BM Biplob Mondol
হিংসা পতমের মূল। হিংসা ত্যাগ করো দেখবে ঈশ্বর তোমাকে ভাগ্যের সন্ধানে পৌঁছে দিয়েছে। 🥰
16/05/2025
ভালোবেসে সর্বহারা
বিপ্লব মন্ডল
ভালোবেসে ছিলাম আমি
ব্যর্থা দিয়ে গেলে তুমি।
সহ্য করে বেঁচে আছি,
ভবঘুরে হয়ে আমি।
আমার জীবন নিয়ে তুমি,
করলে এমন খেলা।
জীবনের কী নেই দাম
তোমার কাছে হেনা?
আমি এখন সর্বহারা
পৃথিবী তাই বলে।
তুমি আছো বড়োই সুখে,
আমায় দিয়ে ব্যর্থা।
পৃথিবী ছেড়ে নিলাম বিদায়
সুখে থেকো তুমি।
আর হবে না দেখা বন্ধু,
এই জীবন গেল বৃথা।
05/05/2025
প্রেমিকার বায়না
বিপ্লব মন্ডল
আমি প্রেমিক বড় হাবাগোবা
প্রেমিকা আমার বড় বোঝা।
দুইজনের প্রেমের জীবন
টিকে আছে সাপ আর নেউল যেমন।
রেস্টুরেন্টে যাবে আজ
বায়না বড় খাঁজে-খাঁজ,
কথা শুনে মাথায় বাজ।
আমি বলি দোকানে চলো
খাবার সেথায় অনেক ভালো।
আমার কথা শুনে সে,
চোখ দুইটি বড় করে।
তাঁকিয়ে থাকে মিনিট ধরে
যেন সে খেয়ে ফেলে
রুদ্রমূর্তি দেখে তার,
ভয়ে আমি কেঁপে সার।
ধমক দিয়ে বলে সে
আমি যাবো রেস্টুরেন্টে।
প্রেমিকার এক সেই কথা,
আমার কি সাধ্য হেথা।
রেস্টুরেন্টে গিয়ে দুইজন
অর্ডার করে সে মনের মতো।
চাউমিন, চিকেন আরও কত কি!
পকেটে হাতিয়ে টাকা দেখি
এবার বুঝি মানিব্যাগ হবে খালি।
কপালে হাত দিয়ে আমি
একটু আড়ে দেখি তারে
ভাবি একি ডাইনি আমার,
খেয়ে নিবে সবি সাবাড়।
প্রেমিকা বলে,কপালে হাতে ভাবছো কি?
আমায় একটু বলো দেখি।
চোখে নামিয়ে বলি আমি
ভাবছি না তো কিছু আমি,
দেখছি শুধু তোমায় আমি।
কত সুন্দর চেহারা খানি!
এছাড়া ভাববো কি আমি?
প্রেমিকা আমার কথা শুনে
মুচকি হেসে বলে তিনি,
তুমি প্রেমিক অনেক ভালো।
রাগে আমার গা জ্বলে
কিছু বললে বাঘিনী সাজে!
এবার দেখি খাবার এলো,
লুডুস্ আর মুরগির মাংস ভালো।
আমি বলি প্রেমিকা তুমি
অর্ডার দিলে,
চাউমিন, চিকেন আরও কি যে কি?
এ দেখি লুডুস্, মুরগির মাংস ভারি
প্রেমিকা আমার হাসি দিয়ে,
বলে প্রেমিক হাবলু বটে।
দেখছি তুমি জানো না কিছু
এগুলোই চাউমিন, চিকেন
খাবো এখন মজা করে।
এবার প্রেমিকার খাওয়া শুরু,
খাওয়া দেখা ছাড়া নেই কিছু।
খাওয়া শেষ করে সে
বিলটা দিলো হাতে ধরেন,
দেখি আমি হাজার তিনে
আকাশ ভেঙে পড়ে আর কি?
সালাম করি প্রেমিকাকে
রেস্টুরেন্টে আর আসবো আমি।
21/10/2024
মায়ের কৃপা
বিপ্লব মন্ডল
আশ্বিন মাসের পূর্ণিমায়
পঞ্চমী তিথি হয়।
সেই তিথির আলো যেন
সবার ঘরে বয়।
তোমার চরণ পড়লো মাগো
সবার ঘরে ঘরে।
তোমার কৃপায় অন্ধকার আজ
দূর হলো তবে।
অলক্ষ্মী কোথায় যাবে
ভাবছে বারে বারে।
লক্ষ্মী পেঁচা জানান দিলো
মঙ্গল হবে সবে।
ধন-সম্পদ ভরে দিও
বলি ভক্তি ভরে।
তোমায় পেয়ে পূর্ণতা পেলো
ধরাধামের পরে।
15/10/2024
পরপারের ডাক
বিপ্লব মন্ডল
পরপারের ডাক পড়েছে,
সময় বেশি নাই।
এখন তোমার হবে যেতে,
নদীর ঐ না গায়।
নদীর কূলে বাঁধা নৌকা,
মাঝি বসা আছে।
তোমায় মাঝি ডাকছে যবে,
নৌকায় উঠতে হবে।
সারাজীবন করেছো পাপ,
পূর্ণ্য করো নাই।
তোমার এবার করবে যা,
মানতে হবে তাই।
এবার তোমায় ছাড়বে না মাঝি,
ডাক দিয়েছে যবে।
তুমি এবার বুঝবে ঠেলা,
হিসাব চাইবে তবে।
07/08/2024
স্বপ্নের রাত
বিপ্লব মন্ডল
বাসর রাতে চাঁদের আলোয়
বাঁধবো সুখের ঘর।
সেই ঘরেতে থাকবো মোরা
সারাজীবন ভর।
মোরা দুইজন কাছে এসে
স্বপ্নে দিবো পাড়ি।
সেই স্বপ্নের দুঃখ-কষ্ট
রইবে সারি-সারি।
দুঃখ-সুখের কথা কয়ে
রাত্রি করবো যাপন।
ভোরের আলোয় চুটে যাবে
মোদের ছোট্ট জীবন।
07/07/2024
প্রেমের সমাধি
বিপ্লব মন্ডল
মরে গেলে তুমি কাঁদবে না জানি!
এখানেই শেষ করে দিও,
কিছুই চাইবো না আমি।
শুধু মনে রেখো কোনো একদিন
ভালোবেসে ছিলাম তোমায়ও।
ভালোবাসার পুরনো স্মৃতি,
মন থেকে তুমি মুছে দিও।
আবারও নতুন করে
তোমার জীবন সাজিয়ে নিও।
সেই চেনা সুর শুনে আর
আসবে না আমার কাছে।
শুধু মনে রেখো কোনো একদিন
ভালোবেসে ছিলাম তোমায়ও।
আমার নাম ধরে ডাকবে না জানি,
অন্যের নাম জড়িয়ে আছো তুমি।
কখনও ভূল করে তুমি
আমার সমাধির বেরিতে দিও না ফুল।
সমাধির উপর ভরে থাক না,
ঝরা পাতাগুলো।
শুধু মনে রেখো কোনো একদিন
ভালোবেসে ছিলাম তোমায়ও।
মাটির ঘর
বিপ্লব মন্ডল
সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে
হবে তোমার ঘর।
যাওয়ার আগে করো পুঁজি
ভালো কর্মের ফল।
পূণ্যের খাতা হলে খালি
পড়বে তুমি ধরা।
মাটির ঘরে হবে বিচার
কাঁদবে সারা বেলা।
সাধের জনম পেয়ে তুমি
কিছুই করলে না।
বিধাতা তোমার নিলে হিসাব
কিছুই ছাড়বে না।
ফল যদি করো ভালো
স্বর্গে হবে ঠাই।
মন্দ ফলে তুমি পাবে
নরকের ঠাই।
তুমি আমার
বিপ্লব মন্ডল
প্রশ্ন যতই হোক,
উত্তর তুমি।
রাস্তা যতই হোক,
লক্ষ্য তুমি।
কষ্ট যতই হোক,
সুখ তুমি।
অন্ধকার যতই হোক,
আলো তুমি।
মৃত্যু যতই হোক,
জীবন তুমি।
অভিমান যতই হোক,
ভালোবাসা তুমি।
মিথ্যা যতই হোক,
সত্য তুমি।
পরাধীনতা যতই হোক,
স্বাধীনতা তুমি।
পাপ যতই হোক,
পবিত্র তুমি।
কলঙ্ক যতই হোক,
বিশ্বাস তুমি।
দাবানল যতই হোক,
ঝর্ণা তুমি।
হিঃসা যতই হোক,
অহংকার তুমি।
নিরাশা যতই হোক,
আশা তুমি।
পরাজয় যতই হোক,
জয় তুমি।
অভিশাপ যতই হোক,
মুক্তি তুমি।
তোমার আশায়
বিপ্লব মন্ডল
অভিনয় নয়,
অভিমান ছিলো।
অবহেলা নয়,
ভালোবাসা ছিলো।
বিসর্জন নয়,
বিনিময় ছিলো।
হতাশা নয়,
আশা ছিলো।
বিচ্ছেদ নয়,
নীরবতা ছিলো।
পাগল নয়,
তোমার নেশা ছিলো।
প্রত্যাখান নয়,
প্রতিরোধ ছিলো।
অভিশাপ নয়,
অনুভূতি ছিলো।
আঘাত নয়,
অভিনন্দন ছিলো।
প্রতিক্ষা নয়,
আকর্ষণ ছিলো।
বেদনা নয়,
আনন্দ ছিলো।
অভিযোগ নয়,
প্রেম ছিলো।
বিদায় নয়,
শুভেচ্ছা ছিলো।
আয়ু
বিপ্লব মন্ডল
আয়ু যে দিন ফুরাবে
যেতে হবে একা একা।
আপন-স্বজন, স্ত্রী-সন্তান,
আর হবে না দেখা।
আসছো তুমি খালি হাতে
যেতে হবে খালি।
বাড়ি-গাড়ি, টাকা-পয়সা,
সকল কিছু ছাড়ি।
মরণের কথা গেছো ভুলে
খেলছো রঙ্গ খেলা।
বাহাদুরি বন্ধ হবে
ডুববে তোমার বেলা।
সৎ পথে চলো তুমি
আর করিও না দেরি।
প্রাণ পাখি উড়াল দিলে
একা দিবে পারি।
কিছু কষ্ট বুকের মাঝে
বিপ্লব মন্ডল
আমার কিছু কষ্ট আছে
কিনবে নাকি তুমি?
বিক্রি করে দেবো আমি
যদি কিনো তুমি!
কিছু কষ্ট খুব পুরনো
হীরার চেয়েও দামী।
বিক্রি করে দেবো আমি
যদি কিনো তুমি!
কিছু কষ্ট খুব স্পষ্ট
কিছু কষ্ট ফিকে।
বিক্রি করে দেবো আমি
যদি কিনো তুমি!
নদীর পানে
বিপ্লব মন্ডল
গোধূলি বিকেলে নির্জনে বসে,
একা নদীর পানে চেয়ে আছি।
গাছের ঐ ডালে পাখি ডাকে,
কিছু পাখি নিস্তব্ধ মনে বসে আছে।
নদীর ঢেউয়ের মিতালি মেলে কূলে।
পাতিহাঁস ভেসে বেড়ায় নদীর জলে।
দু-চারটি চিল উড়ছে নীল আকাশে
প্রশান্ত মনে শীতল বাতাসে।
মাছরাঙা বসে আছে শুকনো বাঁশে,
বকগুলো মাছ ধরতে হাঁটছে ধীরে ধীরে।
মাঝি মনের আনন্দে ভাটিয়ালি গায়।
জেলে জাল নিয়ে মাছ ধরতে যায়,
নির্জন নদীর কূলে।
নদী সেজে আছে শাপলা-পদ্মফুলে
পানকৌড়ি রোদ পোহায় ভেজা ডানা মেলে।
নদীর কূলের ধান দুলছে দক্ষিণা বাতাসে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Dhaka