Prodigy Construction

Prodigy Construction

Share

Prodigy Construction is a Construction and Construction Consultant firm. Established in November 2016. Prodigy Construction is a Construction Related Firm.

Established on November 2016. Prodigy Construction work different type of job in Construction Sector Like Architectural Design, Structural Design, Interior Design, Private Construction, Public Construction, Materials Supplier, Soil test, Different type of Pilling, Surveying etc.,

03/11/2020

"পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তির কংক্রিট ব্লক ব্যবহার করতে আমাদের সাথেই থাকুন।"
আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, বাংলাদেশে আবাসিক ও বাণিজ্যিক নির্মাণ কাজের জন্য কনক্রিট হলো ব্লক তৈরি ও সরবরাহ করে থাকি । আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই জাতি গঠনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সেরা পরিবেশ বান্ধব ব্লক প্রস্তুতকারক সংস্থা হিসেবে কাজ করছি।
(We very proudly manufactures and supplies environment friendly Blocks in the Bangladesh for residential and commercial construction works. We are working in the best environmentally friendly Block manufacturer in Bangladesh, With an aim to build a sustainable nation for the future generation).
তৈরীর উপাদান সমূহ :(Raw Materials are)
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
1.সিলেট বালু (Sylhet sand).
2. মেঘনার বালু (River sand).
3. সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট
4.নুড়ি পাথর (Pie gravel).
5. কেমিক্যাল (Admixture).
6. পাথরের গুড়া ( Stone dust).
>>>>>>>>>>>>> সাইজ: (Size)

22/09/2020

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ পানি লাগে ২১ লিটার।
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
→ ছলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)
কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুত = ৩.২০ মিলি প্রায়।
# রডের ওজন {(dia x dia) ÷162.2 }÷3.28 = kg
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭কেজি।

বিল্ডিং এ ইলেকট্রিকাল কাজের খুটিনাটি - পুরকৌশল 24/07/2020

বিল্ডিং এ ইলেকট্রিকাল কাজের খুটিনাটি

প্রথমে কি কি ডায়ার পাইপ লাগে
সাধারন্ত ইলেকট্রিক কাজে ১.২৫" ১" ০.৭৫" ০.৫০" ডায়ার পাইপ ব্যবহার হয়ে থাকে
১.২৫" পাইপ ভাটিক্যাল লাইনে
১"/০.৭৫" পাইপ ছাদে
০.৭৫" পাইপ ওয়ালে
০.৫০" পাইপ সিলিং যদি কেটে পয়েন্ট সরানো লাগে তখন এবং টাইলসের নীচ দিয়ে কোন লাইন নেওয়া লাগলে যেমন ডিস টেলিফোন লাইনে ০.৫০" ব্যবহার হয়।
এবার এমকে স্টীল বক্স
৩ গ্যাং
২ গ্যাং
১ গ্যাং
স্টীল বক্স ব্যবহার করে থাকি
এবার তার
৯৫ আরএম
৭০ আরএম
৫০ আরএম..............
১৬ আরএম
১০ আরএম
৬ আরএম
৪ আরএম
৩ আরএম
২.৫০ আরএম
২ আরএম
১.৫০ আরএম
১.৫০ আরই
১.৩ আরএম
১.৩ আরই
১ আরই
আমরা মেন লাইনে ৯৫ আরএম ~ ১৬ আরএম ব্যবহার দেখে থাকি
১০ আরএম ~ ৬ আরএম এমডিবি থেকে এসডিবি ব্যবহার করে থাকি
৪ আরএম ~ ৩ আরএম এসি জন্য
৩ আএম ~ ২ আরএম পাওয়ার পয়েন্ট
১.৫০ আরএম~ ১.৩০ আরএম লাইট ও ফ্যান পয়েন্ট
১.৩০ আরই ~ ১.০০ আরই আর্থিং ও আইপিএস জন্য ব্যবহার করে থাকি
তার আমরা ৪ টি কালার ব্যবহার করে থাকি যেমন
লাল কালার মেন লাইন
কালো কালার নিউটাল
সবুজ কালার আর্থিং
হলুদ কালার আইপিএস
এখন বাজারে নীল কালারের তার পাওয়া যায়।
এবার সুইচ সকেট
১ গ্যাং সুইচ
২ গ্যাং সুইচ
৩ গ্যাং সুইচ
৪ গ্যাং সুইচ
৫ গ্যাং সুইচ
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যাম্পিয়ার
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যাম্পিয়ার
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৫~৬ এ্যাম্পিয়ার
ডিপি সুইচ
টিপি সুইচ
টিভি আউট লেট
টেলিফোন আউট লেট
বেল পুশ
১০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
১৬ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
২০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৩০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৪০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৫০ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬৩ এ্যাম্পিয়ার এমসিসিবি
৬" রাউন্ড ফ্যান কাভার
৫"x৭" এবোনাইট সিট জাংশন বোর্ড
এখন কোনটার কত উচ্চতা
সুইচ বোর্ড ৪'-৬"
এসডিবি ৭'-০"
এমডিবি ২'-৬"
পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
এসি পয়েন্ট ৭'-১০"
এসির সুইচ ৪'-৬"
গ্রীজার পয়েন্ট ফল্সচ ছাদে
গ্রীজার সুইচ ৪'-৬"
লাইট পয়েন্ট ৭'-১০"
বেল পুস ৪'-৬"
এক্সজাষ্ট ফ্যান পয়েন্ট ৭'-১০"
এক্সজাষ্ট ফ্যান সুইচ ৪'-৬"
মিরর লাইট টপ অফ মিরর
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৫ এ্যা ৭'-১০"
৩-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ১৩ এ্যা ৯"
২-পিন পাওয়ার পয়েন্ট ৯"
টিভি আউট লেট ৯"
টেলিফোন আউট লেট ৯"
ইন্টারকম ৪'-৬"
কলিং বেল ৭'-০"
গার্ডেন লাইট সুবিধা মোতাবেক
গার্ডেন ওয়াল লাইট ওয়াটার পুভ করে দিতে হয়
বাথ রুম রান্নার রুমে পাওয়ার পয়েন্ট ৪'-৬"

বিল্ডিং এ ইলেকট্রিকাল কাজের খুটিনাটি - পুরকৌশল বিল্ডিং এ ইলেকট্রিকাল কাজের খুটিনাটি ৯:৫১:০০ PM কোন মন্তব্য নেই কনস্ট্রাকশন প্রথমে কি কি ডায়ার পাইপ লাগে সাধারন্ত .....

12/07/2020

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কি ? সিভিল ইঞ্জিনিয়ার কি কি বিষয় নীয়ে কাজ করে ?

সংজ্ঞা:

ডিজাইন, কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষণাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান।
প্রকৌশল জ্ঞান এর মা বলা হয়। সবচেয়ে পুরান, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয়।

এর ভাগগুলি নিচে দেয়া হলো:

1. মৃত্তিকা প্রকৌশল
2. স্ট্রাকচারাল প্রকৌশল
3. পরিবহন প্রকৌশল
4. পানি সম্পদ প্রকৌশল
5. পরিবেশ প্রকৌশল
6. ভুমিকম্প প্রকৌশল
7. নগর উন্নয়ন বা নকশা

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা পুরকৌশলী কি করে থাকে?

পরিকল্পনা, ডিজাইন, গঠন এবং রক্ষনাবেক্ষন করার কাজ করের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জরিপের কাজ করে থাকে, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন দেয়, এমনকি প্রকল্প ব্যবস্হাপক এর কাজও করে থাকে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর

যেহেতু সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। এদের উল্লেখযোগ্য হলক স্ট্রাকচারাল, জিওটেক , ট্রান্সপোর্টসন, হাইড্রলিক,এনভায়রনমেনটাল , ইত্যাদি ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব এবং প্রয়োগ

সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব বাড়ছে। বর্তমানে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কাজ করে। তারা আগুনে ক্ষয় ক্ষতি যেন কম হয় সেই বিষয়েও কাজ করে। পুরাতন মিশর এর পিরামিড বা রাস্তা নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর ভূমিকা উল্ল্যেখযোগ্য অবদান ছিল। প্রকৌশল বিজ্ঞান এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানো হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। পানি,বাতাস এবং মাটি পরিশোধনের বিভিন্ন উপায় নিয়েও সজাগ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধান শাখাগুলি

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধাণ ৭ টি শাখা আছে নিচে এগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল

স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং

বাড়ি,হোটেল, পার্ক, ব্রীজ, বিল্ডিং ইত্যাদির উপরে নিজস্ব ভার বা বাইরের ভার প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ বাতাস,পানি,ভুমিকম্প,তাপমাত্রা ইত্যাদির প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য সিমেন্ট,বালি,রি-ইনফোর্সমেন্ট,কাঠ, অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে সঠিক ডিজাইন করা হলো এই শাখার কাজ।

এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং

পরিবেশ তথা বাতাস এবং পানির দুষণ রোধ, বিশুদ্ধকরণ ইত্যাদি করা এই শাখার কাজ। বর্তমানে এটি একটি গুরুত্বপুর্ন শাখা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বর্জ্য, মল ইত্যাদি অপসারণ এবং বিশুদ্ধকরণ করা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই শাখাতে।

জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রায় সকল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাতেই এটি কাজে লাগে। কারণ বেশির ভাগ স্ট্রাকচার ভুমির উপর অবস্থিত। মাটি বা পাথরের এর উপর স্ট্রাকচার এর প্রভাব এবং এদের বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি। ভুগর্ভের সিপেজ,ভুমিকম্পের প্রভাব, স্থিতিশিলতা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাটি। বাধ, রিটেইনিং ওয়াল, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির আংশিক ডিজাইন করা হয় এই শাখার মাধ্যমে।

ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং

পানি আমাদের জিবনে অনেক গুরুত্বপুর্ন । এটা আমরা সবাই যেমন জানি, তেমনি এটাও ঠিক যে এটি অত্যন্ত সাধারণ একটি কথা। আবার এই পানি আমাদের মরণও ডেকে নিয়ে আসে। তাও আমরা জানি। পানি সম্পদ প্রকৌশল পানির ভৌত অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। বন্যা, শহরের-কারখানা-সেচ এর পানি সরবরাহ, নদী ভাঙ্গন রোধ, নদীর শাষন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং ডিজাইন করে থাকে। হাইড্রলিক পাওয়ার, বাধ, খাল, পানিধস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি।

ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং

কোন সমাজের বৈশিষ্ঠ্য বা গুন এর যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে। কোন সমাজের উন্নয়ন অনেকটা প্রভাবিত হয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। মানুষ, মালামাল ইত্যাদি পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষনা, ডিজাইন, সমস্যা, সমাধান নিয়ে কাজ করে ট্র্যান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। অল্প রাস্তায় অধিক পরিবহন সুবিধা, দুর্ঘটনা কমানো, খরচ কমানো ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এই শাখাটি।

কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং

এই শাখাতে আলোচনা করা হয় যে কি ভাবে একটি কাঠামো গঠন করতে হবে। অর্থের ব্যবহার, সময়ের সংক্ষেপন, প্রয়োজনীয় মালামাল-যন্ত্রপাতি ইত্যাদির যোগান, কাঠামো গঠনের পদ্ধতি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা হয় শাখাতে।

আরবান এবং কম্যিনিটা প্লানিং

নগরায়ণ এবং শহর পরিকল্পনা করা হয় মুলত একটি গোষ্ঠি নিয়ে কাজ করা। একটি গোষ্ঠি বা জোট এ কি কি লাগতে পারে এবং কিভাবে লাগাতে হবে তা নিয়ে গবেষণা করা হয় এই শাখাতে।

21/06/2020

১.কলাম কি?কত প্রকার ও কি কি?
উঃ কোন আর.সি সি কাঠামোতে খাড়া ও উলম্ব লোড বহন করার জন্য নির্মান করা হয় তাকে কলাম বলে।
কলাম ২ প্রকার।যথা-
I). শর্ট কলামI
ii).লং কলাম
রিইনফোর্সমেন্টের উপর ভিত্তি কলাম ৪ প্রকার।যথা-
I).টাইড কলামI
ii).স্পাইরাল কলাম
iii).কম্পোজিট কলাম
iv).কম্বিনেশন কলাম...
২. কলাম কি ধরনের ফোর্স ফেস করে?
উঃকম্প্রেশন ফোর্স।.....
৩.বৃত্তাকার ও টাইড কলামে সর্বনিম্ন কত মি.মি রড ব্যবহার করা হয় এবং রডের ন্যূনতম সংখ্যা কয়টি?
উঃ উভয় ক্ষেত্রে ১৬ মিলিমিটার ব্যাসের রড এবং বৃত্তাকার কলামে সর্বনিম্ন রডের সংখ্যা ৬ টি ও টাইড কলামে ৪ টি।
৪. BNBC কোড অনুযায়ী আয়কার কলামের ন্যূনতম পার্শ্ব মাপ ও বৃত্তাকার কলামের ন্যূনতম ব্যাস কত ইঞ্চির কম হবে না?
উ: আয়কার কলাম পার্শ্ব মাপ ১২" ও বৃত্তাকার কলাম ১৫" ব্যাসের কম হবে না।
৫.কলামের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?
উ: ১% থেকে ৫%।
৬.কলামের ক্লিয়ার কভার সাধারনত কত ধরা হয়?
উ: ১.৫" (মাটি বা পানির সংস্পর্শে থাকলে ৩")
৭.কলামে সাধারণত কত অনুপাত ধরা হয়?
উ: ১:১.৫:৩ বা ১:২:৪
৮.কলামে টাইরড কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: কলামে খাড়া রড গুলোকে যথাস্থানে ধরে রাখার জন্য এবং রডগুলোকে বাকা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।
৯.কলাম ঢালাই করা হলে কতদিন পর্যন্ত কিউরিং করা হয়?
উ: ২১-২৮ দিন।
১০.কলামের কিকার বলতে কি বুঝায়?
উ: কলামের প্লেসমেন্ট বা এলাইমেন্ট ঠিক রাখার জন্য ৩"-৬" ছোট কলাম ঢালাই কে কিকার বলে।
১১. কলাম ঢালাই এর কার্যপ্রণালী ও আপনার করণীয় গুলো কি কি?
উ: I). কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিবেন। কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন। কিকারের সাইজ মূল কলামের সাইজ হতে উভয় দিকে 6 মিঃমিঃ কম হবে।
I). পরের দিন কিকারের সাটার খুলে ফেলতে পারেন। তবে কিউরিংটা মিস করবেন না।
iii). এইবার রড মিস্ত্রিকে ডেকে কলামের মেইন রড ও রিং গুলো বাধতে নির্দেশ দিন। তাকে ড্রইং মোতাবেক রড বাধতে সহায়তা করুন
iv). সাটার সেট করার আগে কিকারের ঢালাইয়ের আউট বরাবর চারপার্শ্বে ফোম লাগিয়ে নিন ডাকু গাম দিয়ে।
v). সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।
vi). মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বচ্চ দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন
vii) এরপর কলামের টানা ও ঠেলা গুলো মজবুত আছে কিনা দেখে নিবেন। সাথে কলামের সাটার লিকেজ মুক্ত আছে কিনা দেখবেন। কলামের কভারিং ঠিক করে নিবেন।
viii). ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। আগে থেকেই হিসাব করে নিবেন কতটুকু ঢালাই লাগবে।
ix)ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে। এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে।
xi). ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে। তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়া ও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ। বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়া নীচে চলে যাবে আর বালি, সিমেন্ট উপরে চলে আসবে।
xii). একই ভাবে সমস্ত কলাম ঢালাই করবেন। ঢালাইয়ের সাথে সাথেই কলাম সোজা আছে কিনা চোখের নজরে ও ওলন দিয়ে দেখে নিবেন। ঢালাইয়ের পর কভারিং আবার দেখবেন।
xiii). 85 লোড তৈরি করার পর অবশিষ্ঠ কলামের পরিমাপ নিয়ে, আর কতলোড মসলা দরকার সেইটা আবার বলে দিবেন। তাহলে দেখবেন কোন অপচয় হবেনা।
xiv). ঢালাই এর পরে ৪৮- ৭২ ঘন্টা পরে সাটারিং খুলতে হবে। তবে সকালেই কলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানি দিবেন।
xv). তৃতীয় দিন সাটার খোলার পরে যদি দেখেন পরিস্কার একটা সারফেস হয়েছে। তখন আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে।
১২.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?
উ: ১. কংক্রিট স্থাপনার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক শক্ত এবং সঠিক অবস্থানে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
২. কংক্রিট স্থাপন করার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক ভালোভাবে তৈলাক্ত করতে হবে।
৩. কংক্রিট স্থাপনার সময় ফর্মওয়ার্ক আলোড়িত বা নড়াচড়া করা চলবে না।
৪. ১ মিটারের বেশি উচু স্থান থেকে কংক্রিট ফেলা উচিত নয়।এতে কংক্রিটের উপাদানসমূহের সেগ্রিগেশন ঘটে।
৫. কংক্রিট খাড়াভাবে ফেলা যাবে না।
৬. প্রতিস্তরে ১৫ সে.মি হতে ৩০ সে.মি পুরুত্বের কংক্রিট স্থাপন করতে হবে।
৭. বৃষ্টির মধ্যে কংক্রিট স্থাপন করা উচিত নয়।
৮. হাটা অবস্থায় বা দাঁড়িয়ে কংংক্রিট ঢালতে নেই।
৯. যতদূর সম্ভব খুব নিকট থেকে কংক্রিট ফেলতে হবে।
১০.প্রাথমিক জমাট বাধা সময় আরম্ভ হওয়ার পূর্বেই কংক্রিট স্থাপন এবং কম্পাকসন করা উচিত।
১১. কম্পাকসন করার সময় যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কংক্রিটকে পুনঃস্থাপন করতে না হয়,সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
১২.রডের স্প্যাসিং,রড সঠিক অবস্থানে থাকা অর্থাৎ ড্রইং অনুযায়ী হয়েছে কিনা দেখতে হবে।
সর্বপরি,ঢালাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরে পড়বেন না।
১৩. কলামে ল্যাপিং কি হারে দিতে হবে?
উ: কলামের উপরে ও নিচে অর্থাৎ L/4 অংশে ২৫%, মাঝখানে অর্থৎ L/2 অংশে ৫০% হারে ল্যাপিং দিতে হবে।
১৪.কলামের ফুটিং ও কলাম এই দুটির অবস্থান কি রকম হবে?
উ: কলামের ফুটিং এর সেন্টার লাইন ও কলামের সেন্টার লাইন একই মধ্যবিন্দু বা সেন্টারে লাইনে অবস্থান করবে।
১৫.২য় তলার জন্য কলাম দেওয়ার ক্ষেত্রে কলাম রড কত টুকু রাখতে হবে?
উ: ল্যাপিং দেওয়ার জন্য যতটুকু রড লাগবে ততটুকু দিতে হবে ১৬ মি.মি. এর জন্য ২৪", ২০মি. মি. এর জন্য ৩০" রাখতে হবে।

Photos from Prodigy Construction's post 06/05/2020

ইন্টেরিয়র ডিজাইন এন্ড কন্সট্রাকশন
ক্লাইন্টঃ মজিবর রহমান খান
লোকেশনঃ বালাখানা
শরিয়তপুর সদর
শরিয়াতপুর
আর্কিটেক্ট ঃ ইশতিয়াক সানী মোল্লা
প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারঃ জহিরুল ইসলাম শাহিন
মোবাইল নম্বারঃ 01912215896,01716127749,01717301240

Photos from Prodigy Construction's post 06/05/2020

ইন্টেরিয়র ডিজাইন এন্ড কন্সট্রাকশন
ক্লাইন্টঃ প্রফেসর মনোয়ার হোসেন
লোকেশনঃ উত্তর বালুচরা
শরিয়তপুর পৌরসভা
শরিয়াতপুর
আর্কিটেক্ট ঃ ইশতিয়াক সানী মোল্লা
প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারঃ জহিরুল ইসলাম শাহিন
মোবাইল নম্বারঃ 01912215896,01716127749,01717301240

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Dhaka
8000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 17:00
18:00 - 19:00