি নোংরা হয়ে গেছে।
⚠️ যে পুরুষ
👀 পরনারী বা পর্ন দেখে,
🌹 তার কাছে
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী স্ত্রীকেও
😖 কুৎসিত মনে হবে।
⚡ এটা আল্লাহর লানত।
👩🦰 নারীরাও কি পিছিয়ে? (লুকানো সত্য)
🚫 শুধু পুরুষ নয়,
⏰ আজকের যুগে
👩 নারীদের মধ্যেও
এই ব্যাধি ছড়িয়ে পড়েছে।
📱 অনেক নারী
😞 অতৃপ্ত থেকে
🎥 পর্নে আসক্ত হয়ে পড়ছেন।
📺 তারা কোরিয়ান ড্রামা
📖 বা ‘ইরোটিক নভেল’
পড়ে বা ভিডিও দেখে ভাবেন—
💭 “আমার স্বামী কেন এমন রোমান্টিক নয়?
😒 ও কেন আমাকে এভাবে আদর করে না?”
💥 ফলাফল—
😠 স্বামীকে তারা
🛏️ বিছানায় অযোগ্য মনে করেন।
🗣️ স্বামীর ছোটখাটো ত্রুটি নিয়ে
ঝগড়া করেন।
⚠️ মনে রাখবেন—
🎭 পর্নোগ্রাফি
বা ফ্যান্টাসি
🌫️ হলো মরীচিকার মতো।
✨ দূর থেকে সুন্দর লাগে,
🏜️ কাছে গেলে
শুধুই বালি।
🤍 আপনার স্বামী
বা স্ত্রী
যেমনই হোক,
☪️ সেই আপনাদের
একমাত্র হালাল শান্তির আশ্রয়।
💣 ধ্বংসের শেষ পর্যায়
🕰️ টানা ১০ বছর
পর্ন আসক্তির ফল
❓ কী জানেন?
🍆 আপনার লিঙ্গ
একদিন
❌ সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যাবে।
🏥 ডাক্তাররা এটাকে বলছেন—
🧠 PIED (Porn-Induced Erectile Dysfunction)।
📝 মানে—
🩺 শারীরিকভাবে আপনি সুস্থ,
❌ ডায়াবেটিস নেই,
❌ প্রেসার নেই—
😵 তবুও
আপনার দাঁড়াবে না।
🧠 কারণ
আপনার মস্তিষ্ক
🚫 আর বাস্তবের যৌনতায়
সাড়া দিচ্ছে না।
💊 তখন
হাজারটা ভায়াগ্রা খেয়েও
❌ কাজ হবে না।
😔 আপনি আপনার স্ত্রীর সামনে
🙈 লজ্জায় মাথা নিচু করে
বসে থাকবেন।
💭 আর আপনার স্ত্রী ভাববে—
“আমার স্বামী হয়তো
😞 অন্য কোথাও আসক্ত
বা অক্ষম।”
🏠 একটা সাজানো সংসার
🃏 কীভাবে
তাসের ঘরের মতো
ভেঙে যায়,
👁️ তখন নিজের চোখে দেখবেন।
🛑 এই নরক থেকে ফিরবেন কীভাবে?
😨 ভয় পাচ্ছেন?
✔️ পাওয়াটাই উচিত।
⚠️ কারণ
আপনি খাদের কিনারায়
দাঁড়িয়ে আছেন।
🌈 তবে সুসংবাদ হলো—
⏳ এখনো ফিরে আসা সম্ভব।
🧠 মানুষের মস্তিষ্ক
🔁 ‘নিউরোপ্লাস্টিসিটি’
মেনে চলে।
📌 অর্থাৎ—
🚫 আপনি বদভ্যাস ছাড়লে
🧠 মস্তিষ্ক আবার
আগের মতো সুস্থ হয়ে যাবে।
📆 রিকভারি রুটিন
💪 ৯০ দিনের চ্যালেঞ্জ
📜 আজই প্রতিজ্ঞা করুন—
⏳ আগামী ৩ মাস (৯০ দিন)
🚫 কোনো পর্ন ভিডিও দেখবেন না
এবং
✋ মাস্টারবেশন করবেন না।
😵 প্রথম ৭ দিন
🦵 আপনার গা হাত-পা কাঁপবে,
🤯 মনে হবে
পাগল হয়ে যাচ্ছেন।
🧘♂️ কিন্তু সহ্য করুন।
📌 এটাকে বলে
‘উইথড্রল সিম্পটম’।
⏱️ ১৫ দিন পর
🙂 দেখবেন
মাথা হালকা লাগছে।
📵 ফোন থেকে বিষ সরান
📘 ফেসবুক,
📸 ইনস্টাগ্রামে
যেসব পেজ বা গ্রুপে
🔞 ১৮+ কন্টেন্ট আসে—
🚫 সব আনফলো করুন।
📱 ফোনে
🔒 ‘App Block’
বা
👨👩👧 ‘Parental Control’
চালু করুন
❌ যাতে চাইলেও
ঢুকতে না পারেন।
🚿 বাথরুমে ফোন নেওয়া
⛔ আজকেই বন্ধ করুন।
👩❤️👨 স্ত্রীর দিকে নতুন করে তাকান
🌙 আজ রাতে
🎥 পর্নের ওই নায়িকাকে
🧹 মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে
👀 আপনার স্ত্রীর চোখের দিকে তাকান।
🤲 তার শরীরে হাত বুলান।
🚫 ফ্যান্টাসি নয়,
🤍 বাস্তব স্পর্শ অনুভব করুন।
😐 প্রথম দিকে
হয়তো উত্তেজনা কম হবে,
⏳ কিন্তু ধৈর্য ধরুন।
🔄 ধীরে ধীরে
🧠 আপনার মস্তিষ্ক আবার
👩 বাস্তব নারী শরীরকে
চিনতে শুরু করবে।
🧠 ‘কার’ ওয়াশ নয়, ‘ব্রেইন’ ওয়াশ করুন
⚡ যখনই বাজে চিন্তা আসবে,
🚶 সাথে সাথে উঠে দাঁড়িয়ে যান।
😤 বুক ডন দিন।
💦 ঠাণ্ডা পানি দিয়ে
চোখেমুখে ঝাপটা দিন।
👨👩👧 বা
পরিবার বা বাচ্চার সাথে
🗣️ কথা বলুন।
🤖 আপনি কি রোবট, নাকি মানুষ?
📱 যে সুখ
স্ক্রিনের কাঁচে বন্দি,
❌ সেটা সুখ নয়—
🌫️ সেটা বিভ্রম।
👃 আপনার স্ত্রীর
শরীরের গন্ধ,
😮💨 তার নিঃশ্বাসের শব্দ,
🤍 তার নরম স্পর্শ—
✨ এগুলোই হলো
আসল যৌনতা।
💡 কৃত্রিম আলোয় অন্ধ হয়ে
💎 ঘরের আসল মানিকটাকে
হারাবেন না।
🌙 আজ রাতে
একটা পরীক্ষা করুন।
📴 ফোনটা বন্ধ করে
🗄️ ড্রয়ারে রেখে দিন।
🤗 স্ত্রীকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে
😌 শুধু শুয়ে থাকুন।
🚫 কোনো সেক্স নয়—
🤍 শুধু অনুভব।
✨ দেখবেন,
⏳ অনেকদিন পর
💭 আপনার মনে হবে—
“আমি বেঁচে আছি।
👩❤️👨 আমার পাশে
একটা জলজ্যান্ত মানুষ আছে।”
🔵 নীল দুনিয়া থেকে
বেরিয়ে আসুন।
🌤️ বাইরের আলোটা
অনেক সুন্দর।
👩❤️👨 আপনার স্ত্রী
⏳ আপনার জন্য
অপেক্ষা করছেন।
🚫 তাকে আর ঠকাবেন না।
⚰️ কারণ দিনশেষে
🎬 ওই স্ক্রিনের মেয়েটি
আপনার লাশ দেখতে আসবে না—
😭 আপনার স্ত্রীই
আপনার পাশে কাঁদবে।
💓 লেখাটি পড়তে গিয়ে
কি আপনার বুক ধড়ফড় করছে?
🤔 মনে হচ্ছে
কথাগুলো
হুবহু
আপনার জীবনের সাথে
মিলে যাচ্ছে?
❓— আপনি কি পর্ন ছাড়তে চেয়েও পারছেন না?
❓— স্ত্রীর কাছে গেলে কি লজ্জায় পড়তে হয়?
❓— নাকি অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে
এখন আর কিছুই অনুভব করেন না?
🚫 লজ্জা নয়—
🧠 এটা একটা মানসিক রোগ।
💊 আর এই রোগের
চিকিৎসা আছে।
💬 আপনার সমস্যাগুলো
কমেন্টে সংক্ষেপে লিখুন।
🛑 আজই
‘না’ বলুন
এই নীল বিষকে।
❤️ বাঁচান নিজেকে,
🏠 বাঁচান আপনার সংসার।
উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন 👈 সবাইকে জানিয়ে দিন ধন্যবাদ এডমিন মিম আক্তার 👈✅
Post by- Writer Mim Akter 👈✅
18/01/2026
টানা ৩০ মিনিট সহবাস করা সম্ভব যেভাবে!!
কোন মেডিসিনের দরকার হবে না
মনে করে দেখুন তো, বিয়ের প্রথম বছরগুলোতে আপনার শরীরের রক্ত কতটা গরম ছিল! স্ত্রীর দিকে তাকালেই শরীর রি-রি করে উঠত। আর আজ? আজ সেই আপনিই ১০ টাকার একটা ট্যাবলেটের জন্য ফার্মেসির দোকানে ফিসফিস করে কথা বলেন। ছিঃ! লজ্জা করে না?
আপনার স্ত্রী হয়তো মুখে কিছু বলছে না, কিন্তু তার চোখের ভাষা কি আপনি বোঝেন না? যখন আপনি ২ মিনিটেই শেষ হয়ে পাশ ফিরে শুয়ে পড়েন, তখন তার দীর্ঘশ্বাসটা কি আপনার বুকে এসে লাগে না?
নাকি আপনি ভাবছেন, "আরে, পুরুষ মানুষ তো এমনই! বয়স হয়েছে, শক্তি তো কমবেই।"
ভুল! মহা ভুল! আপনি নিজেকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন, আর তলে তলে ধ্বংস করছেন আপনার সংসার। আপনার এই অবহেলা, এই অজ্ঞতা আপনার স্ত্রীকে ঠেলে দিচ্ছে হতাশার অন্ধকারে, আর আপনাকে বানাচ্ছে নপুংসক।
আজকের এই লেখাটি কোনো সাধারণ টোটকা নয়। এটি আপনার হারানো যৌবন ফিরিয়ে আনার এক বৈজ্ঞানিক দলিল। যদি নিজের পুরুষত্বকে ভালোবাসেন, যদি স্ত্রীকে সত্যিকার অর্থে সুখী করতে চান, তবে দয়া করে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। কারণ, ফার্মেসির বিষ নয়, আপনার রান্নাঘরেই লুকিয়ে আছে সেই জাদুর কাঠি।
কেন আপনার যৌবন ফুরিয়ে যাচ্ছে?
আজকাল ৩০ বছরের যুবকও কেন ৭০ বছরের বৃদ্ধের মতো আচরণ করে? কেন বিয়ের মাত্র ২-৩ বছরের মধ্যেই বিছানায় সব আগ্রহ মরে যায়?
এর উত্তরটা খুব তেতো।
পুরুষের শক্তির মূল উৎস হলো 'টেস্টোস্টেরন' হরমোন। কিন্তু আপনার অলস জীবন, সারাদিন বসে থাকা, আর অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা এই হরমোনকে গিলে খাচ্ছে। আপনি যখন টেনশন করেন, তখন 'কর্টিসল' নামের স্ট্রেস হরমোন বাড়ে, যা টেস্টোস্টেরনকে মেরে ফেলে।
যৌন উত্তেজনা মানেই হলো লিঙ্গে রক্তের প্রবাহ। কিন্তু আপনার ধমনীগুলো আজ জাঙ্ক ফুড আর চর্বিতে ব্লক হয়ে গেছে। রক্ত সেখানে পৌঁছাতেই পারছে না। ফলে আপনার ইচ্ছা থাকলেও শরীর সাড়া দিচ্ছে না।
বাস্তব নারীকে আপনার আর ভালো লাগে না, কারণ আপনি মোবাইলের স্ক্রিনে হাজারটা কৃত্রিম নারী দেখে অভ্যস্ত। আপনার মস্তিষ্ক এখন ওই স্ক্রিনের উত্তেজনায় সাড়া দেয়, বাস্তবের রক্তমাংসের স্ত্রীর স্পর্শে নয়।
রাতে ৫-৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে আপনার টেস্টোস্টেরন লেভেল পরের দিনই ১৫% কমে যায়। আপনি রাত জেগে মোবাইল টিপছেন, আর নিজের পুরুষত্বকে গলা টিপে মারছেন।
আমাদের দেশে একটা আজব সমস্যা আছে। পুরুষরা নিজেদের দুর্বলতা বুঝলেও সেটা স্বীকার করতে চায় না। ভাবখানা এমন—"আমি তো পুরুষ, আমার আবার সমস্যা কী!"
অথচ তারা জানে, বিছানায় তারা স্ত্রীকে ১ মিনিটও সুখ দিতে পারছে না। বীর্য ধরে রাখতে পারছে না।
পুরুষদের বলছি ভাই, আপনি যতক্ষণ বীর্য ধরে রাখতে পারেন, সেটাই কি পৌরুষ? আপনার স্ত্রী কি তৃপ্ত হয়েছে? তার কি অর্গাজম হয়েছে? নাকি সে শুধু আপনার সিমেন্টের বস্তা হয়ে নিচে পড়ে ছিল?
আপনি যখন আপনার কাজ সেরে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলেন, তখন আপনার স্ত্রী অতৃপ্ত জ্বালায় ছটফট করে। দিনের পর দিন এই অতৃপ্তি তাকে খিটখিটে বানিয়ে দেয়। সে আপনার সাথে কারণে-অকারণে ঝগড়া করে। আর আপনি ভাবেন, "বউয়ের মেজাজ খারাপ।"
না! তার মেজাজ খারাপ নয়, তার শরীর খারাপ। তার পাওনা আপনি মেটাননি।
নারীদের বলছি । আপনারাও ধোয়া তুলসী পাতা নন। নিজের সমস্যা আপনারা নিজেরাও লুকিয়ে রাখেন। স্বামীর কাছে মুখ ফুটে বলেন না যে আপনারও ইচ্ছে করে।
নারীদের যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার কারণ হলো হরমোন ইমব্যালেন্স, আয়রনের অভাব এবং মানসিক দূরত্ব। আপনারা যদি নিজের শরীরের যত্ন না নেন, ভালো খাবার না খান, তবে বিছানায় আপনারা 'মরা কাঠ' হয়েই থাকবেন। আর মরা কাঠের সাথে ঘষাঘষি করতে কোনো পুরুষেরই ভালো লাগে না।
১০ টাকার ট্যাবলেটের মরণফাঁদ (ফার্মেসির বিষ)
বাংলাদেশের অলিতে-গলিতে ফার্মেসিতে আজকাল মুড়ির মতো সেক্স পিল বিক্রি হয়। ইন্ডিয়ান, বার্মিজ—নানা রঙের ট্যাবলেট।
নামগুলো খুব চটকদার। দাম মাত্র ১০-২০ টাকা। কিন্তু ফার্মেসির লোক আপনার কাছে এটা ২০০-৩০০ টাকায় বিক্রি করে। কেন জানেন? কারণ এখানে লাভ বেশি।
আপনি লজ্জায় ডাক্তারের কাছে যান না। ফার্মেসিতে গিয়ে ফিসফিস করে বলেন, "ভাই, একটু পাওয়ারের ওষুধ দেন।"
ফার্মেসির লোকটা মনে মনে হাসে আর আপনাকে ধরিয়ে দেয় বিষ।
এই বিষ আপনার শরীরে কী করে?
হার্ট ব্লক: এই ওষুধগুলো জোর করে রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। আপনার হার্ট তখন পাগলা ঘোড়ার মতো পাম্প করতে থাকে। দুর্বল হার্ট হলে ওখানেই হার্ট অ্যাটাক নিশ্চিত।
কিডনি ড্যামেজ: নিয়মিত এই বিষ খেলে আপনার কিডনি ২-৩ বছরের মধ্যে অকেজো হয়ে যাবে।
চিরস্থায়ী অক্ষমতা: সবচেয়ে ভয়ানক হলো, কিছুদিন পর এই ওষুধ ছাড়া আপনার আর কখনোই লিঙ্গ উত্থান হবে না। আপনি প্রাকৃতিকভাবে সম্পূর্ণ নপুংসক হয়ে যাবেন।
এখন সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি ১০ মিনিটের আনন্দের জন্য সারা জীবনের কান্না কিনবেন? নাকি বুদ্ধিমানের মতো কাজ করবেন?
প্রাকৃতিক সমাধান
মেডিসিন ফেলে দিন। আপনার রান্নাঘরেই আছে সেই সমাধান, যা হাজার বছর ধরে রাজারা ব্যবহার করে এসেছেন।
প্রাকৃতিক খাবার কেন কাজ করে? কারণ এগুলো কোনো জোর জবরদস্তি করে না। এগুলো আপনার শরীরকে ভেতর থেকে মেরামত করে। হরমোন বাড়ায়, রক্ত সঞ্চালন ঠিক করে এবং বীর্য ঘন করে।
কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা জানি না কী খেতে হবে এবং কখন খেতে হবে।
রসুন
রসুনকে বলা হয় প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক এবং সেক্স টনিক।
রসুনে আছে 'অ্যালিসিন', যা জননেন্দ্রিয়তে রক্তের প্রবাহ মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়। এটি শুক্রাণুর মান উন্নত করে।
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে পানি দিয়ে গিলে ফেলুন। অথবা রাতে ১ চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খান।
তবে যাদের লো প্রেশার বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশি, তারা ভরা পেটে খাবেন বা ঘি দিয়ে ভেজে খাবেন।
কালোজিরা ও মধু
রাসূল (সা.) বলেছেন, "কালোজিরা মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ওষুধ।"
কালোজিরা সরাসরি টেস্টোস্টেরন বুস্ট করে এবং ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে। আর মধু হলো ইনস্ট্যান্ট এনার্জি।
প্রতিদিন সকালে ১ চিমটি কালোজিরা ভালো করে চিবিয়ে তারপর ১ চামচ খাঁটি মধু খান।
টানা ১ মাস খেয়ে দেখুন। বিছানায় আপনার দম দেখে আপনি নিজেই অবাক হবেন।
ডিম ও দুধ
ডিমের কুসুমে আছে কোলেস্টেরল, যা থেকে টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরি হয়। আর দুধে আছে ক্যাসিন প্রোটিন।
প্রতিদিন সকালে নাস্তায় ১টি সেদ্ধ ডিম (কুসুমসহ) এবং রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস গরম দুধ।
দেশি মুরগির ডিম বা হাঁসের ডিম হলে সবচেয়ে ভালো।
তরমুজ
বিশ্বাস হবে না, কিন্তু তরমুজকে বলা হয় প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা।
তরমুজে আছে 'সিট্রুলাইন' (Citrulline), যা শরীরে গিয়ে আরজিনিন-এ রূপান্তরিত হয় এবং নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে। এই নাইট্রিক অক্সাইডই লিঙ্গের রক্তনালী প্রসারিত করে শক্ত ইরেকশন দেয়—ঠিক ভায়াগ্রার মতো, কিন্তু কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া!
সিজনে প্রচুর তরমুজ খান। বিচি ফেলার দরকার নেই, বিচিতেও প্রচুর পুষ্টি আছে।
ডালিম বা আনার
এটি শরীরে টেস্টোস্টেরন লেভেল ৩০% পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে এবং স্ট্রেস কমায়।
প্রতিদিন ১ গ্লাস ডালিমের জুস বা ১টা আস্ত ডালিম চিবিয়ে খান। এটি আপনার মুড ভালো রাখবে এবং লিঙ্গকে লোহার মতো শক্ত করবে।
বাদাম ও বীজ
কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট এবং কুমড়োর বিচিতে প্রচুর 'জিঙ্ক' আছে। জিঙ্ক ছাড়া টেস্টোস্টেরন তৈরিই হয় না।
প্রতিদিন বিকেলে এক মুঠো মিশ্র বাদাম খান। কুমড়োর বিচি ভেজে স্ন্যাকস হিসেবে খান।
অশ্বগন্ধা ও শিলাজিৎ
এগুলো ভেষজ। অশ্বগন্ধা স্ট্রেস কমায় এবং শিলাজিৎ শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে।
রাতে গরম দুধের সাথে ১ চামচ অশ্বগন্ধা পাউডার বা এক চিমটি শিলাজিৎ মিশিয়ে খান। (অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের হতে হবে)।
আর যা যা ভুলেও খাবেন না
আপনি একদিকে মধু খাচ্ছেন, আর অন্যদিকে বিষ খাচ্ছেন—তাহলে লাভ হবে না।
সয়াবিন তেল ও সয়াজাতীয় খাবার: অতিরিক্ত সয়া খেলে পুরুষের শরীরে ইস্ট্রোজেন (মেয়েলি হরমোন) বেড়ে যায় এবং টেস্টোস্টেরন কমে যায়।
অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি: চিনি সরাসরি আপনার রক্তনালীকে অকেজো করে দেয় এবং ডায়াবেটিস ডেকে আনে। আর ডায়াবেটিস হলো যৌন ক্ষমতার ১ নম্বর শত্রু।
প্রসেসড ফুড ও ফাস্টফুড: বার্গার, পিজ্জা, চিপস—এগুলোতে থাকে ট্রান্স ফ্যাট, যা ধমনী ব্লক করে দেয়।
ধুমপান ও মদ: সিগারেটের নিকোটিন লিঙ্গের রক্তনালী সংকুচিত করে ফেলে। ফলে আপনার ইরেকশন হয় না বা হলেও বেশিক্ষণ থাকে না।
৬: ৭ দিনের রুটিন
আগামী ৭ দিন এই রুটিনটি মেনে চলুন। কথা দিচ্ছি, আপনার স্ত্রী আপনাকে নতুন করে আবিষ্কার করবে।
ঘুম থেকে উঠে ২ গ্লাস পানি। এরপর ২ কোয়া রসুন + ১ চামচ মধু + ১ চিমটি কালোজিরা।
নাস্তা: ২টা আটার রুটি + সবজি + ১টা সেদ্ধ ডিম।
দুপুর: লাল চালের ভাত (অল্প) + মাছ/মাংস + প্রচুর শাকসবজি + সালাদ।
বিকাল: এক মুঠো বাদাম + ১ কাপ আদা চা (চিনি ছাড়া)।
রাত: হালকা খাবার (রুটি/সবজি) + ১ গ্লাস গরম দুধ (সাথে অশ্বগন্ধা থাকলে ভালো)।
রাতে ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে মোবাইল দূরে রাখুন। ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম আপনার টেস্টোস্টেরন রিচার্জ করার জন্য বাধ্যতামূলক।
যৌনতা শুধু শরীরের খেলা নয়, এটা মনের খেলা।
আপনি যদি আগেই ভয় পান—"আজ পারব তো?"—তবে আপনি নিশ্চিত পারবেন না।
টেনশন আপনার লিঙ্গের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
মিলনের সময় পারফরম্যান্স নিয়ে ভাববেন না। শুধু মুহূর্তটা উপভোগ করুন।
স্থান পরিবর্তন করুন। সব সময় বেডরুমে কেন? ড্রয়িংরুম বা বারান্দায় (নিরাপদ হলে) চেষ্টা করুন।
পজিশন বদলান। একঘেয়েমি দূর করুন।
স্ত্রীকে ফোরপ্লে বা আদরে বেশি সময় দিন। তার উত্তেজনা বাড়লে আপনার টেনশন কমে যাবে।
আপনি কি প্রস্তুত?
আপনার স্ত্রী আপনার কাছে হীরা-জহরত চায় না। সে চায় আপনাকে। সে চায় রাতের ওই একান্ত মুহূর্তে আপনি তাকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিন।
মেডিসিন খেয়ে নিজেকে শেষ করবেন না। প্রকৃতি আপনাকে সব দিয়েছে, শুধু ব্যবহার করতে জানতে হবে।
আপনার পুরুষত্ব কোনো ট্যাবলেটের মোড়কে বন্দি নয়। এটি আপনার রক্তে, আপনার খাদ্যাভ্যাসে এবং আপনার আত্মবিশ্বাসে।
আজ থেকেই নিজের যত্ন নিন। ১০ টাকার বিষ নয়, প্রকৃতির শক্তিকে আলিঙ্গন করুন।
"একজন সুস্থ সবল পুরুষ কেবল একটি সংসারের খুঁটি নয়, সে একটি নারীর পৃথিবী।"
আপনার প্রতি প্রশ্ন:
লেখাটি পড়ে কি নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারছেন?
আপনি কি জানেন আপনার অজান্তেই কোন খাবারটি আপনার ক্ষতি করছে?
অথবা আপনার বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা আছে যা লজ্জায় কাউকে বলতে পারছেন না?
কমেন্ট বক্স আপনার জন্য খোলা।
লজ্জা নয়, সমাধান খুঁজুন। আপনার যেকোনো প্রশ্ন, সমস্যা বা মতামত জানান। পরবর্তী আর্টিকেলে সেই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
Copy from Dr. Farhana
17/11/2025
[১৮+ সতর্কতা]
ব্লাউজের হুক আস্তে আস্তে লাগিয়ে বিছানা থেকে নেমে ধীর পায়ে আয়নার সামনে এসে দাড়ালাম। খেয়াল করে দেখলাম ঠোঁটের লিপস্টিক মুখের বেশ খানিকটা অংশ জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লেপ্টে আছে। ঠোঁটে লেপ্টে যাওয়া লিপস্টিক টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে বিছানার দিকে তাকায়। উলট পালট বিছানায় এখনো অসভ্যতার চিহ্ন বিদ্যমান। মারুফ তখনো বিছানায় শুয়ে শুয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাসে, আজ কি একটু বেশি হয়ে গেলো ?
আমি কিঞ্চিত লজ্জ্বায় লাল হয়, আজকাল একটু বেশি অসভ্য হয়ে গেছো তুমি। এত পাগল হয়ে যাও বিছানায়। রোজ বউয়ের সাথে থেকেও আমার কাছে আসো । তারপর ও এত এনার্জি আসে কই থেকে ?
মারুফ কিছু বলার আগে আমার ফোন বেজে উঠে।
বেজে যাওয়া মোবাইল ফোন রিসিভ করেই বেশ শান্ত গলায় বলি, মামুন আমি রেহানা ভাবীর বাসায় ড্রেসটা সেলাই করতে দিতে এসেছিলাম। তারপর বাচ্চাটাকে স্কুল থেকে নিয়েই ফিরছি।
ফোন রাখতেই মারুফ হেসে উঠে। কী সুন্দর মিথ্যা বলতে পারো তুমি।
তোমার জন্যই তো বলতে হয়। আচ্ছা আমি যাই।
বউ থাকার পর ও কেন তোমাকে বার বার ডাকি, সে উত্তরটা শুনে যাবে না।
এখন না, পরে ফোনে শোনবো। এখন গেলাম । বাই। টেক কেয়ার।
আচ্ছা।
আমি লিপস্টিক মুছে কপালের টিপ ঠিক করতে করতে বাইরে এসে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম, যাক বাবা মিথ্যা কথা বলে মামুনের কাছে থেকে এবারের মত বেঁচে গেলাম। মারুফ যখন তখন ডাকে, কি যে পাগলামি করে। ইদানিং তার পাগলামিটা বেড়ে গেছে। এই অনৈতিক সম্পর্কে থেকে কতবার বেরিয়ে যেতে চেয়েও পারেনি, কী একটা নিষিদ্ধ নেশায় পেয়ে বসছে। হাজার বার যাব না বলে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর মারুফের ফাইনাল কল টা আমি আর আগ্রাহ্য করতে পারিনা। নিজের সমস্ত অস্তিত্ব তাকে বিলিয়ে দিলেই মনে হয় সুখ। আদৌ কি সেটা সুখ তা জানিনা। স্বামী হিসেবে মামুন যতই আমাকে অসম্মান করুক, যতোটা আমাকে একাকিত্বে রাখুক তবু মামুনকে ঠকানো কি তার উচিৎ হচ্ছে।
তাও সে জানে না। সাময়িক সুখের পরশের জন্য তার সামনের ভবিষ্যৎ আস্তে আস্তে ক্রমশ ধসূর বর্ণ হচ্ছে, হবে এটা নিয়ে সে আর সন্ধিহান না। আজ হোক কাল হোক মামুন তা জানবে। তখন হয়ত জীবনের শেষ ঝড় আসবে। তা থেকে নিজের ঘর বাঁচানো কি কঠিন হবে ? এগুলো ভাবতে ছিলাম।
কিছুই আর ভাবতে পারি না। মারুফের ভাড়া করা ফ্ল্যাট থেকে নেমে বড় রাস্তায় এসে দাঁড়ায়। ঝুম ঝুম বৃষ্টি নামে। এক জীবনে মামুনের সমস্ত অবহেলার জবাব দিতে গিয়ে আমি জড়িয়ে পড়েছিলাম আমার মেয়ের স্কুলের অন্য এক বাচ্চার বাবার সাথে। লোকটার নাম মারুফ। আমাদের সম্পর্কের বয়স তিন বছর। দুজনই নিজেদের সংসারে একাকিত্ব ফিল করি, অনেক না পাওয়া তাদের ছিল। সেই থেকে দুজন বন্ধু তারপর গল্পে গল্পে কাছে আসা।
কিন্তু এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পরিণাম ভেবে আমি বেশ অশান্ত হয়, বার বার চিন্তিত হয়। তবে কিসের নেশায় যেনো বেরিয়ে আসতে চাইলেও পারছে না।
রিক্সা ডাকি যতক্ষণে ততক্ষণে বৃষ্টিতে ভিজে যায়। মনে হয় এ এক অন্যরকম প্রশান্তি। রিক্সায় উঠতে যাব তখনি একটা প্রাইভেট কার থামে সামনে। গাড়ির গ্লাস খুলে মামুন বলে, গাড়ীতে উঠো ..
ভয়ে, লজ্জ্বায় কেমন যেন কুকড়ে যায় আমি। তবুও দরজা খোলে মামুনের পাশে বসি। আমি রেহানা ভাবীর বাসা থেকে ফেরার পথে সিনএনজি নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। তাই রিক্সা খুঁজছিলাম।
আমি তোমাকে কোন প্রশ্ন করিনি। তাছাড়া এই জায়গায় কিংবা আশে পাশে রেহানা ভাবীর বাসা না। স্কুল আজ জলদি ছুটি হয়ে গিয়েছিলো, তোমাকে স্কুল থেকে ফোন দিয়েছিল, কিন্তু তোমার ফোন অফ থাকায় স্কুল থেকে আমাকে ফোন দিয়েছিলো।
আমি কি বলব বুঝতে পারছি না। মারুফের সাথে চুড়ান্ত মুহুর্তে ফোন আসছে দেখে মারুফ অফ করে দিয়েছিলো। পরে অন করেছিলো, কিন্তু আর নোটিফিকেশন দেখা হয়নি।
না মানে…
স্কুল থেকে ফোন দেয়ার পাঁচ মিনিট পরে রেহানা ভাবী আমাকে ফোন দিয়েছিলেন, তোমাকে না পেয়ে। বাচ্চাটা অনেকক্ষণ উনার কাছে ছিলো। আমি ছেলেকে স্কুল থেকে নিয়ে কবেই বাসায় ফিরেছি, দেখলাম তুমি বাসায় নেই। আমি জানি তুমি কই থাকবে তাই এখানে আসা। কাছাকাছি এসেই তোমাকে ফোন দিয়েছিলাম, তুমি বললে রেহানা ভাবীর বাসায়। অথচ তুমি এইখানে অন্য আরেকজনের ফ্ল্যাটে। মারুফ সাহেব যে ফ্ল্যাট ভাড়া করেছেন সেটা আমার বন্ধু রাকিবের। তাই এখান থেকে তথ্য পাওয়াটা আমার জন্য কষ্টসাধ্য না।
আমি কেবল শুনেই যাচ্ছি। ভয়ে সে কেঁপে উঠছে শরীর বার বার। যা আশংকা করেছিল তাই হতে যাচ্ছে।
মামুন বলেই যাচ্ছে, গত ছয় মাস থেকে আমি তোমাকে প্রতি মুহুর্ত ফলো করে যাচ্ছি। হুট করে তো সিদ্ধান্তে যেতে পারি না। হ্যা আমি তোমাকে অনেক ভালবাসতাম কিন্তু ব্যবসায়িক কারণে কয়েকটা বছর আমি বিপর্যস্ত ছিলাম সেখানে তোমার সাপোর্ট দরকার ছিল। তোমাকে আমি সব বলেছিলাম। অনেক সময় তোমার উপর অন্যায় করেছিলাম। ঝগড়া মারামারি অল্প স্বল্প হয়েছে। কিন্তু লাইফের সাত বছরে যদি এক বছর দুই বছর অন্যায় করি আর বাকী পাঁচ বছর ভালবাসি তোমাকে তবে কি তার হিসেব তোমার কাছে ছিল না। একটু অপেক্ষা করতে তো পারতে। করো নি। জড়িয়ে গেছো পরকীয়ায়। হয়ত আমাকে আর ভাল লাগেনি। এটা স্বাভাবিক। আমার কাছে যথেষ্ট তত্ত্ব প্রমান আছে। তোমার উপর আমার ক্ষোভ , রাগ নেই। যা ভাল মনে করেছো তাই করেছো।
আমার চোখ বেয়ে ঝর ঝর করে পানি পড়ছে। হাউ মাউ করে কাঁদছি। তুমি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও। আর এমন হবে না।
আমি এই তিন বছরে অনেকবার তোমাকে সুযোগ দিয়েছি। নানা রকম ভাবে ইনডাইরেক্ট তোমাকে বুঝিয়েছি। তুমি বুঝনি। ভেবেছো, আমি বোকা, সহজ সরল।
এর মধ্যে কথা বলতে বলতে গাড়ী থামায় মামুন। আমি অবাক হয়, এতো তার বাবার বাসার সামনে এসে গাড়ী থেমেছে। এখানে কেন মামুন ?
এটা নিজের বাবার বাসা, তাও চিনতে পারছো না। কি করে চিনবে, তোমার চোখে এখন রঙিন চশমা।
আমি সেটা বলিনি মামুন। এখানে কেন আসছো হঠাৎ।
মিম শোনো, আর যাই হোক, কোন বিশ্বাস ঘাতকের সাথে সংসার করা যায় না। আমি আমার সন্দিহান মন নিয়ে তোমাকে আর ভালবাসতে পারব না। আর ভালবাসাহীন একজন নিয়ে সংসার করা যায় না।
তুমি কি আমাদের বাচ্চার কথা ভাববে না।
তার জন্য আমি আছি। আমাদের দুজনের কাছেই থাকবে। আর আমি নিজে আর বিয়ে করছি না। তবে তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করে সুখী হও। মারুফরা জাস্ট ইউজ করবে, বিয়ে করবে না। তালাকনামা রেডি হয়ে গেলে পৌছে যাবে। যাও এবার নেমে পড়ো। তোমার বাবা মাকে কিছুই বলিনি। তোমাকে তাদের কাছে ছোট করব না। তুমি দরকার হলে আমার নামে কিছু মিথ্যা বলে দিও। যাও নামো।
প্লিজ আমার কথা শোনো। একটা সুযোগ দাও।
সরি ও। টাইম শেষ হয়ে গেছে। এই সিদ্ধান্ত একদিনে নেইনি। অতএব পৃথিবীর কোন শক্তি আমাকে আর ফেরাতে পারবে না। তুমি নেমে যাও। তোমার সমস্ত কাপড় চোপড় আমি কাল পাঠিয়ে দিব। আর যখন ইচ্ছে আমাদের বাচ্চাকে দেখতে খবর পাঠিও , নিয়ে আসিও। আমার কোন সমস্যা নেই। ভাল থেকো। বিদায় , ভালো থেকো। সাত বছরে অনেক কষ্ট দিয়েছি ক্ষমা করে দিও।
আমি গাড়ী থেকে নেমে যায়। ততক্ষণে মামুন গাড়ী নিয়ে হাওয়া হয়ে যায়। বাসার দরজায় কলিং বেল দিয়ে নীচে বসে পড়ে। আজ তার সব শেষ হয়ে গেলো। মানুষটাকে বুঝতে পারলো না। এত বড় অন্যায় সে করে ফেললো।
দরজা খুলে মায়ের ডাকে সম্বিৎ ফিরে পায় আমি। কি হয়েছে তুই কাঁদছিস ক্যান ?
মা আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমি নিজের হাতে সব শেষ করে ফেললাম। আমি আর বাঁচতে চাই না বলেই মায়ের বুকে ঝাপিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায় সেদিন আমি। মায়ের চিৎকারে এগিয়ে আসে বাবাসহ অনেকে।
আমাকে ধরাধরি করে ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।
✍️______বারকার ডায়েরি (প্রথম পর্ব)
চলবে.....
10/07/2025
অবশেষে জুবায়ের নামে এক ছেলে ধামরাই এর বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া মেয়েকে বিয়ে করার আগ্রহ প্রকাশ করলেন।
28/03/2025
জো বাই ডেন এর বাসায়, trump সমর্থকদের হামলা... এবং কমলা হ্যারিস এর নেতাকর্মীরা পলাতক???
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Dhaka
1230