FAMB Properties
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from FAMB Properties, Estate agents, Bashundhara Uttara Gazipur Cumilla, Dhaka.
দেশে দীর্ঘদিন ধরে জমি বেদখল ও দখলবাজির অভিযোগে ভোগান্তিতে থাকা প্রকৃত মালিকদের জন্য সুখবর এসেছে!
সম্প্রতি সরকার নতুন ভূমি আইন পাস করেছে, যার আওতায় এখন মাত্র সাত দিনের মধ্যেই ডিসি (জেলা প্রশাসক) ও পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে বেদখল জমি উদ্ধার করা যাবে!
সরকারের এই উদ্যোগের ফলে দীর্ঘ আদালত প্রক্রিয়া ছাড়াই জেলা প্রশাসক দপ্তর থেকেই মালিকরা তাদের জমির দখল ফিরে পেতে পারবেন। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনটি কার্যকর করতে প্রশাসন ও আদালত একযোগে কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে!
আইনের নতুন ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তির জমি জবরদখল হয় এবং তার কাছে মালিকানার বৈধ দলিল থাকে, তাহলে তিনি ডিসি অফিসে একটি আবেদন করলেই কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারবে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং ৭ দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে মালিককে জমির দখল ফিরিয়ে দেওয়া হবে!
এছাড়া, তদন্ত প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলে তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। প্রমাণিত হলে অবৈধ দখলদারদের সর্বনিম্ন দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে!
আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে বিকল্প ব্যবস্থা!
এখন থেকে নির্দিষ্ট শ্রেণির জমি সংক্রান্ত বিরোধে আদালতের পরিবর্তে সরাসরি ডিসি অফিসে আবেদন করা যাবে।
অন্যদিকে, বাটোয়ারা সংক্রান্ত (সম্পত্তি ভাগ-বণ্টন) বিরোধের ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড সেন্টার-এর মাধ্যমে বিনা খরচে সমাধান পাওয়া যাবে। এতে ভাই-বোন বা ওয়ারিশদের মধ্যে জমি ভাগাভাগি সংক্রান্ত সমস্যাও দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে!
Copied from rtv
ড্যাপের সংশোধনী অনুমোদন, বাড়ানো হলো ভবনের উচ্চতার সীমা!
বাংলাদেশ
টিবিএস রিপোর্ট
20 October, 2025, 08:40 am
Last modified: 20 October, 2025, 08:41 am
facebook sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonemail sharing buttonsms sharing button
ঢাকার বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ২০২২–২০৩৫ পর্যালোচনা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি বেশ কিছু সংশোধনী প্রস্তাবসহ ড্যাপের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এর মাধ্যমে রাজধানীর প্রায় সব এলাকায় ভবনের উচ্চতার সীমা বাড়ানো হয়েছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারের সভাপতিত্বে রাজউক প্রণীত ড্যাপ বাস্তবায়ন মনিটরিং ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সংশোধনীর সুপারিশ প্রণয়ন-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অনুমোদনের ভিত্তিতে শীঘ্রই সংশোধিত ড্যাপ (২০২২–২০৩৫) গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে বলে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়।
ড্যাপের ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর), জনঘনত্ব, বন্যাপ্রবাহ অঞ্চল ও কৃষি ভূমি সংরক্ষণের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে পরিবেশ সংবেদনশীলতাকে গুরত্ব দিয়ে বিধানাবলী সংশোধনীর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ সংশোধনী অনুযায়ী, রাজউকের আওতাধীন প্রায় সব এলাকায় ফ্লোর এরিয়া রেশিও ও জনঘনত্ব বাড়বে।
বিদ্যমান ড্যাপে (২০২২–২০৩৫) কৃষিজমিতে সীমিত পরিসরে নাগরিক পরিষেবা নির্মাণের অনুমোদন ছিল, যা বর্তমান সংশোধনীতে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও আগে 'মুখ্য জলস্রোত' ও 'সাধারণ জলস্রোত' পৃথকভাবে থাকলেও বর্তমান সংশোধনীতে সেগুলো একসঙ্গে 'বন্যা প্রবাহ অঞ্চল' নামে পরিবর্তিত হবে, যেখানে সব ধরনের স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ হবে।
ট্রানজিট-ভিত্তিক উন্নয়ন (টিওডি), পুনরুজ্জীবন ও ব্লক-ভিত্তিক নগর উন্নয়নকে উৎসাহিত দেওয়ার লক্ষ্যে ফ্লোর এরিয়া রেশিও প্রণোদনা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
একইসাথে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (২০২০) ও ড্যাপের (২০২২–২০৩৫) সমন্বয় করে শহর উন্নয়নের প্রাবল্যতার সঙ্গে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা সংশোধনীর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভবনের নকশায় ব্যত্যয়—যেমন অতিরিক্ত ফাঁকা জায়গা, সেটব্যাক, ভূমি আচ্ছাদন, জনঘনত্ব—নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধি বিধানের সংশধন, পরিমার্জন ও বিল্ডিং কোডের সাথে সমন্বয় করা হয়েছে। দুর্যোগ সহনশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মাণকাজ শুরুর আগে কাঠামোগত ও স্থাপত্য—উভয় নকশার অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টিও যুক্ত করা হয়েছে।
জনভোগান্তি লাঘবে বিশেষ বা বৃহদায়তন প্রকল্পের ক্ষেত্রে নির্মাণকাজের সুপারিশ পাওয়ার পর আর অনুমোদনের প্রয়োজন হবে না; তবে অনুমোদনের ফি জমা দিতে হবে। পাঁচ কাঠা বা তার চেয়ে বড় প্লটের জন্য স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সংশোধনীতে পরিবেশবান্ধব ভবনের (গ্রিন বিল্ডিং) জন্য প্রণোদনা প্রদান এবং একটি আপিল কমিটি গঠনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ১৯ মার্চ ড্যাপ পর্যালোচনা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো আরও নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশনা দিয়েছিল। সেই নির্দেশনার আলোকে রাজউক ও মন্ত্রণালয় বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে প্রায় ৩৫টি বৈঠক শেষে রোববারের সভায় চূড়ান্ত খসড়াটি উপস্থাপন করে!
ত্রিভুজাকার জমির জন্য সূত্রঃ-
ক্ষেত্রফল $ = \frac{1}{2} \times \text{ভূমি} \times \text{উচ্চতা} $ হেরনস সূত্র (তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য জানা থাকলে): প্রথমে \(s=\frac{a+b+c}{2}\) বের করুন, যেখানে \(a\), \(b\), এবং \(c\) হলো ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য। তারপর ক্ষেত্রফল $ = \sqrt{s(s-a)(s-b)(s-c)} $ সূত্র ব্যবহার করুন!
অনিয়মিত আকৃতির জমির জন্য সুত্রঃ-
জমিটির চারপাশের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের গড় বের করুন।
এরপর, গড় দৈর্ঘ্য এবং গড় প্রস্থ গুণ করে ক্ষেত্রফল বের করুন!
জমি মাপার সহজ সুত্রঃ-
আয়তাকার/বর্গাকার জমি: ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ উদাহরণ: যদি জমির দৈর্ঘ্য \(100\) ফুট এবং প্রস্থ \(50\) ফুট হয়, তাহলে ক্ষেত্রফল হবে \(100\times 50=5000\) বর্গফুট!
বিষয়ঃ- জমি ক্রয় বিক্রয়!
জমি বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন!
একাধিক ক্রেতা বা বিক্রেতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছে কিনা লক্ষ্য করবেন!
আপনারা রেজিস্ট্রির সময় দলিলে যা বারবার চেক করবেন!
সাধারণত একজন দলিল লেখক দিনে ৮/১০ টা বা কেউ কেউ আরো বেশি দলিল লেখে। ফলে তাদের দ্বারা দলিল লিখার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হয়ে যেতে পারে। আবার একজন সাব-রেজিস্ট্রার দৈনিক ৭০/৮০ টি দলিল রেজিস্ট্রি করেন। এতো সেবাগ্রহীতার চাপ থাকে যে প্রতিটি দলিল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখা সম্ভব হয়না। জমির ক্রেতা হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো দলিলে সাক্ষর করার আগে দলিলটি নির্ভুলভাবে লেখা হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে নিম্নের বিষয়গুলো ভালোভাবে খেয়াল করা!
১) জমির এসএ এবং আরএস দাগ অঙ্কে ও কথায় মিলিয়ে নেবেন। নকশার সাথে দাগ নম্বর মিলাবেন। দলিলের ১১ নম্বর কলামে খতিয়ান নম্বর ও হোল্ডিং নম্বর বারবার মিলান!
২) দাগের কোন দিকে আপনার ক্রয়কৃত জমির পজিশন সেটা দলিলের ১৫ নম্বর কলামে হাত নকশায় ভালোভাবে লক্ষ্য করবেন!
৩) মৌজার নাম, জেএল নম্বর এবং জমির পরিমাণ কথায় এবং অংকে লেখা ঠিক আছে কিনা তা দলিলের ২ নম্বর কলামে ভালোমতো খেয়াল করবেন!
৪) সম্পত্তির চৌহদ্দি সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিনা তা ১২ নম্বর কলামে দেখে নিবেন!
৫) বিক্রেতার তার প্রাপ্য হিস্যার চেয়ে বেশি জমি দিচ্ছেন কিনা তা যাচাই করবেন। একাধিক ক্রেতা বা বিক্রিতা হলে কার কতটুকু অংশ তা নির্দিষ্ট করা আছে তা দলিলের ৮ ও ৯ নং কলামে ঠিকমতো লেখা আছ কিনা লক্ষ্য করবেন!
৬) দলিলে কোনো মামলার ডিক্রির তথ্য সংযোজন প্রয়োজন হলে দলিলের ৭ নম্বর কলামে বিজ্ঞ আদালতের নাম ও মামলা নম্বর নির্ভূলভাবে লিখেছে কিনা খেয়াল করবেন। এছাড়া জমির সর্বশেষ জরিপ হতে ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ ঠিকমতো লেখা হয়েছে কিনা খেয়াল করবেন!
মনে রাখবেন দলিলে মেজর ভুল হয়ে গেলে তা আদালত ছাড়া সংশোধন করা যায়না। একটা দলিলের মেজর ভুল ঠিক করতে বছরের পর বছর আদালত চত্বরে ঘুরতে হবে। তাই নির্ভুল দলিল পেতে রেজিষ্ট্রেশনের আগে উপরের বিষয়গুলো ভালোমতো খেয়াল করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।
আপনার মতামত কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না!
16/06/2025
"গ্রামীন রিসোর্ট"
সাধ্যের মধ্যে পরিপূর্ণ ও চাকচিক্য লোভনীয় স্হাপনা🫒🍁
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the practice
Telephone
Address
Dhaka
1229