Rashed Social Agency
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rashed Social Agency, Marketing Agency, Gulsan 1, Dhaka.
আসসালামু আলাইকুম,
প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ সেটআপ এন্ড ক্রিয়েট। লাইক, কমেন্টস, ফলোয়ার, ভিউস, ওয়াচ টাইম, এবং সব ধরনের প্রো এপস নিতে এখনই অর্ডার করুন আমাদের ইনবক্সে বা whatsapp নাম্বারে 01850-610979
27/01/2025
🔥 Canva Pro নিন, তারপর টাকা দিন 🔥
নিতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করুন:
WhatsApp- 01868444817
Canva Pro কেনার সাথে পাচ্ছেন:
✅ সকল প্রিমিয়াম ফিচার আনলকড
✅ সোশ্যাল মিডিয়াতে ফটো শিডিউল করার সুবিধা
✅ অরিজিনাল একাউন্ট, কোন ক্র্যাক বা হ্যাকড একাউন্ট নয়
✅ হাই রেজুলেশন ও আনলিমিটেড ডাউনলোড
✅ প্রিমিয়াম ফন্ট, গ্রাফিকস, ভিডিও, এনিমেশন, টেমপ্লেট এবং কনটেন্ট
✅ রিসাইজ ডিজাইন
✅ প্রিমিয়াম ভিডিও
✅ ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ (এক ক্লিকে যেকোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে পারবেন)
✅ ট্রান্সপারেন্ট ইমেজ
✅ ১০০ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ
ব্যবহারযোগ্য: মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার উভয়েই
31/05/2022
Yes❤️
04/05/2022
#ফ্রিল্যান্সার ডট কমঃ ফ্রিল্যান্সার ডট কম এ পাওয়া যায় কাজভিত্তিক ও ঘন্টাভিত্তিক – উভয় ধরনের কাজই। বিশাল সংখ্যার কাজ ও ফ্রিল্যান্সার নিয়ে গঠিত এই সাইটটি। পেপাল, স্ক্রিল, পেওনিয়ার ও ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে তোলা যাবে ফ্রিল্যান্সার ডট কম এ অর্জিত অর্থ।❤️❤️
28/04/2022
#আপওয়ার্কঃ কাজভিত্তিক ও ঘন্টাভিত্তিক পেমেন্ট – উভয় ধরনের কাজই পাওয়া যায় আপওয়ার্কে। আপওয়ার্কে ফ্রিল্যান্সার যিনি খুঁজছেন, তিনি কাজ পোস্ট করেন। এরপর ফ্রিল্যান্সারগণ পোস্ট করা কাজের জন্য রিকুয়েস্ট পাঠান। এরপর উক্ত বায়ার তার পছন্দের ফ্রিল্যান্সার বেছে নেন। আপওয়ার্ক থেকে টাকা তোলা যাবে পেপাল, পেওনিয়ার এবং ব্যাংক ট্র্যান্সফার এর মাধ্যমে।❤️
26/04/2022
অনলাইনে #ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করার ওয়েবসাইট এর সংখ্যা অসংখ্য। তবে এতোসব ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটের মধ্যে কিছু ওয়েবসাইট অন্যগুলো থেকে ফ্রিল্যান্সার খোঁজার ও ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রে অধিক কার্যকর বলে প্রমাণিত।
#ফাইভারঃ #৫ডলার থেকে শুরু করে বিশাল অংকের ফ্রিল্যান্সিং গিগ ও পাওয়া যায় ফাইভারে। মূলত #কনটেন্ট রাইটিং, #গ্রাফিক্স বা #লোগো ডিজাইন, প্রভৃতি ক্যাটাগরির ফ্রিল্যান্সিং কাজ ফাইভারে বেশ জনপ্রিয়। ফাইভারে ফ্রিল্যান্সারগণ #গিগ পোস্ট করে ও #বায়াররা তাদের পছন্দের ফ্রিল্যান্সারকে #হায়ার করতে পারেন। ফাইভারে পেমেন্ট হয় কাজভিত্তিক। #পেপাল, #পেওনিয়ার এবং #ব্যাংক #ট্র্যান্সফার এর মাধ্যমে ফাইভার থেকে অর্জিত অর্থ তোলা যায়❤️❤️
18/04/2022
ফ্রিল্যান্সিং-এ বিশ্ব র্যাংকিং এ দ্বিতীয় স্থানে আছে "বাংলাদেশ"😍😍
★বর্তমান ৩০০ মিলিয়েন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সরা💰
সেটা বাংলাদেশ সরকার ২০২৫ এর
মধ্যে ১০০০ মিলিয়ন ডলার হবে বলে মনে করেন।
তাই আজই বেকারত্ব জীবনকে বিদায় জানিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন, "চাকরি নয় ফ্রীল্যান্সার হও"
আয় করুন ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে হাজার হাজার টাকা।🌐
ছাত্র থেকে শিক্ষক সবাই ঝুঁকছে ফ্রিল্যান্সিং পেশায়
এই মুক্তপেশাকে নিজের ক্যারিয়ার এন্ড স্কিল ডেভেলপের মধ্যে দিয়ে আপনিও হতে পারেন একজন টপ ফ্রীল্যান্সার💥
ইনশাআল্লাহ 😊
কিছুদিনের মধ্যে আমরা প্রথম স্থান দখল করব👍❤️
17/04/2022
Try try and try❤️
08/04/2022
08/04/2022
তিন বেকারের ৮২০ কোটি টাকার কোম্পানী পাঠাও প্রতিষ্ঠার গল্প!
পাঠাও বাংলাদেশি পরিবহন ও রাইড-শেয়ারিং সেবাদানকারী একটি কোম্পানি। পাঠাও রাইড শেয়ারিং সেবার পাশাপাশি ই-বাণিজ্য, কুরিয়ার ও খাদ্য সরবরাহ সেবাও দিয়ে যাচ্ছে। পাঠাও বর্তমানে বাংলাদেশের বাইরে নেপালেও তাদের কার্য’ক্রম পরিচালনা করছে। ফাহিম সালেহ, হুসেন ইলিয়াস এবং শিফাত আদনান কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন।
কিছু করতে হবে এমন ভাবনা হতে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দুই বন্ধু হুসেইন মো. ইলিয়াস ও সিফাত আদনান ৩টি বাই সাইকেল নিয়ে নেমে পড়েন পণ্য ডেলিভারির কাজ করতে। কার্যক্রম শুরু হলো ‘পাঠাও’ নামে। কিছুটা সফলতা পাওয়ার পর ডেলিভারির বাহনে আসে কয়েকটি মোটর সাইকেল। ৩ বন্ধু চিন্তা করতে লাগলেন এই বাহন, আরও কী কী কাজে লাগানো যায়। আর এমন ভাবনা হতেই বাইকগুলোতে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়।
এরপর মাত্র ৫টি মোটরবাইক ও ৩০ জন মানুষ নিয়ে অফিশিয়ালি যাত্রা শুরু করেছিল পাঠাও। শুরুতে তাদের কার্যক্রম শুধু গুরুত্ব-পূর্ণ পণ্যসামগ্রী বা পার্সেল যথাস্থানে পৌঁছে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ২০১৬ সালে চালু হয় পাঠাও’য়ের অফিশিয়াল অ্যাপ। এখন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বহু গ্রাহক পাঠাও ব্যবহার করছেন। ‘রাইড শেয়ারিং’–এর মাধ্যমে মানুষের সময় বাঁচানোর পাশাপাশি আয় করার একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেয়েছে পাঠাও ফুড, পাঠাও পার্সেল, পাঠাও কার। শহরের মানুষের জীবনযাত্রায়ও বড় প্রভাব ফেলেছে এই অ্যাপ।
ইন্দোনেশিয়া-ভিত্তিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম প্রতিষ্ঠান গো-জেকসহ বিভিন্ন দেশের কয়েকটি কোম্পানি হতে দ্বিতীয় রাউন্ডের বিনিয়োগ শেষে পাঠাও-এর অর্থমূল্য ৮২০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গো-জেক ছাড়া দ্বিতীয় রাউন্ডে বিনিয়োগ-কারী কোম্পানিগুলো হলো, ওপেনস্পেস ভেনচারস, ওসাইরিস গ্রুপ এবং ব্যাটারি রোড ডিজিটাল হোল্ডিংস।
তবে এই বিনিয়োগের পরিমাণ কতো তা প্রকাশ করা হয়নি। যদিও শোনা গেছে, পাঠাও অন্তত ২৫০ কোটি টাকা ফান্ডিং আশা করেছে। বিনিয়োগের পর কোম্পানি স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, পাঠাও-এর মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮২০ কোটি টাকা।
পাঠাও-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুসেইন মো. ইলিয়াস বলেছেন, “বিনিয়োগের টাকা ব্যবহার করে তারা আরও শহরগুলোতে রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও পাঠাও-পে অনলাইন পেমেন্ট সুবিধা চালু করবেন। পাঠাওতে সিরিজ-এ ফান্ডিং করার জন্য যে সকল আন্তর্জাতিক কোম্পানির কাছে পাঠাও আবেদন করেছিল তার মধ্যে রাইড শেয়ারিং জায়ান্ট গো-জেক অন্যতম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1217