Md Rony C

Md Rony C

Share

আমার পেজ এ সবাইকে সাগতম। পাশে থাকলে পাশে পাবেন। আমরা একে অন্যকে ফলো করলে ৫কে হওয়া কোনো ব্যপার না

09/04/2026

খাজা বাবা

01/11/2025

#গল্প জীবন সঙ্গী
#পর্ব ৩
: khan gp

এইদিন আর তাদের মাঝে কথা হয় নি, পরের দিন দুষ্টু মেয়ে একের পর এক মেসেজ দিয়েই যাচ্ছে, কিন্তু রাহুলের কোনো রেসপন্স নেই। ছয় ঘন্টা পর রাহুল এসে রিপ্লে দিলো। এতে কিছুটা রেগে যায় দুষ্টু মেয়ে।
রাহুল : করেন

দুষ্টু মেয়ে : কিছু না

রাহুল : খাবার খাইছেন

দুষ্টু মেয়ে : না

রাহুল : কেন

দুষ্টু মেয়ে : খিদে নাই, আমরা দুজন ত একে অপরের বন্ধু, তাহলে কি তুমি করে বলা যায় না।

রাহুল : আচ্ছা ঠিক আছে এখন থেকে তুমি করে বলবো

দুষ্টু মেয়ে : হুম

এভাবে তাদের মাঝে প্রায় ১ বছর কথা হয়, রাহুল এখনো বাড়ির কারো সাথে যোগাযোগ করে না, বাড়িতে ও যায় না, মুক্তার উপর এখনও তার অনেক অভিমান জমে আছে।

রাহুল আর দুষ্টু মেয়ে তাদের সম্পর্কটা এমন হয়ে যায় যে একদিন কথা না হলে যেন দুজনের মনেই ছটফট শুরু করে। দুজন দুজনের সম্পর্ক সবকিছু জানলেও রাহুল এখনো বুঝতে পারে নাই কে এই মেয়ে। দুষ্টু হঠাৎ প্রপোজ করে বসে রাহুল কে, কিন্তু রাহুল কিছুতেই রাজি হতে চাচ্ছে না।একপর্যায়ে রাহুলকে দেখা করতে বলে দুষ্টু মেয়ে। অনেক রিকুয়েষ্ট করার পর রাহুল রাজি হয়, রাহুল এর পাশের গ্রামের পরিচয় দেয় দুষ্টু মেয়ে। ২ বছর পর রাহুল বাড়ি যেতে চলছে। রাহুল বাড়ি গিয়ে দেখে তার বউ মুক্তা বাসায় নেই, এতে তার কোনো জানার ইচ্ছে ও নেই। বাড়িতে গিয়ে দেখে সবাই তার উপর রাগ করে বসে আছে কেউ কথা বলছে না তার সাথে, এক এক করে সবার রাগ ভাঙায় তারপর রেডি হয়ে চলে যায় দুষ্টু মেয়ের সাথে দেখা করতে, পাশের গ্রামের এক পার্ক আছে সেখানে অপেক্ষা করছে দুষ্টু মেয়ে। রাহুল সেখানে গিয়ে দেখে মুক্তা বসে আছে, রাহুল মনে মনে ভাবতে সে এখানে কি করছে, নিশ্চয়ই কারো সাথে দেখা করতে আসছে, রাহুল আড়াল থেকে দেখছে মুক্তা একাই বসে আছে কিন্তু কেউ আসছে না। রাহুল এবার দুষ্টু মেয়েকে কল দিতেই মুক্তার ফোন বেজে উঠলো। কি ব্যাপার দুষ্টু মেয়েকে কল দিলে ওর ফোন বাজে কেন তাহলে কি মুক্তাই সেই দুষ্টু মেয়ে। রাহুল এবার কল কেটে আরেক বা কল দিতেই মুক্তার ফোন বেজে উঠে। মুক্তা কিছুটা বুঝতে পেরে চারপাশে তাকাতে লাগলো আর রাহুকে দেখে ফেলে। এক দৌড়ে রাহুল এর কাছে গিয়ে তার পায়ে দরে ক্ষমা চাইতে লাগলো, কিন্তু রাহুলের মনে এখনো অভিমান রয়ে গেছে তাই সে কোন রেসপন্স করছে না

রাহুল : পা ছারো বলছি

মুক্তা : আমি আমার ভুল বুঝতে পারছি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দেন। আমি জানি আমি যেই অপরাধ করছি তা ক্ষমার অযোগ্য। তাই ফেইক আইডি খুলে আপনার সাথে কথা বলছি। আমার জন্য আপনার প্রিয় মানুষ মারা গেলো এরোকমটা হয়ে যাবে আমি কখনো ভাবিনি। আপনি যেদিন কান্না মুখে আমায় চর মারেন, তার পর থেকে অনেক ইচ্ছে হয়েছিলো আপনার সাথে কথা বলার, সেদিন এর পর থেকে আপনি আমার মনে জায়গা করে নেন৷ কিন্তু আপনার সাথে কথা বলার সাহস পাচ্ছিলাম,,,,,

রাহুল : পা ছাড়তে বলছি

মুক্তা : আপনি যদি ক্ষমা না করেন তাহলে পা ছারবো না, নিজেকে শেষ করে দিবো ( কান্না করে)

রাহুল : ঠিক আছে ক্ষমা করে দিলাম এবার পা ছারো,

রাহুল তার নিজ হাতে মুক্তার দুই হাতের ডানায় দরে উপরে তুলে, বাসার উদ্দেশ্য রওনা দেয় কিছু পথ যাওয়ার পর কিছু বকাটে গুন্ডা এসে তাদের সাথে ঝামেলা করতে থাকে, গুন্ডাগুলো : কিরে মালটা তো সেই তুই কি একাই খাবি আমাদেরকেও দে মিলে মিশে খাই রাহুল রেগে যাচ্ছে এমন সময় মুক্তা রাহুল এর হাত শক্ত করে দরে ফেলে রাহুল যেনো কোনো ঝামেলা না করে তাদের সাথে। মুক্তা চাচ্ছে না এতোগুলা গুন্ডার সাথে রাহুল মারা মারি করুক এতে যদি রাহুলের কিছু হয়ে যায়। গুন্ডা গুলো এবার মুক্তার আচল দরে টানাটানি করতে থাকে রাহুল আর নিজেকে কনট্রোল করতে না পেরে গুন্ডার জোরে এক ঘুসি মারতেই সে ছিটকে গিয়ে দুরে পরে যায়, এবার সবাই একসাথে চলে আসে রাহুল কে মারতে রাহুল একের পর এক সবাইকে মারতে থাকে। শেষপর্যায়ে গুন্ডার ছুরির আঘাত রাহুলের বুকে এসে লেগে যায় রাহুল নিচে পরে যায় আর গুন্ডাগুলো পালিয়ে যায়। মুক্তা চিৎকার করতে করতে দৌড়ে এসে রাহুল কে জড়িয়ে দরে, এমন সময় পাশ দিয়ে কে যেন যাচ্ছে মুক্তা তার কাছে হেল্প চেয়ে দুজনে দরে রাহুলকে হসপিটালে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে রাহুল ও মুক্তার পরিবার হসপিটালে চলে আসে। অপারেশন শেষ, রাহুল এখন ঠিক আছে তবে হসপিটালে তাকে ৭ দিন থাকতে বলে ডাক্তার। এই ৭ দিন রাহুলের পাশে মুক্তা আঠার মতো লেগে ছিলো। একটু সময়ের জন্য ও রাহুলের থেকে আড়াল হয় নি, রাহুল এর খাওয়া দাওয়া ঔষধ এবং ওয়ারস রুমে নিয়ে যাওয়া সকল দায়িত্ব মুক্তা পালন করেছে। রাহুলের মনেও এখন মুক্তা কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। ৭ দিন শেষ আজকে তাদের বাড়িতে যাওয়ার পালা সবাই আসছে, গাড়িতে করে সবাই একসাথে যাচ্ছে রাহুলের পরিবার সবাই আছে। মার্কেটের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো গাড়িটি, মার্কেটের ঠিক সামনে এসে রাহুল গাড়ি ব্রেক দিতে বলে

