Rj Neel
tHe joCKey
13/06/2026
পরপুরুষ — পার্ট ০৩ - Fiction
(চিন্তা,লিখন - আয়হান নীল)
________________________________________
২য় পার্টের পর,,,,,,,,,,
“মিস্টার আয়ান চৌধুরী... চিনতে পারছেন না?”
পিছন ফিরে তাকাতেই আয়ান কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে গেল।
মেয়েটাকে চেনা চেনা লাগছে।
খুব পরিচিত।
কিন্তু কোথা থেকে?
মাথার ভেতর যেন কেউ পুরনো অ্যালবামের পাতা উল্টে দিচ্ছে, অথচ কোনো ছবিই পরিষ্কার হচ্ছে না।
মেয়েটা মুচকি হেসে বললো,
— এভাবে তাকিয়ে থাকলে কিন্তু অস্বস্তি লাগে।
আয়ান হেসে ফেললো।
— পরিচিত লাগছে। কিন্তু মনে করতে পারতেছি না।
— মনে করার দরকার নাই। আমি নিশা।
— নাম বললেই তো আর মানুষ চেনা যায় না।
— ঠিক কথা। তবে গতরাতে আপনার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম।
কথাটা শুনে আয়ান ভ্রু কুঁচকালো।
— ওহ... তাইলে আপনি সেই রহস্যময়ী?
— রহস্যময়ী কিনা জানি না। তবে আপনি যে আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন, সেটা খেয়াল করেছি।
— আমি গবেষণা করতেছিলাম।
— কিসের?
— মানুষ না ঝামেলা, সেটা বুঝার।
নিশা হেসে ফেললো।
(অনেকদিন পর কোনো মানুষের হাসি শুনে আয়ানের বিরক্ত লাগলো না। বরং অদ্ভুতভাবে ভালো লাগলো।)
---
তারা কথা বলতে বলতে হাটা শুরু করলো
আয়ান বললো,
— যেহেতু গতরাতে এভাবে তাকিয়ে ছিলেন, মনে তো হচ্ছে মনে অনেক কিছুই বলবেন, তো এই রোদে পুরে বারবিকিউ না হয়ে আপনি চাইলে কিন্তু এক কাপ চা খেতে বাসায় আসতে পারেন। আপনি তো আর আমার মত চায়ের দোকানের বেঞ্চে বসে সিগারেট ভিজিয়ে চা খাবেন না।
— কিন্তু,, অপরিচিত পুরুষের বাসায়?
— আমি তো অপরিচিতই থাকতে চেয়েছিলাম। আপনি-ই পরিচিত হতে আসলেন, তাও কি ট্রাফিকের মত পিছন থেকে ডাক দিয়ে থামিয়ে দিলেন।
নিশা আবার হাসলো।
— ঠিক আছে। চা খাওয়া যায়।
---
চায়ের কাপ থেকে ধোঁয়া উঠছিল।
আর গল্প জমছিল।
ধীরে ধীরে।
কোনো তাড়া ছাড়াই।
আয়ান জানলো নিশা সেপারেটেড।
বিয়ে টিকেনি।
কারণ জিজ্ঞেস করেও বিস্তারিত জানতে চায়নি সে।
জীবনে একটা জিনিস আয়ান শিখেছে—
মানুষ যখন প্রস্তুত থাকে, তখন নিজের কষ্ট নিজেই বলে।
জোর করে টেনে বের করতে হয় না।
তবু নিশা বললো।
একটু একটু করে।
কিছু অপূর্ণতা।
কিছু অবহেলা।
কিছু না বলা অভিমান।
আর কিছু ভাঙা স্বপ্নের গল্প।
আয়ান চুপচাপ শুনলো।
মাঝে মাঝে শুধু মাথা নেড়ে বুঝিয়ে দিলো— সে শুনছে।
বিচার করছে না।
---
বিকেলে তারা বের হলো।
হাঁটলো।
শহরের এদিক-সেদিক ঘুরলো।
চা খেলো।
ফুচকা খেলো।
নদীর পাড়ে বসে সূর্য ডুবতে দেখলো।
নিশা বললো,
— আপনি এত রাগী কেন?
আয়ান হেসে বললো,
— আমি রাগী না। আমি শুধু অভিনয় করতে পারি না।
— তাই বলে সবাইকে সন্দেহ করেন?
— না। তবে সবাইকে বিশ্বাসও করি না।
— জীবনটা তাহলে কঠিন।
— জীবন কঠিন না। মানুষ কঠিন।
নিশা কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো।
তারপর বললো,
— আপনাকে মানুষ ভুল বোঝে অনেক, তাই না?
আয়ান আকাশের দিকে তাকালো।
— যেদিন থেকে সত্য কথা বলতে শুরু করছি, সেদিন থেকে।
---
রাত প্রায় এগারোটা।
নিশার বাসা আয়ানের বাসার পাশের গলিতেই।
গলির মুখে এসে নিশা বললো,
— আজকের জন্য ধন্যবাদ।
আয়ান বললো
- ধন্যবাদ দিও না। অভ্যাস খারাপ।
নিশা একটু ভেবে প্রশ্ন ছুড়ে দিলো
- আবার কি দেখা হবে?
— পৃথিবী গোল। দেখা হওয়ার অজুহাত খুঁজে নেয় নিজেই।
নিশা হেসে চলে গেল।
আয়ান দাঁড়িয়ে রইলো কিছুক্ষণ।
তারপর নিজের বাসার দিকে হাঁটলো।
---
ফ্রেশ হয়ে বিছানায় শুয়ে ছিল।
ঘুম আসছিল না।
সারাদিনের কথাগুলো মাথায় ঘুরছিল।
অদ্ভুত মেয়ে।
অদ্ভুত একটা দিন।
শেষমেশ সিগারেট হাতে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালো।
ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে নিচে তাকালো।
আর সঙ্গে সঙ্গে তার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠলো।
নিচে একটা মেয়ের অবয়ব।
একদম সেই জায়গায়।
যেখানে গতরাতে দাঁড়িয়ে ছিল।
আয়ান চোখ ছোট করে তাকালো।
এটা...
নিশা?
না কি অন্য কেউ?
কিন্তু নিশাকে তো সে নিজেই বাসায় নামিয়ে দিয়ে এসেছে।
তাহলে?
মেয়েটা আজও মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে।
মুখ দেখা যাচ্ছে না।
চোখেও চোখ মিলাচ্ছে না।
তবু কেন জানি আয়ানের মনে হচ্ছে—
এটাই সেই মেয়ে।
কিন্তু সেটা সম্ভব কীভাবে?
সারাদিন সে কার সঙ্গে ছিল?
নিশার সঙ্গে?
নাকি...
মাথার ভেতর প্রশ্নগুলো পাক খেতে লাগলো।
হঠাৎ সিগারেটের আগুন আঙুলে লেগে গেল।
— ধুর!
চমকে উঠে হাত সরালো আয়ান।
মাত্র এক সেকেন্ড।
এক সেকেন্ডের জন্য দৃষ্টি সরেছিল।
আবার নিচে তাকালো।
কেউ নেই।
ফাঁকা রাস্তা।
ফাঁকা ফুটপাত।
ফাঁকা রাত।
আয়ান স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো।
তারপর ধীরে ধীরে বললো,
- ওমা,,,
— মেয়েটা গেলো কই?
আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন...
আজ সারাদিন আমি কার সঙ্গে ছিলাম?
মাথার ভেতর অদ্ভুত একটা অস্বস্তি কাজ করতে শুরু করলো।
হঠাৎই আয়ান ফোনটা হাতে নিলো।
নিশাকে কল দিতে হবে।
এই রহস্যের একটা ব্যাখ্যা দরকার।
কিন্তু কল দিতে গিয়েই সে থমকে গেল।
স্ক্রিনের দিকে কিছুক্ষণ ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলো।
তারপর নিজের কপালে নিজেই একটা চাপড় মারলো।
একি!
সারাদিন একসাথে কাটালো।
ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প করলো।
চা খেলো।
হাঁটলো।
জীবনের সবচেয়ে ব্যক্তিগত কথাগুলোও শুনলো।
কিন্তু... নিশার ফোন নাম্বার নেয়নি।
না ফেসবুক আইডি।
না ইনস্টাগ্রাম।
না হোয়াটসঅ্যাপ।
কিছুই না।
যেন মেয়েটা সারাদিন ছিল,
আবার ছিলও না।
আয়ান হালকা হেসে বললো,
— বাহ আয়ান চৌধুরী...
তুই তো দেখি বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরও গাধা হইতেছস।
কিন্তু হাসিটা বেশিক্ষণ টিকলো না।
কারণ পরের মুহূর্তেই তার মাথায় একটা ভয়ংকর প্রশ্ন এলো।
যদি নিশা ইচ্ছা করেই কোনো যোগাযোগের মাধ্যম না দিয়ে থাকে?
আর যদি...
নিশা নামটাই আসল না হয়?
বারান্দার নিচে ফাঁকা রাস্তাটার দিকে আবার তাকালো আয়ান।
রাত তখন ১১টা ১২।
চারপাশ নিস্তব্ধ।
কিন্তু কেন জানি তার মনে হচ্ছিল—
কেউ একজন এখনও তাকে দেখছে।
খুব কাছ থেকে।
অন্ধকারের আড়াল থেকে।
চলবে... 🔥
#পরপুরুষ #আয়ান_চৌধুরী #নিশা #বাংলা_গল্প #রহস্য #সাসপেন্স #চলমান_গল্প #চলবে
Hey Shona
30/05/2026
বি:দ্র: বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই, পুরোটাই কাল্পনিক, Its A Fiction. সো দয়া করে কারো জীবনি মেলাবেন না। গল্প ভালোবাসলে পড়ুন, আর মতামত জানান। ধন্যবাদ 🙏❤️😌
চিন্তা - লিখন - আয়হান নীল।
....................পরপুরুষ — পার্ট ০২.......................
আয়ান অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো রাস্তার ওপাশে।
রাতের আধো আলোয় অবয়বটা স্পষ্ট না হলেও বোঝা যাচ্ছিল— একজন নারী।
লম্বা চুল, যদিও রঙ করা। বাতাসে চুলগুলো বারবার মুখের ওপর এসে পড়ছিল।
চেহারা পুরোটা দেখা যাচ্ছিল না, তবুও কেমন যেন পরিচিত লাগছিল।
আয়ান সিগারেটের শেষ টানটা দিয়েও দৃষ্টি সরালো না।
হঠাৎই মেয়েটা মুখ তুলে তাকালো।
চোখে চোখ পড়তেই আয়ানের বুকের ভেতর কেমন একটা অস্বস্তি খেলে গেল।
কোথায় যেন দেখেছে… খুব কাছ থেকে দেখেছে…
কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারছে না।
সে যখন স্মৃতির দরজায় ধাক্কা দিতে ব্যস্ত, ঠিক তখনই মেয়েটা পাশের গলির অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।
আয়ান ঠোঁট বাঁকিয়ে হালকা হেসে বললো,
“রহস্যময় নারীরা সবসময় সিনেমাতেই ভালো লাগে। বাস্তবে ঝামেলা ছাড়া কিছু না।”
ঘরে ঢুকে এক গ্লাস পানি খেলো।
তারপর টেবিলের ওপর পড়ে থাকা বইটা হাতে নিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লো।
কখন যে পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে গেছে, সেটা সে নিজেও টের পায়নি।
---
সকালে কলিংবেলের শব্দে ঘুম ভাঙলো।
দুয়ারে ময়লা ওয়ালা।
বিরক্ত মুখে বালতি এগিয়ে দিয়ে দরজা বন্ধ করেই আয়ান ভাবলো—
আজ ছুটির দিন। নিচে গিয়ে এক কাপ চা, একটা সিগারেট… তারপর বাজার করে দুপুরের রান্না।
গেঞ্জি গায়ে জড়িয়ে, হাফপ্যান্ট পরে নিচে নেমে গেল সে।
চায়ের দোকানে গিয়ে একটা সিগারেট ধরালো।
চায়ের কাপে প্রথম চুমুক দিতেই তার চোখ গিয়ে পড়লো সামনের বিল্ডিংয়ের দিকে।
সেখান থেকে নামছে এক ভদ্রলোক।
পরিপাটি পোশাক।
চুল গোছানো।
হাঁটাচলায় আত্মবিশ্বাস।
সবার দিকে হাসিমুখে সালাম দিয়ে এগিয়ে আসছে।
এই যুগে এমন ভদ্রতা বিরল।
লোকটা চা খেলো, দু’চারজনের খোঁজখবর নিলো, বিল মিটিয়ে চলে গেল।
আয়ান চা মামাকে জিজ্ঞেস করলো,
— মামা, পোলাটা তো বেশ ভদ্রই মনে হয়!
চা মামা হাসলো।
— আরে মামা, ইমন ভাই খুব ভালো মানুষ। বেসরকারি চাকরি করে। বউ আছে, বাচ্চা আছে। নামাজ-কালাম করে, হাদিস জানে, প্রতিবছর ওমরাহ যায়।
আয়ান ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বললো,
— বাহ। ফেরেশতা টাইপ।
চা মামা মাথা নাড়লো।
তারপর একটু থেমে বললো,
— কিন্তু একটা জিনিস বুঝি না মামা… এত ভালো জামাই পাইয়াও হের বউডারে মাঝে মাঝে কেমন মনমরা লাগে। হাসিখুশি দেখি না কখনো।
আয়ানের চোখ সরু হয়ে এলো।
— দেখো মামা, বাইরের গল্প দেখে ভেতরের কাহিনি বোঝা যায় না।
বউয়ের সমস্যা হতে পারে, আবার পোলারও সমস্যা থাকতে পারে।
চা মামা সাথে সাথে প্রতিবাদ করলো,
— আরে না মামা! ইমন ভাই এমন না। আমি মানুষ চিনি।
আয়ান হেসে উঠলো।
— গ্রাম বাংলায় একটা প্রবাদ আছে মামা…
“অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ।”
চা মামা বিরক্ত হয়ে বললো,
— ধুর মামা! সব মানুষরে সন্দেহ করলে চলে?
আয়ান সিগারেটে লম্বা টান দিয়ে বললো,
— মামা, অমানুষগুলাও দেখতে মানুষের মতোই হয়।
তারপর মুচকি হেসে আবার বললো,
— একটা ভাইরাল ডায়লগ শুনছো?
“পৃথিবীর সবাই নষ্ট… কেউ ওপেনে, কেউ গোপনে।”
চা মামা মাথা নেড়ে বললো,
— আমি মানুষ চিনি।
আয়ান এবার সরাসরি তাকালো তার দিকে।
— মানুষ চিনো মামা…
কিন্তু অমানুষ চিনো?
চা মামা কিছুক্ষণ চুপ থেকে হেসে বললো,
— আচ্ছা বলেন তো, আপনি কেমন মানুষ?
আয়ান হেসে বললো,
— এই প্রশ্নের উত্তর দিলে গল্পের মজাটাই শেষ হয়ে যাবে।
চা মামা একটু ভেবে বললো,
— আপনে ভালো মানুষ। আপনে তো মশাও মারেন না, ব্যথা পাইবো বলে।
আয়ান এবার হো হো করে হেসে উঠলো।
মনে মনে ভাবলো,
“হায়রে মামা… এলাকায় নতুন আইছি বইলাই এই ধারণা।
এই আয়ান চৌধুরী জীবনে কী কী করছে, জানলে তোমার চায়ের কেটলিই ঠাণ্ডা হয়ে যেতো।”
চায়ের দাম মিটিয়ে উঠে দাঁড়ালো সে।
আরেকটা সিগারেট ধরাতে ধরাতে হাঁটতে শুরু করলো।
কিন্তু মাথার ভেতর ঘুরছে একটা কথাই—
গত রাতের সেই মেয়েটা কে?
আর কেন তার চোখদুটো এত পরিচিত লাগছিল?
ঠিক তখনই পিছন থেকে একটা নারীকণ্ঠ—
“মিস্টার আয়ান চৌধুরী… চিনতে পারছেন না?”
আয়ান থেমে গেল।
ধীরে ধীরে পিছনে ফিরলো...
চলবে...
#পরপুরুষ #আয়ান_চৌধুরী #চলমান_গল্প #বাংলা_উপন্যাস
29/05/2026
পরপুরুষ — আয়ান চৌধুরী
চিন্তা, লিখন :
আয়হান নীল ........................... পার্ট ০১................................
রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা।
শহরটা ঘুমিয়ে পড়ার অভিনয় করছে, অথচ কিছু জানালার আলো তখনও জ্বলছে— ঠিক যেমন কিছু সম্পর্ক বাইরে থেকে শান্ত দেখায়, ভিতরে ভিতরে পুড়তে থাকে।
আয়ান চৌধুরী বারান্দার এক কোণে বসে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়ছিল।
চোখে তার সেই চিরচেনা উদাসীনতা, ঠোঁটে ব্যঙ্গের হালকা রেখা।
একসময় সেও সংসার নামক শব্দটাকে বিশ্বাস করত।
ভাবত, ভালোবাসা মানেই দু’জন মানুষের একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা।
কিন্তু বাস্তবতা তাকে শিখিয়েছে—
কিছু মানুষ ভালোবাসে না, তারা শুধু সুবিধামতো অনুভূতির অভিনয় করে।
তার স্ত্রীও একদিন বলেছিল,
“তোমার আয় কম, তোমার স্বপ্ন ছোট।”
আয়ান তখন শুধু হেসেছিল।
কারণ সে জানত, টাকা কখনো মানুষকে পরপুরুষের দিকে টানে না…
টানে সেই শূন্যতা, যেটা একজন মানুষ নিজেই নিজের ভিতরে তৈরি করে।
সেদিন থেকেই আয়ান একটা কথা বিশ্বাস করে—
“পরকীয়া কোনো ছেলের একার দোষ না।
একটা ছেলে দরজা ঠেলে ঢোকে না,
দরজা ভেতর থেকে খুলে দেওয়া হয়।”
এই কথাগুলোই তাকে সমাজের চোখে “পরপুরুষ” বানিয়েছে।
কারণ সত্য কথা মানুষ শুনতে পারে না,
বিশেষ করে যখন সেই সত্যটা তাদের আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়।
সিগারেটের শেষ টানটা দিয়ে আয়ান নিচে তাকালো।
রাস্তার ওপাশে একটা পরিচিত ছায়া দাঁড়িয়ে ছিল...
সে কে?
আর কেনই বা এত রাতে আয়ানের বাসার সামনে?
চলবে...
#পরপুরুষ #আয়ান_চৌধুরী #চলমান_গল্প #বাংলা_গল্প
24/05/2026
“Transparency isn’t weakness. It’s a flex most people can’t afford.”
"I’d rather sit with sinners who admit their Sins than with people who act like saints but refuse to admit their flaws"
20/05/2026
----গালি এলার্ট পোস্ট----
দুনিয়া এমন হইছে যে খারাপ কাজ করলে খারাপ হয়না কিন্তু খারাপ কাজকে খারাপ বললেই খারাপ হইতে হয়।
হইলাম খারাপ প্যারা নাই 😏 এতে আমার বা* ছেড়া গেলো 😒
কিন্তু পিলিজ আমাকে ভালা চিনায়েন না 🫡 কিংবা নাটক চো*বেন না। 😌
আমার লিস্টে ওমন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরা, হজ্জ করা, সমাজের অনেক সুশিল মাদার**দের 🤬 চিনি যাদের আমলনামা হাতে ধরায় দিলে সোশ্যাল মিডিয়া তো বাদই দেন বাংলাদেশেই সারভাইভ করা কঠিন হয়া যাবে 🤣। আজকার জন্য এটুকুই ঠিকাছে।
You may see Savage World Not Savage People's 🤣🤣🤣
✌️ PEACE
18/05/2026
Phone Samhalkar 🤣🤣🤣 Aas Pas ke Asmita (Saanp) se dur rehna 🤣🤣🤣
If you know you know
Kono Ek Srabone - ReCall-Cover
Click here to claim your Sponsored Listing.