Motormates

Motormates

Share

Our mission is to make buying and selling cars fun, fair, and accessible to everyone. Dream your car
Plan your car

We're transforming the used car industry with a technology-driven, hassle-free customer experience.

Photos from Motormates's post 17/06/2024

Range Rover Vogue Comport Plus 2019 Autobiography P400E
(Plug In Hybrid) Long Wheel Base
Registration : 2022
2000 CC Plug In Hybrid
Octane Plug In Hybrid
8,500 Miles

Photos from Motormates's post 17/12/2023

Built for gamers. Inspired by gamers. Take a closer look at the Razer .

Learn more: https://lexus.us/484SvhJ

*Special project vehicle modified with non-Lexus parts that may void warranty, negatively impact safety, and not be street legal.

Photos from Motormates's post 14/12/2023

Experience luxury and style like never before with Reckless Corporation. From curated events to personalized experiences, indulge in a world of exclusive benefits.

Presenting the exuberant class of 2022 BMW 530e

Registered in 2022
Just 3449 km driven
4 years bumper to bumper BMW warranty.

01/10/2023

BMW X7 xDrive 40i-2022
**BMW X7 with M SPORTS PRO PACKAGE**
***Mileage: 6000miles***: Almost Brand New Unit!
Registration@2022: 3000cc Petrol Mild Hybrid Engine with Loaded Features.!

for more info 01793-548777

Photos from Motormates's post 01/10/2023

BMW X7 xDrive 40i-2022
**BMW X7 with M SPORTS PRO PACKAGE**
***Mileage: 6000miles***: Almost Brand New Unit!
Registration@2022: 3000cc Petrol Mild Hybrid Engine with Loaded Features.!
for more call 01793-548777

26/09/2023

Porsche Cayenne

3.0-litre V6 forced-induction engine (EU6)
Electric motor: 70 kW (95 hp)
Combustion engine: 245 kW (333 hp)
Combined output of 306 kW (416 hp) at 5,500 rpm
Maximum torque (plug-in hybrid): 590 Nm between 1,250 and 4,000 rpm
Acceleration from 0 to 100 km/h: 5.9 secs
Top speed: 243 km/h, all-electric: 125 km/h

Electricity consumption (combined) in kWh/100 km: 20.8–18.6
Typical electric range during everyday driving: 18-38 km (NEDC: 38 km)
CO2 emissions in g/km: 79 - 75
Efficiency class Germany/Switzerland: A+/G
High-voltage battery: 10.8 kWh
Charging time*: approx. 2.7 hrs with 3.6 kW on-board charger/approx. 1.3 hrs with 7.2 kW on-board charger.
Recuperative braking system
E-Charge and E-Power buttons
Direct Fuel Injection (DFI)
SPORT button
Thermal management
Variable valve lift
Pressure point on accelerator for controlling electric mode
Active air flaps
BOSE® Surround Sound-System
Featuring 9 amplifier channels, 14 loudspeakers, and a 200-watt active subwoofer, the system delivers a balanced acoustic pattern and a total output of 585 watts.
Red Leather Interior.
Highly maintained Top of the line Chrono PkG. See less

Motormates Our mission is to make buying and selling cars fun, fair, and accessible to everyone. We're transforming the used car industry with a technology-driven, hassle-free customer experience.

Photos from Motormates's post 08/09/2023

চলে এলো টয়োটা সেঞ্চুরি এসইউভি 🤍

গত ২ দিন আগে টয়োটা রিলিজ করেছে তাদের লাইনআপের সবেচেয়ে দামী গাড়ি, যেটা টয়োটার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সময়কার ফ্ল্যাগশিপ গাড়ি হতে যাচ্ছে। সেই গাড়িটি আর কেউই নয়, দ্যা অল নিউ সেঞ্চুরি এসইউভি।

সেঞ্চুরি -- গত ৫৬ বছর ধরে টয়োটার প্রযুক্তিগত প্রগতির মুখপাত্র একটি নাম। ১৯৬৭ সালে প্রথম বাজারে আসা টয়োটা সেঞ্চুরি সেই তখন থেকেই রোলস-রয়েস, মার্সিডিজ এস-ক্লাসসহ যত ফ্ল্যাগশিপ লাক্সারি সেডান আছে, তাদের সাথে বরাবর ফাইট দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়েই আজ পর্যন্ত বেঁচে আছে, ও জাপানের মার্কেটে জাপানী ধনকুবেরদের স্ট্যাটাস-সিম্বল ও আরামদায়ক যাত্রার বাহক হিসেবে সেবা করে যাচ্ছে নিরলসভাবে। সেডান শেপে ৩ প্রজন্ম চলার পরে বর্তমানে এসইউভি-ক্রেজের মার্কেটে টিকে থাকতে বেন্টলি বেন্টায়গা, মার্সিডিজ-মায়বাক জি.এল.এস এবং রোলস-রয়েস কুলিনানের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করতে এবার টয়োটা মাঠে নামিয়ে দিলো সেঞ্চুরি এসইউভি। তো চলুন, আজকের পোস্টে একদম ডিটেইলসে আপনাদেরকে দেখাই যে এই সেঞ্চুরি এসইউভি আমাদেরকে কি কি অফার করছে, প্লাস-পয়েন্ট কি কি, খুঁত কি কি, এবং এই গাড়িটার সম্ভাব্য দাম কতো হতে পারে আমাদের দেশে।

প্রথমেই বলতে হয় ডিজাইনের ব্যাপারটা। সেঞ্চুরি গাড়িগুলো গত ৫৬ বছর ধরে যে একটা বক্সি ক্লাসিকাল শেপ মেইন্টেইন করছে, একই ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ দেখা যাচ্ছে এই নতুন সেঞ্চুরি এসইউভিতেও। পুরো বডি শেপটা একটা বক্সের মতো বলা যায়। কিন্তু হ্যাঁ পিছনের দিকে একটু অ্যাঙ্গেল করে পিছনের গ্লাসটা নেমে বক্সি শেপটার স্ট্রিক ব্রেক করেছে। সাধারণত সেঞ্চুরিতে চারকোনা বক্সের শেপে হেডলাইট ইউজ হয়, কিন্তু সেঞ্চুরি এসইউভিতে স্প্লিট হেডলাইট ইউজ হয়েছে। গাড়ির ওভারঅল শেপ দেখে অনেকেই "বাজেট রোলস-রয়েস" অথবা "বাজেট বেন্টলি" বলেছেন। কিন্তু, সাধারণত একটা এক্সিকিউটিভ ভেহিকেলের ডিজাইন ল্যাংগুয়েজ কিন্তু এরকমই হয়, কেউই কাউকে কপি করেনি। যেমন, রোলস-রয়েস গোস্ট, বেন্টলি ফ্লাইং স্পার ও টয়োটা সেঞ্চুরি সেডান কিন্তু অনেকটা একইরকম দেখতে। বরঞ্চ সেঞ্চুরি এসইউভিকে যদি কোনো গাড়ির সাথে একান্তই মিলানো যায়, সেটা হলো হিউন্দাইর লাক্সারি ডিভিশন জেনেসিস-এর গাড়িগুলোর সাথে। কারণ, এই নতুন সেঞ্চুরি এসইউভির স্প্লিট হেডলাইটের ডিজাইন দেখে সত্যি বলতে আসলেও জেনেসিসের গাড়িগুলোর মতো লাগে। সাইড প্রোফাইল থেকে যথেষ্ট লম্বা গাড়ি এটি, এবং সেঞ্চুরির ট্রেডিশন বজায় রেখে এই গাড়ির নিচের চতুর্থাংশ সিলভার কালার দিয়ে পেইন্ট করা। ২০-ইঞ্চির অ্যালয় রিম থাকছে বেস্ট কমফোর্টের জন্য, কারণ এই ২০ ইঞ্চির রিমের সাথে লাগানো টায়ারের সাইডওয়াল অনেক মোটা। কিন্তু চাইলে ২২ ইঞ্চির রিমও নেওয়া যাবে, যেটা দেখতে সুন্দর হলেও ২০ ইঞ্চির রিমের তুলনায় সামান্য কিছুটা কমফোর্ট কম হবে। পিছনের দিকে ছাদ থেকে ডি-পিলারটা নামতে নামতে হঠাৎ একটা অংশ এক্সটেন্ড করে বেশ "ফ্যাট-অ্যাস'' (সরি ফর দ্যা ইউজ অফ ভালগার ওয়ার্ডস) টাইপের একটা ইফেক্ট দেওয়া হয়েছে যেটা দেখতে আসলেও সুন্দর লাগছে। বেশ কয়েকটা কালারে গাড়িটা অ্যাভাইলেবল। গাড়িটিতে যেই পেইন্ট দেওয়া হয় তা হলো এই দুনিয়ার সবচেয়ে সেরা কার পেইন্ট, দুনিয়ার অন্য কোনো গাড়িতেই সেঞ্চুরির সমকক্ষ পেইন্ট দেওয়া হয় না, এমনকি রোলস-রয়েসেও নয়। ৭টি পদার্থ দ্বারা সেই রঙটি তৈরি, ও অগণিত লেয়ারে তা দেওয়া হয় এবং শেষে পলিশ করে যেই চূড়ান্ত গ্লেজ আসে, তা এমনভাবে করা হয়, যেন গাড়ির মালিক গাড়িটি নিয়ে তার ব্যাবসায়িক মিটিংয়ে যাওয়ার সময়ে গাড়ির বডিতে পড়া নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে টাই ঠিক করে নিতে পারেন। আমার ব্যাক্তিগত মতে কালো রঙে এই গাড়িটা দেখতে একেবারে "মাফিয়া-মোবিল'' টাইপ দেখায়। কেউ যদি একটা কালো সেঞ্চুরি এসইউভিতে সামনে-পিছনে বডিগার্ডদের গাড়িবহর নিয়ে কোথাও দাঁড়ায়, স্বাভাবিকভাবেই দেখলে মনে হবে যে কোনো জাপানী ইয়াকুজা ডন এসেছে সেখানে।

এবার আসি ইন্টেরিয়রে। একটা লাক্সারি গাড়ির মূল আকর্ষণ হলো গাড়িটার ইন্টেরিয়র কতটুকু বেশি অপুলেন্ট। কারণ, লাক্সারি কার কেনার মূল উদ্দেশ্যই হলো ভিতরে বসা যাত্রীদের চূড়ান্ত আরাম-আয়েশ নিশ্চিত করা। আমরা সাধারণত রোলস-রয়েস কুলিনান বা বেন্টলি বেন্টায়গা মুলিনারে যেটা দেখে অভ্যাস্ত, সেটা হচ্ছে প্রচুর প্যাডিং ও কুশনিং করা সিটস, এবং খুবই জাঁকজমক ডেকোরেশন। কিন্তু, সেঞ্চুরির ইন্টেরিওর সেই তুলনায় বলা যায় যে অনেকটা মিনিমালিস্টিক। ইন্টেরিয়র আপহোলস্টারি বলাই বাহুল্য যে দুনিয়ার সবচাইতে ভালো কোয়ালিটির লেদার দিয়ে করা। কিন্তু ওভারঅল ডেকোরেশনে খুব বাড়াবাড়ি কিছু নেই, বিশেষ করে "গিমিক" জাতীয় কিছুই নেই। সেঞ্চুরি বরাবরই "প্র‍্যাক্টিকাল লাক্সারি" দর্শনে বিশ্বাসী, তাই রোলস-রয়েসের মতো "স্টারলাইট রুফ" জাতীয় অপ্রয়োজনীয় জিনিস না দিয়ে এমন এমন সব জিনিস সেঞ্চুরিতে ব্যাবহার হয়েছে, যেগুলো এই গাড়ির ইউজারদের আসলেও প্রয়োজন হবে। টয়োটা সেঞ্চুরি গাড়িটি টয়োটা এমনভাবে বানায়, যেন গাড়িটির মালিক গাড়িতে বসে খবরের কাগজ বা তার ব্যাবসায়িক কোনো কাগজ পড়ার তার মনোযোগ একটুও ব্যাহত না হয়। গাড়িটির সবকিছু এক্সট্রিম লেভেলে শব্দহীন করা হয়েছে, যেন ভিতরে বাইরের একটা কোনো শব্দ না ঢুকতে পারে। এমনকি ইঞ্জিনের শব্দের তরঙ্গের বিপরীতে স্পিকারের মাধ্যমে বিপরীতমুখী তরঙ্গের শব্দ ছুঁড়ে দিয়ে দুইটা কাটাকাটি করে একদম সাউন্ডলেস ইন্টেরিওর নিশ্চিত করা হয়েছে, যেন গাড়ির মালিক সারাদিন মিটিং সেড়ে গা এলিয়ে দিয়ে বিনা কোনো ডিস্টার্বে ঘুমের সাগরে তলিয়ে যেতে পারে। এয়ার সাস্পেনশনটি এমনভাবেই টিউন করা যেন এক ফোঁটাও ঝাঁকি না অনুভব করা যায়। পিছনের সারির বামপাশের সিটটি মূলত বানানো গাড়ির মালিকের জন্য, কারণ সামনের বামপাশের সিটে কোনো প্যাসেঞ্জার না বসলে সেই সিটটি একটি বাটন চেপে একটি ফুটরেস্ট বানানো যায় যার উপরে পা রেখে গাড়ির মালিক পা টান-টান করে আরামে বসতে পারেন। এছাড়া সেঞ্চুরির এই এসইউভি ভ্যারিয়েন্টে কার্গো-স্পেস কমিয়ে সিট রিক্লাইন করার জন্য অনেক বড় জায়গা রাখা হয়েছে। পিছনের সারির বামপাশের সিটটা চাইলে সম্পূর্ণ একটা বিছানার মতো ফুল ১৮০° স্ট্রেইট সোজা বানিয়ে ফেলা যায়। ড্রাইভারের পাশের সিটে কেউ না বসলে শটগান-সিটটা সামনে এগিয়ে ফুটরেস্ট বানিয়ে, এরপর পিছনের বামের সিটটা সম্পূর্ণ শোয়ায় দিয়ে গাড়ির মালিক একদম চিত হয়ে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। সিট ম্যাসাজিং তো বলাই বাহুল্য যে আছে, এসি ভেন্টও পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে গাড়িতে পছন্দসই তাপমাত্রা বজায় রাখতে। সিটগুলোতে এমন একটা প্রযুক্তি ইউজ হয়েছে, যার মাধ্যমে অনেক সময়ে ধরে সিটে বসে থাকা যাত্রীদের দেহের সাথে সিটের ঘষা লেগে তৈরি হওয়া স্থির তড়িৎকে সিট শুষে নিবে, যেন যাত্রীদের দেহে ক্লান্তি না আসে। গাড়িটিতে যেই ১৮টি স্পিকার ও ৮ চ্যানেলের অ্যাম্প্লিফায়ারসহ সাউন্ড সিস্টেম আছে, তা টয়োটা এমনভাবে বানিয়েছে যেন একজন মিউজিক স্পেশালিস্টও কোনো খুঁত না ধরতে পারেন। পিছনের সারির দুই সিটের মাঝখানের অংশে হাত রাখার একটা হ্যান্ডরেস্ট দিয়েছে টয়োটা, যেই হ্যান্ডরেস্টের প্রান্তে ফোন রাখার দুইটা স্লট আছে। গাড়ির মালিক নিজের ফোনে একটা অ্যাপ নামিয়ে নিলে তার ফোনের মাধ্যমেই গাড়ির যাবতীয় জিনিস কন্ট্রোল করতে পারবে, যেমন নিজের সিটের সমস্ত কন্ট্রোলস, জানালা উঠানো/নামানো, প্যানোরামিক গ্লাস-রুফের কাভার খোলা বা বন্ধ করা, গাড়িতে কোন গান বাজবে ইত্যাদি। হ্যান্ডরেস্টের পিছনের অংশে একটা ফ্রিজ আছে, যেখানে গাড়ির মালিক চাইলে তার পছন্দের কোনো খাবার ঠান্ডা করতে বা রাখতে পারবেন, ও পরে যাত্রাপথে সেটা বের করে খাওয়ার জন্য আছে রিট্র‍্যাক্টিবল টেবিল।

চ্যাসিস ডাইনামিক্সে যদি আসি, টয়োটা সেঞ্চুরি এসইউভির চ্যাসিস হলো টয়োটার টিএনজিএ-কে প্ল্যাটফর্মে তৈরি। অর্থাৎ, টয়োটা গ্র‍্যান্ড হাইল্যান্ডার ও লেক্সাস টিএক্স-এর একই চ্যাসিস সামান্য মডিফাই করে ফোর-সিটার হিসেবে প্রস্তুত করে বানানো হবে এই সেঞ্চুরি এসইউভি। পার্সোনালি আমি মনে করি যে একটা ফ্ল্যাগশিপ গাড়িতে টয়োটা একদম বিস্পোক চ্যাসিস ইউজ করতে পারতো। সেখানে মাত্র ৪৫ হাজার ডলারের একটা গাড়ির চ্যাসিস একটা ১.৭ লাখ ডলারের গাড়িতে ইউজ করার মাধ্যমে কস্ট-কাটিং করতে গিয়ে কমফোর্ট কম্প্রোমাইজ না হলেই হয়! হয়তো এজন্যই টয়োটা মার্ভেলাস কিছু টেকনোলজি এই গাড়িতে ইউজ করেছে। প্রথমত, এই গাড়িতে অন্য আল্ট্রা-লাক্সারি গাড়ি যেমন কুলিনান বা বেন্টায়গার মতো এয়ার সাস্পেনশন নেই। গাড়ির সামনের ম্যাকফার্সন স্ট্রাটস ও পিছনে মাল্টি-লিংক। শুনে মনে হচ্ছে যে, একটা সাধারণ হ্যারিয়ারেও তো এই সেম সাস্পেনশন, স্পেশাল কি আছে তাহলে? প্রথমত, লিংক অনেকগুলো দেওয়া যেন রোডের লো-ফ্রিকুয়েন্সি ঝাঁকি কম লাগে। এর সাথে আছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা কন্ট্রোল করা ''অ্যাডাপ্টিভ ভ্যারিয়েবল সাস্পেনশন'', যার মাধ্যমে গাড়ির বডিরোল কমানোর সাথে সাথে তুমুল কম্ফোর্টও প্রদান করা যায়। এর সাথে এই গাড়িতে আছে রেয়ার-হুইল-স্টিয়ারিং। অর্থাৎ, এতো বড় গাড়ি টার্ন নিতে গেলে যেন বেগ না পেতে হয়, তাই গাড়ি যেদিকে টার্ন নেওয়ার জন্য স্টিয়ারিং ঘুরানো হবে, পিছনের চাকাগুলো তার উল্টোদিকে ঘুরে গাড়ি অনেক অল্প জায়গার মধ্যেই ঘুরিয়ে ফেলা যাবে। এছাড়া "রেয়ার কমফোর্ট মোড" নামের একটি সাস্পেনশন মোড চালু করে দিলে গাড়ির ইঞ্জিনের টর্ক ও ব্রেকিং ফোর্স এমনভাবে ডিস্ট্রিবিউট হবে যেন গাড়ির ভিতরটা একদম মাখনের মতো স্মুথলি থাকে, ও একটুও ভিতরে দুলুনি বা ঝাঁকি যেন না পৌঁছায়।

এবার আসি পাওয়ারট্রেইনে। এবং এই একটা জায়গাতে টয়োটার থেকে আরও ভালো কিছু আশা করেছিলাম আমি। সাধারণত একটা আল্ট্রা-লাক্সারি এক্সিকিউটিভ গাড়ির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ, অথবা অল-হুইল-ড্রাইভ হলেও রেয়ার হুইলে শক্তির বায়াস বেশি থাকে। সেঞ্চুরি সেডানে আমরা দেখি রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ, এরপর বেন্টলি ফ্লাইং স্পার ও রোলস-রয়েস গোস্টে দেখি রেয়ার-বায়াসড অল-হুইল-ড্রাইভ। সেখানে টয়োটা বোকার মতো করেছে কি, টয়োটা গ্র‍্যান্ড হাইল্যান্ডারের প্ল্যাটফর্মে বানানোর ফলে সেঞ্চুরি এসইউভির অল-হুইল-ড্রাইভ সিস্টেমটি হয়েছে আর দশটা সাধারণ গাড়ির মতো ফ্রন্ট-বায়াসড অল-হুইল-ড্রাইভ। এর ফলে হ্যান্ডলিং-এর দিক থেকে প্রতিযোগীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়লো সেঞ্চুরি। যাইহোক, গাড়িটিতে আছে ৩৫০০ সিসির ভি-৬ ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক মোটর। প্লাগ-ইন-হাইব্রিড এই গাড়িটার কম্বাইন্ড আউটপুট ৪১০ হর্সপাওয়ার। যদিও রোলস-রয়েস কুলিনানের মতো ৫৬৩ হর্সপাওয়ার নেই, কিন্তু রোলস-রয়েসে আছে ৬৭৫০ সিসির টুইন-টার্বো ভি-১২ ইঞ্জিন। তার সাথে এতো শক্তি সত্যি বলতে ব্যাবহার হয়ও না। সেই অনুযায়ী সেঞ্চুরির পাওয়ার ফিগার বেশ পার্ফেক্ট একটি পরিমাণের, অন্তত গাড়ির ধরন অনুযায়ী। আফটার অল, একটা লাক্সারি কার নিয়ে তো কেউ রেস করবেনা। সাথে সেঞ্চুরির ইঞ্জিনও যে যেকোনো রোলস-রয়েস বা বেন্টলির থেকে অনেক বেশি রিলায়েবল তা আর নতুন করে বলা লাগেনা। এর সাথে আবার ফুয়েল-ইকোনমিতেও এগিয়ে আছে সেঞ্চুরি। রোলস-রয়েস কুলিনান তো নন-হাইব্রিড, এর উপর টুইন-টার্বো ভি-১২ ইঞ্জিনের কারণে লিটারে যায় ৬.৭ কিলো, এরপর বেন্টলি বেন্টায়গা প্লাগ-ইন-হাইব্রিডের ইলেকট্রিক রেঞ্জ যেখানে ৪৫ কিলোমিটার সেখানে সেঞ্চুরির ইলেকট্রিক রেঞ্জ ৭০ কিলোমিটার!

সবশেষে আসি প্রাইসে। টয়োটা সেঞ্চুরি এসইউভির দাম ঘোষণা করা হয়েছে আড়াই কোটি ইয়েন। যেহেতু এই গাড়িটা ৩০০১-৪০০০ সিসি হাইব্রিড সেগমেন্টে পড়ছে, বাংলাদেশে এই সেগমেন্টের জন্য ধার্য করা ট্যাক্সের পরিমাণ হলো ২৯০%। তো সেই হিসাবে ব্র‍্যান্ড এম.এস.আর.পি অনুযায়ী আমাদের দেশে একটি ব্র‍্যান্ড নিউ সেঞ্চুরি এসইউভি আনাতে দাম পড়ে যাবে ৮ কোটি টাকার মতো। এখন, ৬.৫ কোটিতে আপনি বেন্টলি বেন্টায়গা প্লাগ-ইন-হাইব্রিড নিতে পারেন, যেটা ৩০০০ সিসি হাইব্রিড হওয়ায় আরও কম ট্যাক্স ধার্য বলে দেড় কোটি টাকা কম দাম আসবে। কিন্তু, বেন্টলি লোগোর পিছনে দৌড়াতে গিয়ে অনেকেই এই জাপানের গর্বকে ইগ্নোর করে যাবে। ঠিক এর মধ্যে দিয়ে যদি আপনি একটা সেঞ্চুরি এসইউভি নিয়ে নেন, সবার মধ্যে আপনার গাড়িটাই হবে সবচেয়ে ইউনিক। আর এছাড়া জেডিএম গাড়ি হওয়ায় সেঞ্চুরির ৫ বছর পুরোনো রিকন্ডিশন্ড ইউনিটও আনা যাবে দেশে। তখন হয়তো ৫.৫ কোটিতেও এই গাড়ি আনানো যাবে। সেক্ষেত্রে সেঞ্চুরি এসইউভিই হবে আল্ট্রা-লাক্সারি এক্সিকিউটিভ গাড়িগুলোর মধ্যে তুলনামূলক হাতের নাগালে দাম থাকা অপশন৷

কেমন লেগেছে আপনাদের কাছে এই টয়োটা সেঞ্চুরি এসইউভি? জানিয়ে দিন কমেন্ট বক্সে! ❤️

28/06/2023
Photos from Motormates's post 19/05/2023

"Asking an Ai to make car brand toilets"

21/04/2023

Eid Mubarak!

20/04/2023

An affair with Rover

Photos from Motormates's post 09/04/2023

Sporty in the form of a 911. Classic with a touch of Pepita.

__
911 Sport Classic: Fuel consumption combined in l/100 km: 12,6 (WLTP); CO2 emissions combined in g/km: 285 (WLTP)

Want your business to be the top-listed Autos & Automotive Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka