Mohammadullah Rabbani
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mohammadullah Rabbani, Shopping centre, Dhaka.
আমি মুসলিম,কুরআন ও সিরাত গবেষণা জীবনের লক্ষ্য ও স্বপ্ন ,শহীদি মৃত্যু তামান্না,হক কথা বলা,হকের উপর অবিচল থাকা পছন্দ, দ্বীনি দাওয়াত ও সেবাতে তৃপ্তি পায়, সাধ্যমত উপকার করি, ভ্রমণ পিপাসু,লেখালেখিতে আগ্রহ।
আমার বড় বাবা আম্মার বিন রব্বানী। নানার মাদ্রাসার খতমে বুখারীতে। সবচেয়ে কনিষ্ঠ মামার সাথে খেলায় মেতে আছে।
30/11/2025
আম্মাকে সাথে নিয়ে ঐতিহাসিক আরাফায়। আলহামদুলিল্লাহ
আজ আরাফার ময়দানের ঐতিহাসিক জাবালে রাহমতে দাঁড়ানোর তাওফিক দিলেন আল্লাহ। আদম ও হাওয়া (আ.)–এর মিলনস্থল, আর বিদায় হজের ভাষণের স্মৃতিবিজড়িত এই পাহাড় সত্যিই হৃদয় কাঁপানো।
আলহামদুলিল্লাহ — শোকরিয়ার কোনো সীমা নেই।
আপনি জানেন কী?
পাকিস্তানের কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আছে,
-এর নাম বেফাকুল মাদারিস আল-আরাবিয়া
আমাদের ও শিক্ষা বোর্ড আছে-
বেফাকুল মাদারিস আল-আরাবিয়া
ওনারা দেওবন্দি--আমরাও দেওবন্দি--
ওনাদের নেসাব দারসে নেযামি আর আমাদেরও দারসে নেযামি-
তবে পাকিস্তানে হাজারো কওমী আলেম "ডক্টর"আছেন-কিন্তু আমাদের একজন ও নেই-
কওমী থেকে ডক্টর হওয়ার সুযোগও নেই।
পাকিস্তানে কওমি শিক্ষার্থীদের এমফিল করার
সুযোগ আছে- আমাদের চিন্তা ও করা যায় না-
সেখানকার দাওরায়ে হাদীস ফারেগ আলেমরা বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিগুলোতে ভর্তি হতে পারে-
কেননা ইউনিভার্সিটির সাথে বেফাকুল মাদারিস/
মাদরাসার চুক্তি আছে-আমরা চিন্তা ও করতে পারিনা-
এত পার্থক্যের কারণ কী?
পাকিস্তানের কওমি মাদরাসা শিক্ষার সরকারি স্বীকৃতির মুলা ঝুলে রাখা হয়নি-প্রয়োগ করা হয়েছে।
সাধারণ জাতীয় সিলেবাসের সাথে স্তর বিন্যাস করে
কওমী মাদরাসা সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে।
দারসে নেযামী আর আধুনিক শিক্ষার মিশ্রণ করে
শিক্ষার্থীদের উপর বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়নি-
এস এস সি সমমান জেনারেল শিক্ষায় পড়ে
দারসে নেযামিতে ভর্তির সুযোগ রাখা হয়েছে-
দারসে নেযামিতে আর কোন সাবজেক্ট থাকেনা-
আর আমাদের দেশে কওমি মাদরাসা শিক্ষা সিলেবাস ও পদ্ধতি এর সম্পুর্ন বিপরীত--
কওমী শিক্ষা স্বীকৃতি আইনগত মজবুত হওয়া সত্বেও
বাস্তবায়ন নেই- আমাদের ও প্রচেষ্টা নেই।
নিজদের অধিকার কেউ এনে দিবেনা--
আদায় করতে হয়-
একটা "কওমী বিশ্ববিদ্যালয়" প্রতিষ্ঠা করে কওমী
স্বীকৃতি বাস্তবায়নের দাবি জোরদার করুন।
আসুন! মুরব্বিদের সচেতন করি-
অধিকার আদায়ে সোচ্চার হই--
আল্লাহ আমাদের হিম্মত দিন।
লিখেছেন- শাহ মুমশাদ আহমদ হাফিজাহুল্লাহ
নামাজি ব্যক্তির সামনে চলাচল ও সুতরার ফিকহ
(সূত্রসমৃদ্ধ ইলমি আলোচনা ও বাস্তব নির্দেশনা)
প্রস্তাবিত অধ্যায়সমূহ (সূচিপত্র)
সুতরা (سُتْرَةٌ) পরিচিতি ও তাৎপর্য
নামাজি ব্যক্তির সামনে সুতরা দেওয়ার হুকুম ও প্রয়োজনীয়তা
সুতরার শারঈ পরিমাণ ও ধরন
সুতরা কী দিয়ে দেওয়া যাবে এবং কোথায় রাখা হবে
সুতরার দূরত্ব: নামাজির কতটুকু সামনে দিতে হবে?
নামাজি ব্যক্তির সামনে দিয়ে চলাচলের বিধান ও গুনাহ
সামনে চলাচল রোধ করতে নামাজি কী করতে পারবে?
সুতরা ছাড়া নামাজ পড়লে কি হবে? হানাফি, শাফেয়ি, হাদীসপন্থী মতামত
নারী, শিশু, গাধা ও কালো কুকুর নামাজ ভঙ্গ করে – হাদীস ব্যাখ্যা
বাস্তব জীবনে সুতরার ব্যবহার: মসজিদে, মাঠে, বাসায় ইত্যাদি
সমকালীন প্রশ্ন ও জবাব: মসজিদের কাতারে হাঁটাহাঁটি, মোবাইল সামনে রাখা ইত্যাদি
উপসংহার ও মুসলিমদের করণীয়
প্রথম অধ্যায় থেকে শুরু করছি নিচে:
অধ্যায়-১: সুতরা (سُتْرَةٌ) পরিচিতি ও তাৎপর্য
সুতরার সংজ্ঞা:
সুতরা (سُتْرَةٌ) অর্থ: পর্দা, আড়াল, প্রতিবন্ধক।
ফিকহ ও হাদীসের পরিভাষায়:
নামাজরত ব্যক্তির সামনে এমন কিছু রাখা হয় যা তার সামনে দিয়ে কেউ হেঁটে না যায়, এটাকেই সুতরা বলা হয়।
সুতরার গুরুত্ব:
রাসূলুল্লাহ ﷺ নামাজের সময় নিজের সামনে সুতরা রাখতেন এবং সাহাবাদেরকেও রাখতে নির্দেশ দিতেন।
হাদীস:
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ:
"إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ إِلَى شَيْءٍ يَسْتُرُهُ مِنَ النَّاسِ، فَأَرَادَ أَحَدٌ أَنْ يَجْتَازَ بَيْنَ يَدَيْهِ، فَلْيَدْفَعْهُ، فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ، فَإِنَّهُ شَيْطَانٌ".
(সহীহ মুসলিম: ৫০৬)
অনুবাদ:
“তোমাদের কেউ যখন এমন কিছুর দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে যা তাকে (মানুষের চলাচল থেকে) আড়াল করে, আর কেউ যদি তার সামনে দিয়ে চলাচল করতে চায়, তবে সে যেন তাকে বাধা দেয়। আর যদি সে না থামে, তবে তাকে প্রতিরোধ করুক, কারণ সে শয়তান।”
হিকমা ও শিক্ষা:
নামাজের খুশু-খুযু বজায় রাখা মূল উদ্দেশ্য।
চলাচলের মাধ্যমে মনোযোগ বিভ্রান্ত হয়, সে জন্য সুতরা রাখা জরুরি।
রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজেও উটের কাঁধের কাঠি, বর্শা ইত্যাদি দিয়ে সুতরা করতেন।
হানাফি মাযহাব মতে:
সুতরা রাখা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। নামাজির সামনে দিয়ে কেউ গেলে গুনাহগার হবে; তবে নামাজ ভাঙবে না।
সংক্ষিপ্ত উপসংহার:
সুতরা হলো নামাজির সামনে রাখার একটি প্রতিবন্ধক যা মনোযোগ রক্ষা করে এবং সামনে দিয়ে কারো চলাচল রোধ করে। এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর সুন্নাত এবং ইসলামে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
পরবর্তী অধ্যায়:
অধ্যায় ২ – নামাজি ব্যক্তির সামনে সুতরা দেওয়ার হুকুম ও প্রয়োজনীয়তা
ইনশাআল্লাহ চলবে.......
প্রশ্ন:
ফেসবুক মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ যেই অর্থ দেয় (যেমন রিলস, ভিডিও, স্টার, অ্যাড ব্রেক ইত্যাদির মাধ্যমে), সেই টাকা গ্রহণ করা শরিয়তের দৃষ্টিতে জায়েজ আছে কি না?
- উত্তর :
হ্যাঁ, ফেসবুক মনিটাইজেশনের টাকা গ্রহণ করা শরীয়তসম্মত ও জায়েজ, শর্তসাপেক্ষে।
---
কারণ ও ব্যাখ্যা:
১. মূল উপার্জনের মাধ্যম – বিজ্ঞাপন বা অ্যাড রেভিনিউ:
ফেসবুক আপনাকে আপনার কনটেন্টে বিজ্ঞাপন দেখানোর অনুমতি দিয়ে, সেই বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে আয় করে তার একটি অংশ আপনাকে দেয়। এটি এক ধরনের মুআমালাত (লেনদেন) যার নাম “ইজারা বা পারিশ্রমিক ভিত্তিক চুক্তি”।
ইসলামী দৃষ্টিকোণ:
ইসলামে এমন চুক্তির মাধ্যমে পারিশ্রমিক গ্রহণ বৈধ, যদি:
কাজটি হালাল হয়,
মাধ্যমটি গুনাহের উপকরণ না হয়।
---
২. শর্ত: আপনার কনটেন্ট হালাল হতে হবে
যেমন:
ইসলামি দাওয়াহ,
শিক্ষা,
তথ্যবহুল ভিডিও,
মজার বা বিনোদনমূলক (যদি গুনাহ না থাকে),
শিশুদের উপযোগী কনটেন্ট,
ব্যবসায়িক বা সামাজিক সচেতনতামূলক ভিডিও ইত্যাদি।
যদি আপনার ভিডিও বা পোস্টে গান, অশ্লীলতা, নারী প্রদর্শন, গিবত, কুফরি কথা, মিথ্যা প্রচারণা ইত্যাদি থাকে, তাহলে উপার্জন হারাম হবে।
---
৩. ফেসবুকের নিজস্ব আয়সূত্র হালাল নয় — তাহলে আমার উপার্জন কি হারাম হবে?
না, আপনি সরাসরি হারাম কাজ না করলে, তাদের ব্যবসায়ে হারাম উপাদান থাকা আপনার দায় হবে না।
যেমন: কেউ আপনাকে পারিশ্রমিক দেয়, সে টাকা কোথা থেকে পেল সেটা আপনি জানেন না — এটা আপনার জন্য সমস্যা নয়, যদি আপনার কাজ হালাল হয়।
---
ফতোয়া ও আলেমদের মতামত:
1. দারুল উলুম দেওবন্দ (ভারত):
> হালাল কনটেন্ট তৈরি করে মনিটাইজেশন থেকে ইনকাম করা জায়েজ, যদি তাতে শরীয়ত বিরোধী কিছু না থাকে।
2. জামিয়া উলুমুল ইসলামিয়া, বেনোরী টাউন (পাকিস্তান):
> ফেসবুক-ইউটিউব ইনকাম তখনই বৈধ হবে, যখন কনটেন্ট হবে শরিয়তসম্মত এবং নিজে গুনাহের কোনো মাধ্যম হবেন না।
3. শায়খ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ (islamqa.info):
> অনলাইন ইনকামে মূলনীতি হলো, যদি উপস্থাপন করা জিনিস হালাল হয় এবং হারাম কাজে সহায়তা না করে, তাহলে উপার্জনও হালাল হবে।
﴿وَكُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ حَلَالًا طَيِّبًا﴾
"তোমরা আল্লাহর দেয়া হালাল ও পবিত্র রিযিক আহার করো" — [সূরা আন-নাহল: ১১৪]
ফতোয়া সংগৃহীত
প্রিয় ভাই, পৃথিবীর প্রতিটি ফরজ বিধান জিবরাঈল (আঃ) নিয়ে এসেছেন পৃথিবীতে।
কিন্তু একমাত্র নামাজ এমন একটি ফরজ বিধান, যা আসমানের সাত স্তর ভেদ করে রাসূল ﷺ নিজ হাতে গ্রহণ করেছেন মেরাজের রাতে!
কেন? কারণ, নামাজ কোনো সাধারণ কাজ নয়। এটি আল্লাহ ও বান্দার প্রেমের আলাদা এক আয়োজন।
#সালাত_মুহাম্মদুল্লাহ_রব্বানী
পি.আর. (PR) পদ্ধতি বা Proportional Representation (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থা) একটি জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের পদ্ধতি, যেখানে ভোটের অনুপাতে রাজনৈতিক দলগুলো সংসদে আসন পায়।
এই পদ্ধতি অনেক দেশেই কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয় যেমন: জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে, ভারত (আংশিকভাবে রাজ্যসভায়), ইত্যাদি।
---
✅ PR পদ্ধতির লাভ ও ভালো দিকগুলো:
১. 🔹 আসন বণ্টনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
যে দল বা দলের জোট যত ভোট পায়, তারা ঠিক সেই অনুপাতে আসন পায়।
এতে ছোট দল বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দলগুলোও প্রতিনিধিত্ব পাওয়ার সুযোগ পায়।
একটি দল যদি ১০% ভোট পায়, তাহলে তারা প্রায় ১০% আসন পাবে — যেটা FPTP (First Past The Post) বা সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার পদ্ধতিতে পাওয়া সম্ভব নয়।
---
২. 🔹 জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হয়
PR পদ্ধতিতে একটি বৃহৎ অংশের ভোট নষ্ট হয় না।
ফলে জনগণের মতামত যথাযথভাবে সংসদে প্রতিফলিত হয়।
---
৩. 🔹 রাজনৈতিক বহুত্ববাদ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়
শুধুমাত্র বড় দল নয়, বিভিন্ন মতাদর্শ ও নীতির দল সংসদে আসার সুযোগ পায়।
রাজনৈতিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়।
---
৪. 🔹 সংলাপ ও সমঝোতার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে
যেহেতু এককভাবে কোনো দল সহজে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় না, তাই জোট সরকার গঠনের প্রয়োজন হয়।
এতে সমঝোতা, আলোচনা ও কৌশলগত ঐক্যমত গড়ে ওঠে — রাজনৈতিক সংঘাতের পরিবর্তে।
---
৫. 🔹 সংখ্যালঘু, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি পায়
অনেক PR পদ্ধতিতে কোটা বা সংরক্ষণের মাধ্যমে নারী, সংখ্যালঘু, আদিবাসী জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যায়।
বিভিন্ন দলের তালিকাভিত্তিক মনোনয়নে এমন প্রতিনিধিদের সুযোগ থাকে।
---
৬. 🔹 রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়
যেহেতু ভোট ভাগাভাগির মাধ্যমে আসন বণ্টন হয়, প্রতিটি ভোট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
রাজনৈতিক দলগুলো সব স্তরের জনগণের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করে — এতে জনগণের কাছে জবাবদিহি বাড়ে।
---
৭. 🔹 ভোট নষ্ট হওয়ার হার কমে যায়
FPTP তে ৪৯% বা তার বেশি ভোট পেলেও কেউ নির্বাচিত না হতে পারে, কিন্তু PR তে প্রতিটি ভোটের মূল্য থাকে।
ভোটাররা নিশ্চিত থাকেন যে তাদের ভোট ব্যর্থ হবে না।
---
৮. 🔹 দ্বি-দলীয় আধিপত্য কমে যায়
যেসব দেশে মাত্র দুই বা তিনটি বড় দল সব আসন ভাগ করে নেয়, সেখানে PR পদ্ধতিতে বিকল্প রাজনীতি, নতুন চিন্তাধারা ও নবীন নেতৃত্ব উঠে আসার সুযোগ থাকে।
---
🔍 বাস্তব জীবনের কিছু উদাহরণ:
দেশ PR পদ্ধতির ধরণ ভালো ফলাফল
জার্মানি Mixed-member PR সমঝোতা নির্ভর শক্তিশালী সরকার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
নেদারল্যান্ডস Pure PR নারী ও সংখ্যালঘুদের বড় অংশ সংসদে
নরওয়ে Closed List PR গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা ও জনগণের মতামতের প্রতিফলন
---
❗ সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ (বোনাস তথ্য)
সরকার গঠনে সময় লাগে (জোট সরকার হওয়ায়)
ছোট দলগুলোর অতিরিক্ত চাপ সরকারে অস্থিরতা আনতে পারে
ব্যালট ও গণনা একটু জটিল হতে পারে
---
✅ সারসংক্ষেপ:
> পি.আর. পদ্ধতি এমন একটি নির্বাচন পদ্ধতি, যা:
ভোটের ন্যায্যতা বজায় রাখে,
ছোট দল ও সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব দেয়,
রাজনৈতিক বৈচিত্র্য ও সহনশীলতা বাড়ায়,
এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে।
👉 চ্যাট-জিপি-টি থেকে নেওয়া।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
1203