Islamic Waztv
নিয়মিত ইসলামিক ওয়াজ মাহফিলের ভিডিও এবং ইসলামিক কন্টেন্ট দেখতে পেইজ ফলো দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন।
যে ভুলগুলি কখনো করা যাবে না পশু কুরবানি করার সময়! গোলাম সারোয়ার সাঈদী
12/06/2024
📣আরাফার রোজা কোন দিন রাখতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬✿▬▬▬▬▬▬▬
প্রথমেই বলে নিই: বর্তমানে আরবি চন্দ্রবছরের জিলহজ্জ মাস চলছে। জিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখে হাজীগণ আরাফার মাঠে অবস্থান করেন। আরাফার দিনটিই হজের দিন। আর এর পরের দিন অর্থাৎ, জিলহজ্জের ১০ তারিখ হলো ঈদের দিন।
❖ যেদিন রাখতে হবে আরাফার রোজা:
❑ প্রথম মত :
আরাফার সিয়াম রাখতে হবে যেদিন হাজীরা আরাফার মাঠে অবস্থান করেন। সেই হিসেবে (১৫ই জুন, শনিবার) সিয়াম রাখতে হবে। এটি শায়খ ইবনে বা'য রাহ. সহ অনেক সালাফি আলিমের মত।
❑ দ্বিতীয় মত :
৯ই জিলহজ্ব হলো আরাফার দিন। সেই হিসেবে প্রতিটি দেশের নাগরিকগণ নিজ নিজ দেশের হিসেবে ৯ জিলহজ্জ তারিখে সিয়াম রাখবেন।বাংলাদেশে এই হিসেবে পরদিন অর্থাৎ (১৬ই জুন,রবিবার) সিয়াম রাখবেন। এটি হানাফি মাযহাবের মত। শায়খ উসাইমীনও রাহ. এই মত দিয়েছেন। বিখ্যাত দুটি ফতোয়া সাইট islamqa ও islamweb থেকেও এই কথাই বলা হয়েছে।
❑ তৃতীয় মত :
যেহেতু বিষয়টি ইখতিলাফি (মতভেদপূর্ণ) তাই আমরা সতর্কতামূলক দুই দিনই (১৫ এবং ১৬ই জুন,শনিবার ও রবিবার) রেখে দিতে পারি। এমনটি বলেছেন শায়খ আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ. , মুফতী কাজী ইব্রাহীম হাফি., আমাদের মাসায়েল গ্রুপের শায়খ আবদুল্লাহ আল মামুন হাফি. সহ অনেকে।
📣তৃতীয় মতটি আসলে বিশেষ কোনো মত না। এটি সতর্কতার জন্য। যাদের পক্ষে সম্ভব তারা দুটিই রেখে দিন। কারণ জিলহজ্জ মাসের প্রথম ০৯ দিন রোযা রাখার মধ্যে বিরাট সওয়াব রয়েছে। এগুলো হাদীসে বর্ণিত বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন। রাতগুলোও মর্যাদাপূর্ণ।
★★★তবে, দুটো রোজাই আরাফার নিয়তে রাখা যাবে না। যেকোনো একটি আরাফার নিয়তে রাখতে হবে আর অপরটি সাধারণ নফলের নিয়তে।★★★
➡ হ্যাঁ, দুশ্চিন্তার কিছু নেই; আরাফার দিনে যদি কেউ সাধারণ নফলের নিয়তেও রোজা রাখে, তবে সেটি আরাফার রোজা হিসেবেই পরিগণিত হবে, ইনশাআল্লাহ। তাই, আমাদের পরামর্শ হলো: ১৫ই জুন, রোজ শনিবার আরাফার নিয়তে রোজা রাখবেন আর ১৬ই জুন, রোজ রবিবার সাধারণ নফলের নিয়তে রাখবেন (কেউ অন্য মতটি মানতে চাইলে, ১৫ই জুন সাধারণ নফলের নিয়তে রাখবেন আর ১৬ই জুন আরাফার নিয়তে রাখবেন)। ইনশাআল্লাহ, নিশ্চিতভাবেই আরাফার রোজা হয়ে যাবে। নিয়ত মুখে বলতে হবে না; অন্তরের ইচ্ছাই যথেষ্ট।
♦ঢাকা বিভাগের জন্য সেহেরির শেষ সময়: ৩ঃ৩২ মিনিট।
♦ফজর শুরু: ৩ঃ৪২ মিনিট।
12/06/2024
হাদিসের আলোকে প্রত্যেক নামাজের পরের গুরুত্বপূর্ণ তাসবিহ, জিকির ও আমলসমূহ :
এক.
রাসুল (সা.) প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে ৩ বার আসতাগফিরুল্লাহ্ বলতেন। (মুসলিম, হাদিস : ১২২২)
দুই.
তারপর ‘আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারকতা ইয়া যাল-জালা-লী ওয়াল ইকরাম’ – এটি পরতেন । (মুসলিম, হাদিস : ১২২১)
তিন.
সুবহানাল্লাহ [৩৩ বার], আলহাদুলিল্লাহ [৩৩ বার], আল্লাহু আকবার [৩৩ বার], [লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারিকা লাহু; লাহুল মুলকু; ওয়ালাহুল হামদু; ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদির) (১ বার)। এগুলো পাঠে গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেওয়া হয়। (মুসলিম, হাদিস : ১২৪০)
চার.
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তার জন্য জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাঁধা থাকবে না।’ (নাসায়ি, হাদিস : ৯৪৪৮; তাবারানি, হাদিস : ৭৮৩২)
পাঁচ.
‘আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান নার’ ৭ বার, ফজর ও মাগরিবের পর। সে দিন বা সে রাতে মারা গেলে আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৮০)
ছয়.
সুরা ইখলাস, ফালাক্ব ও সুরা নাস, প্রত্যেকটি ৩ বার করে, ফজর ও মাগরিবের পর। রাসুল (সা.) বলেন, সকাল-সন্ধ্যায় এগুলো পাঠ করলে তোমার আর কিছুরই দরকার হবে না।
সাত.
দরুদ শরিফ ১০ বার, ফজর ও মাগরিবের পর। কেয়ামতের দিন রাসুল (সা.)-এর শাফাআত লাভ হবে।
আট.
রাদ্বিতু বিল্লাহি রাব্বা, ওয়াবিল ইসলামি দ্বীনাঁও, ওয়াবি মুহাম্মাদিন নাবিয়্যা— এই দোয়াটি ৩ বার, ফজর ও মাগরিবের পর। এটা পড়লে রাসুল (সা.) হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, আল্লাহ উক্ত ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করবেন। (ইবনে আবি শাইবা, হাদিস : ০৬/৩৬)
নয়.
রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার বলে,
«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ» (সুব্হানাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহি) তার পাপগুলো মুছে ফেলা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে। (বুখারি, হাদিস : ৬৪০৫; মুসলিম, হাদিস : ২৬৯১)
মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে উক্ত আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
02/06/2024
একটি ভুল কাজ : মাঝে অনেক ফাঁকা রেখে ইকদিতা করা
হজ্বের সফরে একটি ভুল অনেক হাজীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, তারা হারাম শরীফ থেকে বহু দূরে দাড়িয়ে হারাম শরীফের জামাতের সাথে ইকতিদা করে। অথচ মাসআলা এই যে, মসজিদের বাইরে ইকতিদা সহীহ হওয়ার জন্য শর্ত হল, কাতার মিলিত হতে হবে। কাতারের মাঝে কোনো রাস্তা, নদী অথবা খালি ময়দান থাকলে ইকতিদা সহীহ হবে না। কিন্তু সেখানকার অবস্থা এই যে, অনেক সময় কিছু লোক রাস্তার অন্য পার্শ্বে দাড়িয়ে ইকতিদা করে, মাঝে রাস্তা।
কেউ কেউ মসজিদে হারাম থেকে অনেক দূরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ইকতিদা করে, এমনকি তাকবীরের আওয়াজও ঠিকমতো শুনতে পায় না। অথচ পাশের মসজিদের তাকবিরের আওয়াজ তার কানে আসছে। মনে রাখবেন, এত বেশি ফাঁকা রেখে ইকতিদা করলে ইকতিদা সহীহ হয় না। এই কারণে নামাযও সহীহ হয় না। এজন্য কর্তব্য হল সামনে এগিয়ে গিয়ে কাতারের সঙ্গে মিলিত হয়ে দাড়ানো কিংবা নিকটবর্তী কোনো মসজিদের জামাতে শরিক হওয়া অথবা কয়েকজন মিলে নিজেরা জামাত করা। হারাম শরীফের এক নামাযে এক লাখ নামাযের ছওয়াবের আশায় ভুল পন্থায় ইকতেদা করা সহীহ হবে না। এইভাবে এক রাকাতেরও ছওয়াব পাওয়া যাবে না।
#হজ্ব
01/06/2024
আর যাবো না ইশকুলে
লেখকঃ মনজুর মোরশেদ
31/05/2024
বিরাট এলাকাজুড়ে উচ্ছেদ হওয়া ফি'লি'স্তি'নি শরণার্থীদের তাঁবু আর একটি স্লোগান যাতে লেখা “অল আয়েস অন রাফাহ” বা “সমস্ত চোখ এখন রাফাহ-তে”, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা তৈরি এই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন রীতিমতো ভাইরাল।
বিবিসি অ্যারাবিক এই ছবির উৎস খুঁজে বের করে, যেটি মালয়েশিয়া থেকে পোস্ট হওয়ার পর দ্রুতই ৪৪ মিলিয়ন ইন্সটাগ্রাম ব্যবহারকারী তা শেয়ার করে– যার মধ্যে আছে ভারত, পাকিস্তান ও পুয়ের্তো রিকোর অনেক তারকাও।
এই ছবি এবং স্লোগান ভাইরাল হয় যখন দক্ষিণ গাজার শহর রাফাহতে বাস্তুচ্যুত ফি'লি'স্তি'নি'দে'র একটা শরণার্থী শিবিরে ই'স'রা'য়ে'লি বিমান হামলা হয় এবং তাতে আগুন ধরে যায়।
সবার সামনে শায়খ আহমাদুল্লাহ নামে গীবত করতেছে গিয়াস উদ্দিন তাহেরী
ই'রা'নের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির যে বক্তব্যে কেঁপে উঠেছিল ই'স'রা'ই'ল
বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও হযরত জিবরাঈল (আঃ) এর অনেক সুন্দর কথোপকথন।
এবার আব্বাসীর বিবাহ নিয়ে তাহেরির বক্তব্য
'শায়খ আহমাদুল্লাহর' যে বক্তব্য নিয়ে 'গিয়াস উদ্দিন তাহেরি' প্রশ্ন তুলেছিলো ঐ বক্তব্যের পুরোটা শুনুন।
টঙ্গী দারুল উলুম মাদ্রাসার হাফেজ আবু সাঈমের মধুর কন্ঠে খতমে তারাবির তেলাওয়াত |
Click here to claim your Sponsored Listing.