Jyoti Rupa

Jyoti Rupa

Share

I am Jyoti Rupa, a passionate singer who loves to sing.

06/05/2026

খুঁজে যাওয়ার সাজা
----জ্যোতিরূপা

কাকের বাসা একটা খুজছি আমি
কাকের বাসার পাশেই তোমার বাসা
সকাল সন্ধ্যা দুপুর বারোমাস
নিজেই নিলাম খুজে যাওয়ার সাজা।

ঝুলবারান্দা খুজছি শহর জুড়ে
নীলের ভেতর সাদা ফুলে ঠাঁসা
খাঁচায় পোষা কি জানি কি পাখি?
মধ্য রাতে একলা জোছনা মাখা।

খুঁজছি আমি কার্তিকের এক দিন
জোনাক জ্বলা ফসলশুন্য মাঠ
দু'হাতে মাত্র দুটো কাশের ফুল
বদলে নেবো আঁচল ভরা মেঘ।

খুজে চলি মাঘের একটা রাত
চাঁদের বুড়ি যখন তামাক খায়
খুয়াশাতে ভরে নদীর বুক
নীলকন্ঠ পাড়ের শাড়ি গাঁয়।

তোমার বাসা কাকের বাসার পরেই?
কোকিল নাকি কাকের বাসায় থাকে?
কেথায় খুঁজি কোন যে ফাগুন বেলা?
গানের লোভে মৃত্যু আমায় ডাকে।।

24/04/2026

সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপায়, "ছায়ানট" এর হাত ধরে, সংগীত প্রবেশের প্রথম বর্ষের পথ চলা শুরু করলাম😇।
গতো তিন বছরে অসম্ভব গুনীজনের সান্নিধ্য পেয়েছি, কিছু নাম না নিলেই নয়,

শ্রদ্ধেয় মহিত খান স্যার
শ্রদ্ধেয় দীপ্র নিশান স্যার
শ্রদ্ধেয় শামীমা পারভিন (শিমু) ম্যাম
শ্রদ্ধেয় রেজাউল করিম স্যার
শ্রদ্ধেয় সঞ্জয় কবিরাজ স্যার
শ্রদ্ধেয় সুমন মজুমদার স্যার

অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই সংগীত গুরুদের 🙏

* ছবিতে আমার সঙ্গে আছে সহপাঠী+বড়বোন+বন্ধু = ফারিয়া 😍

19/04/2026

মন খারাপ হলে শরীর কেন ভেঙে পড়ে?

একটা প্রশ্ন করি।

কখনো হয়েছে —মন খুব খারাপ।
আর সেদিন শরীরও কাজ করছে না।
উঠতে ইচ্ছে করছে না। খেতে ইচ্ছে করছে না।
সহজ কাজেও অদ্ভুত ক্লান্তি।

মনে হয় — শরীরে কি হলো?কিছু তো হয়নি।
তাহলে এই দুর্বলতা কোথা থেকে? এটা আকস্মিক না।
এটা বিজ্ঞান।

মস্তিষ্ক যখন কষ্ট পায়, সে একটা সংকেত পাঠায়।
সেই সংকেত যায় হাইপোথ্যালামাসে।
সে কর্টিসল ছাড়ে। কিন্তু এটা সকালের কর্টিসল না।
এটা দীর্ঘ চাপের কর্টিসল।

এই কর্টিসল শরীরকে বলে —
"বিপদ আছে। সব এনার্জি বাঁচাও।"
শরীর তখন পেশি শিথিল করে।
ইমিউন সিস্টেম দুর্বল করে। হজম কমিয়ে দেয়।
ঘুম এলোমেলো করে।

বাইরে কিছু হয়নি।কিন্তু ভেতরে যুদ্ধ চলছে।

মন খারাপের সময় ডোপামিন কমে।
ডোপামিন মানে শুধু আনন্দ না। ডোপামিন মানে —
"কাজ করার ইচ্ছা।"
"উঠে দাঁড়ানোর শক্তি।"
"এগিয়ে যাওয়ার কারণ।"

ডোপামিন কম হলে, কোনো কাজেই টান লাগে না।
সব ফ্যাকাশে।সব ভারী। সব অর্থহীন।

শরীরের এনার্জি কমে যায়,কারণ মস্তিষ্ক কোনো লক্ষ্য দেখছে না।

শরীরে একটা নার্ভ আছে।নাম ভেগাস নার্ভ।
এটা মস্তিষ্ক থেকে সরাসরি হৃদয়, ফুসফুস, পেটে যায়।
মন খারাপ হলে, এই নার্ভ দুর্বল হয়।
হার্টবিট অনিয়মিত হয়। পেট অস্বস্তি করে।
শ্বাস ভারী লাগে। তাই মন খারাপ হলে বুকে চাপ লাগে।
পেট গুলায়। শরীর ভারী হয়।
এটা কল্পনা না। এটা শরীরের বাস্তব প্রতিক্রিয়া।

মন খারাপ হলে, শরীর ভেঙে পড়া স্বাভাবিক।
বিজ্ঞানসম্মত। আপনার দোষ না।
এটা দুর্বলতা না। এটা শরীরের ডাক।
সে বলছে —"একটু থামো। নিজের যত্ন নাও।"

কিন্তু শুয়ে থাকলে, কর্টিসল বাড়তেই থাকে।
শরীর আরো ভারী হয়। তাই শরীর থেকে শুরু করুন।
মন থেকে না।

ঠান্ডা পানিতে মুখ দিন। এক মিনিট হাঁটুন।
চার সেকেন্ড শ্বাস নিন। ছয় সেকেন্ড ছাড়ুন।
এটুকুই শরীরকে বলে —"বিপদ নেই। শান্ত হও।"

কর্টিসল কমে। ভেগাস নার্ভ সক্রিয় হয়।
একটু হালকা লাগে।ছোট্ট একটা পদক্ষেপ —
এটুকুই যথেষ্ট শুরু করতে।

আপনি যখন মন খারাপে থাকেন কী করেন?
কমেন্টে বলুন। হয়তো আপনার কথা অন্য কারো কাজে আসবে।

মিশকাতুল জান্নাত এলিন
এম.এস. এডুকেশনাল সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বি.এস. সাইকোলজি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
CBT ও DBT প্র্যাকটিশনার | Islamic Perspective Psychotherapy
৪+ বছরের অভিজ্ঞতা।
( সংগৃহীত )

16/04/2026

মস্তিষ্কের কনফারেন্স রুম — সিদ্ধান্ত কেন এত কঠিন?

মানুষ ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব সহজ ব্যাপার। হ্যাঁ বা না। যাব বা যাব না। বলব বা চুপ থাকব। কিন্তু যদি একবার নিজের মাথার ভেতরে উঁকি দিতে পারতেন, দেখতেন সেখানে একটা কনফারেন্স চলছে। টেবিল গোল। চায়ের কাপ কয়েকটা খালি। কেউ নোট নিচ্ছে না, কিন্তু সবাই মতামত দিচ্ছে। সভাপতি কেউ নেই, তাই সভা কখনো শেষ হয় না। আর আপনি বাইরে থেকে ভাবছেন — “এত ভাবছি কেন, সিদ্ধান্তটা তো সহজ।”
আসলে সিদ্ধান্ত সহজ নয়। কখনোই ছিল না। সিদ্ধান্ত মানে শুধু “কী চাই” নয়। সিদ্ধান্ত মানে একসাথে — ভবিষ্যৎ কল্পনা, পুরনো ভয়, বর্তমানের আরাম, সম্ভাব্য আফসোস, অন্যের প্রত্যাশা, নিজের স্বপ্ন। এই সবকিছু একসাথে মাথায় চলতে থাকে। আপনি ভাবেন আপনি দোটানায় আছেন। আসলে আপনার মাথার ভেতর ভোটাভুটি চলছে। আর সমস্যা হলো এই ভোটে সবার ভোটের ওজন সমান নয়।
কনফারেন্স রুমের চরিত্রেরা
এই বৈঠকে কয়েকজন নিয়মিত উপস্থিত থাকে। প্রথমজন ডোপামিন — সে সবসময় উত্তেজিত। বলে “নতুন কিছু করি, ঝুঁকি নাও, লাইফ একটাই!” সে সবসময় আনন্দের পক্ষে ভোট দেয়, এখনই, তাৎক্ষণিক। তার পাশে বসে অ্যামিগডালা — মাথা নেড়ে বলছে “না। আগেও এমন করেছিলে। ফল ভালো হয়নি।” সে সবসময় সতর্কতার পক্ষে, পরিচিতের পক্ষে, নিরাপদের পক্ষে।
এক কোণে চশমা পরে ফাইল উল্টাচ্ছে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স। সে আস্তে বলল “একটু ডেটা দেখি, দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল বিশ্লেষণ করি।” কেউ শোনে না। বেসাল গ্যাংলিয়া হাই তুলে বলল “আমরা তো সাধারণত এটাই করি। রুটিন বদলাব কেন?” সেরোটোনিন শান্তভাবে বলছে “এখন যা আছে তাই নিয়ে থাকো।” আর একটা চরিত্র আছে যে সবার কথার মাঝখানে বলে “পাঁচ মিনিট পরে ভাবব” — এই “পাঁচ মিনিট পরে” মন্ত্রী আসলে সবচেয়ে বিপজ্জনক। সে কোনো সিদ্ধান্তই নিতে দেয় না।
সিদ্ধান্ত নেওয়া এত ক্লান্তিকর কেন?
Decision Fatigue বলে একটা ধারণা আছে। গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ দিনে যত বেশি সিদ্ধান্ত নেয়, পরের সিদ্ধান্তগুলো তত খারাপ হয়। বিচারকরা দিনের শুরুতে বেশি ন্যায্য রায় দেন, দিনের শেষে ক্লান্ত মস্তিষ্ক সহজ পথ নেয়। বিখ্যাত মানুষেরা প্রতিদিন একই রকম পোশাক পরেন — কারণ সকালের একটা ছোট সিদ্ধান্তও মস্তিষ্কের শক্তি নষ্ট করে।
কারণটা সহজ। প্রতিটা সিদ্ধান্তের সময় মস্তিষ্কের কনফারেন্স রুমে বৈঠক বসে। বৈঠকে শক্তি লাগে। যত বেশি বৈঠক, তত বেশি শক্তি খরচ। একদিনে যদি কী খাবেন, কী পরবেন, কোন রাস্তায় যাবেন, কাকে উত্তর দেবেন, কীভাবে দেবেন — এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়, তাহলে বড় সিদ্ধান্তের সময় মস্তিষ্কের ট্যাংক অনেকটাই খালি। এ কারণেই সন্ধ্যায় মানুষ বেশি প্রলোভনে পড়ে, রাতে বেশি আবেগী সিদ্ধান্ত নেয়।
দোটানা কোথা থেকে আসে?
দোটানার আসল কারণ হলো মস্তিষ্কের দুটো আলাদা সিস্টেম একসাথে কাজ করছে। একটা সিস্টেম দ্রুত, স্বয়ংক্রিয়, আবেগচালিত। আরেকটা ধীর, সচেতন, যুক্তিচালিত। নোবেলজয়ী মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল কানেম্যান এই দুটোকে বলেছেন System 1 আর System 2। System 1 হলো অ্যামিগডালা, ডোপামিন, বেসাল গ্যাংলিয়ার দল — দ্রুত, অনুভূতিনির্ভর। System 2 হলো প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স — ধীর, বিশ্লেষণাত্মক।
বেশিরভাগ সময় System 1 জেতে। কারণ সে দ্রুত। প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স যখন বিশ্লেষণ শুরু করে, তখন ডোপামিন আর অ্যামিগডালা অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। আর মানুষ পরে সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তৈরি করে — মনে করে সে যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু আসলে সিদ্ধান্ত আগেই হয়ে গিয়েছিল, যুক্তি পরে সাজানো হয়েছে।
ছোট সিদ্ধান্ত আগেই ঠিক করলে বড় সিদ্ধান্ত সহজ হয়
তাহলে সমাধান কী? ইচ্ছাশক্তি? না। ইচ্ছাশক্তি একটা সীমিত সম্পদ — যত বেশি ব্যবহার করবেন, তত কমবে। সমাধান হলো কনফারেন্স রুমের বৈঠক কমানো। মানে যতটা সম্ভব ছোট সিদ্ধান্তগুলো আগেই ঠিক করে রাখা। রুটিন তৈরি করা। নিয়ম বানানো।
নিয়ম থাকলে বৈঠক বসে না। “রাতে ফোন বিছানায় নেব না” — এটা নিয়ম হলে প্রতি রাতে কনফারেন্স রুমে বৈঠক বসতে হয় না। “সকালে উঠে আগে পানি খাব” — নিয়ম হলে ডোপামিন আর প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের বিতর্ক হয় না। মস্তিষ্ক বলে “আচ্ছা, নিয়ম আছে। তর্কের দরকার নেই।” সভা দ্রুত শেষ হয়। শক্তি বাঁচে। বড় সিদ্ধান্তের জন্য কনফারেন্স রুম প্রস্তুত থাকে।
মস্তিষ্কের রাজনীতি
মজার ব্যাপার হলো কনফারেন্স রুমে কেউ পুরো সত্য জানে না। ডোপামিন ভবিষ্যতের আনন্দের কথা বলে কিন্তু ভবিষ্যতের কষ্টের কথা বলে না। অ্যামিগডালা বিপদের কথা বলে কিন্তু সুযোগের কথা বলে না। বেসাল গ্যাংলিয়া পুরনো অভ্যাসের কথা বলে কিন্তু নতুন সম্ভাবনার কথা বলে না। শুধু প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স সব দিক দেখার চেষ্টা করে — কিন্তু সে ক্লান্ত থাকলে, ঘুম না হলে, স্ট্রেসে থাকলে তার কণ্ঠ দুর্বল হয়ে যায়।
এ কারণেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ক্লান্ত অবস্থায়, রাতে, রেগে থাকা অবস্থায় না নেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে কনফারেন্স রুমে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স অনুপস্থিত, বাকিরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আর তাদের সিদ্ধান্ত প্রায়ই পরদিন সকালে ভুল মনে হয়।
আপনি সিদ্ধান্তে দুর্বল নন
★এই পুরো অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা এখানে। আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না বলে দুর্বল নন। আপনার মাথার ভেতর শুধু গণতন্ত্র একটু বেশি। কেউ আনন্দ চায়, কেউ নিরাপত্তা চায়, কেউ ভবিষ্যৎ বাঁচাতে চায়, কেউ পুরনো পথে থাকতে চায়। আর আপনি মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভাবেন “এত চিন্তা হচ্ছে কেন?” এখন আপনি জানেন কেন। আপনার মস্তিষ্ক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে, সব দিক দেখার চেষ্টা করছে।
★★★শুধু মাঝে মাঝে তাকে বলতে হয় — “আজকে আলোচনার দরকার নেই। এজেন্ডা আগেই ঠিক করা।” তখন কনফারেন্স রুম চুপ হয়ে যায়, আর আপনি এগিয়ে যেতে পারেন।

*******
"মাথার ভেতর মেলা" বই থেকে উপরোক্ত অংশটি সংগৃহীত।

14/04/2026

#ভাইছাতু– এক হারিয়ে যাওয়া রীতি

শত্রুর মুখে দিয়া ছাই,
ছাতু উড়াইয়া ঘরে যাই।

চৈত ক্রান্তির ঝিমঝিমা দুপুরে, পুকুরপাড়ে কুলো নাড়িয়ে ছাতুর ধুলো ছাড়তে ছাড়তে সুর করে গেয়ে চলেছিলেন ওরা। দু-একটা টুইটুই মিঠে সঙ্গত দিচ্ছে। কখনও ঝিরিঝিরি বাতাস এসে পুকুরের জলে তরঙ্গ তুলতে তুলতে যাচ্ছে দূরে...

পার্বণ শুরু হয়েছিল যব, ছোলার ছাতু কোটা দিয়ে। তারপর সকাল সকাল উপবাস রেখে ভাইয়ের কপালটাতে শুভচিহ্ন দিয়ে, হাতে তুলে দিয়েছিলেন তেঁতুল, লেবুপাতা, চিনি দিয়ে মাখা ছাতুর মণ্ড।

বছরশুরুর আগে এ যেন এক আরেক ভাইফোঁটা। তাতে অতি সহজে মিশে গেছে ঋতুপরিবর্তনের রীতি, চল ও পথ্যি। দুপুরে যে খাওয়াটি বোন রেঁধে খাওয়ায়, তাতেও মূল থাকে কাঁচা আমের টক ও নিমের তিতো।

ভেবে দেখবেন, প্রথাগত ভাইফোঁটার বাইরে এই ভাইছাতু কিন্তু দাবদাহের মধ্যে কর্মে বাহির হওয়া ভাইয়ের, আসল শত্তুর গরমের মুখে ছাই দেওয়া।

ভাবুন তো, আমাদের রীতি ও যাপনকে আমরা কত সহজে সময়ের সাথে বেঁধে দিয়েছিলাম! সহজিয়া দর্শন থেকে ব্যবহারিক প্রয়োগ – দুইয়ের আশ্চর্য মিশ্রণ হল পালা, পার্বণ, ব্রতকথা। কিংবদন্তি তো মোড়ক মাত্র...

।।শুভ ছাতু সংক্রান্তি, শুভ চৈত্র সংক্রান্তি — বছর শুভ হোক।।

(সংগৃহিত)

11/04/2026

কিছু মানুষ আপনাকে বুঝবে না, আপনি তাদের যতই উপকার করুন, কারণ তারা বুঝতে চায় না, তারা আপনাকে ব্যবহার করতে চায়।
আর কিছু মানুষ এমনিই আপনাকে বুঝে ফেলবে, কারণ তারা অনুভব করতে জানে।
তবে এরকম মানুষের সংখ্যা শূন্যের কাছাকাছি।

বি:দ্র: এটা কোনভাবে ব্যক্তিগত পোষ্ট নয়, এটা অনুভব।

Photos from Jyoti Rupa's post 18/02/2026

স্মৃতি : ২০২৪ এর খুলনা বইমেলা 😇
আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ "স্বপ্ন তরণি "💞

12/02/2026

ভালোবাসার অসীম আকাশ,
সাগর জলে ঢেউ,
মা মানে কি? স্যতি বলো,
বলতে পারে কেউ?

এতো যে ঋণ, ঋণের পাহাড়,
শোধ হবে কি আর?
বরং, হাজার ভুল করি রোজ,
লক্ষ ক্ষমা তার!

ভোরের বেলার নরম আলো,
সন্ধ্যা বেলার শাঁখ।
মাগো তোমায় বাসিভালো,
জীবন ভরা থাক!

আমরা দুজন, তোমার কুড়ি।
চিরহরিৎ থাকো!
তোমার ডালে পাখির বাসা,
আগলে ধরে রাখো।

এই দিন টি আসে যেন,
হাজার হাজার বার!
মাগো, তোমায় বলছে মেয়ে -
শুভ জন্মদিন তোমার 😇💞🥰

------শুভ জন্মদিন মা 💞💐💞

06/02/2026

শীত এলে এসো
----- জ্যোতি রূপা

আমার ডালপালা জুড়ে সারা বছর শীত থাকে,
আমি শীত ভালোবাসতাম না।
তোমার জীবন পথে ষড়ঋতুর আনাগোনা,
কোন ঋতু তোমার পছন্দ আমি জানিনা।
মানুষ মানুষকে কতো টুকুই বা চিনতে পারে?
তবু, তোমাকেই সব থেকে বেশি চিনি,
তুমিই সব থেকে কাছের।

যখন তোমার পথের পরিক্রমায় শীত আসবে,
আমার উঠোনে এসো।
শীত আমি ভালো করেই চিনি,
তোমায় শীতের অন্য দিকটা দেখাবো,
ভালো-না-বেসে ভালো থাকা যায়না, জানোতো?
আমি শীতকে ভালোবেসে ভালোথাকা শিখছি,
মন খারাপ হলে এসো,
তোমায় শীতের চাঁদের বুড়ির সাদা সুতোর গল্প শোনাবো।

আমার উঠনের শ্যাওলা মোড়ানো জলচৌকি আছে,
তোমার অনিদ্রা সেখানে আসতে পারবেনা,
তুমি অমাবস্যার চাঁদের মতো নির্লিপ্ত ঘুম দিও।
কুয়াশার চাদর আমি যত্ন করেই বুনি,
তুমি ধুসর রং এর আরাম পাবে।
তোমায় আমার পাতা-ঝরার গান শোনাবো,
তোমার পথে শীত এলে না-হয় এসো;
তোমায় ভালোবেসে ভালোথাকা শেখাবো।।

21/01/2026

পাড়াশুনা 🫣

16/01/2026

তুমি ধরা দিতে যেন আসনাই ধরনীতে
একা একা খেলা খেলো সারাবেলা
সাথী হীন তরণি তে -
আঘাত হানিয়া সে কোন নিঠুর
জাগাবে তোমাতে আশাবরি সুর
পাষাণ টুটিয়া গলিয়া পড়িবে অশ্রুর জান্হবী -

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka