Md. Harunur Rashid Bhuyan
xcentral president : bangladesh islami chhatra majlis
17/05/2026
ঈদুল আজহায় গরুর হাটে চাঁদাবাজি বন্ধ ও ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিন —
সরকারের প্রতি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সম্পাদকমণ্ডলীর এক গুরুত্বপূর্ণ সভা আজ রবিবার (১৭ মে) বিকেল ৫টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ। সভা পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।
সভায় বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুফতি শরাফত হোসাইন ও মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী। সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী। প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশিদ ভূঞা, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমীন খান, আইন বিষয়ক সাম্পাদক মাওলানা শরীফ হোসাইন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক ক্বারী হোসাইন আহমদ প্রমুখ।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও অবৈধ ফি আদায় বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ বিক্রেতা ও ক্রেতারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং বাজার ব্যবস্থায় অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। গত ঈদুল ফিতরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এসব দুর্ঘটনার পেছনে দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল, চালকদের বেপরোয়া মনোভাব এবং প্রশাসনের নির্বিকারতা অনেকাংশে দায়ী।
সভায় বলা হয়, গরুর হাট, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও পরিবহন খাতে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে; কোরবানির পশুর হাটে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে যানজট নিরসন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে; এবং ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার সময়ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে হবে।
সভায় দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়ে সকলের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
বার্তা প্রেরক
হাসান জুনাইদ
প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
07/05/2026
আমাদের স্লোগানগুলোর অন্যতম একটি স্লোগান হলো ধর্ম-বর্ণ ভিন্নমত, সবার জন্য খেলাফত। আমরা খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সে কোন ধর্মের লোক তা দেখবো না। ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রে হিন্দু না মুসলমান তা হিসাব করা হবে না। সকল ধর্মের মানুষ ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ বিচার হবে নিরপেক্ষ। কোন রাজনৈতিক দল করে তা বিবেচনায় আসবে না। আমাদের সমাজে ক্ষমতাসীন দলের জন্য একরকম বিচার আর অন্যান্যদের জন্য অন্য রকম হয় তা আমরা অত্যান্ত যত্ন ও গুরুত্বসহকারে পরিহার করবো।
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা ভারতে মসজিদ ভাঙ্গা, মুসলমানদের উপর অত্যাচার করা শুরু হয়েছে যা অত্যান্ত দুঃখজনক। কট্টরহিন্দুত্ববাদী দল আর ইসলামের ইতিহাস এক নয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. যখন মক্কা বিজয় করেন তখন কাফেরদের নিরাপত্তা প্রদান করেছেন। আমরা এখনো বলবো না ভারতে হিন্দুদের অত্যাচারের প্রতিবাদে বাংলাদেশে মন্দির ভাঙবো বা হিন্দুদের উপর অত্যাচার করবো। আমরা যেভাবে মুসলমানদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করি ঠিক সমানভাবে হিন্দুরাও কোথাও অত্যাচারিত হলে তার প্রতিবাদ করবো। এটাই ইসলাম ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব ও শিক্ষা। বিশ্বের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ থাকুক। শান্তির বিধান খেলাফত শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক।
05/05/2026
শাপলার সাথে আপনার স্মৃতি কথা স্মরণ পড়ে কী? তখন বিএনপি, জামায়াত আর হেফাজত ভেদাভেদ ছিল না। আজ ভিন্ন মেরুতে অবস্থান করছে সবাই। যারা ছিল হেফাজতের সাথে তাদের কাছেই দাবী করতে হচ্ছে বিচারের। সেদিন বেগম জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে দলমত নির্বিশেষে নেমে পড়লে ইতিহাস ভিন্ন হতে পারতো। অথবা বিএনপি প্রকাশ্যে ঘোষণা না দিলেও পরিস্থিতি এত ভয়াবহ রূপ নিত না। হেফাজত শব্দকে গালিতে পরিণত করেছিল আওয়ামী বাকশাল বাহিনী। আলেম, ওলামা, পীর-মাশায়েখদের বদ দোয়ার ছারখার হয়ে গেল আওয়ামী লীগের স্বপ্নের দূর্গ । ইতিহাস তাদেরকে ঘৃণার চোখে দেখবে যুগ যুগ ধরে আর শাপলা থাকবে আমাদের চেতনার বাতিঘর হয়ে।
ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে ভুল করলে ভুলের মাশুল গুনতে হবে সবাইকে। জুলুম করলে জুলুমের পরিণতি ভোগ করতে হবে জালিমকে। মহান আল্লাহর নিকট জুলুম খুবই অন্ধকারচ্ছন্ন। জালিমকে অন্ধের পরিণতি ভোগ করতে হবে। একসময়ের মজলুম যেনো জালিমে পরিণত না হয় খোদার কাছে সেই দোআই করি।
26/04/2026
06/04/2026
ইনশাআল্লাহ দেখা হবে আগামী ২৪ এপ্রিল ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
গণভোটের রায়
বাস্তবায়নের দাবীতে
আগামী শুক্রবার দেশব্যাপী জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ
04/04/2026
গণভোটের রায় অমান্য করে স্বৈরাচারের পথে বিএনপি — মাওলানা মামুনুল হক
গণভোটের রায় কার্যকরের দাবীতে ২৪ এপ্রিল ঢাকায় বিশাল গণসমাবেশ ও ৯ এপ্রিল দেশব্যাপী জেলা উপজেলায় বিক্ষোভ।।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, যে সংবিধানের দোহাই দিয়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা আজীবন ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছিলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সুস্পষ্ট রায় দেওয়ার পরও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সেই সংবিধানের সংস্কার করতে চায় না; বরং তারা এতে কিছু সংশোধনী এনে আরও ভয়ংকর স্বৈরাচারী রূপে আবির্ভূত হতে চায়।
তিনি আজ ৪ এপ্রিল শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্য রাখছিলেন। রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ।
মাওলানা মামুনুল হক আরও বলেন, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বিএনপি গণভোটে নির্দিষ্ট বিষয়ে জনগণের সুস্পষ্ট রায় অমান্য করছে। পৃথিবীর কোনো সভ্য দেশে সরকার নিজ জনগণের সঙ্গে এমন দৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে—এমন নজির আমাদের জানা নেই।
তিনি বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা অসংখ্য অধ্যাদেশ তারা এখন বাতিল ও সংশোধন করছে; অথচ এসব অধ্যাদেশ জারির সময় তারা কোনো বিরোধিতা করেনি। বরং ক্ষেত্রবিশেষে কিছু অধ্যাদেশকে স্বাগত জানিয়েছে এবং কিছু তাদের দাবির প্রেক্ষিতে জারি হয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিএনপি সরকার মূলত গণভোটের রায়কে অমান্য করছে, যা একটি ভয়ংকর সংকটের সূচনা।
তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করার দাবিতে আগামী ৯ এপ্রিল শুক্রবার দেশব্যাপী জেলা উপজেলায় বিক্ষোভ এবং ২৪ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য গণসমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
বৈঠকে আরও আলোচনা করেন—
সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মুফতী সাঈদ নূর, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মুফতী শরাফত হোসাইন, মাওলানা তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজী, মাওলানা শরীফ সাইদুর রহমান।
বৈঠকে সাম্প্রতিক সময়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর বিভিন্ন মন্তব্য ও সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলা হয়— ব্রাহ্মণ্যবাদী আধিপত্যকে তোষণ করতে গিয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের তাহজিব-তামাদ্দুনবিরোধী কার্যক্রম সরকারকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে।
বৈঠকে দেশে তেল সংকট ও শিশুদের জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিকার ঘাটতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং শিশুদের জীবনরক্ষাকারী টিকার ঘাটতি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বিলম্বের কঠোর সমালোচনা করা হয় এবং অবিলম্বে সংকট নিরসনে জরুরি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
এছাড়া বৈঠকে ইরানের ওপর ইসরায়েল ও আমেরিকার অব্যাহত হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং ইসরায়েলকে প্রতিহত করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠক শেষে, গত ২৬ মার্চ কুমিল্লার মিয়ামি হাইওয়ে রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমদের ছোট বোন, ভগ্নিপতি মাওলানা আব্দুল মোমিন ও দুই ভাতিজা-ভাগনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয় এবং নিহতদের জন্য শাহাদাতের মর্যাদা কামনা করে দোয়া করা হয়।
অন্যান্যদের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন—
সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা সামিউর রহমান মুসা, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, অফিস সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমীন খান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হাসান জুনাইদ, সহ-প্রশিক্ষণ মাওলানা নূর মুহাম্মাদ আজীজ, সহ-বায়তুলমাল সম্পাদক ক্বারী হোসাইন আহমদ, নির্বাহী সদস্য মুফতী হাবীবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা আব্দুন নুর, মাওলানা সাব্বির আহমদ উসমানী, মাওলানা আব্দুল মুমিন, মাওলানা মামুনুর রশীদ, মাওলানা লিয়াকত হোসাইন, মাওলানা আমজাদ হুসাইন, মাওলানা মঈনুল ইসলাম খন্দকার, মুফতী আজিজুল হক, হাফেজ শহীদুল ইসলাম, মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ, মাওলানা মুহসিন উদ্দিন বেলালী, মুফতী নূর হোসাইন নূরানী, মাওলানা ছানাউল্লাহ আমেনী, মাওলানা আনোয়ার হোসাইন রাজী, মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, মাওলানা মুর্শিদুল আলম সিদ্দীক, মাওলানা জাহিদুজ্জামান, মিজানুর রহমান মোল্লা প্রমুখ।
বার্তা প্রেরক:
হাসান জুনাইদ
প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
Click here to claim your Sponsored Listing.