3AM Learning Point
This page will be helpful for any kind of academic preparation
29/08/2023
আলোর প্রতিফলন অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সংজ্ঞা খাতায় নোট করে রাখ
▪️মেরু (P): কোন গোলীয় দর্পণের প্রতিফলক পৃষ্ঠের মধ্যবিন্দুকে মেরু বলে।
▪️বক্রতার কেন্দ্র (C): গোলীয় দর্পন যে গোলকের অংশ বিশেষ সেই গোলকের কেন্দ্রকে ঐ দর্পনের বক্রতার কেন্দ্র বলে।
▪️প্রধান অক্ষ: বক্রতার কেন্দ্র ও মেরুর মধ্য দিয়ে গমনকারী রেখাকেই প্রধান অক্ষ বলে।
▪️বক্রতার ব্যাসার্ধ (r): কোন গোলীয় দর্পণের কেন্দ্র থেকে মেরু পর্যন্ত দূরত্বকেই বলা হয় বক্রতার ব্যাসার্ধ।
▪️প্রধান ফোকাস: প্রধান অক্ষের নিকটবর্তী ও সমান্তরাল রশ্মি গুচ্ছ কোনো গোলীয় দর্পণে আপতিত হয়ে প্রতিফলনের পর প্রধান অক্ষের উপর যে বিন্দুতে মিলিত হয় বা যে বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় তাকে ঐ দর্পণের প্রধান ফোকাস বলে।
▪️ফোকাস দূরত্ব: কোনো লেন্সের মেরু থেকে প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্বকে ঐ লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বলে।
27/08/2023
তোমরা যারা বাস্তব বিম্ব ও অবাস্তব বিম্ব এই দুইটা টপিক না বুঝে গদবাধা মুখস্ত কর তারা শুধু চিত্রগুলো দেখে এক বার রিডিং পড় আশাকরি আর ভুল হবে না ইনশাআল্লাহ
27/08/2023
কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোকরশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় বা দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাহলে ঐ দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর বিম্ব বলে।
বিম্ব দুই প্রকার। যথা-
১. বাস্তব বিম্ব বা সদ বিম্ব (Real image) ও
২. অবাস্তব বিম্ব বা অসদ বিম্ব (Virtual image)
১. বাস্তব বিম্ব : কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দুতে প্রকৃতপক্ষে মিলিত হয়, তাহলে দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর বাস্তব বিম্ব বলে।
২. অবাস্তব বিম্ব : কোনো বিন্দু থেকে নিঃসৃত আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিফলিত বা প্রতিসরিত হয়ে যদি দ্বিতীয় কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়, তাহলে দ্বিতীয় বিন্দুকে প্রথম বিন্দুর অবাস্তব বিম্ব বলে।
27/08/2023
তড়িৎ রাসায়নিক কোষ
26/08/2023
Tense অনুযায়ী Sentence পরিবর্তনের বেস্ট ফর্মুলা👌✌️
মনযোগ দিয়ে ১ বার দেখলেই এনাফ🥰
26/08/2023
জীবে প্রজনন
৯ম-১০ম শ্রেণি
একাদশ অধ্যায়
গুরুত্বপূর্ণ কিছু জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
১। প্রজনন কাকে বলে?
উত্তর : যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে, তাকে প্রজনন বা জনন বলে।
২। অযৌন জনন কাকে বলে?
উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জননকোষের মিলন ছাড়াই জনন সম্পন্ন হয়, তাকে অযৌন জনন বলে।
৩। অণুবীজথলি কাকে বলে?
উত্তর : উদ্ভিদের দেহকোষ পরিবর্তিত হয়ে অণুবীজবাহী একটি অঙ্গের সৃষ্টি করে। এদের অণুবীজথলি বলে।
৪। ফুল কাকে বলে?
উত্তর : প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপকে ফুল বলে।
৫। সম্পূর্ণ ফুল কাকে বলে?
উত্তর : যে ফুলে পাঁচটি অংশ থাকে, তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে।
৬। অসম্পূর্ণ ফুল কাকে বলে?
উত্তর : যে ফুলে পাঁচটি অংশের মধ্যে একটি বা দুটি অংশ না থাকে, তাকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে।
৭। বৃতি কাকে বলে?
উত্তর : ফুলের সবচেয়ে বাইরের স্তবককে বৃতি বলে।
৮। পুষ্পমঞ্জরি কাকে বলে?
উত্তর : কাণ্ডের শীর্ষমুকুল বা কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন একটি শাখায় ফুলগুলো বিশেষ একটি নিয়মে সাজানো থাকে। ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জরি বলে।
৯। পরাগায়ণ কাকে বলে?
উত্তর : ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ণ বলে।
১০। নিষিক্তকরণ কাকে বলে?
উত্তর : একটি পুংগ্যামেট অন্য একটি স্ত্রী গ্যামেটের সঙ্গে পরিপূর্ণভাবে মিলিত হওয়াকে নিষিক্তকরণ বলে।
১১। ফল কাকে বলে?
উত্তর : নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে, তাকে ফল বলে।
১২। টেস্টা কাকে বলে?
উত্তর : বীজত্বকের বাইরের অংশকে টেস্টা বলে।
১৩। টেগমেন কাকে বলে?
উত্তর : বীজত্বকের ভেতরের অংশকে টেগমেন বলে।
১৪। অঙ্কুরোদগম কাকে বলে?
উত্তর : বীজ থেকে শিশু উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদগম বলে।
১৫। দ্বিনিষেক কি?
উত্তর : প্রায় একই সময়ে দুটি পুং জনন কোষের একটি ডিম্বাণুর সাথে এবং অপরটি গৌণ নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে যে দুটি নিষেক সম্পন্ন হয় তাকে বলা হয় দ্বিনিষেক।
১৬। অমরা কি?
উত্তর : যে বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে মাতৃ-জরায়ুতে ক্রমবর্ধমান ভ্রূণ এবং মাতৃ জরায়ু টিস্যুর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয় তাকে অমরা বলে ।
১৭। আম্বিলিকাল কর্ড কি?
উত্তর : আম্বিলিকাল কর্ড মূলত একটি নালি যার ভেতর দিয়ে মাতৃদেহের সাথে ভ্রুণের বিভিন্ন পদার্থের বিনিময় ঘটে। এটি ভ্রুণের নাভির সাথে যুক্ত থাকে। একে নাড়ীও বলা হয়।
১৭। ক্লিভেজ কাকে বলে?
উত্তর : যে প্রক্রিয়ায় মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে জাইগোট বিভাজিত হয়ে অসংখ্য ভ্রুণকোষ সৃষ্টি করে, তাকে ক্লিভেজ বলে ।
১৮। মরুলা কি?
উত্তর : ক্লিভেজ প্রক্রিয়ায় জাইগোট বহুকোষী গোলকে রুপান্তরকে মরুলা বলে।
১৯। ব্লাস্টুলা কি?
উত্তর : মরুলা ডিম্বনালি থেকে জরায়ুতে এসে পৌঁছায় এবং পুনরায় বিভাজিত হয়ে একস্তরী তরলপূর্ণ ফাঁপা বলের আকার ধারণ করে, তখন তাকে ব্লাস্টুলা (blastula) বা ব্লাস্টোসিস্ট (blastocyst) বলে।
২০। গ্যাস্ট্রুলা কি?
উত্তর : গ্যাস্ট্রুলা একটি তিন স্তরের, ফাঁকা কাঠামো।
২১। ফিটাস কাকে বলে?
উত্তর : জাইগোট সৃষ্টির ৭ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভস্থ ভ্রুনকে মনুষ্যরুপে সনাক্ত করা হয়। ভ্রুনের এ অবস্থাকে ফিটাস (fetus) বলে।
জারণ মান নির্ণয়
25/08/2023
২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সংগ্রহে রাখতে পার
Click here to claim your Sponsored Listing.