Gen Z

Gen Z

Share

Welcome to | Generation Z ( Gen Z) in Bangladesh ❤️

08/07/2025

কোন ১০০টা সিনেমা আপনার অবশ্যই দেখা দরকার?

সিনেমা শুধুই একটা সময় কাটানোর মাধ্যম নয়। সিনেমা হলো এক বিশেষ যাত্রা যেখানে মন, হৃদয় আর চোখ একসাথে ভেসে যায়।

একটা ভালো সিনেমা মনের ভেতরে প্রবেশ করে, আপনার চিন্তার ভিতর ঝড় তোলে, অনেক সময় অজানা স্মৃতি জাগিয়ে দেয়, আবার কখনো চোখের কোণে অশ্রু এনে দেয়।

এই ১০০টা সিনেমা হলো এমন গল্পের খনি, যেগুলো সময়ের আঁচে ঝলমল করে ওঠেছে, হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে এসেছে।

ভালোবাসার কোমলতা, প্রতিশোধের আগুন, বেদনার দাগ, আশা আর নিজের খোঁজ এইসব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক অনন্য সমাহার।

যদি আপনি সত্যিই সিনেমাকে অনুভব করতে চান,
যদি চান এমন গল্প দেখতে যা আপনাকে ঘোরায়, ডিঙিয়ে যায়, ভাবায়, আর বারবার মনে পড়ে যায়…

তাহলে এই ১০০টা সিনেমা আপনার টু-ডু লিস্টের প্রথম পাতা হওয়া উচিত।

(রিকমেন্ডেড বাই নিউ ইয়র্ক টাইমস)

১. Parasite (2019)

এইটা সিনেমা না, আয়নার মতো।
দেখবেন, গল্পের ভিতরে আপনি নিজেই কোথাও বসে আছেন- হয়তো ছাদে, হয়তো বেসমেন্টে।

ধনী-গরিব ব্যাপারটা এখানে খালি টাকার না, এখানে দূরত্বের গন্ধ আছে। ভয়ও আছে।

শেষে আপনি হয়তো নিজের ফ্ল্যাটের সোফা সরু চোখে দেখবেন- এইটা কি সত্যিই শুধু বসার জিনিস?

২. Mulholland Drive (2001)

এটা দেখে মাথা ঘুরবে।
কিন্তু সেই ঘোরটা একরকমের আরাম দেয়।

স্বপ্নের ভেতরে বাস্তব ঢুকে পড়লে মানুষ কেমন হয়- এই সিনেমা তার প্রমাণ।

শেষ দৃশ্যে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন না, কে আপনি।

৩. There Will Be Blood (2007)

তেল খুঁজতে গিয়ে লোকটা নিজের রক্ত খুঁজে পেল।

Daniel Day-Lewis যখন চেয়ে থাকে, মনে হয়- “এই লোকটা চোখ দিয়ে কথা বলে না, শাস্তি দেয়।”
ক্ষমতা যে মানুষকে কী বানায়, তা বুঝতে চাইলে এই সিনেমা দেখা জরুরি।

৪. In the Mood for Love (2000)

দুজন মানুষ একসাথে হাঁটে, কথা বলে, কিন্তু মুখে বলে না কিছু।

তারা জানে ভালোবাসা সবসময় চিৎকার করে না।
এই সিনেমা আপনাকে শেখাবে- নীরবতা দিয়ে কিভাবে প্রেম করা যায়।

৫. Moonlight (2016)

তিনটা বয়স, একটাই আত্মা।
ভালোবাসা খুঁজে বেড়ানো একটা নিঃসঙ্গ হৃদয়ের গল্প।
এটা কোনো চোখ ভিজিয়ে দেওয়া সিনেমা না- এটা চুপচাপ বুকের মাঝখানে একটা ভার রেখে দেয়।

৬. No Country for Old Men (2007)

একজন খুনী কথা বলে না।

সে শুধু আসে।

চোখে বরফ শীতল দৃষ্টি, হাতে সাইলেন্ট অস্ত্র।
এই সিনেমা ভয় দিয়ে কাঁপায় না ভয় ঢুকে পড়ে রক্তে।

৭. Eternal Sunshine of the Spotless Mind (2004)

ভালোবাসার স্মৃতি মুছে ফেললে কি জীবনটা সহজ হয়?
এই সিনেমা দেখে বুঝবেন- ভুলে গেলেও হৃদয় তো ভুলে না।

যেটা হৃদয়ে গেঁথে যায়, সেটা কোনো মেশিন মুছতে পারে না।

৮. Get Out (2017)

সবাই হাসছে, আপনাকেও দাওয়াত দিছে।
কিন্তু কোথায় যেন কেমন জানি একটা গা ছমছমে ঠান্ডা।
আপনি যতই ভালো হন, কিছু মানুষের চোখে আপনি শুধু “Black”।
এই ভয়টাই বাস্তব, সিনেমা নয়।

৯. Spirited Away (2001)

আপনি হারিয়ে যাবেন, এটা নিশ্চিত।
কিন্তু হারিয়ে যেতে গিয়েই আপনি নিজেকে খুঁজে পাবেন, এক নতুন রূপে।
Animation বলে অবহেলা করবেন না—এইটা রীতিমতো একটা আত্মার ভ্রমণ।

১০. The Social Network (2010)

বন্ধুদের সাথে কিছু শুরু করলে, সেটা শেষ হতে হতে হয়তো বন্ধু থাকেনা কেউ।
Facebook বানানো সেই গল্প—যেখানে জিতে যায় একা মানুষ, কিন্তু হারায় সবাইকে।
দ্রুত, ঠান্ডা, ধাক্কাধাক্কি করা এক আধুনিক ট্র্যাজেডি।

১১. Mad Max: Fury Road (2015)

সবকিছু শেষ হয়ে গেছে, শুধু যুদ্ধ বেঁচে আছে।
একটা লম্বা রাস্তা, ধুলো, পাগল গাড়ি আর আর্তনাদ এই সিনেমা চোখে নয়, বুকে বাজে।
বাঁচার জন্য লড়াই কেমন লাগে, এখানে শিখবেন।

১২. The Zone of Interest (2023)

দেয়ালের একপাশে হাসি, অন্যপাশে আর্তনাদ।
এই সিনেমা চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়—মানুষ কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, চুপচাপ।
হিটলারের সময় নিয়ে বানানো এই গল্প, দেখলে রাতটা কাটবে চুপচাপ।

১৩. Children of Men (2006)

পৃথিবীতে আর কেউ জন্মাচ্ছে না।
ভাবুন তো, নিঃসন্তান এক সভ্যতা!
এই সিনেমায় আপনি শ্বাস নিতেও ভয় পাবেন—কারণ পুরোটা ঘিরে আছে একরাশ হতাশা আর খুব ছোট্ট একটা আশা।

১৪. Inglourious Basterds (2009)

হিটলার মারা গেছে, সিনেমার মধ্যে।

তবে যেভাবে মারা গেছে, সেটা দেখে আপনি হাততালি দেবেন।

Tarantino’র স্টাইল মানেই—রক্ত, হাসি আর একচিমটি পাগলামি।

১৫. City of God (2002)

ছোট ছেলে, বড় গ্যাং, রক্তমাখা রাস্তায় বেঁচে থাকার লড়াই।
ব্রাজিলের শহরটা একটা যুদ্ধক্ষেত্র—যেখানে ভালো মানুষ হওয়া মানেই মরার আগে আশা করা।
এই সিনেমা বাস্তবের চেয়েও বেশি সত্যি।

১৬. Crouching Tiger, Hidden Dragon (2000)

তারা উড়ে যুদ্ধ করে।
তারা ভালোবাসে, কিন্তু মুখে বলে না।
এই সিনেমা দেখতে গিয়ে আপনার মনে হবে—চীন যদি কবিতা হতো, এই সিনেমা তার চিত্ররূপ।

১৭. Brokeback Mountain (2005)

ভালোবাসা কি সবসময় ‘ঠিক’ হতে হয়?
না।
এই সিনেমা বলবে—ভালোবাসা শুধু ভালোবাসাই।
যেটা সমাজ বুঝতে পারে না, কিন্তু হৃদয় ঠিকই বোঝে।

১৮. Y Tu Mamá También (2001)

তিনজন মানুষ একসাথে বের হয়।
কিন্তু রাস্তায় শুধু গন্তব্য থাকে না, থেকে যায় সত্যি, হরমোন আর হঠাৎ বড় হয়ে ওঠার চাপ।
এই সিনেমা একটা জীবনবোধ।

১৯. Zodiac (2007)

একটা খুনের কেস, বছরের পর বছর ধরে।
খুনি মেলে না, শুধু পেছনে ফেলে যায় ছায়া।
আপনিও দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন—তবু থামতে পারবেন না।

২০. The Wolf of Wall Street (2013)

লোভ যদি পাগলামিতে রূপ নেয়, তাহলে এই সিনেমা হয়।
জর্ডান বেলফোর্ট নামের এক লোক, যার জীবনই সিনেমা।
সবকিছুই করে সে—এবং আপনি হাসতে হাসতে লজ্জা পাবেন।

২১. The Royal Tenenbaums (2001)

এই পরিবারটা আজব।
কেউ গিটার বাজায়, কেউ টেনিস খেলে, কেউ বিষণ্ণ হয়।
কিন্তু সবাই মিলে একসাথে থাকে।
ট্র্যাজেডি এখানে যেন গোলাপি রঙের ঠোঁট।

২২. The Grand Budapest Hotel (2014)

এটা সিনেমা না, যেন পুরনো কোনো চিঠির খাম খুলে দেখছেন।
কেক, যুদ্ধ, প্রেম আর চুরির গল্প এমন সুন্দরভাবে আর কেউ বলে না।
আপনি যদি রঙ ভালোবাসেন, এই সিনেমা আপনাকে মোহিত করবে।

২৩. Boyhood (2014)

এই সিনেমার ছেলে সত্যিই বড় হয়।
১২ বছর ধরে এক ক্যামেরায় ধরা তার বেড়ে ওঠা।
আপনি দেখতে দেখতে নিজের শৈশবটাকে খুঁজে পাবেন কোথাও।

২৪. Her (2013)

সে প্রেমে পড়ে—একজনের না, এক এআই-এর।
শুনতে অদ্ভুত, কিন্তু যখন দেখবেন, আপনি নিজেই বুঝবেন—এই প্রেমটা আসল কি না।
মানুষের আবেগ আর মেশিনের যুক্তি—এক অদ্ভুত দ্বন্দ্ব।

২৫. Phantom Thread (2017)

ভালোবাসা কখন কখন বিষ হয়।
সে ভালোবাসে, আবার নিয়ন্ত্রণও করে।
এই সিনেমা দেখলে বুঝবেন—কখনও কখনও প্রেমের পেছনে ছুরি লুকিয়ে থাকে।

26. Anatomy of a Fall (2023)

স্বামী পড়ে মারা গেছে। দুর্ঘটনা, না খুন?
কোর্টে বিচার চলছে, কিন্তু আপনি নিজের অজান্তেই বিচারক হয়ে গেছেন।
একটা প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে—সত্যি বলতে গেলে, আমরা কি নিজেরাই নির্দোষ?

27. Adaptation (2002)

লেখক নিজের গল্প লিখতে গিয়ে নিজের মাঝেই হারিয়ে যায়।
নিজের চিন্তাই যখন শত্রু হয়ে দাঁড়ায়, তখন একটা অদ্ভুত কমেডি জন্ম নেয়।
আপনি হয়তো নিজেকেই ভাববেন—“আরে, এই প্যাঁচ তো আমারও জীবনে আছে!”

28. The Dark Knight (2008)

Batman এখানে গল্পের মুখ—কিন্তু সিনেমার মেজাজ, ভয় আর আগুনটা Joker-এর।
Heath Ledger এর “Why so serious?” মনে গেঁথে যাবে এতটাই, আপনি আয়নায় তাকিয়ে নিজের চেহারায় সেই দাগ খুঁজবেন।

29. Arrival (2016)

ভিনগ্রহ থেকে কেউ এসেছে।
কিন্তু ভয় দেখাতে না—ভাষা শিখতে। সময়, স্মৃতি আর ভালোবাসা এক হয়ে গেছে।
বিজ্ঞান আর মায়ার এত সুন্দর মিলন আগে খুব কম দেখা গেছে।

30. Lost in Translation (2003)

আপনি টোকিও শহরে একা। পাশে কেউ নেই—কিন্তু একা না থেকেও একা লাগছে।
এই সিনেমা খুব কিছু বলে না, কিন্তু অনেক কিছু বোঝায়।

31. The Departed (2006)

বাহির থেকে পুলিশ, ভিতর থেকে গুন্ডা। আরেকজন গ্যাংস্টার, ভিতরে পুলিশের লোক।
এই প্যাঁচে আপনি জড়িয়ে যাবেন, বিশ্বাস করবেন কাউকে… তারপর ঠকবেন।

32. Bridesmaids (2011)

মেয়েদের কমেডি মানেই কি খালি হাসিঠাট্টা?
না। এখানে হাসির ফাঁকে ফাঁকে ব্যথাও আছে।
সবাই কেমন অগোছালো, আর তাতেই মজা!

33. A Separation (2011)

ডিভোর্সের গল্প শুনলে মনে হয়, দুজনের সমস্যা।
কিন্তু এই ইরানিয়ান সিনেমা দেখায়—আসলে এটা একটা সমাজের সংকট।
নীতির সঙ্গে নীতির ধাক্কা লাগে, ফল হয় হৃদয় ভাঙা।

34. Wall-E (2008)

একটা রোবট একা। সে পরিষ্কার করে, ভালোবাসে, অপেক্ষা করে।
এই সিনেমা কোনো ডায়ালগ ছাড়াই আপনাকে আবেগের পাহাড়ে বসিয়ে দেবে।
WALL-E আর EVE—মানুষের চেয়েও বেশি মানবিক।

35. A Prophet (2009)

একটা ছেলে জেলে ঢুকে, বাইরে বের হয় গ্যাংস্টার হয়ে।
কিন্তু ভিতরের ছেলেটা বদলায় কেমন করে—এইটা দেখেই আপনি ভাববেন, কত সহজে মানুষ বদলে যেতে পারে।

36. A Serious Man (2009)

একজন সাধারণ মানুষ। জীবনে কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছে না।
ধর্ম, বিশ্বাস আর নিয়তি তাকে প্রশ্ন করে—কিন্তু উত্তর দেয় না।
এক অদ্ভুত রকমের বিষণ্ণতা আপনাকেও চুপ করিয়ে দেবে।

37. Call Me by Your Name (2017)

একটা গ্রীষ্ম, একটা প্রেম।
শেষ দিকে আপনি শুধু তাকিয়ে থাকবেন স্ক্রিনের দিকে—চোখে জল থাকবে, মন চুপ।
এটা কষ্টের সিনেমা, কিন্তু কষ্টটা খুব কোমল।

38. Portrait of a Lady on Fire (2019)

একটা মেয়ে আরেকটা মেয়ের ছবি আঁকছে।
আর আঁকতে আঁকতেই প্রেমে পড়ে যাচ্ছে।
শব্দ নেই, কিন্তু চোখে চোখে কত কথা—এই সিনেমা দেখলে আপনি তাকিয়ে থাকবেন শুধু।

39. Lady Bird (2017)

মেয়েটা টিনেজে আছে—বিরক্ত, আবেগি, গোঁয়ার।
তার মায়ের সাথে সম্পর্কটা যেমন খারাপ, ঠিক ততটাই গভীর।
মায়ের চেয়ে কাছের শত্রু আর হয় না।

40. Yi Yi (2000)

একটা পরিবারের প্রতিটা বয়স—বাচ্চা, তরুণ, বৃদ্ধ—সবার জীবনের টুকরো গল্প।
এই সিনেমা ধীরে চলে, কিন্তু আপনি কখন হারিয়ে যাবেন বুঝতেই পারবেন না।

41. Amélie (2001)

প্যারিসের এক মেয়ে, অদ্ভুত রকম সুন্দর তার দুনিয়া।
সে চুপচাপ মানুষকে ভালো কাজ দিয়ে চমকে দেয়—আর হঠাৎ প্রেমে পড়ে যায়।
এই সিনেমা দেখলে মনে হবে, পৃথিবীটা হয়তো এখনো সুন্দর।

42. The Master (2012)

একজন ভেতরে অস্থির, আরেকজন তাকে ‘পথ’ দেখায়।
কিন্তু পথটা সত্যি কিনা, বুঝতে সময় লাগে।
সিনেমা চলাকালীন আপনি নিজের অস্থিরতাও টের পাবেন।

43. Oldboy (2005)

১৫ বছর ধরে একজন লোককে বন্দি করে রাখা হলো।
কেন? কে করলো?
শেষে যখন উত্তর পাবেন, তখন মাথা নিচু করে চুপচাপ বসে থাকবেন।

44. Once Upon a Time in Hollywood (2019)

Tarantino এখানে পুরনো হলিউডকে প্রেমপত্র লিখেছে।
নস্টালজিয়া, রঙ, সিনেমার গন্ধ—সব মিলিয়ে একটা আলাদা ঘোর।

45. Moneyball (2011)

স্পোর্টস মুভি, কিন্তু নায়ক ব্যাট হাতে না—হাতে ক্যালকুলেটর।
সংখ্যার খেলা দিয়ে দল গড়ে সে, আবেগ নয়, অংকে ভরসা।
এই সিনেমা টেবিলের গেমটাকেই স্টেডিয়ামের উত্তেজনায় রূপ দেয়।

46. Roma (2018)

এক গৃহকর্মীর চোখে আপনি একটা পুরো সমাজ দেখবেন।
সে বেশি কথা বলে না, কিন্তু তার চোখে সব বলে।
সাদাকালো সিনেমা, কিন্তু আবেগে রঙিন।

47. Almost Famous (2000)

১৭ বছরের এক ছেলে রক ব্যান্ডের সাথে ঘুরে বেড়ায়, লেখা লেখে।
তার জীবনে প্রথম প্রেম, প্রথম আঘাত আর প্রথম স্বাধীনতা আসে।
এই সিনেমা যেন তরুণ বয়সের গান।

48. The Lives of Others (2006)

একজন মানুষকে গোপনে অনুসরণ করে আরেকজন।
কিন্তু সে শুনতে শুনতে নিজের মনটাই হারিয়ে ফেলে।
নীরব অথচ কাঁপানো সিনেমা।

49. Before Sunset (2004)

একটা ছেলে আর মেয়ে হাঁটছে, কথা বলছে।
শুধু ৯০ মিনিট কথা—কিন্তু সেই কথার ভেতরে আছে প্রেম, হাহাকার আর অপূর্ণতা।
শেষে আপনি বলবেন—“আরও একটু যদি থাকত…”

50. Up (2009)

শুরুর ১০ মিনিট—আপনার চোখে জল এনে দিবে।
তারপর অ্যাডভেঞ্চার শুরু হবে, এক বৃদ্ধ আর এক ছোট্ট ছেলের।
এই সিনেমা শুধু বাচ্চাদের না, বুড়োদেরও কাঁদায়।

51. 12 Years a Slave (2013)

একজন মুক্ত মানুষকে ধরে দাস বানানো হয়।
১২ বছরের নির্যাতন… এতটা কষ্ট আপনি সিনেমায় দেখলেও নিজের শরীর কেঁপে উঠবে।
এইটা গল্প না একটা জীবন্ত আঘাত।

52. The Favourite (2018)

রাজপ্রাসাদের ভেতরে প্রেম, হিংসা আর চক্রান্ত।
তিন নারীর পলিটিক্স এমন মজারভাবে দেখায়, আপনি হাসবেন—কিন্তু জানেন তো, হাসিটায় বিষ আছে।

53. Borat (2006)

সব ধরনের সামাজিক ভদ্রতা মাটিতে মিশায়া দিছে।
হাসতে হাসতে পেট ব্যথা হবে, আবার মাঝে মাঝে মনে হবে—“এটা তো একটু বেশি হইছে!”
অস্বস্তিকর হলেও চোখ সরাতে পারবেন না।

54. Pan’s Labyrinth (2006)

একটা ছোট মেয়ে, যুদ্ধের ভেতর দিয়ে নিজের কল্পনার রাজ্যে পালায়।
কিন্তু সেই রাজ্যেও দানব আছে।
একসাথে ভয়ের, দুঃখের আর সৌন্দর্যের সিনেমা—মন কাঁপায়।

55. Inception (2010)

স্বপ্নের ভেতর আরেক স্বপ্ন, তারও নিচে আরেকটা…
সিনেমা শেষে আপনি একবার নিজের হাত ছুঁয়ে দেখবেন এইটা আসল তো?

56. Punch-Drunk Love (2002)

Adam Sandler এখানে হাসায় না, বরং এক ধরনের একাকীত্বে টেনে নেয়।
ভালোবাসা এখানে নরম না—চেপে ধরা রাগ, ভয়, অথচ ভিতরে কোমল কিছু।

57. Best in Show (2000)

কুকুরের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা—কিন্তু মানুষের দম্ভ দেখলে আপনি কুকুরগুলোকেই বেশি বুদ্ধিমান ভাববেন।
হাস্যরস একেবারে শুকনা ধাঁচের, কিন্তু ঠিক জায়গায় খোঁচা দেয়।

58. Uncut Gems (2019)

জীবনের প্রতি মিনিট, প্রতি সিদ্ধান্তই জুয়া।
এই সিনেমা দেখলে মনে হবে- একটা লোককে আপনি বাঁচাতে চাইছেন, অথচ সে নিজেই মরার রাস্তা খুঁজে বেড়াচ্ছে।
হাঁপিয়ে উঠবেন—তবু দেখবেন।

59. Toni Erdmann (2016)

বাবা-মেয়ের সম্পর্ক, অথচ কেমন দূরের।
বাবা মুখে মাস্ক পরে মেয়ের জীবনে ঢোকে—হাস্যকর লাগে, কিন্তু ভেতরে অদ্ভুত কষ্ট।
হাসি আর কান্নার মাঝখানে ফেঁসে থাকা একটা গল্প।

60. Whiplash (2014)

গান শেখা না—যুদ্ধ।
মাস্টার আর ছাত্রের মাঝে এমন হিংস্র এক প্যাশন, আপনি নিজেই ঘেমে উঠবেন।
“Not my tempo”—এই কথাটা বাজবে ঘাড়ের পেছনে।

61. Kill Bill Vol. 1 (2003)

একজন মেয়ে, তাকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল সবাই।
সে ফিরে আসে—সেইসবকে শেষ করে দিতে।
স্টাইল, রাগ আর প্রতিশোধের সিনেমা—রক্ত মাখা কিন্তু চোখ ধাঁধানো।

62. Memento (2000)

স্মৃতি নেই, কিন্তু প্রতিশোধ চাই।
গল্পটা উল্টো দিকে চলে, আর আপনার মাথায় সোজা ধাক্কা মারে।
শেষে দাঁড়িয়ে ভাববেন—“আমি কী দেখলাম?”

63. Little Miss Sunshine (2006)

একটা ছোট মেয়ে বিউটি কনটেস্টে যাচ্ছে।
সাথে তার ভাঙা পরিবার।
সিনেমা শেষে আপনি হয়তো বলবেন—“আমার পরিবার তো এমনই… এলোমেলো, কিন্তু আপন।”

64. Gone Girl (2014)

স্ত্রী হারিয়ে গেছে। সবাই স্বামীকে দোষ দিচ্ছে।
কিন্তু আসলে?
এই সিনেমা দেখে আপনি সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করবেন—প্রেম নাকি ফাঁদ?

65. Oppenheimer (2023)

তিনি ইতিহাস বদলে দিয়েছেন—বোমা বানিয়ে।
কিন্তু যেদিন ফলা তার হাতে এসেছিল, সেদিনই যেন নিজের ধ্বংস শুরু করেছিলেন।
“Now I am become death”—এই লাইন আপনার ঘাড়ে ওজন হয়ে থাকবে।

66. Spotlight (2015)

গোপনে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অন্যায় কীভাবে সামনে আসে, সাংবাদিকেরা সেই গল্প বলে।
একটা কলম কিভাবে এক সাম্রাজ্য কাঁপিয়ে দেয়—এই সিনেমা তা শেখায়।

67. TÁR (2022)

একজন নারী, জগদ্দল ক্ষমতার চেয়ারে।
কিন্তু তার অবস্থানে দাঁড়িয়ে সবাই মনে করে, সে হয়তো দানব।
সমাজ কি নারীকে সফল হতে দেয়, নাকি ভয় পায়?

68. The Hurt Locker (2008)

যুদ্ধ মানে শুধু শত্রু মারা না—নিজেকে বাঁচানোর লড়াইও।
বোমা নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে যে মানসিক যুদ্ধে পড়ে, তা বাইরে থেকে বোঝা যায় না।
এই সিনেমা সেই ভিতরের ভয় দেখায়।

69. Under the Skin (2013)

Scarlett Johansson এখানে একজন alien—মানুষের শরীর পরা এক রহস্য।
এই সিনেমা বুঝতে গেলে আপনাকেও নিজের ভেতরের মানুষটা নিয়ে ভাবতে হবে।
সবকিছু একটু অস্পষ্ট, কিন্তু অদ্ভুতভাবে গভীর।

70. Let the Right One In (2008)

বরফে ঢাকা এক শহরে, একাকী একটা ছেলে আর এক রহস্যময় ছোট্ট মেয়ে।
সে vampire…
তবু এই বন্ধুত্বে যে উষ্ণতা আছে, তা ভয় পেরিয়েও মনে গেঁথে যায়।

71. Ocean’s Eleven (2001)

ভেগাস, রাত, স্মার্টনেস, আর হাফ-স্মাইল দেওয়া George Clooney।
চুরি করাটাও এমন স্টাইলিশ হয়, আগে জানতেন?
এইটা একদম ‘বদদমাই’-এর আর্টফর্ম।

72. Carol (2015)

দুই নারী, ৫০-এর দশক, সমাজের আড়ালে ভালোবাসা।
এখানে চোখে চোখে কথা হয়, কথায় নয়।
চুপচাপ ভালোবাসা কেমন হয়, জানতে চান?

73. Ratatouille (2007)

একটা ইঁদুর যখন রাঁধুনি হয়, তখন বোঝেন—ইচ্ছা থাকলে জেন্ডার, জাত, প্রজাতি কোনো বাধা না।
“Anyone can cook”—এই লাইনটা নিজের জন্য রিংটোন করে ফেলতে মন চায়!

74. The Florida Project (2017)

ডিজনির রাজ্যের এক কোণেই গরিবের বাসা।
শিশুর চোখে বড়দের কষ্ট, ভুল আর বাঁচার চেষ্টা—এমনভাবে আসে, মন ভার হয়।

75. Amour (2012)

বুড়ো বয়সে প্রেম loud না—নীরব, ধীরে আর গভীর হয়।
এই সিনেমা শেষ হলে আপনি আর আপনার বৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নিয়ে চুপ করে যাবেন।

76. O Brother, Where Art Thou? (2000)

তিন পাগলা কয়েদি, রোডট্রিপ, গান আর কিছু হারানো সময়।
এইটা হাসির মাঝে এক ধরনের গ্রামের গন্ধ মিশে থাকা সিনেমা।

77. Everything Everywhere All at Once (2022)

মা-মেয়ের ঝগড়া থেকে multiverse পর্যন্ত ভ্রমণ—এই মুভিতে যা হয়, সেটার নামই “সব কিছু একসাথে”।
হাসির মধ্যেও এমন একটা কান্না আছে, গলায় আটকে যায়।

78. Aftersun (2022)

বাবা-মেয়ের একসাথে ছুটি কাটানো—তেমন কিছু না হয়তো,
তবু মনে হানা দেয়,
কারণ ছোট ছোট স্মৃতির ভেতরেই তো ভালোবাসা লুকিয়ে থাকে।

79. The Tree of Life (2011)

জীবন শুরু থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এক ধরনের চিন্তার ভ্রমণ।
এই সিনেমা দেখার জন‍্য সময় নয়, বোঝার জন্য সময় লাগে।

80. Volver (2006)

স্প্যানিশ নারীদের রহস্যময় এক জীবন।
মা, মেয়ে, আত্মা আর রান্নাঘরের গন্ধ—সব মিলিয়ে একরকম দ্যুতিময় গল্প।

81. Black Swan (2010)

নাচ যখন perfection-এর পাগলামি হয়, তখন জীবন আর শিল্পের মাঝে ভেঙে পড়ে দেয়াল।
Natalie Portman-এর চোখে একটা ঘোর আছে—আপনিও তাতে ঢুকে যাবেন।

82. The Act of Killing (2012)

ভয়ংকর হত্যাকারীদের দিয়ে নিজদের অপরাধ অভিনয় করানো হয়—ক্যামেরার সামনে।
ডকুমেন্টারি হাড়ে লাগে, অন্তরে পোড়ে।

83. Inside Llewyn Davis (2013)

একজন ব্যর্থ সঙ্গীতশিল্পী।
বৃষ্টি, হুইস্কি, আর একটানা না-বলা কিছু—এই সিনেমা একটা দীর্ঘশ্বাসের মতো।

84. Melancholia (2011)

পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে—এই খবর পাওয়া যায়।
কিন্তু তার আগেও মানুষ ভাঙে, গড়ে—এই সিনেমা সেই গল্প।
এক ধরনের চুপচাপ বিষাদ, যা চোখে না, ভিতরে বাজে।

85. Anchorman (2004)

সবচেয়ে হাস্যকর নিউজ প্রেজেন্টার—আত্মবিশ্বাসে পেট ফুলে যায়।
Will Ferrell আপনাকে চোখে পানি এনে হাসাবে।

86. Past Lives (2023)

এক সময়ের প্রেম, আরেক সময়ের দেখা—কিন্তু মাঝখানে সময় দাঁড়িয়ে থাকে।
এই সিনেমা এত মৃদু যে কান্নাটাও নরম হয়ে নামে।

87. The Lord of the Rings: The Fellowship of the Ring (2001)

এইটা সিনেমা না—একটা সাহস, বন্ধুত্ব আর সোনালী প্রান্তরে হাঁটার কল্পনার বিশাল ছাতা।
“One ring to rule them all” শুনলেই গায়ে কাঁটা।

88. The Gleaners & I (2000)

বর্জ্য থেকে জীবন খোঁজার ছবি।
যে জিনিস আমরা ফেলি, কারো কাছে সেটা জীবনের চাবি হয়ে যায়।
অদ্ভুত এক মানবিকতা।

89. Interstellar (2014)

সময়, মহাকাশ, আর একজন বাবা।
এই সিনেমা বিজ্ঞানের আড়ালে এক মারমুখো আবেগ নিয়ে আসে।

90. Frances Ha (2012)

একজন তরুণী নিজের স্বপ্ন নিয়ে লড়ছে—কখনও হাসছে, কখনও কাঁদছে।
সাদাকালো সিনেমা, কিন্তু মন রঙিন হয়।

91. Fish Tank (2009)

একটা কিশোরী, জীবন তাকে শান্ত থাকতে দেয় না।
এই সিনেমা এত বাস্তব, মনে হয় খবর দেখতেছেন, গল্প না।

92. Gladiator (2000)

রোমান আঙিনায়, একজন সেনার প্রতিশোধের মিছিল।
“Are you not entertained?”—এই লাইন একবার শুনলে মাথায় বাজতেই থাকবে।

93. Michael Clayton (2007)

আপনি ভালো মানুষ, কিন্তু চারপাশে সব লোভে ভরা—তখন কী করবেন?
George Clooney এখানে অস্থির, কিন্তু থেমে যায় না।

94. Minority Report (2002)
অপরাধ এখনো ঘটেনি—তবু আপনি অপরাধী।
ভবিষ্যতের ভেতর ঢুকে শুরু হয় এক ভয়ংকর দৌড়।
বাঁচতে হলে নিজের ভাগ্যকেও চ্যালেঞ্জ করতে হয়।

95. The Worst Person in the World (2021)

কোনো কিছুতেই ঠিকঠাক ফিট না হওয়া একটা মেয়ে—সে প্রেমেও কনফিউসড, ক্যারিয়ারে অস্পষ্ট।
এই সিনেমা দেখে মনে হবে—এই মেয়েটা হয়তো আপনি নিজেই।

96. Black Panther (2018)

Marvel হিরোদের ভেতরেও এটা আলাদা।
একটা কালচারের গর্ব, ঐতিহ্য আর সম্মান—সুপারহিরো নয়, একটা ব্যানার।

97. Gravity (2013)

স্পেসে আটকে পড়া এক নারী।
চুপচাপ, নিঃসঙ্গ, অথচ ভয়ংকরভাবে জীবিত থাকার চেষ্টা।
এই সিনেমা দেখার পর আপনি নি:শ্বাস নিতেও ভয় পাবেন।

98. Grizzly Man (2005)

একজন মানুষ, যার ভালোবাসা ছিল বন ও ভাল্লুকের জন্য।
অথচ সে ভুলে গিয়েছিল—বন্যতা কখনো পোষ মানে না।

99. Memories of Murder (2003)

সাউথ কোরিয়ার গ্রামে সিরিয়াল কিলার।
পুলিশ, থানা আর একটা দেশের অস্থিরতা—এই সিনেমা রহস্যে না, অসহায়তায় কাঁদায়।

100. Superbad (2007)

স্কুল লাইফ, বন্ধুদের গাধামো আর শেষ রাতে বাসায় ফিরতে না পারার উত্তেজনা।
হাসতে হাসতে আপনি নিজের কৈশোরে ফিরে যাবেন।

07/07/2025

আলেয়াকে বিয়ে করার ২৫ দিনের মাথায় বাহরাইন চলে যাই। বাহরাইনে থাকা অবস্থায় শুনি আলেয়া তার আগের প্রেমিকের সাথে চলে গেছে।

আলেয়াকে আমার মা-বাবা পছন্দ করেছিল। পারিবারিকভাবে বিয়ে হলেও আমি তাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছিলাম। সে-ই ছিল আমার জীবনের প্রথম নারী, আমার প্রথম ভালোবাসা।

আলেয়ার চলে যাওয়ার বিষয়টা আমি মেনে নিতে পারি নি। সেই কষ্টে দীর্ঘ ২২ বছর আর দেশে ফিরি নি। পরবর্তীতে মেডিক্যালে আনফিট হয়ে বাধ্য হয়ে দেশে ফিরতে হয়।

দেশে ফিরে দেখি আমার দীর্ঘ প্রবাসজীবনের অর্জিত অর্থের সব কিছুই মা-বোন-ভাইয়েরা শেষ করে দিয়েছে। চার মাস বাড়ি থাকার পর রাগে-কষ্টে এক কাপড়ে বাড়ি থেকে বের হই।

বাড়ি থেকে বের হয়েছি আজ সাড়ে পাঁচ বছর। তারপর থেকে মাজারে থাকি শুধু দুই বেলা ভাত খাওয়ার লোভে। এখন যাচ্ছি চট্টগ্রাম আমানত শাহ মাজারে, শুনেছি এই মাজারে নাকি খাবার পাওয়া যায়।

আজ একুশ দিনে হেটে হেটে চাঁদপুর হাজীগঞ্জ থেকে কুমিল্লা স্টেশনে এসেছি। যাব চট্টগ্রাম আমানত শাহ-এর মাজারে। জীবনের কাছে আমার কোনো চাওয়া নেই, শুধু দুই বেলা ভাত খেতে পারলেই সুখী।

চোখ মুছতে মুছতে কথাগুলো বললেন কাশেম আলী

31/05/2025

আপসহীন নায়ক... এইবার আওয়ামীলিগ থাকলেও টেনশন নাই। বিএনপি থাকলেও টেনশন নাই।। 😀😀😀
সুত্রঃ Rtv । আরটিভি

23/05/2025

বুদ্ধি পরীক্ষা! দুজনের মধ্যে একজন একা থাকে। সে কে?

23/04/2025

ইন্টারনেটের জনক. চেহারা দেখে মনে হচ্ছে মামা আর অনুদান পায় না।

05/04/2025

সাগর-রুনি হত্যা--অবশেষে সত্য বেরিয়ে আসছে!

সাংবাদিক দম্পতি সাগর রুনির চাঞ্চল্যকর হত্যার জট আস্তে আস্তে খোলা শুরু হয়েছে। কিলিং মিশনে অংশ নেয়া একজনের সাক্ষাৎকারে জানা যায় এই ঘটনা ঘটে শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে। আগে ধারণা করা হয়েছিলো রেন্টাল পাওয়ার নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করাতে সামিট গ্রুপের প্রতিহিংসার শিকার হন সাগর রুনি। এখন মনে হচ্ছে এই অনুমান ভুল। ঘটনার সূত্রপাত একটি সিডি করা নিয়ে। ঘটনাচক্রে সাংবাদিক সাগর রুনি দম্পতির কাছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও হাতে আসে। সেখানে পিলখানায় কারা কারা কিলিং মিশনে অংশগ্রহণ করে তার ভিডিও, পিলখানায় খুনে হাসিনার জড়িতের অডিওর সব ডিটেইল ছিলো সেখানে।

এছাড়াও সাগর রুনির কাছে ইন্ডিয়াকে চোরাই আন্ডার গ্রাউন্ড পথে গ্যাস সাপ্লাইয়ের ভিডিও ফুটেজ ছিল। এই ভিডিওগুলো তারা গোপনে পুরান ঢাকার এক স্টুডিওকে দেয় এটার কয়েক কপি সিডি করার জন্য। কিন্তু স্টুডিওর মালিক এই ভিডিওর গুরুত্ব অনুধাবন করে ফোন দেয় তার পরিচিত ভোলা-৩ আসনের এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে। শাওন এটা জানায় শেখ হাসিনাকে। শেখ হাসিনা প্ল্যান করে সাগর রুনিকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার। এই কিলিং মিশনে অংশ নেয় ইন্ডিয়ান কয়েকজন কিলার ও এমপি শাওনের বিশ্বস্ত কয়েকজন খুনি। তারা মেইন দরজা দিয়ে না ঢুকে বারান্দার গ্রীল কেটে ভিতরে ঢুকে নির্বিঘ্নে খুন করে সাগর রুনিকে। এটা কোন ডাকাতির ঘটনা ছিলো না। এই ঘটনায় বাসার কোন স্বর্নালংকার বা অন্য কিছু খোয়া যায়নি। শুধু সাগর রুনির দুটি ল্যাপটপ হাওয়া হয়ে যায়। এজন্যই খুন হওয়ার পর আসল খুনি! খুনি হাসিনা বলেছিলো-" কারো বেডরুমের নিরাপত্তা দেয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ নয়"।

সিডির ঘটনা ধামাচাপা দিতে সাগর -রুনি ও চট্রগ্রামে আরেকজনসহ মোট ৩ জনকে খুন করে হাসিনা। যে সংবিধান ছুয়ে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয় রক্ষক হাসিনা সেখানে নিজেই সে পরিনত হয় দানব এক ভক্ষকে।

28/03/2025

এতোদিন জানতাম, ইউনূস আসলে ইউরোপ আমেরিকার লোক।

ঐ হিসেবে চীন রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কথা।

অথচ আজ জানলাম, প্রফেসর সাহেব চীনের কাছের লোকই নন, উনি হাইনান প্রদেশের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ পর্যন্ত করেছেন।

মানে,চিন্তা করেন।

এই দেশে কেউ সামান্য একটা সভাপতি হলে তার হম্বিতম্বিতে থাকা যায় না। অথচ এই লোক চীন সরকারের এডভাইজার ছিলেন,ঐটা আমরা আজ জানলাম।

তাও শফিক ভাইয়ের কথাতে। উনি নিজে কখনোই এসব প্রচার করেন নাই।

আমার এক প্রফেসর বলেছিলো, উনি জাপানে পিএইচডি করার সময় ইউনূস একবার জাপান ভিজিট করেন। জাপানিজরা সাধারণত ছুটি দিতে চায় না। অথচ ঐদিন উইলিংলিই ছুটি দিয়ে বলেছিলো, এতো বড় একজন মানুষ আসতেছে, অবশ্যই তোমার দেখতে যাওয়া উচিত।

দিনশেনে বিএনপির ফজলুর কথাই ঠিক।

ডক্টর ইউনূসকে আমরা যত বড় ভাবি, উনি ততটা বড় মানুষ না।

উনি আসলে আমাদের ভাবনার চাইতেও বড় মানুষ।

এবং এই জেমটাকে আমেরিকা,ইউরোপ, চীন, রাশিয়া ইভেন আফ্রিকা পর্যন্ত কাজে লাগাইছে। অথচ কী পোড়া কপাল জাতি আমরা, আমরাই এই মানুষটাকে নিজেদের জন্য কাজে লাগাতে পারি নাই।

27/03/2025

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
এই লোকের সততা, দেশ প্রেম, মেধা ও সাফল্য দেখলেই ঈর্ষা জাগবে। যিনি হাসিনার বলা মেট্রোরেল চালু করতে ৩০০-৪০০ কোটি টাকা লাগবে- ১ বছরের বেশি সময় লাগবে। এই লোক উপদেষ্টা পদে আসার ১০ দিনের মধ্যে মেট্রোরেল চালু করেন।

তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দুটো পরীক্ষাতেই কুমিল্লা বোর্ড থেকে সেরা ১০ মধ্যে থেকে মানে বোর্ড স্ট্যান্ড করেন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়ে অনার্স-মাস্টার্স দুটোই প্রথম হয়ে শেষ করেন।
তিনি ১৯৭৯ সালে বিসিএস পরীক্ষা দেন সেখানে তিনি সারা বাংলাদেশের মধ্যে তৃতীয় হন এবং তিনি বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে কাজ শুরু করেন।

তিনি ১৯৮৪ সালে ফুল স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকার বিখ্যাত বোস্টন ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে যান। তিনি পিএইচডি শেষ করে ১৯৮৯ সালে দেশে আসেন এবং তার কাজে ফিরেন। ৩ বছর তিনি সেখানেই কাজ করেন।
তারপরে তিনি সিঙ্গাপুরে যান
১৯৯২ সালে তিনি এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৃথিবীর সেরা ১০টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১টা সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে জয়েন করেন।
(পরিশেষে বলি সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে হাতে গোনা কয়েকজন বাঙালি শিক্ষকতা করতে পেরেছেন তার মধ্যে তিনি একজন।
১৯৯২-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।

সালমান মুক্তাদির সাকিবকে না এই লোককে জাতীয় সম্পদ বলেছিলেন।

১. এই লোক চাইলেই আমেরিকায় 1st Class জব করে লাক্সারি জীবন পার করতে পারতেন।

২. এই লোক চাইলেই সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে তার শিক্ষকতা পেশা কন্টিনিউ করে লাক্সারি জীবন পার করতে পারতেন।

কিন্ত তিনি লাক্সারি জীবন ত্যাগ করে দেশে এসেছিলেন দেশের জন্য কিছু করার জন্য।

মেট্রোরেল চালু করতে ৩০০-৪০০ কোটি টাকা লাগবে.
১ বছরের বেশি সময় লাগবে।
এই লোক উপদেষ্টা পদে আসার ১০ দিনের মধ্যে মেট্রোরেল চালু করেন।

আমাদের কয়েকশ
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান দরকার অনেক বেশি । 🇧🇩💥💙🌻

22/03/2025

যশোরের নতুন এসপি মাসুদ আলম। জয়েন করে বাইসাইকেল নিয়ে রাতে ছদ্মবেশে ঘুরতে বের হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা ঘুরেফিরে ভোর রাতে ছদ্মবেশে কোতয়ালি থানায় গেছে মোবাইল হারানোর জিডি করতে। থানার ডিউটি অফিসার জিডি না নিয়ে আর এক ব্যক্তিকে দেখিয়ে দিছে। ওই ব্যক্তি এসপির কাছে জিডি করতে টাকা চাইছে মাত্র ৫০০/-। টাকা না দেওয়ায় এসপির মোবাইল হারানোর জিডি নেয় নাই থানা!

সুত্রঃ চ্যানেল 24

20/03/2025

নির্বাচন যত দেরিতে হবে দেশের ভবিষ্যৎ তত ভালো হবে। আপাতত আমরা ড. ইউনুসেই শান্তিতে আছি। ভোট দিলে তো উনার চেয়ে যোগ্য মানুষ ক্ষমতায় আসবে না। জনগণ এটা বুঝে গেছে তাই কেউ নির্বাচন চায় না।

17/03/2025

মহিষ চুরি করতে নাকি ৩ জন লাগে । ১ম চোর মহিষের গলার ঘন্টা খুলে বাজাতে বাজাতে গ্রামের উত্তর দিকে রওনা হয়। ২য় চোর মহিষ নিয়ে গ্রামের দক্ষিন দিকে হাটতে থাকে, আর তৃতীয় চোর ভাল মানুষ সেজে গ্রামের মানুষের সাথে মিশে যায়। ভাল মানুষ সাজা ৩য় চোর গ্রামের মানুষ কে পরামর্শ দেয়, ঘন্টার শব্দ যেদিক থেকে আসছে মহিষ সেই দিকেই গেছে। বাজনা প্রিয় গ্রামবাসী ঘন্টার শব্দের দিকেই হাটতে থাকে। ঘন্টা নিয়ে যাওয়া ১ম চোর নিরাপদ দুরত্বে গিয়ে ঘন্টা ফেলে দিয়ে অন্ধকারে মিশে যায়। গ্রামবাসী ঘন্টা খুঁজে পেয়ে, ঘন্টা নিয়েই মশগুল থাকে। ২য় চোর মহিষ নিয়ে নিরাপদে চলে যায়, আর ভদ্র মানুষরুপী ৩য় চোর কে কিছুক্ষন পর খুঁজে পাওয়া যায় না।

দেশের যেকোনো ইস্যুতে আমাদের মিডিয়া শুরুতে প্রচণ্ড শোরগোল তোলে, যেন সবাই সেই দিকেই দৃষ্টি দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর হঠাৎ করেই তারা অদৃশ্য হয়ে যায়। সুশীল সমাজের পরামর্শে সাধারণ মানুষও সেই শোরগোলের দিকেই মনোযোগ দেয়, আসল ঘটনা থেকে সরে যায়। আর এই সুযোগে ঘটনার মূল কারিগর নির্ভয়ে তার কাজ সেরে সরে পড়ে। একসময় মিডিয়ার মাতামাতি থেমে যায়, আর তখন জনগণ শুধু পড়ে থাকা ঘন্টার শব্দ নিয়েই ব্যস্ত থাকে।

15/03/2025

👉 ১৯৯৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাসরঘর সাজিয়ে প্রতিরাতে একজন ছাত্রীকে ধর্ষন করা হতো, এভাবে একশত ধর্ষন করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে মিষ্টি বিতরণ করে উল্লাস করেছিলো ক্ষমতাসীন
দলের সোনার ছেলে "জসিমউদদীন মানিক" এরও একটা বিচার হয়েছিলো, তবে ফাঁসি হয় নি।
👉 দিবালোকে রামদা দিয়ে রাস্তায় প্রকাশ্যে খাদিজাকে কুপিয়ে তার মাথা কয়েকভাগ করে সিলেটের বদরুল,
খাজিদার ভাগ্য ভালো মরতে মরতে বেঁচে গেছে।
বদরুলেরও একটা বিচার হয়েছে, তবে খুব বেশি হয় নি।
👉 ২০১৮ সালে বরিশালের বানারিপাড়ায় মা-মেয়েকে
একসাথে ধর্ষন করে মাথা নেড়ি করে দেয় প্রভাবশালী তুফান, তুফানেরও একটা বিচার হয়েছে, তবে ফাঁসি
হয় নি।
👉সংরক্ষিত এলাকা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর ভিতরে তনুকে ধর্ষন করার পর হত্যা করা হয়, কে বা কারা জড়িত তা কিন্তু গোয়েন্দা বাহিনী ভালো করেই জানে, কিন্তু তনুর ধর্ষনকারী কেউ গ্রেফতার হয় নি।
👉 ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ নোয়াখালীর সুবর্ণচরে দিনের বেলা যুবতি মেয়ের সামনে তার মাকে দল বেঁধে ধর্ষণ করার পর প্রহার করা হয়, ১৭ কোটি মানুষ এর সাক্ষী,
ধর্ষক রুহুল আমীনের ফাঁসির দাবি উঠলেও,
ফাঁসি কিন্তু হয় নি।
👉 কিছুদিন আগে ঢাকার এক আবাসিক এলাকায়
৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করার পর শ্বাসরুদ্ধ করে
হত্যা করা হয়, ধর্ষক আটক, তবে তারও কিন্তু ফাঁসি হবে না।
👉 গত কয়েকবছর আগে দেখলাম ৩ বছরের শিশুর
যৌনাঙ্গ ব্লেড দিয়ে কেটে ধর্ষন করে হত্যা করা হয়,
সেই ধর্ষকও গ্রেফতার হয়েছে, তবে ফাঁসি কিন্তু হয় নি।
👉 এভাবে আরো কতো ধর্ষণ হচ্ছে মা বোনেরা তার হিসাব রাখে কে? ধর্ষকরা জেলে যায় ঠিকই,
কিন্তু ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে আবার বেরিয়ে আসে।
👉 আমরা ধর্ষকের ফাঁসি চাই সবাই, কিন্তু দেশে কি সেই আইন আছে?
ধর্ষকের শাস্তি জনসম্মুখে মৃত্যুদন্ড মাত্র তিন চারটা দিয়ে দেখুন, ধর্ষনতো দূরের কথা, কোনো মায়ের দিকে চোখ তোলে তাকানোর সাহস পাবে না কোন কুলাঙ্গার।

{ধর্ষনের সাজা}

👉আমেরিকা: ধর্ষিতার বয়স ও ধর্ষনের মাত্রা দেখে ৩০ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড ।
👉রাশিয়া: ২০ বছর সশ্রম কারাদন্ড।
👉চীন: কোনো ট্রায়াল নেই, মেডিকেল পরীক্ষার পর মৃত্যুদন্ড ।
👉পোল্যান্ড: হিংস্র বুনো শুয়োরের খাঁচায় ফেলে মৃত্যুদন্ড ।
👉মধ্যপ্রাচ্য আরব দুনিয়া: শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত পাথর ছুড়ে মৃত্যু, ফাঁসি, হাত পা কাটা, যৌনাঙ্গ কেটে অতি দ্রুততার সাথে মৃত্যুদন্ড দেওয়া ।

👉 বাংলাদেশেও ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করি।

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka