Themezone Technology
Themezone Technology is custom software development company with a headquarter in Dhaka, Bangladesh .
Company offers a wide range of services:Web development, Prototyping, MVP development,Business Analysis,UX/UI Design,Mobile App development and Testing.
17/11/2025
মার্কেটিং এর ১০ টি রুলস ছাড়া সেল সম্ভব না..
06/11/2025
HIRING HIRING HIRING
Turn your code into apps that power millions worldwide 🌍
💼 Role: Android Developer (Remote)
⏰ 40 hrs/week | Long-term
🌎 US | Canada | Brazil | Europe | Mexico | South America | UK
💰 Rate: $80–$84/hr
🧠 Core Skills: Android | Java
⚙️ Bonus: Jetpack
✨ If you’re passionate about innovation, growth, and creating real-world impact — this is your moment.
Drop Your CV: [email protected]
04/11/2025
আপনি যখনি একটি ই-কমার্স সিস্টেম বানানোর পরিকল্পনা করেন,
তখন আপনাদের সামনে একটা প্রশ্ন আসা উচিত আমরা কি পুরনো সিস্টেমে যাবো, না এমন কিছু বানাবো যা আগামী ৫-১০ + বছর টিকবে?
বর্তমানে অনেক অপশন আছে WordPress, Shopify, এমনকি কিছু রেডিমেড SaaS সলিউশনও। কিন্তু আমরা দেখলাম, এগুলো দিয়ে আপনি একটা অনলাইন বিজনেস খুলতে পারবেন, কিন্তু ভবিষ্যতে সেটাকে নিজের মতো করে বড় করতে পারবেন না। আপনি চাইলেও কোড বা ফিচার কাস্টমাইজ করতে পারবেন না মানে সীমাবদ্ধতা।
তখন আমরা ভাবলাম, আমাদের এমন একটা সলিউশন দরকার যেটা হবে নিজের মতো করে তৈরি, স্কেলযোগ্য, দ্রুত, নিরাপদ, আর সম্পূর্ণ কাস্টমাইজেবল। তাই আমরা আমাদের ক্লাইন্টদের বেছে নিতে বলি তিনটা আধুনিক প্রযুক্তি: Next.js, React, আর Laravel.
Next.js আপনার ওয়েবসাইটকে করে তোলে বিদ্যুতের মতো দ্রুত, React দেয় স্মুথ ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এমন ইন্টারফেস যা দেখতে যেমন সুন্দর, ব্যবহারেও তেমন সহজ, আর Laravel ব্যাকএন্ডে তৈরি করে শক্তিশালী ও নিরাপদ ডেটা স্ট্রাকচার, যেটা বড় পরিসরে ব্যবসা চালানোর জন্য পারফেক্ট।
এগুলোর মিলেই তৈরি হয় আপনার আধুনিক ই-কমার্স সিস্টেম, যেখানে পারফরম্যান্স, সিকিউরিটি আর ফ্লেক্সিবিলিটি সবকিছু একসাথে আছে।
আমাদের লক্ষ্য ছিল শুধু একটা ওয়েবসাইট বা সফটওয়ার না, বরং এমন একটা সিস্টেম তৈরি করা যা আপনার ব্যবসাকে প্রতিদিন আরও শক্তিশালী করে তোলে।”
কেন Next.js?
এটি React-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি, কিন্তু আরও দ্রুত ও SEO ফ্রেন্ডলি। সার্ভার-সাইড রেন্ডারিং করে, ফলে পেজ লোড টাইম খুব কম। গুগলে সহজে র্যাঙ্ক পায়, মানে ট্রাফিক বাড়ে।
কেন React?
ইন্টারফেস (UI) খুবই ফাস্ট ও ইন্টারঅ্যাকটিভ। ইউজাররা ওয়েবসাইটে সময় কাটাতে ভালোবাসে কারণ সবকিছু স্মুথ। ভবিষ্যতে অ্যাপ বানাতেও একই কোড রিইউজ করা যায় (React Native)।
কেন Laravel?
এটি একটি শক্তিশালী ও সিকিউর PHP ফ্রেমওয়ার্ক। এতে আছে বিল্ট-ইন সিকিউরিটি, ইউজার রোল, অথেন্টিকেশন সিস্টেম। বড় পরিসরের ব্যবসার জন্য সহজে মডিউলার সিস্টেম তৈরি করা যায়। ডেটা ও পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট খুবই সহজ।
আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তি শুধু কোড না, এটা ব্যবসার ভবিষ্যৎ গড়ে দেয়। আমাদের সিস্টেমে আপনি পাবেন এমন এক অভিজ্ঞতা, যেখানে আপনার ওয়েবসাইট শুধু অনলাইন থাকবে না, বরং প্রতিদিন উন্নত হবে। চলুন, একসাথে তৈরি করি আপনার ব্যবসার ভবিষ্যৎ।
19/10/2025
দেশের সেরা টেক কমিউনিটি লিডারদের মিলন মেলা ।
Word Camp Dhaka.সবার জন্য শুভকামনা রইলো । এবং চমৎকার সকল গেস্ট দের প্রতি রইলো অসংখ্য ভালোবাসা ।
সেই সাথে আয়োজকদের জানাই অংখ্য ধন্যবাদ ।
19/10/2025
An agreement was signed to develop LMS for the IT Bridge Learning Center.
Our Honorable client is 𝗧𝗶𝘁𝘂 𝗦𝗶𝗿, 𝗖𝗘𝗢 𝗼𝗳 𝗜𝗧𝗯𝗿𝗲𝗲𝘇𝗲
With us is our 𝗖𝗵𝗶𝗲𝗳 𝗧𝗲𝗰𝗵𝗻𝗼𝗹𝗼𝗴𝘆 𝗢𝗳𝗳𝗶𝗰𝗲𝗿, 𝗠𝗱 𝗔𝘇𝗶𝘇𝘂𝗹 𝗛𝗮𝗾𝘂𝗲.
16/01/2025
আমাদের থিমজোন টেকনোলজি অনেক দিন যাবৎ ডিজিটাল মার্কেটিং এর সার্ভিস দিয়ে আসছে টেকবিডি সলিউশন কে ।
টেকবিডি সলিউশন বাংলাদেশের জায়ান্ট কোম্পানির মধ্যে একটি। যারা সরাসরি চায়না থেকে নিজস্ব প্রোডাক্ট আমদানী করে সারা বাংলাদেশে ইন্টারনেস্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের কাজে বিক্রি করে থাকে ।
চট্টগ্রামের আইসিটি মেলায় টেকবিডি সলিউশনের স্টল ভিজিট করেছে থিমজোন টেকনোলজি টিম মেম্বাররা ।
16/11/2024
ব্যবসা কিংবা দোকান, অনলাইনে যদি আপনি আপনার ব্যবসার প্রচার না করেন তাহলে আপনি অনেক পিছিয়ে আছেন।
বর্তমান সময় অনলাইনের রাজত্ব। অনলাইনে প্রোমোশন করুন আপনার প্রোডাক্টের সেল বাড়ান দ্বিগুণ।
আপনার ব্যবসার অনলাইন মার্কেটিং এর সকল পরামর্শ এবং সেরা মানের ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস পেতে আজই যোগাযোগ করুন অথবা ফেসবুক পেজে ইনবক্স করুন।
আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর সার্ভিস সমূহঃ
✅সোশ্যাল মিডিয়া সার্ভিসঃ
➡ প্রোফেশনাল বিজনেস পেজ সেট-আপ
➡ পেইজ অটো মেসেজ সেটআপ
➡ অ্যাড ম্যানেজার সেটআপ
➡ প্রোডাক্ট বুস্টিং সার্ভিস
➡ পেজ লাইক (প্রমোশন)
➡ প্রোফেশনাল ইউনিক লোগো ও ব্যানার
➡ প্রোডাক্ট ইমেজ এর ভিডিও
➡ প্রোফেশনাল প্রোডাক্ট কন্টেন্ট রাইটিং
➡ প্রোফেশনাল প্রোডাক্ট ভিডিও এডিটিং
➡ গ্রাফিক্স ডিজাইন
✅সার্চ ইজ্ঞিন ( SEO) সার্ভিসঃ
➡ অনপেইজ এসইও
➡ অফপেইজ এসইও
➡ কিওয়ার্ড রিসার্চ
➡ ওয়েব সাইট ভিজিটর
✅ গুগল এড ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস
✔️আমাদের সর্বাধিক প্রচেষ্টা হচ্ছে সেলস জেনারেট করে আপনার ব্যবসার উন্নতি করা।
ব্যবসা কিংবা দোকান, অনলাইনে যদি আপনি আপনার ব্যবসার প্রচার না করেন তাহলে আপনি অনেক পিছিয়ে আছেন।
বর্তমান সময় অনলাইনের রাজত্ব। অনলাইনে প্রোমোশন করুন আপনার প্রোডাক্টের সেল বাড়ান দ্বিগুণ।
আপনার ব্যবসার অনলাইন মার্কেটিং এর সকল পরামর্শ এবং সেরা মানের ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস পেতে আজই যোগাযোগ করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজ করুন।
আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং এর সার্ভিস সমূহঃ
✅সোশ্যাল মিডিয়া সার্ভিসঃ
➡ প্রোফেশনাল বিজনেস পেজ সেট-আপ
➡ পেইজ অটো মেসেজ সেটআপ
➡ অ্যাড ম্যানেজার সেটআপ
➡ প্রোডাক্ট বুস্টিং সার্ভিস
➡ পেজ লাইক (প্রমোশন)
➡ প্রোফেশনাল ইউনিক লোগো ও ব্যানার
➡ প্রোডাক্ট ইমেজ এর ভিডিও
➡ প্রোফেশনাল প্রোডাক্ট কন্টেন্ট রাইটিং
➡ প্রোফেশনাল প্রোডাক্ট ভিডিও এডিটিং
➡ গ্রাফিক্স ডিজাইন
✅সার্চ ইজ্ঞিন ( SEO) সার্ভিসঃ
➡ অনপেইজ এসইও
➡ অফপেইজ এসইও
➡ কিওয়ার্ড রিসার্চ
➡ ওয়েব সাইট ভিজিটর
✅ গুগল এড ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস
✔️আমাদের সর্বাধিক প্রচেষ্টা হচ্ছে সেলস জেনারেট করে আপনার ব্যবসার উন্নতি করা।
12/11/2024
Project By Banking Software ❤️
11/11/2024
গুগল অ্যাডস কি? গুগল অ্যাডস কিভাবে কাজ করে?
গতানুগতিক অফলাইন মার্কেটিং এর থেকে অনলাইন মার্কেটিং অনেক বেশি কার্যকর। যে পরিমাণ অর্থ আমরা অফলাইন মার্কেটিং এ বিনিয়োগ করি সেই পরিমাণ অর্থ দিয়ে অনলাইনে তার থেকে বেশি সফলতা পাওয়া সম্ভব।
গুগল অ্যাডস শুরু থেকেই অনলাইন মার্কেটিং জগতে রাজত্ব করে আসছে। এর ব্যবহার করে আমরা আমাদের বিজনেসের সঠিক মার্কেটিং করতে পারি। আজকের লেখায় গুগল অ্যাডস কি, কীভাবে কাজ করে এবং এর সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।
গুগল অ্যাডস কি?
গুগল অ্যালফাবেট কর্পোরেশনের একটি প্রতিষ্ঠান। এটি বিশ্বের সব থেকে বড় সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট। গুগল তার মূল কোম্পানির আন্ডারে ওয়েবসাইট নির্মাতা বা বিজনেস মালিকের জন্য একটি আয় বৃদ্ধি করার একটি ইকো সিস্টেম তৈরি করেছে। গুগল অ্যাডস তাদের ইকো সিস্টেমের মধ্যে অন্যতম একটি মাধ্যম।
মূলত গুগল অ্যাডস হলো একটি বিজ্ঞাপন সংস্থা। ওয়েবসাইট বা বিজনেস মালিকগণ ইন্টারনেটে অ্যাড দেওয়ার জন্য এই মাধ্যম ব্যবহার করে। গুগল অ্যাডস অ্যাডসেন্সের সাথে মিলিত হয়ে কাজ করে। অর্থাৎ অ্যাডসেন্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে গুগল যে অ্যাড দেখায় তার বুকিং নেয় গুগল অ্যাডস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।
অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য গুগল অ্যাডস এর বিকল্প তেমন ভালো আর কোন প্রতিষ্ঠান নেই। কারণ বিশ্বের মোট ইন্টারনেট ইউজারের ৯০% গুগলের দখলে। অর্থাৎ এমন কোন ইউজার পাওয়া যাবে না যে গুগল বা এর কোন সার্ভিস প্রতিদিন ব্যবহার করে না। মূলত গুগল তাদের অ্যাড দেখানোর জন্য ইউটিউব, গুগল সার্চ এবং অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের ওয়েবসাইটকে ব্যবহার করে।
অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য এর থেকে বড় অডিয়েন্স আর কোথাও পাওয়া যায় না। তাছাড়া এখানে অ্যাড দিলে তা সহজেই টার্গেটেড কাস্টমারের কাছে পৌঁছায়। গুগল অ্যাডস অ্যালফাবেট কোম্পানির আয়ের সব থেকে বড় মাধ্যম। গত বছর গুগল তাদের গুগল অ্যাডস প্রোগ্রাম থেকে ২২৪.৪৭ বিলিয়ন ইউএস ডলার মুনাফা অর্জন করেছে।
মোটকথা, গুগল অ্যাডস গুগলের একটি অ্যাডভার্টাইজমেন্ট সার্ভিস। গুগল তাদের কাস্টমারদের থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়ে ইন্টারনেটে তাদের প্লাটফর্মগুলোতে উক্ত বিজনেস বা প্রোডাক্ট সম্পর্কে মার্কেটিং করার সুযোগ তৈরি করে। অ্যাড জমা নেওয়া থেকে শুরু করে যত ধরনের প্রোসেসিং করতে হয় তা সব কিছু গুগল অ্যাডস প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা হয়।
গুগল অ্যাডস কিভাবে কাজ করে?
গুগল অ্যাডস একটি PPC (Pay Per Click) অ্যাডভারটাইজিং প্লাটফর্ম। এখানে অ্যাড দেওয়া হয় প্রস্তাবিত মূল্য বা বিড (bid) সিস্টেমে। অর্থাৎ আপনি যখন কোনো অ্যাড সাবমিট করবেন তখন উক্ত অ্যাডে প্রতি ক্লিকের জন্য আপনি সর্বোচ্চ কত পরিমাণ খরচ করবেন তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। আপনার বিড অ্যামাউন্ট যত বেশি হবে আপনার অ্যাড তত ভালো পজিশনে দেখানো হবে।
গুগল অ্যাডসে বিড প্রক্রিয়া কাজ করে যথাক্রমে CPC (Cost Per Click), CPM (Cost Per Mille), CPE (Click Per Engagement) সিস্টেমে। এখানে-
1. CPC (Cost Per Click): আপনার সাবমিট করা অ্যাডে প্রতি ক্লিকে আপনি কি পরিমাণ অর্থ খরচ করবেন তা CPC অপশনের মাধ্যমে ম্যানেজ করা হয়। অর্থাৎ আপনি প্রতিটা অ্যাডে ক্লিক পড়ার উপর নির্ভর করে বিড করলে সেখানে যত ক্লিক পরবে শুধু তার টাকা দিতে হবে। অ্যাডে যদি কোন ক্লিক না পরে তাহলে টাকা কেটে নেওয়া হবে না।
2. CPM (Cost Per Mille): প্রতি এক হাজার ইম্প্রেশন এর উপরে যদি অর্থ প্রদান করতে চান তাহলে CPM অপশন ইউজ করতে হবে। এখানে আপনার অ্যাড এক হাজার ইম্প্রেশন পেলে তখন আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ যা আপনি বিড হিসেবে দিয়েছেন তা কেটে নেওয়া হবে।
3. CPE (Click Per Engagement): আমাদের অ্যাড দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো আমাদের প্রোডাক্ট বা বিজনেসের মার্কেটিং করা এবং সম্ভাব্য কাস্টমারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো। এতে একাধারে যেমন প্রোমোশন হবে তেমনি পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি হবে। CPE অপশন ইউজ করলে ভিজিটরের অ্যাডে ক্লিক করার পর নির্দিষ্ট কাজ করার ফলে যে অর্থ খরচ হবে।
অ্যাড তৈরি করার পর আমাদের প্রথম কাজ থাকে অ্যাড সেটিং করে তারপর ক্যাম্পেইন প্রস্তুত করা। অর্থাৎ আপনার অ্যাড তৈরি করার পর তা গুগল তাদের প্লাটফর্মে কীভাবে প্রদর্শন করাবে তা নির্ধারণ করে দেওয়া। যদিও গুগল কনটেন্টের উপর নির্ভর করে রিলেভেন্ট অ্যাড দেখায় তবুও অ্যাড প্রস্তুত করার সময় তাদের কিছু বিষয় নির্ধারণ করে দিলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
তো গুগল অ্যাডস সর্বমোট সাত প্রকারের অ্যাড ক্যাম্পেইন অফার করে। নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে সেগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো।
1. Search Ads: গুগল সার্চ করার সময় রেজাল্ট পেজে যে ধরনের অ্যাড দেখে থাকি সেগুলোই মূলত সার্চ অ্যাড।
2. Display Ads: ডিসপ্লে অ্যাড গুলো তৈরি করা হয় ইমেজ ব্যবহার করে। এই ধরনের অ্যাডগুলো ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করার জন্য সব থেকে বেশি উপযুক্ত।
3. Video Ads: ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় প্রতিবার যে ৬ থেকে ১৫ সেকেন্ডের অ্যাড আসে সেগুলোই গুগল অ্যাডস এর ভিডিও অ্যাড।
4. Shopping Campaign: এই ধরনের অ্যাড গুলো গুগল শপিং ট্যাব এবং সাধারণ গুগল সার্চ পেজে প্রদর্শিত হয়।
5. App Campaign: অ্যাপ অ্যাড গুলো নির্দিষ্ট অ্যাপ থেকে তথ্য নিয়ে তা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করে।
6. Smart Campaign: এই ক্যাম্পেইনে গুগল নিজে নির্ধারণ করে আপনার অ্যাড কোন মাধ্যমে সব থেকে বেশি মানাবে। অর্থাৎ তারা অ্যাড এনালাইজ করে তা সার্চ অ্যাড না ডিসপ্লে অ্যাড অথবা ভিডিও অ্যাড হিসেবে বেশি কার্যকর হবে তা নির্ধারণ করে।
7. Performance Max: গুগল অ্যাডস এর সকল ধরনের ক্যাম্পেইন পারফর্মেন্স মাক্স অপশনের মাধ্যমে একটি ক্যাম্পেইন দ্বারা অ্যাক্সেস করা যায়।
গুগল অ্যাডসের সুবিধা কি?
গুগল অ্যাডস ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা কি কি সুবিধা পেতে পারি তা নিচে বর্ণনা করা হলো।
1. গুগল অ্যাডস ব্যবহার করে ROI (Maximize Return on Investment) নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
2. গুগল অ্যাডস ব্যবহার করে আমাদের পণ্য বা সার্ভিস সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো যায়।
3. অনলাইনে একই সাথে অনেক গুলো সম্ভাব্য কাস্টমারের কাছে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
4. গুগলের অগণিত ভিজিটর থাকায় এর অ্যাডস সার্ভিস ব্যবহার করলে বেশি অ্যাড রিচ পাওয়া যায়।
5. এসইও এর থেকে বেশি দ্রুত ভিজিটর বৃদ্ধি করা যায়।
6. প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের পজিটিভ সচেতনতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করা যায়।
7. নিজস্ব অ্যাড ক্যাম্পেইন মেইন্টেইন করা যায়।
8. কাস্টমারের সাথে সবসময় কানেক্টেড থেকে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন করা যায়।
9. কম্পিটিটর দের থেকে এগিয়ে যাওয়া যায়।
10. অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য গুগল অ্যাডস একটি আদর্শ জায়গা। গুগলের এই সার্ভিস সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে সহজেই অল্প খরচে বেশি পরিমাণ ভিজিটর এবং সেল পাওয়া সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216