Albe peya

Albe peya

Share

22/01/2026

ফেসবুক এখন আর শুধু বিনোদনের জায়গা না, এটা এখন টাকার মাঠ। কিন্তু এই মাঠে কি সবাই সমান সুযোগ পায়? 🤔

কেয়া পায়েল ভিক্ষুক সেজে একটা ছবি পোস্ট দিছে। ক্যাপশনে লিখছে, এই এক ছবিতেই সে ৪০৫ ডলার ইনকাম করতে চায়। তবে রিএকশন আর শেয়ার দেখে বোঝাই যাচ্ছে, একদিনেই হয়তো ৫০০ ডলারের বেশি ইনকাম হয়ে গেছে। একটা ছবি, একদিনে, এত ইনকাম! 😮

এখন একটু সাধারণ মানুষের দিকে তাকান। অনেকে বছরের পর বছর কনটেন্ট বানায়, মাথা খাটায়, সময় দেয়। তিন-চার বছর লেগে যায় ইনকাম চালু করতে। আর যখন ইনকাম শুরু হয়, তখন মাস শেষে যা আসে, তা যেন ভিক্ষার টাকার মতো।

পার্থক্যটা কোথায়? পার্থক্যটা হলো ফেমে। সেলিব্রেটিরা নাটক-সিনেমা করে যেমন বড় অঙ্কের টাকা পায়, তেমনি ফেসবুকে একটা ছবি বা ভিডিও দিলেই হাজার হাজার ডলার ঢুকে যায়।

এখানে ট্যালেন্ট কম-বেশি বিষয় না, এটা আসলে ফেসবুকের সিস্টেম। যাকে সবাই চেনে, তাকেই ফেসবুক বেশি দেখায়। আর যাকে কেউ চেনে না, সে যত ভালো কাজই করুক, দেখার লোক কম।

এই কথা কাউকে হেয় করার জন্য না। এইটা বাস্তবতা। ফেসবুকে কষ্ট করে কনটেন্ট বানায় সাধারণ মানুষ, আর বড় ইনকামটা যায় পরিচিত মুখদের পকেটে। 🥹

✍️Ajminur Oarish✨

21/01/2026

#নাশিদ

21/01/2026

আগামীতে কাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান??
তারেক রহমান ❤️
ড. শফিকুর রহমান 😮

21/01/2026

চো"রে"র মন পুলিশ পুলিশ।। সিরিয়াল কি/লা/র সম্রাট মানুষ খু/ন করা যার নে/শা সে আবার পুলিশের পোশাক পরে ঘুরতো।। মানে কতোটা বুদ্ধি এই শ"য়"তা"নে"র মাথায়।। কেউ যাতে তাকে সন্দেহ না করে তার জন্য এই সব পাগলামি করতো।। সাভার মডেল থানার সামনে দিয়ে পুলিশের পোশাক পরে ঘুরতো।। একজন কে এমনভাবে
এ/সি/ড দিয়ে পু/ড়ি/য়ে ছা"ই করে দিয়েছে তার কোনো অংশ অবশিষ্ট নেই।।
এখন আবার বাঁ/চা/র জন্য এই সা/ই/কো নতুন নাটকের আশ্রয় নিচ্ছে।। বলছে যারা অ"নৈতিক যৌ/ন/কা/জ করতো ও তাদেরকে বেছে বেছে মা/র/তো।। বৃদ্ধা, শিশু ও এর হাত থেকে বাঁ/চ/তে পারেনি।। যাকে টা"র্গেট করেছে তাকেই শে//ষ করেছে বি"শ্রী ভাবে।। ৬ জনকে খু//নে//র প্রমান মিলেছে এখন পর্যন্ত না জানি আরো কতো লোক কে শে//ষ করেছে।। এই সম্রাট তো এক এক বার এক এক জায়গায় আস্থানা গাঁ"ড়"তো।।
সবাই সাবধান যাকে তাকে পাগল ভেবে ভুল করবেননা।। মনে রাখবেন সা/ই/কো/রা হয়তো পাগলের ছদ্দবেশ নয়তো খুবই ভালো মানুষের ছদ্দবেশ ধরে ঘুরে বেড়ায়।। যতটা ভালো মানুষ আপনি কাউকে কল্পনা ও করতে পারবেননা।। প্রথমেততটা ভালোমানুষি দেখাবে।। শি"কা"র ধরার পর তাঁদের আসল রূপ বের হয়।। 😔😔

20/01/2026

#অনিবার্ন_প্রণয়..
#লেখিকা_আনিকা_আফরিন
#পর্ব_০১.....

প্রায় ১০ বছর পর। আফজাল তালুকদারের ছোট ছেলে আরিয়ান তালুকদার বাড়ি ফিরলেন।
লেখাপড়ার খাতিরে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। ১৬ বছর বয়সে।
লেখাপড়া কমপ্লিট হয়েছে আরো দুই বছর আগে।
এই দুই বছরের বিজনেসের নানা কাজে বিদেশে থাকতে হয়েছে তাকে।
আজকে আরিয়ান বাড়ি ফিরছে। মা চাচীর এই দিকে আনন্দ শেষ নেই।
আজ দীর্ঘ ১২ বছর পর ছেলের চাঁদ মুখ্য না। মন ভরে দেখবে বলে। মা চাচিরা অপেক্ষায় আছে সকাল থেকে।
ছেলের জন্য বাহারি আয়োজন বাড়িতে।
অবশেষে বেলা বারোটায় আরিয়ান পাল রাখলো তালুকদার বাড়ির। চৌকাঠে। ছেলের ছায়া টা দেখা মাত্রই। মায়ের দুচোখ বেয়ে অঝোরে পানি পড়তে শুরু হয়ে গেছে। করবে না আইবা কেন। বড় আদরের ছেলে। প্রায় ১২ বছর থেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। যা কথা হয় ভিডিও কলে। সেই দেখায় কি মায়ের মন ভরে। আরিয়ানকে দেখতে পেয়ে মা চাচী দুজনে জড়িয়ে ধরে এ কি কান্না। তাদের দেখে মনে হচ্ছে অনেক দিনের তৃষ্ণার্ত মানুষ। চোখের সামনে পানি পেয়েছে। আরিয়ানো মাকে জড়িয়ে ধরে। কিছুক্ষণ কেঁদে নিল। ঝরে গেল সকলের মনের অনুভূতিগুলো।
আহিয়ান বাড়িতে ফিরে ড্রয়িং রুমে সোফায় বসলো। সকলের সাথে ভাঙলো মন্দ কিছুক্ষণ আলাপ আলোচনা করে। সকলের জন্য আনার গিফট গুলো। সবার হাতে হাতে তুলে দিল।
ছেলেটা বড়ই ক্লান্ত। অনেক দূরের পথ জার্নি করে এসেছে তার একটু বিশ্রামের প্রয়োজন।
তাই সে মায়ের কাছে জিজ্ঞাসা করল। সে কোন রুমে থাকবে। বাড়ির কাজ নতুন করে করায়। সকলের রুমগুলো এলোমেলো হয়ে গেছে।
আরিয়ানের আম্মু আয়েশা তালুকদার। ছেলের কাছে এসে মৃদু হেসে বলল: দোতালায় গিয়ে এক ডান সাইটের কর্নারের রুম টাই তোর। আয়শা তালুকদার ছেলের রুমটা লাগজারিয়াস রুমের মতো সাজিয়ে রেখেছে।
আরিয়ান মৃদু হেসে সকলের থেকে বিদায় নিয়ে। নিজের রুমের দিকে গেল।
লম্বা একটা র নিয়ে শাওয়ার নিয়ে। বিছানার হেডবোর্ড হেলান দিয়ে ফোন স্কল করছেন আরিয়ান।

দরজাটা একটু চাপিয়ে দেওয়া ছিল। তাই দেখে আয়েশা তালুকদার ছেলেকে একটু নক দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে।
হাতে তার দুপুরের খাবার। আয়েশা তালুকদারও মোহনা তালুকদার। ছেলের জন্য খাবার নিয়ে ঘরে এসেছেন।
অনেকদূর জার্নি করে এসেছে। তাই আর কষ্ট করে ছেলেকে নিচে খেতে যেতে দিলেন না।
মোহনা তালুকদার আহিয়ানের চাচি ।

মা চাচিকে দেখে আরিয়ান ব্যস্ত হয়ে দাঁড়িয়ে গেল।
—আম্মু.. মামনি তোমরা কষ্ট করে কেন উপরে আসতে গেলে আমি তো যাইতাম কিছুক্ষণ পর।
আয়শা তালুকদার মৃদু হেসে বললেন: আমাদের ছেলেটা এতদিন পর এসেছে বাড়িতে, একটা দিন না হয় আমরা কষ্ট করলাম..
তুই খেয়ে নে। তারপর একটু ঘুমিয়ে নিস অনেক ক্লান্ত হয়ে গেছিস। অনেক দূর পর জার্নি হয়েছে তো।

আয়েশা তালুকদার ছেলেকে খাইয়ে। আবার নিচে গেল বাড়ির বাকি সদস্যদের। দুপুরের খাবার সার্ভ করতে।

আরিয়ানা লক্ষ্মী ছেলের মত খেয়ে দে ঘুমিয়ে পড়েছে।

বিকেল প্রায় চারটা বাজে। মোহনা তালুকদারের একমাত্র মেয়ে। মহুয়া তালুকদার মেঘা। আহিয়ানের চাচ্চু মুশফিক তালুকদারের মেয়ে।

মেঘা কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছে। হাতের বই খাতার ব্যাগটা। ঘোরাচ্ছে ও সাথে নিজেও ঘুরছে।
গুনগুনিয়ে গান গাইতে গাইতে সিঁড়ির বেয়ে উঠছিল।
তার উদ্দেশ্য নিজের রুমে যাবে।
তার রুমে দোতালায়। আরিয়ান এর পাশের রুমটাই মেঘার রুম।

হঠাৎ আরিয়ান তাড়াহুড় করে নামছে সিঁড়িবে।

এদিকে মেঘা উঠছিল নিজের মনে গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে। কেউ কাউকে লক্ষ্য করেনি। তাই তাই আরিয়ানের বাহু লেগে। মেয়েটা হোঁচট খেয়ে পড়ে যায়। পুরো চোদ্দ দুটো সিঁড়ি গড়িয়ে পড়ে মেঘা।
ঠোঁটের নিচে কেটে গেছে অনেক খানি। কপালে কেটে গেছে খানিকটা।
পা টা তো বুঝি ভেঙ্গে গেল।
ঠোঁট ও কপাল দিয়ে রক্ত ঝরছে অঝোরে।
মেঘা সিড়ির নিচে ফ্লোরে বসে কান্না করছে
ও আম্মু গো ও আব্বু গো ও বড় আম্মু তোমরা সবাই কই।
বাড়িতে তো আসতো দানব ঢুকে পড়েছে। আমি মরে গেলাম। আমাকে বাঁচাও,,,আ আহ্যাহ্যা। কান্না করছে।

এদিকে সিঁড়ির ওপর একজন থ মেরে বসে রয়েছে। মেঘার রক্তমাখা মুখখানা আর সাথে এমন কান্না। আরিয়ানের চোখে কিরকম ঘর লাগিয়ে দিয়েছে।
আরিয়ানের চোখে মেঘাকে অপ্সরা থেকেও বেশি সুন্দরী লাগছে।

সে কাঠের পুতুলের মত সিঁড়ির উপরে বসে শুধুই দেখেই যাচ্ছে।
একবার চোখের পলক পর্যন্ত ফেলছে না।
আনমনে বিড়বিড় করে বলে উঠলো: এই বাড়িতে পরী থাকে আর আমি কখনো জানতেই পারলাম না....

মেঘা ব্যথায় সকলকে ডাকতে ডাকতে সেখানেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।

ওর ডাক শুনে রুম থেকে বেরিয়ে এসেছে আফসার তালুকদার আয়েশা তালুকদার, মোহনা তালুকদার, মুশফিক তালুকদার, আরো বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা।

মোহনা তালুকদার ছুটে এসে দেখল মেয়ের সিঁড়ির নিচে পড়ে আছে।
কপাল ও ঠোঁট ফেটে রক্ত পড়ছে। মা তার কাছে আরিয়ান বসে ডাকছে। এই সুন্দরী তাকাও। কি হল তোমার।

মোহনার তালুকদার মেয়ের এরকম অবস্থা দেখে। সে কি কান্নাকাটি। মিনিট এই বাড়িতে মারামারি করে ফেলেছে।
—এই মেয়েটা আমার কোন কথা কোনকালে শুনেছে কখনোই শুনিনি... ওকে কত হাজার বার করে বলেছি একটু দেখে শুনে পথ চল একটু দেখেশুনে পথ চল. কে শুনে কার কথা... আল্লাহতালা দেয়নি তা দুটো ডানা.. উড়ে বেড়াতো.. ও পারে না শুধু বাতাসের সাথে মিশে চলাফেরা করতে...
আল্লাহ গো আমি কি করবো ওই মেয়েকে নিয়ে।
সবার কথার মাঝে আরিয়ান বলে উঠলো: হাসপাতালে নেওয়া উচিত.... এভাবে কান্নাকাটি না করে।

ত্রিশ মিনিটের মধ্যে মেঘা কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলো।
পায়ে বেশি ব্যথা পাওয়ার কারণে পাঠক ফুলে উঠেছে।। কিন্তু ভাঙেনি। মচকে গেছে। পুরোপুরি ঠিক হতে ১৫ দিন তো লাগবেই। কিন্তু এক সপ্তাহের মত হাসপাতালে থাকতে হবে।
একসাথে না থাকলেও তিন দিন তো বাধ্যতামূলক থাকতেই হবে।
মেঘার জ্ঞান ফিরেছে। বাড়ির সকলে দেখা করে চলে গেছে।
সোহান ও মোহরা তালুকদার রয়ে গেল মেঘার সাথে হাসপাতালে।
বাকিটাও যেতে চাচ্ছিল না। কিন্তু সোহান বুঝিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে।
সোহান হল আরিয়ানের মেজো ভাই। আফজাল তালুকদারের তিন ছেলে। বড় ছেলে মিরাজ। মেজো ছেলে সোহান,, ও ছোট ছেলে আরিয়ান। বড় ছেলে বিয়ে করেছে পাঁচ বছর আগেই। তার একটা মেয়ে আছে। মেয়ের নাম দীপ্তি। ও তার স্ত্রীর নাম দীপা।

মুশফিক তালুকদারের এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে বড় ইমরান তালুকদার। সোও পড়াশোনার খাতিরে বিদেশে আছে। পড়াশোনা কমপ্লিট করতে আরো দুই বছরের সময় লাগবে।
পুরো তালুকদার বাড়ির একমাত্র মেয়ে মেঘা। মুশফিক তালুকদার ও আফজাল তালুকদারের। বড় আদরের মেয়ে।

বাড়ির গিন্নিরের কখনো সাহস হয়ে ওঠেনি। ওদের সামনে মেঘা কে চড়া গলায় কথা বলতে।
তাদের কথা তাদের একমাত্র মেয়ে যেভাবে চলতে ভালবাসে সে সেভাবেই থাকবে।
কেউ কখনো ধমকও যাতে না দেয়।

তালুকদার বাড়ির বাকি সদস্যরা বাড়িতে এসেছে কিছুক্ষণ হয়।
তাদের কারো মন আজকে ভালো নেই। বাড়ির একমাত্র আদরের মেয়ে হসপিটালের বেটে পড়ে আছে। এতে সকলেই ভীষণ দুঃখিত...

বাড়ির হেলপিং হ্যান্ড আলেয়া। সকলের জন্য চা কফি ও হালকা নাস্তার ব্যবস্থা করেছেন।
কিন্তু সকলেই খেতে নারাজ। তাদের মন ভালো নেই আজকে তাই। প্রতিদিনের মতো আজকের সন্ধ্যাটা এত আমেজ নেই।

তবুও আলেয়ার জড়াজড়িতে সবাই একটু করে নাস্তা করল।

রাত প্রায় নয়টা ত্রিশ মিনিট। সবাই হালকা খাওয়া-দাওয়া করে যার যার রুমে চলে গেছে।

ওইদিকে মেডিকেলের বেডে শুয়ে মেঘা ব্যথায় কুকাচ্ছে

পা নাড়াতে পাচ্ছে না পর্যন্ত। পাবেই বা কিভাবে...? ভীষণ ব্যথা পেয়েছে যে পায়...
মনে মনে বুকে উঠলো: কোথাকার ইতর বাদর বাড়িতে ঢুকে পড়ে....
বাদরামি যদি করারে থাকে তো জঙ্গলে গিয়ে করুক না।
আমাদের বাড়িতে তার কি..?

মেঘা এখনো জানে না তার আরিয়ান ভাই এসেছেন।

মোহনা তালুকদার মেঘার জন্য খাবার নিয়ে আসলেন।

—মেঘা খাবারটুকু খেয়ে নিয়ে ভদ্র মেয়ের মত...
—হ্যাঁ আম্মু একটু খাইয়ে দাও.. সে সকালেই একটু নাস্তা করে কলেজে গেছি.. এখন পর্যন্ত কিছু খাওয়া হয়নি ভীষণ খিদে পেয়েছে...
—আ কর আমি খাইয়ে দি....
কিন্তু সমস্যা হল আ করতে গিয়ে। মেঘার ঠোঁটের নিচে অনেকটা কেটে গেছে।
ব্যথায় হা করতে পারছে না। তাই মোহনা তালুকদার কে বলল: আম্মু.. ব্যথার জন্য খেতে পারব না ঠোটের ভীষণ জ্বালা করছে আমি খাব না তুমি খেয়ে নাও বরং..
—কিন্তু মোহনা তালুকদার মেয়ের কথা শুনলেন না.. ছোট ছোট করে কয়েক লকমা খাবার মুখে তুলে দিলেন....

খাবার খাইয়ে দিতে দিতে বললেন: তোকে কতবার বলি নিজের প্রতি একটু খেয়াল রাখ.. একটু সাবধানে চলাফেরা করতেও তো পারিস... এরকম লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে বাঁদরের মতো কেন চলতে হয়...
আজকে যদি ওখান থেকে পড়ে বড় কিছু একটা হয়ে যেত আমি কি করতাম।
তুই কেন বুঝিস না। তোর কিছু হলে মাও কষ্ট পায়।

মেঘা এবার কাঁদো কাঁদো মুখ নিয়ে বলল: আমি কি করলাম আম্মু... ধাক্কা মেরে ফেলায় দিল... তোমরাই তো যাকে তাকে বাড়িতে ঢুকতে দাও।
দানবের মতো একটা শরীর নিয়ে আমাকে ধাক্কা দিলে আমি কি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারব।
তুমি না জেনে আমাকে এভাবে বকছো কেন....?

— আচ্ছা আম্মু ওই লোকটাকে...?
—তুই কি তোর আরিয়ান ভাইয়ের কথা বলছিস নাকি...?
—আমি বিশ্বাস করি না ওই লোক আমার ভাই হতেই পারে না....
আস্ত একটা ই তোর বাঁদর চোখ কপালে নিয়ে ঘোরে কিছুতেই আমার ভাই হতে পারে না।
আমাকে এক দেখাতেই হাসপাতালের বেডে পাঠিয়ে দিয়েছে। এমন ভাই আমি চাই না।
বলে মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়লো মেঘা।

রাত প্রায় ১০:৩৬
তালুকদার বাড়ির সকলেই ঘুমিয়ে পড়েছে। শুধু একজোড়া চোখ এখনো জেগে আছে।
আর আরিয়ান প্রায় এক ঘন্টা থেকে। এদিক সেদিক পায়চারি করছে।
একবার বেলকনিতে যাচ্ছি। একবার বারান্দায় কিছুক্ষণ হেঁটে আসছে। কখনো বা নিজের রুমে হাঁটাহাঁটি করছে। তার কিছুতেই চোখে ঘুম আসছে না আজ।
মন টানছে হাসপাতালে বেটে শুয়ে থাকা মেঘের কাছে।

বারবার চোখের সামনে ভেসে বেড়াচ্ছে বিকেলের সেই রূপসীর রক্তমাখা মুখখানা।

হঠাৎ এক সময় সে নিজের বাইকটি নিয়ে। বেরিয়ে গেল তালুকদার বাড়ির সীমান ছেড়ে।

নেক্সট পর্বের জন্য ফলো করুন
উপন্যাস প্রেমির আড্ডা

আজকের পর থেকে দুইটা গল্প দেওয়া হবে। এটা গল্পের প্রথম পর্ব। তাই সকলে নিজের মতামত প্রকাশ করবেন। গল্পটা পড়তে আগ্রহ কিনা। ধন্যবাদ।

14/01/2026

সৎ পথে করিও ভ্রমন যদিও হয় দেরি। অসৎ নারীকে করিও না বিয়ে যদিও হয় সে পরী।

07/01/2026

তুমি আমার ভালোবাসা

06/01/2026

#আমৃত্যু_ভালোবাসি_তোকে #পদজা #সিজন_৩

06/01/2026

সেই ফাতেমাকে ফু/পু/র স্থানে দিলেন জা/ই/মা রহমান এটি তাদের আদর্শ ও পারিবারিক শিক্ষা তিনি ব....see more

05/01/2026

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Dhaka