Muhammad Ullah
Official Page of Muhammad Ullah
মুহাম্মাদ উল্লাহ এর অফিস?
*পঞ্চাশ বছরের গবেষণায় চারটি বাক্য উদ্ধার!*
আরব বিশ্বের অত্যন্ত জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার, দা’ঈ ও সুবক্তা ড. শায়খ আইদ আল কারনি তার এক বক্তৃতায় বলেন, আমাকে যদি পঞ্চাশ বছরের অভিজ্ঞতালব্ধ উপদেশ করতে বলা হয় তাহলে আমি চারটি বাক্য বলব।
আরো পঞ্চাশ বছর পর যদি আবারো আমার কাছে উপদেশ চাওয়া হয় তাহলেও আমি এই চারটি বাক্যই বলব।
★ লা তাহযান
★ লা তাখাফ
★ লা তাগদাব
★ লা তাসখাত
ব্যাখ্যা :
★ লা তাহযান।
অতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না। অতীতকে দাফন করে ফেলতে হবে চিরতরে। ডিলিট করে ফেলতে হবে মেমোরি থেকে।
★ লা তাখাফ।
ভবিষ্যৎ নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তা ন্যস্ত করে দিতে হবে মালিকের উপর। তাওয়াক্কুল করে নিতে হবে আরো সুদৃঢ়, আরো মজবুত।
★ লা তাগযাব।
জীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে আপনাকে। কখনো রাগ করবেন না।
★ লা তাসখাত।
আল্লাহর কোনো ভাগ্য সংক্রান্ত ফয়সালাকে অবহেলা করবেন না কখনো। মাথা পেতে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নেয়ার মধ্যেই রয়েছে সফলতা।
বাংলাদেশে আপেল বাগান নেই তাই হয়তো কোন নিউটন জন্মায় না৷
আছে প্রচুর সরিষা ক্ষেত,নারকেল বাগান তাই জন্মে তেল বাজ৷
#তেল_বাজ_জিন্দাবাদ
নেতার কথায় প্রতিবেশী কে আঘাত করো না।
নির্বাচনের পর নেতা কে আর খুজে পাবে না।
প্রতিবেশীই তোমার সুখে দুঃখের সাথী।
বিদ্রোহী (নোয়াখালি ভার্শন)
কও বীর
কও খাঁড়া আর শির
মাথা নোঁয়া আই কইতন্ন আর খাড়া শির
কও বীর
কও হুড়া দুইন্নার আসমান ছিড়ি
চান সুরুজ তারা বেগ্যিন ছোলাই বোলাই
গোলক ছোলক বেগ্যিন হাড়ি
আল্লার আরস হুডা করি
উডিয়াছি আই মাগ্যো মা হুলুস্থুলকারবার
আর কফালে জলে লাল ভগবান
শক্ত দাড়া হীর
কও বীর
আই হারাজীবন খাড়া
তেড়া নয়, আর শীর
আই তুফান, আই ঠান্ডা
আর সামনে যা হড়ে বেগ্যিন আই
ঠেঙ্গের তলে হিসি ফালাই
আই দাত দি কামড়াই করি ছারখার
আই হেইডাই করি যেইডাই মন ছায়
আই শত্রুরে দাবাত দি খাবাই
আবার আজরাইলের লগে গোল খেলাই
আর মাথা খারাপ, আই হাগল
আই খাই কাছা আন্ডা
আই কামদ্দি ছিমড়াই, খামছাই,
ছোলাই, বোলাই
উষ্টা মারি হিয়ার হরে হোতাই
কও বীর
( কালেক্টেড)
মায়ানমার হতদরিদ্র একটা দেশ। এর শাসকরা অসৎ লোভী আর দুর্নীতিপরায়ন। অন্যদিকে আরব শেখরা ক্যসিনোতে একরাতে যে পরিমান টাকা উড়ায় তার একশ ভাগের একভাগ অর্থের বিনিময়ে মায়ানমার সরকারের কাছ থেকে রোহিঙ্গাদের জন্য সারা বছরের নিরাপত্তা কেনা সম্ভব। টাকা এমন জিনিস যা অতি দুর্বলরেও মুহুর্তেই ক্ষমতায়ন করতে পারে।
আরব শেখ রাস্ট্রসমুহ বা অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালি ইন্দোনেশিয়া মালয়শিয়ান সরকারগুলো চাইলেই খুব সহজে রোহিঙ্গাদের অর্থের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করতে পারে। কিন্তু তারা সেটা করে না। কারনে তারা মুসলিম ভাতৃত্ব বলে কোনো জিনিসরে দুটাকা দিয়েও পুছে না। ইনফ্যাক্ট "মুসলিম ভাতৃত্ব" জিনিসটা আসলে একধরনের সুখ কল্পনা যা রাসুল (স:) এর মৃত্যুর সাথে সাথে শেষ হয়ে
12/09/2016
ঈদ মোবারক
EID MUBARAK
"আল্লাহর কাছে (কোরবানির পশুর) রক্ত-মাংস কিছুই পৌছে না। পৌছে কেবল তোমাদের সদিচ্ছা-তাকওয়া।"
(সূরা হাজ্জ : ৩৭)
সবাইকে জানাই ঈদুল আযহার প্রানঢালা শুভেচ্ছা
06/07/2016
ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে সবাইকে
🌙ঈদ মোবারক
🌙ঈদ মোবারক
🌙ঈদ মোবারক
পবিত্র ঈদ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিময় !
এক সময় বাসন্তীরা দুর্ভিক্ষের কারণে মাছ ধরা জাল পরত। আর এখন একই কিছিমের জাল পরে গ্ল্যামার প্রদর্শনের নিমিত্তে। তখনকার বাসন্তীদের ছিল খাবারের দুর্ভিক্ষ। এখনকার বাসন্তীদের চলছে নৈতিকতার দুর্ভিক্ষ।
খবর:-""সীমান্ত হত্যায় বাংলাদেশিদের দায়ী করলেন স্বরাষ্ট্রসচিব""
যার উপর দায়িত্ব দেশের মানুষের জিবনের নিরাপত্তার নিশ্চিত করার সেই বলে এই কথা!!!
"এরা আয়নায় মুখ দেখে কী করে"
"এরা সন্তানদের কাছে মুখ দেখায় কী করে"
"এরা সমাজে হাঁটে কী করে"
বাংলাদেশে এখন চলছে "দুষ্টের শাসন শিষ্টের দমন"-এর চূড়ান্ত অধ্যয়।আপনি বেহায়া হন, বেঈমান হন, বেপরোয়া হন, বেয়াদব হন, বেখবর হন, ভালো যতকিছু আছে তার সবকিছুর আগে "বে" জুড়ে সেগুলো হন, চাইলে বেয়াইও হতে পারেন, তাহলেই এই দেশ এখন আপনার "সব পাওয়া"-র দেশ। "বে"-যুক্ত কুকর্ম বা কুকথা যত বেশি দেখাতে পারবেন, "উন্নতির" দুয়ার ততই খুলবে।
বিঃদ্রঃ "বে" যুক্ত শব্দের তালিকায় কেউ বেকুব, বেতাল ইত্যাদি হয়ে সফলতা নাপেলে পোষ্ট কারি দায়ি নয়
আমি বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধাদের শহীদের সম্মান করি. মনে প্রাণে ভালোবাসি তাদের. তবে তার মানে এই নয় যে আমি অন্ধ. আমার মতেও মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ নয়. আমি আমার জাতির সম্পর্কে সঠিক ইতিহাস জানতে চাই. এরজন্য রাষ্টদোহী মামলা করার কিছু নাই. আসলে অতি দুঃখের বিষয় যে, আমার দেশে একটি রাজনৈতিকদল মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করে. তারা এর উপর ভরসা করে ক্ষমতায় থাকতে চায়. তারা বিশ্বাস করে যতদিন এই ব্যবসা যত ভালোভাবে চালানো যাবে ততোদিন দেশ ক্ষমতা হাত ছাড়া হবে না. তাই তারা সারাটা বছরই শুধু ৪৫ বছর আগের মুক্তিযুদ্ধের নানান দিবস নিয়ে এখন ও দিন কাটায় যা পৃথিবীর অন্য কোনো স্বাধীন দেশে নাই. হায়রে পাবলিক তোমরা সারাটা বছর এভাবে কাটালে উন্নতির দিকে ধাবিত হবা কখন???
বিশ্ব বাজারে তেলের দরপতন অব্যাহত। বর্তমানে ১ ব্যারেল ক্রুড ওয়েলের দাম ২৮ ডলার।
এরই মাঝে ইরান ঘোষণা দিয়েছে প্রতি দিন ৫ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করবে। এর অর্থ দাড়ায় তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০ ডলারে নেমে আসবে।
বর্তমান দামে যদি হিসাব করি তবে লিটার প্রতি তেলের দাম বিশ্ব বাজারে দাড়ায় নিম্নরুপ-
১ ব্যারেল = ১১৯ লিটার।
তাহলে ১ লিটার তেলের বর্তমান বাজার মুল্য = ২৮/১১৯ = ০.২৩৫২ ডলার
১ ডলার = ৭৮ টাকা
তাহলে ১ লিটার তেলের দাম টাকায় = ০.২৩৫২*৭৮ = ১৮.৩৬ টাকা।
বাংলাদেশে এক লিটার পানির দাম =২০ টাকা। আমরা নাকি নদী মাতৃক দেশ?
বিশ্ব বাজারে ১ লিটার তেলের ১৮.৩৬ টাকা। ওদের কি তেলের নদী আছে নাকি? না, সাগর দিয়ে পানির বদলে তেল প্রবাহিত হয়?
এখন যদি তেলের দাম সত্যি ২০ ডলার/ব্যারেল এ নেমে আসে তবে লিটার প্রতি তেলের দাম দাঁড়াবে,
২০/১১৯= ০.১৬৮০৬ ডলার।
মানে প্রতি লিটার তেলের দাম তখন বাংলাদেশী টাকার দাঁড়াবে = ১৩ টাকা।
১৯৯০ সালে ইরাক যখন কুয়েত আক্রমন করে তখন আমরা এই দামে তেল কিনতাম বাজারে। বিশ্বের তেলের মার্কেটে আবার সেই ৯০ এর দশকে ফিরে যাচ্ছে।
কিন্তু নদী মাতৃক আমাদের দেশে খাওয়ার পানির দাম দিন দিন বেরেই চলেছে।
আর তাই বহির্বিশ্বের বাঙ্গালীদের প্রতি অনুরধ, To save water drink oil.
কলম্বাসের সহকর্মীরা কেউ ছিল খুনি,কেউ ছিল দাগী আসামী বা রেপিস্ট। ফলে বেঁচে থাকার শেষ সুযোগ হিসাবে সমুদ্র অভিযান কেই তাঁরা বেছে নেয় বিনা বাক্যে। কলম্বাসের লক্ষ্যের সাথে যোগ হয় তাদের বেঁচে থাকার সুতীব্র বাসনা। ফলাফল আমেরিকা।
অস্ট্রেলিয়া, আন্দামান-নিকবোর বা অন্যান্য খুঁজে পাওয়া দ্বীপ গুলোতে চাষাবাদের জন্য ইউরোপীয়রা বিশেষ করে ব্রিটিশরা একই পন্থা অবলম্বন করে। হয় বেঁচে থাকো, নয় মরে যাও। বেঁচে থাকার জন্যই তখন মানুষ শেষ চেষ্টা করে গড়ে তুলেছিল আলাদা আবাস ভুমি।
আর খ্যাদ্যের অন্বেষণ করা ইউরোপ পেয়েছিল তাদের স্বর্গ গড়ে তোলার হাতিয়ার। আর বিশ্ব পেয়েছিল চোর ডাকাত খুনি থেকে পরিবর্তিত হওয়া কর্মঠ এক জীন। যারা কিনা বদলে দিয়েছে এই পৃথিবীকে।
আজ থেকে ৫০০ বছর আগে ইউরোপ যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল
ঠিকএকই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন এখন আমরা। অপ্রতুল ভুমি, কর্মহীন মানুষ, চোর-ডাকাত, খুনিতে ভরা সমাজ। সাজা প্রাপ্ত এই সকল মানুষ এখন রাষ্ট্রের বোঝা। তাদের কে ব্যাবহার করার সঠিক পন্থা খুঁজে বের করলে তা হবে রাষ্ট্রেরই মঙ্গল।
মঙ্গল অভিযানে তাদের কে না পাঠানো গেলেও কারিগরি প্রশিক্ষন দিয়ে জেলের মধ্যে কাজে লাগালে তা হবে রাষ্ট্র ও উভয়ের জন্য মঙ্গলজনক।
কারণ ১০ বছর জেল খেটে বের হয়ে আসার পর তাঁরা আবার অপরাধের দিকেই ধাবিত হয়। কারণ তাদের অন্য কাজ করার মতো কোন উপায় যদি না থাকে।
Click here to claim your Sponsored Listing.