Mr. Prodhan
‘তোমরা এমন কোনো কথা অনুসরণ করো না যার সম্পর্কে তোমাদের জ্ঞান নেই; নিশ্চয় কান, চোখ এবং হৃদয়—এর প্রত্যেকটির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।’ [সূরা বনী ইসরাঈল: ৩৬]
“বেশিরভাগ মানুষ বেশি আয় করার দিকেই মনোযোগ দেয়,
কিন্তু টাকা কোথায় খরচ হচ্ছে—সেটা উপেক্ষা করে।”
“যারা সত্যিকারের আর্থিকভাবে স্বাধীন,
তারা প্রতিটি খরচের হিসাব রাখে।” 👉“সচেতনতা থাকলেই আসে নিয়ন্ত্রণ।”
জীবনে কখনোই কাউকে দোষারোপ করো না।
ভালো মানুষগুলো তোমাকে দেবে সুখ,
খারাপ মানুষগুলো দেবে অভিজ্ঞতা,
আর সবচেয়ে খারাপ মানুষগুলো দেবে জীবনের মূল্যবান শিক্ষা।
কিন্তু জীবনের সবচেয়ে সেরা মানুষগুলো—
দেবে আজীবনের সুন্দর স্মৃতি। ❤️
আমাদের নেওয়া ছোট একটা সিদ্ধান্তও
জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলতে পারে
“সফল হওয়ার জন্য নিজের স্ব ইচ্ছা, চেষ্টা
আর পথ দেখানোর জন্য সৃষ্টিকর্তা
এটাই যথেষ্ট আমাদের জন্য”
জীবনে শৃঙ্খলা না থাকলে সময় আর শক্তি—দুটোই নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু শৃঙ্খলা থাকলে সময় ও শক্তির সঠিক সমন্বয় হয়। আর সেই সমন্বয়ই মানুষকে তার জীবনের লক্ষ্য পর্যন্ত পৌঁছে দেয়
ব্রিটিশ শাসনের সময় এক ব্রিটিশ অফিসার এক ভারতীয় যুবকের মুখে থাপ্পড় দেন। সাথে সাথে যুবকটিও তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে বৃটিশ অফিসারকে এতো জোরে থাপ্পড় মারে অফিসার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এই অপমানে হতবাক হয়ে যাওয়া অফিসার ভাবলেন সামান্য এক ভারতীয় যুবক কীভাবে এমন এক সাম্রাজ্যের সেনা অফিসারকে থাপ্পড় মারল যে সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না।
তিনি দ্রুত তার পোস্টে গিয়ে ওই ভারতীয়কে কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্য দাবী করলেন।
কিন্তু উচ্চপদস্থ কমান্ডার তাকে শান্ত করে বললেন ভারতীয় লোকটিকে শাস্তি না দিয়ে বরং তাকে পুরষ্কৃত করতে। আর পুরষ্কার হিসাবে তাকে দশ হাজার রুপি উপহার দিতে।
অফিসার ঘৃণায় চিৎকার করে বললেন এটা শুধু আমার, আপনার অপমান না। বরং এটা বৃটিশ মহারাণীরও অপমান। আর আপনি বলছেন তাকে শাস্তি না দিয়ে আরো পুরষ্কৃত করতে।
কমাণ্ডার এবার বললেন- এটা একটি সামরিক আদেশ আর তুমি দেরি না করে এ আদেশ পালন করবে।
জুনিয়র অফিসার তার কমান্ডারের আদেশ মেনে দশ হাজার রুপি সাথে নিয়ে ওই ভারতীয়ের কাছে গিয়ে বললেন- অনুগ্রহ করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এই দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করুন।
ভারতীয় যুবক উপহার গ্রহণ করলেন এবং ভুলে গেলেন যে তাকে তার দেশের মাটিতে এক ঔপনিবেশ সেনা অফিসার দ্বারা থাপ্পড় মারা হয়েছে।
সেই সময়ে দশ হাজার রুপি অনেক বড় অর্থ। তিনি এই অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে জীবনের মান উন্নত করে বেশ বিত্তশালী হয়ে ওঠলেন। আগে ছিলেন একজন সাধারণ যুবক। এখন সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত।
অনেক বছর পর সেই ইংরেজ কমান্ডার তার জুনিয়র অফিসারকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন- তুমি কি সেই ভারতীয়কে মনে রেখেছো- যে তোমাকে থাপ্পড় মেরেছিলো?
অফিসার বলল: সেই অপমান আমি ভুলি কেমন করে?
কমান্ডার বললেন: এখন সময় এসেছে।তুমি তাকে খুঁজে বের করো এবং জনসম্মুখে তাকে জোরে থাপ্পড় মেরে এসো।
অফিসার বলল: সেটা কিভাবে সম্ভব। যে গরীব থাকা অবস্থায় আঘাতের পাল্টা জবাব দিয়েছিলো। আর এখন সে বেশ বিত্তবান। সেতো আমাকে মেরেই ফেলবে।
কমান্ডার বললেন: আমি যা বলছি তাই করো। এটাও তোমার উপর আদেশ।
জুনিয়র অফিসারকে আদেশ মানতে হয়। তিনি সেই ভারতীর কাছে গেলেন এবং খুর জোরে তাকে থাপ্পড় মারলেন।
কিন্তু এবার ঘটলো সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা।
ভারতীয় যুবক এবার কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেল না। এমনকি সাহস করে অফিসারের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না।
অফিসার হতবাক হয়ে ফিরে এসে তার কমান্ডারের কাছে গেলেন।
কমান্ডার বললেন: আমি তোমার মুখে বিস্ময়ের ছাপ দেখছি। তুমি এতো বিস্মিত কেন?
অফিসার বলল: যখন সে দরিদ্র ছিলো। তখন সে পাল্টা আঘাত করেছিলো। কিন্তু আজ যখন তার বিত্ত রয়েছে তখন সে চোখ তুলে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। এটা কেমন করে সম্ভব।
ইংরেজ কমান্ডার ধীরভাবে বললেন: প্রথমবার তার কাছে তার সম্মান ছাড়া আর কিছু ছিল না। সে সেটাকেই সবচেয়ে মূল্যবান মনে করেছিল এবং তা রক্ষার করার জন্য সে মৃত্যু ঝুকি নিয়েও লড়েছিলো। আর এখন সে আর সেটা রক্ষার চেষ্টা করে নি। কারণ তার কাছে এখন তার সম্মানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে বিত্ত। যেদিন সে দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করেছে সেদিনই সে তার মর্যাদা, আত্ম সম্মানবোধ রুপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।
আর বিত্তের কাছে মানুষের আত্ম সম্মানবোধ যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন যে কোন মানুষের মেরুদণ্ডও বাঁকা হয়ে যায়।
আসুন আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখি। পদ , উপহার কিংবা কোনো কিছুর লোভে নিজেকে বিক্রি না করে নিজের মেরুদণ্ড শক্ত রাখি।
- Arif Mahmud
Corporate life–এ সবসময়ই একটা অদৃশ্য নিয়ম চলে — যেখানে তোমার অনুভূতির দাম নেই, আছে শুধু outcome-এর হিসাব। তুমি overtime করলে সেটা ‘dedication’ না, সেটা ‘expectation’। তুমি একটু ধীরে কাজ করলে সেটা ‘performance issue’। তুমি চুপ থাকলে বলে ‘team player’, তুমি বললে বলে ‘attitude problem’।
এখানেই সবচেয়ে বড় paradox — যেখানে মানুষ নিজের জীবন, সময়, আর মানসিক শান্তি দিচ্ছে একটা কোম্পানির জন্য, কিন্তু সেই মানুষটার জায়গাটা সবসময়ই replaceable। কেউ অসুস্থ হলে তার জায়গায় ‘backup’ আসে, কিন্তু তার কষ্টের কোনো backup নেই।
তবুও প্রতিদিন সকালে মানুষটা উঠে পড়ে, অফিস যায়, হাসিমুখে কাজ করে — কারণ সে জানে, এটা শুধু একটা চাকরি না, এটা তার দায়িত্ব, তার লড়াই, তার survival।
তাই আজ যারা corporate life-এ আছো, মনে রেখো —
নিজেকে হারিয়ে নয়, নিজেকে প্রমাণ করেই টিকে থাকতে হয়।
কারণ এই দুনিয়ায় respect কেউ দেয় না, respect আদায় করে নিতে হয় — শব্দ না করেই।-Kamrul Hasan
প্রেমিকার শাড়ী পুড়িয়ে ফেলা বেকার শাহীন আলম আজ বিসিএস ক্যাডার, অনলাইনে ভাইরাল!
তিনি ঢাবি থেকে ফিলোসোফিতে অনার্স শেষ করেছেন ২০১৬ সালের দিকে। আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগে।
দশ বছর একটা মেয়ের অপেক্ষা করা আমরা আশা করি। ছেড়ে চলে যাওয়াকে ভীষণ নেগেটিভলি দেখি। আসলেই কি একটা মেয়ের কারো জন্য দশ বছর অপেক্ষা করা সম্ভব?
দশ বছর পর শাহীন আলমরা বিয়ের পাত্রী হিসেবে কচি মেয়ে খুঁজবে না এটার নিশ্চয়তা কি? ১০ বছর অপেক্ষা করা মেয়েটাকে বয়স বেশি বলে বিসিএস ক্যাডার ছেলে পক্ষ রিজেক্ট করবে না তার নিশ্চয়তা আছে?
খোঁজ নিলে জানা যাবে মেয়েটি দু-তিনটা বাচ্চা সমেত একটা সুখী সংসার লীড করতেছে। অথচ আজকের শাহীন আলম তখন একটা ছোট খাটো জব ম্যানেজ করতে পারলেও গল্পটা হয়তো ভিন্নরকম হতো। শাহীন আলম আজ বিসিএস ক্যাডার হলেই কি আর একটা দেশের মালিক হলেই বা ঐ মেয়ের কি আসে যায়!
আমরা জাতি হিসেবে আবেগী, তাই আবেগ দিয়েই সবকিছু বিচার করি। টু দ্য পয়েন্ট চিন্তা করি না।
আমরা সমাজে নারীদের লোভী, প্রতারক ট্যাগ দেই। আরে ভাই, বিসিএস ক্যাডার স্বামীকে ছেড়ে যাওয়ার ইতিহাস নাই? শিল্পপতি- কোটিপতিদের বিচ্ছেদ হয় না?
সম্পর্ক টিকে থাকার মাপকাঠি সম্পদ কিংবা চাকুরি হতে পারে না। সিচুয়েশন, মাইন্ড-ম্যাচসহ আরো অনেক ফ্যাক্টর থাকে। যার যার পরিস্থিতি, যার যার গল্প সেই ভালো জানেন আর তার সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন।
- Asikur Rahman
Click here to claim your Sponsored Listing.