Civil Engineering Blogs
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পেজে আপনাকে স্বাগতম. The blog provides various information about Civil Engineering
Amigo Bangladesh Ltd.-এর ফ্যাক্টরিতে RSC অডিটে অংশ নিয়েছিলাম Composite Consultant Company-এর টিম হিসেবে। অভিজ্ঞতা ছিল ফলপ্রসূ ও শিক্ষণীয়।
27/10/2025
কালকের মেট্রো এর বিয়ারিং প্যাড দুর্ঘটনা থেকে আমি যতটুকু পর্যবেক্ষণ করলাম ওযা পেলাম:
গতকাল কের মেট্রো এর বিয়ারিং প্যাড দুর্ঘটনা থেকে আমি যতটুকু পর্যবেক্ষণ করলাম ও যা পেলাম:
১. ২০২৪ এর ঘটনায় বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক হাদিউজ্জামান স্যার জানান, ট্রেনের বাঁক নেওয়ার স্থানে অতিরিক্ত চাপে বিয়ারিং প্যাড আলগা হয়ে যায়। তিনি বলেন, ভায়াডাক্ট স্থাপনের সময় বিয়ারিংয়ের রাবার প্যাড সুরক্ষিত না করায় এটি অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে পারেনি। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে তিনি আরও চাপ-সহনশীল এবং উন্নত প্রযুক্তির বিয়ারিং প্যাড ব্যবহারের সুপারিশ করেছেন।
২. দুর্ঘটনা ঘটে মূলত ফার্মগেট এর স্টেশন এর পাশে, বলা বাহুল্য যে ফার্মগেট এর ২ পাশেই মেট্রো রেলে বাঁক রয়েছে, আর এ সকল বাঁকে সাধারণত ট্রেনের ওজন ও বাঁক ঘোরার পার্শ্ববর্তী ধাক্কা (Lateral Force) বিয়ারিং প্যাড এর উপর পড়ে।
৩. যেহেতু আগেই পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে বিয়ারিং প্যাড এর গুণগত মান নিয়ে আলোচনা হয় তাই মেটেরিয়াল খুব বেশি ভালো মানের ছিলো না।
৪. বিয়ারিং প্যাড গুলো এমন ভাবে স্থাপন করা ছিলো যেখানে বিয়ারিং প্যাড আটকে রাখার মতো কোন ব্যবস্থা ছিলো না।
এখন আসি কারণ কি সেটা জানতে:
২,৩ ও ৪ নং পয়েন্ট থেকে; যেহেতু রেল লাইনে বাঁক রয়েছে, সুতরাং vertical লোড এর সাথে lateral force বিয়ারিং প্যাডে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, প্যাড আটকে রাখার কোনও ব্যবস্থা ছিলনা এবং এর সাথে যখন নিম্নমানের প্যাড যোগ হলো, প্রচণ্ড পার্শ্ববর্তী চাপে নিজেই ফেটে/ছিঁড়ে বিকৃত হয়ে যায়, নিজেই ফেটে বা ছিঁড়ে তার নিজস্ব আকৃতি হারায়, তখন এটি আর কংক্রিটের খাঁজের মধ্যে ঠিকভাবে বসে থাকতে পারে না। এটি তখন বিকৃত রাবারের একটি পিচ্ছিল ব্লকে পরিণত হয়, যা খুব সহজেই সেই খাঁজ টপকে বা ভেঙে ("rolling-over") বাইরে ছিটকে পড়ে যায়।
ঘটনার মূল কারণ: (ডিজাইন ক্রুটি ও নিম্ন মানের প্যাড)
এই দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে একটি মারাত্মক ডিজাইন ত্রুটি, ফার্মগেটের মতো উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে কানেকশন বোল্ট ব্যবহার না করা। ডিজাইনাররা ভুলবশত ভেবেছিলেন শুধু ঘর্ষণ ও কংক্রিটের খাঁজই ট্রেনের তীব্র পার্শ্ববর্তী ধাক্কা (Lateral Force) সামলানোর জন্য যথেষ্ট।
এই মূল ত্রুটির সাথে যখন নিম্নমানের বিয়ারিং প্যাড যুক্ত হলো, তখন বিপর্যয়টি ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার। প্যাডগুলো সেই প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে না পেরে পিলারের ওপরেই ফেটে বিকৃত হয়ে যায়। একবার আকৃতি হারানোর পর, এই ভাঙা ও পিচ্ছিল প্যাডগুলো আর কংক্রিটের খাঁজের মধ্যে আটকে থাকতে পারেনি, ফলস্বরূপ ছিটকে পড়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সম্ভাব্য সমাধান:
(১ নং পয়েন্টে গত বছরেই বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক হাদিউজ্জামান স্যার গত বছর ই সুপারিশ করেছেন যেন ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে আরও চাপ-সহনশীল এবং উন্নত প্রযুক্তির বিয়ারিং প্যাড ব্যবহার করা হয়। এটাই বড় সমাধান)
সাথে সকল বাঁকে ভায়াডাক্টের সাথে প্যাডকে পিলারের ওপর শক্তভাবে অ্যাঙ্কর (অতিরিক্ত বোল্ট বা স্টিল 'শেয়ার কী' সিস্টেম) করে আটকে রাখার জন্য নতুন ডিজাইন করে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা ও কঠোর রক্ষণাবেক্ষণ করা।
বিয়ারিং প্যাড এর ফটো তে প্যাড এর আকার আকৃতি দেখে ভালো ভাবে ধারণা করা যাচ্ছে।
রেফারেন্স আমার আইডি এর মূল পোস্টে কমেন্ট সেকশনে দেওয়া আছে।
প্রকৌশলী নুরুল্লাহ হ
26/10/2025
🧱 #মেট্রোরেলের_বিয়ারিং_প্যাড_খুলে_পড়া – কেন এমন হয়?
আজ রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোরেলের পিলারের নিচ থেকে একটি বিয়ারিং প্যাড (Bearing Pad) খুলে নিচে পড়ে গিয়ে একজন পথচারী নিহত হয়েছেন। 😔 এই ঘটনা শুধু দুঃখজনকই নয়, এটি আমাদের স্ট্রাকচারাল সেফটি সিস্টেম নিয়ে বড় প্রশ্নও তোলে।
🔹 #বিয়ারিং_প্যাড_কী?
এটি একটি মোটা রাবার বা নিওপ্রিন প্যাড, যা গার্ডার (উড়াল পথের বিম) আর পিলারের মাঝখানে বসানো থাকে। এর কাজ হলো
✅ গার্ডারের লোড পিলারে স্থানান্তর করা
✅ ট্রেন চলাচলের কম্পন ও তাপজনিত মুভমেন্ট সামলানো
✅ পুরো স্ট্রাকচারকে ফ্লেক্সিবল ও সেফ রাখা
😐 #তাহলে_এটা_খুলে_পড়ে_কেন?
1️⃣ প্যাডের নিচে বা পাশে সঠিকভাবে লক বা স্টপার না থাকা
2️⃣ অতিরিক্ত ভাইব্রেশন ও ব্রেকিং ফোর্স
3️⃣ ইনস্টলেশনে ত্রুটি বা অসম লোড
4️⃣ সময়ের সঙ্গে রাবারের গুণমান নষ্ট হওয়া
5️⃣ পানি ঢুকে রেস্ট সিট নরম হয়ে যাওয়া
🔹 #সমাধান_কী_হতে_পারে?
✔️ নিয়মিত ইনস্পেকশন ও মেইনটেন্যান্স
✔️ স্টপার ও অ্যাঙ্কর সিস্টেম শক্তভাবে বসানো
✔️ মানসম্মত বিয়ারিং প্যাড ব্যবহার (AASHTO বা JIS standard)
✔️ সময়মতো পুরনো প্যাড রিপ্লেস করা
👉 মনে রাখবেন, বিয়ারিং প্যাড দেখতে ছোট হলেও এটি উড়ালপথের “হৃদপিণ্ডের মতো” — এটি ছাড়া গার্ডার দেবে যেতে পারে, ট্র্যাক সরে যেতে পারে, এমনকি বড় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।
18/10/2025
The Natural Canvas – যেখানে প্রকৃতি ছুঁয়ে যায় আপনার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত!
📍 অবস্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আপনার স্বপ্নের বাড়ি কেমন হবে কল্পনা করুন—
বিলাসবহুল, প্রশান্তিময়, আর প্রাকৃতিক সবুজে ঘেরা 🕊️
✨ ১৩৬০ বর্গফুটের এই আধুনিক ডুপ্লেক্স
✨ নকশাটি নিরবচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক আলো, খোলামেলা টেরেস ও একটি নির্মল জীবনযাপনের অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
✨ ইনডোর-আউটডোর লাইফস্টাইলের নিখুঁত সমন্বয়
✨ চমৎকার ল্যান্ডস্কেপিং ও প্রকৃতির মধ্যে সাদৃশ্য উদযাপন করে।
এটি শুধুই একটি বাড়ি নয়—এটি একটি প্রাকৃতিক জীবনযাপনের ক্যানভাস!
🎨 ডিজাইন টিম:
স্থপতি: Md Jashim Uddin Hawlader vai স্থপতি: ফারুক আহমেদ ভাই
📲 বিস্তারিত জানতে কল করুন: 01975264936
📧 ইমেইল: [email protected]
👉 এখনই যোগাযোগ করুন—আপনার স্বপ্নের আবাসন আমাদের ডিজাইনে বাস্তব হোক!
17/10/2025
আলহামদুলিল্লাহ প্রোজেক্ট রানিং-.....
লোকেশন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বিল্ডিং ডিজাইনের ভুবনে আপনাকে স্বাগতম....!!
আপনি কি শেয়ার বিল্ডিং অথবা ব্যক্তিগত বাড়ির ডিজাইন নিয়ে ভাবছেন....?
আর নয় ভাবনা !!
আমরা দিচ্ছি, খুব সাশ্রয়ী মূল্যে পরিবেশ ও পরিবার বান্ধব আর্কিটেকচারাল ডিজাইন।
মূল্য সাশ্রয়ী But Strong Structural ডিজাইন। দৃষ্টিনন্দন 3D ডিজাইন
যা আপনার সমিতির সম্মানিত সদস্য অথবা Apartment ক্রেতার মন খুব সহজেই আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে।
Architectural Design : MD Jashim Uddin Hawladar (HSTU)
আপনার স্বপ্নের বহুতল ভবনটি হোক আপনার স্বপ্নের মতই সুন্দর !!!
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন
Civil Engineering Blogs
01855-264936
বিদ্যমান কাঠামোতে মনে হয় না ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার কোনো সমাধান আদৌ আছে। দশম গ্রেড যখন আপনি ডিপ্লোমাদের জন্যে বরাদ্দ রাখবেন, অবশ্যই তাদের কোনো না কোনো ভাবে প্রমোশন দিতে হবে। একটা মানুষ তো দশম গ্রেডে দিনের পর দিন পড়ে থাকবে না। আবার তাকে প্রমোশন দিয়ে আপনি যখন নবম গ্রেডে আনতে চাবেন, স্বভাবতই সেখানে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের এন্ট্রি পোস্ট কমে আসবে। সেটা কখনই বিএসসিরা মেনে নেবেনা।
দশম গ্রেডে বিএসসি এবং ডিপ্লোমা-দুই পক্ষেরই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ আদৌ কোনো সল্যুশন আনবে না। কারণ দুই পক্ষের সিলেবাসে আকাশ পাতাল তফাত। এই দুই পক্ষের কম্পিটিশানে ডিপ্লোমা করা কেউ পাত্তা পাবেনা, কারণ বিএসসি লেভেলের মানুষের থিওরেটিকাল নলেজ প্রচুর। আর পরীক্ষাতে আসেই থিওরেটিকাল জিনিস। ফলশ্রুতিতে পলিটেকনিকগুলা শতভাগ বেকার তৈরীর কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। এটা কোনো সল্যুশন হতে পারে না। পলিটেকনিকে যারাই পড়ুক, তারা বেশি হোক বা কম হোক বা ধরলাম শূণ্য মেধার অধিকারীই হোক-সে মানুষ। তার চাকরির অধিকার আছে। সে নিশ্চয়ই বেকার বসে থাকার জন্যে পলিটেকনিকে আসেনি। তার উপর জুলুম করার কোনো অর্থ নেই। ভাই মেধা কম হলে সে কি না খেয়ে মরে যেতে দুনিয়াতে আসছে? না ভাই। তার পরিবার আছে, তাকে রুটি রুজি সামলাতে হয়। আর ডিপ্লোমাদের মাঝেও বেশ কিছু মেধাবী মানুষ থাকে, যেরকম বিএসসিদের মাঝে কিছু ব্ল্যাক শিপ থাকে।
এখানে একটা ফিজিবল সল্যুশন হতে পারে ডিপ্লোমাদের চ্যানেলটাই আলাদা করে দেওয়া। অর্থাৎ তাদের এন্ট্রি থেকে শুরু করে প্রমোশন, সব তাদের চ্যানেলেই হবে। এখানে বিএসসিরা হাত দেবেনা। আবার বিএসসিদের চ্যানেলেও তারা হাত দেবেনা। একজন নার্সের যতই এক্সপেরিয়েন্স হোক, সে ডাক্তার হয়ে যায় না। কিন্তু নার্সের প্রমোশন হয় না? অবশ্যই হয়। তারা সিনিয়র নার্স হয়, তাদের আলাদা চ্যানেলে প্রমোশন হয়। সেটা ডাক্তারদের সাথে ক্ল্যাশ করে না।
যে পলিটেকনিক থেকে পড়েছে, তার হাতে কলমে কাজের অভিজ্ঞতা বেশি। আবার যে বিএসসি করেছে, তার ইন ডেপথ নলেজ বেশি। দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। দুইজন কর্মক্ষেত্রেও ভিন্ন ভিন্ন রোল প্লে করে। এদেরকে এক চ্যানেলে আনার বুদ্ধি আমাদের দেশেরই কোনো মহান অর্বাচীনের মাথায় কখনও এসেছিল, যার ফলস্বরূপ আজ আমরা এই ক্ল্যাশ দেখছি। দুইটা আলাদা চ্যানেল না করলে এই সমস্যার সমাধান করা টাফ। যেটা বললাম, এটা একটা স্কেলেটন মাত্র। এর আরো ঘষামাজা করতে হবে, এটাকে সুন্দর শেইপে আনতে হবে। কেউ যাতে অন্য কারো আয়-রোজগারে হাত না দিতে পারে সেরকম সুন্দর একটা সিস্টেম তৈরী করতে হবে।
পলিটেকনিক থেকে যারা পাশ করেছে তাদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেয়া যেতে পারে। বিএসসিদের জন্য দেশে যথেষ্ট পরিমাণ চাকরি না থাকায় তারা তাদের ডিগ্রি দিয়ে সহজেই বাহিরে যেতে পারে। কিন্তু ডিপ্লোমারা তাদের ডিগ্রি দিয়ে সহজে বাইরে যেতে পারে না। তাদের উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম হলে যাদের মেধা আছে তারা দেশে বেকার না থেকে বাহিরে যেতে পারবে।
কিন্তু এবার বাস্তবতায় আসি। ডিপ্লোমাদের জন্য আলাদা চ্যানেল করলে তারা নিজেরাই মানবে না। কারণ নার্স বা এসআই এর মত চ্যানেলে তাদের প্রমোশন সর্বোচ্চ ৯ গ্রেড পর্যন্ত হবে। কিন্তু বর্তমানে তারা সহকারী প্রকৌশলী থেকে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী অতঃপর নির্বাহী প্রকৌশলী হয়ে যায়।
আবার উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তারা পাশের দেশ ভারতের উদাহরণ দেয়। কিন্তু ভারতে কিছু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ দিলেও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় IIT গুলোতে সুযোগ নেই ডিপ্লোমা নিয়ে ভর্তি হওয়ার। কিন্তু বাংলাদেশে দাবি করা হয় যে, ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটিগুলোতেই সুযোগ দিতে হবে। তাহলে দাবি কিভাবে গ্রহণযোগ্য হবে। আপস এ না আসলে সমস্যার সমাধান কখনো আলোর মুখ দেখবে না।
-সাকিব হোসাইন
6.9 মাত্রায় ভূমিকম্প হলে বাংলাদেশের প্রায় ৯লক্ষ বিল্ডিং ভেঙে পড়বে!
বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনের সাথে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছি।
দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী ডিপ্লোমা সিন্ডিকেট—
যথাযথ যোগ্যতা ছাড়াই “ইঞ্জিনিয়ার” উপাধি দাবি করছে,
প্রভাব ও লবিং ব্যবহার করে প্রকৃত স্নাতক প্রকৌশলীদের পদ দখল করছে,
বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীদের পরিশ্রমে অর্জিত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে,
প্রকৌশল শিক্ষার মান নষ্ট করছে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে,
দেশের প্রকৌশল খাতকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
এই অন্যায় আর মেনে নেওয়া যাবে না। প্রকৃত প্রকৌশলীদের ন্যায্য সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আমাদের স্পষ্ট দাবি:
1️⃣ সহকারী প্রকৌশলী (৯ম গ্রেড) – সবার জন্য সমান নিয়োগ পরীক্ষা এবং ন্যূনতম যোগ্যতা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং। কোনো কোটা বা ভিন্ন নামে পদোন্নতি নয়।
2️⃣ উপসহকারী প্রকৌশলী (১০ম গ্রেড) – ডিপ্লোমাদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০০% কোটা বাতিল করতে হবে। ন্যূনতম যোগ্যতা হবে ডিপ্লোমা, তবে বিএসসি বা এমএসসি ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করতে পারবে।
3️⃣ “ইঞ্জিনিয়ার” পদবী – কেবলমাত্র স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরাই এই উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য কেউ ব্যবহার করলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
4️⃣ অযোগ্য কাউকে প্রকৌশল পেশার দায়িত্বে বসানো যাবে না।
🇧🇩 এই দেশ গড়বে প্রকৃত প্রকৌশলীরা—কোনো ভুয়া সিন্ডিকেট নয়।
#তিনদফা_দাবি #প্রকৌশল_পেশার_সুরক্ষা
22/08/2025
কন্সট্রাকশন সাইট মোবিলাইজেশন:(শেয়ার করে রাখুন, একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ)
নির্মাণকাজ শুরুর আগে সাইট প্রস্তুত করার একটি প্রাথমিক ধাপ, যেখানে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, শ্রমিক, এবং অবকাঠামো সাইটে স্থানান্তরিত এবং স্থাপন করা হয়।
🚧মোবিলাইজেশনের ধাপসমূহ:
🚧সাইট পরিষ্কার করা:
সাইট থেকে গাছ, মাটি, এবং অন্যান্য অবাঞ্ছিত জিনিস অপসারণ।
🚧সার্ভে ও সীমানা চিহ্নিতকরণ:
সাইটের সঠিক সীমানা নির্ধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিন্দু চিহ্নিত করা।
🚧সাইট অফিস স্থাপন:
প্রকল্প ব্যবস্থাপনার জন্য অস্থায়ী অফিস, স্টোরেজ ইউনিট, এবং শ্রমিকদের থাকার জায়গা তৈরি।
🚧সরঞ্জাম ও মেশিনারি স্থানান্তর:
প্রয়োজনীয় ক্রেন, এক্সকাভেটর, কংক্রিট মিক্সার, এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি সাইটে নিয়ে আসা।
🚧জল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ:
নির্মাণকাজের জন্য বিদ্যুৎ এবং পানি সংযোগ স্থাপন।
🚧প্রবেশপথ তৈরি:
শ্রমিক ও যানবাহনের চলাচলের জন্য প্রবেশ এবং প্রস্থান পথ তৈরি।
🚧স্টোরেজ ও মজুদ ব্যবস্থা:
নির্মাণ সামগ্রী (সিমেন্ট, রড, পাথর, ইত্যাদি) সঠিকভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা।
🚧নিরাপত্তা ব্যবস্থা:
সাইটে সুরক্ষা ঘের, অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র, এবং শ্রমিকদের জন্য সুরক্ষা গিয়ার নিশ্চিত করা।
🚧পরিবেশগত ব্যবস্থা:
ধুলো নিয়ন্ত্রণ, সাইট ড্রেনেজ, এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
🚧শ্রমিক প্রশিক্ষণ:
নিরাপত্তা ও নির্মাণ প্রটোকল সম্পর্কে শ্রমিকদের নির্দেশনা প্রদান।
🚧গুরুত্ব:
কাজের সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং সময়মতো শুরু নিশ্চিত করা।
সাইটে নিরাপদ এবং কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা।
নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ও সময় ব্যবস্থাপনা সহজ করা।
゚
30/07/2025
লোহার চেয়ে হালকা, মরিচা প্রতিরোধী এবং স্টিলের চেয়ে শক্তিশালী—এটাই সেই নতুন উপাদান যা বিশ্বব্যাপী নির্মাণ খাতে বিপ্লব আনতে পারে।
এটি হলো গ্লাস ফাইবার রিইনফোর্সড পলিমার (GFRP), যা প্রচলিত স্টিলের আধুনিক বিকল্প হিসেবে বিবেচিত। এটি বিশেষভাবে পরিচিত এর উচ্চ টেনসাইল শক্তি (স্টিলের তুলনায় দ্বিগুণ), হালকাতা (লোহা থেকে চার গুণ হালকা), মরিচা প্রতিরোধ ক্ষমতা, বৈদ্যুতিক না চালানো এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে কার্যকর—নির্মাণ খরচে যা ৩০% পর্যন্ত কমাতে পারে।
বর্তমানে এটি ছাদ, কলাম, কনটিনিউয়াস স্ল্যাব, ফ্লোর, গ্যারেজ, পোর্ট এবং সামুদ্রিক পরিবেশে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার মাধ্যমে এর বহুমুখিতা এবং টেকসই বৈশিষ্ট্য প্রমাণিত হয়েছে।
মাত্র ১৩০ কেজি ফাইবার দিয়েই এক টন রিইনফোর্সড স্টিলের বিকল্প তৈরি করা সম্ভব। আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন এবং বিল্ডিং রিসার্চ সেন্টারের অনুমোদনের মাধ্যমে, এই প্রযুক্তি আরও শক্তিশালী, হালকা এবং টেকসই নির্মাণের পথে এক বিশাল অগ্রগতি।
16/06/2025
২টা বাড়িতেই প্রায় একই খরচ হয়েছে। কিন্তু দুইজনের রুচি আলাদা। সুতরাং, এই দুটি বাড়ির পার্থক্য আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়—রুচি ও সৌন্দর্যবোধ কেবল টাকার দ্বারা কেনা যায় না, এটা চর্চার বিষয়, বোঝাপড়ার বিষয়।
#রুচি_ও_টাকা
04/05/2025
Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