View on Life
Life is uncertain. We have to be proactive. Business with social upliftment is my goal.
উত্তম কথা বলা নতুবা চুপ থাকা:
চুপ থাকা নিয়ে চমৎকার একটি মিশরীয় প্রবাদ আছে :
'কোলাহল যদি রূপার তৈরি হয়, নীরবতা তবে সোনার তৈরি!’
আরবী প্রবাদটাও অসাধারণ-
‘তুমি তখনি কথা বলো, যখন তা চুপ থাকার চেয়েও সুন্দর!’
চুপ থাকাকে কেন এতো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে? কারণ জিহ্বা দ্বারা সংশ্লিষ্ট গুনাহগুলো আমাদের ভালো আমলগুলোকেও নষ্ট করে দিচ্ছে। আমরা সারাদিনে যত কথা বলি, তার বেশিরভাগই অপ্রয়োজনীয়, মিথ্যাচার ও গিবতে পরিপূর্ণ। অথচ মুখ নিঃসৃত প্রতিটি শব্দই লিপিবদ্ধ হচ্ছে।
মহান আল্লাহ্ বলেন:
‘মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করুক না কেন, তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে।’
(সূরা কাফ: ১৮)
হাশরের ময়দানে দেখা গেল আমাদের পূণ্যের চেয়ে পাপের পাল্লা ভারি। অবাক কান্ড! কখনো কারো ক্ষতি করিনি, কারো প্রতি অন্যায় করিনি, তারপরো এ অবস্থা কেন? তখন উত্তর আসবে, এগুলো তোমার মুখ নিঃসৃত পাপের ফল!
এজন্যই আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘অধিকাংশ মানুষ জিহ্বা দ্বারা সংঘটিত পাপের কারণে জাহান্নামে যাবে।’
(তিরমিযি: ১৬১৮)
তাহলে করণীয়? এর সমাধানও রাসূলুল্লাহ (সা.) দিয়ে গেছেন- ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে নতুবা চুপ থাকে।’
(মিশকাত)
জিহ্বা দ্বারা সৃষ্ট কবিরা গুনাহসমূহ;
▪︎১. মিথ্যা কথা বলা,
▪︎২. মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া,
▪︎৩. মিথ্যা শপথ করা,
▪︎৪. গিবত করা,
▪︎৫. পরনিন্দা করা,
▪︎৬. অভিশাপ দেওয়া,
▪︎৭. খোঁটা দেওয়া,
▪︎৮. চোগলখোরি করা।
আমাদের কথা বলার নীতি যেমন হওয়া উচিত
▪︎১. কথা বলার আগে সালাম দেওয়া।
(সূরা নূর: ৬১)
▪︎২. সতর্কতার সঙ্গে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়)।
(সূরা ক্বফ: ১৮)
▪︎৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা।
(সূরা বাক্বারাহ: ৮৩; বুখারী:১৪১৩)
▪︎৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা।
(সূরা নূর: ৩; বুখারী: ৩৫৫৯)
▪︎৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা।
(সূরা লুকমান: ১৯, সূরা হুজুরাত: ২-৩)
▪︎৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা।
(সূরা নামল: ১২৫)
▪︎৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দুয়ার উন্মুক্ত করা।
(সূরা আহযাব: ৭১-৭২)
▪︎৮. গাধার মতো কর্কশ স্বরে কথা না বলা।
(সূরা লুকমান: ১৯; তিরমিযী: ৪৮৫৯)
▪︎৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা।
( সূরা হা-মীম সাজদাহ্: ৩৪)
▪︎১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেওয়া।
(সূরা হা- মীম সাজদাহ্: ৩৪)
▪︎১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া। (সূরা ছফ: ২)
▪︎১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমার নীতি অবলম্বন করা । (সূরা আরাফ: ১৯৯)
▪︎১৩. মেয়েরা পরপুরুষের সঙ্গে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা। (সূরা আহযাব: ৩২)
▪︎১৪. ছেলেরা পরনারীর সঙ্গে আকর্ষণীয় ও কোমল ভাষায় কথা না বলা।
▪︎১৫. মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমত এড়িয়ে চলা।
(সূরা ফুরকান: ৬৩)
▪︎১৬. হাসি মুখে কথা বলা।
আমরা আমাদের জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি তো? নাকি জিহ্বাই আমাদের নিয়ন্ত্রণ করছে?
08/05/2026
গুগল একাউন্টের স্টোরেজ ফাঁকা করার উপায় (ফটোস, ড্রাইভ, জিমেইল) প্রতিটি গুগল বা জিমেইল একাউন্টের সাথে ১৫ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ ফ্রি পাওয়া যায়। জানুন জিমেইল, গুগল ফটোস, গুগল ড্রা....
08/05/2026
এই ছবিটা মূলত মানুষের সম্পর্ক, ভুল বোঝাবুঝি এবং একে অপরের অদৃশ্য কষ্টকে বোঝানোর একটি গভীর প্রতীকী উপস্থাপন।
ছবিতে দেখা যায়, একজন পুরুষ পাহাড়ের উপরে থেকে একজন নারীকে টেনে তুলতে চেষ্টা করছে। কিন্তু নারীটি জানে না যে পুরুষটির পিঠের উপর একটি বিশাল পাথর চাপা পড়ে আছে। আবার পুরুষটিও জানে না যে নারীর নিচে একটি বিষাক্ত সাপ রয়েছে, যা তাকে ভয় ও বিপদের মধ্যে রেখেছে।
এখানে দু’জনই একে অপরকে ভুল বুঝছে।
নারী ভাবছে: “সে যদি সত্যিই চাইত, তাহলে আরও জোরে আমাকে টেনে তুলতে পারত।”
অন্যদিকে পুরুষ ভাবছে: “আমি এত কষ্টের মধ্যেও তোমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছি, তবুও তুমি নিজে একটু চেষ্টা করছ না কেন?”
এটাই বাস্তব জীবনের অনেক সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি।
আমরা সাধারণত মানুষের আচরণ দেখি, কিন্তু তার পেছনের চাপ, ভয়, মানসিক যন্ত্রণা বা লড়াই দেখতে পাই না। কেউ হয়তো রাগী, দূরে সরে গেছে, কম কথা বলে, বা আগের মতো সাহায্য করতে পারছে না। আমরা দ্রুত বিচার করে ফেলি। কিন্তু হয়তো সে নিজের ভেতরে বিশাল কোনো যুদ্ধ লড়ছে।
এই ছবির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো:
মানুষের জীবনে এমন অনেক “অদৃশ্য পাথর” আর “অদৃশ্য সাপ” থাকে, যা বাইরে থেকে বোঝা যায় না।
তাই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন:
সহানুভূতি
ধৈর্য
যোগাযোগ
এবং একে অপরকে বোঝার চেষ্টা।
কারণ, অনেক সময় মানুষ খারাপ নয়, সে শুধু ক্লান্ত, আহত বা চাপে থাকে।
ছবিটি আমাদের শেখায়: “সব সত্য চোখে দেখা যায় না। তাই বিচার করার আগে বোঝার চেষ্টা করুন।”
#সম্পর্ক
সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো, জোর করে কারো মনোযোগ বা গুরুত্ব পাওয়ার চেষ্টা করা। মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, যখন আমরা কাউকে অতিরিক্ত চাপ দিই বা নিজের অধিকার প্রমাণ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি, তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই দূরে সরে যেতে শুরু করে।
তাই সবসময় অন্যের মনোযোগের পিছনে না ছুটে নিজের মূল্য বুঝতে শেখা জরুরি। যেখানে আপনার সম্মান বা গুরুত্ব নেই, সেখানে বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে যাওয়া আসলে নিজের আত্মসম্মানকেই ছোট করে।
জীবনের একটা সময় আসে, যখন বেশি কথা বলে নিজের অবস্থান বোঝানোর চেয়ে নীরবতা অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। চুপচাপ নিজেকে সরিয়ে নেওয়া দুর্বলতা নয়, বরং এটি আত্মসম্মান ও মানসিক পরিপক্বতার পরিচয়।
মনে রাখবেন, যেটা সত্যিই আপনার জন্য, সেটাকে জোর করে ধরে রাখতে হয় না। যারা আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে ও সম্মান করে, তারা নিজের থেকেই আপনার মূল্য বুঝবে।
তাই অন্যের স্বীকৃতির জন্য নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন না। নিজের মানসিক শান্তি, আত্মসম্মান ও সুস্থ চিন্তাভাবনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।
এটা আরও সহজভাবে বলি
এন্ট্রপি (Entropy) মানে হলো:
আপনি কিছু না করলে, সবকিছু নিজে থেকেই খারাপের দিকে যাবে।
কিছু উদাহরণ:
ঘর: না গুছালে নিজে নিজেই এলোমেলো হবে, কিন্তু নিজে নিজে কখনো পরিষ্কার হবে না।
শরীর: যত্ন না নিলে অসুস্থ হবে।
সম্পর্ক: সময় না দিলে দূরত্ব বাড়বে।
মন: নিয়ন্ত্রণ না করলে চিন্তা আর অস্থিরতা বাড়বে।
কাজ/ক্যারিয়ার: চর্চা না করলে দক্ষতা কমে যাবে।
এক লাইনের কথা:
ভালো জিনিস ধরে রাখতে পরিশ্রম লাগে,
কিন্তু নষ্ট হতে কোনো পরিশ্রম লাগে না।
আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
আমাদের মস্তিষ্ক সহজ কাজ পছন্দ করে, কারন সে শক্তি ক্ষয় করতে চায় না।তাই মস্তিষ্ক সহজ কাজ করেতে চায়।তাই আমরা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ কাজ এড়িয়ে যাই বা জটিল কাজ করতে মনোযোগ দিতে পারি না। কিন্তু এই “সহজ পথ”ই পরে বড় সমস্যা তৈরি করে।
শেষ কথা:
সময় নিজে সমস্যা কে ঠিক করে না।
আপনি চেষ্টা করলে তবেই সমস্যার সমাধান হয়।প্রকৃতি ভংগুর, ধ্বংস করে জীর্ন করে। যত্ন না নিলে পরিশ্রম না করলে পৃথিবী ঠিক থাকবে না।
01/05/2026
Big shout out to my newest top fans! 💎 মোহাম্মদ রক্বীব হাসান
Drop a comment to welcome them to our community, fans
প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক Plato একটা গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিয়েছিলেন—“Ship of State” বা রাষ্ট্রকে একটা জাহাজের সাথে তুলনা। তার বক্তব্য ছিল খুব সরল: একটা জাহাজ চালাতে যেমন দক্ষ নাবিক, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা দরকার, তেমনি একটা রাষ্ট্র চালাতেও যোগ্য নেতৃত্ব দরকার।
সমস্যা হয় তখন, যখন জাহাজের যাত্রীরা নিজেরাই ক্যাপ্টেন হতে চায়, কিন্তু তাদের সেই দক্ষতা বা জ্ঞান নেই। যে সবচেয়ে বেশি জোরে কথা বলতে পারে, বা মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে, সে-ই নেতৃত্ব পেয়ে যায়। আর বাকিরা তাকে সমর্থন করে, কারণ তারাও জানে না সঠিক পথ কোনটা।
এখানে মূল সমস্যা গণতন্ত্র না—সমস্যা হলো অজ্ঞতা এবং অচিন্তাশীলতা। অনেক সময় আমরা ভোট দিই, মতামত দিই, কিন্তু আসলে আমরা বিষয়টা গভীরভাবে বুঝি না। আমরা প্রভাবিত হই স্লোগান, আবেগ, বা জনপ্রিয় কথাবার্তা দিয়ে।
ইতিহাসেও আমরা এটা দেখেছি। Socrates-কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল তার সময়ের সমাজ, যারা বিশ্বাস করেছিল তারা সঠিক কাজ করছে। কারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া মানেই সঠিক হওয়া না।
প্লেটোর ভয় ছিল—যদি সমাজে জ্ঞান ও দক্ষতার মূল্য কমে যায়, আর শুধু জনপ্রিয়তা বা আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে একসময় বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। তখন মানুষ ক্লান্ত হয়ে এমন একজন নেতাকে খুঁজবে, যে বলবে “আমি সব ঠিক করে দেব।” আর সেখান থেকেই স্বৈরাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়।
আজকের বাস্তবতায় আমরা অনেক সময় দেখি মানুষ তথ্যের চেয়ে মতামত বেশি শেয়ার করে
জ্ঞান অর্জনের চেয়ে প্রতিক্রিয়া দেখাতে বেশি আগ্রহী এবং নিজের চিন্তার চেয়ে ভিড়কে অনুসরণ করে।
এটা এক ধরনের “echo chamber”—যেখানে সবাই একই ধরনের কথা শুনে, বলে, এবং সেটাকেই সত্য মনে করে।
প্লেটোর মূল বার্তা ছিল খুব বাস্তব:
সব মানুষ সমান মর্যাদার, কিন্তু সবাই সমানভাবে দক্ষ বা জ্ঞানসম্পন্ন নয়।
তাই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জ্ঞান, বিশ্লেষণ এবং দায়িত্ববোধ জরুরি।
শেষ প্রশ্নটা খুব সহজ কিন্তু গভীর,আপনি কি সত্যিই বুঝে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।নাকি শুধু ভিড়ের সাথে চলছেন?কারণ ভিড় সাধারণত চিন্তা করে না,ভিড় শুধু অনুসরণ করে।
★এইটাই আসলে পুরো আলোচনার সারকথা:
গণতন্ত্র তখনই কার্যকর, যখন নাগরিকরা সচেতন, জ্ঞানভিত্তিক এবং দায়িত্বশীল হয়।
নইলে একই ব্যবস্থা নিজের দুর্বলতাতেই ভেঙে পড়তে পারে।
নিজের জীবনের নায়ক হওয়ার ৫টি মূল নীতি
অনেকে “মেইন ক্যারেক্টার এনার্জি”কে ভুলভাবে বোঝেন। এটি অহংকার নয়, বরং এমন এক অভ্যন্তরীণ শক্তি যা আপনার উপস্থিতিকে মূল্যবান করে তোলে।
১. পছন্দ নয়, সম্মান অর্জন করুন
মানুষের ভালো লাগা অস্থায়ী, কিন্তু সম্মান দীর্ঘস্থায়ী।আপনি নিজেকে যেভাবে দেখেন এবং ট্রিট করেন, অন্যরাও আপনাকে সেভাবেই মূল্যায়ন করবে। নিজের নীতিতে দৃঢ় থাকুন।
২. পরিষ্কার সীমানা তৈরি করুন
অসম্মান হলে প্রতিক্রিয়া নয়, সিদ্ধান্ত নিন।
অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে না গিয়ে নিজেকে সেই পরিবেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া শক্তির লক্ষণ।
৩. একা থাকার দক্ষতা গড়ে তুলুন
একাকীত্ব দুর্বলতা, কিন্তু নিজের সাথে সময় কাটানো একটি শক্তি।
নিজেকে জানুন, শিখুন, উন্নত করুন। যখন আপনি নিজের সঙ্গ উপভোগ করবেন, তখন নির্ভরশীলতা কমে যাবে।
৪. ধারাবাহিক ও নির্ভরযোগ্য হন
বিশ্বাস গড়ে ওঠে কথার সাথে কাজের মিল থেকে।
যা করতে পারবেন, সেটাই বলুন। আর দায়িত্ব নিলে সেটি সম্পূর্ণ করুন। ধারাবাহিকতা আপনাকে আলাদা করে তোলে।
৫. নিজের দক্ষতায় উৎকর্ষ অর্জন করুন
মানুষ কথা নয়, দক্ষতাকে সম্মান করে।
আপনার কাজ এমন হওয়া উচিত যাতে তার প্রমাণ থাকে।ফলাফল, উন্নতি, বা প্রভাবের মাধ্যমে।
#বোনাস: ৫ বছরের দৃষ্টিভঙ্গি
যেকোনো সমস্যায় নিজেকে জিজ্ঞেস করুন:
“৫ বছর পর এটি কি গুরুত্বপূর্ণ থাকবে?”
যদি না থাকে, তাহলে এতে অতিরিক্ত সময় বা শক্তি ব্যয় করার প্রয়োজন নেই।
#শেষ_কথা
নিজের মতো হওয়াই আসল শক্তি।
অন্যদের অনুসরণ করার চেয়ে এমনভাবে নিজেকে গড়ে তুলুন, যাতে অন্যরা আপনাকে অনুসরণ করতে চায়।নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিন। সাইড রোল নয়—প্রধান চরিত্র হন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
1206