Md. Giashuddin
প্রতিদিন অন্তত কিছু না কিছু শিখুন যা আপনার কেরিয়ারকে সমৃদ্ধ করবে।
Knowledge is power
ববি হাজ্জাজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মন্তব্য তার ব্যক্তিগত বেড়ে ওঠা ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। সমালোচকদের মতে, তিনি দেশের মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থা ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা ছাড়াই মন্তব্য করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং দেশের অনেক শীর্ষ গবেষক ও মেধাবী শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। তার বক্তব্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে হেয় করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খাতকে এগিয়ে নেওয়ার একটি প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।তিনি দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে জাতির অস্তিত্বের সাথে জড়িত একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে এমন বক্তব্য সরকারকেও বিব্রত অবস্থায় ফেলেছে নিসন্দেহে।
তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরও সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে—বিশেষ করে ছাত্ররাজনীতি, গবেষণা বরাদ্দ এবং প্রশাসনিক নিয়োগে যোগ্যতার ভিত্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন গঠনমূলক সমালোচনা ও বাস্তব সংস্কারের মাধ্যমেই সম্ভব, অবমূল্যায়নের মাধ্যমে নয়।
24/10/2025
কর্পোরেট বা অফিস পরিবেশে “মন্দ সহকর্মী (toxic co-worker)” চেনা খুব জরুরি — কারণ এরা আপনার জীবন ও অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করে দিবে-
১. সবসময় নেতিবাচক মনোভাব
- অফিসে সব কিছুর মধ্যে দোষ খোঁজে।
- “এই কাজ হবে না”, “বস কিছুই বোঝে না” – এমন মন্তব্য করে।
- কারো সাফল্যে খুশি না হয়ে হিংসা প্রকাশ করে।
২. গসিপপ্রিয় ও পেছনে কথা বলে
- সহকর্মীদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
- এক জনের কথা আরেক জনের কাছে বিকৃতভাবে পৌঁছে দেয়।
- টিমে বিভেদ সৃষ্টি করে “divide and rule” খেলতে ভালোবাসে।
৩. ক্রেডিট নেয়, দোষ দেয়
- আপনি পরিশ্রম করে কাজ শেষ করলে বলে— “আমরা একসাথে করেছি।”
- কিন্তু ভুল হলে বলে— “ও করেছে, আমি তো বলেছিলাম না করতে।”
৪. টিমওয়ার্কে বাধা দেয়
- সহযোগিতা করতে চায় না, তথ্য গোপন করে রাখে।
- নিজের স্বার্থে টিমের ক্ষতি হলেও পরোয়া করে না।
- নিজের অবস্থান “সুরক্ষিত” রাখতে অন্যদের নিচে নামায়।
৫. দায়িত্ব এড়িয়ে চলে
- সময়মতো কাজ করে না, অজুহাত দেয়।
- পরে দেরির দায় টিমের উপর চাপায়।
- চাপ এলে “আমি তো জানতাম না” বলে পিছু হটে।
৬. সহানুভূতি বা সম্মান নেই
- অন্যদের অনুভূতি বুঝতে চায় না।
- নিচের পদে থাকা কর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে।
- বসের সামনে নাটকীয় ভদ্রতা দেখায়, কিন্তু পেছনে বিষাক্ত আচরণ।
৭. “Drama” সৃষ্টি করে
- ছোট বিষয়কে বড় করে তোলে।
- ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল বা সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করে।
- অফিসের পরিবেশ অস্থির করে তোলে।
চিনে ফেললে করণীয়
- পেশাগত সীমা বজায় রাখুন (Personal sharing কমান)।
- নিজের কাজ ডকুমেন্ট করে রাখুন।
- সরাসরি না লড়েও assertive হোন — “আমি এভাবে দেখি…” ধরনের বাক্য ব্যবহার করুন।
- প্রয়োজনে ম্যানেজমেন্টকে জানান, তবে প্রমাণসহ।
“ইমোশনাল ব্যাগেজ (Emotional Baggage)” অর্থ হলো — আমাদের অতীতের এমন নেতিবাচক অভিজ্ঞতা, কষ্ট, আঘাত, ভয় বা অপরাধবোধ, যা আমরা মানসিকভাবে বহন করে চলি এবং তা আমাদের বর্তমান চিন্তা, আচরণ ও সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।
সহজভাবে বললে:
ইমোশনাল ব্যাগেজ হলো মনের অদৃশ্য ভার।
যেমন —
কারো বিশ্বাসঘাতকতা মনে রেখে নতুন সম্পর্কে ভয় পাওয়া,
শৈশবের অবহেলা থেকে নিজের মূল্যবোধ নিয়ে সন্দেহ করা,
অতীতের ব্যর্থতা মনে রেখে নতুন সুযোগকে ভয় পাওয়া।
১. ইমোশনাল ব্যাগেজের লক্ষণ:
ক. অতীতের ঘটনা বারবার মনে পড়া
খ. নতুন সম্পর্ক বা সুযোগে সন্দেহ বা ভয়
গ. সহজে রেগে যাওয়া বা আত্মরক্ষামূলক আচরণ
ঘ. নিজেকে দোষ দেওয়া বা কম মূল্যায়ন করা
ঙ. মানসিক শান্তি হারিয়ে ফেলা, ঘুম বা মনোযোগে সমস্যা
ইমোশনাল ব্যাগেজ থেকে মুক্তির উপায়:
১️⃣ স্বীকার করুন
প্রথম ধাপ হলো এটা মেনে নেওয়া যে আপনি মানসিকভাবে কিছু বহন করছেন। অস্বীকার করলে মুক্তি সম্ভব নয়।
২️⃣ অনুভূতিগুলো প্রকাশ করুন
কথা বলুন — বিশ্বাসযোগ্য বন্ধুর সঙ্গে, পরিবারে, বা একজন থেরাপিস্টের সঙ্গে। লিখেও প্রকাশ করতে পারেন (জার্নালিং)।
৩⃣ অতীত নয়, বর্তমানকে ফোকাস করুন
“কি হয়েছে” নয়, “আমি এখন কি করতে পারি” — এই ভাবনা চর্চা করুন।
৪⃣ আত্ম-সহানুভূতি (Self-Compassion)
নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। ভুল, কষ্ট বা ব্যর্থতা মানুষেরই অংশ।
৫⃣ পেশাদার সহায়তা নিন (Therapy)
গভীর মানসিক আঘাত থাকলে কাউন্সেলর বা থেরাপিস্টের সাহায্য নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
“You can’t start the next chapter of your life if you keep re-reading the last one.”
অতীতকে বোঝা জরুরি, কিন্তু তাতে আটকে থাকা নয়।
মুক্তি মানে ভুলে যাওয়া নয় — বরং শান্তভাবে মেনে নেওয়া ও এগিয়ে যাওয়া।
゚viralシfypシ゚viralシ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1221