রাহুল : ২ মিনিট আমি আসছি

মুক্তা : আমি আসবো আপনার সাথে

রাহুল : আসতে হবে না, বসে থাকো ২ মিনিট লাগবে

রাহুল এর মা সহ অনেকে নিষেধ করে তাদের কথায় কান না দিয়ে রাহুল মার্কেটের ভিতর গিয়ে কিছু একটা কিনে নিয়ে ২ মিনিটের মধ্যেই চলে আসে। সবাই তাকে জিজ্ঞেস করতে থাকে মার্কেটের ভেতর কেনো গিয়েছে, কিন্তু রাহুল সত্যিটা সবার কাছে লুকিয়ে রাখে।

#চলবে

01/11/2025

#গল্প জীবন সঙ্গী
#পর্ব ২

কলটা রিসিভ করার সাথে সাথে অপর পাশ থেকে কান্নার শব্দ আসছে। আমার বুকটা কেমন জানি দরপর করছে, কেউ একজন বলে উঠলো মৌসুমি আত্মহত্যা করছে, এটা শুনার পর আমার মাথায় যেনো আকাশ ভেঙে পরলো, হাত থেকে ফোনটা নিচে পরে যায়। আমিও মাটিতে বসে কিছুক্ষন ফুপিয়ে কান্না করতে লাগলাম নিজেকে অনেক অপরাধী মনে হচ্ছে।

( এবার একটু হালকা করে পরিচয় দিয়ে নেই, আমি রাহুল আমার গফ ছিলো মৌসুমি আর আমার বউয়ের নাম মুক্তা আপাতত এতটুকুই বাকীটা পরে জানতে পারবেন)

চোখ মুছতে মুছতে ফোনটা হাতে নিয়ে বাসায় যেতেই সামনে পরে গেলো আমার বউ নিজেকে কনট্রোল করতে না পেরে বউয়ের গালে ঠা,,স,,স করে এক চর বসিয়ে দিয়ে, তুই খুনি তুই ডাকাত, তর জন্য একটা মেয়ে আত্মহত্যা করছে , তুই ত আমাকে ভালোবাসলি না তার ভালোবাসা থেকেও আমাকে বঞ্চিত করলি। তুই মরে গেলেও আমার মন পাবি না কথাটা মনে রাখিস। বউ কোনো শব্দ না করে শুধু কান্না করে যাচ্ছে, আমাদের ঝগড়া শুনে মা চলে আসলো, বউয়ের টুকটুকে গাল লাল হয়ে গেছে, তার কান্না করা দেখে মা আমার গালে চর বসিয়ে কত বড় সাহস তর আমার বাড়িতে আমার লক্ষী বউমার গায়ে হাত দেছ, বের হ আমার বাড়ি থেকে, আমার চোখের সামনে যেনো তকে আর না দেখি।এদিকে আমার বউ মাকে বলতেছে ওর কোনো দোষ নেই, সব দোষ আমার ওকে বলতে দেন।

সবকিছু কেমন জানি এলোমেলো হয়ে গেলো, বার বার শুধু মৌসুমির মুখটা চোখের সামনে ভাসছে।আমার জন্য একটা মেয়ে মারা গেলো, নিজেকে অনেক অপরাধী মনে হচ্ছে। কি করবো কিছু বুঝতে পারছি না। যায় করি এখানে আর থাকা যাবে না, বউ চোখের সামনে পরলেই মন খারাপ হয়ে যাবে, বউয়ের প্রপ্রতি এতো পরিমাণ ঘৃণা চলে আসছে, সে যদি মরেও যায় মনে হয় আমার কোনো আফসোস হবে না। আর কিছু না ভেবেই কাপড় চোপড় গুছিয়ে সোজা ঢাকায় চলে আসলাম। কাউকে কিছু না বলেই চলে আসছি যদি ও মা অনেক কষ্ট পাইছে।

ঢাকা আাসার পর কাজের মধ্যে কোনোভাবে মন বসাতে পারছি না। এভাবেই ছয় মাস কেটে গেলো কারো সাথে কোনো যোগাযোগ নেই আমার। হঠাৎ একদিন একটা মেয়ে আমায় ফেইসবুকে রিকুয়েষ্ট পাঠায়, একসেপ্ট না করাতে কিছুদিন পর দেখি ইনবক্সে মেসেজ দেওয়া শুরু করলো আইডির নাম ছিলো দুষ্টু মেয়ে আমি তার সালামের জবাব দিয়ে বললাম কে আপনি

দুষ্টু মেয়ে : মানুষ

রাহুল : মানুষ ত বুঝলাম নাম নেই

দুষ্টু মেয়ে : আপাতত দুষ্টু মেয়ে

রাহুল : আমাকে আর মেসেজ দিবেন না

দুষ্টু মেয়ে : আপনি অনেক সুন্দর তাই বলে এতো অহংকার করা ভালো না

রাহুল : কি বলতে চায়ছেন

দুষ্টু মেয়ে : তাহলে আমার রিকুয়েষ্ট একসেপ্ট করেন নাই কেন

রাহুল : অপরিচিত কাউকে আমি একসেপ্ট করি না

দুষ্টু মেয়ে : আচ্ছা আপনি কি কাউকে ভালোবাসেন

রাহুল : না

দুষ্টু মেয়ে : কখনো কাউকে ভালোবাসেন নাই

রাহুল : হুম ভাসছিলাম তবে সে মারা গেছে

দুষ্টু মেয়ে : কিভাবে

রাহুল : আত্মহত্যা করছে

দুষ্টু মেয়ে : কেন

রাহুল : আমার জন্য

দুষ্টু মেয়ে : কি হয়েছে একটু বুঝিয়ে বলবেন প্লিজ

রাহুল : ওকে শুনেন তাহলে, অনেক সপ্ন ছিলো বিয়ে করে বউয়ের সাথে প্রেম করবো তার আগে কোনো প্রম করবো না, বউকে অনেক ভালোবাসবো সেও আমায় ভালোবাসবে আমার কেয়ার করবে। দুজনে মিলে সুখে শান্তিতে থাকবো, সুখ -দুঃখ ভাগাভাগি করে দুজনে একটা সোনার সংসার করবো। বাবা মায়ের পছন্দ মতোই আমার বিয়ে হয়েছিলো, কিন্তু বাসর রাতে তার সাথে থাকতে দেয়নি আমায় কি কারণে দেয় নি তাও আমায় বলেনি, জানার অনেক চেষ্টা ও করেছিলাম, জানেন বাসর রাত নিয়ে মানুষের কত সপ্ন থাকে, তেমন আমারও ছিলো, বউ আমার সাথে কথাও বলতো না, তারপর ঢাকায় গিয়ে জেদ করে একটা মেয়ের সাথে রিলেশন করছিলাম মেয়েটাও অনেক সুন্দর ছিলো, আমাকে সে তার মন থেকে ভালোবাসছিলো ছয়মাস আগে যখন আমি বাড়ি যায়, একদিন আমি ফ্রেশ হতে যায় এমন সময় গফ কল দেয় আর সেই কল বউ রিসিভ করে সে সব বলে দেয় সে যে আমার বউ এটা শুনে গফ মানতে পারে নাই, তাই আত্মহত্যা করে। বউয়ের সাথে এখনো কথা হয় না।আর ইচ্ছে ও নাই।

দুষ্টু মেয়ে : তার মানে আপনার এখন বউ আছে

রাহুল : ছয়মাসের উপরে হবে কারো সাথে আমার কোনো কথা হয় না।

দুষ্টু মেয়ে : ওও, আচ্ছা আমরা কি বন্ধু হতে পারি

রাহুল : ওকে

দুষ্টু মেয়ে : ওকে আজথেকে তাহলে আমরা দুজন বন্ধু

রাহুল : কিসে পড়েন আপনি

দুষ্টু মেয়ে : ssc

রাহুল : ওও

দুষ্টু মেয়ে : আচ্ছা আপনি কি জব করেন

রাহুল : kfg , আমার একটু কাজ আছে অন্য সময় কথা বলি বায়

দুষ্টু মেয়ে : ওকে বায়

gp
#চলবে

01/11/2025

দীর্ঘ ২৮ বছর পর বাবা মায়ের পছন্দ করা মেয়েকে বিয়ে করলাম। বাসর ঘরে বউয়ের ঘুমটা খুলতে যাবো বউ নিজেই তার মাথা থেকে আচল সরিয়ে মুখটা গম্ভীর করে হাতে বালিশ নিয়ে নিচে বিছানা করতে লাগলো, এটা দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। বউকে বললাম এসবের মানে কি, আমাকে তোমার পছন্দ হয় নি নাকি তোমার সাথে কারো রিলেশন আছে বউ কোনো উত্তর না দিয়ে নিচে শুয়ে পরছে, আমি হাতে বালিশ নিয়ে বললাম তুমি উপরে থাকো আমি নিচে থাকি, তার মুখ থেকে কোনো কথাই বের হচ্ছে না।আমি ও আর কোনো কথা না বাড়িয়ে নিচে শুয়ে পরলাম বিছানার একপাশ থেকে আরেকপাশ গড়াগড়ি করছি কিন্তু কোনো ঘুম আসছে না। মাথায় শুধু ঘুরপাক খাচ্ছিলো তাকে নিয়ে, যতসব বাজে চিন্তা ভাবনা মাথায় আসছে, কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না। তাহলে কি তাকে নিয়ে আমার সংসার করা হবে না। আর আমাদের বংশে ২য় কোনো বিয়ে করার ও অপশন নেই। আর পারছি না রুম থেকে বাহিরে চলে গেলাম দোকান থেকে কয়েকটা সিগারেট নিয়ে নির্জন জায়গায় চলে গেলাম, যেখানে এ সময় কেউ থাকে না, কেউ যেনো ডিসটার্ব করতে না পারে এমন জায়গাটাই বেছে নিলাম, বসে বসে মোবাইল টিপছি আর একটার পর একটা সিগারেট দড়িয়েই যাচ্ছি, আর মাথায় যত আজে বাজে চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিলো। রাত তখন ১২ টা চোখে হালকা ঘুম ঘুম ভাব আর বসে না থেকে সুজা রুমে চলে গেলাম, ততক্ষনে বউ ঘুমিয়ে গেছে। তার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখি অসম্ভব সুন্দর লাগছে তাকে। যেন চোখ ফেরাতে পারছি না। ( যদি ও বউ সাজে সব মেয়েকেই সুন্দর লাগে তবে তাকে একটু বেশিই সুন্দর লাগছে) নিজের মনকে শক্ত করে বললাম সাবধান বেশিক্ষন তাকিয়ে থাকা যাবে না, পরে নিজেকে কনট্রোল করতে পারবি না। আগে তার মন পেতে হবে পরে অন্য কিছু বলেই শুয়ে পরলাম।

পরের দিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে নিজেই নিজের বিছানা উঠিয়ে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে বউ নিয়ে শশুর বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হলাম, সেখান থেকে কিভাবে আসা যায় সে চিন্তাই করছি।যেখানে বউয়ের কারনেই যাওয়া, সেখানে বউ ত আমার সাথে কথাই বলে না, তাই আমার থাকার ও কোনো মানে হয় না, শশুর বাড়ি গিয়ে শশুর শাশুড়ীকে সালাম করে একটু বাহিরে আসলাম একটু সময় কাটানোর জন্য শশুর বাড়ি থেকে একটু দুরে গিয়ে একটা দোকানে বসে চা সিগারেট খেয়ে সোজা শাশুড়ী আম্মাকে গিয়ে বললাম মা আমার একটা জরুরি কল আসছে এখনি বের হতে হবে। শাশুড়ী,জোরে সরে বলতে লাগলো চলে জাবেন মানে এইমাত্র আসলেন এই বাড়ির নতুন জামাই এখনি কিছু খাওয়াই হলো না আর আপনি বলছেন চলে জাবেন। তিন না থেকে জাওয়া যাবে না, আমাদের নিয়ম হচ্ছে নতুন জামাই আসলে তিন দিন থাকতে হবে।বউ পাশে দাঁড়িয়ে চোখ বাকা করে তাকিয়ে আছে, কিছু বলচে না, বউ বুঝতে পারছে এটা আমার জাওয়ার বাহানা। শাশুড়ী মাকে বললাম আমি চলে যাচ্ছি কিছুদিন পর ত আসা হবেই শাশুড়ী বলে উঠলো খাওয়া দাওয়া করেন যাওয়ার বিষয় পরে দেখছি। এই বাড়ির খাবার এখন আমার গলা দিয়ে নামবে না ( মনে মনে বলতে লাগলাম) তারপর শাশুড়ী মাকে বুঝিয়ে কিছু না খেয়েই বাড়ি চলে আসলাম। সেখান থেকে কাপড় চোপড় গুছিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দিচ্ছি আর এদিকে আমার মা বক বক করছে, কিরে নতুন শুশুর বাড়ি এতো তাড়াতাড়ি চলে আসলি আবার বেগের মধ্যে কাপড় গুছানোর কারণ কি শশুর বাড়ি কি কোনো ঝামেলা হয়েছে নাকি। মাকে বললাম কোনো ঝামেলা হয় নি ঢাকা থেকে ফোন আসছে ইমারজেন্সি ঢাকা যেতে হবে, আর কোনো কথা না বাড়িয়ে সোজা ঢাকায় চলে আসলাম।

তিন মাস থাকার পর বাড়ি যাওয়ার জন্য সবাই ফোন দিয়ে বিরক্ত করছে, শশুর শাশুড়ী ত আছেই। কিন্তু বউয়ের সাথে এখনো কোনো কথা হয় নি, আমার মা যখনই ফোন দেয় তখনি বাড়ি যাওয়ার কথা বলে, দুই দিন পর যাবো তিন দিন পর যাবো এভাবে বলতে বলতে ছয় মাস কাটিয়ে দিলাম, মায়ের বকাবকি আর শশুর বাড়ির বকবক এর কারণে আর থাকতে পারছি না কোম্পানি থেকে দুই দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম অনেক কিছু কেনা কাটা করে বাড়ি গেলাম, বাড়ি যাওয়ার পর সবাই খুশি শুধুমাএ একজন ছাড়া (এটা কে আপনারা বুঝে থাকলে কমেন্ট এ জানান) বাড়ি যেতে বিকেল প্রায় ৪ টার মতো বাজছে। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে রাতে বাসায় ফিরলাম, খাওয়া দাওয়া করে রুমে ডুকলাম দুজনের জন্য রুম ত একটাই, আলাদা থাকার কোনো অপশন নেই, আলাদা থাকতে গেলে সবাই জেনে যাবে, খাটে বসে বসে ভাবছি এটার তো একটা ফয়সালা করা দরকার, আজকেই এটার একটা ফয়সালা করবো, এদিকে বউ খাবার শেষ করে সবকিছু গুছিয়ে তারপর আসবে, ততক্ষনে আমি ভাবতেছি কি দিয়ে শুরা করা যায়।কাজ শেষ করে বউ রুমে এসে এক কোনে দাঁড়িয়ে আছে আর আমি খাটে বসে আছি, কাছে আসো তোমার সাথে কিছু কথা আছে, বউ : বলেন আমি শুনছি। তোমার কি কারো সাথে কোনো রিলেশন আছে, বউ : আপনার কোনো প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে নেই। নেই মানে তুমি যেভাবে বলছো এভাবে ত চলবে না, আর তোমার যদি কারো সাথে রিলেশন থাকে আমাকে বলো আমি নিজে তার সাথে তোমার বিয়ে দিববো বউ হা করে তাকিয়ে আছে কিছুই বলছে না, মনে হয় আমি তার শএু। তোমার যেহেতু কিছু বলার নেই তাহলে আমিই বলছি তুমি শুনো, আমার সামনে পুরো ভবিষ্যৎ পরে আছে আমার জীবন নষ্ট করার তোমার কোনো অধিকার নেই, আমার অধিকার যদি আমি না পাই তাহলে তোমাকে খাওন পড়ন দিয়ে ত আমাদের কোনো লাভ নেই, আর তোমারও ভবিষ্যৎ পরে আছে, সংসার করার ইচ্ছা না থাকলে তুমি তোমার বাবা মাকে বলো তোমার বাবা- মা আমার বাবা- মা ওরা মিলে একটা সমাধান করবে। এখানে আমার অপরাধটা কোথায় বলবে, বউ কোনো উত্তর দিচ্ছে না, এদিকেও থাকছো না ঐদিকেও যাচ্ছেো না এভাবে জুলে থাকার ত কোনো মানে হয় না। ওকে তোমার কিছু বলতে হবে না,যা করার আমিই করবো খুব শীঘ্রই তোমাকে ছাড়ার ব্যাবস্থা করছি। বলেই আমি নিচে শুয়ে পরলাম আর বউ খাটে।

পরের দিন দুপুরে আমি ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি আমার ফোনে গফ কল দিছিলো ৫ মিনিটের মতো কথাও হয়েছে কিন্তু আমি ত রুমে ছিলাম না, বউকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি ফোন হাতে নিছো বউ হ্যা বলতেই মাথায় রাগ উঠে গেলো কি বলছো আপনার কথা জিজ্ঞেস করছে আমি বলছি ফ্রেশ হতে গেছে পরে আমার কথা জিজ্ঞেস করতে আমি বলছি আপনার ওয়াইফ আমি পরে কল কেটে দেয়, মাথায় আরো বেশি রাগ উঠে, আমার ফোন হাতে নেওয়ার অধিকার কে দিছে তোমায়, আর তোমার এতো বড় সাহস হয় কিভাবে যে আমার ফোন হাতে নেও, রাগের মাথায় অনেক কিছুই বলে ফেলি পরে সে কান্না করে দেয় আর আমি ও রুম থেকে বাহিরে চলে যায়। তাড়াহুড়ো করে গফ কে কল দিতে লাগলাম কারণ গফ কেমন ধরনের এটা আমার থেকে বেশি কেউ জানে না, রিং হচ্ছে কিন্তু কল রিসিভ হচ্ছে না অনেক বার চেষ্টা করার পর একজন রিসিভ করলো,,,,,,,,

রেসপন্স না পাইলে হইতো এখানেই শেষ

#গল্প : জীবন সঙ্গী

#চলবে

11/06/2025

আমার কষ্ট। শেষ করা অনেক সুন্দর একটি গল্পের লিংক
পর্ব ১
https://www.facebook.com/share/p/16HwnsTmpF/
পর্ব ২
https://www.facebook.com/share/p/1FLf7yRqhK/
পর্ব ৩
https://www.facebook.com/share/p/1AZyKAeBPr/
পর্ব ৪
https://www.facebook.com/share/p/19KbCTcsbZ/
পর্ব ৫
https://www.facebook.com/share/p/159Z1YfB53/
পর্ব ৬
https://www.facebook.com/share/p/16D8oJUm36/
পর্ব ৭
https://www.facebook.com/share/p/1Akb86n8U7/
পর্ব ৮
https://www.facebook.com/share/p/1Bi3LowZ4G/
পর্ব ৯
https://www.facebook.com/share/p/19UJbQs4yd/
পর্ব ১০
https://www.facebook.com/share/p/1ApKMyejET/
পর্ব ১১
https://www.facebook.com/share/p/1Az7oqrxNt/
পর্ব ১২
https://www.facebook.com/share/p/19LtdiCMnn/

এই হ্যালো ঠিক আছেন আপনি, রুপা গাড়ি থেকে পানি নিয়ে আই, তাড়াতাড়ি নিয়ে আই, পানি মারার সাথে সাথে অনিকের চোখ খুলল, অনিক হা করে তাকিয়ে আছে মেয়েটির দিকে কি অপরুপ সুন্দর, মায়াবী চোখ, এভাবে কেউ রাস্তা পার হয়, কোথাও লাগেনি ত আপনার এই হ্যালো শুনছেন, অনিকের চোখের সামনে হাত দিয়ে ইশারা করতেই তার ভাবনা কেটে গেলো, আপনার হাত দিয়ে ত রক্ত পড়ছে চলুন আপনাকে হসপিটালে নিয়ে যায়,

রক্ত পরার দরকার আছে, এই রক্তের কোনো দাম নাই, আমি মরে গেলেও আফসোস করার মতো কেউ নেই, কি বলছেন এগুলো এতো কথা না বলে চলুন ত আমার সাথে, অনিক বসা থেকে উঠতে যায় কিন্তু উঠতে পারছে না, এই রুপা দরনা একটু, রুপা আর মায়াবতী দুজনের কাঁধ করে অনিক কে গাড়ির মধ্যে তুলে হসপিটালে নিয়ে যায়।

অনিকের চিকিৎসা শেষে

মায়াবতী : কিছু মনে না করলে আপনার ফোন নাম্বারটা কি পেতে পারি না মানে আপনি সুস্থ হলেন কিনা সেটা জানার জন্য

অনিক : আমার ফোন নাই ( লজ্জিত হয়ে)

মায়াবতী : কি বলেন এই যুগে আপনার মতো একটা ছেলের কাছে ফোন নেই, আমার ত বিশ্বাস ই হচ্ছে না

অনিক : যেটা সত্যি সেটাই বললাম, বেঁচে আছি এটাই বেশি।

মায়াবতী : আচ্ছা আগামীকাল এমন সময় আপনাকে কোথায় পাওয়া যাবে, বাসায় বাবা মা টেনশন করছে তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে হবে, আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি অনেক কষ্ট আছেন, আপনার দুঃখ গুলো আমার জানা দরকার।

অনিক : আমার দু:খ সুনলে সইতে পারবেন না। আমার জীবনের সাথে যে জরাবে সেও একসময় আফসোস করবে,তাই বলছি আর দেখা না করলেই ভালো হয়

মায়াবতী : বেশি কথা বলেন আপনি, কালকে এমন সময় কোথায় পাওয়া যাবে আপনাকে সেটা বলেন

অনিক : আমাদের মহল্লার পিছনে একটা মরা নদী আছে সেখানে প্রায় থাকি, সেখানে পাবেন।

মায়াবতী : আপনার কাছে কি ভাড়ার টাকা আছে

অনিক : না, হেটেই যেতে পারবো সমস্যা নাই , আপনি চলে যান, আপনার অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে মনে হয়

মায়াবতী : ১০০০ টাকার একটা নোট অনিকের হাতে দরিয়ে দিয়ে চলে যায়, যদিও অবশ্য অনিক নিতে চায় নি

অনিক টাকাটা পকেটে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্য হাটা দরলো, টাকাটা আগামীকাল কাজে আসবে তাই আর খুচরা করলো না। বাসায় ডুকতেই অনিকের বোন আনিকা

আনিকা : বাবা দেখো তোমার নবাবজাদা ছেলে এসেছে হুট করে অনিকের বাবা চলে আসলো

বাবা : তর কি একটুও লজ্জা নাই, তকে যে এতো কথা বলি তর গায়ে লাগে না, এতো মানুষ মরে তুই মরতে পারিস না, বাপের গারে বসে আর কতদিন খাবি, আর হাতে কি তর নতুন কোনো অভিনয় শুরু করছছ নাকি,

তাদের চিৎকার চেচামেচি শুনে অনিকের মা চলে আসলো, অনিকের মা হাতে একটা লাঠি নিয়ে অনিককে মারতে লাগলো আর বকাবকি করতে লাগলো, এক পর্যায়ে অনিকের হাতের কাটা জায়গায় বারি পরে

অনিক : 😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭😭 চিৎকার করে কান্না করতে করতে বেহুশ হয়ে মাটিতে পরে জায়

