Pie Science
Life with Science and Technology
19/06/2025
ব্রেকিং নিউজ:
জ্যোতির্বিদরা শনি গ্রহের চারপাশে নতুনভাবে আরও ১২৮টি চাঁদের সন্ধান পেয়েছেন, যার ফলে শনি গ্রহের মোট উপগ্রহের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭৪টি—এবং এতে করে জুপিটার-এর ৯৫টি চাঁদকে স্পষ্টভাবে ছাড়িয়ে গেল শনি।
19/06/2025
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে জুপিটার গ্রহ
Terms for space travelers:
🇺🇸 United States - astronaut
🇷🇺 Russia - cosmonaut
🇨🇳 China - taikonaut
🇫🇷 France - spationaut
14/06/2025
Mathematical Symbols....
Top 10 Most Popular Programing Language in 2025:
1. Python
2. Java Script
3. Java
4. C++
5. C #
6. Go
7. Rust
8. Type Script
9. Swift
10. Kotlin
(Encyclopedia)
05/05/2025
৩০ জন বিখ্যাত গণিতবিদের একটি তালিকা যাঁরা গণিতের বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন 👇👇👇
1. ইউক্লিড (Euclid)
2. পিথাগোরাস (Pythagoras)
3. আর্কিমিডিস (Archimedes)
4. আইজ্যাক নিউটন (Isaac Newton)
5. গটফ্রিড লাইবনিজ (Gottfried Leibniz)
6. কার্ল ফ্রেডরিক গাউস (Carl Friedrich Gauss)
7. লিওনার্দো ফিবোনাচি (Leonardo Fibonacci)
8. রেনে ডেকার্ত (René Descartes)
9. পিয়ের দ্য ফের্মা (Pierre de Fermat)
10. ব্লেজ পাসকাল (Blaise Pascal)
11. লিওনার্ড অয়লার (Leonhard Euler)
12. জোসেফ ল্যাগরাঞ্জ (Joseph-Louis Lagrange)
13. জঁ লু রঁ দালাম্বের (Jean le Rond d'Alembert)
14. অগুস্তাঁ লুই ক্যশি (Augustin-Louis Cauchy)
15. জর্জ বুল (George Boole)
16. বার্নহার্ড রিমান (Bernhard Riemann)
17. আর্নস্ট এডুয়ার্ড কুমার (Ernst Eduard Ku**er)
18. সিফার্ড লিয়ুভিল (Joseph Liouville)
19. জর্জ কান্টর (Georg Cantor)
20. ডেভিড হিলবার্ট (David Hilbert)
21. হেনরি পয়াঙ্কারে (Henri Poincaré)
22. এমি নোয়েথার (Emmy Noether)
23. কার্ট গ্যোডেল (Kurt Gödel)
24. জন ভন নিউম্যান (John von Neumann)
25. অ্যালান টিউরিং (Alan Turing)
26. আন্দ্রে উইল (André Weil)
27. আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিয়েক (Alexander Grothendieck)
28. পল এরদশ (Paul Erdős)
29. অ্যান্ড্রু ওয়াইলস (Andrew Wiles)
30. টেরেন্স টাও (Terence Tao)
আচ্ছা জাপানিরা কেন এত সফল? কেন Toyota, Sony, কিংবা Nintendo-র মতো কোম্পানিগুলো বিশ্বজয় করেছে? এর পেছনে আছে কাইজেন (Kaizen)।
কাইজেন কী?
Kaizen মানে "Continuous Improvement"।
ছোট ছোট পরিবর্তন এনে প্রতিদিন একটু একটু করে উন্নতি করা।
জাপানের এই কনসেপ্ট শুধু কোম্পানি নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও সফলতা এনে দেয়।
কাইজেনের ৩টি main rules:
Small Steps, Big Impact:
প্রতিদিন ছোট ছোট উন্নতি করুন। আজ এক পৃষ্ঠা পড়া, কাল দুই পৃষ্ঠা। এক সময় আপনি পুরো বই শেষ করবেন।
Mistakes = Growth:
ভুল করলেই নিজেকে দোষারোপ করবেন না। বরং শেখার সুযোগ হিসেবে নিন।
Never Stop Improving:
উন্নতির কোনো শেষ নেই। আজ যা ভালো, কাল সেটা আরও ভালো হতে পারে।
কাইজেন কীভাবে শুরু করবেন?
১% নিয়ম ফলো করুন।
প্রতিদিন নিজের জীবনের যেকোনো একটা দিক ১% উন্নত করুন।
Daily Routine Analyze করুন।
কী কী সময় নষ্ট করছেন? সেই সময়গুলো ছোট ছোট কাজে ব্যয় করুন।
5-Minute Rule:
কোনো কাজ শুরু করতে ইচ্ছা না হলে বলুন, "শুধু ৫ মিনিট করব।" দেখা যাবে, কাজ শেষ করে ফেলেছেন।
Track করুন।
প্রতিদিন আপনার উন্নতি কোথায় হচ্ছে, সেটা লিখে রাখুন। এটা আপনাকে মোটিভেট করবে।
কাইজেনের impact কী?
Stress কমাবে।
Discipline বাড়াবে।
Self-Confidence বাড়াবে।
Life-এ Progress আনবে।
24/01/2025
সূর্য আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র এবং এর সমস্ত উপাদানের প্রায় 99% ধারণ করে। এটি মূলত হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি, অল্প পরিমাণে অক্সিজেন এবং কার্বনের মতো অন্যান্য উপাদান রয়েছে। সূর্য এতই বড় যে এর অভ্যন্তরে এক মিলিয়নেরও বেশি পৃথিবীকে এর ভিতরে স্থাপন করা সম্ভব!
নিউক্লিয়ার ফিউশন নামক একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্য তার কেন্দ্রে শক্তি উৎপন্ন করে, যেখানে হাইড্রোজেন পরমাণুগুলি একত্রিত হয়ে হিলিয়াম গঠন করে এবং যার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত করে। এই শক্তি সূর্যের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করে, কোর থেকে শুরু করে, বিকিরণ এবং পরিচলন অঞ্চল অতিক্রম করে অবশেষে পৃষ্ঠে পৌঁছে যাকে আমরা ফটোস্ফিয়ার বলি। সেখান থেকে, শক্তি মহাকাশে ভ্রমণ করে, পৃথিবীতে তাপ এবং আলো সরবরাহ করে।
ছবি সূত্র: নাসা
02/01/2025
01/12/2024
চকোলেট ডিম! সত্যি পাওয়া যায়? অবশ্যই।
ফ্রান্সের ব্ল্যাক কপার/কুপার ম্যারান্স জাতের মুরগী এই চকোলেট কালারের ডিম দেয়। এই জাত সাধারণ দৈত উদ্দেশ্যে ( ডিম ও মাংসের জন্য) পালন করা হয়।
ডিমের খোসা অত্যন্ত শক্ত এবং অধিক পরিমানে খোসায় পিগমেন্ট/রঞ্জক থাকার কারনে গাড় রঙ হয় এবং দেখতে অনেক টা চকোলেটর মত দেখায়।
বছরে এই জাতের মুরগী ১৫০-২০০ টি ডিম দেয়।
ডিম পাড়া শুরু করে ২৪-২৬ সপ্তাহ বয়সে।
22/11/2024
কল্পনা থেকে বাস্তবে ব্ল্যাক হোল ক্যাপচার করা পর্যন্ত, বিজ্ঞান এগিয়েছে অনেক দূর
ব্ল্যাক হোলের তত্ত্বটি ১৭৮৪ সালে শুরু হয়েছিল যখন একজন প্রাকৃতিক দার্শনিক, জন মিশেল, এমন এক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু সম্পর্কে অনুমান করেছিলেন যার ঘনত্ব এত বেশি হবে যে এর মুক্তিবেগ আলোর গতির চেয়েও বেশি হবে যার ফলে আলোর কণাও এর থেকে বাহির হতে পারে না।
যাইহোক, ব্ল্যাক হোলের আধুনিক ইতিহাস শুরু হয়েছিল যখন পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তার আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব দিয়ে ১৯১৬ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্বের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। "ব্ল্যাক হোল" শব্দটি বহু বছর পরে ১৯৬৭ সালে আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী জন হুইলার ব্যবহার করেছিলেন।
২৩৫ বছরের জল্পনা-কল্পনা ও গবেষণার পরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অবশেষে ২০১৯ সালে ব্ল্যাক হোলের একটি বাস্তব চিত্র ক্যাপচার করতে সক্ষম হন যা আইনস্টাইনের প্রতিটি দাবিকে সত্য প্রমাণ করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.