Tutorials Update 24
Hello! I'm a professional teacher. This page is only for education purpose.
12/11/2025
যারা ভাবছেন আমেরিকা কি আমার জন্য?— এই পোস্টটি শুধু আপনাদের জন্যই।
পর্ব ১ — এখান থেকেই শুরু। অনেকেই inbox বা group এ এসে বলেন:“আপাতত ভেবে দেখছি, আমেরিকায় পড়তে যাওয়া কি আমার পক্ষে সম্ভব হবে?”
উত্তর — হ্যাঁ, ১০০% সম্ভব।
কিন্তু শর্ত হলো: ধৈর্য + ধারাবাহিকতা + সঠিক দিকনির্দেশনা।
যারা এইমাত্র সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, “না, আমি আমেরিকাতেই পড়তে যেতে চাই”—তাদের জন্য এ পোস্টটি মূলত একেবারে বেসিক ধারণা তৈরি করার জন্য। পোস্টটা একবার মন দিয়ে পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন, প্রক্রিয়াটা মোটেও ভয়ংকর না এবং যে কেউ, সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে, সফল হতে পারে।
Undergraduate Program (অনার্স প্রোগ্রাম)
বাংলাদেশে যেটাকে আমরা অনার্স বলি, আমেরিকাতে সেটাকে বলে Undergraduate Program।Undergraduate প্রোগ্রামটি মোট চার বছরের, এবং এই চার বছরকে তারা ধাপে ধাপে ভিন্ন নামে ডাকেন। প্রথম বছরকে বলা হয় Freshman year, যেটি আমাদের দেশে অনার্স প্রথম বর্ষের সমতুল্য। দ্বিতীয় বছর হলো Sophomore year, অর্থাৎ অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ। তৃতীয় বছরকে বলা হয় Junior year, যা আমাদের অনার্স তৃতীয় বর্ষের মতো। আর চতুর্থ বছর বলা হয় Senior year, যেটি অনার্স চতুর্থ বর্ষের সমান। অর্থাৎ, আমাদের অনার্সের চার বছরকে তারা Freshman → Sophomore → Junior → Senior নামে চিহ্নিত করে। উদাহরণ:আপনি যদি এখন HSC শেষ করেন এবং আমেরিকাতে পড়তে যেতে চান → আপনি Freshman হিসেবে ভর্তি হবেন।
Graduate Program (Masters + PhD)
বাংলাদেশের মাস্টার্স + পিএইচডি প্রোগ্রামকে আমেরিকায় একসাথে বলা হয় Graduate Program। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে Master’s → ১.৫ – ২ বছর আর PhD → ৪ – ৬ বছর (কিন্তু এতে থাকছে ফান্ডিং + স্টাইপেন্ড, অর্থাৎ খরচ লাগে না, বরং টাকা পাওয়া যায়)
F1 Visa — স্টুডেন্ট ভিসা
আপনি যখন কোন আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন, আপনাকে দেওয়া হবে একটি I-20 Form। এই Form দেখিয়ে আপনি F1 Student Visa এর জন্য আবেদন করবেন। সহজ করে বললে: ফান্ডিং + I-20 = ভিসার সবচেয়ে বড় শক্তি Assistantship = Scholarship = Funding (সব একই জিনিস) অনেকেই ভাবে স্কলারশিপ মানে শুধু টিউশন ফি কমে যাওয়া। না।
USA-তে Funding মানে হচ্ছে— টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে মাসে মাসে বেতন দেবে আপনি নিজের বাসা + খাবার + সব খরচ নিজেই চালাতে পারবেন বাংলাদেশি টাকায় সাধারণত মাসে $1300 – $2500+ পাওয়া যায় মানে প্রায় ১,৫০,০০০ – ২,৮০,০০০ টাকা/মাস Assistantship
দুই ধরনের: Research Assistantship (RA)
এখানে আপনার কাজ হবে—ল্যাবে গবেষণা করা থিসিস/প্রজেক্টে কাজ করা প্রফেসরকে রিসার্চে সাপোর্ট করা
মজার ব্যাপার:
যে কাজ আপনি করতেই যাচ্ছেন (থিসিস/প্রজেক্ট), তার জন্য ইউনিভার্সিটি আপনাকেই টাকা দিচ্ছে।
উদাহরণ
ধরুন আপনি Machine Learning নিয়ে মাস্টার্স করছেন। আপনার প্রফেসর Lung Cancer Detection নিয়ে গবেষণা করছেন। আপনি তাঁর টিমে কাজ করলে—
→ আপনার মাস্টার্সের থিসিসও এগিয়ে যাবে
→ আর মাসে মাসে বেতনও পাবেন।
Teaching Assistantship (TA)
এখানে আপনার কাজ হবে— ক্লাসে প্রফেসরকে হেল্প করা কুইজ/অ্যাসাইনমেন্ট চেক করা মাঝে মাঝে Discussion Session নেওয়া
TA রা সাধারণত কম গবেষণা করে, কিন্তু যোগাযোগ দক্ষতা বেশি হয়।
আপনি চাইলে RA→TA বা TA→RA Switch করতে পারেন।
Fall Session vs Spring Session
আমেরিকায় ভর্তি মূলত দুই সেশনে হয়ে থাকে—Fall এবং Spring। Fall Session শুরু হয় August–September এর দিকে, এবং এই সেশনেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সবচেয়ে বেশি Funding বা Assistantship অফার করে। তাই বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী এই সেশনকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেয়, কারণ ফান্ডিং পাওয়া এবং কোর্সওয়ার্ক শুরু করার দিক থেকে এটি সবচেয়ে সুবিধাজনক।
অন্যদিকে Spring Session শুরু হয় January মাসে। এই সেশনেও ভর্তি এবং ফান্ডিং পাওয়া সম্ভব, তবে Fall তুলনায় এখানে ফান্ডিং-এর পরিমাণ একটু কম থাকে। তারপরও যারা প্রস্তুতি নিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত নেয় বা আলাদা সময়ে শুরু করতে চায়, তাদের জন্য Spring একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। তাই মোট কথা, সবচেয়ে বেশি International Students Fall Session-এই যায়, কিন্তু সঠিক প্রস্তুতি থাকলে Spring-এও সফল হওয়া পুরোপুরি সম্ভব।
Standardized Tests (যা যা লাগবে)
USA-তে উচ্চশিক্ষার জন্য কিছু Standardized Test দিতে হয়, যেগুলো আপনার দক্ষতা এবং প্রস্তুতির প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। সবার আগে আসে IELTS বা TOEFL, যা মূলত ইংরেজি ভাষা বোঝা, বলা, লেখা এবং শোনার সক্ষমতা যাচাই করে। যারা Undergraduate, Graduate, বা PhD—যে লেভেলেই পড়তে যান না কেন, ইংরেজিতে স্বচ্ছন্দ হওয়া তাই অপরিহার্য।
Undergraduate (অনার্স) প্রোগ্রামে যারা আবেদন করবে, তাদের জন্য সবচেয়ে পরিচিত পরীক্ষা হলো SAT। এই পরীক্ষাটি সাধারণত ১২শ শ্রেণির পরের স্টুডেন্টরা দেয়, এবং এটি আপনার Math + English reasoning দক্ষতা যাচাই করে। SAT-এর স্কোর অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে Scholarship / Tuition Waiver পাওয়ার ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখে। তবে সব বিশ্ববিদ্যালয় SAT বাধ্যতামূলক রাখে না—অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন Test-Optional। তবুও, ভালো SAT স্কোর থাকলে ভর্তি ও ফান্ডিং দুটিতেই বেশ সুবিধা পাওয়া যায়। তাই যারা Bachelor’s করতে চান, তাদের জন্য SAT একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি ধাপ।
Graduate প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে বিষয়টি একটু ভিন্ন। বেশিরভাগ MS/PhD প্রোগ্রামে আবেদন করার সময় বিশ্ববিদ্যালয়রা GRE স্কোর চায়। এই পরীক্ষাটি আপনার অ্যানালিটিক্যাল রিজনিং, সমস্যা সমাধান, এবং একাডেমিক চিন্তাশক্তি যাচাই করে। আর যারা MBA করতে চান, তাদের জন্য রয়েছে GMAT, যা মূলত বিজনেস স্কুলে ভর্তি যোগ্যতা মূল্যায়ন করে এবং আপনার ব্যবস্থাপনা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা যাচাই করে, কিন্তু বর্তমানে প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ই GMAT-এর পরিবর্তে GRE স্কোর গ্রহণ করছে।
Beginner Suggestion:
প্রথমে IELTS/TOEFL → তারপর GRE। Ivy League — নাম আছে, দাম আছে ইউএসএ-তে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেগুলোকে Ivy League বলা হয়। এই ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নামেই বড় না—এগুলোতে ভর্তি হওয়া খুবই প্রতিযোগিতামূলক। কারণ এগুলোতে ভর্তি হওয়ার জন্য লাগে খুব শক্তিশালী একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, ভালো রিসার্চ প্রোফাইল, উচ্চমানের লেখা (SOP), এবং বিভিন্ন ধরনের অর্জন।
Ivy League এর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো: Harvard University, Yale University, Princeton University, Brown University, Cornell University, Dartmouth College, Columbia University, এবং University of Pennsylvania (UPenn)।
যদিও এই তালিকা ছোট, এর বাইরে আরো অনেক শীর্ষমানের বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে—কিন্তু এই বিশেষ ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিকভাবে এক বিশেষ গ্রুপ হিসেবে পরিচিত, আর তাই এগুলো নিয়ে মানুষের আলোচনা ও আকর্ষণ সবসময়ই একটু বেশি। কিন্তু MIT এবং Stanford Ivy League না —তারপরও এরা Ivy’র চেয়ে অনেক ক্ষেত্রে বেশি শক্তিশালী।
কিছু সাধারণ ভুল ধারণা (Myths)
অনেকের মাঝেই USA Higher Study নিয়ে কিছু ভুল ধারণা খুব প্রচলিত। অনেকে মনে করেন, আমেরিকায় পড়তে গেলে অনেক টাকা লাগে। কিন্তু সত্য হলো, আপনি যদি Funding/Assistantship পান, তাহলে আপনার টিউশন ফি শূন্য হয়ে যায়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় মাসে মাসে বেতনও দেয়, যেটা দিয়ে আপনি নিজের থাকা-খাওয়ার খরচ সহজেই চালাতে পারবেন। আবার অনেকেই ভাবেন, CGPA কম হলে USA সম্ভব না—এটাও ভুল ধারণা। Research experience, SOP (Statement of Purpose), এবং Strong LOR (Recommendation Letter) এর মাধ্যমে CGPA-কে খুব সুন্দরভাবে ব্যালেন্স করা যায়। তাই CGPA কম হলেও, সঠিক প্রস্তুতি থাকলে আমেরিকা সম্পূর্ণভাবে সম্ভব।
আরেকটা বড় ভুল ধারণা হলো, উচ্চ IELTS স্কোর না থাকলে হবে না। বাস্তবে, বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য IELTS 6.5 বা 7.0-ই যথেষ্ট। আর সেই পুরোনো কথা—"গ্রাম থেকে এলে ভিসা হয় না"—এটাও সম্পূর্ণ ভুল। ভিসা অফিসার কখনো আপনার জেলায় জন্ম বা গ্রামের ঠিকানা দেখে সিদ্ধান্ত নেন না। তারা দেখেন আপনার প্ল্যান, যুক্তি, প্রস্তুতি, এবং আপনার কথার আত্মবিশ্বাস। তাই আপনি শহরের হোন বা গ্রামের—সঠিক প্রস্তুতি থাকলে আমেরিকার দরজা সবার জন্য খোলা।
আপনি যদি বাস্তবিকভাবে চেষ্টা করতে চান—তাহলে জায়গা, পরিবেশ, background, CGPA—কিছুই একমাত্র সমস্যা নয়।
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো— ইচ্ছা + কাজ শুরু করা।
Collected
Use of Either vs Neither vs Both
30/07/2025
আমেরিকার যে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো সবচেয়ে বেশি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট প্রতিবছর নেয়
আমেরিকার প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ই বিদেশী ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করায়। সব চেয়ে বেশি স্টুডেন্ট আসে ফল সেমিস্টারে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট নেয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ আছে যার মধ্যে অন্যতম একটি হলো বিভিন্ন র্যাংকিং এ ডাইভার্সিটি এর দিকটি ও দেখা হয়। এছাড়া ও বেশ কম বেতনে এদেরকে দিয়ে ভালো রিসার্চ করানোর সুযোগ থাকে যেটি আমেরিকানদের দিয়ে সম্ভব নয়। তাই, সবাই চায় বিশ্বের বিভিন্ন রিজিওন থেকে স্টুডেন্ট ভর্তি হউক। আজকে আলাপ করবো যে সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলো সব চেয়ে বেশি স্টুডেন্ট নেয়, সেগুলো নিয়ে।
এ ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল ২০১৯ এ সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদেশি স্টুডেন্ট ভর্তি হয়েছিলঃ
Colorado State University
Kent State University
University of Toledo
University of Kansas
University of Texas at Arlington
Loyola University Chicago
Virginia Commonwealth University
University of Utah
University of Colorado Boulder
University of Cincinnati
University of Texas at Dallas
উল্লেখ্য যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গুলোই ৮২%-৯৯% বিদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের এপ্লিকেশন একসেপ্ট করেছিল। এর মধ্যে কিছু ইউনিভার্সিটির কথা উল্লেখ করা যায় যেমন University of Toledo ২০১৯ এর ফল সেশনে ৬৭৫ জন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট একসেপ্ট করেছি এবং হার হলো ৯৯%। Colorado State University নিয়েছিল ৬১২ জন আর হার ৯৯%। University of Kansas ৫০৯ জন এবং ৯৮% ছিল এক্সপেট করার রেট। University of Texas at Dallas এ ৮২% হারে নিয়েছিল ৫১৩ জন। সর্বো সাকুল্যে দেখা যাচ্ছে একসেপ্ট করার হার বেশ ভালো যেটি আশা জাগানিয়া।
বাংলাদেশ থেকে অনেক স্টুডেন্ট বিভিন্ন ভার্সিটিতে আবেদন করে হতাশ হয়, হয়তো খুঁজে বের করতে পারেনা কারা বেশি ইন্টারন্যশনাল স্টুডেন্ট নেয়। একটু খুঁজে আর নিজের প্রোফাইলের সাথে মিলিয়ে এপ্লাই করতে পারলে সুযোগ অনেকখানি বেড়ে যায়। এ লিস্টের ভার্সিটি গুলোতে যদি কারো পছন্দের সাবজেক্ট থাকে, তাহলে এপ্লাই করা উচিৎ। কারণ নেক্সট ফল সেশনের এপ্লিকেশন কিন্তু চলছে।
সূত্রঃ US News
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka