Dolna e-Shop
Books & Others Books and others
09/11/2023
08/11/2023
জামালপুরের লোকজ সংস্কৃতি নিয়ে রচিত। মূল্য ৪০০ টাকা
07/11/2023
যেকোনো প্রকার বইয়ের জন্য যোগাযোগ করুন।
০১৭১২৮০৪৪৪৮
07/11/2023
মূল্য ২৮৬ টাকা
21/02/2023
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, চল্লিশ দশকের লেখক। লালসালু, বহিপীর, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো এর জনক। ওয়ালীউল্লাহকে এমনিতে না চিনলেও পাঠ্যপুস্তকে লালসালুর নাম শোনেনি এমন কেউ হবে না। বিসিএস দিতে গেলে তার লেখা প্রতিটা রচনা বিসিএসের পাঠ্য। কি অসম্ভব রকম স্মার্ট ছিলেন এই মানুষটি। ওনার বেশীরভাগ উপন্যাস গ্রাম্য পটভূমিতে নাহয় মনস্তাত্ত্বিক। বিয়েও করেছিলেন একজন বিদেশিনীকে। সৃষ্টিকর্ম নিয়েই যার একগাদা কথা বলা যায়, সৃষ্টিকর্ম বাদেও সেই যুগে এমন হ্যান্ডসাম,স্মার্ট আর স্বাধীনচেতা মন মানসিকতার লেখক কল্পনা করা যায়?
*সংগৃহীত
😊 নিউইয়র্কে সম্প্রতি একটা শো-রুম চালু হয়েছে, যেটার নাম হলো "Husband for Sale"।
এখানে বিভিন্ন ধরনের পুরুষরা রয়েছেন, মেয়েরা এখান থেকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী স্বামী পছন্দ করতে পারবে।
সেখানের নিয়ম হলো--
(১) যেকোনো মহিলা সেখানে একবারই মাত্র প্রবেশাধিকার পাবেন।
(২) এখানে ৬টি ফ্লোর আছে এবং মহিলারা যেকোনো ফ্লোর থেকে নিজের স্বামী নির্বাচন করতে পারবেন।
তবে ২য় ফ্লোর অতিক্রম করে ৩য় ফ্লোরে গিয়ে যদি স্বামী পছন্দ না হয়, তাহলে ঐ মহিলা তার উপরের ফ্লোরে যেতে পারবেন, কিন্তু যে ফ্লোর তিনি ইতিমধ্যে অতিক্রম করে চলে গেছেন সেখান থেকে আর স্বামী নির্বাচন করতে পারবেন না। অর্থাৎ উপরের ফ্লোরের স্বামী পছন্দ না হলে পুনরায় নিচের ফ্লোরে এসে স্বামী পছন্দ করা যাবে না।
এক মহিলা নিজের জন্য স্বামী পছন্দ করতে গিয়ে দেখলেন...
১ম ফ্লোরে লেখা আছে- এখানের পুরুষরা চাকুরীজীবী ও তারা ঈশ্বরে বিশ্বাসী।
মহিলাটি তারপর দ্বিতীয় ফ্লোরে গেলেন...
২য় ফ্লোরে লেখা আছে- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী ও শিশু প্রেমিক।
মহিলাটি ধীরে ধীরে ৩য় ফ্লোরের দিকে অগ্রসর হলেন...
৩য় ফ্লোরে লেখা আছে- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক ও খুব রুপবান।
মহিলাটি আরেকটু ভালো স্বামী নির্বাচনের আশায় ৪র্থ ফ্লোরে গেলেন...
সেখানে লেখা রয়েছে- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক, রুপবান এবং তারা স্ত্রীকে গৃহ কর্মে সাহায্য করতেও আগ্রহী।
যতই উপরের দিকে যাচ্ছেন গুণধর স্বামীদের সন্ধান মিলছে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে মহিলা ৫ম ফ্লোরের দিকে পা বাড়ালেন...
সেখানে লেখা রয়ছে-
এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবী, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক, রুপবান, তারা স্ত্রীকে গৃহ কর্মে সাহায্য করতেও আগ্রহী আর তারা খুব রোমান্টিক ভাবনার পুরুষ।
এখানেই মহিলাটির শেষ গন্তব্য হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তবু তিনি ৬নং ফ্লোরে গেলেন আরো গুণধর স্বামীর সন্ধানের আশায়।
সেখানে লেখা রয়েছে- দুঃখিত এখানে কোনো স্বামী পাওয়া যায় না। এখানে নির্বাচন করার মতো কোনো পুরুষ নেই। এই ফ্লোরটা আমাদের শো-রুমের কোনো অঙ্গ নয়। এই ফ্লোরটা রাখা হয়েছে শুধু এটা প্রমাণ করার জন্য যে মেয়েদের সন্তুষ্ট করাটা কতো বড় একটা অসম্ভব ব্যাপার সেটা প্রমাণ করার জন্য!
মনে রাখবেন,,,
জীবনের চাহিদাকে যতো সীমিত রাখবেন....
জীবন ততোই শান্তিময় হবে....❤️❤️
Collected...
১০০ টাকা 💰 ঋণ শোধ
# শিক্ষণীয়_গল্প 🍂💞
বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে , আর ভেতরে ক্লাস চলছে। ক্লাসচলাকালীন শিক্ষক , ক্লাসে বসে থাকা সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে প্রশ্ন করলেন.....আমি যদি তোমাদের প্রত্যেককে ১০০টাকা করে দিই , তাহলে সেই টাকা নিয়ে তোমরা কে কি কিনবে বলো....কেউ বললো আমি একটা ভালো ক্রিকেটের ব্যাট কিনবো,কেউ বললো চকলেট কিনবো, কেউ বললো ভিডিও গেম কিনবো,কেউ বললো রং পেন্সিল কিনবো.....তখনই স্যারের চোখ গেল মুখ নিচু করে বসে থাকা এক ছাত্রর দিকে।
শিক্ষক তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন তুমি কি ভাবছো! তুমি কি কিনবে বলো।ওই ছাত্র নম্র সুরে স্যারকে বললো, স্যার আমার মা চোখে কম দেখে ,তাই আমি আমার মায়ের জন্য একটা ভালো চশমা কিনবো।
স্যার তখন বললেন চশমা তোমার বাবাও কিনে নিয়ে যেতে পারবে! তুমি কি তোমার জন্য কিছুই নেবে না!ওই ছাত্র এমনই উত্তর দিলো! যা শুনে শিক্ষকের চোখ অশ্রুতে ভরে উঠলো।
ছাত্র বললো স্যার অনেকদিন হয়েছে আমার বাবা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে, আর আমার মা কাপড় সেলায় করে আমার পড়াশোনার খরচ আর সংসার চালায়।
চোখে কম দেখতে পায় বলে , সেলাইএর কাজ ঠিকমত করতে পারে না, মা এর জন্যে নতুন চশমা এনে দিলে আমি ঠিকমত পড়তে পারবো, আমি শিক্ষিত হয়ে ভালো যায়গায় কাজ পেয়ে মায়ের সকল দু:খ কষ্ট দুর করবো।
এই কথা শুনে শিক্ষক বললেন তোমার সঠিক চিন্তাধারায় হল তোমার উপার্জনের রাস্তা।তাই আমার শর্ত অনুযায়ী আমি তোমাকে ১০০টাকা দিচ্ছি আর তার সাথে আরও ১০০টাকা দিচ্ছি
আমার তরফ থেকে ধার হিসাবে তুমি রেখে নাও ।
তুমি বড় হয়ে যখন উপার্জন করবে, তখন ধার করা টাকাটা আমাকে ফেরত দিয়ে দিও,আমার আরও ইচ্ছা তুমি মানুষের মত মানুষ হও, যাতে আমি তোমার মাথায় হাত রেখে নিজেকে ধন্য মনে করতে পারি।।
১৫ বছর পর.......বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে, আর ভেতরে ক্লাস চলছে।ঠিক তখনই জেলা কালেক্টরের গাড়ি এসে থামলো স্কুলের গেটের সামনে।সকলে চুপচাপ.....কিন্তু এ কি!
জেলার একজন কালেক্টর এক বৃদ্ধ শিক্ষ্কের পা ছুয়ে প্রনাম জানিয়ে বললো স্যার আমি ...............জীবনানন্দ সরকার।স্যার এই নিন ১০০ টাকা,আপনার দেওয়া সেই টাকা আমি ফেরত দিতে এসেছি।
এই দৃশ্য দেখে সবাই হতভম্ব! কারোর মুখ দিয়ে তখন কোন কথায় বের হচ্ছে না।
সেই বৃদ্ধ শিক্ষক কালেক্টরকে আনন্দে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন।।
আমরা যদি মনে করি তাহলে আমাদের আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রমের দ্বারা আমাদের ভাগ্যকে লিখে দিতে পারি, আর তা যদি না পারি তাহলে পরিস্থিতি আমাদের সেই ভাগ্য লিখে দিতে সাহায্য করে।।
সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1100