DIKAI Printer in BD
Sales & Service
New Bangladesh.... New Products....
DIKAI Printer in BD Sales & Service
*বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম*,মহান আল্লাহ তা'য়ালার বাণী -
إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلٰمُ ۗ وَمَا اخْتَلَفَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتٰبَ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْيًۢا بَيْنَهُمْ ۗ وَمَن يَكْفُرْ بِـَٔايٰتِ اللَّهِ فَإِنَّ اللَّهَ سَرِيعُ الْحِسَابِ
অর্থঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত।
*আল ইমরাণ: আয়াত নং ১৯*
*আজ*
*০৩ জমাদিউল আওয়াল -১৪৪৬ হিজরী*
*২১ কার্তিক -১৪৩১ বঙ্গাব্দ*
*০৬ নভেম্বর -(বুধবার) ২০২৪*
তুমি সহযোগী নও, তুমি নিজেই জালিম......
১. শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহ. দামেস্কের জেলে থাকাকালে একবার জেলার তাঁর কাছে এসে বলল,
শাইখ! আমাকে ক্ষমা করবেন। (আমার কিছুই করার নেই) কারণ, আমি হুকুমের গোলাম।
তখন ইবনে তাইমিয়া রহ. তাকে বললেন, আল্লাহর কসম তোমার মত লোকজন না থাকলে ওরা কারও উপর জুলুম করতে পারত না।
২. একবার হযরত সুফিয়ান সাওরী রহ.র কাছে এক দর্জি এসে বলল, আমি সুলতানের কাপড় সেলাই করি। আপনি কি মনে করেন, আমি জালিমের সহযোগী বলে গণ্য হব ?
উত্তরে হযরত সুফিয়ান সাওরী রহ. বলেন,
بل أنت من الظلمة أنفسهم، ولكن أعوان الظلمة من يبيع منك الإبرة والخيوط .
তুমি বরং জালিমদেরই একজন। জালিমদের সহযোগী হল তারা যারা তোমার কাছে সুঁই-সুতা বিক্রি করে।
৩. ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহ. বাগদাদের জেলে থাকাকালে একবার জেলার তাঁর কাছে এসে বলল, আবু আব্দুল্লাহ! জালিম এবং জালিমের সহযোগীদের ব্যাপারে যে হাদিস এসেছে, তা কি সহী?
ইমাম আহমদ রহ. বললেন, হ্যাঁ।
জেলার বলল, আমি কি জালিমদের সহযোগী বলে গন্য হব ?
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহ. বললেন, তুমি বরং জালিমদেরই একজন।
জালিমের সহযোগী গণ্য হবে সে, যে তোমার কাপড় ধুয়ে দেয়। খাবার রান্না করে দেয়। তোমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে দেয়।
অতএবঃ যারা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে জালিমের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন, কেয়ামতের দিন জালিমের কাতারে দাঁড়িয়ে আল্লাহর সামনে জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিন।
দক্ষ কর্মীদের মূল্যায়ন ‘না’ করলে যা হয় –
"এক রাজার প্রচন্ড শক্তিশালী অনেকগুলো যুদ্ধবাজ ঘোড়া ছিলো। রাজা'র অনেক যু'দ্ধ জয়ে এই যুদ্ধবাজ ঘোড়াগুলোর অসামান্য অবদান ছিলো।
চারিদিকে তখন রাজার সুখ্যাতি!
রাজা ঘোড়া পোষার পাশাপাশি অনেকগুলো গাধাও পুষতো। তো ঘোড়ার পেছনে এতো খরচ দেখে, উজির-নাজির প্রায়শ:ই রাজার কাছে ঘোড়াগুলো নিয়ে অভিযোগ করতো।
"ঘোড়াগুলো বেয়াদব, সহজে বাগে আনা যায় না, তার উপর দিনের পর দিন কোন কাজেও লাগছে না, অথচ এদের পেছনে খরচ ঠিকই হচ্ছে"।
রাজা নিজেও লক্ষ্য করেছে আস্তাবলে ঘোড়াগুলোকে দেখতে গেলে ঘোড়াগুলো ঠিকমত সম্মান করে না। অথচ গাধার আস্তাবলে গেলে গাধাগুলো রাজার সারা গা-হাত-পা চাটা শুরু করে।
একদিন উজির-নাজির, রাজাকে পরামর্শ দিলো ঘোড়াগুলোকে বেঁচে দিতে, আর ঘোড়া বেচার বিক্রিত টাকা দিয়ে পুরানো গাধাগুলোকে বেশি আদর যত্ন করতে, সাথে বেশি করে আরো নতুন গাধা কিনতে।
তারপর যু'দ্ধবাজ ঘোড়াগুলো বেশ দামে পাশের রাজ্যের দূর্বল রাজার কাছে বিক্রি করে দেয়া হল এবং অনেকগুলো গাধা ক্রয় করা হল।
কিছুদিন পরের কথা। পাশের রাজ্যের রাজা 'ঘোড়া বেচা রাজা'র রাজ্যকে আ'ক্রমন করলো এবং খুব সহজেই রাজ্য দখল করলো!
রাজ্যের নতুন রাজা, ব'ন্দী রাজাকে জিজ্ঞাসা করলো, "তোমার কি মনে কোন প্রশ্ন জাগেনি কেন তুমি এই যুদ্ধে হারলে!" বন্দী রাজা বললো "কেন?"
নতুন রাজা বললেন, তুমি হেরেছ কারণঃ
১। তোমার রাজা হওয়ার পিছনে যাদের (ঘোড়াদের) অবদান ছিলো, তাদেরকেই তুমি ভুলে গেছ।
২। তুমি চাটুকার গাধাকে ঘোড়ার চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছ। তোমাকে ঘিরে থাকা গাধাদের কথায় সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছ। (তোমার উজির-নাজির'রাই ছিলো সত্যিকার গাধা)।
৩। সর্বোপরি গাধা প্রয়োজনীয় প্রাণী হলেও যু'দ্ধবাজ ঘোড়ার কাজ গাধা দিয়ে চালানো যায় না এটা তোমার মাথায় আসেনি।
তবে গল্প হলেও বাস্তবতার সাথে দারুণ মিল আছে। আমাদের দেশ, সমাজ, প্রতিষ্ঠান সব জায়গাতেই এই গল্পের ছায়া উপস্থিত।"
Collected.
30/08/2024
একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোন শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন।
তিনি কিছু পাখি পালতেন। আর পাখিগুলোকে তিনি একটি কথা শিক্ষা দিয়েছিলেন, কথাটি হল; "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। অর্থাৎ "শিকারি আসবে, খাবার দিবে, জাল পাতবে, ফেঁসে যেও না।"
যখনই নতুন কোন ছাত্র আসতো তখনই তিনি তাকে কিছু দানা আর একটি জাল দিয়ে বলতেন, "যাও ঐ গাছের নিচ থেকে কিছু পাখি ধরে নিয়ে আসো।"
পাখিগুলো মানুষ দেখামাত্রই এই বলে গান গাইতে শুরু করতো যে, "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। তখন বেশিরভাগ ছাত্রই ফিরে আসতো এই ভেবে যে, এত চালাক পাখি ধরা যাবে না!
কিন্ত যদি কোন ছাত্র জাল পাততো আর দানা দিতো তবে দেখতো যে, পাখিগুলো মুখে ঐ কথা বলছে ঠিকই কিন্ত দানা খেতে আসছে আর জালে ফেঁসে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের মুখের কথা তাদের কোন কাজেই আসছে না।
এই পাখিগুলো আসলে কি বলছে তারা সেটা নিজেরাই জানে না। পাখিগুলো জানে না- 'শিকারি' কি জিনিস! 'জাল' কি জিনিস! 'ফাসনা' কি জিনিস! তাই তারা মুখে যতই গান গাওক না কেন, তাও জালে ফেঁসে মৃত্যু ডেকে আনছে।
★ আজকের জামানায় আমাদের অবস্থাও ঠিক যেন পাখিদের মতই হয়ে গেছে। আমরা মুখে 'লা~ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে সাক্ষ্য দিচ্ছি, কিন্তু আমরা এর মর্ম জানি না। প্রত্যেক সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ি কিন্তু আমরা বুঝি না এর ভিতর আল্লাহ কি বলতে চেয়েছেন।
একই সাথে আমরা সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, অহংকার, যিনা, গীবত, অশ্লীলতা, পর্দাহীনতা, ও অসংখ্য হারাম কাজ করছি আর কথা বলা পাখির মতই আবার কালেমা বলছি আর নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবীও করছি! কাজেই আমাদের এই সাক্ষ্যদান কথা বলা পাখির মতন। আমরা মুখে কালেমা জপার পরেও শিকারির জালে ফেঁসে যাচ্ছি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের যথাযথভাবে অনুবাধন করার তৌফিক দান করুন আমীন
Collected
ইসলাম হলো স্কুল।
দ্বীন হলো ক্লাশ
দুনিয়া হলো ক্যাম্পাস।
আমরা সবাই শিক্ষার্থী
কোর'আন হলো সিলেবাস
রমজান হলো টেষ্ট
নামাজ হলো ব্যবহারিক
মুহাম্মদ (সঃ) হলেন শিক্ষক
আল্লাহ হলেন পরীক্ষক
কেয়ামত হলো পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka