JIM

JIM

Share

Writer & Digital Creator

09/06/2026

"ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামও ইসলাম নয়। সবকিছুতে ইসলামের দোহাই দেয়া ঠিক নয়।"_স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমেদ

07/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ।

অপরাধ করার আগে মনে ছিলো না? শয়তান একটা

রায় পড়ার সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দোয়া পড়ছিল সোহেল। আর নির্বাকভবে নিচের দিকে তাকিয়ে কাঁদছিল সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার।

অন্যদিকে আদালতে উপস্থিত সকলেই রামিসা ধ'র্ষ'ণ ও হ'ত্যা মামলার রায় শুনে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন।

সে সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দুহাত তুলে দোয়া পাঠ করছিলেন রামিসা ধ'র্ষ'ণ ও হ'ত্যা মামলার প্রধান আসামী সোহেল রানা।

আর তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন চুপচাপ কিন্তু তার দুচোখ বেয়ে নিরবে ঝড়ে পরছিল অশ্রু।

আজ রবিবার বেলা পৌনে ১১ টার দিকে কঠর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামি সোহেলকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। তার কিছুক্ষন পরই আনা হয় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কে।

তাদের মাথায় ছিল হেলমেট, শরীরে বুলেটপ্রুফ পোষাক।
আদলতের চারিদিকে ছিল নিরাপত্তা বাহিনির কঠোর নিরাপত্তা বলয়।

শেষ মেষ বিচারক শোনালো সেই বহুল আকাঙ্খিত রায়, দুজনেরই মৃ'ত্য না হওয়া পর্যন্ত ফাঁ'সি'তে ঝুলিয়ে মৃ'ত্যু'র রায় কার্যকর করতে হবে।

জানি, রামিসার বাবা-মা যা হারিয়েছে তা পূরন করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। আবার সোহেল স্বপ্না যে অপরাধ করেছে তার জন্য এই শা'স্তিও যথেষ্ট নয়।

তবে আজকের এই রায়ের পর রামিসার আত্মা একটু হলেও শান্তি পাবে। তবে দেশবাসীর একটাই চাওয়া রায়টা যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।

#রামিসা

04/06/2026
02/06/2026

রামিসার ইস্যুতে দেশের মানুষ এতো বেশি শিউরে উঠেছিলো যে কোনো আইনজীবি রামিসার ধ**র্ষ**কের পক্ষে দাঁড়াতে চায় নি ।

ধর্ষ**ককে আইনজীবি দিলো রাষ্ট্র ।

কারণ?

রাষ্ট্র মানবিক হতে চাইছে । That's a good sign for a democratic state.

কেনো দিলো?

যাতে আসামীর সাথে ন্যায় বিচার হয় ।

ন্যায় বিচার মানে হইলো আসামীর পক্ষে কথা বলা না বরং সত্যটা খুঁজে বের করে তা অনুযায়ী বিচার করা।

যদি সোহেল রানা ধর্ষ**ক হয় , তাহলে তার বিচার করো। আর যদি না হয় , তাকে মুক্ত করো ।

কিন্তু আজ রাষ্ট্রের আইনজীবি মুসা' কালিমুল্যাহর কথা শুনে মনে হইলো উনি ধ**র্ষ*ককে বাঁচাইতে প্রাণপণে লড়ছেন । রাষ্ট্র তাকে সে দায়িত্ব দিয়েছে ।

আজ সংবাদমাধ্যমে তার দেওয়া দুটো স্টেটমেন্ট বলি-

১. ভিকটিমের ভ্যাজাইনাল সোয়াব পরীক্ষায় কোনো বীর্যের আলামত পাওয়া যায় নি ।

২. রামিসাকে ধ**র্ষ**ণের কোনো চাক্ষুস প্রমাণ নেই ।

অথচ পুরো দেশ জানে , এই ঘটনার পর , প্রথম রিমান্ডেই আসামী জবানবন্দী দিয়েছে ,

" রামিসাকে তার স্ত্রী ভেতরে ডেকে নেয় । সে তাকে বাথরুমে নিয়ে ***** করে । রামিসার যো***কে ক্ষ***তবি*ক্ষত করে । তারপর রামিসাকে হ**otta করা হয় । "

ইভেন আজও আসামী চিৎকার করে বলতেছে ,

" আমি শুধু ধর্ষ***ণ করেছি , খুন করেছে ডলারে ।
সে সব পরিকল্পনা করেছে ৷ "

মানে প্রিজন ভ্যানে আসামী চিৎকার করছে সে ধর্ষ**ক , খুনী না । কিন্তু রাষ্ট্রের আইনজীবি বলছে সে ধর্ষ*ক এখনো প্রমাণিত না।

এখানেই শেষ না , তিনি বললেন পরবর্তী শুনানিতে সোহেল রানার জামিনের আবেদন করবেন ।

এটাই হইলো রাষ্ট্রের ন্যায় বিচার বনাম রাষ্ট্রের গতানুগতিক বিচারের কনফ্লিক্টের নমুনা ।

আসামী সোহেল রানা প্রথম রিমান্ডে কখনোই ডলার নামে কারো নাম বলে নাই । কিন্তু আজ বললো ।

আবার প্রথম দিন বললো, তার বউ সহযোগী ।
আজ বলে সে নির্দোষ ।

এসব স্টেটমেন্ট টেকনিক্যাল।

আমি বলি , এই বিচার দীর্ঘদিন টানার কোনো দরকার নেই । যদি ডলার নামে কেউ সত্যিই থাকে তাকে ঠিকানা অনুযায়ী খুঁজে বের করা হোক ।

কেউ যাতে পালিয়ে না বাঁচে ।

তবে, সোহেল রানার বিচার দ্রুত গতিতে চলুক ।

সে ধর্ষ*ক তার সাক্ষ্যতেই প্রমাণিত, তার বিচার কেনো আটকাবে?

অধিকাংশ মানুষই ধারণা করছে, ডলার নামে আসলে কেউ নেই । এটা হইলো ড্রামা ক্রিয়েট করা ।

বিচারকে আরও ধীর করা , ডলারে নজর দিতে গেলে বিচার আটকাবে ।

আমি মানুষের এই ধারণাকে ফেলে দিতে পারি না ।

কারণ দেশের প্রতিটা মানুষ এসব জানে , বিচার দ্রুত না হওয়া মানে বিচার না হওয়াই সমান ।

Justice delayed is justice denied.

বিচার পর্দার আড়ালে চলে যাওয়া মানে বিচার না হওয়া । অতীত ইতিহাস আমাদের তাই শিক্ষা দেয়।

বাংলাদেশের এই মানবিক রাষ্ট্রের আরেকটা ইনফো আপনাদের জানিয়ে যাই ,

বাংলাদেশে এরকম শতশত ঘটনা আছে যেখানে ধ*র্ষিতা নারী তার মামলা চালানোর জন্য আইনজীবি পায় নাই- খরচ না চালাইতে পারার পর মামলা থেমে গেছে । ধর্ষ**ক বেঁচে গেছে । ধ**র্ষিতা মারা গেছে ।

ধর্ষি**তা আত্মহ****tta করেছে সমাজে টিকে থাকতে না পেরে ।

কিন্তু রাষ্ট্র তখন ধর্ষি**তা**দের আইনজীবি প্রোভাইড কইরা মানবিক হয়ে উঠতে পারে নাই ।

যারা বিশ্বাস করবেন না - তারা একটু ইতিহাস ঘাঁটুন।
অথচ ধর্ষ**কের বেলায় রাষ্ট্র মানবিক!

তারেক রহমান আশ্বাস দিয়েছেন , এই বিচার খুব দ্রুত হবে । তিনি ভিকটিমের পরিবারের সাথে দেখা করেছেন । আশা করি , তাদের দুঃখ তিনি বুঝবেন ।

আমি এখনো বিশ্বাস করি , রামিসার ধ*র্ষ**ককে খুব দ্রুত Faসিতে ঝো**লানো হবে । রাষ্ট্র সেটা করবে ।

বাট বাই চান্স যদি সেটা না ঘটে , যদি বিচার ব্যবস্থা এই বিচারকে দীর্ঘ করে , একটা ধ**র্ষণে**র বিচার হইতে হইতে আরও ১০ টা ধর্ষণ হয় ,

" বাংলাদেশের মানুষ সোজা এই বিচার ব্যবস্থার উপর দাঁড়াইয়া মুতে দিবে...

ধর্ষ**ণ ইস্যুতে মব হ*otta বাড়বে । একজনের জায়গায় তিনজন Khun হবে এবং তার জন্য রাষ্ট্রই দায়ী থাকবে । "

31/05/2026

নরসিংদীর শিবপুরে আম দেওয়ার কথা বলে সাত বছরের শিশুকে ধ/র্ষণচেষ্টার অভিযোেগে জজ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রে/প্তার করেছে পুলিশ। এর আগে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ওই শিশুটি আম কুড়াতে যায়। এ সময় অভিযুক্ত জজ মিয়া তাকে বেশি করে আম দেওয়ার প্রলো/ভন দেখিয়ে স্থানীয় একটি ইজিবাইক গ্যারেজের ভেতর নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধ/র্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরু/দ্ধে মামলা হওয়ার পুলিশ তাকে গ্রে/প্তার করে।

31/05/2026

চট্টগ্রাম পতেঙ্গায় ১৩ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষন করলেন কওমী আলেম।

31/05/2026

গত ১ মাসে ৩১৩ শিশু বলাৎকারের শিকার।

31/05/2026

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় একটি আবাসিক হোটেলে আট মাস বয়সি শিশুসন্তানের সামনে তার মাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। থানায় ওই নারীর স্বামীর অভিযোগ পেয়ে হোটেল মালিক কবির মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩০ মে) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাতে কবির মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগের বরাতে পুলিশ জানায়, সন্তানসহ ওই দম্পতি খালার বাড়ি সৈয়দপুর থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে বৃহস্পতিবার রাতে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ঘুঘুমারীরচর এলাকার রমনা ফেরিঘাটে পৌঁছান। সেখানে নৌকা না পেয়ে তারা রাত্রিযাপনের জন্য রমনা ঘাট এলাকার ‘হোটেল কলি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন।

স্ত্রী ও সন্তানকে কক্ষে রেখে খাবার কেনার জন্য থানাহাট বাজারে যান ওই নারীর স্বামী। তিনি খাবার নিয়ে এসে দেখেন স্ত্রী কান্নাকাটি করছে। তখন স্ত্রী জানান হোটেলের মালিক কবির মিয়া সন্তানের সামনে তাকে ধর্ষণ করেছে। পরে ভুক্তভোগীর স্বামী স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় পুলিশকে জানান।

চিলমারী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার জানান, খবর পেয়ে ভুক্তভোগী নারী, তার স্বামী ও শিশুসন্তানকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। মামলা হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

31/05/2026

সবার ভাগ্য রামিসার মত হয়না,, সব ঘটনাও ভাইরাল হয়না। তাই সবার ভাগ্যে বিচার জোটেনা।

ভাবতে পারছিনা ঠিক কী পরিমাণ জঘ-ন্য হলে মানুষ এমন কাজ করতে পারে। শি'শু মারিয়ার স্বজনদের অভি'যোগ মাদ্রাসা পড়ুয়া শি'শু মারিয়া বান্ধবীর সঙ্গে তার বাড়ির সামনে খেলতে গিয়েছিল। এ সময় নিজের মেয়েকে কৌ'শলে দোকানে পাঠিয়ে মারিয়াকে বাসায় ডেকে নেন অভি'যুক্ত ধ/র্ষ/ক হোসেন। পরে বাসার দরজা ব'ন্ধ করে শি'শুটির মু'খে স্ক'চটে'প লা-গিয়ে তাকে ধ/র্ষ//ণ করেন তিনি।

বাবা ও ছোট বোনের সঙ্গে ভাষানটেক এলাকায় থাকে ভু-ক্ত-ভো-গী শি*শু মারিয়া। মা বিদেশে থাকায় ফুপু দেখাশোনা করেন তাদের। ভু'ক্তভো'গীর ফুপু জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে হঠাৎ মারিয়া খাওয়া ব'ন্ধ করে দেয়। এক পর্যায়ে প্রস্রা-বের সম'স্যাসহ পে-টে ব্য-থার কথা জানায় সে। এমন পরি'স্থিতিতে তাকে ডাক্তারের কাছে নেওয়া হয়। এক পর্যায়ে সে এই নৃ/শং/স ঘটনার বর্ণনা দেয়।

ভু'ক্তভো'গীর ফুপু জানান, আমরা তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার কি হয়েছে? কেন এমন করছো? পরে সে আমাদের কাছে কিছু বলেনি আমরা মাদরাসার ম্যাডামকে বললাম, আপা ওকে একটু জিজ্ঞেস করেন, যেহেতু ও আপনাকে ভ/য় পায়। পরে ম্যাডাম আমার সামনেই জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হয়েছে? তুমি বলো আমাগোরে। পরে সে বললো আমার বান্ধবীর বাবা আমার সাথে খারা'প কাজ করেছে। আমি সাবিনার সাথে ওই ঘরে খেলতে গেছিলাম।খেলার সময় সাবিনার বাবা মেয়েকে মজা কিনতে পাঠাইছে, তারপর আমাকে ঘরে নিয়ে মু'খে স্ক''চ'টে'প মা'রছে, তারপর আমার প্যা'ন্ট খু-লে, আমাকে ব্য-থা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দা'বি, নিরা'পদ রাষ্ট্র গঠনে এই ধরনের ঘৃ-ণ্য অ'পরা'ধ দ-মনে সর'কার যেন ক-ঠোর প-দক্ষে-প নেয় এবং অভি-যুক্ত ব্য'ক্তির দ্রু'ত ও দৃ'ষ্টান্তমূ'লক শা/স্তি নি'শ্চিত করে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর ভাষনটেক এলাকায়।

#ধর্ষণ #নিউজ

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Dhaka