Crash post
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Crash post, Author, Gazipur, Dhaka.
আমার মা হঠাৎ রাগি কন্ঠে আমাকে বলছে তোমার বউ-কে বলবে আজ থেকে যেন সে নিয়মিত শাড়ি পড়ে তাকে যেন আমি আর থ্রিপিস পড়তে না দেখি?
তাহলে কিন্তু বিষয়টি খুব খারাপ হবে?
আমি উত্তরে বললাম মা তুমি ওর উপর কেন এত রাগ করছ?
ও তো তোমাকে অনেক সম্মান করে অনেক রেসপেক্ট করে তুমি যা বলো তাই শুনে।
তুমি কি তাকে একবারের জন্যও মেয়ে হিসেবে ভাবতে পারছ না।
মা বলছে এত মেয়ে মেয়ে ভাবার দরকার নেই,
সে আমার বউ বউয়ের জায়গায় থাকবে,
তাকে আমি ভালোবাসবো, আদর করবো, কিন্তু তাকে আমি মেয়ে বানাতে পারবো না আর😔
তোর বউ আমাকে এমনভাবে মা ডাকে?
যার কারণে আজকে তিনদিন ধরে ঘুমাতে পারছি না।
আশ পাশের সব মহল্লা থেকে প্রায় ১৩ টা সম্বন্ধে আসছে অলরেডি, তোর বউয়ের বিয়ের জন্য।
আর ফোন তো ধরতেই পারতেছি না ভয়ে?
যেই ফোন দেয় শুধু বলে আপনার মেয়েকে কি আমার ছেলের বউ বানানোর সুযোগ দিবেন আপা,
কয়জনকে বলবো ও আমার মেয়ে না আমার বউ মা। এত জ্বা"লাতন আর সহ্য হচ্ছে না আমার।
কাল থেকে অবশ্যই বলবি বৌমাকে শাড়ি পড়ে ঘোরাফেরা করতে এবং আমার সাথে যেখানে যাবে যেন শাড়ি পড়া থাকে কেমন?
পাশ থেকে আমার লক্ষী বউটা মিটমিট করে হাসছে!
আর আমি বেচারা টেনশনে পড়ে গেলাম মা কি বলে এসব😇🤔🤔🤔
-কলেজের 'খারপ ছেলেটার প্রেমে পরছিলাম। যার কারনে সবাই আমাকে পাগল ভাবতো।
-আজ থেকে ৫ বছর আগে ' হঠাৎ তাকে বলে উঠি আমি আপনাকে ভালোবাসি।
-আমার সম্পর্কে জানো।
-তোমার সম্পর্কে আমার কোন জানার ইচ্ছে নাই। আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই
-আমি একটি খারাপ ছেলে! মেয়েদের ডিস্টাপ করি! কোন কাজ কর্মও করিনা।
-তবুও তোমাকে আমার চাই।
-কিন্তু।
-কোন কিন্তু না। আমি তোমাকে যা বলছি তাই হবে। নাকি আমাকে পছন্দ হয়নি তোমার।
-তোমার মতো এতো সুন্দরী মেয়েকে পছন্দ হবেনা এইটা কোন কথা বললে তুমি।
-ঠিক আছে তোমার বাসা থেকে আমার বাসায় লোক পাঠাও বিয়ের সমন্ধে।
-ঠিক আছে?
'তো এর পরে হাসিব বাসায় এসে উশার বাসায় বিয়ের জন্যে প্রস্তাব পাঠালে উশার বাড়ির কেউ রাজি হয়না। বরং অপোমান করে পাঠিয়ে দেয়'
'এই সব দেখে উশা বাবা মায়ের কথা অমান্য করে হাসিবের সঙ্গে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। এবং দুজন দুজনে বিয়ে করে নেয়।
'এর শুরু হয় নতুন একটি অধ্যায়'
-উশা পরাশুনায় অনেক ভালো ছিলো! তাই হাসিব উশাকে বলে '
-শোন উশা তুমি পরাশুনায় অনেক ভালো। তুমি পরাশোনা করো। আমি ব্যবসা করি।
-কিন্তু!
-কোন কিন্তু নেই তোমাকে পরাশুনা করে বর হতে হবে।
-ঠিক আছে তুমি যা চাও তাই হবে।
'এর পরে উশা পরাশুনা শুরু করে দেয়, এই দিকে উশার পরাশুনা যাতে সমস্যা না হয় এই কারনে হাসিব নিজেই ভাত রান্না করতো, উঠান ঝারু দিতো। থালা বাসন ধুইতো?
'যা দেখে সবাই বলতো এই মেয়ের জন্যে হাসিব কতো কিছু করতেছে বোকার মতো। এই মেয়ে একদিন ছেরে যাবে হাসিব কে।
'এই সব কথায় আবার উশা বা হাসিব কেউ পাত্তা দিতোনা। তারা নিজের মতো থাকতো।
-এই ভাবে দেখতে দেখতে ৫ বছর হয়ে গেলো। উশা এখন ডাক্তার এবং হাসিব একজন ব্যবসায়ি।
-তাদের মধ্যে নেই কোন অহংকার, আছে শুধুমাত্র ভালোবাসা।
"আজ উশার পরিবারের সবাই হাসিব কে মেনে নিয়েছে! তারা বেশ সুখেই আছে।
"আসলেই একটি মেয়ে চাইলে একটি ছেলেকে পরিবর্তন করতে পারে' একটি ছেলে চাইলেও একটি মেয়েকে প্রতিষ্টিত করতে পারে।
অনুগল্প : সুন্দর_স্বামি
Crash post
ভালো লাগলে ফলো করতে ভুলবেন না কিন্তু ধন্যবাদ আপনাকে 🙂
--রাত বাজে ২ টা এমন সময় আমার স্বামী শারী'রিক সম্পর্কের জন্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
--প্লিজজজ আমি অসুস্থ আজকে অত্যন্ত এই সব করিওনা।
--কিইই বললি তুই। আমার মুখের উপরে কথা বলিশ। তোকে আজকেই ডিভোর্স দিবো আমি।
--প্রতিদিন এমন নেশা করে মাতলামো করো। আমার ভালো লাগেনা বলে দিলাম হাসিব।
--এইইই আমি নেশা করি আমার টাকায়। তোর টাকায় নেশা করিনা মা*****?
--শোন আমি কিন্তু গর্ভবতী বতর্মান। একটু তো মানুষিক শান্তি দাও।
হাসিব : কেনো রে এই পৃথিবীতে আর কোন গর্ভবতী মহিলা নেই নাকি।
--তুমি আমাকে যেভাবে নির্যাতন করো। এইভাবে কোন স্বামী তার স্ত্রী কে নির্যাতন করেনা বুজছো।
হাসিব : আমি তোকে নির্যাতন করি।
"কথাটি বলেই হাসিব জুথির চুলের মুঠি ধরে ২টি থাপ্পড় দিয়ে জুথিকে একটি ধাক্কা মারে?
জুথি : এইটার বেশি তোর কাছে আমি কিচ্ছু আশা করিনা। কেনো পাপের সাজা যে ঈশ্বর আমাকে দিচ্ছে বুঝতেছিনা।
হাসিব : চুপ কর।
জুথি : কেনো লজ্জা লাগতেছে। আরে তুইতো একটা কাপুরুষ সারা দিন নেশা করে। রাতে বাড়িতে ফিরে বউকে নির্যাতন করিশ। আমি তোকে নারী নির্যাতনের কেস দিবো।
"এই কথাটি শুনা মাত্রই হাসিব আরো রেগে যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে জুথির পেঠে লাত্থি মারে। যার কারনে জুথি চিৎকার করে উঠে।
"সঙ্গে সঙ্গে হাসিবের বাবা মা বাহিরে এসে দেখে জুথি অঙ্গান হয়ে আছে। যা দেখে ভয়ে জুথিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
"ডাক্টার ভালো করে দেখার পরে বলে আপনাদের একটি দুঃখের সংবাদ আছে। সেইটা হলো আপনাদের বউমার পেটে যে সন্তানটি ছিলো সেটা মারা গিয়েছে।
"যা শুনে হাসিব সহো ওর বাবা মা নিস্তব্ধ হয়ে যায়। তখন হাসিবের মা বলে।
--তোকে কতো বার বলছিলাম পেটে সন্তান আছে জুথিকে মার পিট করিশনা। তুই শুনিশনাই আমার কথা। এখন দেখ কি থেকে কি হলো। (হাসিবের মা)
হাসিব : মা আমি বুঝতে পারিনাই আমি নেশার ঘোরে ছিলাম প্লিজজজ আমাকে মাপ করে দাও।
--মাপ চাইলে জুথির কাছেই গিয়ে চা। আমার কাছে না।বেয়াদব ছেলে কোথাকার। দুর হয়ে যা আমার চোখের সামনে থাকে।
"আসলেই বতর্মান আমাদের সমাজে গর্ভধারণকালীন সময় মেয়েদের যত্ন নেয়া হয়না। তাদের দারায় অতিরিক্ত কঠিন কাজ করানো হয়। তাদের মার ধর করা হয়। যার প্রভাব পেটের সন্তানের উপরে পরে।
#গর্ভধারনী_মা
মন ছুয়ে যাওয়া গল্প পেতে সবাই আমাদের নতুন গল্পের পেজ টা ফলো করুন ।
😭বাস্তবতা💔
“একটা মেয়ে তার bf কে জিজ্ঞেসা
করলোঃ
আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে
হয়ে গেলে তুমি কি করবে?
ছেলেটা উত্তর দিলো, ভুলে যাবো
ছেলেটার উত্তর শুনে মেয়েটি রাগে
অন্যদিকে মুখ ঘোরালো।
ছেলেটি আবার বললঃ তুমিও আমাকে
ভুলে যাবে, এটা সবচেয়ে
বড় কথা। আমি যত দ্রুত তোমাকে ভুলে
যাবো। তার চেয়েও বেশি দ্রুত
তুমি আমাকে ভুলে যাবে
প্রেমিকা প্রশ্ন করলোঃ
কি রকম?
ছেলেটি বলতে শুরু করলঃ মনে করো বিয়ের প্রথম
তিনদিন তুমি এক ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে।
শরীরে গয়নার ভার, মুখে মেকআপ এর প্রলেপ,
চারেদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ,
মানুষের ভিড়। তুমি চাইলেও তখন আমার
কথা মনে করতে পারবে না। ''আর আমি তখন
তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়ত কোন বন্ধুর
সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পরে
থাকবো।
আর একটু পর পর তোমাকে
হৃদয়হীনা বলে গালি দিবো। আবার পরক্ষনেই পুরাতন
স্মৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে
কাঁদবো। "বিয়ের পরের দিন তোমার আরো
ব্যস্ত সময় কাটবে। স্বামী আর মিষ্টির
প্যাকেট, এই দুটো হাতে নিয়ে তুমি
বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাসায় ঘুরে
বেড়াবে।
আমার কথা তখন তোমার হঠাৎ হঠাৎ মনে
হবে। এই যেমন স্বামীর হাত ধরার সময়, এক
সাথে রিক্সায় চড়ার সময়। আর আমি তখন
ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াব। আর বন্ধুদের
বলবো, বুঝলি দোস্ত, জীবনে প্রেম
ভালোবাসা কিছুই নাই। "পরের একমাসে
তুমি হানিমুনে যাবে, নতুন বাসা পাবে,
শপিং, ম্যাচিং,শত প্লান, আর স্বামীর
সাথে হালকা মিষ্টি ঝগড়া। তখন তুমি
বিরাট সুখে l
হঠাৎ আমার কথা মনে হলে ভাববে, আমার
সাথে বিয়ে না হয়ে বোধ হয়
ভালোই হয়েছে। আমি ততদিনে বাপ, মা,
বন্ধু কিংবা বড় ভাইয়ের ঝাড়ি খেয়ে
মোটামোটি সোজা হয়ে গিয়েছি।
ঠিক করেছি কিছু একটা করতে হবে,
তোমার চেয়ে একটা সুন্দরী মেয়ে বিয়ে
করে l
তোমাকে দেখিয়ে দিতে হবে।
সবাইকে বলবো, তোমাকে ভুলে গেছি।
কিন্তু তখনও মাঝরাতে তোমার
এসএমএসগুলো বের করে পড়বো আর
দীর্ঘশ্বাস ছাড়ব। "পরের দুই বছর পর তুমি
আর কোন প্রেমিকা কিংবা
নতুন বউ নেই। মা হয়ে গিয়েছো।
পুরাতন প্রেমিকের স্মৃতি, স্বামীর আহ্লাদ,
এসবের চেয়েও বাচ্চার ডায়াপার, পিটার
এসব নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকবে।
অর্থাৎ তখন আমি তোমার জীবন থেকে
মোটামুটি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে
যাবো। এদিকে আমিও একটা কাজ পেয়েছি।
বিয়ের কথা চলছে। মেয়েও পছন্দ হয়েছে।
আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত।
এবার সত্যিই আমি তোমাকে ভুলে
গিয়েছি💔😅😢
(৩০সেকেন্ড ব্যয় করে অবশ্যই পড়বেন...)
ছেলে :- তোমার পা দেখাও।😡
মেয়ে :- পা দেখে কি করবে ?
ছেলে :- (রেগে) যা বলছি তাই করো, পা
দেখাও।
মেয়ে :- না দেখাব না।
ছেলেটা একটা থা/'প্প/'ড় মে/রে দিল।
ছেলে :- (আরো রেগে) বলছি পা দেখাও।
মেয়ে :- মেয়েটি গালে হাত দিয়ে ধীরে
ধীরে জুতা খুললো। ছেলেটা মেয়েটার পায়ে
দেখল বেশ কিছু ব্লে'টে'র দাগ। তখন ছেলেটার
চোখে অশ্রু চলে এল। ছেলেটা সাথে সাথে
উঠে পড়ল এবং মানিব্যাগ থেকে একটি ব্লেট বের
করল। মেয়েটা সাথে সাথে ছেলেটার হাত ধরে
ফেলল।
মেয়ে :- (কেঁদে কেঁদে) এই তুমি এটা কি
করছ ?
ছেলে :- যা তুমি করেছ।
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর না।
ছেলে :- তুমি কেন করেছ ?
মেয়ে :- তো তুমি কাল আমার মেজাজ গরম
করেছিলে কেন ?
ছেলে :- তাই বলে এভাবে নিজেকে ক'ষ্ট
দেবে ?
মেয়ে :- মাথা গরম হলে এটাই করি।
ছেলে :- এটা করে কি হয় ?
মেয়ে :- জানি না। তবে সাময়িক শান্তি পাই।
ছেলে :- আমিও করব এখন।
ছেলেটা ব্লেট খুলতে শুরু করল।
মেয়ে :- প্লিজ প্লিজ,এটা কর না।
(ছেলেটা তবুও থামছে না। অবশেষে মেয়েটা
কোনো উপায় না পেয়ে ছেলেটাকে জড়িয়ে
ধরল। মেয়েটার ভালোবাসার উষ্ণতা পেয়ে
ছেলেটা থেমে গেল)
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর না। তোমার কষ্ট আমি
সইতে পারব না।
ছেলে :- আমিও তো তোমার ক/স্ট সইতে পারি
না। তাহলে তুমি কেন এমন করলে ?
মেয়ে :- আর কখনো করব না।
ছেলে :- প্রমিজ ?
মেয়ে :- হুম প্রমিজ।
ছেলে :- আচ্ছা সবাই হাত কাটে তুমি পা কা/ট/লে
কেন ?
মেয়ে :- যাতে কেউ দেখতে না পাই সেইজন্য।
ছেলে :- বুদ্ধি গুলো ভালকাজে ব্যবহার করো,
মেয়ে :- আচ্ছা ঠিক আছে, করব।
মেয়েটা ছেলেটার বুক থেকে সরে আসতে
চাইল। কিন্তু ছেলেটা আরো জোরে জড়িয়ে
ধরল।
মেয়ে :- ছাড়।
ছেলে :- না। ছাড়ব না।
মেয়ে :- (সরে আসার চেষ্টা) ছাড় বলছি।
ছেলে :- তাহলে কিন্তু আবার ব্লেট বের করব।
মেয়ে :- ব্ল্যা'ক-মেইল ?
ছেলে :- না। ভালবাসার উষ্ণতা।
(মেয়েটা ছেলেটাকে আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরল)
"একেই বলে রিয়েল লাভ💞ভালোবাসা সুন্দর ✅ ❤️❤️ভালোবাসা সব সময় সুন্দর ❤️❤️
#অনুগল্প
গল্প পড়তে হলে CrCrash postলো করুন
Highlights Myanmar 2
🛌বাচ্চা যখন ঘুমায় তাড়াহুড়ো করে সংসারের সব কাজ শেষ করা,
🕵️♀️রান্না করতে গিয়ে বারবার উঁকি দেয়া যে বাবু উঠে গেল কিনা,
🛀গোসল করতে গিয়ে বারবার কান খাড়া করে শোনা যে বাবু উঠে গেল কিনা,
🧏♀️কোনো রকম পানি ঢেলে সাবান শ্যাম্পু ছাড়া গোসল করা, মাথায় চিরুনি করার কথা ভুলে যাওয়া, মুখে প্রসাধিনি ব্যবহার না করা, নাকে মুখে খাবার খাওয়া,
👩🍼আর রাতে যখন ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে গা এলিয়ে দেওয়ার পরও বাচ্চার জন্য বার বার জেগে ওঠা,
এসব কিছুর মানেই বুঝি মা❤️
🤰এত সব কিছুর পরও সন্তানের সুস্বাস্থ্য, হাসি আর পেট ভরে খাওয়াতে পারাটাই যেন বিশাল প্রাপ্তি।
👩👦ভাল থাকুক পৃথিবীর সকল মায়ের সন্তান। কারন সন্তানের ভাল থাকাই মায়ের ভাল থাকা 💝💝
©
পাঠ ২য়
আর হ্যা ..লাস্ট একটা কথা তুমি আমায় বলেছিলে আমি তোমায় ভালোবাসি কি না?
ভালোবাসি কি না সেটা জানি না,,,,, তোমায় ছারা আমি বাঁচবোনা,,তোমায়একদিন না দেখলে কথা না বললে ভালো লাগে না,,,,,একে যদি ভালোবাসা বলে তাহলে তোমায় খুব বেশি ভালো বাসি,,,,,,,তোমার সাথে বেশি রাগ করি কেনো জানো?,,,আমি রাগ করলে তোমার ভালোবাসা বেশি পাই তাই এমনি তেই রাগ করি,,,,একটু রাগ করলে তুমি কত কিছু করো তাই প্রতিদিন রাগ করি,,,,,,,তোমায়খুব ভালোবাসি তাই তোমার সাথে রাগ
করি.....,,,,আর দেখি তুমি আমায় কত টুকু ভালোবাসো।
একই বয়সের ভালোবাসা সফল হতে ভাগ্য লাগে....তোমার বা আমার সে ভাগ্য নেই,,,,, আমার জন্য চিন্তা করোনা,,,নিজের খেয়াল রেখো,,,,,,সব সব সব কাজ ঠিক মত করো,,,,,,,হয়তো এই কথা আমার তোমার সাথে শেষ বলা,,,,,,( আমি তোমায় ছারা আর কাউকে নিয়ে বাচঁতে পারবো না এই জনমে না পেলে অন্য জনমে পাবো,,,),,,,,এই বলে মেয়েটি আ/ত্যো হ/ত্যা করলো,,,,,, কিন্তু আফসোস চিঠিটা ছেলেটির কাছে পৌছালো না,,,,,কারণ মেয়েটির বিয়ে হওয়ার খবর শুনে ছেলেটি আগেই মা/রা গেছে, ,
😭😭😭
পাঠ ..১ম
একটি মেয়ে বাসর ঘরে থেকে তার প্রেমিকের নিকট চিঠি লিখলো .....
ভালো আছো???
আমি অনেক্ষন ধরে ফুল সাজানো একটি ঘরে বসে আছি!!
পুরো খাটটা গোলাপ ফুল
দিয়ে সাজানো, ওরা হয়তো জানেনা আমার গোলাপ ভালো লাগেনা ...
ঘরটাতে নিঃশব্দে এসি চলছে ..
পুরো দমবন্ধ একটা পরিবেশ,
আজ আমার বিয়ের ১ম রাত
যার সাথে বিয়ে হয়েছে সে আমার চেয়ে গুনে গুনে ১৭বছর বড়।
খুব বড়লোক বোধহয়
বাসার অবস্হা দেখে তাই মনে হচ্ছে।
আমাকে ওরা প্রচন্ডভাবে সাজিয়েছে! পুরো শরীর জুড়ে আমার ভারী ভারী অলংকার।
তুমি ঠিক এই মুহূর্তে কোথায়? নিশ্চয় তোমাদের বাসার ঐ মোড়ে বসে আছো ..??
আচ্ছা তুমি কি খুব ক/ষ্ট আছো?
মনে আছে,???
আমরা কতদিন ধরে
এই রাতটা নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম? কত পরিকল্পনা করতাম এই রাতটা নিয়ে ..মনে আছে?
আমি কিন্তুু বারবার বলতাম বেশি স্বপ্ন দেখোনা .. দেখবে পূরন হবে না।
আর ঠিক তখনি তুমি আমার ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে... বলতে "তুমি আমাকে নিশ্চয় ভালোবাসোনা নাহয় স্বপ্ন ভাঙ্গার কথা বলতেনা .."
সবই ঠিকঠাক ভাবে আছে
ওরা কিন্তুু আমাকে তোমার মনের মতোই সাজিয়েছে ..
তুমি চেয়েছিলে এইদিন আমার চেয়েও সুন্দর আর কাউকে লাগবেনা ....
সত্যি আমাকে আজ অনেক বেশি সুন্দর লাগছে ..
তুমি চেয়েছিলে আমার মুখ দেখে আজকের রাত কাটিয়ে দিতে ... আমিও চেয়েছিলাম ..
তবে চাইলেই সব হয়না বাস্তব বড় কঠিন!
আমি বালিশের নীচে কুৎসিত একটা প্যাকেট পেয়েছি ..
আর হয়তো কোনোদিন কোনো স্বপ্ন
হাত-ছা*নি দিবেনা
তুমি কিন্তুু একদম ভে/ঙ্গে পড়বানা ..সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে!!
তুমি কিন্তু খুব ফুটফুটে একটা মেয়েকে বিয়ে করবে ..তাকে নিয়ে সুখে থাকবে আমায় যত টুকু ভালোবাসতে তাকে কিন্তু আমার থেকে বেশি ভালোবাসতে হবে,,,,,,
আর বিয়ের দিন একদমি আমার কথা ভাববেনা ..
তাকে নিয়ে জোছনা দেখবে ... রোজ ঘুরতে যাবে,,,,,
আচ্ছা ঘুম থেকে সকালে তাড়াতাড়ি উঠবে..
এলার্ম ঘড়ির দায়িত্ব তো অনেকদিন আমি নিলাম .. আর কতো বলো ..
আর সবসময় চুল আচড়াবে ..আমি হাত দিয়ে ঠিক করে দিবো এই আশায় আবার বসে থেকো না ..!,,,তুমি খুব ভালো দেখো তোমার কপালে আমার থেকেও অনেক ভালো মেয়ে জুটবে,,,,,,সে তোমায় খুব খুব বেশি ভালোবাসবে,,,,,,কারণ তুমি খুব ভালো,,,,
আর হ্যা ..লাস্ট একটা কথা .........,... পরের পাঠ দেওয়া আছে উপরে
মেয়ে: ওই ফা*জি*ল?
ছেলে: কি হয়েছে?
মেয়ে: তুই নাকি আমায় ভালোবাসিস?
ছেলে: কে বলেছে?
মেয়ে: আমায় ছাড়া দুনিয়ার সবাইকে
তো বলেছিস!
ছেলে: তো কি হয়েছে? তোকে তো
বলিনি!
মেয়ে: তাই না? এত ভাব নিস ক্যান? তার
মানে তুই আমাকে বলবিনা?
ছেলে: না,আমার ইচ্ছা বলবো না!
মেয়ে: এটা কোনো কথা হলো?
ছেলে: হ্যা এটাই কথা...।
কিছুদিন পর.........
মেয়ে: ওই ফা*জি*ল?
ছেলে: কি?
মেয়ে: তোর বাবা আসছিলো বিয়ের
সম্নধ্য নিয়ে!
ছেলে: তো কি হয়েছে? আমি তো আর
যাইনি!
মেয়ে: আজব! তুই নাকি পাঠিয়েছিস যে,
আব্বুর কি মতামত তা জানার জন্য?
ছেলে: হ্যা তোর মতামত তো জানতে
চাইনি!
মেয়ে: তাই না, এত ভাব নিস ক্যান? তুই
এতো ফা*জি*ল কেনো?
বিয়ের দিন.........
মেয়ে তো কবুল বলছে না!
সে নাকি "বর"কে কিছু বলতে চায়!
সবাই চিন্তা করে "বর"কে পাঠিয়ে দিল!
ছেলে: কি হয়েছে?
মেয়ে: এই ফা*জি*ল, কি ভাবিস তুই একাই
সব পারিস?
ছেলে: মানে কি?
মেয়ে: আগে প্রপোজ কর!
তারপর কবুল.....!
ছেলে: না পারবো না!
মেয়ে: কি, তাহলে বিয়ে হবে না!
ছেলে: আচ্ছা, আই লাভ ইউ!
মেয়ে: এইতো পথে এসেছিস, এখন যাহ্!
মানে যাও......!
বাসর ঘরে.........
মেয়ে: দেখলে, কি করে আমি তোমাকে
দিয়ে বলালাম?
ছেলে: শোনো আমি প্রপোজ করেছি,
কিন্তু তোমায় নয় আমার "বউ" কে!
মেয়ে: কি বললে? তুই তো সত্যিই ফাজিল!
ছেলে: হ্যাঁ, আর তুমি
আমার মিষ্টি বউ!❤
এমন ভালোবাসার গল্প পেতে পেইজটাকে ফলো করে রাখুন
পাঠ :২
ছেলে : কারন আজ আমার অনেক টাকা। কিন্তু তুমি তো গরিব। তোমার সাথে আমার যায়না।
মেয়ে : এটা বলতে পারলে আমাকে ।
ছেলে : হুম পারছি বলতে। এখন অনেক কিছুই বলি আমি ।
মেয়ে : শুনবে না সেই দিন কি হয়েছিলো।
ছেলে: ইচ্ছে নেই শুনতে।
মেয়ে : প্লিজ একটা বার শুনো। প্লিজজ প্লিজজ।
ছেলে : ঠিক আছে তারা তারি বলেন।
মেয়ে : জানো তুমি যেই দিন তোমার বাসায় আমার সম্পর্কে কথা বলেছো । তার ২ দিন পরে তোমার বাবা খোজ করে আমাদের বাসায় আসে। এসে আমার হাত জোর করে বলেছে আমি যেনো তোমাকে এই সব বলি। কারন তা নাহলে তোমার জীবনটা নষ্ট হবে। আরো বলেছে তুমি চাকরি করলে ওনি নিজেই আসবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। তোমার বাবার এমন কথা শুনে আমি ও রাজি হই। কিন্তু কষ্টের বিষয় হলো এর পরে তোমাকে আর খুজে পাইনি। ফেসবুকে নেই আবার নাম্বার বন্ধ ।
ছেলে : কি বলো এই সব তুমি ।
মেয়ে : বিশ্বাস না হলে তোমার বাবা কে ফোন দাও। আর সব শুনো তুমি ।
ছেলে : আমাকে কেনো বলোনাই এই সব হ্যা ।
মেয়ে : তোমার বাবা বারন করেছিলো।
ছেলে : ভালোবাসো আমাকে এখনো।
মেয়ে : ভালো না বাসলে এতোদিনে বিয়ে করে নিতাম অন্য কাউকে। আমার বিশ্বাস ছিলো তোমাকে আমি ফিরে পাবো।
ছেলে : এতো ভালোবাসো আমাকে ।
মেয়ে : হুম অনেক।
ছেলে : I love you.
মেয়ে : I love you to 💜
ছেলে : চলো আজকেই বিয়ে করবো।
মেয়ে : হুম চলো!
"এর পরে দুজনে বিয়ে করে নেয়? আর সুখের সংসার করতে থাকে। ( ভালোবাসা )
পাঠ:১
😢পালিয়ে বিয়ে 😢
ছেলে : জান চলো পালিয়ে যাবো?😢
মেয়ে : না আমি পালাবো না! আমার বাবা মায়ের অনুমতি নিয়েই বিয়ে করবো। 😓
ছেলে : আমার বাসায় তোমার কথা বলেছি! কিন্তু সবাই এক কথায় বলে দিছে আমি রাজি না।
মেয়ে : পালিয়ে বিয়ে করা ঠিক না। বাবা মা কষ্ট পাবে?
ছেলে : চলো পালিয়ে যাই প্লিজ। দেখবা আমাদের ঠিকেই মেনে নিবে।
মেয়ে : পালিয়ে গেলে আমাকে খাওয়াবে কি হ্যা। তুমি তো বেকার। আগে চকরি করো তার পরে।
ছেলে : বিয়েটা করে রাখি।
মেয়ে : না আগে চাকরি তার পরে বিয়ে ?
ছেলে : চাকরিটাই বড় হলো তোমার কাছে। আমার থেকেও!
মেয়ে : অবশ্যই কারন চাকরি না হলে তোমাকে বিয়ে করে আমার লাভ কী।
ছেলে : ওহ আচ্ছা । তুমি আমাকে সত্যি ভালোবাসো না এখন বুজলাম তুমি টাকা পয়সা চাকরি কে ভালোবাসো। ঠিক আছে ভালো থাকিও।
মেয়ে : হুম সেটাই। বেকার ছেলেকে বিয়ে করে জীবন নষ্ট করতে পারবো না।
"এই কথাটি শুনেই ছেলেটির না চাইতেও চোখের কোনে পানি চলে আসে।
" তো এখানেই তাদের ব্রেক আপ হয়?
-৫ বছর পরে হঠাৎ দেখা একদিন " ছেলে ও মেয়েটির।
মেয়ে : কোথায় ছিলে এতো দিন। তোমাকে কতো খুজেছি জানো।
ছেলে : আশ্চর্য আপনি আমাকে খুজে কি করবেন বুজলাম না।
মেয়ে : কনো খুজবো মানে বুজো না।
ছেলা : না বুজি না আর বুজতে ও চাইনা। আমার লেট হচ্ছে এখন চলে যাবো ভালো থাকিয়েন।
মেয়ে : ভালোবাসি তোমাকে ।
ছেলে : আমি ভালোবাসি না আপনাকে ।
মেয়ে : কেনো।
(পরের পাঠ উপরে আছে )
___ছেলে :- তুমি রাতে গেঞ্জি পরে ঘুমাও কেন ?? 🤨
___মেয়ে :- তুমি রাতে লুঙ্গি পরে ঘুমাও কেনো ? 🙄
___ছেলে :- কারণ , আমি ছেলে 😌
___মেয়ে : কারণ , আমি মেয়ে । সমান সমান 🙄
___ছেলে :- বলোনা কেনো পরে ঘুমাও ? 🤔
___মেয়ে :- তুমি কেনো পরে ঘুমাও ? 🙂
___ছেলে :- কারণ , হাওয়া বাতাস চলাফেরা করে , শরীরটা ভালো লাগে 😍
___মেয়ে :- আমারো হাওয়া বাতাস চলাফেরা করে , শরীরটা ভালো লাগে 😍 । সমান সমান 🤭
___ছেলে :- কেমনে সমান সমান হইলো ? । আমিতো সকালে ঘুম থেকে উঠে লুঙ্গি খুঁজে পাই না । এখন বলো তুমি সকালে গেঞ্জি খুঁজে পাও না 🙄
___মেয়ে :- 😒😒..
মন ছুঁ'য়ে যেতে নতুন নতুন গল্প পেতে আমার আইডিটা ফলো করে রাখুন 🥰
*যেই নারীর নাকে হাজার পুরুষের ঘ্রান*সেই নারী কেমনে বুঝবে এক পুরুষের ভালোবাসার টান* অতৃপ্ত কথা
🐦 উঠছে পাখি🕊....…..…........….😏দিচ্ছে ডাক🤔🪷🪷........🌲কুয়াশা আসছে 🌲......"""""......…...🕊️ঝাকে ঝাক🕊️"""""""""....🌴খেজুর গাছে🌴""""""".............🍯রসের হাড়ি🍯"""""......🚵♂️আমি আসছি 🚵♀️""""..........👬তোমার বাড়ি💑"""''""....🚣♂️উঠবে মাঝি🚣♂️"""""..........🤔তুলবে পাল🤔"""""".....👭আমার বন্ধুদের জানাই 👭............🧑🎄শুভ শীতকাল 🧑🎄"''"''' .
🥰🥰এই যে মহারানী 🥰🥰
🙈🙈বউ হবা🙈🙈
🥰🥰মন টা দিয়ে দিবো,, 🥰🥰
ভালোবাসা দিবো,, 💝💝
মাথায় তেল দিয়ে দিবো 🥰
মাঝে মাঝে রান্না করে খাওয়াবো 🥰
কাজ থেকে আসার সময় চকলেট আইসক্রিম নিয়ে আসবো 🥰
ঠান্ডা লাগলে নাক ধরে টান দিবো 🥰
ছুটির দিনে ঘুরতে নিয়ে যাবো 🥰
রাতে বুকে নিয়ে ঘুমাবো 🥰
একটি মিষ্টি মেয়ের আম্মু বানাবো 🥰
তোমায় অনেক যত্ন করবো 🥰
তোমার কথা শুনবো 🥰
সারাজীবন তোমাকে বুকের মাঝে আগলে রাখবো 🥰
কখনো তোমাকে একা করে দিবো না 🥰
সুখ বলো দুঃখ বলো সব সময় পাশে থাকবো 🥰
তোমার হাত শক্ত করে ধরে বলবো ভয় কিসের পাগলি
তোমার পাগল তো তোমারি সাথেই আছে 🥰
আমি :- তোমার পা দেখাও।
মেয়ে :- পা দেখে কি করবে ?
আমি :- (রেগে) যা বলছি তাই করো, পা
দেখাও।
মেয়ে :- না দেখাব না।
আমি একটা থা'প্প'ড় মে/রে দিলাম।
আমি :- (আরো রেগে) বলছি পা দেখাও।
মেয়ে :- মেয়েটি গালে হাত দিয়ে ধীরে
ধীরে জুতা খুললো। আমি মেয়েটার পায়ে
দেখলাম বেশ কিছু ব্লে'টে'র দাগ। তখন আমার
চোখে অশ্রু চলে এল। আমি সাথে সাথে
উঠে পড়লাম এবং মানিব্যাগ থেকে একটি ব্লেট বের
করলাম। মেয়েটা সাথে সাথে আমার হাত ধরে
ফেলল।
মেয়ে :- (কেঁদে কেঁদে) এই তুমি এটা কি
করছ ?
আমি :- যা তুমি করেছ।
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর না।
আমি :- তুমি কেন করেছ ?
মেয়ে :- তো তুমি কাল আমার মেজাজ গরম
করেছিলে কেন ?
আমি :- তাই বলে এভাবে নিজেকে ক'ষ্ট
দেবে ?
মেয়ে :- মাথা গরম হলে এটাই করি।
আমি :- এটা করে কি হয় ?
মেয়ে :- জানি না। তবে সাময়িক শান্তি পাই।
আমি :- আমিও করব এখন।
আমি ব্লেট খুলতে শুরু করলাম ।
মেয়ে :- প্লিজ প্লিজ,এটা কর না।
(আমি তবুও থামছি না। অবশেষে মেয়েটা
কোনো উপায় না পেয়ে আমাকে জড়িয়ে
ধরল। মেয়েটার ভালোবাসার উষ্ণতা পেয়ে
আমি থেমে গেলাম )
মেয়ে :- প্লিজ এসব কর না। তোমার কষ্ট আমি
সইতে পারব না।
আমি :- আমিও তো তোমার কস্ট সইতে পারি
না। তাহলে তুমি কেন এমন করলে ?
মেয়ে :- আর কখনো করব না।
আমি :- প্রমিজ ?
মেয়ে :- হুম প্রমিজ।
আমি :- আচ্ছা সবাই হাত কাটে তুমি পা কাটলে
কেন ?
মেয়ে :- যাতে কেউ দেখতে না পাই সেইজন্য।
আমি :- বুদ্ধি গুলো ভালকাজে ব্যবহার করো,
মেয়ে :- আচ্ছা ঠিক আছে, করব।
মেয়েটা আমার বুক থেকে সরে আসতে
চাইল। কিন্তু আমি আরো জোরে জড়িয়ে
ধরলাম।
মেয়ে :- ছাড়।
আমি :- না। ছাড়ব না।
মেয়ে :- (সরে আসার চেষ্টা) ছাড় বলছি।
আমি :- তাহলে কিন্তু আবার ব্লেট বের করব।
মেয়ে :- ব্ল্যা'ক-মেইল ?
আমি :- না। ভালবাসার উষ্ণতা।
(মেয়েটা আমাকে আরেকটু শক্ত করে
জড়িয়ে ধরল) একানেই গল্প শেষ করলাম। .
এরকম নতুন গল্প পেতে আমার আইডি ফলো করে রাখুন 🥰
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka