Music Fans
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Music Fans, Digital creator, Dhaka.
12/01/2026
⚠️তাহসান ও রোজার বিচ্ছেদের মূল কারণ অবশেষে সামনে এলো। জীবন নিয়ে দুজনের একদম ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিই তাদের আলাদা করে দিয়েছে। তাহসান চেয়েছিলেন নিরিবিলি ও প্রাইভেট লাইফ, অন্যদিকে রোজা চেয়েছিলেন তার ক্যারিয়ার ও সোশ্যাল মিডিয়া উপস্থিতি উপভোগ করতে।
মাত্র ৪ মাসের প্রেম আর ৬ মাসের দাম্পত্য—বিচ্ছেদের এই গল্পটি আমাদের কিছু কঠিন শিক্ষা দিয়ে যায়:
📍কাউকে পছন্দ হলেই বিয়ে নয়, বরং আপনার আর তার জীবনের লক্ষ্য এক কি না তা আগে নিশ্চিত হোন। একজন শান্ত জীবন চান আর অন্যজন চাকচিক্য—এমন বিপরীত মেরুর মানুষ একসঙ্গে থাকা কঠিন।
📍বিয়ের আগেই একে অপরের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে খোলামেলা কথা বলা উচিত। কে কার জন্য কতটুকু স্যাক্রিফাইস করতে পারবেন, তা শুরুতেই পরিষ্কার থাকা ভালো।
📍বর্তমান যুগে বয়সের ব্যবধান অনেক সময় চিন্তাধারার বড় গ্যাপ তৈরি করে। মেন্টালিটি না মিললে অশান্তি অনিবার্য। তাই সঙ্গীর মানসিকতা বুঝতে সময় নিন।
📍১০ বছর সাথে থাকলেও মানুষকে চেনা কঠিন, সেখানে মাত্র কয়েক মাসে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা বিশাল ঝুঁকি। তাড়াহুড়ো করে বিয়ের সিদ্ধান্ত আপনার জীবনকে বিষিয়ে তুলতে পারে।
মনে রাখবেন ভাগ্যের দোহাই দিয়ে লাভ নেই, ভুল মানুষের সাথে সংসার করার চেয়ে সঠিক সময়ে সর্তক হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
মনের শান্তিই আসল শান্তি! ❤️
আপনার চারপাশের অবিবাহিত বন্ধুদের সাথে লেখাটি শেয়ার করুন, হয়তো কারো জীবন বদলে যেতে পারে একটি সঠিক সিদ্ধান্তে!
12/01/2026
⚠️মিথিলা তার জীবনের দীর্ঘ একটা সময় এই সংসারে ইনভেস্ট করেছেন। মা হওয়ার জার্নি এবং নিজের ক্যারিয়ার একসাথে সামলানো সহজ ছিলো না।
সমাজ মিথিলার 'সেপারেশন' কালীন ভিডিও নিয়ে তাকে বিচার করলেও, তাহসানের 'মেল ইগো' বা তার অসহযোগিতা নিয়ে খুব একটা কথা বলেনি। কিন্তু দিনশেষে মিথিলাও হয়তো তার সিদ্ধান্তের প্রতিদান পেয়েছেন পরবর্তী জীবনে।
তাহসান একজন উচ্চশিক্ষিত এবং মার্জিত মানুষ হিসেবে পরিচিত হলেও, রোজাকে বিয়ের সিদ্ধান্তটি ছিলো অনেকটা আবেগী বা অপরিপক্ক।
একজন ধার্মিক ও ঘরোয়া মানুষ যখন সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর কাউকে (যে কি না ক্যারিয়ার ও খ্যাতির লোভে নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ত্যাগ করে এসেছে- এই কথাটা আপনাদের বলা) জীবনসঙ্গী করেন, তখন সেই সম্পর্কে ফাটল ধরাটা স্বাভাবিক।
তাহসান যদি সত্যিই ধার্মিক হয়ে থাকেন বা চলতে শুরু করে থাকেন, তবে তার উচিত ছিলো সমমনা কাউকে বেছে নেওয়া।
রোজার ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিলো পরিষ্কার—নিজের ক্যারিয়ার আর ফেমের জন্য তাহসানের মতো একজন জনপ্রিয় মানুষকে বেছে নেওয়া।
কিন্তু যে সম্পর্ক শুরু হয় 'ধোঁকা' দিয়ে (নিজের এক্স-বয়ফ্রেন্ডকে ছেড়ে আসা), সেই সম্পর্কের শেষটাও মধুর হয় না। তাহসানের হঠাৎ বদলে যাওয়া বা 'ধার্মিক' হয়ে ওঠা হয়তো রোজার উচ্চাকাঙ্ক্ষার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে।
এখানে প্রত্যেকেই যেন কোনো না কোনোভাবে আগের কাজের প্রতিদান পাচ্ছেন।
📍মিথিলা যা করেছেন, তার ফল হয়তো তার পরের জীবনে এসেছে।
📍রোজা তার এক্স-কে ধোঁকা দিয়ে তাহসানের কাছে এসেছেন, এখন আবার তাহসান তাকে ছাড়ছেন।
📍তাহসান মিথিলাকে যেভাবে একা করেছিলেন, আজ হয়তো তিনিও একইভাবে একাকীত্বের মুখে।
মানুষের বাহ্যিক ইমেজ আর ভেতরের মানুষটা সবসময় এক হয় না। এই সেলিব্রিটি লাইফস্টাইলের আড়ালে নীতি-নৈতিকতার যে অভাব, তা-ই বারবার বিচ্ছেদের রূপ নিচ্ছে।
পৃথিবীটা গোল বলেই হয়তো আজ সবাই নিজ নিজ কাজের হিসেব পাচ্ছে।
11/01/2026
এখন বুজলাম আমাদের রোজিনা ভাবি ও থুক্কু রোজা ভাবির ডেনা কাঁ//টা ড্রেস পরার মানে।। তাহসান খান গান বাজনা, অভিনয় ছেড়ে পহরেজগার হয়ে যাচ্ছে।। বৌয়ের এমন হাত ছা"ড়া ড্রেস কেনো মানবে।। আহারে বেডি মানুষ এমন দিনদার স্বামী পাইয়া ও ঘর করতে পারলিনা।। তবে রোজা ভাবির এক্স বয়ফেরেন্ড আর মিথিলা ভাবীর আজকে ঈদ লাগছে।। রোজা ভাবীর বয়ফেরেন্ড আজকে ডায়লগ দিবে - যে ঠগায় সে ও ঠগে।।
শোনো মাইয়া তোমারে একটা জ্ঞান দেই - বেডাগো সামনে এতো খোলা মেলা চললে ঘর করতে পারবানা।। আজকে তাহসান এর মতো ভালা পোলা গেছে, কাল এর থেকে ভালা পোলা যাইবো।। এতো ডেনা ছাড়া" ড্রেস পইরোনা মাইয়া।। 🤣🤣
11/01/2026
📍তাহসান মিয়ার বিবাহ যেন সেই "দিল্লি কা লাড্ডু"—চাবাইতে গেলেই দাঁত ভাঙিয়া পড়ে!
সংবাদ মিলিয়াছে, রোজা ভাবির সহিত তাঁহার প্রণয়-লীলার বাতি নিভিয়া গিয়াছে।
বঙ্গবাসী অবাক হইয়া ভাবিতেছে, ইনি কি ঘর বাঁধিতে বিবাহ করেন, নাকি বিচ্ছেদের নতুন গান বাঁধিবার প্রেরণা খুঁজিতে বিবাহ করেন?
বেচারা চিরকাল 'চাঁদের আলো' খুঁজিয়া বেড়াইলেন, অথচ তাঁহার কপাল যেন কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যার সহিত চিরস্থায়ী চুক্তিনামা স্বাক্ষর করিয়াছে।
লোকে টিপ্পনী কাটিয়া বলিতেছে—তাহসান সাহেব, বিবাহ করাটা আপনার কর্ম নহে, আপনি বরং বিরহের গানেই মনোনিবেশ করুন; কারণ আপনার ঘর টিকুক আর না টিকুক, গানের ভিউ ঠিকই বাড়িবে।😬
10/01/2026
📍আমি আমার ভাইকে নিয়ে হানিমুনেও যেতে চাই- এরকমই ইচ্ছার কথা জানালো কনটেন্ট ক্রিয়েটর তানিশা।
তাদের আকদের প্রথম রাতেই ঘটলো এক লঙ্কাকাণ্ড! রাত তখন তিনটা, হঠাৎ তানিশার গগনবিদারী চিৎকারে পুরো বাড়ির মানুষের ঘুম হারাম। বাড়ির সবাই আতঙ্কিত হয়ে ছুটে এলেন—কী হলো? কারো কি শরীর খারাপ? নাকি অন্য কোনো বিপদ?
তখন কান্নাজড়িত কণ্ঠে তানিশা যা জানালেন, তা শুনে সবার চোখ চড়কগাছ।
কান্নার কারণ ভাইয়ের জন্য মায়া। তানিশার দাবি, জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি ভাইকে পাশে চান।তানিশার সাফ কথা "ভাইকে ছাড়া আমি কোথাও যাবো না! এমনকি হানিমুনেও আমি আমার ভাইকে সাথে নিয়ে যাবো। "
সাধারণ মানুষ হানিমুনে যায় রোমান্টিক সময় কাটাতে, কিন্তু তানিশার শর্ত হলো—সেখানেও 'ভাই' থাকবেন।
যতক্ষণ না ভাইয়ের বিয়ে হচ্ছে (অর্থাৎ ঘরে ভাতৃবধূ আসছে), ততক্ষণ পর্যন্ত ভাই-ই তানিশার ছায়াসঙ্গী।
এই নাটকের সবচেয়ে টুইস্ট হলো তানিশার স্বামী! সাধারণ কোনো স্বামী হলে হয়তো মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়তেন, কিন্তু তানিশার বর তো রীতিমতো 'বিশাল হৃদয়ের' অধিকারী। তিনি হাসিমুখে মেনে নিয়েছেন যে, হানিমুনেও তার সঙ্গী হবে শ্যালক বাবাজি।
এখন বউ আর শ্যালককে বগলদাবা করে দুনিয়া ঘোরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
অনেকেই বলছেন এটা ভাই-বোনের ভালোবাসার চরম বহিঃপ্রকাশ, আবার কেউ বলছেন—"ভাই, হানিমুনটাকে অন্তত ফ্যামিলি ট্যুর বানাবেন না!" 🤣
তবে যাই বলুন, ভাইয়ের প্রতি এই 'আঠালো' ভালোবাসা দেখে দেশের অনেক ভাই হয়তো এখন মনে মনে ভাবছেন—"ইশ! আমার বোনটাও যদি হানিমুনে আমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এভাবে রাত ৩টায় চিৎকার করতো!"
এখন প্রশ্ন হলো— সমুদ্র সৈকতে স্বামী-স্ত্রীর রোমান্স হবে, নাকি শ্যালক-দুলাভাইয়ের পাবজি খেলা চলবে? এটাকে হানিমুন বলবো নাকি শ্যালক-দুলাভাইয়ের পিকনিক? কলিযুগে এমন 'ত্রিশঙ্কু' হানিমুন এর আগে কেউ দেখছে কি না সন্দেহ! হা হা হা 🤭
10/01/2026
এমন বউ থাকলে ,,,বিশ্বাস নাই 🤣🤣
হ্যা এমন টাই ,,বললেন তানিশা ,,,আপনি জানলে অবাক না হয়ে পারবেন না,,,যে ফুল দিয়ে তানিশা কে ,,,প্রপোস করেছে তার বর,,,,সেই ফুল টা দিয়েই কাঁচা হলুদের ,,,ব্লাউজ ডিজাইন ,,,করছে তানিশা 🥰মানে,,একটা মেয়ে কোন লেভেলের,,, ট্যালেন্টেড হলে এই কাজ করতে ,,,পারে বলেন 😍
এই নিয়ে তানিশার ,,,বর খুব টেনশনে আছে ,,যে কবে না ঘুম থেকে ,,উঠে দেখে তার পরনের লুঙ্গি টা দিয়ে ,,,তানিশা ড্রেস তৈরী করে ,,,পরিধান করে আছে 🤣
তাই তানিশা এমন মজার,,, ক্যাপশন দিয়েছে এমন বউ থাকলে ,,,,বিশ্বাস নাই 🤭🤭
যায় হোক তানিশারি কাঁচা,,, হলুদের ড্রেস টা ,,কিন্তু মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর ,,,হয়েছে সিম্পল এর মধ্যে 😍
゚
10/01/2026
মায়ের সেবা করতে গিয়েই হারাতে হয়েছে নিজের সাজানো সংসার। স্ত্রী-সন্তান তাকে ছেড়ে চলে গেছে, হারিয়েছেন আয়ের একমাত্র উৎস চাকরিটাও। তবুও আরিফুলের চোখে নেই কোনো অভিযোগ, আক্ষেপ। তার কাছে মায়ের বেঁচে থাকাটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন আমার মা-ই-সব, চাকুরীর থেকে বড় আমার মা,আমার মা থাকলেই হইল,আল্লাহ র দুনিয়ার মধ্যে মার সেবা করতে গিয়ে সবাই ছেড়ে চলে গেছে তবু্ও আমার কোন দুঃখ নেই ।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আরিফুল হাসান।
আরিফুল হাসানের জীবনগাথা শুনলে বুকের ভেতরটা কেঁপে ওঠে। এই গল্প কেবল কষ্টের নয়, এটা নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ আর মায়ের প্রতি সন্তানের অটল দায়বদ্ধতার এক জীবন্ত উদাহরণ। মায়ের সেবাই তার একমাত্র ধর্ম সংসার, স্ত্রী ও চাকরি হারিয়েও ভে'ঙে পড়েননি আরিফুল ইসলাম।
গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে আরিফুল নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে আগলে রেখেছেন তার অসুস্থ মা রহিমা খাতুনকে। দুই পা হারানো রহিমা খাতুন আজ পুরোপুরি অন্যের ওপর নির্ভরশীল। চলাফেরা থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া, ওষুধ, গোসল করানো,সবকিছুতেই দরকার একজন মানুষের নিরবচ্ছিন্ন সেবা। আরিফুল সেই সব দায়িত্ব একাই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।
দশ বছর আগে বিধবা রহিমা খাতুন সবজি বিক্রি করে তিন সন্তানকে মানুষ করেছিলেন। অথচ আজ এই দুর্দিনে বড় ও মেজো ছেলে কেউই মায়ের কোন খোঁজ খবর রাখেন না। চিকিৎসার খরচ আর দু বেলা খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে এই ছোট্ট পরিবার। তবুও রান্না, ঘর মোছা, মায়ের সেবা—সবকিছুই হাসিমুখে করে যাচ্ছেন আরিফুল ইসলাম।
এমন সন্তান লাখে নয়, কোটিতে একটা জন্মায়। তিনি যদি জানতেন, তার এই ত্যাগের জন্য আসমানের ফেরেশতারা তার জন্য কত দোয়া করছেন, তাহলে হয়তো নিজের চোখের পানি থামাতে পারতেন না। এমন নেক্কার সন্তানই হোক প্রতিটি ঘরের গর্ব। আরিফুল যা করছে তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। সন্তানের সংখ্যা নয়, সন্তান মানুষ হলে একজন যথেষ্ট। আল্লাহ আপনি সকল সন্তানদের মা বাবা সেবা করার তৌফিক দান করুন, মা ও ছেলের জন্য দোয়া করি তারা যেন ভালো থাকেন।💔😢
10/01/2026
বর্তমানে ভালোই আছে টাঙ্গাইলের আলোচিত প্রেমিক প্রেমিকা দম্পতি লামিছা সোহাগ। সোহাগ বলে এখন পর্যন্ত আমাদের কোন সমস্যা হয়নি। তোমাকে পেয়ে আমার জীবন ধন্য নতুন বছরে বললো লামিসা 👨❤️👨👨❤️👨
যারা সমালোচনা করেছিলেন আবেগ ফুরিয়ে গেলে একে অপরকে ছেড়ে চলে যাবে তাদের সেই স্বপ্ন আজ দুঃস্বপ্ন হতে চলেছে। নতুন সংসারে নিজেকে খুব সুন্দর করে মানিয়ে নিয়েছে লামিছা।
নতুন বছরের ফুল দিয়ে সোহাগকে বরণ করে নিলেন লামিছা এবং লামিছা কে ও সোহাগ ফুল দিয়ে বরণ করে নিলো।এবং বললেন নতুন বলতে কিছু নেই আমার কাছে তোমাকে প্রতিদিনই নতুন মনে হয়।
নতুন বছরে মেয়ে এবং মেয়ের জামাই সোহাগ কে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে উকিল বাবা আনোয়ারের বাড়িতে।
র'ক্তে'র সম্পর্ক না হলেও নিজের বাবার চেয়েও বেশি আদর যত্ন করেন আনোয়ার লামিসা সোহাগ কে।
তাই তারা প্রায় সময় বলে থাকেন এমন বাবা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।আনোয়ার লামিসার দুঃসময় পাশে ছিলেন সুসময় আছেন।
অথচ আপন মা-বাবা আত্মীয়-স্বজন লামিছার কোন খোঁজ খবর রাখে না...😓😓
সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন লামিছা এবং সোহাগ। মৃ'ত্যু'র পূর্ব পর্যন্ত যেন দুজন এভাবেই একই অপরের পাশে থাকতে
পারেন...🤲🤲
10/01/2026
⚠️হাদি ভাই, দেইখা যান—আপনার স্বপ্ন আজ সত্যি হইলো! 😭✊
যেই শান্তা আপুর হাত থিকা একদিন 'নারায়ে তাকবির' বলার কারণে মাইক কাইড়া নিছিলো, আজ সেই আপুর কণ্ঠেই আকাশ-বাতাস কাঁপায়ে আল্লাহু আকবার ধ্বনি বাজলো! কলিজাটা জুড়ায়ে গেল রে ভাই।
এই দৃশ্যটা দেখলে জাবেরের মতো আমাদের হাদি ভাইও আজ খুশিতে সিজদায় পইড়া কানতেন। এই প্রশান্তি দেখার লাইগাই কি তবে এতো র " %ক্ত দেওয়া? এতো অন্ধকার পথ পাড়ি দেওয়া?
সাফল্য এইখানেই—কাউরে থামায়া রাখা যায় না। আল্লাহু আকবার!👆
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
1229