Job diary
Everyone has weakness but I'm not everone.
19/01/2026
19/01/2026
১ নম্বর নিশ্চিত যেকোনো চাকরি পরিক্ষায়👉
#শিক্ষকনিবন্ধন
এরকম আপডেট তথ্য পেতে এখনি ফলো করে পাশে থাকুন। ধন্যবাদ
19/01/2026
If সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে had a face 💀
MM Hall, JUST
18/01/2026
🔥🔥 প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ।
মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষার আগে যেসব ডকুমেন্টস লাগবে—👇
🔹 এডমিট কার্ড ।
🔹 অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন কপি ।
🔹 আবেদনপত্রে উল্লেখিত সকল সার্টিফিকেট ও মার্কশিটের কপি ।
🔹 নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ।
📍বাবা-মায়ের NID কপি ।
🔹 ইউনিয়ন পরিষদ / পৌরসভা / সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নাগরিক সনদ ।
🔹 চারিত্রিক সনদপত্র (সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক)
🔹 কোটা সনদ (যদি প্রযোজ্য হয়) ।
🔹 পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি – ৪ কপি।
🔹 শিক্ষা অফিস কর্তৃক প্রদত্ত নির্ধারিত ফরম (যথাযথভাবে পূরণকৃত) ।
📢 গুরুত্বপূর্ণ:
✔️ প্রতিটি ডকুমেন্টের ফটোকপি অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে।
✔️ জেলা শিক্ষা অফিসভেদে ডকুমেন্টসের তালিকায় কম-বেশি হতে পারে।
📂 ভাইভার আগেই সব কাগজপত্র সুন্দরভাবে ফাইলে গুছিয়ে রাখুন।
সবার জন্য শুভকামনা 🌸
✍️ উজ্জ্বল স্যার
18/01/2026
নন-ক্যাডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগে প্রতি পদে ৬২৪ প্রতিযোগী, পরীক্ষা ঢাকায়
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে মাত্র ১ হাজার ১২২টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন প্রায় সাত লাখ চাকরিপ্রার্থী। হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬২৪ জন। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) আয়োজিত এই নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে গত বছরের ২৬ অক্টোবর। এখন বিশাল এই পরীক্ষার আয়োজন ঘিরে প্রস্তুতির শেষ ধাপে রয়েছে কমিশন।
প্রায় সাত লাখ পরীক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষা আয়োজন করা একটি অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজ। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষা শুধু ঢাকাতেই অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট। শুরুতে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ১৬৯টি। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনের পর এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য পদের ৮০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং মাত্র ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে সরাসরি নিয়োগের জন্য পদের সংখ্যা নেমে আসে ১ হাজার ১২২টিতে। পদের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে যাওয়া এবং একই সঙ্গে বেতন গ্রেড উন্নীত হওয়ায় প্রতিযোগিতা পৌঁছেছে রেকর্ড উচ্চতায়।
১০০ নম্বরের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর মধ্যে ৯০ নম্বরের লিখিত(MCQ TYPE) পরীক্ষা এবং ১০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা থাকবে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, দৈনন্দিন বিজ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
©️
17/01/2026
সাম্প্রতিক হট টপিক!
17/01/2026
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কাটমার্ক সমাচার:
-----------------------------------------------------------------------
ভাইবা ও চাকরির কাটমার্ক যত: সম্ভাব্য সমাচার দর্পণ ।
এই বিষয়টি চারটি দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যবেক্ষণ করে উপস্থাপন করলাম—
১. কিছু পাবলিক ভর্তি পরীক্ষা ও চাকরির পরীক্ষার পরিসংখ্যান ।
২. পরিসংখ্যানের আয়তলেখ বা গণসংখ্যা বহুভুজে প্রচুরক ।
৩. উপজেলা পর্যবেক্ষণ ।
৪. অনুমান ।
-----------------------------------------------
১. অনেক ভর্তি পরীক্ষা বা চাকরির পরীক্ষায় লক্ষ্য করবেন—যারা সর্বোচ্চ নম্বর পায়, তাদের সংখ্যা একেবারেই কম। আর বাকিরা তাদের থেকে অনেকটা ব্যবধানে থাকে।
উদাহরণ:
কেউ আপনার উপজেলায় ৮১ পেয়েছে বলেই যে ৮০–৮৫ শ্রেণিতে মেধাবীর সংখ্যা বেশি—এমনটা ভাবা একদমই অবাস্তব। কারণ ৮১ একজন পেতেই পারে; তাই বলে অন্যরাও এমন পাবে—এই ধারণা অলীক।
- ৮১ পাওয়া কোনো উপজেলায় এমন হতে পারে যে দ্বিতীয় হওয়া ব্যক্তি ৭১–৭৫ শ্রেণিতে অবস্থান করছে।
- অথবা ৭১–৭৫ শ্রেণিতে মোট ৪/৫ জন রয়েছে।
- তৃতীয় স্তরে ৬৮–৭০ শ্রেণিতে ১০/১৫ জন অবস্থান করছে।
- আর ৬৫–৬৭ শ্রেণিতে দেখবেন ১০/১৫ জন অবস্থান করছে।
-----------------------------------------------
২. পরিসংখ্যানে লক্ষ্য করবেন, সব নম্বরকে গ্রাফচিত্রে (আয়তলেখ বা প্রচুরকের বহুভুজ) উপস্থাপন করলে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণিতে পুঞ্জীভূত হয়।
এই প্রাথমিক পরীক্ষাতেও ৬০–৭০ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি পুঞ্জীভূত হবে—লিখে রাখুন, বিশ্বাস না হলে ফলাফলে মিলিয়ে দেখবেন।
৭০–৭৫ শ্রেণিতে হালকা পুঞ্জীভবন হবে, আর ৭৫–৮০ শ্রেণিতে একেবারেই কমসংখ্যক থাকবে—যারা উপজেলায় প্রথম বা দ্বিতীয় হবে।
-----------------------------------------------
৩. উপজেলা পর্যবেক্ষণ (নমুনা):
আপনার উপজেলায় শূন্যপদ বেশি মানে স্বভাবতই সেখানে স্কুল বেশি, আয়তন বেশি, লোকসংখ্যা বেশি এবং প্রার্থীও বেশি। সুতরাং সেখানে মেধাবীর সংখ্যাও বেশি হওয়াই স্বাভাবিক।
অতএব,
শূন্যপদ বেশি ⇒ কাটমার্ক বেশি
শূন্যপদ কম ⇒ কাটমার্ক কম
এই যুক্তিতেই বিষয়টি শেষ।
-----------------------------------------------
৪. অনুমান:
পরিসংখ্যানের অনুমান শতভাগ সত্য নয়। তবে সত্যের সন্নিহিত মান ধারণ করেই বলা যায়।
-----------------------------------------------
√ একজন প্রার্থী ৯০ নম্বরে সর্বোচ্চ কত পেতে পারে?
ধরুন—
একজন প্রার্থী ৯০ নম্বরের পরীক্ষায় ৪টি প্রশ্ন একদম অপরিচিত বা কঠিন হওয়ায় বৃত্ত পূরণ করেনি।
রইল: ৯০ − ৪ = ৮৬
জানা, কনফিউশন ও অনুমানে ৮৬টি বৃত্ত পূরণ করল। এতে কাটা গেল ৮/১০টি।
এভাবে জানা–অজানা–অনুমান–কনফিউশনের কারণে ৬/৮/১০টি তো কাটবেই।
তাহলে রইল—
৮৬ − ৬/৮/১০ = ধরলাম ৭৮/৮০ নম্বর।
এরপর নেগেটিভ মার্কিংয়ে আরও ২/৩ নম্বর কাটা যাবে।
সুতরাং সর্বোচ্চ নম্বর দাঁড়ায় ৭৬/৭৮।
এর চেয়ে ব্যতিক্রম হিসেবে কেউ বেশি পেতেই পারে, কিন্তু ব্যতিক্রম কখনো উদাহরণ নয়।
-----------------------------------------------
প্রশ্ন সহজ সমাচার:
মাঠের বাইরের দর্শকের কাছে সবসময়ই গোল দেওয়া সহজ। কিন্তু মাঠে গিয়ে তারাই শট দেওয়ার আগে স্লিপ খেয়ে পড়ে যায়—বল রেখে নিজেরাই জালের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
প্রশ্ন হাতে এলে জানা উত্তরও ছলনাময়ী প্রেমিকের মতো আচরণ করে—এটা বোঝে কেবল পরীক্ষার্থীরাই।
দেখবেন, বাইরে কথা বললে মাথায় বুদ্ধি নেই, আর বাসায় ফিরলেই মাথা যেন হঠাৎ বুদ্ধির খাতা খুলে দেয়।
সুতরাং দর্শকদের কথা শুনে লাভ নেই। এখন ফলাফল প্রকাশ করি পরিসংখ্যানে—
-----------------------------------------------
৮০–৮৫ : ±২০০ জন → চাকরি √√
৭৫–৭৯ : ±২,০০০ জন → চাকরি √√
৭০–৭৪ : ±১০,০০০ জন → চাকরি √√
৬৮–৬৯ : ±১২,০০০ জন → ভাইবা √
৬৬–৬৭ : ±১৫,০০০ জন → ভাইবা √
৬৪–৬৫ : ±২০,০০০ জন → ভাইবা √
৬২–৬৩ : ±৩০,০০০ জন → ঝুলন্ত
-----------------------------------------------
চূড়ান্ত পরিসংখ্যানভিত্তিক ফলাফল (ইনশাআল্লাহ):
> ৭০+ : চাকরি হবে √√
> ৬৮–৬৯ : অনেকের হবে, অনেকের হবে না। তবে প্যানেল থেকে সবার চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা আছে √
> ৬৬–৬৭ : ভাইবা দেবে, কিন্তু চাকরি অনেকের হবে না। প্যানেল থেকে উপজেলা অনুযায়ী আশা করা যায়।
> ৬৪–৬৫ : ভাইবা নিশ্চিত, কিন্তু চাকরি অনিশ্চিত। তবে প্যানেল থেকে অনেকের ভাগ্যে আসতে পারে উপজেলা অনুযায়ী।
> ৬০–৬৫ : উপজেলা অনুযায়ী এই মার্কেও অনেকে ভাইবা দেবে, এমনকি অনেকের চাকরিও হতে পারে।
> ৭০+ এ চাকরি না হলে ধরে নেবেন—
> আপনার উপজেলায় শূন্যপদ একেবারেই কম ।
> অথবা পুকুরচুরি হয়েছে ।
> অথবা মেধাবীর সংখ্যা অত্যধিক বেশি ।
-----------------------------------------------
সারাদেশে আনুমানিক ১,০০০ জন জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি পেতে পারে বলে ধরলাম।
সত্য বলতে, এ বছর প্রশ্নফাঁসের কোনো প্রমাণ নেই। তবে ডিভাইসসহ অনেককে ধরা হয়েছে, সেই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসকারী চক্রও শনাক্ত হয়েছে। এজন্য কর্তৃপক্ষ ও যৌথবাহিনীকে আন্তরিক অভিনন্দন।
বাকি যারা আছে, তারাও ভাইবায় ধরা খাবে—এই হিসেবে ১,০০০ জনকে ধরা হয়েছে তারা ধরা পড়বে না যাদের চাকরি হবে।
টাকা দিয়ে চাকরি নেওয়ার মতো কলিজা সবার নেই।
আবার সবার সেই মুরোদও নেই।
টাকা থাকলেই যে সাহস থাকে—তাও নয়।
টাকা এত সহজ না, ভাই।
তবে প্রশ্নফাঁস হলে অবস্থা ভয়াবহ হয়। তখন প্রশ্ন বিক্রি হতে হতে পানির দামে বিক্রি হয়। আর তখন মেধাবীরা শতভাগ বাঁশ খায়।
জারির আহমেদ🖊️
17/01/2026
আগামীকাল রোববার বিকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বৈঠকের অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।বৈঠকে যদি সিদ্ধান্ত হয়,প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার MCQ ফলাফল এবং ভাইভা সিডিউল আগামীকাল রোববার প্রকাশ করা হতে পারে।
©️
17/01/2026
আগামী রোববার (১৮ জানুয়ারি) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন বিকেল অথবা সন্ধ্যার মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। ফলাফলে প্রতিটি শুন্যপদের বিপরীতে তিন থেকে পাঁচজন চূড়ান্ত নির্বাচিত হতে পারেন এটা বৈঠকে ঠিক হবে কতজন করে টিকাবে।
পরীক্ষার উত্তরপত্র স্ক্যানিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর বিশেষজ্ঞ টিম পরিচালনা করেছে। ফলাফল প্রস্তুতের কাজেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।বিকালে বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে রোববারই ফল প্রকাশ করা হতে পারে।
©️
Click here to claim your Sponsored Listing.