Sojon

Sojon

Share

আমি আমার মতো ফটো তুলতে ভালবাসি এবং ফটো আপলোড করতেও ভালোবাসি

25/05/2025

রাত ১০:২৫ মিনিট বন্ধুদের সাথে
আড্ডা দিচ্ছিলাম,
হঠাৎ ফোনের Message tone বেজে
উঠলো,Message টা Seen
করলাম,
Seen করে দেখি
""" তুই যদি ১৫
মিনিটের ভিতরে বাসায় না আসিস,
আমি আজকে আবার হাত কাটবো""""
( পাগলীটা ৯ টার পর থেকেই ফোন
দিচ্ছিল, একবার রিসিভ করে
বলেছি একটু পর আসছি তারপর আর
রিসিভ করিনি, তাই
রাগ করে Message টা করেছিল,
ও যা বলে তাই করে, খুব রাগি, এর
আগেও অনেকবার
আমার উপর রাগ করে হাত কেটেছে,
তাই আর এক মুহুর্ত দেরী না করে
বাড়ির দিকে দৌড় দিলাম)
,,
দরজায় একবার নক করতেই পাগলীটা
একটা মোমবাতি হাতে বেরিয়ে
এলো...(তখন কারেন্ট ছিল"না)
---এই তুই এতক্ষন বাইরে কি করলি,
কখন
থেকে তোকে ফোন দিচ্ছি....?
সত্যি করে বল কোথায় ছিলি?
আমি -- এইতো বন্ধুদের সাথে ছিলাম, অনেকদিন পর ওদের সাথে দেখা হলো তাই একটু
আড্ডা দিলাম।
-- আমার চেয়ে তোর আড্ডায় বড় হয়ে গেল...?
তুই জানিস না বাসায়
একা একা আমার ভয় করে।
বলেই কান্না শুরু করে দিয়েছে, ( ওর
কান্নাটা আমি একদম সহ্য করতে
পারি না)
আমি : আচ্ছা সোনা আমি আর কখনও
রাতে বাইরে থাকবো""""না,
এবারের মত ক্ষমা করে দে।
-- তুই এর আগেও অনেকবার একথা
বলেছিস, কিন্তু পরে মনে থাকে
না, তুই আমার সাথে কথা বলবি"না।
আমি : -আমার সোনাটা দেখি
আমার উপর খুব রাগ করেছে, আমার
সাথে কথা না বলে আমার রাগী
বউ""টা কি থাকতে পারবে...?
--- হ্যা পারবো, তুই আমার সাথে
কথা বলবি না ভাল করে বলে
দিচ্ছি,
( কথা গুলো
বলার সময় আমার বউ"টার প্রতি খুব মায়া
হচ্ছিলো, চোখ দিয়ে অঝরে পানি
পড়ছিলো,
মেয়েটা খুব অভিমানী)
আমি : আচ্ছা ঠিক আছে কতক্ষন
থাকতে পারিস দেখাই যাবে ,
খেয়েছিস....?
--- কুত্তা, বান্দর,
সঝাড়ু ( আমার চুল
গুলো একটুখাড়া খাড়া, তাই পাগলিটা আমাকে সজাড়ু বলে ক্ষ্যাপায়, পাগলিটা আমাকে ছাড়া কখনো খায়নি, তাই এসব বলছিলো)
আমিঃ জানি, আমার জানটা আমাকে ছাড়া খেতেই পারে না,
চল খাই,,,,,
--- যা তুই একাই গিল, আমি খাবো না,
( বলেই শোবার ঘরে চলে গেলো )
প্লেটে কিছু ভাত নিয়ে ঘরে
গিয়ে ওকে বুঝানো শুরু করলাম,
কোনো কিছুতেই কাজ হচ্ছে না,
এক সময়,,,
আমি :- জান, আমার না খুব খিদে লাগছে।
--- খিদে লাগছে তো খা,
আমাকে কেন বলছিস,,,,?
আমি : তুই একটু খাওয়ে দে না।
--- পারবো না, যা তো এখন থেকে।
( পাগলি আজকে আমার উপর খুব রাগ হয়ে আছে)2) প্লেট টা টেবিলের উপর রেখে সুয়ে পড়লাম,
কেবল চোখে ঘুম ঘুম ভাব তখনি
দেখি পাগলিটা হাতে প্লেট নিয়ে
আমাকে ডাকছে,
--- ঐ ওঠো, নে গিল, আমি ছাড়া তো আর খাবি না,
আমি : তোকে ছাড়া আমি কি করে খাবো বল,
বান্দর আর একদিন যদি বাসায় আমাকে একা ফেলে বাইরে থাকিস
তাহলে তোকে মেরে ফেলবো।
--- আচ্ছা ঠিক আছে, দে খিদে লেগেছে ।
ও আমাকে তুলে খাওয়াচ্ছিলো
( আসলে বউ এর হাতে খাওয়াটা মজাই আলাদা ) আমি ও পাগলিটাকে খাওয়ে দিলাম, তার পর দুজনে শুয়ে পড়লাম।3) কিছুক্ষণ পর,,,,,,

--- এই শুনছিস, ওঠ না একটু, কিরে
শুনতে পাচ্ছিস না, কান্না ভরা কন্ঠ
আমার কানে ভেসে উঠলো, এই বান্দর ওঠ বলছি,,,,,
আমি : কিরে কি হয়েছে, ডাকছিস কেন?
ঘুমাতেও দিবি না নাকি?
--- আমাকে একটু বুকে জড়িয়ে নিবি, আমার না খুব ভয় করছে।
( বাইরে খুব বৃষ্টি আর বজ্রপাতের শব্দ
শোনা যাচ্ছে,
বজ্রপাতের শব্দে পাগলির খুব ভয় করে)

পাগলীটাকে বুকে জড়িয়ে নিলাম শক্ত করে,
ও আমার বুকে ছোট বাচ্চাদের মতো লুকিয়ে গেলো,
( আসলেই ওর সব কিছু ছোট বাচ্চাদের মতোই )
বাচ্চাদের মত ঠোঁট ফুলিয়ে বলতে লাগলো,,4) --- তোকে কখন থেকে ডাকছি, এতক্ষণ উঠলি না কেন?
আমি : ঘুমিয়ে পড়ছিলাম
সোনা,,,,,ঘুমাবিই তো
আমাকে তুই একটুও ভালোবাসিস না,
আমার কথা তোর একটু ও মনে থাকে না,
আমি যেদিন মরে যাবো, সেদিন ঠিকই আমাকে মনে করে কাঁদবি,
আমি : না সোনা, এভাবে বলিস না,
তুই ছাড়া আমি ভালো থাকতে পারবো নারে,
তোর যদি কিছু হয় আমি প্রতিদিন মৃত্যুর যন্ত্রনা ভোগ করবো,
( চোখ থেকে দু ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়লো, পাগলীটার গালে )5) --- মাথাটা একটু উঠিয়ে
কিরে কাঁদছিস কেন?
আমি : তোকে ছাড়া আমি থাকতে পারবো নারে, প্লিজ আমাকে ছেড়ে তুই কোথাও যাস না,,,
--- না সোনা, তোকে ছাড়া আমি কোথাও যাবো না, আমি তোর উপর রাগ করি ঠিক আছে,,,, কিন্তু আমি তোকে অনেক ভালবাসিরে, অনেক ভালবাসি।
আমি : আমি যানি, আমার আপন মানুষ আমাকে অনেক ভালবাসে, তা
এখন একটু ঘুমাও,,,,
--- হ্যাঁ, ঘুমাচ্ছি
সারা রাত জড়িয়ে ধরে থাকবি
কিন্তু, একটুও ছাড়বি না, না হলে সকালে আমি খুব কান্না করবো।
আমি : আচ্ছা সোনা, তোকে আমি আমার বুক থেকে কখোনই আলাদা করবো না,
অনেক রাত হয়েছে এখন একটু ঘুমা,
আচ্ছা (উম্মাহ্)
( আমার গালে একটা চুমু দিয়ে, পাগলিটা খুমিয়ে পড়লো )
আমি ওকে জেগে জেগে বুকে জড়িয়ে পাহাড়া দিচ্ছিলাম,
আমাদের ভালবাসা দেখে মনে হয় বৃষ্টিরাও
আজকে অনেক হিংসা করছিলো,
হটাৎ চোখের পাতাটা ভারী হয়ে এলো,
আমার জান'টার আজ ডেলিভারি পেইন শুরু হচ্ছে,,,আমি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আছি,,খুব ছটফট টরছিলো, আর কান্না করছিলো পাগলীটা।
আমি আমার জানটার কষ্ট একদমই সহ্য করতে পারি না,
ওর সামান্য খারাপ লাগা টুকু আমার কাছে মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ,
এককথায় নিজের জীবন নিজের দেহে আছে তা কখনো ভাবি না,
ওকে বিয়ে করার পর কোন কিছুর অভাব,
কষ্ট কি ওকে বুঝতে দিন,
কোনো চাওয়া অপূর্ণ রাখি নি,
সে খুব অভিমানী ছিল অল্পতেই,
অভিমান করতো আর কাঁদতো, আমি আমার
সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে ওর কান্না থামাতাম,
কিন্তু আজ ওর কষ্টের কান্না থামানোর মত কোন উপায় জানা নেই আমার,
( চোখের পানি আটকাতে পারলাম না )6) দেরী না করে খুব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলাম,,,,,
সময় জতোই যাচ্ছে, পাগলীটার যন্ত্রনার পরিমাণ ততোই বাড়ছে,
চিৎকার করে কাঁদছিলো আমার বউ ( জীবন আমার )
আর আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছে।

আমার জানটা আজ একটাও কথা বলে নি আমার সাথে,
কারণ অসহ্য জন্ত্রনায় তার জানটা বেড়িয়ে যাচ্ছিলো,
( আসলে মা হতে হলে একটা মেয়েকে কতটা কষ্ট
আর ত্যাগ স্বীকার করতে হয় সেদিন আমি আমার জানটাকে দেখে বুঝেছি )7) ডাক্তার তাকে ডেলিভারি রুমে নিয়ে যাচ্ছে,,,,সাথে আমি আমিও
কিন্তু ডাক্তার আমাকে রুমে ডুকতে দিলো না,
ডাক্তার'কে অনেকবার অনুরোধ করলাম,
ডাক্তার আমার জানটা খুব ভিতু,
আমার ওর সাথে থাকা খুব দরকার,
প্লিজ আমাকে সাথে যেতে দিন,
ডাক্তার কোন কথাই শুনলো না, এই দিকে আমার জানটা চোখ বন্ধ করে যন্ত্রণায় ছটফট করছে,,
আমাকে বাইরে রেখে ওরা আমার জান'টাকে ভিতরে নিয়ে গেলো, যাওয়ার সময় আমার লক্ষী সোনাটা আমার দিকে
একবার আমার দিকে তাকালো,
কি মায়ায় বলে বুঝাতে পারবো না,

বাইরে অপেক্ষা করছি, আল্লাহকে ডাকছি আর কাঁদছি,
আধা ঘন্টা পর ডাক্তার বেরিয়ে আসলেন,
এসে বললেন, আপনি একটু আমার চেম্বারে আসেন,
ডাক্তার : আপনার স্ত্রীর অবস্থা খুব একটা ভালো না, দুঃখের সাথে বলছি আমরা যে কোনো একজনকে বাঁচাতে পারবো,8) হয় মা, অথবা সন্তান, এখন আপনি বলুন কাকে চান?
আমি কি বলবো ভেবে পাচ্ছি না,
কারন আমি পাগলীটাকে ছাড়া থাকতে পারবো না,
আবার,,,,,, ডাক্তারের হাত ধরে বলেছিলাম
ডাক্তার আমি দুজনকেই চাই,
ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে,
যতো টাকা লাগে ডাক্তার আমি আপনাকে দিবো,
দরকার হলে আমার ঘর বাড়ি জমি,,,এমনকি,,,আমার দুট কিডনী সব কিছু বিক্রি করে দিয়ে
আপনাকে টাকা দেব,
প্লিজ ডাক্তার
--- আচ্ছা আপনি ভেঙে পড়বেন না, আমি দেখছি,, আল্লাহকে ডাকুন,
ডাক্তার আবার ডেলিভারি রুমে ডুকলেন,
বাইরে আমি,,,
আমার জানা সব দোয়া কালিমা পড়ছিলাম, আর আল্লাহকে ডাকছিলাম,
প্রায় ১ ঘন্টা পর
ডাক্তার বেরিয়ে আসলেন, আমি উঠে দাঁড়িয়ে ডাক্তারকে বললাম
ডাক্তার আমার জানটার এখন কি অবস্থা?
আমার সন্তান কেমন আছে?
আমি কি এখন আমার জানটার সাথে একটু দেখা করতে পারি?
কেবল এক নজর আমার সন্তানকে দেখতে পারি?
ডাক্তার নীরব দু চোখে,
দু ফোঁটা নীরব জল নিয়ে বলতে লাগলো,
--- আপনার স্ত্রীর কন্যা সন্তান
হয়েছে,কিন্তু,
--- কিন্তু কি
ডাক্তার,, ?
--- আমরা খুব দুঃখিত, আমরা মা মেয়ে কাউকে বাঁচাতে পারিনি,
ডাক্তারের মুখে কথাটা শোনার পর, আমার কেন জানি মনে হলো,
আকাশ তার নিজের জায়গায় নেই,
মাটিও আমার পায়ের নীচে থেকে সরে গেলো,
চারদিকে অন্ধকার হতে থাকলো, নিস্বাস টা বন্ধ হয়ে আসছিলো,
শেষ বারের মতো একটা বার নিশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করলাম
কিন্তু পারলাম না, মনে হচ্ছে আমি মরেই যাচ্ছি,
জ্ঞান হারিয়ে ফেললাম,9) জ্ঞান ফিরে আসার পর বাবা মাকে পাশে পেলাম,
সবাই কাদছিলো,,,
আর একটা অন্ধকার ঘরে আমার নিস্পাপ মেয়ে আর আমার জানটাকে রাখা আছে,
আমি আমার জানটার কাছে গিয়ে দেখি,
একটা সাধা চাদর দিয়ে তাকে ডেকে রেখেছে, পাশে আমার নিস্পাপ সন্তান,
চাদরটা সরালাম, আমার জানটা মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে আছে,
আমার মেয়েটা খুব সুন্দর, দেখে মনটা ভরে গেলো, একবারে মায়ের মতো,
আস্তে করে ডাক দিলাম,
জান
ও জান ওঠো আমি এসেছি, কিরে মেয়ে পেয়ে আমাকে ভুলে গেলি নাকি,
ওঠ না, ওঠ না সোনা, একটু কথা বল আমার সাথে,
দেখ আমি কিন্তু কেঁদে ফেলবো উঠো বলছি,

আমার পিছনে আমাকে দেখে আমার মা হাউ মাউ করে কেঁদে উঠলো, বাবারে বউমা আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেছে,
ও আর কোন দিন উঠবে না,
আমি : এ হতে পারে না মা, পাগলীটা প্রোমিজ করছে ও আমাকে ছেড়ে কোথাও যাবে না,
দেখো, ও এখনই উঠে পড়বে,
উঠেই আমাকে বলবে, বান্দর,, সজাড়ু,,তুমি এতোক্ষণ কই ছিলি? তুই জানিস না অন্ধকারে একা একা থাকতে ভয় করে?

আমি আবার ডাকলাম, কিন্তু আমার জানটা উঠছে না,
একবারো আমাকে দেখলো না, একটা বার আমার সাথে কথা বললো না,
বলবে কি করে, আমার জানটা যে সত্যি সত্যিই তার প্রোমিজ ভঙ্গ করে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে অনেক দূরে,10) আমার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চিৎকার করে কাঁদছিলাম,
আজ থেকে আমি একা, আমি বড়োই একা হয়ে গেলাম,
আমার জান আমাকে ছেড়ে চলে গেছে,
জ্ঞান ফিরে নিজেকে বাড়িতে আবিস্কার করলাম,
আমার মেয়ে আর আমার জানটাকে সবাই
গোসল করাচ্ছে,
( এটাই শেষ গোসল)

এক দিন সবাই আমাকে বোঝাচ্ছিলো
বাস্তবতা বড়ই নিষ্ঠুর, বড়ই পাশান, কেঁদে আর কি হবে, নিজেকে শক্ত করো,
,,,,,,নিজেকে আমি কি ভাবে শক্ত করবো,
নিজেকে শক্ত করার মতো কিছুই যানা নেই আমার,

জনমের মতো একবার দু চোখ ভরে দেখলাম আমার মেয়েটা আর পাগলীটাকে,
অভিমানী বউ কে, কথা বলার বাকশক্তি অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছি,
কতা বলার কোন শক্তিই নেই আমার কাছে,
শুধু দু চোখের ক্ষীণ দৃষ্টি ,
সন্ধ্যা হয়ে এলো, মা- মেয়েকে পাশাপাশি কবর দিলাম আমাদের আমবাগানে,
স্বার্থপরের মতো আমার ভীতু বউ টাকে একাকী অন্ধকার কবরের ভিতরে রেখে আসলাম,
ওকে ছেড়ে আসতে মন চাইছিলো না,
সবাই আমাকে জোর করে টেনে11) হেচড়ে ঘরে নিয়ে আসলো আমাকে, অনেক রাত হয়ে গেছে, গত কাল রাতে আমার পাশে আমার জান ছিল,
কালকে কেন যেন আমাকে একটু বেশিই আদর করছিলো।
সারা রাত আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে ছিল,
কিন্তু আজ আমার পাশে আমার পাগলীটা নেই,
আজ আমি একা,
চোখে ঘুম নামের কোন অস্তিত্বই আমার নেই,
লাইট"টা জালালাম, সারা ঘর জড়িয়ে ছিল পাগলীটার স্মৃতি,
যে দিকে তাকাচ্ছি,একেই দেখতে পাচ্ছি,

এই আয়নার সামনে পাগলীটা সাজতো, আর আমি ওকে জড়িয়ে ধরতাম,
মাথা আছরানোর সময় কত বার যে চুল এলোমেলো করে দিচ্ছি,
কিন্তু আজ থেকে পাগলীটাকে আর জ্বালাতে পারবো না,
শত ইচ্ছা করলেও তাকে আর দেখতে পারবো না,
তাকে ছুতে পারবো না,,, হাজার ইচ্ছে করলেও তাকে বুকে জড়িয়ে একটু আদর করতে পারবো না,12) আজ থেকে সারা রাত বাইরে থাকলেও কেউ বলবে না, বান্দর এতোক্ষণ কোথায় ছিলি,
সারা দিন না খেয়ে থাকলেও কেউ বলবে না,
--- নে গেল,,, আমাকে ছাড়া তো আর খাবি না,,,,,
আল্লাহ নিজেকে আমি কি করে শান্তনা দেবো বলো,
আমি এখন কি নিয়ে বেঁচে থাকবো বলো,,
কেন আমায় এতো শাস্তি দিলে, কি অপরাধ ছিল আমার?
তার ব্যবহারিত সব জিনিস নাড়াচাড়া করছিলাম,
হঠাৎ ডাইরির শেষ পাতায় চোখ পড়লো,
জান আমি যানি তুই আমাকে অনেক ভালবাসিস,
আমাকে ছাড়া থাকতে তোর কষ্ট হবে, আমিও তোকে অনেক ভালবাসি সোনা, আমার জীবনের থেকেও বেশী,
কিছু দিন পর আমি তো মা হতে চলেছি,
শুনেছি মা হওয়ার সময় অনেক কষ্ট হয়, অনেক মারাও যায়,
আমি যদি মারা যাই তাহলে একটুও কাঁদবি না কিন্তু,,
আমার সন্তানকে দেখে রাখিস13) ওকে অনেক আদর করিস, ঠিক মতো খাস, শরীরেল যত্ন নিস,
আর হ্যাঁ রাতে একদম বাসায় বাইরে থাকবি না, তুই অনেক ভালো রে, আমি তোর উপর অনেক অবিচার করেছি,
রাগ করেছি তোকে কষ্ট দিয়েছি, আমাকে ক্ষমা করে দিস সোনা,
আমি যদি মরে যাই তুই একটা সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করবি, দেখিস ও আমার থেকেও তোকে বেশী ভালবাসবে,
আমাকে তুই কথা দে,,, তুই সব সময় ভালো থাকবি,
এটা মনে রাখিস আমি সব সময় তোকে দেখবো।
তুই যদি ভালো থাকিস,আমি ও ভালো থাকবো,
যদি কষ্টে থাকিস মনে রাখিস আমিও কষ্টে থাকবো,,ভালো থাকিস সোনা,,
ইতি
,,,,,,তোমার
অভিমানী বউ
লেখাটা পড়ার সময় কখন যে ডাইরীর পাতাটা চোখের পানিতে ভিজে একাকার হয়ে গেছে বুঝতেও পারি নি ।
ডাইরীটা বুকে নিয়ে শুয়ে শুয়ে কাঁদতে লাগলাম,

বাইরে বৃষ্টি শুরু হচ্ছে,সাথে হালকা বজ্রপাতের শব্দ,,
পাগলীটা এর বুঝি বলে উঠলো, জান ওঠো আমার না ভয় করতেছে, আমাকে একটু বুকে জড়িয়ে নিবি,😭😭😭😭

ধর্জধরে পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনেক কষ্ট করে লিখলাম প্লিজ ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্টে করে জানাবেন ।

ভালো লাগলে লাইক Follow করুন।

17/05/2025
04/04/2025

আমাদের গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর ড্যামুড্যা কুলকুড়ি থেকে তোলা ফটো

04/04/2025

আমাদের শরীয়তপুরে কাঁচা আম মাখা খেলাম

Want your business to be the top-listed Photography Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka