Rashed Rean
আমি সহজ কথায় জটিল বিষয়গুলি ভাঙ্গতে পছন্দ করি
এরা ছাড়া আর বন্ধু নেই
মানবতা যখন ফেসবুকে তখন পশুই ভরসা 😔
10/04/2026
Best Gynaecologist 🥰
Baby নড়াচড়া কম লাগছে? 😟
কখন এটা normal… আর কখন danger?
অনেক মা বলেন—
“আজকে baby আগের মতো নড়ছে না…”
কেউ ignore করেন, কেউ খুব ভয় পান।
👉 কিন্তু দুটোই ভুল হতে পারে।
Baby movement প্রতিদিন same হবে—এটা ঠিক না।
তবে একটা pattern থাকে।
👉 হঠাৎ noticeable কমে গেলে—এটা important sign।
⚠️ কখন চিন্তা করবেন?
* ২৪–২৮ সপ্তাহের পর movement clear থাকার কথা
* আগের তুলনায় হঠাৎ অনেক কমে যাওয়া
* ১২ ঘন্টায় ১০ বারও movement feel না হওয়া
👉 তখন delay করবেন না।
🎯 কী করবেন?
* বাম কাতে শুয়ে baby movement count করুন
* মিষ্টি কিছু খেয়ে আবার check করুন
* তবুও কম লাগলে → তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের কাছে যান
মায়ের intuition অনেক সময় সঠিক হয়—ignore করবেন না ❤️
📢 Pregnant কারো কাছে postটা share করুন—কারো উপকার হতে পারে।
— Dr. Toma
Universal Truth
11/02/2026
Yes or Not ?
এটা যারা “না”ভোট দিবে ভাবতে হবে তারা এখনও বাটন মোবাইল চালায়
এক সংসদ ব্যাবস্থা আর কত একটু পরিবর্তন হয়েই দেখা যাক
তাই গণভোট “হ্যা”
27/10/2025
ফাই'জ'লামির একটা সিমা আছে। আচ্ছা ওর সামনে যে চায়ের কাপ দিলো ও চা খাইবো কেম্নে কন?
24/10/2025
সালমান শাহকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে কি লার ভাড়া করেন শাশুড়ি লতিফা হক লুসি। হ: ত্যার পরিকল্পনা সাজানো হয় গুলিস্তানের একটি বারে । কি লারদের সঙ্গে চুক্তি হয় ১২ লাখ টাকায়। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, সালমানের স্ত্রী সামিরা সহ আরও ১১ জন অংশ নেন এই হ : ত্যা: কাণ্ডে। হ: ত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে আ: ত্মহ: ত্যা বলে প্রচার চালিয়ে পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করেন আজিজ মোহাম্মদ ভাই।
হ: ত্যাকাণ্ডে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন আসামি রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, সালমান শাহ আ:ত্মহ: ত্যা করেননি। এটি একটি পরিকল্পিত হ: ত্যা। জবানবন্দিতে রেজভী বলেন, ‘ডন সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। সালমানের স্ত্রী সামিরার সঙ্গে ডনের গোপন সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং দৈ: হিক সম্পর্কও ছিল। অন্যদিকে সামিরার মায়ের সঙ্গে চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গোপন ও দৈ: হিক সম্পর্ক ছিল। তাই সালমান ডনকে এড়িয়ে চলতেন।’
হ: ত্যার পরিকল্পনার বিষয়ে রেজভী বলেন, ‘সালমান শাহকে হ: ত্যার আগের দিন ১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর গুলিস্তানের একটি বারে পরিকল্পনা করা হয়। ওইদিন রাত ৮টায় ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ ও আমি বারে যাই। সেখানে আরও ২ জন ছেলে ছাত্তার ও সাজু আসে। এরপর ফারুক ২ লাখ টাকা বের করে বলে, সামিরার মা ওই টাকা দিয়েছে। কথা ছিল সালমানকে শেষ করার জন্য মোট ১২ লাখ টাকা দেবে। কাজের আগে ৬ লাখ ও কাজের পরে ৬ লাখ। কিন্তু ২ লাখ টাকা পেয়ে ডনের সঙ্গে ফারুকের কথাকাটাকাটি হয়। পরে ফারুক রাগ করে বাইরে যায়। ২০ থেকে ২৫ মিনিট পরে আরও ৪ লাখ টাকা নিয়ে আসে। তখন ওখানেই ডন প্লাস্টিকের একটি দড়ি নিজের মাজায় বেঁধে উপরে কালো জ্যাকেট গায়ে দেয়। বাকি অর্ধেক রশি ফারুকের কাছে দেয়। এরপর তারা টাকা, সিরিঞ্জ, রি :ভলবার ইত্যাদি গুছিয়ে নেয়। সামিরার মা এবং আজিজ মোহাম্মদ ভাই দুজনে মিলেই সালমানকে শেষ করার ব্যাপারে ডন ও ফারুকের সঙ্গে কনটাক্ট হয়।’
রেজভী আরও বলেন, ‘এরপর ওই রাতে বার থেকে এফডিসি এসে শুটিং শেষে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রাত আড়াইটার সময় আমাকে সালমান শাহর বাসায় নিয়ে যায় ডন। ওই বাসায় ডন, ডেভিড ও ফারুকের যাতায়াত ছিল বলে দারোয়ান কিছু বলেনি। সালমানের বাসায় লিফটে ওঠার আগেই ডান পাশে রুবী নামে এক মেয়ের রুমের দরজায় ডন নক করলে রুবী নাইটি পরা অবস্থায় দরজা খোলে। এরপর বলে, “ও তোমরা এসেছ।” তখন ডন রুবীকে বলে, ‘আজিজ ভাই কোথায়?’ বাথরুম থেকে আজিজ ভাই বের হয়ে আসে। এরপর আমরা উপরে উঠি। আজিজ ভাই চারতলায় নেমে যায়। আর আমরা ১১ তলায় নেমে সালমানের বাসায় যাই। দরজা আগে থেকেই চাপানো ছিল। দরজা খুলেই দেখা যায় সালমান বেডরুমে শুয়ে আছে। পাশে সামিরা নাই। তখন ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুকরা মিলে সালমানের ওপর ঝাঁ: পিয়ে পড়ে। এ সময় ফারুক তার পকেট থেকে ক্লোলোফর্মের সিসি বের করে সামিরাকে দেয়। সামিরা তা দিয়ে সালমানের নাকের ওপর চেপে ধরে। ডন সালমানের বুকের ওপর গিয়ে বসে। আর ফারুককে বলে, আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে ডাক। ফারুক তখন বাইরে গিয়ে আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে নিয়ে আসে। এরই মধ্যে সামিরার মা ড্রেসিংরুম থেকে বের হয়ে আসে। তখন ধস্তাধস্তি হচ্ছিল। সালমানের খুব শক্তি ছিল। ইনজেকশন দেওয়া যাচ্ছিল না। তখন সবাই মিলে সালমানকে ড্রেসিং রুমে নিয়ে ডেভিড সালমানের পা বাঁধে। আজিজ ভাই ডনকে ই: নজেকশন দিতে বলে। পরে সামিরা পুশ করে, তার মা সামিরাকে পুশ করতে সাহায্য করে। পরে সালমান নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ই: নজেকশন পুশ করার আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাই ফ্যানটা সালমান শাহর ঘাড়ের ওপর ছুড়ে মেরেছিল। ড্রেসিং রুমে একটা মই ছিল। আজিজ মোহাম্মদ ভাই আমাকে মইটা আনতে বলে। আমি এনে দিই। এরপর তিনি দড়ি চান। তখন ডন নিজের কোমরের দড়িটা খুলে আজিজ ভাইয়ের হাতে দেয়। আজিজ মোহাম্মদ ভাই নিজেই সিঁড়ি দিয়ে উঠে দড়িটি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বাঁধে। তাতে আমি, সামিরা, সামিরার মা সাহায্য করি। পরে সালমানের পায়ে বাঁধা রশিটা খুলে বুকের ওপর উঠে গলায় চাপ দিয়ে রাখে এবং পরীক্ষা করে দেখে যে নিঃশ্বাস নেই। উপরের রশিটা খানিকটা ঝুলিয়ে রাখা হয়, যাতে দেখানো যায় যে, লাশটাকে ঝোলানো থেকে খোলা হয়েছে। পরে সালমান সু: ইসাইড করেছে এটা দেখানোর জন্য তাকে তেল মালিশ করা হয়, কাপড় ভিজিয়ে শরীরে রাখা হয়। এরপর যে যার মতো চলে যাই। আমিও ফরিদপুর চলে যাই। এরপর কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। কিছুদিন পর ডনের সঙ্গে ঢাকায় দেখা হলে আমাকে জানায় দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নাই। আজিজ মোহাম্মদ ভাই সব ঠান্ডা করে দিয়েছে। পরে আমি আবার বাড়িতে গেলে ১৯৯৭ সালের ৪ঠা জুলাই ডন ও ডেভিড আমাদের বাড়িতে আসে। ডন আমাকে বলে, কেইসটা আবার নাড়া দিয়ে উঠেছে। যেহেতু আমাদের সঙ্গে ছিলে। এখন আমাদের সাহায্য করতে হবে। আমাকে তারা প্রয়াত চিত্রপরিচালক আলমগীর কবিরের ছেলে লেনিন সেজে সালমানের বাবা-মার বাসায় যেতে বলে। এরপর গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সালমানের ছোট ভাই বিল্টুকে অ: পহরণ করে সালমান হ: ত্যা মামলা প্রত্যাহার করা হবে বলে পরিকল্পনা হয়। তবে ওই বাসায় লেলিন সেজে গেলে আমি ধরা পড়ি। সালমান শাহ আত্মহ: ত্যা করেনি। এটি একটি পরিকল্পিত হ: ত্যাকাণ্ড।’
শুধু আসামি রেজভীই নয়, আসামি রুবীও স্বীকার করেন এটি একটি হ: ত্যাকাণ্ড। আদালতের পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, রেজভী আহমেদের দোষ স্বীকারোক্তি অবজ্ঞা করার আইনগত কোনো সুযোগ নেই। তিনি জবানবন্দিতে ভিকটিম সালমান শাহকে হ: ত্যা করার কথা বলেছেন। কিন্তু ওই স্বীকারোক্তির পরও পুলিশ কর্তৃক সালমান শাহকে হ: ত্যার অভিযোগে এজাহার দায়ের করা হয়নি।
08/10/2025
ভয়ের কিছু নেই
এমন হতেই পারে
29/09/2025
মানুষ এমনই হয়
29/09/2025
🤭🤭
Click here to claim your Sponsored Listing.