QuickTech Institute
QuickTech IT Institute is one of the leading IT Training Institute in Bangladesh
09/07/2022
Eid Al Adha Mubarak | QuickTech IT
✍️ Our Services:
✅ Website Design & Development
✅ Mobile App Development
✅ Graphics & Design
✅ Software Development
✅ Digital Marketing
✅ SEO
Contact Details:
☎ +88 0199333 5988 | +88 0199333 5989
🌐 www.quicktech-ltd.com
📧 Email: [email protected] | [email protected]
✅ WhatsApp Chat: https://wa.me/message/HAWJVW2BYBZ4H1
If any of the above sounds interesting, Let me know when you would available to talk.
17/07/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
📝 হাইপার লিংক সম্পর্কে ধারণাঃ পর্ব- ১০
ট্যাগ
ট্যাগ টি হাইপার লিংক নির্দেশ করে যা
একটি পেজ থেকে অন্য আরেকটি পেজে লিংক করতে ব্যবহৃত হয়।
এই ট্যাগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এট্রিবিউট হচ্ছে href যা লিংক এর গন্তব্য বুঝায়। অর্থাৎ লিংকটি তে ক্লিক করলে সেটা কোথায় যাবে তা বুঝায়।
বাই ডিফল্ট
*আমরা যে লিংক এ ভিজিট না করবো তা ব্লু কালারের আন্ডারলাইন হয়ে থাকে।
* ভিসিটেড লিংক পারপল কালারের আন্ডারলাইন হয়ে থাকবে এবং
* এক্টিভ লিংক রেড কালারের আন্ডারলাইন হবে।
আমরা যে ব্রাউজার ব্যবহার করি তার অধিকাংশ ই এটা সাপোর্ট করে। যেমন গুগল ক্রম, মজিলা ফায়ারফক্স, মাইক্রোসফট এজ ক্রমিয়াম ইত্যাদি।
যখন কোন লিংক করা হয় তখন বাই ডিফল্ট সেটাতে ক্লিক করলে ওই পেজেই লিংকটি অপেন হবে।
যদি অন্য পেজে অপেন করতে চাই তবে তাকে অন্য আরেকটি এট্রিবিউট ব্যবহার করতে হবে যা টার্গেট এট্রিবিউট।
এইচ.টি.এম.এল ৪.০১ এবং ৫ এ এট্রিবিউট এর মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে।
কিছু এট্রিবিউট এইচ.টি.এম.এল ৪.০১ এ ছিলো কিন্তু তা ৫ এ সাপোর্ট করে না।
এইচ.টি.এম.এল ৫ এ সাপোর্ট করে এমন এট্রিবিউট এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এট্রিবিউট হচ্ছে href,
এছাড়াও download, media, rel, target, type
এইচ.টি.এম.এল এ ট্যাগ গ্লোবাল এট্রিবিউট এবং গ্লোবাল ইভেন্ট এট্রিবিউট সাপোর্ট করে।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
আমাদের কোর্স করার পর আপনার আর কোথাও সমস্যা হওয়ার কথা না। যদি সাপোর্ট লাগে তবে আপনি তা পাবেন ফ্রি তে।
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
-ধন্যবাদ
25/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
📝এইচ.টি.এম.এল কমেন্টঃ পর্ব- ৮
স্ট্যান্ডার্ড কোড লিখার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কমেন্টে। কমেন্ট এমন একটা বিষয় যা ব্রাউজার আউটপুট প্রদর্শন করেনা কিন্তু এডিটরে লিখে রাখা যায় দরকারী কথা যা পরবর্তীতে যিনি কোড করছেন তাকে সাহায্য করে। অনেক দিন পর যখন কোথাও এডিট করার দরকার হবে তখন কমেন্ট দেখে খুব সহজেই বুঝে নিতে পারবেন যে কোন কোড কি জন্য লিখা হয়েছিলো।
যখন টিমের সাথে কাজ করা হয় তখন অন্য টিম মেম্বারদের কোড সহজে বুঝতে সহায়তা করে।
সুন্দর গোছান কোডের মধ্যে প্রতিটি প্রয়োজনীয় স্থানে কমেন্ট থাকবে যেন পৃথিবীর যে কোন মানুষ এটা বুঝতে পারেন যে কোন কোড কি জন্য লিখা হয়েছিলো।
কমেন্ট করার জন্য এইচ.টি.এম.এল এ
এই এলিমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
এই কমেন্ট এলিমেন্টের প্রথম যে এংগেল ব্রাকেট, এক্সক্লেইম সাইন এবং ২ টা ড্যাশ রয়েছে তার ভেতর লিখা হয়। এর পর যখন কমেন্ট লিখা শেষ হয় তখন এংগেল ব্রাকেট এবং ২ টা ড্যাশ রয়েছে তা দিয়ে শেষ করতে হয়।
আমি যদি লিখি এখানে কমেন্ট নিয়ে যায়েদ আলোচনা করেছেন।
এই লিখাটি জাস্ট উপরের বর্ণনা অনুযায়ী লিখলে এভাবে লিখতে হবে।
আমরা এই লেখাগুলো লিখলে প্রায় সব আপডেট ব্রাউজার এর আউটপুট ভালো ভাবে প্রদর্শন করবে। যেমন গুগল ক্রম, মজিলা ফায়ারফক্স, মাইক্রোসফট এজ ক্রমিয়াম ইত্যাদি।
এই কমেন্ট এর ক্ষেত্রে এইচ.টি.এম.এল ৪ এবং ৫ এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।
কমেন্ট ট্যাগ কোন স্ট্যান্ডার্ড এট্রিবিউট এবং ইভেন্ট এট্রিবিউট সাপোর্ট করে না।
স্ট্যান্ডার্ড এট্রিবিউট বলতে গ্লোবাল এট্রিবিউটকে বুঝায়। আর গ্লোবাল এট্রিবিউট যে কোন৷ এইচ.টি.এম.এল এলিমেন্টে ব্যবহার করা যায়।
ইভেন্ট এট্রিবিউট বলতে গ্লোবাল ইভেন্ট এট্রিবিউটকে বুঝায়। জাভাস্ক্রিপ্ট এ ব্রাউজারে যে ইভেন্ট প্রদর্শন করে তা এইচ.টি.এম.এল এর মাধ্যমে।
আপনি যদি এই লিখাটি থেকে কিছু শিখে থাকেন তবে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন এবং তাদের দেখতে সহায়তা করুন।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
আমাদের কোর্স করার পর আপনার আর কোথাও সমস্যা হওয়ার কথা না। যদি সাপোর্ট লাগে তবে আপনি তা পাবেন ফ্রি তে।
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
-ধন্যবাদ
24/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
📝কোর্স মডিউল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাঃ পর্ব- ৭
প্যারাগ্রাফ ,প্রি , ব্রেক এলিমেন্ট :
আমরা যখন কোন একটা বিষয় লিখি তখন ছোট ছোট এক বা একাধিক প্যারা বা অনুচ্ছেদ আকারে লিখি। একটা হেডিং বা শিরোনামের অধিনে এক বা একাধিক প্যারা বা অনুচ্ছেদ থাকতে পারে।
এইচ.টি.এম.এল এ প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদ লিখার জন্য এলিমেন্ট ব্যবহার করা হয়। এটা একটা ব্লক এলিমেন্ট। ব্রাউজার প্রতিটি এলিমেন্ট এর আগে এবং পরে কিছু হোয়াইট স্পেস বা মার্জিন৷ নিয়ে নেয়।
আমরা যখন এইচ.টি.এম.এল এ কোড করবো তখন যদি কোডের মধ্যে অনেক গুলো হোয়াইট স্পেস দেই বা নিজেরা সেখানে কোন স্টাইল করে কোড লিখি ব্রাউজার সেক্ষেত্রে একটা স্পেস ধরবে বাকিগুলো বাদ দিয়ে দিবে। আবার আমরা যে স্টাইল করবো তাও কোন কাজে লাগবে না। সেটা আউটপুট এ কোন প্রভাব ফেলবে না।
এইচ.টি.এম.এল এমন একটা এলিমেন্ট যার শুরু এবং শেষের ট্যাগ আছে। অনেক এলিমেন্ট আছে যাদের শুরুর ট্যাগ আছে কিন্তু শেষের ট্যাগ নেই।
শেষের এই ট্যাগটি অবশ্যই দিতে হবে। এটা না দিলেও অধিকাংশ ব্রাউজার শঠিক আউট পুট দিবে তবে এটা কিন্তু সব সময় নাও দিতে পারে। এটা না থাকার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত আউটপুট আসতে পারে। তাই অবশ্যই শেষের ট্যাগ টি দিতে হবে।
আমরা যদি কখনো আমাদের একটা লাইনের পর আরেকটা লাইন লিখার আগে কিছু স্পেস দিতে চাই। বা নতুন কোন প্যারাগ্রাফ না লিখে ওই প্যারাগ্রাফ এর মাঝেও সেই লাইন এর পর একটা বিরতি দিতে চাই তবে আমরা এলিমেন্ট ব্যবহার করি। এই ট্যাগটি একটি এম্পটি ট্যাগ। এম্পটি ট্যাগ বলতে বুঝায় যার শেষ ট্যাগ নেই।
আমরা যখন কোড করি তখন এমন অনেক প্রয়োজন হতে পারে যে আমরা যেভাবে এডিটরে কোড লিখছি সেভাবেই দেখাতে চাচ্ছি। কিন্তু আমরা যেভাবেই সাজিয়ে লিখিনা কেন ব্রাউজার এই সাজানো বাদ দিয়ে দিবে। সে প্ল্যান টেক্সট আকারে আউটপুট দিবে।
সেক্ষেত্রে একটি এলিমেন্ট ব্যবহার করা হয় যা এলিমেন্ট। এই প্রি এলিমেন্ট কিন্তু এম্পটি ট্যাগ না। এটার শেষ ট্যাগ আছে।
এই শুরু এবং শেষের ট্যাগ এর মাঝে আমরা যে লেখাগুলো লিখবো এবং যেভাবে লিখবো আউটপুট সেভাবেই আসবে।
এই এলিমেন্ট আমাদের কোডের মধ্যে যে লাইন বিরতি বা স্পেস থাকে তা কাউন্ট করে আউটপুট প্রদর্শন করে।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
আমাদের কোর্স করার পর আপনার আর কোথাও সমস্যা হওয়ার কথা না। যদি সাপোর্ট লাগে তবে আপনি তা পাবেন ফ্রি তে।
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
-ধন্যবাদ
23/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
📝 হেডিং, হরাইজেন্টাল রোল, হেডঃ পর্ব- ৬
আমরা আজ জানব হেডিং সম্পর্কে।
সাধারণত আমরা যখন কোন একটা বিষয় লিখি তার একটা নামকরণ করি। বা যে বিষয় টি লিখি তার একটা শিরোনাম দেই। এই নামকরণ বা শিরোনাম এইচ.টি.এম.এল এ হেডিং হিসেবে কাজ করে।
এইচ.টি.এম.এল এ ৬ধরনের হেডিং ব্যবহার করা হয়।
হেডিং ১
হেডিং ২
হেডিং ৩
হেডিং ৪
হেডিং ৫
হেডিং ৬
এখানে হেডিং ১ দিয়ে সবচেয়ে বড় শিরোনাম বুঝায়, এর পর হেডিং ২ দিয়ে তার চেয়ে একটু ছোট, হেডিং ৩ দিয়ে আরেকটু ছোট। এভাবে পর্যায়ক্রমে হেডিং ৬ হলো সবচেয়ে ছোট হেডিং।
প্রতিটি হেডিং একটা ডিফল্ট সাইজ নিয়ে কাজ করে এবং সেই সাথে এগুলো বোল্ডার বা মোটা হয়। নিচে ডিফল্ট সাইজ দেখানো হলো।
h1 is 32px (2em)
h2 is 24px (1.5em)
h3 is 20.8px (1.3em)
h4 is 16px (1em)
h5 is 12.8px (0.8em)
h6 is 11.2px (0.7em)
এখানে em হলো একটি ইউনিট,যেমন পিক্সেল একটি ইউনিট।
তবে 1em is equal to 12pt......Pixels(px)
ব্রাউজার প্রতিটি হেডিং এর আগে এবং পরে কিছু স্পেস নিয়ে নেয় যা মার্জিন হিসেবে ধরা হয়। এর কারণ হলো হেডিং একটি ব্লক এলিমেন্ট। আমরা এই ডিফল্ট সাইজ কমবেশি করতে পারবো ফন্ট সাইজ দিয়ে।
আমরা যদি চাই হেডিং ১ কে ৩৬ পিক্সেল থেকে বড় করে ৪০/৫০/৫৫/১০০ পিক্সেল করবো তবে তাও করা সম্ভব।
এক্ষেত্রে জাস্ট ফন্ট সাইজ বড় করতে হবে।তখন এভাবে লিখতে হবে
< h1 style="font-size:50px;>QuickTech Institute
এখানে ফন্ট সাইজ ৪০ এর স্থানে আমরা যে কোন একটা সাইজ দিতে পারবো যা আমাদের প্রয়োজন। ৪০ এর স্থানে ৫০ বা ৬০ যেটা প্রয়োজন হবে দিয়ে দিব।
একটা ওয়েব সাইটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম বুঝতে হেডিং ১ ব্যবহার করা হয়। এর পর কিছু কম গুরুত্ব বুঝাতে হেডিং ২ এভাবে ক্রমান্বয়ে ৩,৪,৫,৬ ব্যবহৃত হয়।৷ ব্যবহারকারী সাধারণত হেডিং দেখেই সিদ্ধান্ত নেয় যে সে একটি তথ্য পড়বে কি না?
আবার সার্চ ইঞ্জিনও এই হেডিং ব্যবহার করে স্ট্রাকচার ইন্ডেক্স করার জন্য।
হেডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা এলিমেন্ট তাই শুধুমাত্র যেখানে শিরোনাম হিসেবে ব্যবহার হবে সেখানে হেডিং ব্যবহার করা হয়। কেউ যদি মনে করে আমি টেক্সট বোল্ড করবো বা সাইজ বড় করবো এজন্য হেডিং ব্যবহার করি এটা সঠিক সিদ্ধান্ত না।
এইচ.টি.এম.এল এ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হেড এবং হরাইজেন্টাল রোল .
হরাইজেন্টাল রোল বা সাধারণত একটা বিরতি বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। একটা কন্টেন্ট থেকে আরেকটা কন্টেন্টকে আলাদা করতে বা কিছুটা পরিবর্তন বুঝাতে হরাইজেন্টাল রোল বা ব্যবহৃত হয়।
আবার যখন মেটাডাটা ব্যবহারের বিষয় আসে তখন হেড এলিমেন্ট সামনে চলে আসে। এই এলিমিনেটর মধ্যে যে বিষয় গুলো লিখা হয় তা ব্রাউজার প্রদর্শন করেনা কিন্তু তার কাজ করে ঠিকই। মেটাডাটা গুলো ট্যাগ এর পর কিন্তু ট্যাগ শুরু হওয়ার আগেই লিখা হয়।
সাধারণত title, character set, internal style এবং অন্যান্য মেটা তথ্য গুলো ব্যবহৃত হয়।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
আমাদের কোর্স করার পর আপনার আর কোথাও সমস্যা হওয়ার কথা না। যদি সাপোর্ট লাগে তবে আপনি তা পাবেন ফ্রি তে।
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
-ধন্যবাদ
22/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
📝 এট্রিবিউটঃ পর্ব- ৫
যারা এই কোর্সটি সম্পন্ন করতে পারবেন শেষ পর্যন্ত তারা নিজেদের জন্য যে ওয়েবসাইট টি দরকার তা আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন বেসিক টা শেখানোর পর মিডলেভেলে গেলে আপনি নিজেই পারবেন একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে। তাই কুইকটেক ইনস্টিটিউট সঙ্গে থাকুন।
আমরা এই পর্বে আলোচনা করবো এইচ.টি.এম.এল এর এট্রিবিউট নিয়ে। এট্রিবিউট এলিমেন্টের অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে। এলিমেন্ট বলতে আমরা এখানে ট্যাগকে বুঝাচ্ছি। ট্যাগ নিয়ে আমরা আগের পর্বে আলোচনা করেছি। এট্রিবিউট সব সময় শুরুর ট্যাগের এংগ্যাল ব্রাকেটের মাঝে লিখা হয়। এটা সাধারণত এভাবে লিখা হয় neme="value"
এখানে নেম এর স্থানে এট্রিবিউট এর নাম এবং ভ্যালু এর স্থানে তার মান বসানো হয়।
আমরা যদি অ্যাংকর ট্যাগের উদাহরণ দেই তবে আমরা বিষয় টি পরিষ্কার ধারণা পাবো। তবে চলুন আমরা একটা উদাহরণ দিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি।
আমরা লিংক করার জন্য ট্যাগ ব্যাবহার করে থাকি এবং এই লিংকটি ক্লিক করলে কোথায় যাবে তার জন্য একটা এড্রেস ব্যাবহার করি যা href,
এখানে এই href হলো এট্রিবিউট।
Read More
এখানে প্রথম ট্যাগের অ্যাংগেল ব্রাকেটের শুরুতে a এর পর একটা স্পেস দিয়ে href লিখা। এই href এর পর =" " সমান চিহ্ন এবং ডাবল কোটেশন এর মাঝে www.quicktechinstitute.com লিখা আছে।
এখানে href টি হলো নেম এবং সমান চিহ্ন ও ডাবল কোটেশন এর মাঝে লিখা www.quicktechinstitute.com হলো ভ্যালু। এভাবে আমরা আরও উদাহরণ দিতে পারি। যেমনঃ
আমরা যদি ইমেজ ট্যাগের কথা বলি তবে দেখব সেখানেও একই ফরম্যাট কাজ করছে।
ইমেজ ট্যাগটি
এখানে img হলো ট্যাগ এবং,
src, width, height, alt হচ্ছে এট্রিবিউট এবং quickTechLogo.png, 255, 81, QuickTech Institute Logo হচ্ছে ভ্যালু।
এখানে src দিয়ে বলা হচ্ছে সোর্স। এটা দিয়ে ইমেজটি কোন লোকেশ থেকে আসবে তা বোঝাবে।
width দিয়ে ইমেজের উইথ,
height দিয়ে ইমেজের হাইট এবং
alt দিয়ে অতিরিক্ত আরেকটি তথ্য বুঝাবে। যার কাজ হবে কোন কারণে যদি ইমেজটি না আসে বা অন্য সমস্যা হয় তখন alt এর যে লিখা থাকবে ব্রাউজার তা দেখাব।
আমাদের এখানে QuickTech Institute Logo লিখা আছে। এর দ্বারা ভিজিটর বুঝতে পারবেন যে এখানে একটা লগো ছিলো।
এভাবে style, lang,title, type,for,action,target,
সহ অনেক এট্রিবিউট আছে। আমরা কাজ করতে করতে এগুলো শিখে যাবো। এখন শুধু এতটুকু জানালেই হবে যে এট্রিবিউট এবং ভ্যালু কি।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
আমাদের কোর্স করার পর আপনার আর কোথাও সমস্যা হওয়ার কথা না। যদি সাপোর্ট লাগে তবে আপনি তা পাবেন ফ্রি তে।
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
-ধন্যবাদ
19/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
📝এইচ টি এম এল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাঃ পর্ব- ৪
যারা এই কোর্সটি সম্পন্ন করতে পারবেন শেষ পর্যন্ত তারা নিজেদের জন্য যে ওয়েবসাইট টি দরকার তা আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন বেসিক টা শেখানোর পর মিডলেভেলে গেলে আপনি নিজেই পারবেন একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে। তাই কুইকটেক ইনস্টিটিউট সঙ্গে থাকুন ।
আমরা এই পর্বে শিখবো এইচ.টি.এম.এল লিখার জন্য কি এডিটর ব্যবহার করবো।
এটা আমরা অনেকগুলো এডিটর ব্যবহার করে লিখতে পারি। তবে আমি বলবো শুরুতে সাধারণ একটা এডিটর দিয়ে শুরু করলে সকলের জন্য ভালো হবে। অনেকে অনেক কিছু সাজেস্ট করতে পারেন তবে আমার জানামতে অধিকাংশ ডেভেলপার নোটপ্যাড++ পছন্দ করেন। আর আমার পছন্দ সেটাই।
নোটপ্যাড দিয়ে শুরুতে কাজ শুরু করলে যখন কিছুটা কোড আয়ত্ত্ব হয়ে যাবে তখন সেখানে জেন কোডিং ফিচার এড করে কাজ করলে কাজের গতি অনেকটা বেড়ে যাবে। জেন কোডিং নিয়ে অন্য একটা পর্বে লিখবো। আপাতত নোটপ্যাড++ দিয়েই শুরু করবো।
এখন আমরা নোটপ্যাড++ ইন্সটলেশন কিভাবে সম্পন্ন করতে পারি তা দেখবো।
আমরা প্রথমে ব্রাউজার অপেন করবো। আমি গুগল ক্রম ব্যবহার করি। তাই সেখানে গিয়ে Download Notepad++ লিখে সার্চ দিয়েছি। সার্চ রেজাল্ট এ notepad-plus-plus.org এ গেলে অনেকগুলো লিংক দেওয়া আছে বিভিন্ন ভার্সনের। আমরা যে কোন একটা আপডেট ভার্সন সিলেক্ট করতে পারি। আমি এখন 7.8.5 এই ভার্সন সিলেক্ট করেছি।
সেখানে গেলে আমাকে সিলেক্ট করতে হবে আমি যে ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ ব্যবহার করবো সেটা কত বিটের।
যদি আপনি না জেনে থাকেন আপনার টি কত বিটের তবে আপনি আপনার ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ এর সার্চ বারে PC লিখে সার্চ দিলে আপনার পিসির যে অ্যাপ আছে তা আসবে। অ্যাপটি আসলে তার উপর মাউজ নিয়ে রাইট ক্লিক করলে properties অপশন আসবে। সেটাতে ক্লিক করলে যে ইউনডো পাবেন তাতে সিস্টেম টাইপ দেওয়া থাকবে। আমার এখানে system type: 64-bit operating system লিখা আছে। আপনার এখানে লিখা থাকবে আপনার সিস্টেম টাইপ কত বিটের।
আমি ৬৪ বিটের এটা নিব এজন্য যে আমার ল্যাপটপ ৬৪ বিটের।
সেখানে কয়েকটি অপশন পাবো ডাউনলোড করতে। তার মধ্যে থেকে আমি Installer | GPG signature এ ক্লিক করবো
এটা ক্লিক করলে আমাদের
npp.7.8.5.Installer.x64.exe
এই নামের একটা ফাইল ডাউনলোড হবে।
সেটাতে ডাবল ক্লিক করলে ল্যাংগুয়েজ সিলেক্ট এর অপশন আসবে। যেখানে ইংলিশ সিলেক্ট করা থাকবে। আমরা জাস্ট ok তে ক্লিক করবো।
সেটার পর যে উইনডো পাবো তাতে নেক্সট। এর পর এ্যাগ্রি।৷ এর পর একটা লোকেশ দেওয়া থাকবে যেখানে এটা ইন্সটল করা হবে। আমরা চাইলে সেটাতে রেখেই নেক্সট দিতে পারি বা ব্রাউজ এ ক্লিক করে নতুন কোন লোকেশ সিলেক্ট করতে পারি
এর পর আবার নেক্সট। এর পর ইন্সটল এ ক্লিক করার আগে চেক বক্স ২ টি সিলেক্ট করে ইন্সটল এ ক্লিক করবো।
এর পর এটা ইন্সটল হয়ে গেলে ফিনিশ আসবে। ফিনিশ এ ক্লিক করলে আমাদের ইন্সটল সম্পন্ন।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
আপনার মতামত জানাবেন।
-ধন্যবাদ
Notepad++ Notepad++ is a free (as in “free speech” and also as in “free beer”) source code editor and Notepad replacement that supports several languages. Running in the MS Windows environment, its use is governed by GPL License.
18/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
ওয়েব ডিজাইন নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা চলবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত । যাদের শেখার আগ্রহ আছে তারা কুইকটেক আইটি সঙ্গে থাকুন ।
📝এইচ টি এম এল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাঃ পর্ব- ৩
এইচ টি এম এল (HTML)এর পূর্ণ রুপ হলো হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব পেজের স্ট্রাকচার বর্ণনায় ব্যবহার করা হয়। এটি এলিমেন্টে সিরিজের সমন্বয়ে গঠিত যা ব্রাউজারকে নির্দেশনা দেয় যে, কনটেন্ট কিভাবে প্রদর্শিত হবে। এই এলিমেন্টগুলো বিভিন্ন ট্যাগের সমন্বয়ে গঠিত । আবার এই ট্যাগগুলো বিভিন্ন অংশে বিভক্ত -যেমন - "হেডিং" , " প্যারাগ্রাফ " , "টেবল"ইত্যাদি। ব্রাউজার কোন ট্যাগ প্রদর্শন না করে আমাদের শুধু মাত্র কনটেন্ট দেখায়।
এইচ টি এম এল এর বেসিক কাঠামো দেখানো হলো-
এখানে আমাদের পেজের টাইটেল লিখবো।আমাদের ইচ্ছে মতো যে কোন নাম এখানে লিখতে পারবো।তবে পেজের সাথে মিল রেখে এখানে টাইটেল লিখা ভালো
এখানে আমরা হেডিং লিখবো।
এখানে আমরা প্যারাগ্রাফ লিখবো।
The element specifies a title for the document
The element contains the visible page content
The element defines a large heading
The element defines a paragraph
উদাহরণসহ এই কাঠামো ব্যাখ্যা করা হলো
এটা ডকুমেন্টকে এইচ টি এম এল হওয়া নির্দেশ করে।
এটি হলো একটি মূল ট্যাগ যার ভেতর সকল ট্যাগ থাকে। একটি এইচ টি এম এল পেজের মুল এলিমেন্ট হলো
এটি ডকুমেন্টের ম্যাটা তথ্যের জন্য ব্যবহৃত হয়। ডকুমেন্ট সম্পর্কিত সকল ম্যাটা তথ্য এর ভেতর থাকে।
এটি ব্যবহৃত হয় ডকুমেন্টের টাইটেল এর জন্য। এখানে আমরা যা লিখবো তা টাইটেল বারে শো করবে।
আমাদের পেজের যে অংশ আমরা দেখতে বা দেখাতে চাই তা এই অংশে লিখা হয়।
এই ট্যাগ টি হেডিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটা h1 থেকে h6 পর্যন্ত আছে।
h1 সবচেয়ে বড় হেডিং এবং h6 সবচেয়ে ছোট হেডিং
এই ট্যাগ টি প্যারাগ্রাফ এর জন্য ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ হেডিং এর নিচে যে তথ্য থাকে তা প্রকাশ করা হয় এই ট্যাগ ব্যবহার করে।
ট্যাগঃ
ট্যাগ হলো এমন একটি উপাদান যা এঙ্গেল ব্রাকেট এর ভেতর কোন একটা নির্ধারিত নাম। যা ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদানকে বিভিন্ন লুকে প্রদর্শিত করে।
এখানে কনটেন্ট লিখা থাকে/ লিখতে হবে। এই কনটেন্টের আচরণ এর ট্যাগের উপর নির্ভর করে। এঙ্গেল ব্রাকেট এর ভেতর "ট্যাগনেম" এর স্থানে ট্যাগ এর নাম লিখতে হবে।
সাধারণত ট্যাগ গুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। অর্থাৎ অধিকাংশ ট্যাগ এর শুরু এবং শেষ আছে। যেমন আমরা উপরে "", "", "" ইত্যাদি ট্যাগ গুলো ব্যবহার করেছি। প্রথম ট্যাগ কে স্টার্ট ট্যাগ বা শুরুর ট্যাগ এবং শেষের ট্যাগ কে ইন্ড ট্যাগ বা শেষ ট্যাগ বলে। শুরুর এবং শেষের ২ টি ট্যাগ ই একই রকম। তবে শেষ ট্যাগ লিখার সময় , শেষ ট্যাগের নামের পূর্বে ফরওয়ার্ড স্লেশ ( " / " ) দিতে হয়। যেমন - আমরা উপরে "", "", "" ইত্যাদি ট্যাগ গুলো ব্যবহার করেছি।
কিছু কিছু ট্যাগ জোড়া জোড়া না হয়ে একটিও হয়। যেমন
ডিক্লারেশনঃ
আমারা যে ডকুমেন্ট ব্যবহার করছি তা কি ধরনের, এটি বুঝাতে লিখা হয়।
একটি ওয়েব ডকুমেন্টের সবার উপরে
"" লিখা হয়। এটি লিখার পর অন্য সকল ট্যাগ লিখতে হয়। আর এই ট্যাগ একটি ডকুমেন্টে একবার ই ব্যবহার হয়।
এটি কেস সেন্সেটিভ না। অর্থাৎ এই লেখাটি আমরা ছোট বা বড় হাতের যেমন খুশি লিখতে পারবো । এইচ টি এম এল ৫ এর ডিক্লারেশন হলো
এইচটিএমএল(HTML) সংস্করণঃ
ওয়েব এর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত অনেকগুলো সংস্করণ বা ভার্সন এসেছে। যেমন ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত এই সংস্করণ হয়েছে। প্রতিনিয়ত এই সংস্করণ চলছে। যার ফলে আমরা অনেক উপকৃত হচ্ছি। প্রতিটি সংস্করণে নতুন নতুন সংযোজন হয়েছে। আর প্রতিটি সংস্করণে কাজের গতি অনেক বেড়ে গেছে। এইচ টি এম এল ব্যবহার হয় ১৯৯১ সালে। এর পর এইচ টি এম এল ২.০ আসে ১৯৯৫ তে, এইচ টি এম এল ৩.২ আসে ১৯৯৭ সালে। ১৯৯৯ সালে আসে এইচ টি এম এল ৪.০১ এবং এর পর এক্স এইচ টি এম এল আসে ২০০০ সালে। সর্ব শেষ ২০১৪সালে আসে এইচ টি এম এল ৫।যা এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়।
আমাদের কোর্স করার পর আপনার আর কোথাও সমস্যা হওয়ার কথা না। যদি সাপোর্ট লাগে তবে আপনি তা পাবেন ফ্রি তে।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
-ধন্যবাদ
17/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
ওয়েব ডিজাইন নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা চলবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত । যাদের শেখার আগ্রহ আছে তারা কুইকটেক আইটি সঙ্গে থাকুন ।
📝কোর্স মডিউল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাঃ পর্ব- ২
ওয়েব ডিজাইন কোর্সে যা যা থাকছে
✔️এইচ টি এম এল (HTML)
✔️সি এস এস (CSS)
✔️বুটস্ট্রেপ (Bootstrap)
✔️জাভা স্ক্রিপ্ট(JavaScript) আরও অনেক কিছু....
এই কোর্স করার পর কেউ চাইলে ওয়েব ডিজাইনার হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। আবার শুধু পি এইচ পি (PHP) বা পি এইচ পি ফ্রেমওয়ার্ক লারাভেল নিয়েও কাজ করা সম্ভব হবে কোর্সের পর। প্রতিটি বিষয় এর উপর ধারাবাহিক আলোচনা করা হবে।
আমরা এইচ টি এম এল (HTML) দিয়ে শুরু করছি।
আমরা প্রতিটি বিষয় আলাদা আলাদা পর্ব আকারে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো। থাকবে প্রতিটি বিষয়ের উপর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আলোচনা। প্রতিটি পর্ব বুঝার জন্য থাকবে উদাহরণ ।
আপনাদের সাপোর্ট এর জন্য থাকবে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ এর ব্যবস্থা। আপনাদের সকল সমস্যার সমাধান পাবেন সেখানে।
তাই ওয়েব ডিজাইন শিখুন বাসায় বসে সম্পূর্ণ ফ্রি। কুইকটেক ইনস্টিটিউ (QuickTech Institute) আছে আপনাদের পাশে।
এইচ টি এম এলঃ
এইচ টি এম এল(HTML) হচ্ছে একটি স্ট্যান্ডার্ড মার্ক আপ ভাষা যা দিয়ে ওয়েব পেজ তৈরি করা যায়। এটি দিয়ে আপনি একটি স্ট্যাটিক ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট বানাতে পারবেন। প্রোগ্রামিং বা অন্যান্য ভাষা থেকে এটা শেখা সহজ ।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
বাসায় থেকে ওয়েব ডিজাইন ফ্রি শেখার জন্য মেনশন করুন আপনার বন্ধুদের।😊
-ধন্যবাদ
16/06/2020
ওয়েব ডিজাইন শিখুন সম্পূর্ণ কোর্স ফ্রি তে✍️
ওয়েব ডিজাইন নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনা চলবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত । যাদের শেখার আগ্রহ আছে তারা লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন ।
📝ইতিহাস এবং প্রাথমিক ধারণাঃ পর্ব- ১
ইতিহাসঃ
স্যার, টিমোথি জন বার্নার্স-লি(জন্ম ৮ জুন ১৯৫৫) একজন ইংরেজ ইঞ্জিনিয়ার এবং কম্পিউটার সাইন্টিস্ট যিনি টিম বিএল বা টিম বার্নাস-লী নামে পরিচিত। তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর জন্য বেশি পরিচিত।
তিনি সার্ন এ একজন ঠিকাদার ছিলেন এবং সর্বপ্রথম সার্ন গবেষকদের মাঝে দস্তাবেজ শেয়ার করার জন্য ইনকয়েরি প্রোটোটাইপ নামে একটি সিস্টেম এর প্রস্তাব দেন। ১৯৮৯ সালে, তিনি একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক হাইপারটেক্সট সিস্টেম প্রস্তাবে একটি মেমো লিখেন এবং ১৯৯০ সালে ব্রাউজার এবং সার্ভারের সফ্টওয়্যারে এইচটিএমএল এর উল্লেখ করেন । ১৯৯০ সালেই তিনি এবং সার্ন এর তথ্য সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার রবার্ট ক্যালিয়ে উভয়ে মিলে সার্নকে এ জন্য অর্থায়নের অনুরোধ করেন , কিন্তু এটি আনুষ্ঠানিকভাবে সার্ন দ্বারা গৃহীত হয়নি।
তিনি বর্তমানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং এম আই টি তে কম্পিউটার সাইন্স বিভাগে অধ্যাপনা করছেন। তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের প্রতিষ্ঠাতা। তার এই অবদানের জন্য আজ আমাদের জীবনে এক আমূল পরিবর্তন সবাধিত হয়েছে।
এইচ টি এম এলঃ
আমরা ইন্টারনেট বলতেই ওয়েবকে( অধিকাংশ ক্ষেত্রে) বুঝি। আর এই ওয়েব এর মূলে রয়েছে এইচ টি এম এল । একটি ওয়েব পেজ বা ওয়েব সাইট তৈরি করার প্রাথমিক ধাপ হলো এর গঠন । আর এই গঠন বা কাঠামো দ্বার করানোর জন্য আমাদের এইচ টি এম এল এর ব্যবহার করতে হয়। এইচ টি এম এল দিয়ে একটি ওয়েব সাইটের বেসিক কাঠামো দ্বার করানোর পর একে সি এস এস ব্যবহার করে আরও সুন্দর এবং আকর্ষণীয় করে তোলা যায় ।
(HTML) এইচ টি এম এল এর পূর্ণ রুপ হলো হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন করতে ব্যবহার করা হয়। একটা ওয়েব পেজের বিভিন্ন অংশ ব্রাউজারের মাধ্যমে কিভাবে প্রদর্শিত হবে তা এইচ টি এম এল এর মাধ্যমে ঠিক করা হয়। এইচ টি এম এল কোন প্রোগ্রামিং ভাষা নয় বরং এটা একটি মার্ক আপ ভাষা যা এক গুচ্ছ মার্ক আপ ট্যাগের সমন্বয়ে গঠিত। এতে বিভিন্ন এইচটিএমএল ট্যাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন ফর্ম্যাটিং, অবজেক্ট ও লিংক প্রকাশ করা করা হয়। এইচ টি এম এল এর সর্বশেষ ভার্সন হলো এইচ টি এম এল ৫ যার উন্নয়ন কাজ এখন সম্পূর্ণ এবং নতুন আদর্শমান । এইচ টি এম এল ৫ এ ওয়েবসাইটে অডিও,ভিডিও যোগ করার জন্য নতুন আদর্শ(স্ট্যান্ডার্ড) যোগ করা হয়েছে।
এইচ টি এম এল এর ফাইল নেম এক্সটেনশন হল ".htm" and ".html" ইন্টারনেট মিডিয়া টাইপ হল টেক্সট/এইচটিএমএল যা ডাব্লিউ এইচ এ টি ডাব্লিউ জি ( WHATWG) দ্বারা ডেভেলপ করা এবং এটি ইনিশিয়ালি রিলিজ হয়েছিল ১৯৯৩ সালে।
ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে একটিভ থাকুন 🙂
ফ্রি সাপোর্ট জন্য জয়েন্ট করুন আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে 👉https://www.facebook.com/groups/944766325975340
বাসায় থেকে ওয়েব ডিজাইন ফ্রি শেখার জন্য মেনশন করুন আপনার বন্ধুদের।😊
-ধন্যবাদ
নতুনদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এ কাজ পেতে কিছু টিপ্স এন্ড ট্রিক
ধরে নিলাম আপনি এডভান্স লেভেলের অথবা মুটামুটি ভাল লেভেলের কাজ জানেন।
এখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এ কাজ করতে চাচ্ছেন।
যথারীতি কিছু বিডও করেছেন কিন্তু কোনো কাজ পাচ্ছেন না ।
এখন আপনার কি করা উচিত???
👉 সর্বপ্রথম নিজের নামে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করুন এবং কিছু ডেমো অথবা আপনার করা কাজের ওয়েবসাইট এর লিংক সেখানে এড করুন।
👉 বায়ার একটি পোস্ট দিয়েছেন মানে এটা না যে আপনি না জেনেই সেই কাজে বিড করবেন। প্রজেক্ট এনালাইসিস করতে শিখুন।
👉 ফেক প্রজেক্ট এড়িয়ে চলুন।
👉 ইন্ডিয়ান/পাকিস্থানি বায়ার দের এড়িয়ে চলুন।
👉 তুলনামূলক কম বাজেট কিন্তু বেশি পরিশ্রম লাগবে মনে হচ্ছে এমন প্রজেক্ট গুলিতে বিড করুন।
👉 বেশি বেশি কন্টেস্ট এ যুক্ত করুন।
👉 বায়ার যদি মেসেজ দেয় বেশি আদিক্ষেতা ( তাদের স্যার বলা থেকে বিরত থাকুন। সবাই সব বিষয় পছন্দ করেনা।
👉 বিড করার সময় পোর্টফলিও বা ডেমো হিসেবে নিজের ওয়েবসাইট টাকে ব্যাবহার করুন। এতে প্রজেক্ট টা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে ।
👉 সময়ের মূল্য আছে , একারনে বায়ারদের মেসেজের রিপ্লাই সময় মত করতে শিখুন। ইনস্ট্যান্ট করলে সবচেয়ে ভাল।
👉 ক্লাইন্ট / বায়ারদের পার্সোনাল বিষয় সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন না এতে প্রজেক্ট পাবার চান্স ০% হয়ে যায়।
👉 মেচিউর আচরন করুন , ইম্ম্যাচিউর এর মত আচরন করা যাবেনা।
👉 সবশেষে কথা নতুন অবস্থায় বেশি বেশি সময় দিতে হবে। কাজের পিছনে
লেগে থাকতে হবে ।
এগুলাই মেনে চলুন ইনশাআল্লাহ ভাল কিছু হবে ।
আরো টিপস পেতে পেইজ এ লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন
ধন্যবাদ 😊
পোষ্টটি সহজে পাওয়ার জন্য শেয়ার করে রাখুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 18:00 |
| Tuesday | 10:00 - 18:00 |
| Wednesday | 10:00 - 18:00 |
| Thursday | 10:00 - 18:00 |
| Saturday | 10:00 - 18:00 |
| Sunday | 10:00 - 18:00 |