AOne Tea

AOne Tea

Share

Make it Refresh

🌿 🌿বাঙালির কাছে চা কেবল চা-ই নয়। এই দেশের মানুষের কাছে চা একটি আবেগ, এটি তাদের জীবনেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।

🌿🌿শীতের সকালে কুয়াশার ফাঁকে আসা রোদের ওম নিতে নিতে, বিকেলে বন্ধুদের সাথে জমে ওঠা আড্ডাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে, কিংবা সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে সারাদিনের সব ক্লান্তি এক নিমিষে দূর করে দিয়ে চাঙ্গা হয়ে উঠতে চা-ই যেন বাঙালির দৈনন্দিন রোমান্টিসিজমের শেষ কথা।

🌿🌿আমার কাছে চা যেন এক পেয়ালা ভরা স্বপ্ন, যার প্রতি চুমুকেই থাকে আরোগ্যতার গল্প।

21/02/2022

✅কোন টা ভালো ব্যাক টি নাকি গ্রিন টি⁉️

গুনাগুন ও স্বাদের পার্থক্য রয়েছে,
🟥Caffeine
🟥গ্রিন টি তে Caffeine এর পরিমান কম আর সাধারণ চাতে ক্যাফেইন এর পরিমান বেশি থাকে।

🟢Antioxidant❗
🟢 সাধারণ চায়ে Antioxidant পরিমান কম থাকে কিন্তু গ্রিন টি তে খুব ভালো পরিমানে এন্টি অক্সিডেন্ট
🟢গ্রিন টি রয়েছে যার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি.... বর্তমানে গ্রীন টি বিশ্বব্যাপী অনেক জনপ্রিয়তা পেয়েছে কারণ স্বাস্থের উপর এর অনেক উপকারী ভুমিকা রয়েছে...

১) গ্রিন টি ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমায়... এতে উপস্থিত এন্টি অক্সিডেন্ট ভিটামিন সি থেকে ১০০ গুন এবং Vitamin E -থেকে ২৪ গুনে বেশি কার্যকরী যা শরীরের কোষ গুলো কে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে বাঁচায় বলে বিশ্বাস করা হয়.....
২) গ্রিন টি রক্তের কলেস্টেরল এর মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ এবং স্ট্রোক এর ঝুঁকি কমায়...
৩)গ্রিন টি এর এন্টি অক্সিডেন্ট বয়সের সাথে সাথে আপনার চামড়ার কুঁচকে যাওয়াকে প্রতিরোধ করে এবং আপনার বয়স কে ধরে রাখতে সহায়তা করে....
৪) গ্রিন টি শরীরের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে এবং মেটাবলিজম এর হার কে বাড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে....
৫) এটি বয়সকালে আলজেমিয়ার এবং পারকিনসন রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে...
৬)গ্রিন টি দাতের ব্যাকটেরিয়া মেরে দাতের সুস্থতায় কাজ করে...
৭) গ্রিনটি ইনসুলিন এর কার্যকারিতা বাড়িয়ে Blood sugar level কে কমিয়ে বহুমূত্র রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে....
৮) সর্বোপরি আপনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং আয়ু বাড়াতে ও গ্রিন টি সাহায্য করে।

✅তাই শুধু ওজন কমানোর জন্য নয় সুস্থ থাকতে প্রতিদিন গ্রিন টি পান করুন।

21/02/2022
14/02/2022

🔺 মসলা চায়ের ইতিহাস।
🔺স্বাদ ও সুস্থের সুন্দর সংমিশ্রণ।
🔺৫০০০হাজার বছর আগের মসলা পানীয় ও আমাদের মসলা চা নতুন রুপমাত্র।

🔰সময়, পরিবেশ পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমারদের শরীরিক গঠন সৃষ্টির আদি থেকে যেমন ছিল তেমন আছে এবং থাকবে।এটা সৃষ্টির এক রহস্য।
🔰ইতিহাসবিদের মতে ৫০০০বছর আগে মানুষ সুস্থ থাকার জন্য ভিন্নন মসলা দিয়ে ফুটানো পানি ব্যবহার করত।সময়ের পরিবর্তনে তা এখন মসলা চায়ে রুপনিয়েছে।
🔰১৬৫০সালে চীনের চায়ের উৎপাদন শুরু হয়।
🔰১৮৫৫সালে ব্রিটিশরা সিলেটে চায়ের দেশীয় জাত খুজে পায়।
🔰১৮৫৭সালে সিলেটের মালিনীছড়ায় চায়ের বানিজ্যিক আবাদ শুরু হয়।
🔰১৯০০ দশকের শুরুর দিকে ভারতে প্রথম চায়ের সাথে মসলা যুক্ত করার প্রচলন শুরু হয়।

‼️ অতীতে মসলা পানীয়আমাদের সুস্থ রেখেছে এখন মসলা চা আমাদের সুস্থ রাখবে ‼️

07/02/2022

🌿🌿তুলসি চা

ঠান্ডা-কাশি লাগলে তুলসি পাতা বা তুলসির রস মধু মিশিয়েও খাওয়াতেন দাদি নানিরা দুদিনেই ঠান্ডা-কাশি ভালো হয়ে যেত।
এমন কেউ নেই যে ছোটবেলা ঠান্ডা-কাশি লাগলে তুলসী আদা, মধু খাওয়ানো হয় নি।
ঔষধি গুণের জন্য ভারতীয় উপমহাদেশে সমাদৃত তুলসি পাতা। আয়ুর্বেদে বিভিন্ন রোগের প্রতিকার হিসেবে একে ব্যবহার করা হয়। তুলসিতে আছে এমন অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কিনা শরীর সুস্থ রাখতে কাজে আসে। শুকনো, টাটকা বা গুঁড়ো- সব ধরণের তুলসি পাতাই স্বাস্থ্যের উপকারে আসে।
দৈনিক সবুজ চা পান করাটা খুবই উপকারী আর তা যদি হয় আদা ও তুলশী মেশানো তাহলে তো সোনায় সোহাগা।
আসুন জেনে নেই তুলসি চা চায়ের স্বাস্থ্যগুণ-
🌿 ফুসফুসের সমস্যা দূর করে
ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশিতে তুলসি চায়ের উপকারিতা আমরা সবাই জানি। কিন্তু অ্যাজমা এবং ব্রঙ্কাইটিস উপশমেও তা কাজে আসে। এতে থাকে ইমিউনোমডিউলেটরি (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো) , অ্যান্টিটাসিভ (কাশি কমানো) এবং এক্সপেকটোরান্ট (কফ বের করা) উপাদান। এছাড়া বুকে কফ জমে থাকাও প্রতিরোধ করে তুলশী চা।

🌿 স্ট্রেস কমায়
গবেষণায় অনুযায়ী, শরীরে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে তুলসি চা। এমনকি ডিপ্রেশনের কিছু উপসর্গ কমাতেও এই চা কাজে আসে।তুলসীর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলো নার্ভকে শান্ত করে।

🌿 ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে
সাধারণ দুধ-চিনি দেওয়া চা ব্লাড সুগার বাড়ায়। অন্যদিকে দৈনিক তুলসি চা পান করা হলে শরীরে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট মেটাবলিজম বাড়ে। ফলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে। তুলশী চা বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দারুণ ভূমিকা পালন করে।

🌿 দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
তুলসিতে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল যা মুখের অভ্যন্তরে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও জীবানুর সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। মাউথ ফ্রেসনারের কাজও করে তুলসি চা। এরফলে নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধের সমস্যা দূর করতে সহায়ক হয়।তুলসি চায়ের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়্রা
বৈশিষ্ট্য মুখের জীবাণু দূর করে। এছাড়া তা মাউথ ফ্রেশনারের মতো মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও কাজে আসে।

🌿 আর্থ্রাইটিসের উপশম করে
তুলসিতে থাকা একটি উপাদান, ইউজেনলের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ফলে তা অস্থিসন্ধি ও পেটের ইনফ্লামেশন দূর করে এবং ব্যথা কমায়।

🌿 বয়স রোধ করা
ভিটামিন সি, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও এসেন্সিয়াল অয়েলগুলো চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের হিসেবে কাজ করে যা বয়সজনিত সমস্যাগুলো কমায়। তুলসী পাতাকে যৌবন চিরকাল ধরে রাখার টনিক ও মনে করেন কেউ কেউ।

তাই আপনি আপনার পরিবারকে এই হেলদি রাখতে চাইলে নিয়মিত তুলসি সবুজ চা পান করান।

Photos from AOne Tea's post 07/02/2022

🌼🌼নীল অপরাজিতা চা

🌼🌼ভালোবাসার রং নীল চায়ের রং নীল হলে কি বলা উচিত,,,,,,⁉️⁉️ নীল অপরাজিতা চা
🌼উঃনীল চা( আপনারা অন্য কিছু মনে করেছিলেন)
🌼🌼জী এটা নীল চা বা blue tea আমাদের দেশে বেশি পরিচিত না কিন্তু বিদেশে এ চা সচরাচর সবাই খায়। এর আছে অনেক ঔষধি গুন।
প্রকৃতির এত সুন্দর একটা সৃষ্টি এভাবে নষ্ট হতে দেওয়া যায়। তাই আমার চায়ের রাজ্যে তাকে ও যোগ করে দিলাম।

🌼🌼এই চা’তে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ফাইটোকেমিক্যালস তন্মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো- পলিফেনল, ফ্লাভোনোয়িডস, স্যাপোনিন, ট্যানিন, অ্যান্থোসায়ানিন, অ্যালকালোয়িডস, টারনাটিনস, ইনোসিটল, পেন্টান্যাল ইত্যাদি।

🌼🌼যেহেতু এতে প্রচুর পরিমানে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও ঔষধি গুনাগুনও তাই এই চা খেতে হলে যোগাযোগ করতে হতে আমার সাথে।

🌼🌼স্ট্রেস রিলিফ (Stress Relief) –
সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই নীল চা। সকালে এক কাপ নীল-চা যদি আপনি পান করেন, তবে মানসিক অশান্তি, চঞ্চলতা ও হতাশা থেকে নিমেষেই মিলবে মুক্তি।
স্বাস্থ্যরক্ষার পাশাপাশি নীল অপরাজিতার চা ত্বকের পরিচর্যায়ও ব্যবহৃত হয়।
🌼🌼বলিরেখা দূর করে –
অপরাজিতা ফুলে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, যা অ্যান্টি-গ্লাইসেটিন নামে পরিচিত। এতে থাকা ফ্ল্যাভনয়েড কোলাজেন তৈরি করে ত্বকের ইলাস্টিসিটি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফলে বলিরেখার মতো সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া যায় সহজেই।

07/02/2022

✅গাবা ওলং চা

‼️আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে...৷

✅ওলং চায়ের ইতিহাস।

🌿1987 সালে খাদ্য সংরক্ষণের প্রাকৃতিক উপায়ে একটি প্রকল্পে জাপানি বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা -নিরীক্ষার জন্য চা তৈরি করা হয়েছিল। একটি পরীক্ষার ফলাফল অনুসারে, এটি জানা গেল যে এটি চা পাতা, নাইট্রোজেন-সমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডলে গাঁজন দ্বারা সৃষ্ট অণুর বিচ্ছেদের সময় পূর্বোক্ত অ্যাসিডের অবিশ্বাস্যভাবে উচ্চ ঘনত্ব থাকে।

🌿আবিষ্কারের কিছু সময় পরে, নতুন চা উৎপাদনের রহস্য তাইওয়ানে হাজির হয়, কিছু পরিবর্তন ঘটেছে যা কেবল পানীয়ের সুবাস এবং এর স্বাদ উন্নত করে। জাপানি এবং তাইওয়ানিজ -এর সাথে দুটি সরকারের সেবা দ্বারা এর উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই চায়ের গুরুত্ব জোর দেওয়া হয়েছিল, গাবা চা উৎপাদন প্রযুক্তির উন্নত সাফল্য সারাপৃথিবী ছড়িয়ে পরে।

Photos from AOne Tea's post 05/02/2022

এখন সৌন্দর্যচর্চায় দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে গোলাপজল। ভারতীয় অনেক রান্নায় গোলাপের নানান ব্যবহার দেখা যায়। কিন্তু এবার ওজন কমাতে পান করতে পারেন গোলাপ চা।

🌹 সৌন্দর্য বৃদ্ধি ঃ গোলাপে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং হজমে সহায়ক।
🌹ব্যথানাশক: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় গোলাপের পাপড়ি দিয়ে বানানো চা ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।
🌹ক্ষুধা নিবারক: শুধু গোলাপের পাপড়ি সেদ্ধ করে বানানো চায়ে ক্যাফেইন থাকে না। তাই কফি বা চায়ের বিকল্প হিসেবে এটি পান করা যেতে পারে। এ চা ক্ষুধা নিবারক হিসেবে কাজ করে। ফালে ওজন বৃদ্ধি পায় না।
🌹হজমশক্তিবর্ধক: গোলাপ চা হজমশক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি পাচকতন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করতে সক্ষম। দীর্ঘদিন ধরে গোলাপ চা পাঙ্করেলে কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া সমস্যা দূর হয়।
🌹বিষনাশক: গোলাপ চাকে বিষনাশক বলা হয়। মূত্রনালির সংক্রমণ প্রতিরোধসহ শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করে গোলাপ চা।
🌹রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: গোলাপ চায়ে ভিটামিন সি থাকে। শরীরের সংক্রমণ দূর করতে গোলাপের এই ভিটামিন সি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

Photos from AOne Tea's post 05/02/2022

পাতাতেই যেন জীবন ! জীবনের সকল সুখ দঃখ মিশেথাকে এই পাতায়।

🌱এই হোয়াইট-টি তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় চা গাছের একটি বন্ধকুঁড়ি।
অর্থাৎ যে কুঁড়ি এখনও প্রস্ফুটিত হয়নি। সেই বন্ধ কুঁড়িগুলোকে একটি একটি করে চা গাছ থেকে তুলে প্রক্রিয়াকরণের পরই এই বিশেষ চা তৈরি হয়।

🌱🌱এর মূল রঙটা সবুজ ও হলুদ রঙের মাঝামাঝি। এই চায়ের রঙ পিত-হলুদ বা পিতলের মতো হলুদ।একে হোয়াইট-টি বলার কারণ হলো এর গায়ে সাদা লোম রয়েছে। এই লোম গুলো শুকালে রুপালী রং ধারন করে তাই কেউ কেউএকে বলে বলেন ‘সিলভার নিডল হোয়াইট-টি’ বা রূপার সুঁইয়ের মতো সাদা চা।

🌱🌱‘হোয়াইট-টি’ মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা তারুণ্য বজায় রাখে এবং ক্লান্তি দূর করে মনকে ঝরঝরে করে তোলে। আরো একটি বিশেষ গুণ হলো এই চা ফ্যাট বা চর্বি কমায়।

Want your business to be the top-listed Business in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka
1216