Sorna Boutiques
Where Elegance Meets Comfort✨
Premium Three-Piece & More💖
📦 Doorstep Delivery
📩 Message Us to Shop
25/03/2026
Our new arrival guys💥
Grab yourssss💥
বিদায় তো তারই সুন্দর হয়, যার অবস্থান থাকে অর্থপূর্ণ। সুন্দর বিদায় মানে কি আর আড়ম্বর, জাঁকজমক, ঢাকঢোল?
সুন্দর বিদায় হলো যতটুকু থাকা হলো, ততটুকুতে নিজ জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া, রবের স্মরণ, ভালোবাসার মানুষদের অশ্রু। চাইলেই কি আর যাবার আয়োজন সুন্দর করতে পারে সবাই?
সে তো তারই হয়, যার কাজ হয় সুন্দর।
আমাদের ঈদ তো শুরু হইতো চানরাত থেকে।
সবার কেনাকাটা শেষে আব্বু আম্মুকে মার্কেটে নিয়ে যাইতো চানরাতে।
কোনো চানরাতে আম্মু কিনতো ওভেন, কোনোটাতে ফিল্টার। তার দীর্ঘদিনের এ্যানালগ কার্টে রাখা শখের জিনিসপত্র আর কি..!
আব্বুর জন্য বেশি করে চিনি দেয়া লাচ্ছি সেমাই, আমার জন্য নারিকেল দেয়া ঝুরা সেমাই, চটপটি, বিরিয়ানি নাকি পোলাও রোস্ট, তার লম্বা মেন্যু সেট হয়ে যাইতো আগে থেকেই..!
তারপর হুট করে কেমনে সব পাল্টায় গেলো।
কেউ আর জানতে চাইলো না, "এই, ঈদের দিন কি খাবি তোরা?"
বিয়ের পর দশটা ঈদ গেলো, একটাও আব্বু আম্মুর সাথে করলাম না।
কেউ বাঁধা দেয় নি। কিন্তু আমিই করলাম না।
And I deeply regret that decision..
আমি দেখছি মেয়েদের ভালো পরামর্শ দিলে, ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই খেপে যায় বেশি..!
তবুও বলি, মেয়েরা, জীবনের সর্বোচ্চ সংখ্যক ঈদ মা বাবার সাথে করে নাও, ঠিক যতগুলো সম্ভব ততগুলো..!
কারণ একবার ঘর ছাড়লে মা বাপের মতো করে কেউ আর কোনোদিন জানতে চাবে না, "এই, ঈদের দিন তোরা কি খাবি? কি নিয়ে আসবো বাজার থেকে?"
সংগৃহীত ও পরিমার্জিত🥀
২০২০ সালের আজকের দিনেই সম্ভবত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষনা এসেছিলো!
তারপর আমরা ঘরে বন্দী হয়ে গেলাম। অতিরিক্ত মোবাইলে আসক্ত হলাম। কারো সাথে দেখা হতো না। মেজাজ খারাপ হয়ে থাকতো সারাক্ষন। অল্পতেই বিরক্ত হয়ে যেতাম! লাইফের অনেক জঘন্য কিছু ঘটে যেতে দেখলাম!
তারপর করোনা শেষ হলো, সব কিছুর আগের মতোই চলতে শুরু করলো শুধু আমাদের যেই লাইফ চেঞ্জ হয়ে গেছিলো সেটা আর ফিরলো না!!
সেই ২০১৯ সালের জীবন টা আর ফিরলো না!
14/03/2026
শিগ্রই আমি বিদায় নিচ্ছি, তোমরা তোমাদের ইমানের যত্ন নিও।💔
প্রিয় রামাদ্বান!
ধার্মিক এক যুবক, দ্বীনদার এক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু মেয়ের বাবা প্রস্তাব মেনে নেন নি, কারণ ছেলেটা ছিল গরীব!
কিছুদিন পরে আরেকজন যুবক বিয়ের প্রস্তাব দেয়। যদিও সে ধনী ছিল, কিন্তু তার পাপের কথা লোকদের অজানা ছিল না। অথচ মেয়ের বাবা প্রস্তাবটি সাথে সাথে মেনে নেন!
মেয়ে বিয়েতে অমত পোষণ করলে বাবা তাকে বার বার বোঝাতে লাগলেন। বললেন, "দেখ, আল্লাহই তাকে হেদায়েত দিবেন।"
একথা শুনে মেয়েটি বলল, "যিনি হেদায়েত দানের মালিক, তিনি কি রিযিক দানের মালিক নন?"
-শায়খ সালেহ আল মুনাজ্জিদ (হাফি.)
[থেকে Daily Fawaid থেকে সংগৃহীত এবং অনূদিত]
বিয়ের পর শাশুড়ি রান্না করতে দেয় না। আমি বরং খুশি হয়ে সবাইকে বলতাম আমার শাশুড়ি কতো ভালো আমাকে রান্না করতে দেয়না কখনো।
কিন্তু,
হঠাৎ একদিন আমি যা শুনলাম তা আমার চিন্তার বাইরে ছিল ।
আমি নিজের কানে শুনলাম শাশুড়ি প্রতিবেশিদের বলছে বৌ কোন কাজ করেনা , রান্নাবান্না তো আমিই করি ।
বিশ্বাস করেন আমি পুরো ভু/দা/ই সেজে গেছি কথাটা শুনে
আশেপাশের মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করে বৌমা কি রান্না করলে , আমি খুশি মনে বলি মা রান্না করেছে এইটা ।
আসলে আমি রান্না বাদে বাহিরের সব কাজ করি । আমি সব্জি কাটাকাটি সব করে দিতাম,উঠান- ঘর ঝাড়ু দেওয়া, লেপাপোছা , থালাবাটি ধোয়া এমনকি চাল ধুয়েও দিতাম এবং রান্নার পুরোটা সময় বসে আমি এটা সেটা এগিয়ে দিতাম , গরুর গোবর তোলা, গোয়াল পরিস্কার করা, গরুকে খেতে দেওয়া সব করতাম। অথচ,
উনি সবাইকে বলত আমি কোনো কাজ করি না 😥
আমার রান্না মোটামুটি ভালো এটা যে খায় সেই বলে। পরে বুঝলাম উনিই রান্না করবে, মোট কথা সংসার আমার হাতে আসুক ওনি সেটা চায় না।
অসুস্থ হলেও ওনিই রান্না করবে। আর বাহিরে সবাইকে বলবে বউ কিছু করে না।
আমি তো সব করে দিতাম, এসব দেখার পর এখন আমি আর আগ বাড়িয়ে কাজ করিনা। এখন মন্দ বললে আমার গায়ে লাগে না ।
নিজের চামড়াটা গন্ডারের চামড়া বানিয়ে ফেলেছি।।
আর মেজাজটাও সব সময় ফুরফুরে থাকে।
©️এক আপুর কথা🥀
আমাদের যাদের বিয়ে হয়ে গেছে, শ্বশুরবাড়ি অথবা স্বামীর সাথে থাকা হয়, তারা এই ব্যাপারটা খুব ভালো বুঝবেন...
শ্বশুরবাড়ি কিংবা স্বামীর সাথে থাকাকালীন সময়ে নিজের পরিবারের সাথে সেহরি খাওয়া, ইফতারের প্রিপারেশন নেয়া, ইফতার করা, একসাথে ইবাদত করা...শপিং এ যাওয়া সবকিছু খুব মিস করি!
খুব মানে খুউউউব!
এত মিস করা হয় যে মাঝেমধ্যে মন খারাপ হয়ে যায়! কান্না পায়!
এমনকি এটাও মনে হয় "কেন যে মেয়েদেরকে বিয়ের পর পরিবার থেকে আলাদা থাকতে হয়!? কেন যে এমন নিয়ম এই সমাজের!"
অত:পর, রোজার মধ্যে কোনো একসময় ক’দিনের জন্য নিজের পরিবারে আসার সুযোগ হয়।
আহা কি আনন্দ!
বাসাতে কত রকমের আয়োজন হয় আমরা মেয়েরা আসবো বলে...
আমরাও খুশিমনে আসি।
এরপর যা হয়, সেহরি খেতে বসে মনে হয় ওই মানুষটার তো সহজে ঘুম ভাঙেনা! উঠলো কি-না! খেলো কি-না! ভাতটাও তো তাকেই রান্না করে খেতে হবে, আহারে...
ইফতারের সময়ে টেবিল ভরা মজার মজার খাবার দেখেও ওই মানুষটার কথা-ই মনে পরে!
মানুষটা তো খেতে ভালবাসে...
এখানে এত খাবার! ও নাই....
এমনকি সামান্য চা খেতে লাগলেও বার বার মনে পরতে থাকে তার সাথে চা খাওয়ার কথা!
চোখ জ্বালা করে, টলমল করে পানিতে...
বাড়ির মানুষ জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে?
জড়ানো কণ্ঠে বলি "গরম চা খেয়ে ফেলেছি! তাই...."
বিবাহিত জীবনের বড়-ই বিড়ম্বনা এইসব!
নারী হিসেবে কোনদিনও শ্বশুর বাড়িতে তাদের মেয়ে হতে চাইবেন না। মেয়ের মত বলে আপনাকে দুনিয়ার অসংখ্য চাপ ও কাজ ধরিয়ে দিবে। সবার আগে মনে রাখবেন আপনি ছেলের বউ। আপনি এসেছেন একটা ব্যক্তির সাথে সংসার করতে। মেয়ে আপনি আপনার বাবার ঘরে ছিলেন। আপনি পরের বাড়ির মেয়ে। আপনাকে পর্যাপ্ত সম্মান দিতে হবে এবং পর্যাপ্ত মেপে আপনার সাথে কথা বলতে হবে। আপনি সেই বাড়ির হেল্পিং হ্যান্ড। আপনি ভালবেসে যতটুকু কাজ করবেন সেইটাতেই যেন তারা সন্তুষ্ট থাকে। শ্বশুর বাড়ির মেয়ে ট্যাগ লাগিয়ে একটা অঘোষিত হেল্পিং হ্যান্ড হয়ে যায় মেয়েরা। দেখবেন আপনাকে মেয়ে বলবে কিন্তু তাদের বাড়ির মেয়ে ঐ বাড়িতে কোন কাজ ই করে না। আপনি মেয়ের মত, মেয়ে না। তাই নিজের সম্মান ও অধিকার সব বুঝে নিবেন। একটা মেয়ে যখন তার নিজের বাবার বাড়িতে থাকে তখন তো তাকে কেউ বলে না যে এই বাড়ির সবাইকে সুখে রাখবে সেই মেয়ে। তাহলে মেয়ের মত ছেলের বউয়ের কেন এত দায়িত্ব থাকবে? নিজের মেয়েকে বাপ মায়েরা কোন কাজ করতে দেয় না। তাকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়ায়। তাহলে কেমন মেয়ে আপনাকে বানালো যে ঐ বাড়িতে সবাইকে ভাল রাখার দায়িত্ব আপনার? সবাইকে সেবা করার দায়িত্ব আপনার? ঐ বাড়ির সকল কাজ করার দায়িত্ব আপনার? আপনি ঐ বাড়ির মেয়ে না। এইটা নিজেও মাথায় রাখবেন আর শ্বশুর বাড়িতেও সরাসরি বলবেন আপনি মেয়ে না। ছেলের বউ। পরের বাড়ির মেয়ে। আপনার সাথেও যেন মেপে থাকে। আবার অনেকে বলে এই সংসার তো তোমার ই বউমা। তাহলে বউমার নামে সব লিখে দিক। মিস্টি কিছু কথা দিয়ে এই দেশে ছেলের বউদের বানানোর চেস্টা করা হয় আনঅফিসিয়াল হেল্পিং হ্যান্ড। যে মেয়ে সত্যটা বলে সে খারাপ। যে সব মাথা নিচু করে মেনে নেয় সে লক্ষী বউমা।
সংগৃহীত🥀
যারা আগে বিয়ে করসে, তারা হতাশ, সংসারের ঘানি টেনে ক্যারিয়ার গড়তে পারেনাই।
যারা বিয়ে করেনাই, তারা হতাশ, ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে সংসার গড়তে পিছায় গেসে।
যারা প্রাইভেট জব করতেসে তারা হতাশ, ছুটি নাই, চাকরীর নিরাপত্তা নাই।
যারা সরকারী চাকরী করতেসে তারা হতাশ, গ্রামগঞ্জে থাকতে হয়, শহরের সুবিধা পায়না, সময় কাটেনা।
যারা দেশে থাকে তারা হতাশ, যোগ্যতানুযায়ী চাকরী নাই, এত জ্যাম, মূল্যবান সময়গুলা সব রাস্তাতেই দিতে হয়।
যারা বিদেশ থাকে, তারা হতাশ, সব সুবিধা আছে কিন্তু আত্মীয় স্বজন কেউ নাই।
©
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Dhaka