Md Rashidul Islam

Md Rashidul Islam

Share

কৃষি বিষয়ক নতুন প্রযুক্তি , ভ্রমন ও বিনোদন সংক্রান্ত পেজ

24/02/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ
শুভ সকাল
কেমন আছেন সবাই?

আজ মঙ্গলবার
বাংলাঃ ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২
আরবীঃ ০৬ রমজান, ১৪৪৭।
ইংরেজিঃ ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬।

28/01/2026

বীট রুট (Beetroot) পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সবজি। নিয়মিত ও সঠিকভাবে খেলে শরীরের নানা উপকার হয়। নিচে উপকারিতা ও সেবন পদ্ধতি সহজভাবে দেওয়া হলো—

🥕 বীট রুটের উপকারিতা
রক্তস্বল্পতা কমায়
এতে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড থাকায় হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
নাইট্রেটসমৃদ্ধ হওয়ায় রক্তনালী প্রসারিত করে, ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
হার্টের জন্য ভালো
কোলেস্টেরল কমাতে ও হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
লিভার পরিষ্কার রাখে
ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে, লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়।
হজম শক্তি বাড়ায়
ফাইবার বেশি থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি কমায়, খেলোয়াড়দের জন্য উপকারী।
ত্বক ও চুলের উপকারে
ত্বক উজ্জ্বল করে, চুল পড়া কমাতে সহায়ক।

🍽️ বীট রুট সেবন পদ্ধতি
কাঁচা সালাদ হিসেবে
পাতলা করে কেটে লবণ ও লেবু দিয়ে খাওয়া যায়।
রস (জুস) করে
প্রতিদিন ½–১ গ্লাস বীট রুটের রস পান করা ভালো।
👉 গাজর বা আপেলের সঙ্গে মিশালে স্বাদ ও উপকার বাড়ে।
সিদ্ধ করে
হালকা সিদ্ধ করে ভর্তা বা তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়।
ভাজি বা তরকারি
অন্যান্য সবজির সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়।
সুপ হিসেবে
ঠান্ডা বা গরম সুপ বানিয়ে খাওয়া যায়।

⚠️ সেবনে সতর্কতা
অতিরিক্ত খেলে প্রস্রাব বা পায়খানা লালচে হতে পারে (স্বাভাবিক, ক্ষতিকর নয়)।
কিডনিতে পাথরের সমস্যা থাকলে সীমিত পরিমাণে খাওয়া ভালো।
ডায়াবেটিস রোগীরা পরিমিত খাবে।

06/01/2026

শীতের আমেজ চলছে

21/11/2025

Fresh Orange

30/10/2025

Ridabul Arefin

30/10/2025

গম চাষের আধুনিক পদ্ধতি

🔹 ১. জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি

উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযুক্ত।

জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

আগাছামুক্তভাবে ৪–৫ বার চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে।

শেষ চাষে ভালোভাবে লেভেল করে নিতে হবে যাতে বীজ সমানভাবে ছড়ানো যায়।

🔹 ২. আধুনিক জাত নির্বাচন

বাংলাদেশে বর্তমানে উৎপাদনশীল ও রোগ সহনশীল কিছু আধুনিক জাত হলো –

জাতের নাম >মেয়াদ (দিন)> ফলন (টন/হেক্টর)> বৈশিষ্ট্য

বারি গম- ৩০> 105–110> 4.5> পাতাঝরা রোগ সহনশীল
বারি গম- ৩৩> 100–105 >5.0 >তাপ ও রোগ সহনশীল
বারি গম- ৩২ > 102-106> 4.3-5.2 > আগাম ও তাপ সহিষ্ণু

🔹 ৩. বীজের হার ও বপন পদ্ধতি

বীজের হার: প্রতি হেক্টরে ১২০–১৩০ কেজি।

বপনের সময়: নভেম্বরের ৩০ তারিখের মধ্যে।

বপন পদ্ধতি:

লাইন করে বপন করলে পরিচর্যা সহজ হয়।

সারি থেকে সারি দূরত্ব ২০ সেমি।

গভীরতা ৪–৫ সেমি।

🔹 ৪. সার প্রয়োগ

সারের নাম পরিমাণ> (কেজি/হেক্টর) >প্রয়োগ সময়

ইউরিয়া> ২৭০ >অর্ধেক চারা গজানোর পর, বাকি অর্ধেক শীষ গঠনের আগে
টিএসপি >১৮০ >জমি তৈরির সময়
এমওপি >৮০ >জমি তৈরির সময়
জিপসাম >১২০> জমি তৈরির সময়
দস্তা সার >১০ >প্রয়োজনে

🔹 ৫. সেচ ব্যবস্থা

প্রথম সেচ: বপনের ২০–২৫ দিন পর।

দ্বিতীয় সেচ: শীষ গঠনের সময়।

তৃতীয় সেচ: দানা ভরার সময়।

> জমিতে পানি জমে না থেকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে হবে।

🔹 ৬. আগাছা ও রোগবালাই দমন

বপনের ২০–২৫ দিন পর আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।

প্রয়োজনে হার্বিসাইড ব্যবহার করা যায়।

রোগসমূহ:

পাতাঝরা রোগ: ম্যানকোজেব ২.৫ গ্রাম/লিটার পানিতে স্প্রে।

গাছ ঢলে পড়া: জমির নিষ্কাশন ঠিক রাখা ও প্রয়োজনীয় ফাংগিসাইড প্রয়োগ।

🔹 ৭. ফসল কর্তন ও মাড়াই

যখন ৮০–৯০% শীষ সোনালি রঙ ধারণ করে, তখন গম কাটা উপযুক্ত।

কর্তনের পর রোদে শুকিয়ে মাড়াই করতে হবে।

দানার আর্দ্রতা ১২% হলে সংরক্ষণ করা নিরাপদ।

🔹 ৮. ফলন

আধুনিক পদ্ধতিতে প্রতি হেক্টরে ৪.৫–৫.৫ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়।

গম চাষের আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে রোগ কমে, ফলন বাড়ে এবং কৃষকের আয়ও বৃদ্ধি পায়। সময়মতো চাষ, উন্নত জাত, সঠিক সার প্রয়োগ ও পানি ব্যবস্থাপনা সফল গম চাষের মূল চাবিকাঠি।

22/10/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! M Habib Ali, Md Rayhan Hassan, Md Palash Mia, Huzzatul Islam Huzza, Mushfiqur Rahman, Md Enayet Kabir, Tutul Islam, Xadreque Magul, Trevor Fernandes, Imran Baloch, ফিয়াক সেন্টার বড়গোপালপুর, Izzi Rei, Shahenour Alam, মোস্তাফিজুর রহমান, Md. Abul Hasan, Haseeb Haseeb, Wîlsön Viano, অবুঝ মনের অ আশা, Md Mainul Hassan Khandaker, Itz Kala Bindeks Bindeka, Mariana Fernandes Mariza, Rafiqul Islam, Îťz Kîñg, M***a Alves Joaquim, Neusa Octaviano, Ado Muhammad, Neliya F China, Olivier Guedé, Maura Miguel Meuri, Luqman Zakhmi, Elisee Mwanza, MD Mamun MD Mamun

22/10/2025

#মসুর
মসুরের উপকারিতা

১.মসুর উচ্চ প্রোটিন ও লোহা সমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাদ্য।

২. মসুরের খৈল উৎকৃষ্ট জৈব সার ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।

৩.মাটিতে নাইট্রোজেন স্থির করে উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

৪.হৃদরোগ প্রতিরোধ ও রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।

🔹 ১. আধুনিক জাতসমূহ

জাতের নাম>ফলন >(টন/হেক্টর)> মেয়াদ (দিন) >বৈশিষ্ট্য

বারি মসুর-৬> ১.৫ – ১.৮ >১০০–১১০>আগাম জাত, রোগ প্রতিরোধী, খাটো গাছ
বারি মসুর-৭> ১.৮ – ২.০ >১০৫–১১৫> উচ্চ ফলনশীল, বীজ মাঝারি আকারের
বারি মসুর-৮ >২.০ – ২.২ >১১০–১২০ >বৃষ্টির সহনশীল, দেরিতে ফুল ফোটে
বিনা মসুর-৫> ১.৮ – ২.০ >৯৫–১০৫ >আগাম ফসল, দেরিতে বপনে সহনশীল
বারি মসুর-৯ >২.০ – ২.৫ >১১০–১২০ >ঝরা প্রতিরোধী, ফলন বেশি

🔹 ২. জমি প্রস্তুতি

ক. মসুর দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো হয়।

খ. জমি থেকে আগাছা ও আগের ফসলের অবশিষ্টাংশ সরিয়ে ফেলতে হবে।

গ. ৩–৪ বার চাষ ও মই দিয়ে জমি ঝুরঝুরে করতে হবে।

ঘ. জমি সমতল ও জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে হবে।

🔹 ৩. বীজ বপন ও সার প্রয়োগ

বীজ বপনের সময়:

১. কার্তিকের শেষ থেকে অগ্রহায়ণের মাঝামাঝি (নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ আদর্শ)

বীজের পরিমাণ: প্রতি হেক্টরে ৩০–৩৫ কেজি

লাইন বপন পদ্ধতি: লাইন দূরত্ব: ৩০ সেমি, গাছের দূরত্ব: ৫–৭ সেমি

সার প্রয়োগ (প্রতি হেক্টরে):

সারের নাম পরিমাণ (কেজি/হেক্টর)

ইউরিয়া ২০
টিএসপি ৮০
এমওপি ৩০
জিপসাম ৫০
বোরিক অ্যাসিড ১০

> 💡 নোট: মসুর শিমজাতীয় ফসল, তাই বেশি নাইট্রোজেন দরকার হয় না।

🔹 ৪. রোগ ও প্রতিকার

রোগের নাম লক্ষণ প্রতিকার

ক. ব্লাইট বা পোড়া রোগ (Stemphylium blight) পাতায় বাদামী দাগ, পরে শুকিয়ে যায় Mancozeb ২ গ্রাম/লিটার পানিতে ১০ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে I

খ. ঢলে পড়া রোগ (Wilt) গাছ হঠাৎ ঝরে পড়ে, শিকড় কালচে রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার, ফসল ঘুরিয়ে চাষা I

গ.শিকড় পচা রোগ (Root rot) গাছের গোড়ায় পচন ট্রাইকোডার্মা মিশ্রিত জৈব সার ব্যবহার

ঘ. রস্ট (Rust) পাতায় কমলা রঙের দাগ Sulfur ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে

🔹 ৫. পোকার আক্রমণ ও প্রতিকার

পোকার নাম আক্রমণের লক্ষণ প্রতিকার

ছিদ্রকারী পোকা (Pod borer) ফুল ও শুঁটি কেটে ফেলে লার্ভা হাত দিয়ে ধ্বংস করা, সাইপারমেথ্রিন ১ মি.লি./লিটার স্প্রে
করে দমন করা যায়।

এফিড বা ফ্লি বিটল (Aphid) পাতায় আঠালো পদার্থ ও মচকানো চেহারা, ইমিডাক্লোপ্রিড ০.৫ মি.লি./লিটার স্প্রে করে দমন করা যায়।

পাতা কাটা পোকা পাতার কিনারা কেটে খায়, কুইনালফস বা ডেল্টামেথ্রিন ১.৫ মি.লি./লিটার স্প্রে করে দমন করা যায়।

🔹 ৬. ফসল সংগ্রহ

ফুল ফোটার ১০০–১২০ দিন পর যখন ৭৫–৮০% শুঁটি বাদামী বা কালচে হয়, তখন ফসল কাটতে হয়।

গাছ কেটে রোদে শুকিয়ে বীজ আলাদা করে নিতে হয়।

ভালোভাবে শুকিয়ে শুকনো ও ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে।




#মসুর

20/10/2025

সরিষা চাষে যে সকল বিষয় পালনীয়

🔹 ১. আধুনিক জাতসমূহ (বাংলাদেশে অনুমোদিত)

বর্তমানে উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধী বেশ কিছু জাত চাষ হচ্ছে, যেমনঃ

জাতের নাম >ফলন>(টন/হেক্টর>মেয়াদ (দিন)> বৈশিষ্ট্য

বারি সরিষা-১৪ >১.৫ – ২.০>৮০–৮৫> আগাম জাত, তেলের পরিমাণ বেশি (৪৪–৪৬%)

বারি সরিষা-১৭> ১.৮ – ২.২ >৮৫–৯০>রোগ সহনশীল, গাছ খাটো

বারি সরিষা-১৮ >২.০- ২.৫> ৯০–৯৫ >ফলন বেশি, দেরিতে ফুল ফোটে
Tori-7 ( টরি-৭) >১.৫ – ১.৮> ৭৫–৮০ >স্বল্পমেয়াদী, আগাম ফসল কাটার উপযোগী
SAU সরিষা-১> ২.০+ >৯০–১০০> হাইব্রিড জাত, উচ্চ তেলের পরিমাণ

🔹 ২. জমি প্রস্তুতি

সরিষা সাধারণত দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মে।

জমি থেকে আগাছা পরিষ্কার করে ৩–৪ বার চাষ ও মই দিয়ে সমান করে নিতে হবে।

হালকা আর্দ্র অবস্থায় বীজ বপন করা উত্তম।

জমি অতিরিক্ত ভিজা বা জলাবদ্ধ হওয়া চলবে না।

🔹 ৩. বীজ বপন ও সার প্রয়োগ

বীজ বপনের সময়:

অগ্রহায়ণ মাস (নভেম্বরের প্রথম থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি)

লাইনে বপন করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

লাইন দূরত্ব: ৩০ সেমি

গাছের দূরত্ব: ১০–১৫ সেমি

বীজের পরিমাণ: প্রতি হেক্টরে ৭–৮ কেজি

সার প্রয়োগ (প্রতি হেক্টরে):

সারের নাম পরিমাণ (কেজি/হেক্টর)

ইউরিয়া ১২০
টিএসপি ৮০
এমওপি ৫০
জিপসাম ৫০
বোরিক অ্যাসিড ১০

প্রয়োগ পদ্ধতি:

অর্ধেক ইউরিয়া এবং সব টিএসপি, এমওপি, জিপসাম ও বোরিক অ্যাসিড জমি তৈরির সময় দিতে হবে।

বাকি অর্ধেক ইউরিয়া গাছের ফুল ফোটার আগে টপ ড্রেসিং করতে হবে।

🔹 ৪. রোগের নাম, লক্ষণ ও প্রতিকার

পাতা দাগ রোগ (Alternaria blight) পাতায় বাদামী দাগ, পরে শুকিয়ে যায় রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার, Mancozeb বা Rovral ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০–১২ দিন পরপর স্প্রে
ডাউনিমিলডিউ পাতার নিচে সাদা ছত্রাক, গাছ খাটো হয় Ridomil Gold ২ গ্রাম/লিটার পানিতে স্প্রে
তেল ফোটা রোগ (White rust) পাতায় ফুসকুড়ির মতো দাগ আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে; Ridomil স্প্রে

🔹 ৫. পোকার নাম, লক্ষণ ও প্রতিকার

সরিষা ফুল পোকা (Mustard Aphid) ফুল ও কচি অংশে আক্রমণ করে, গাছ দুর্বল হয়ে যায় ইমিডাক্লোপ্রিড ০.৫ মি.লি./লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে
পাতা কাটা পোকা পাতার প্রান্ত কেটে খায় ম্যানুয়ালি ধ্বংস করা বা কুইনালফস ২ মি.লি./লিটার পানিতে স্প্রে
থ্রিপস (Thrips) পাতায় রূপালি দাগ ও শুকিয়ে যাওয়া ডেল্টামেথ্রিন ১ মি.লি./লিটার স্প্রে

🔹 ৬. ফসল সংগ্রহ

ফুল ফোটার ৭৫–৯০ দিন পর গাছের ৭৫–৮০% শুঁটি হলুদ হলে ফসল কাটতে হয়।

দেরি করলে বীজ ঝরে যেতে পারে।

রোদে শুকিয়ে বীজ আলাদা করে ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে।

🔹 ৭. সরিষার উপকারিতা

সরিষা বীজে ৪০–৪৬% তেল, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।

সরিষার তেল কোলেস্টেরল কমায় এবং হজমে সাহায্য করে।

সরিষা খৈল উৎকৃষ্ট জৈব সার ও গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

মাটিতে নাইট্রোজেন ও জৈব পদার্থ বৃদ্ধি করে, ফলে পরবর্তী ফসল ভালো হয়।

Photos from Md Rashidul Islam's post 20/10/2025

শীতের সকালে রোদের মিষ্টি ছোঁয়া,
কুয়াশায় ঢেকে যায় মাঠঘাট, গ্রাম ও গাছপালা,
প্রকৃতি তখন শান্ত, স্নিগ্ধ আর প্রাণময় সৌন্দর্যে ভরা।

শীতকাল মানেই গ্রামে খেজুর রস ও গুড়ের মোহনীয় সুবাস

🌴 শীতে খেজুরের রস ও গুড়ের গুরুত্ব ও উপকারিতা:

খেজুরের রস শীতের এক প্রাকৃতিক উপহার — মিষ্টি, ঠান্ডা সকালে তাজা রস শরীরকে উষ্ণতা ও প্রাণশক্তি দেয়।

এতে প্রাকৃতিক চিনি, লোহা, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন থাকে যা শক্তি জোগায় ও রক্তস্বল্পতা দূর করে।

খেজুরের রস থেকে তৈরি গুড় শরীর গরম রাখে ও ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে সহায়ক।

এটি হজমে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শীতের খাবারে পুষ্টিকর স্বাদ যোগ করে।

গ্রামীণ জীবনে খেজুরের রস ও গুড় শীতের প্রাণ— ঐতিহ্য ও আনন্দের প্রতীক।

19/10/2025

🥒 #লাউ চাষে করণীয়

১. জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি

মাটি: উর্বর, দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি লাউ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।

pH মান: ৬.০–৭.৫ হলে সবচেয়ে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

জমি প্রস্তুতি:

প্রথমে আগাছা পরিষ্কার করে জমি ৩–৪ বার চাষ দিতে হবে।

প্রতিবার চাষের পর মই দিয়ে মাটি সমান ও ঝুরঝুরে করে নিতে হবে।

জমি উঁচু হলে ভালো, কারণ অতিরিক্ত পানি জমলে গাছ নষ্ট হয়।

১.৫–২.০ মিটার দূরত্বে উঁচু বেড বা মাচা তৈরি করলে ফল ভালো হয়।

💩 ২. সার প্রয়োগ

সার প্রকার পরিমাণ (প্রতি হেক্টরে) প্রয়োগের সময়

গোবর সার ১৫–২০ টন জমি তৈরির সময়
ইউরিয়া ১৫০–১৮০ কেজি ১/৩ জমি তৈরির সময়, বাকিটা ২ ভাগে ভাগ করে টপড্রেসিং
টিএসপি ১৫০ কেজি জমি তৈরির সময়
এমওপি ১২০ কেজি জমি তৈরির সময় অর্ধেক, বাকিটা ফল ধরার সময়

অতিরিক্ত টিপস:

ফল ধরার সময় প্রতি গাছে হালকা টপ ড্রেসিং (ইউরিয়া ও এমওপি ১০:৫ অনুপাতে) দিলে ফলন বৃদ্ধি পায়।

জৈব সার (কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট) ব্যবহার করলে মাটির গুণগত মান বজায় থাকে।

🌱 ৩. বীজ বপন ও চারা রোপণ

সময়: ফেব্রুয়ারি–এপ্রিল (গ্রীষ্মকালীন ফসল) এবং সেপ্টেম্বর–নভেম্বর (শীতকালীন ফসল)।

বপনের পদ্ধতি:

প্রতি গর্তে ২–৩টি বীজ বপন করতে হবে।

৮–১০ দিন পর ভালো চারা রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলতে হবে।

গাছের দূরত্ব ১.৫ মিটার × ২.০ মিটার রাখলে ভালো হয়।

🌿 ৪. পরিচর্যা

১. মাচা তৈরি:

গাছ ৮–১০ পাতার হলে বাঁশ বা দড়ি দিয়ে মাচা তৈরি করতে হবে।

ফলে পচন ও রোগের আক্রমণ কমে এবং ফলন ভালো হয়।

২. সেচ:
গাছ ছোট থাকা অবস্থায় ৭–১০ দিন পরপর সেচ দিন।
ফুল ফোটা ও ফল ধরার সময় নিয়মিত সেচ দিন, তবে জমিতে পানি জমতে দেবেন না।

৩. গাছ পরিষ্কার ও নিড়ানি প্রদান:
নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার ও মাটি আলগা রাখতে হবে।

৪. পরাগায়ন:
সকালে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে পুরুষ ফুলের পরাগ স্ত্রী ফুলে লাগাতে পারেন (হাত দিয়ে), এতে ফলন বাড়ে।

🦠 ৫. রোগ ও বালাই আক্রমণের লক্ষণ ও প্রতিকার

🍂 (ক) ডাউনি মিলডিউ (Downy mildew)

লক্ষণ: পাতার নিচে ধূসর বা সাদা দাগ, পাতা শুকিয়ে যায়।

প্রতিকার: আক্রান্ত পাতা তুলে ফেলুন।

রিডোমিল গোল্ড (Ridomil Gold MZ 68 WP) বা ম্যানকোজেব (Mancozeb 75 WP) প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম মিশিয়ে ৭–১০ দিন পর পর স্প্রে করুন।

🍁 (খ) পাউডারি মিলডিউ (Powdery mildew)

লক্ষণ: পাতার উপর সাদা গুঁড়ার মতো ছত্রাক দেখা যায়।

প্রতিকার:

সালফার ৮০% ডব্লিউপি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে স্প্রে করুন।

জৈব উপায়: দুধ ও পানি (১:৯ অনুপাতে) মিশিয়ে ২–৩ দিন পরপর স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

🐛 (গ) ফল ছিদ্রকারী পোকা (Fruit borer)

লক্ষণ: ফলের গায়ে ছিদ্র ও ভেতরে শুঁয়োপোকা থাকে, ফল পচে যায়।

প্রতিকার:

আক্রান্ত ফল তুলে পুড়িয়ে ফেলুন।

ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করুন (১০টি ফাঁদ প্রতি বিঘা জমিতে)।

অনুমোদিত কীটনাশক: কারাতে (lambda-cyhalothrin ২.৫ EC) প্রতি লিটার পানিতে ১ মি.লি. হারে স্প্রে করুন।

🪰 (ঘ) লাউ বিটল / পাতামোড়ানো পোকা

লক্ষণ: পাতা কুঁকড়ে যায়, গাছের বৃদ্ধি কমে।

প্রতিকার:

নিমপাতা বাটা বা নিম তেল ৩% দ্রবণ স্প্রে করুন।

প্রয়োজনে ইমিডাক্লোপ্রিড (Imidacloprid ২০০ SL) ০.৫ মি.লি./লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা যায়।

🧺 ৬. ফল সংগ্রহ

ফল গঠনের ১৫–২০ দিন পর সংগ্রহ করা যায়।

বেশি সময় গাছে রাখলে বীজ শক্ত হয়ে যায়, বাজারমূল্য কমে।

প্রতি গাছে ৮–১২টি পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়।

📊 ৭. ফলন: প্রতি হেক্টরে ফলন: ২৫–৩৫ টন (যথাযথ পরিচর্যায়)।

বাজারজাতকরণ: ফল নরম অবস্থায় বিক্রি করলে দাম বেশি পাওয়া যায়।

🌿 ৮. টেকসই ও জৈব পরামর্শ

জৈব সার ও বায়োকন্ট্রোল এজেন্ট ব্যবহার করুন (যেমন Trichoderma harzianum)।

রাসায়নিক ব্যবহারে বিরতি দিন ফসল তোলার কমপক্ষে ১০ দিন আগে।

ফসল ঘূর্ণন করুন যাতে রোগ-বালাইয়ের চাপ কমে।

18/10/2025

গাছের পাতায় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি জনিত লক্ষণ

Want your business to be the top-listed Media Company in Darsana?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Darsana
7200