Help 4 Helpless
Offering love, motivation, treatment and educational opportunity, to help children thrive and become self-sufficient young adults. Can you help?
"Help the Helpless" The non-profit is chaired by Abdullah Al Faisal (Founder) and staffed by volunteers from Dhaka metro area. We are a 100% volunteer organization and all members serve freely and without compensation. We cares for these children by providing decent shelter, clothing, food, education, treatment and the teachings of the children & people in Bangladesh. Bank Account Information
BRA
03/03/2023
#কাঁকড়া_ফুটওভার_ব্রিজ!! 🦀
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিসমাস দ্বীপে প্রতি বছর বৃষ্টির মৌসুম শুরু হলেই (অক্টোবর-নভেম্বর) পুরো দ্বীপের পাহাড় বন জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কয়েক মিলিয়ন লাল কাঁকড়া গুলো সমুদ্রের দিকে পাড়ি জমায়। তাদের এই যাত্রা (migration) মূলতঃ শুরু হয় চাঁদের হিসেবে। অর্থাৎ অক্টোবর মাসের প্রথম পূর্ণিমা হলেই সাধারণত বৃষ্টি শুরু হয়। আর এসময় সাগরের জোয়ার অন্য সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি উঁচু হয় আর এই সময়টিই কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। ফলে কাঁকড়া গুলো দ্বীপের চারদিকে সমুদ্র অভিমুখে রওয়ানা শুরু করে। তারা তীরে গিয়ে বাসা (গর্ত) তৈরি করে প্রজনন করে এবং ডিম পাড়ে।
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা থেকে সোজা কয়েকশত কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ১৩৫ বর্গ কিঃমিঃ আয়তনের দ্বীপটির সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাজুড়ে রয়েছে সড়ক (motor road)। সুতরাং কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুমে সাধারণ ভাবেই গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে লাখ লাখ কাঁকড়া মারা যেত। কারণ এই সময়টা (সমুদ্র যাত্রা) প্রায় মাসব্যাপী দিন-রাত ধরে চলতে থাকে।
তাই অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ স্টিলের তৈরি বিশেষ ধরণের কতোগুলো কাঁকড়া পারাপার ব্রিজ তৈরি করে দিয়েছে। রাস্তার ধারগুলো স্টিল ও প্লাস্টিক পাতের বাঁধা বসিয়ে ব্রিজ গুলোর অভিমূখী করে দিয়েছে ফলে কাঁকড়া গুলো সেদিকেই ধাবিত হয়ে শুধু মাত্র ব্রিজ দিয়ে রাস্তা পারাপার হয়। এছাড়াও কিছু এলাকার রাস্তা গুলো এসময় বন্ধ রাখা হয়, নির্দেশনা ফলক লাগানো হয় এবং রেডিওতে জনসচেতনতা মূলক নির্দেশনা প্রচার করা হয়।
প্রতি বছর এই সময়ে শতশত পর্যটক ও প্রাণী বিজ্ঞানী কাঁকড়াদের 'সমুদ্র যাত্রা' দেখতে সেখানে ভিড় করে। আর কাঁকড়া গুলোও কয়েক বছরে সেতু ব্যবহারে বেশ অভ্যস্ত হয়ে গেছে!
কিভাবে তাদের উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সাধারন মানুষ?
12/07/2015
সরকারি তিতুমীর কলেজের মেধাবী ছাত্র - মোঃ মেহেদী হাসান (২৬)
(Economic Development Final Year)
তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে।
সে Medica Superspecialty Hospital, India-তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এবং ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে বেঁচে আছেন।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, দ্রুত তাঁর কিডনি প্রতিস্থাপন করা জরুরি। কিন্তু এর জন্য যে বিপুল পরিমাণ অর্থ (২৫লক্ষ টাকা) প্রয়োজন তা জোগাড় করা তাঁর পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়।
গত তিন বছর ব্যয়বহুল চিকিৎসা করাতে গিয়ে তাঁর পরিবার এখন প্রায় সর্বস্বান্ত। এ অবস্থায় মোঃ মেহেদী হাসানের জীবন বাঁচাতে সমাজের সুহৃদ ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সহায়তার আবেদন করেছেন তাঁর মা।
03/07/2015
They are our future, legacy, Our responsibility, our destiny and we are theirs. We must take care of them with maximum effort.
Can you help?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the organization
Telephone
Address
Dhaka
1000