Trending Issues BD

Trending Issues BD

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Trending Issues BD, Media/News Company, Dhaka.

The aim of this page Trending Issues BD is to share all the latest and trending issues happening in Bangladesh so that the citizens of BD can become aware of those incidents.

Photos from Shahariar's Mehendi's post 18/03/2026

কিছু ছেলে আছে৷ একদম শান্ত, স্নিগ্ধ জলের মতোন৷ এদের মাঝে আজাইরা অ্যাংগার নাই, মিসোজিনি নাই, রিলিজিয়াস অর্থ্রোডক্সি নাই, ফ্রাজাইল মেল ইগো নাই।

মানে এদের দেখলেই মনের মধ্যে একটা অদ্ভুত শান্তি শান্তি লাগে, এদের দেখলে মনেহয় এদের মা'কে ধন্যবাদ দিই কারন উনি একজন পুরুষ হিসাবে তাকে রেইজ করেনাই, রেইজ করছে মানুষ হিসাবে৷

এমন পুরুষের সংখ্যা যদিও কম, কিন্তু আমার আইডিতে এমন অনেক আছে। উনাদের কখনো বলাই হয়না যে দূর থেকে হলেও আমি উনাদের অসম্ভব অ্যাডমায়ার করি আর পছন্দ করি।

18/03/2026

কি দরকার ছিলো এতো তাড়াহুড়ো করার? বাড়িতে নাহয় একটু দেরিতেই যেতেন। তাহলে আজ আর লা| শ হয়ে ফিরতে হতো না!

এখন তো সারাজী|বনের জন্য চ|লে গেলেন।

আরেকজনের তো লা| শ বাড়ি যাবে কি-না জানি না দেখলাম পানিতে পরে ডুবে গেলো।

❤️🖤❤️

07/03/2026

কাস্টমারের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে পেটালেন রায় সাহেব বাজারের স্টার হোটেলের স্টাফরা - Vokta Odhikar Bangladesh - ভোক্তা অধিকার

#ভোক্তা_অধিকার_অভিযান #ভোক্তা #ভোক্তা_অধিকার #ভোক্তা_অধিকার_বাংলাদেশ

07/03/2026

কয়দিন ধরে এই আশঙ্কাটাই অনেকে করছিল। এখন মনে হচ্ছে সেটাই হয়তো সত্য হতে যাচ্ছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ঘন্টা দুয়েক আগে টুইটারে দাবি করেছেন:

আমেরিকা ইরানের একটা ফ্রেশ ওয়াটার ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে বম্বিং করেছে। এরফলে ইরানের ৩০টা গ্রামে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

এরপর তিনি হুঁশিয়ার করে বলেছেন:

"ইরানের অবকাঠামোর উপর আক্রমণ অত্যন্ত বিপজ্জনক একটা পদক্ষেপ, যার পরিণতি হবে অত্যন্ত গুরুতর। এই দৃষ্টান্ত যুক্তরাষ্ট্র প্রথম স্থাপন করেছে, ইরান নয়।"

অর্থাৎ, সম্ভবত তিনি হুমকি দিচ্ছেন, আমেরিকার এই হামলার পাল্টা ইরানও পাল্টা হামলা করতে পারে।

কথা হচ্ছে, কোথায়? গালফ কান্ট্রিগুলোর ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টগুলোতে? তাহলেই সেই ডিজ্যাস্টার শুরু হবে, যার আশঙ্কা অনেকে করছিল।

কারণ গালফ কান্ট্রিগুলোতে কোনো নদী নাই। খুবই কম বৃষ্টিপাত হয়। অ্যাকুইফারও যথেষ্ট পরিমাণে নাই।

ফলে অধিকাংশ কান্ট্রি ফ্রেশ ওয়াটারের জন্য হেভিলি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের উপর নির্ভরশীল।

এই প্ল্যান্টগুলোর আক্রমণ দেশগুলোর যে পরিমাণ ক্ষতি করতে পারবে, তেলক্ষেত্রগুলোর উপর আক্রমণও আসলে সে পরিমাণ ক্ষতি করতে পারবে না।

স্বভাবতই সিভিলিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার হওয়ায় এগুলো টার্গেট লিস্টের বাইরে থাকার কথা ছিল।

কিন্তু আব্বাস আরাগচি যেরকমটা বলেছে: উদাহরণটা প্রথমে আমেরিকাই সৃষ্টি করেছে, ইরান না।

03/03/2026

৮০ লক্ষ ই/হু,দিদের জন্য ২০০ কোটি মুসলমান আজ আবাবিল পাখির অপেক্ষায় আছে!
আবাবিল যদি আসেও তাহলে ই/হু,দিদের উপর নয়, আগে মুসলমানদের উপর পাথর নিক্ষেপ করবে!

তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান

02/03/2026

TEL-AVIV looks so beautiful at night...

THANK YOU IRAN 🇮🇷❤️👊

02/03/2026

গত বারের তুলনায় এবারের যুদ্ধ কৌশলে কিছু ভিন্নতা এসেছে। সেইটা কি তা বুঝতে প্রথমত আমরা দেখবো ১২ দিনের যুদ্ধ কৌশলে কি ছিল?

সে সময় আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করতে ইরান একসাথে একশোটি মিসাইলের ঝাঁক প্রেরণ করতো।

সেগুলোকে প্রথমে জর্ডান ও সিরিয়ার আকাশে নিষ্ক্রিয় করতে বিমান ও দূর পাল্লার এন্টি মিসাইল arrow ব্যবহার করা হতো, আরো কাছে আসলে আমেরিকার থাড ও ডেভিড স্ট্রিং ব্যবহার করতো, শেষ মুহূর্তে ব্যবহৃত হতো আয়রন ডোম। এভাবে একশটির মধ্যে মাত্র তিনটি মিসাইল ল্যান্ডিং করতে পেরেছে।

কিন্তু কেন ইরান এভাবে ঝাঁকে ঝাঁকে পাঠাতো? কারণ একটি দুইটি পাঠালে এত বিশাল নিরাপত্তা বলয় পার হবার আগেই শেষ হয়ে যাবে এই শংকায়। সেই তুলনায় একসাথে এতগুলো পাঠাতো যেন কন্ট্রোল করতে না পারে, রাডার জ্যাম হয় এবং একসাথে এতগুলো ম্যানেজ করতে না পেরে মিসাইল ল্যান্ডিং করে।

কিন্তু অচিরেই এর থেকে ভালো বুদ্ধি বের করলো ইরান। তা হচ্ছে যেহেতু মিসাইল দামী এবং এর প্রতিরক্ষা আরো অনেক দামী তাই কিছু মিসাইলের খোসা পাঠিয়ে দেই। এভাবে খরচ লাগলো কম আর শত্রুর ব্যয় বেশি।

সব মিলিয়ে একটি মিসাইল ধ্বংস করতে একাধিক স্তরে মোট যেই পরিমাণ খরচ করতে লাগে তা প্রায় দশ গুণের সমান। অর্থাৎ, মিসাইল আর খালি মিসাইলের ঝাঁক একত্রে পাঠিয়ে তাকে ইচ্ছা মত দেউলিয়া বানানো যাক।

এভাবে চলতে থাকলে ইজরাইল নিজেও সতর্ক হয়ে উঠে। তখন সে কেবল মাত্র শহর এবং সামরিক স্থাপনায় আসা মিসাইল ঠেকাতে কাজ করে বাকি গুলো ছেড়ে দেয়।

এত দিনে ইরান বুঝে উঠে দিনের কোন সময় কোন প্যাটার্নে মিসাইল মারলে এন্টি মিসাইল কম কাজ করে। দিন শেষে এটি সফটওয়্যার ও রাডার এর খেলা। তাই এদেরকে কোন এলগরিদমে ফাকি দেওয়া সহজ তা বিশ্লেষণ করে কাজ করতে থাকলে সাক্সেস রেট বেড়ে যায়।

তাই তারা অনেক ক্ষেত্রে প্রথমে এক ঝাঁক পাঠিয়ে ঠিক তার পরেই আসল লক্ষ্য বরাবর কিছু উন্নত মিসাইল পাঠালো। কিংবা পূর্ব আকাশে নিক্ষেপ করে পশ্চিমে আরেক ঝাঁক পাঠালো।

এর ফলে শহরের কেন্দ্র বিন্দু, গোয়েন্দা হেড কোয়ার্টার ইত্যাদিতে আক্রমণ করে নাকানি চুবানি খাওয়াতে থাকে শত্রুকে।

কিন্তু তখনও মূল খেলা শুরু হয় নি। খুব দ্রুত ইরান লক্ষ্য করে শত্রুর কেমন যেন গা ছাড়া ভাব। মিসাইল সাক্সেস রেট ৩৩% এ চলে আসছে। সেই সময় সবচেয়ে সাক্সেসফুল অপারেশন গুলো সম্পন্ন হতে থাকে। কিন্তু কেন?
একই সময়ে ইরান নিজেও প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।
তার আকাশ প্রতিরক্ষা এখন পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়ায় নি।

এই মুহূর্তে আমেরিকার প্রবেশ করে। আমেরিকা লোক দেখানো আক্রমণ করে। ইরান নিজেও পালটা কাতারের মার্কিন বেইসে হামলা করে এভাবে যুদ্ধ স্থগিত হয়। শান্তি।

কিন্তু ইরান সেই সময় জানতো না শত্রুর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা কোথায় ছিল। পরবর্তীতে আবিষ্কার হয় কেবল জঙ্গি রাষ্ট্র ইজরাইলকে রক্ষা করতে সে এত বেশি থাড ব্যবহার করে যে আমেরিকার সেই পরিমাণ তৈরি করতে দুই বছর লাগে। সোজা বাংলায় আমেরিকার স্টক শেষ হয়ে সে নিজে অরক্ষিত হয়ে পড়ে। একই সাথে ইজরাইল নিজেও আকাশ প্রতিরক্ষায় শূন্য। কথিত আছে ১২ দিনের শেষে ইজরাইল বলেছে যে তারা পারমাণিক হামলা করতে যাচ্ছে যদি না আমেরিকা ভূগর্ভস্ত স্থাপনা ধ্বংস করে। তাই সবাই মিলে বিরতি নেয়।

আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খুব সূক্ষ্ম। খুব অল্প কিছু কারখানা ও ব্যক্তি এই কাজ পারে। চাইলেই উতপাদন বৃদ্ধি করার সুযোগ নেই। এখন পর্যন্ত এই ঘাটতি রয়েছে।

সেজন্য এবারে ইরানের টার্গেট যত পারা যায় তাদের ষ্টক শেষ করা। আর এবারে অনেক ক্ষেত্রে চেষ্টা করছে না মিসাইল ঠেকানোর যেহেতু স্টক সিমিত। সেজন্য ইরান কম দামি মিসাইল ও ড্রোন অল্প অল্প করে মেরে সহজ টার্গেট ধ্বংস করছে। শত্রু আরো দুর্বল হলে উন্নত মিসাইল দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট শেষ করবে বলে। আর আমেরিকা পড়েছে বিপদে। না পারছে এই কম দামী মিসাইল ঠেকাতে না পারছে চুপ করে বসে থাকতে। তাই সৈনিকদের সরিয়ে হোটেলে বসিয়ে খাওয়াচ্ছে। আর স্থাপনা ধ্বংস হতে দিচ্ছে। দামী অস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে বলে তথ্য আসছে। আর প্রতিশোধ হিসেবে ইরানে গিয়ে শিশু থেকে শুরু করে সৈনিক নির্বিচারে মানুষ হত্যা করছে। সাথে ধ্বংস করছে অনেক স্থাপনাও।

#কৌশল_বিদ্যা

Photos from Trending Issues BD's post 02/03/2026

🇮🇷🇮🇱 Breaking:

The Iranian Army announced in a statement that it had downed two drones in Tabriz and Khorramabad. Images of a Hermes 900 drone belonging to the Israeli Air Force, downed in Khorramabad, have now been released.

02/03/2026

🚨🇮🇷🇮🇱 BREAKING:

IRAN has ASSASSINATED Israeli Air Force Commander Tomer Bar

01/03/2026

BREAKING NEWS:

Iranian drone strikes US base ammunition warehouse in Iraq.

01/03/2026

"Your attack on Iran is working. No one is talking about you ra**ng children."

12/02/2026

এই মুহুর্তের ফলাফল আপডেট... আসন নংঃ কক্সবাজার-৩ - - -

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00