Writer Radha Rani Biswas
গ্রন্থ হল মনের চিন্তা চেতনা উপলব্ধি নিঃসরণের
যথার্থ স্থান। এই পেজ আপনাকে বই পড়ার অনাবিল আনন্দ দিবে।
# আবৃত্তি
কন্ঠে -রাধা রানী বিশ্বাস
কবিতা -নারী
কবি- শুক্লা দেব চৌধুরী
(ভিডিও এডিটিং @ রুদ্রনীল)
১১/৬/২০২৬ই
#পেশাদারিত্ব বনাম স্মার্টনেস
বিশ্বের সব দেশে সব পেশার মানুষ আছে।আমাদের দেশেও আছে। পেশাগত স্মার্টনেস সব লোকের থাকে না। আপনার কর্মক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা, উপস্থিত
বুদ্ধিমত্তা, উর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রতি সস্মান প্রদর্শন, অধিনস্তদের কাজে উৎসাহিত করা,পরিপাটি পোশাক বা ইউনিফর্ম পরিধান করা, আমি মনে করি এটি একটি আর্ট। যা সবাই বহন করতে পারে না। নিজের দায়িত্ব যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করা, সবার সাথে অফিশিয়াল প্রটোকল মেনে সুসম্পর্ক বজায় রাখা উচিত। যে কোন জটিল পরিস্থিতিতে দ্রুত ইতিবাচক এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাটা সক্ষম পেশাদারিত্ব। সবার প্রতি মার্জিত আচরণ করা, কোন সমস্যা সমাধানে সুস্পষ্ট ও গুছিয়ে কথা বলা,অফিসের নিয়ম নীতিকে সন্মানের সাথে গ্রহন ও পালন করা ইত্যাদি ইত্যাদিকেই আসলে পেশাদারিত্বের স্মার্টনেস বলে। যে কোন প্রতিষ্ঠানে যথাযথ ভাবে সময়ানুবর্তিতা পালনে বাধ্য থাকা ও চলাফেরার সময় বডি লেঙ্গুয়েজ ঠিক রাখা পেশাদারিত্বেরই অংশ। সবগুলো গুন থাকাই বাঞ্চনীয়। তবে সব আয়ত্তে না থাকলেও বেশির ভাগ থাকা উচিত বলে মনে করি। প্রিয় পাঠক আপনরাও কি তাই মনে করেন?
আমাদের দেশের প্রায় সব পেশাতেই কিছু সংখ্যক মানুষ আছে যারা অযথা স্নায়ু যুদ্ধ করে। মূল দায়িত্ব, কর্তব্য,সততা আর নৈতিকতা থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে। অনৈতিকতার বেড়াজালে জড়িয়ে নিজের আত্নসন্মান বিসর্জন দেয়। অসাধু কার্যকলাপে সক্রিয় হয়। সম্ভাবনাময় সাফল্যও তখন বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে আত্নগোপনে যায়। তখন কাজের প্রতি অবহেলা,জুলুম, পরচর্চা পরনিন্দা বেড়ে যায়।মহিলাদের মধ্যে এটি বেশি পরিলক্ষিত হয়। পুরুষরাও পিছিয়ে নেই। শুধু সমালোচনা চর্চার ধরনটি ভিন্ন।
আমি নার্সিং পেশার সাথে জড়িত। এই পেশায় এটি বেশি হয়। অন্য পেশার কথা জানিনা। যারা এগুলো করে, সেই শ্রেণির মানুষগুলো কাজের চেয়ে গন্ডগোল পাকায় বেশি। কারন তারা কাজের চেয়ে গল্প করতে পছন্দ করে। যদিও এই সংখ্যাটি নিত্যান্তই কম। তাতে কি!এই অল্প সংখ্যক মানুষগুলোর কৃত্রিম অভিযোগ করে জেতার আপ্রাণ প্রচেষ্টা পেশার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়।প্রায়ই দেখা যায় অন্যায় করে বিচার চাইতেও তারা সামনের সারিতেই তৎপর থাকে। বাংলা সিনেমার বাঙালি শাশুড়ি চরিত্রের মতো কলিগদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়েও গ্রুপিং এ লিপ্ত হয়। গঠনমূলক কোন কাজে তাদের পাওয়া না গেলেও, অকাজে আগ্রহ থাকে বেশি।
কারো ভালোর প্রসংশায় তাদের অন্তর্দহন হয়।এই প্রশংসা করতে পারাটাও কিন্তু পেশাদারিত্বের স্মার্টনেস।
বিপদগামী মানুষগুলোর হাসির পিছনেও অন্তর পোড়া গন্ধের তৃষ্ণার আর্তনাত টের পাওয়া মাঝে মাঝে। তাদের বিবেক বির্বজিত এ হেন কর্মকান্ডে পেশার সন্মান নষ্ট হয় সেদিকে তারা ভ্রুক্ষেপহীন।
"আসুন আবেগি না হয়ে বিবেক জাগ্রত করি।নিজ পেশায় দক্ষতা বৃদ্ধি করি। মানবিক গুণাবলী অর্জন করি।মানুষ উপকৃত হোক। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবদান রেখে সুগঠিত জাতি গঠনে সহায়তা করি।"
(৬/৬/২০২৬ইং)
09/05/2026
#আবৃত্তি
কন্ঠ-রাধা রানী বিশ্বাস
কবিতা -আঁধারে বন্দি
কবি- রেহানা খন্দকার
২৭/৪/২০২৬ইং
( ভিডিও এডিটিং রুদ্রনীল)
26/04/2026
#বই বা গ্রন্থ দিবস #
গত ২৩/৪/২০২৬ ইং তারিখ গ্রন্থ বা বই দিসব চলে গেলো।একটু দেরিতে লিখলাম বন্ধুরা। গ্রন্থ বা বই হলো লেখকের মনের চিন্তা নিঃশব্দে আক্ষরিক নিঃসরণ, যাহা গ্রন্থ বা বই আকারে পাঠকের হাতে পৌঁছে যায়। লেখক মনের মাধুরি মিশিয়ে নিজের চিন্তা ধারাকে প্রবাহিত করেন, কবিতা গল্প প্রবন্ধ বানী প্রবাদ উপন্যাস লিখে। যাহা বাস্তবতা আর কল্পনার মিশ্রণে গঠিত। লেখক অন্যের মনের আবেগ অনুভূতির প্রতিফলন ঘটায় তার লেখনি দিয়ে। নিজের আবেগ অনুভূতিকে পুজি করে লিখলেও, অন্যের দুঃখ আনন্দ কষ্ট অনুভূতির যন্ত্রণা আর উপলব্ধির স্পন্দনকে ছুঁইয়ে দেওয়াই উদ্দেশ্য।এজন্যই লেখা পড়ে পাঠক কাঁদে হাসে আবার রাগও উগড়ে দেয় কখনো কখনো। এখানেই লেখক এর লেখার স্বার্থকতা। জ্ঞান অর্জন করতে হলে বই পড়ার বিকল্প নেই। যারা লিখেন তারা এক সময় নিঃসন্দেহে ভালো পাঠক ছিলেন। বর্তমান ডিজিটাল সমাজ ব্যবস্থায় পাঠকের সংখ্যা ক্রমশ নিম্নে প্রবহমান।
সামাজিক অবক্ষয়ে তা প্রমানিত। তবে বর্তমান প্রজন্মের কিছু তরুন পাঠক আছে যারা ফাস্ট ফুড না কিনে বই কিনে। আমার আজকের লিখা তাদেরকেই উৎসর্গ করা।
বই পড়া যাদের আনন্দে দেয়, তারা আর যাই হোক পৃথিবীর কোন অশান্তির রণতূর্য ধ্বনি তাদের কানে অন্তত পৌঁছাবে না।কারণ তারা অনাবিল শান্তি খুঁজে পেয়েছে। একটি শ্রেণির মানুষ অতীতেও ছিলো এখনো আছে ,যারা বই পড়ে না কিছু লিখেও না কিন্তু বিদ্রুপ করে। লেখকরা লেখার সময় কাউকে বাদ দেয় না। ঐ শ্রেণির মানুষ এর মনের দৈন্যতা নিয়েও লিখেন। কারন লেখার মাধ্যমে মানুকে বাঁচিয়ে রাখাই লেখকের কাজ। সমাজ এর বিভিন্ন স্তর ভেদ করে চলে লেখক এর চিন্তা। লেখকরা বরাবরই উদার আর ক্ষমাশীল হয়। আর এই উদরতার জন্য নিগৃহীতও হয় মাঝে মাঝে। ইহাতে লেখক এর কিছু যায় আসে না।লেখক বেঁচে থাকে তার উন্নত চিন্তাধারাকে লালন করে। আমি লেখক না আমি যাস্ট লিখি। আপনাদের আশির্বাদ/দোয়ায় তিনটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। এটি সৃষ্টিকর্তার অশেষ দয়া আর আপনাদের দোয়া/আশির্বাদেই সম্ভব হয়েছে।
পৃথিবীর সকল ভাষায় লেখা লেখকদের প্রতি রইলো পরম শ্রদ্ধা আর নিরন্তর শুভকামনা।
"আসুন আমাদের পরবর্তী বিপথগামী তরুন প্রজন্মকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে বাঁচাতে বই পড়ায় উদ্বুদ্ধ করি,সুদৃঢ় উন্নত জাতি গঠন করে দেশ রক্ষা করি"।
04/04/2026
# বানী
"মৃত্যু অবধারিত সঙ্গী জেনেও মানুষ
আমৃত্যু পর্যন্ত সুখকে চায় "
৪/৪/২৬ইং
04/04/2026
With Subal Biswas – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
# আবৃত্তি
কবিতা - যুদ্ধ নয় খাদ্য চাই
কলমে ও ভিডিও এডিটিং @রুদ্রনীল
৩১/৩/২০২৬ ইং
27/03/2026
আমার লেখা আরও একটি ছোট গল্প ইন্ডিয়ার সাহিত্য জগতে স্থান পেলো।
24/03/2026
With Jaynal Abdin – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
Click here to claim your Sponsored Listing.