Humayra
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Humayra, Digital creator, Dhaka.
আরাফাহর দিনে কি আমল করবেন?
বাংলাদেশে ২৬/২৭ মে, মঙ্গলবার বা বুধবার আরাফাহর দিন।
(সৌদি আরবের হিসাবে আরাফাহ ২৬ মে, আর বাংলাদেশের চাঁদ দেখা অনুযায়ী ২৭ মে। তাই আরাফার দিন নিয়ে স্কলারদের মতভেদ আছে। তাই যারা সক্ষম, তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হলো ২৬ ও ২৭ মে দুই দিনই নফল রোজা রাখা, আর আল্লাহর কাছে আরাফার দিনের সওয়াবের আশা করা।)
রাসূলুল্লাহ ﷺ আরাফাহর রোজা সম্পর্কে বলেছেন,
“আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, এটি বিগত এক বছর এবং আগামীর এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে।”
(সহিহ মুসলিম: ১১৬২)
মানে, এটা সাধারণ কোনো দিন না।
একটা দিন, যেটা আপনি চাইলে ইবাদত, দু’আ, রোজা, যিকির আর তাওবার মাধ্যমে ভরে দিতে পারেন।
তাই প্রস্তুতি রোজার সকাল থেকে না, আগের রাত থেকেই শুরু করুন।
নিচে সহজ করে আরাফাহর দিনের আমল এবং তার আগের রাতের প্রস্তুতি লিখে দিলাম।
আরাফাহর দিনের আমল এবং তার আগের রাতের প্রস্তুতি:
১. আরাফাহর আগের রাত মাগরিবের পর থেকে বেশি বেশি তাকবির, ইস্তিগফার ও দরুদ পাঠ করুন। জামাতের সাথে ইশার নামাজ আদায় করুন। রাতে সূরা বাকারাহর শেষ দুই আয়াত পড়ুন।
২. আগের রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ুন। ভোর রাতে উঠে তাহাজ্জুদ আদায় করুন, দু’আ করুন, এরপর সাহরি করুন। সারাদিনে কী কী আমল করবেন, সেগুলোর একটি ছোট তালিকা করে নিন। এরপর জামাতের সাথে ফজরের নামাজ আদায় করুন।
৩. আরাফাহর রোজা পালন করুন।
৪. রাসূলুল্লাহ ﷺ যা শিখিয়ে দিয়ে গেছেন, আরাফাহর দিনের শ্রেষ্ঠ দু’আ ও যিকির:
لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَ هُوَ عَلَى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْر
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
সারাদিন এই যিকিরটি বেশি বেশি পড়ুন। সম্ভব হলে কমপক্ষে ১০০ বার পড়ুন।
৫. যতটুকু সম্ভব মসজিদে অবস্থান করুন। ইতিকাফের নিয়্যাতে বসতে পারলে আরও ভালো।
৬. ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরীক পড়ুন, এবং সারাদিন বেশি বেশি তাকবির পাঠ করুন:
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
৭. সারাদিন বেশি বেশি দু’আ করুন। দু’আর শুরুতে ও শেষে আল্লাহর প্রশংসা এবং নবীজি ﷺ এর উপর দরুদ পড়ুন।
নিজের জন্য, পরিবার, মা-বাবা, উম্মাহ, মৃত মুসলিম, অসুস্থ, ঋণগ্রস্ত, মজলুম এবং পথহারা মানুষদের জন্যও দু’আ করুন।
৮. ন্যূনতম একটি হাদিস পড়ুন।
৯. আরাফাহর দিনেও সূরা বাকারাহর শেষ দুই আয়াত পড়ুন।
১০. সময় ও সুযোগ অনুযায়ী কুরআন তিলাওয়াত করুন। ইচ্ছা হলে সূরা কাহফ, ইয়াসিন, মুলক, আর-রহমান ইত্যাদিও পড়তে পারেন।
১১. অন্তত ১ টাকা হলেও সাদাকাহ করুন।
১২. সারাদিন বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তিগফার পাঠ করুন।
১৩. কমপক্ষে তিন বার সূরা ইখলাস পড়ুন, আয়াতুল কুরসী পড়ুন, এবং যতটুকু পারেন আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করুন।
নিজে আমল করুন এবং দাওয়াহর নিয়্যাতে অন্যদের কাছেও পৌঁছে দিন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
“যে ব্যক্তি কোনো ভালো কাজের দিকে পথ দেখায়, সে সেই আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পায়।”
তাই আপনার একটি শেয়ার বা পাঠানো মেসেজের কারণে যদি একজন মানুষও আরাফাহর রোজা রাখে, দু’আ করে, যিকির করে, ইস্তিগফার করে, আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনিও সেই আমলের সাওয়াব পাবেন।
হয়তো আপনার মাধ্যমে কেউ আরাফাহর দিনটা নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচবে।
হয়তো আপনার মাধ্যমে কেউ আল্লাহর দিকে ফিরে আসবে।
তাই নিজে আমল করুন, অন্যকেও মনে করিয়ে দিন।
সেভ করে রাখুন। পরিবার ও প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছে দিন।
সংগৃহীত
07/05/2026
আমি একটা ডকুমেন্টারি দেখছিলাম যেখানে প্রায় ৬০+ বয়সী একজন বৃদ্ধ মানুষ তার পরকীয়ার কথা বলছিল। সে পরকীয়া করে যথেষ্ট অনুতপ্ত এবং সে অনুতপ্ত হয়ে রীতিমত কান্না করছিল। আমি দোয়া করি, আল্লাহ তাকে হেদায়েত করুন, তার তওবা কবুলযোগ্য হোক।
তো এক পর্যায়ে যখন সাক্ষাৎকারের হোস্ট জিজ্ঞেস করল, 'দেখেন আপনার ফ্যামিলিতে আপনি মোটামুটি হাসিখুশি আছেন, সেরকম অভাব নেই। বিবাহিত আছেন এত বছর ধরে সুখের সংসারে। এত বয়স হয়ে গিয়েছে আপনার, এরপরও কেন পরকীয়া?' তখন সে যা উত্তর দিল, সেটা এখনো আমার কানে বাজে।
সে বলছিল, 'আসলে লজ্জার কথা কি বলবো আপনাকে? এই যে একটা এক্সাইটমেন্ট যে, কেউ আবার আমাকে দেখে আকর্ষিত হচ্ছে। একটা চার্ম যে আমাকে দেখে সে মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এবং বছরের পর বছর একই রকমের বোরিং ভাব চলে আসে সংসারে আমাদের নিজেদের অবহেলার জন্য। নতুনত্ব খুঁজে বেড়াই। নতুন একটা সম্পর্কের মধ্যে যে বিদ্যুৎফুলিঙ্গের মতো একটা স্পার্ক আছে, মনে হচ্ছিল আমি যেন সেই আমার কিশোর বয়সে ফিরে গিয়েছি, এভাবেই শয়তান আমার কাছে নোংরা বিষয়কে সুশোভিত করে দেখাচ্ছিল।'
আসলেই শয়তানের চাল হলো সে আপনার কাছে দুর্গন্ধযুক্ত নোংরা বিষয়গুলোকে সুন্দর একটা মোড়ক দিয়ে সুশোভিত করবে। কিন্তু বিশ্বাসীরা তো এত সহজে ফাঁদে পা দিবে না, এটাই তো হওয়ার কথা। কিন্তু ফাঁদগুলো নিয়ে যে আমাদের মাঝে আলোচনা নেই, সতর্কতার চর্চা নেই, এজন্যই আমরা ফাঁদে পড়ে যাই?
আর ফাঁদে পা দিলেও বারবার তওবা করে আল্লাহর কাছে ফেরত চলে আসবে যার অন্তরের ন্যূনতম তাকওয়া আছে। ওই হাদিসটার কথা মনে আছে? যেখানে বলা হয়েছিল জাহান্নামকে এমন ভাবে সাজানো হবে বাইরে থেকে দেখে মনে হবে এত সুন্দর জাঁকজমক খচিত জায়গা। আর জান্নাতকে এমনভাবে সাজানো হবে, যেটা চারপাশে শুধু দুঃখ, কষ্ট আর বিপদ? সুবহানআল্লাহ! আপনি আমি কোন পথে হাঁটছি?
অনেক বছর আগের একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। লাখ লাখ ফলোয়ারের অতি পরিচিত ইসলামিক দাওয়াহ পেইজের এক এডমিন ভাই আমাদের ভলেন্টিয়ার বোনকে মেসেজ করছিল তার কিছু পোস্ট কপি পেস্ট করার অনুমতি চেয়ে। ইনবক্সে কথা হচ্ছিল 'দাওয়াতি' নিয়তে। সেই কথার একপর্যায়ে হঠাৎ করে সেই ভাই বলা শুরু করল, অন্য লাইনের কথা। সে বলছে জোছনা দেখতে, একই সাথে ছাদে যাওয়া দরকার, একই সাথে চাঁদ দেখার মাঝে কল্যাণ(!) আছে।
এরপর সেই ছোট বোন এসব কথায় আপত্তি জানালে সেই ভাই কুরআনের আয়াত দিয়ে রেফারেন্স দিল 'দেখুন আপু কুরআনে লেখা আছে, 'মুমিনরা পরস্পর ভাই বোন। তারা একে অন্যকে ভালো কাজে সাহায্য করবে। আপনি আমি কুরআনের আয়াত অনুযায়ী কাজ করছি, একে অন্যকে ভালো কাজে সাহায্য করছি। (!)'
এই স্ক্রিনশট দেখানোর পরে আমি ছোট বোনটাকে বললাম ইস্তেগফার তাওবা করে এই মুহূর্তে এনাকে ব্লক করো। এতদূর পর্যন্ত চ্যাট গড়াবে কেন এই সাহস কোথা থেকে পায়?
দ্বীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে দিলের দাওয়াত দিয়ে হারামে লিপ্ত হয়ে দুনিয়া আখিরাত দুটাই হারিয়ে ফেলো না প্লিজ!
সুবহানাল্লাহ!
বারসিসার গল্পের কথা মনে আছে?
বারসিসা তো বিরাট বড় আল্লাহর ইবাদতকারী ছিল। সারাদিন ইবাদত বন্দেগি নিয়েই পড়ে থাকতো সে। সে কিনা যিনাহ করে শেষ পর্যন্ত এমন ভয়ঙ্কর পাপে পড়ল যে, সেই মেয়েটাকে গর্ভের সন্তানসহ তার খুন করতে হয়েছিল!
এজন্যই তো সালেহীন স্কলাররা বলেছেন, মানুষের মন ফুটন্ত পানির মত। টগবগ করতে থাকে। প্রতিনিয়ত একে জিকির থেরাপি না দিলে, তার বুঝ থাকা সত্ত্বেও সে ভুলের দিকে ধাবিত হতে পারে।
এই যে ফিতনা —এটা নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই উভয় ফিতনা। কোন একজন লিঙ্গ কে কেন্দ্র করে উপহাস করার কিছু নেই। হয়তো আপনি যাকে উপহাস করছেন, সে আপনার থেকে আল্লাহর কাছে বেটার। আমি আপনি কতটুকু জানি কার মনের খবর? কতটুকু জানি কার জীবনে কোনটা সত্য?
এই ঘটনাগুলো রিমাইন্ডার।
সবার আত্মশুদ্ধির জন্য একটা বড় ধাক্কা।
এর মাঝেই একে সীমাবদ্ধ রাখি।
৬০+ বয়সী মানুষ যার জীবন থেকে সবকিছুই পাওয়া হয়ে গিয়েছে, তাকেই যখন শয়তান এমনভাবে ফিতনায় ফেলতে পারে, সেখানে আমি আপনি কেন নিজেকে এত নিরাপদ মনে করি?
অবশ্যই আমরা নিরাপদ।
তবে আমরা নিরাপদ আমাদের রবের কাছে। আমরা নিরাপদ জায়নামাজে এবং চোখের পানিতে দোয়া করার সময়। আমরা নিরাপদ যখন আমরা আল্লাহকে ভালোবেসে আল্লাহর নিয়ম গুলো মেনে চলি। আমরা নিরাপদ যখন আমরা ইসলাম মেনে চলি।
আল্লাহ আপনাদের সবাইকে দুনিয়া আখিরাতে নিরাপদ রাখুক, এটাই দোয়া করি।
—শারিন সফি আদ্রিতা
#নিয়ামাহ্
— তওবা-!!
— আস্তাগফিরুল্লহ্-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি,লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম-!!
- আলহামদুলিল্লাহ-!!
28/04/2026
এক গ্লাস পানিতে সূরা আল-ফাতিহার আমল-
এক গ্লাস পানিতে সূরা আল-ফাতিহা (পাঠ করে ফুঁ দেওয়া) সেই ব্যক্তির জন্য অভিনন্দন, যে এটিকে তার দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করেছে। এটি আপনার জীবনে আপনার আত্মার মাঝে এক মহান ও অভাবনীয় প্রশান্তি যোগ করবে।
সূরা আল-ফাতিহা সকল কঠিন কাজকে সহজ করে দেয়। আল্লাহর ইচ্ছায় এটি প্রতিটি সমস্যার সমাধান; হোক সেটি স্বামীর সাথে কোনো সমস্যা কিংবা সন্তানদের নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা। এমনকি স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।
এই আমলটি কীভাবে করবেন?
এক গ্লাস পরিষ্কার পানযোগ্য পানি নিন। পূর্ণ মনোযোগ ও বিশ্বাসের সাথে সূরা আল-ফাতিহা পাঠ করুন (আপনি ১, ৩ বা ৭ বার পাঠ করতে পারেন)।
পানিতে হালকা ফুঁ দিন এবং সেটি পান করুন। আপনি চাইলে আপনার পরিবারের সদস্যদেরও এই পানি পান করাতে পারেন।
> Raqi Tarek Jamil
পোস্ট কপি ফ্রম: ওস্তাদ Abdullah Al Masud
16/03/2026
- এক গ্রামে এক অত্যন্ত পরহেযগার ও পর্দানশীন নারী বাস করতেন। বিয়ের পূর্বে তাঁর একটিই শর্ত ছিল, যিনি তাঁকে আজীবন পর্দার সাথে রাখবেন, তিনিই তাকে বিয়ে করতে পারবেন। পরিশেষে এক যুবক এই শর্ত মেনে তাঁকে বিয়ে করেন।
সময়ের সাথে সাথে তাঁদের সংসার বড় হতে থাকে। প্রথম সন্তান জন্মের পর স্বামী বললেন, "আমি সারাদিন মাঠে কাজ করি, দুপুরে খাবার খেতে বাড়ি আসা কঠিন হয়ে যায়। তুমি যদি কষ্ট করে খাবারটা মাঠে দিয়ে আসতে!" স্ত্রী রাজি হলেন।
দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর স্বামী বললেন, "সংসারের খরচ বেড়েছে, তুমি একটু মাঠে সাহায্য করলে ভালো হতো।" এভাবে পর্দা থেকে তিনি ধীরে ধীরে আধা-পর্দায় চলে এলেন।
তৃতীয় সন্তানের জন্মের পর স্বামী তাঁকে একদম বেপর্দা অবস্থায় মাঠে কাজ করতে বাধ্য করলেন।
বছর যায়, সন্তানরা বড় হলো। একদিন স্বামী উপহাস করে স্ত্রীকে বললেন, "বিয়ের সময় তো পর্দার জন্য কত বায়না ছিল! এখন তো সেই পর্দা নেই। জীবন তো আগের মতোই কাটছে, লাভ কী হলো?"
স্ত্রী বললেন, "তুমি পাশের ঘরে লুকিয়ে থাকো, আমি তোমাকে পর্দা ও বেপর্দার পার্থক্য বুঝিয়ে দিচ্ছি।"
স্ত্রী নিজের চুল এলোমেলো করে কান্নার অভিনয় শুরু করলেন।
বড় ছেলে এসে কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, "তোর বাবা আমাকে মেরেছে।" বড় ছেলে মাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, "বাবা মারলে কী হয়েছে? তিনি তো আমাদের ভালোবাসেন, আমাদের জন্য কত কষ্ট করেন।" সে বাবার সম্মান বজায় রাখল।
মেজো ছেলে এসে একই কথা শুনে রেগে গিয়ে বাবাকে দু-একটা কটু কথা বলল এবং মাকে চুপ করিয়ে চলে গেল।
ছোট ছেলে সব শুনে আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়ল। সে গালিগালাজ করতে করতে লাঠি তুলে নিল বাবাকে মারার জন্য।
তখন স্ত্রী তাঁর স্বামীকে ডেকে বললেন,
"শোনো! প্রথম ছেলেটি যখন পেটে ছিল, আমি তখন পূর্ণ পর্দার ভেতর ছিলাম। তাই সে আজ তোমার 'সম্মানের পর্দা' বজায় রাখল।
দ্বিতীয়টির সময় আমি অর্ধেক পর্দায় ছিলাম, তাই সে তোমার অর্ধেক সম্মান রাখল।
আর এই ছোটটি যখন জন্মালো, আমি তখন সম্পূর্ণ বেপর্দায় ছিলাম! তাই আজ সে তোমার সম্মানের পর্দাটি টেনে ছিঁড়ে ফেলতে দ্বিধা করল না।"
নারীর পর্দা এবং পবিত্রতা কেবল তাঁর নিজের জন্য নয়, বরং তাঁর সন্তানদের চরিত্র গঠনের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। পর্দা কেবল নারীর পোশাক নয়, বরং এটি একটি পরিবারের ইজ্জত ও বংশের পবিত্রতার ঢাল।
(উর্দু আর্টিকেল থেকে অনূদিত)
©️
শাবান মাসের আইয়ামে বীজের রোজা
➡️ সেহরি: আজ রাতে
➡️ রোজা: আগামীকাল থেকে
➡️ তারিখ: ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি
➡️ বার: সোম, মঙ্গল ও বুধ।
23/01/2026
বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে আপনার অবস্থান নির্ভর করবে আপনার স্বামী আপনাকে কতটা গুরুত্ব দেয় সেটার উপর।
আপনি কতটা যোগ্য,কি পরিমাণ ইনকাম করেন,কতখানি বিনয়ী,কতটুকু আওয়াজ তুলে কথা বলতে পারেন,আপনার পিতা কতটা বিত্তশালী এসবের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ আপনার জীবনসঙ্গী আপনাকে কতটা সম্মান করে,ভালোবাসে।
আড়াল আবডাল নয় বরং সবার সামনে আপনার প্রতি তার দায়বদ্ধতা কতটা সেটা প্রকাশেই মূলত শক্ত অবস্থানের প্রমান মেলে 🤍
একটা কথা আছে ‘হয় ঘর দেখে বিয়ে করো,নয়ত বর।’ উহু! আমি বলবো আল্লাহর কাছে হাউমাউ করে কেঁদেকেটে দুআ করে হলেও একটা বর চান। বরের মতো বর। বাদবাকি ভালো হলে সেইগুলো বোনাস হিসেবে পাবেন,খাবারের শেষের দই মিষ্টির মতো। কিন্তু বরটা হলো আপাদমস্তক দৈনন্দিন জীবন, সে ভালো না হইলে-দায়িত্বশীল না হইলে জীবন সেদিনই থমকে যাবে। বুঝলেন?
(সূরা ফুরকান আয়াত ৭৪-বেশি বেশি দুআতে পড়বেন,আল্লাহর ভান্ডারে কম নাই তো!)
লেখা সংগৃহীত—
23/01/2026
পবিত্র কুরআনুল কারিমে যে জাতিটার কথা সবচেয়ে বেশি এসেছে সেটা হলো—বনি ঈসরাইল।
বনি ঈসরাইল জাতির মাঝেই এসেছিল সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নবি রাসুল। আল্লাহর অবারিত নিয়ামত আর অফুরান ক্ষমা লাভের নজিরও ঘটেছিল এই জাতির ভাগ্যে। আকাশ থেকে তাদের জন্য নাযিল হতো মান্না সালওয়ার মতো জান্নাতের খাবার।
বনি ঈসরাইল জাতির মাঝে আসা দুজন প্রসিদ্ধ রাসুল হলেন মুসা আলাইহিস সালাম এবং ঈসা আলাইহিস সালাম। কুরআনে এই দুজন রাসুলকেন্দ্রিক অনেক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
মুসা আলাইহিস সালাম এবং ঈসা আলাইহিস সালাম দুজনেই এসেছিলেন বনি ঈসরাইল জাতির মাঝে। দুজনেই ছিলেন তাদের নবি৷ কিন্তু লক্ষণীয় ব্যাপার হলো—আপনি যদি কুরআন খুলে এই দুজনের ঘটনাকে পাশাপাশি পড়েন, একটা ছোট্ট পার্থক্য আপনার চোখে পড়বে।
কী সেই পার্থক্য, তাই তো?
সেই পার্থক্যটা হলো—আপনি যদি মুসা আলাইহিস সালামের ঘটনাগুলো পড়েন, সেখানে দেখবেন তিনি বনি ঈসরাইলিদের সম্বোধন করার সময় বলতেন—‘ইয়া ক্বওমি’ বা ‘হে আমার জাতি’ বলে।
অন্যদিকে, যদি আপনি ঈসা আলাইহিস সালামের ঘটনাগুলো পড়েন, সেখানে দেখবেন তিনি বনি ঈসরাইলিদের সম্বোধন করার সময় ‘ইয়া ক্বওমি’ বলতেন না। তিনি বলতেন—‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ তথা ‘হে বনি ঈসরাঈল’ বলে।
দুজনেই কিন্তু বনি ঈসরাইল জাতির নবি। দুজনকেই পাঠানো হয়েছিল একই জাতির কাছে৷ তাহলে, দুজনের সম্বোধনে এই ছোট্ট পার্থক্যটা কেন, তাই তো?
তাফসির বিশারদেরা বলেছেন, মুসা আলাইহিস সালাম এবং ঈসা আলাইহিস সালাম দুজনেই বনি ঈসরাইল জাতির নবি হলেও, দুজনের মাঝে একটা ছোট্ট পার্থক্য ছিল। সেই পার্থক্যটা হলো—মুসা আলাইহিস সালাম জন্মেছিলেন একটা স্বতঃসিদ্ধ প্রাকৃতিক নিয়মের মধ্যে—বাবা-মায়ের ঔরশে। কিন্তু ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মটা সেরকম প্রাকৃতিক নিয়মের মাঝে থেকে হয়নি। তাঁর জন্মটা ছিল আল্লাহর একটা মোজেযা। তিনি জন্মেছিলেন মাতা মারইয়াম আলাইহাস সালামের গর্ভে, কিন্তু ঈসা আলাইহিস সালামের কোনো পিতা ছিল না।
যেহেতু মুসা আলাইহিস সালামের একটা সরাসরি পৈতৃক ‘ব্লাড-লাইন’ ছিল বনি ঈসরাইল জাতির ভেতর, তাই বনি ঈসরাইলকে সম্বোধন করার সময় তিনি ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ না বলে ‘ইয়া ক্বওমি’ বা ‘হে আমার জাতি’ বলে ডাক দিতেন।
অন্যদিকে, ঈসা আলাইহিস সালামের যেহেতু সরাসরি কোনো পৈতৃক ‘ব্লাড-লাইন’ ছিল না বনি ঈসরাইলিদের মাঝে, ফলে তিনি বনি ঈসরাইলিদের ‘ইয়া ক্বওমি’ বা ‘হে আমার জাতি’ না বলে ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ বলে ডাক দিতেন।
পুরো কুরআন জুড়ে, এই দুটো প্যাটার্নে আপনি কিন্তু কোনোরকম হেরফের পাবেন না৷ মানে—কুরআনের অনেক জায়গাতেই তো তারা বনি ঈসরাইলিদের সম্বোধন করে কথাবার্তা বলেছেন, আদেশ দিয়েছেন, সতর্ক করেছেন। কিন্তু একটা জায়গাও পাবেন না যেখানে মুসা আলাইহিস সালাম ‘ইয়া ক্বওমি’ না বলে ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ বলে সম্বোধন করছেন, এবং ঈসা আলাইহিস সালাম ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ না বলে ‘ইয়া ক্বওমি’ বলছেন।
নট অ্যা সিঙ্গেল টাইম!
ভাষা আর শব্দের ব্যবহারের ভেতরেই যে একটা ঐতিহাসিক উপাদান লুকিয়ে রাখা যায়—এই ঘটনা তার জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ।
এই উদাহরণ আরও একটা ঐতিহাসিক সত্যকে সত্যায়িত করে। সেটা হলো—মাতা মারইয়াম আলাইহিস সালামের নিষ্পাপত্ব। ঈসা আলাইহিস সালাম যে পুরুষের কোনোরকম সংস্পর্শ ব্যতীতই দুনিয়ায় এসেছিলেন, সেটার একটা প্রমাণ তিনি তার এই বাছাইকৃত ‘ইয়া বনি ঈসরাইল’ শব্দদ্বয়ের মাঝেও রেখে গেছেন। এই শব্দের ব্যবহারই প্রমাণ করে, বনি ঈসরাইল জাতির মাঝে ঈসা আলাইহিস সালামের কোনো পৈতৃক ‘ব্লাড-লাইন’ নেই।
#কুরআনের_অলিতে_গলিতে_০৩
আরিফ আজাদ
23/01/2026
রমাদানের আগাম প্রস্তুতি শুরু হোক শাবান মাসে সাধ্যমত বেশি বেশি রোযা রাখার মাধ্যমে।
Click here to claim your Sponsored Listing.