আনিকা : থাক মা আর মেরো না না হলে আবার মরে জাবে,

আনিকা ও তার বাবা মা বাসার বেতরে চলে যায়, এদিকে অনিকের রক্ত জড়া দেহ বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে ৩ ঘন্টা ১০ মিনিট পর অনিকের হুঁশ আসে, এর মাঝে তাকে কেউ একবার দেখতেও আসেনি, তখন রাত ৯ টা বাজে, অনিকের পেটে অনেক খুদা পেয়েছে, পুরো গায়ে রক্ত আর বালি, হেলে ডুলে কোনো রকম বাসায় ডুকলো, সবাই তখন খাবার খাচ্ছে, পেটের খুদা অনিক সইতে পারছে না, তাই অনিক ও খেতে বসে পরলো, সবাই মাছ দিয়ে খাচ্ছে আর অনিককে সাদা ভাত আর শুধু একটু ঝুল দিলো, অনিক কোনো অভিযোগ না করেই তাই দিয়ে খেয়ে ঘুমিয়ে পরলো,

সকালে অনিকের গায়ে অনেক জর, পুরো শরীর ব্যাথায় কাপছে, না খেয়ে সারাদিন বিছানায় শুয়ে আছে কেউ একবারের জন্যও খবর নিতে আসেনি বিকাল বেলা অনিকের হঠাৎ মনে পরলো ঐ মেয়ের কথা ( যার নাম মায়াবতী কিন্তু অনিক কিন্তু এখনো নাম জানে না)

এদিকে মায়াবতী নদীর কিনারে এসে অপেক্ষা করছে অনিকের জন্য, প্রায় এক ঘন্টার মতো হলো অনিকের কোনো দেখা নাই, মায়াবতী আর অপেক্ষা করতে পারছে না চলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে নিলো, গাড়িতে উঠতে যাবে ঠিক তখনি লক্ষ্য করলো কে যেনো তার দিকে এগিয়ে আসছে, চেহারা দেখা যাচ্ছে না, পুরো গায়ে চাদর দিয়ে মুরানো, মায়াবতী কিছুটা ভয় পেয়ে

( আপনাদের কমেন্টের উপর নির্ভর করবে চলবে কি চলবে না, ভালো সারা পেলে পরের পর্বদিবো, বানানে ভুল থাকতে পারে বুঝে নিয়েন)

#আমার কষ্ট
#পর্ব ০১
gp
#চলবে

24/05/2025

ঐ কিরে

18/03/2025

#শেষ চিঠি
#পর্ব ৫
( writer : khan gp)

আশিক ১০০০টাকার নোটটা খরচ না করে হেটে হেটে বাসায় চলে গেলো

কিছু দিন পর

নুপুর : হ্যলো

আশিক : হুম কি হয়েছে

নুপুর : শুন তুই একটু আগামীকাল আমার বাসায় আসিস ত

আশিক : কেন কি হয়েছে

নুপুর : বাবা মা আমাকে না জানিয়ে আমার জন্য ছেলে দেখেছে কালকে আমাকে দেখতে আসবে

আশিক : ও আচ্ছা দেখি

নুপুর : দেখি মানে কালকে তকে আসতেই হবে আর শুন

আশিক : হুম

নুপুর : কালকে নিল শাটটা পরে আসি

আশিক ভাবছে নুপুর হয়তো মজা করছে এজন্য বেশি একটা টেনশন করে নাই, আশিক এটা ও জানে নুপুরের বাবা মা নুপুরকে এখন বিয়ে দিবে না, নুপুর এখন পড়াশোনা করছে,পড়াশোনা শেষ করে বিয়ে দিবে, আর নুপুরের ও এখন বিয়ে করার কোনো চিন্তা নেই, কিন্তু তার বাবা কোথাকার এক বিদেশি ছেলে পেয়েছে, অনেক টাকাওয়ালা তাই বিয়ের জন্য পাগল হয়ে গেছে।

আশিকের ভাবনা নুপুর তাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাবে।

আশিক পরের দিন নুপুরের দেওয়া নীল শাট পরে যায়, আশিক গিয়ে দেখে নুপুরের হাতে আংটি পরানো হচ্ছে, এটা দেখে আশিক নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে হুট করে ঐ ছেলের হাত দরে বসলো

আশিক : কতো বড় সাহস তর আমার ভবিষ্যৎ বউয়ের হাতে আংটি পরাচ্ছিস,ও শুধু আমার আমি ওকে ভালোবাসি যা ভাগ

আশিকের মুখ থেকে এমন কথা শুনে সবাই হা করে তাকিয়ে আছে, আশিক তার কথা শেষ করার আগেই নুপুর এসে আশিকের গালে কয়েকটা চর বসিয়ে দেয়

নুপুর : তুই মনে হয় ভুলে গেছিস তুই একটা গরীব ফকিন্নি ছোটলোকের ছেলে, আমার টাকায় তুই চলছ তর গায়ে যে পোশাক গুলো এগুলো ও আমার টাকার কেনা, কতো ভালো জানতাম তকে, আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড বলে তকে আজকে এখানে ইনবাইট করেছি, আর তুই কিনা আমার বিয়ে ভাংগার জন্য ছি,,,,,শুন তকে যেনো আর কোনোদিন আমার চোখের সামনে না দেখি বেরিয়ে যা এখান থেকে

আশিক : শুভ কাজে বাধা দেওয়ার জন্য আমি দুঃখিত, আমাকে ক্ষমা করে দিবেন, ও অনেক ভালো একটা মেয়ে, plz আপনি ওকে আংটি না পরিয়ে যাবেন না 😂😂😂😂বরকে বলে এবার নুপুরকে বলছে তর সাথে চলতে চলতে আমি ভুলেই গেছি আমি যে একটা ফকিন্নির ছেলে আসলে তর মতো করে আমাকে কেউ কোনো দিন বুঝেনি, তর মতো করে আমাকে কেউ কেয়ার করেনি ত, তাই তর হাতে আংটি পরাতে দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি, পারলে আমায়
ক্ষমা করে দিস আমি আর কখনো তর সামনে আসবো না বলে চোখ মুছতে মুছতে চলে গেলো আশিক, 😂😂😂

(নুপুরের সাথে চলতে চলতে আশিক কখন যে নুপুরের মায়ায় পরে যায় নিজেও টের পায় নি আশিক অনেক ভালোবাসতো নুপুরকে কিন্তু কোনোদিন বলতে পারে নি, আর নুপুর আশিককে বন্ধু ছাড়া অন্য কিছুই ভাবতো না। অনেক সময় আশিকের কাছে টাকা থাকতেও নুপুরের কাছ থেকে নিয়ে চলতো, কারন তার ভালো লাগতো, আর নুপুর ও আশিককে অনেক কেয়ার করতো)

পরের দিন নুপুরের গায়ে হলুদ। পুরো বাড়ি লাল নীল বাতি দিয়ে সাজানো, সবাই যার যার মতো করে আনন্দ করছে, আশিক একটা গিফট নিয়ে আসলো নুপুরের বাড়ির গেট পর্যন্ত, দারোয়ান কাকার হাতে গিফট দিয়ে বলল এটা যেনো নুপুরকে দেয়

দারোয়ান: কি হলো বাবা ভিতরে যাবে না

আশিক : না কাকা অনেক কাজ আছে, চলে গেলাম।

একলা পথে একলা একলা হাটছে আশিক, নুপুরদের বাড়ির থেকে কিছুটা দুরে যেতেই পকেট থেকে বাটন ফোনটা বের করে সিমটা বের করে বেংগে রাস্তার ঝোপঝাড়ে ফেলে দেয়।

এদিকে পুরো বাড়ি হাটছে নুপুর হঠাৎ দারোয়ান কাকার নজরে পরে নুপুর, দারোয়ান কাকা নুপুরকে ডাক দিয়ে গিফট হাতে দিয়ে বলে এটা আশিক দিয়েছে

নুপুর : কোথায় ও

দারোয়ান : কিছুক্ষন আগেই চলে গেলো আর বলল এটা বিয়ের পরে খুলতে, বিয়ের আগে এই গিফট খুলতে নিষেধ করেছে।

নুপুর: রাগের মাথায় অনেক অন্যায় করে ফেলেছি ওর সাথে, যে ভাবেই হোক ওর কাছ থেকে ক্ষমা নিতে হবে, ( মনে মনে)

বিয়ের কিছু দিন পর নুপুর রুমটা গুচাচ্ছে, হঠাৎ চোখে পরলো আশিকের দেওয়া গিফট, ( অনেক দিন হয়ে গেলো তার সাথে কথা হয়নি আর আমি ত তার কাছে ক্ষমাও চায় নি মনে মনে) গিফট খুলে দেখে অনেক সুন্দর একটা নীল শাড়ি, যে কেউ দেখলে পছন্দ করবে কিছু টাকা সাথে একটা চিঠি, নুপুর চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়া শুরু করলো ( চিঠির লেখাগুলো প্রথম পর্বের প্রথম অংশে দেওয়া আছে পুরোপুরি মনে নেয় আমার তারপরেও অল্প করে আবার বলছি, আপনারা যদি খুজে না পান) গরীব ছোটলোকের পছন্দ জানি শাড়িটা পছন্দ হয় নি তার পরেও একবার পরলে অনেক খুশি হবো, ভাবছো এতো টাকা কোথায় পেয়েছি তোমাকে না জানিয়ে দুটো টিউশনি করাতাম টিউশনির জমানো টাকা, চুরি ডাকাতি করার টাকা না হালাল টাকা , সত্যি বলতে কি জানো তোমার মতো করে আমায় কেউ কেয়ার করেনি ভালোবাসেনি, বন্ধু হয়ে তুমি যা করেছে একজন মাও তার সন্তানের জন্য এতোটুকু করতে পারে না, পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো, তুমি বললে না আর কখনো তোমার সামনে না যেতে চিন্তা করো না আর কখনো আমাকে দেখবে না। চিঠিটা পডে নুপুর কেমন জানি স্তব্ধ হয়ে আশিককে কল দেয়, (আশিকের কাছে ত এখনো ক্ষমা চাওয়া হয়নি) অপর পাশ থেকে শব্দ আসছে

( এই পেইজে একটার বেশি গল্প দিতে পারবো না। আমার পেইজে কি যেনো সমস্যা হয়েছে বুঝতে পারছি না, লগইন হচ্ছে না তাই এতোদিন গল্প দিতে পারছি না, গল্পটা ভালো লাগলে পেজটি ফলো করতে পারেন, আপনারা সাপোর্ট করলে এখন থেকে এই পেইজে নিয়মিত গল্প দিবো)


#চলবে
Follower Follower

16/03/2025

কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী ছোট্ট হলেও ব্যাপক অর্থবোধক!!! ♥

"লা তাহযান"
অর্থঃঅতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।

"লা তাখাফ"
অর্থঃভবিষ্যত নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তা ন্যাস্ত করে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।

" লা তাগদাব"
অর্থঃজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে। রাগ করবেন না।

" লা তাসখাত"
অর্থঃআল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।

~সুবহানআল্লাহ❤

16/03/2025

#শেষ চিঠি
#পর্ব ৪

গতদিন আলোর কারনে নুপুর অনেক কান্না করেছে তাই আজকে নুপুর আলোকে দেখিয়ে দেখিয়ে আশিকের হাত দরে হাটছে, নুপুর জানে আলো আশিককে অনেক ভালোবাসে।

আশিক অনেক ভালোবাসে নুপুরকে কিন্তু নুপুর জানে না, কারণ আশিক কোনোদিন বলেনি নুপুরকে তার ভালোবাসার কথা, আশিক অনেক ভয় পায় নুপুরকে যদি তার মনের কথা বলে দেয়, তাহলে যদি আবার নুপুর বন্ধুত নষ্ট করে দেয়। আর নুপুর হচ্ছে কোটিপতির মেয়ে আর আশিক গ্রামের গরীব ঘরের ছেলে নুপুর কি তার ভালোবাসা মেনে নিবে

পরের দিন

সবাই ফুল নিয়ে ঘুরাঘুরি করছে, জোরায় জোরায় ঘুরছে মানুষ চারদিকে, আলো আশিককে খুজছে, আর এদিকে আশিক নুপুরের সাথে বসে গল্প করছে।খুজতে খুজতে বটগাছের নিচে এসে দুজনের দেখা পেলো।

আলো : কি অবস্থা তদের কি করছিস দুজনে

আশিক : গল্প করছি বসো

আলো : বসবো না আশিক তোমার সাথে আমার কথা আছে

আশিক : হুম বলো সমস্যা কি

আলো : এখানে বলা যাবে না পারসোনাল, আমার সাথে একটু আসবা কথা শেষ হলে আবার চলে এসো

নুপুর : আমি বসে রইলাম যাও পারসোনাল কথা শেষ করে আবার চলে এসো, আমি ততক্ষণে এখানে অপেক্ষা করছি

আলো আশিককে নুপুরের থেকে একটু দুরে নিয়ে গিয়ে প্রফুস করে,

আলো : আজকে লাভ ডে, আমি জানি তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিবে না,অনেক দিন দরে এই কথা গুলো বলবো বলবো ভাবছি কিন্তু বলতে পারছি না, লজ্জা সরমের মাথা খেয়ে আজকের এই ভালোবাসার দিনে ভালোবাসার কথা বলে ফেললাম I Love you আশিক তুমি যদি এই হাত দরো, তোমার হাত দরে সারাজীবন কাটিয়ে দিবো, তোমাকে কখনো ছেড়ে যাবো না একবার দরেই দেখো।

আশিক : sorry আলো আমি নুপুরকে ভালোবাসি হয়তো এখনো বলতে পারিনি মনের কথা, তবে কিছুদিনের মধ্যে আমার মনের কথা বলে দিবো।

✍️khan gp

গোলাপ ফুলটা পরে রইলো মাটিতে, আশিক চলে গেলো নুপুরের কাছে আলো চলে গেলো বাসায়।

পরের দিন

নুপুর : কি ব্যাপার ভার্সিটিতে আজ আশিককে দেখছি না আর আলোকেও ত দেখা যাচ্ছে না, দুজন আবার কোথাও চলে গেলো নাতো ( মনে মনে,)

নুপুর ক্লাস করে বিকেলের দিকে বাসায় ফিরলো, নুপুর বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে আশিককে একটা কল দেয়

নুপুর : কি করছিস

আশিক : বসে আছি

নুপুর : খাওয়া দাওয়া করছিস

আশিক : না

নুপুর : বিকেল হয়ে গেছে এখনো খাওয়া দাওয়া করছ নাই কেনো

আশিক : হাতে টাকা নাই আর মেছেও মিল দেওয়া হয় না

নুপুর : আমি আসতেছি তুই রেডি হয়ে নিচে নাম

আশিক জানে এখানে সে না করলে নুপুর রেগে যাবে আর নুপুর রাগলে তুফান। আশিক কোনো কিছু চিন্তা না করে রেডি হয়ে নিচে নামতে নামতে নুপুর গাড়ি নিয়ে চলে আসলো , প্রথমে রেস্টুরেনটে নিয়ে গেলো, আশিক খাচ্ছে

নুপুর : এভাবে আমার টাকায় আর কতদিন চলবি এবার কিছু একটা কর, দু একটা টিউশনি করালে ত পারিস

আশিক : আমার শশুরের এতো টাকা, তার একমাত্র জামাই আমি, সারাজীবন ঘরে বসে খাইলোও টাকা কমবে না। ( খেতে খেতে)

খাওয়া দাওয়া শেষ করে নুপুর আশিককে এক নদীর কিনারায় নিয়ে যায়,

নুপুর : এবার কিছু একটা কর দেখ আশিক তকে নিয়ে আমার অনেক ভয় হয়, আমি যদি না থাকি তাহলে তকে কে দেখবে।

আশিক : please এসব কথা বলিস না। আমাকে ছেড়ে তুই কোথায় যাবি

নুপুর : দেখ আশিক মানুষ সারাজীবন থাকে না দুটো টিউশনি করালে ত পারিস।

আশিক : আমাকে দিয়ে টিউশনি হবে না।

নুপুর রেগে গাড়িতে উঠে গ্লাসটা দাপ করে লাগিয়ে গাড়ি টান মারলো

আশিক : চলে যাচ্ছিস যা গাড়ি ভারাটা দিয়ে যা, আমার কাছে টাকা নেই

নুপুর : টাকা না থাকলে পায়ে হেটে যা ( গ্লাসটা নামিয়ে)

গাড়িটা ঘুরিয়ে নুপুর আশিকের কাছে এসে ১০০০টাকার একটা নোট ছুড়ে মারলো

নুপুর : হিসাব করে রাখিস কিন্তু, বলে চলে যায় নুপুর

আশিক টাকাটা পকেটে নিয়ে আনমনে হাটছে,

#চলবে

16/03/2025

#শেষ চিঠি
#পর্ব ৩

আশিক ঘুম উঠে ফোনর দিকে তাকিয়ে দেখে ১০০কল আসছে আলো দিছে ১০০ কল, আশিক ত অবাক, আলো ১০০ দিলো কারন কি

আশিক : থাক এখন আর কল দিয়ে টাকা নষ্ট করে লাভ নাই, ভার্সিটি গিয়েই দেখা করবো। ( মনে মনে)

সবাই ভার্সিটি আসছে, আশিক আলোকে খুজছে, নুপুর দাঁড়িয়ে আছে ভার্সিটির পাশে, আশিক নুপুরের সামন দিয়ে চলে যায় আলোকে খুজতে খুজতে, ( নুপুরকে না দেখার বান করে)

নুপুর : আলোর মধ্যে কি এমন পেয়েছে যে আমার সাথে কথা না বলে আমার সামন দিয়ে চলে গেলো, যাকে আমি হাটতে শিখাইলাম, যাকে আমি এতো ভালো যানতাম এবং কি সবসময় আমার টাকায় চলে আর আমার সাথেই ভাব ( মনে মনে)

আশিক আলোকে খুঁজে পেয়েছে,

আশিক : কি ব্যাপার আলো রাতে এতো গুলো কল দিলে কেন

আলো : দরকার ছিলো এজন্য ফোন দিছি কিন্তু তুমি ত আমার কল দরো নি

আশিক : আরে বাবা ঘুমিয়ে ছিলাম জার কারনে কল দরতে পারি নি এখন বলো কি জন্য ফোন দিছো

আলো : কলটা রিসিভ করে বলো বিজি আছি পরে ফোন করতে ( আশিকের ফোনে নুপুর কল দিচ্ছে)

আশিক : নুপুর কল দিছে

আলো : সমস্যা নাই বলো বিজি আছি পরে ফোন করো

আশিক : নুপুর একটু বিজি আছি পরে তোমাকে কল দিচ্ছি

আলো : চলো তোমাকে নিয়ে একজায়গায় ঘুরতে যাবো

আশিক : এখন আবার কোথায় জাবে ক্লাস আছে ক্লাস করবে না

আলো : আরে একদিন ক্লাস না করলে কিছু হয় না আসো ত ( আশিকের হাত দরে টেনে)

নুপুরের হাতে ফোন আর চোখে জল কারন নুপুর আশিক আর আলোকে আরাল থেকে দেখে দেখে কলটা করেছিলো

নুপুর কখনো ভাবিনি আশিক তার সাথে এমন করবে আলোর সাথে কথা বলাটা তার কাছে এতো জরুরি ছিলো

আলো আশিককে মার্কেটে নিয়ে গিয়ে অনেক গুলো শপিং করে দেয় আশিক অবশ্য নিতে চায় নি কিন্তু আলো ( তুমি কি আমাকে বন্ধু মনে করো না) ঐ এক কথা বলে চালিয়ে দেয়, শপিং শেষ করে দুজনেই রিকশা করে যাচ্ছে

আলো : আগামী সোমবার ১৪ ই ফেব্রুয়ারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস তুমি কিন্তু এগুলো পরে কলেজে আসবে

আশিক : আমি ত ভুলেই গেছি আর দুদিন পরে ভালোবাসা দিবস

আলো আশিককে অনেক গুলো শপিং করে দেয় তার মধ্যে কালো শাট কালো প্যানট কালো জুতা এগুলো পড়ে আসতে বলছে আলো, আশিক পরে আসবে বলে আলোর কাছে।

শপিং শেষ করে আশিক বাসায় গিয়ে নুপুরকে কল দেয় কিন্তু নুপুর একটা কল ও রিসিভ করলো না,

আশিক: কি হলো আমার ফোন রিসিভ করছে না কেনো কিছুই ত বুঝলাম নাহ নুপুর ত আগে কখনো এমন করিনি, ঐ সময় কথা না বলাতে রাগ করলো নাতো আবার, ( মনে মনে)

আশিক অনেক গুলো ফোন দেয় কল রিসিভ না হওয়ায় আশিক সোজা নুপুর এর বাসায় চলে যায়

নুপুরদের বাসার সবাই চিনে আশিককে, নুপুরের বাসার গেটের দারোয়ান পযন্ত চিনে আশিককে। আশিক নুপুরের বাসায় ডুকতেই সামনে পরে নুপুরের মা।

আশিক: নুপুর কোথায় আনটি

আনটি : ভার্সিটি থেকে আসার পরে কারো সাথে কিছু বলছে না, একা একা দরজা লাগিয়ে রুমে বসে আছে, ভার্সিটিতে কারো সাথে কিছু হয়েছে নাকি,

আশিক : আমাকে ত কিছুই বলে নি, আমিত অনেক গুলো কল দিলাম কল দরছে না এজন্য চলে আসলাম আচ্ছা আমি একটু দেখি কি হয়েছে

আনটি : আচ্ছা বাবা যাও, তুমি গিয়ে দেখো ওর রাগটা ভাঙাতে পারো কি না

আশিক নুপুরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে

আশিক : এই নুপুর দরজা খুলো, কি হয়েছে তোমার কল দরছো না কেনো

নুপুর : এখন আমার ভালো লাগছে না কথা বলতে তুমি চলে যাও,

আশিক : তোমার সাথে কথা না বলে আমি যাবো না, দরজা খুলো নইলে কিন্তু দরজা ভেঙে ডুকবো

নুপুর : বললাম না এখন ভালো লাগছে না, কালকে ভার্সিটি গিয়ে কথা বলবো তুমি চলে যাও ( রেগে)

আশিক : দরজা কিভাবে খুলাতে হয় আমার জানা আছে ( মনে মনে) তোমাদের বাসায় আাসাতে অপমান করলে আচ্ছা চলে গেলাম আমি, আমি আর কোনো দিন তোমাদের বাসায় আসবো না

এ কথা শুনার সাথে সাথে নুপুর দরজা খুলেই খাটে গিয়ে দুই হাটু উচা করে দুই হাটুর মাঝখানে মাথা বসে পরলো আশিক দরজাটা লাগিয়ে নুপুরের পাশে গিয়ে বসলো

কি হয়েছে বলবে ত না বললে কিভাবে বুজবো তোমার কি হয়েছে, আর তুমি আমার ফোন দরছো না কেন

নুপুর : আমার সাথে কথা বলে লাভ কি তোমার, তোমার ত এখন girlfriend আছে, তার সাথে গিয়ে কথা বলো

আশিক : কি বলছো তুমি এগুলো মাথা ঠিক আছে তোমার আমার girlfriend আসবো কই থেকে

নুপুর : কেনো আজকে সারাদিন আলোর সাথে ঘুরাঘুরি করো নাই,

আশিক : করছি কিন্তু ও আমার বন্ধু, তোমার বন্ধু কিভাবে বলতে পারলে তুমি এই কথাটা

নুপুর : আমিও ত তোমার বন্ধু তাই না তাহলে ওর সাথে কি এমন কথা বললে তুমি আমার ফোন রিসিভ করে বলছো তুমি বিজি আছো, সকালে আলোকে খুজতে খুজতে আমার সামন দিয়ে যাচ্ছিলে অথচ তুমি এমন ভাব নিলে মনে হয় আমাকে তুমি চিনই না, তোমার কাছ থেকে কখনো এগুলো আসা করিনি অনেক ভালো জানতাম তোমাকে আর তুমি আমার বিশ্বাসের এই দাম দিলে

আশিক : বিশ্বাস করো সকালে আমি তোমাকে দেখি নাই, আলো রাতে অনেক গুলো কল দিয়েছে, বিশেষ কোনো কারনে হয়তো কল দিয়েছে এজন্য ওকে খুজছিলাম, পরে দেখি এমনি কল দিছিলো শপিং করার জন্য হয়তো। আলোই আমাকে বলছে ফোন রিসিভ করে বলো বিজি আছি এজন্য বলছি

নুপুর : তাহলে আজকে সারাদিন মার্কেটে ঘুরাঘুরি হয়েছে আলোকে নিয়ে তা কি কি কিনে দিলো সুনি

আশিক : পেনট শাট জুতা এগুলো

নুপুর : এখন তো তাইলে আমাকে আর তোমার কোনো প্রয়োজন নেই। আলো তোমার দেখা শুনা করছে তুমি আলোর কেয়ার করছো, আলো যা বলছে তুমি তাই করছো,

আশিক : এই যে কান দরলাম আর হবেনা এমন প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দেও ( কান দরে)

নুপুর : ক্ষমা করতে পারি এক শর্তে, আজকে যেভাবে আলোকে সময় দিয়েছো কালকে সারাদিন আমাকে এভাবে সময় দিতে হবে

আশিক : আচ্ছা ঠিক আছে

পরের দিন নুপুর আলোকে দেখিয়ে দেখিয়ে আশিকের হাত দরে হাটছে

( আগামীকাল কিন্তু ভালোবাসা দিবস অনেক কিছু হবে তাদের মাঝে যা আপনাদের চিন্তার বাইরে)

#চলবে

16/03/2025

#শেষ চিঠি
#পর্ব ২

আশিক পিছনে তাকিয়ে দেখে নুপুর দৌড়ে আসছে,

নুপুর : এখানে আমার কোনো বন্ধু নেই তুমি কি আমার বন্ধু হবে

আশিক : এটা সম্ভব না

নুপুর : আমরা ত একসাথে পড়াশোনা করছি তাহলে সম্ভব না কেনো

আশিক : একসাথে পড়াশোনা করছি ঠিক আছে, কোথায় আকাশ আর কোথায় মাটি, কোথায় আপনি আর কোথায় আমি

নুপুর: আকাশ আর মাটির মধ্যে ও বন্ধুত হয়। আমার বাবা বড়লোক বলে কেউ আমার বন্ধু হতে চায় না। বড়লোকের মেয়ে হয়েছি এটা কি আমার অপরাধ

আশিক : আমি যদি আপনার বন্ধু হয় আপনি কি আমাকে মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পারবেন,পারবেন আমাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যেতে

নুপুর : অবশ্যই পারবো, এবার বলো আমার বন্ধু হবো

আশিক : আচ্ছা ঠিক আছে

নুপুর : আজ থেকে আমরা দুজন বন্ধু ( হাত মিলিয়ে)

নুপুর আশিকের নাম্বার নিয়ে বাসায় চলে গেলো

কিছু দিন পর

আজ ভার্সিটির পিকনিক সবাই সাজুগুজু করে চলে আসছে নুপুর এদিকে সেদিকে তাকিয়ে কি যেনো খুঁজছে সব জায়গায় খুজা শেষ।

নুপুর : এই তোমরা কেউ কি আশিক কে দেখেছো

আলো : আসলেই ত আশিককে কোথাও দেখা যাচ্ছে না, আশিক কোথায়। ( আশিককে প্রথম দিন রেগিং করা মেয়ে আলো)

নুপুর এবার আশিককে কল দেয়

আশিক : হ্যালো

নুপুর : কোথায় তুই

আশিক : মেসে

নুপুর : এখনো মেসে কি করছিস, পিকনিকে যাবি না

আশিক : আমার শরীরটা ভালো না তোমরা যাও, আমি যাবো না

নুপুর : তর কি সমস্যা আমি দেখবো ২ মিনিটের মধ্যে ভার্সিটির মাঠে আয় নইতো তর খবর আছে বলে দিলাম

(সব বড়লোকের ছেলে মেয়ে দামী দামী ফোন দিয়ে সবাই ছবি তুলবে, দামী পোশাক, দামী দামী খাবার খাবে , পিকনিকে গিয়ে ১০০ টাকা খরচ করবে সেই সামর্থ নেই আশিকের তাই যেতে চাচ্ছে না আশিক।)

writer : kha gp

আশিক জানে যে নুপুর রাগলে অনেক কিছু হতে পারে, তাই ২ মিনিটের মধ্যে রেডি হয়ে চলে গেলো ভার্সিটির সামনে।

নুপুর: কি হয়েছে তর

আশিক : পেটে অনেক ব্যাথা

নুপুর : পেট ব্যাথা সমস্যা নেই পিকনিকে গিয়ে চিকিৎসা করবো

আশিক : পিকনিকে নিয়ে কি করে আল্লাহ জানে ( মনে মনে)

পিকনিকে গিয়ে সবাই আলাদা আলাদা হয়ে যায়, নুপুর আশিককে নিয়ে একদিকে চলে যায়, আশিকের পিছনে যত টাকা লাগে সব নুপুর খরচ করে। কারন নুপুর যানে তার কাছে কোনো টাকা নেই, নুপুর দেখতে যেমন কিউট তার মনটাও তেমন কিউট হয়তো কোটিপতির মেয়ে কিন্তু ব্যাবহার অনেক ভালো, অল্পতেই মানষের সাথে মিশে যায়।

সারাদিন ঘুরাঘুরি করে নুপুর আশিককে নিয়ে একটা গাছের নিচে গিয়ে দাড়ায়

নুপুর : কি এখনো কি পেট ব্যাথা আছে ( নুপুর যানে তার কোনো পেট ব্যাথা ছিলো না না যাওয়ার জন্য বাহানা করেছে)

আশিক : হালকা হালকা আছে

নুপুর :এখন ভালো হয়েছে ( পেটে ঘুষি মেরে)

আশিক : হুম, আর ব্যাথা নাই আমি এখন পুরোপুরি সুস্থ 😂😂😂😁😁😁😁

নুপুর : ঔষধ তাইলে কাজ করেছে

কথা শেষ করে গাড়ির উদ্দেশ্য দুজনে হাটা দরলো সামনে পরলো আলো

আলো: আশিক তোমার সাথে একটু কথা ছিলো

আশিক : হুম বলেন

আলো : সেদিন তোমার সাথে অনেক অন্যায় করে ফেলেছি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দেও

নুপুর হা করে তাকিয়ে আছে

আশিক : আচ্ছা যাও ক্ষমা করে দিলাম

আলো : আমি কি তোমাদের বন্ধু হতে পারি, যদি বন্ধু না হও তাহলে ভাববো তুমি এখনো আমার ওপর রেগে আছে

আশিক : ওকে

আলো : এখন থেকে তাহলে আমরা বন্ধু ( নুপুর আর আশিকের সাথে হাত মিলিয়ে)

আলো নুপুর আর আশিকের নাম্বার নিয়ে নিলো। যাওয়ার সময় নুপুর আশিকের সাথে বসা তার পাশাপাশির সিটে বসা আলো, আলো একটু পর পর আড় চোখে আশিকের দিকে তাকায়। আশিক নুপুরের সাথে কথা বলছে, আশিক বুঝতে না পারলে ও নুপুর লক্ষ্য ঠিকই করেছে।

পরের দিন সকালে আশিক ঘুম থেকে উঠে অবাক হয়ে যায়

( মজার মজার গল্প পেতে চাইলে লাইক কমেন্ট ফলো করে সাথে থাকবেন ধন্যবাদ আবার আসবেন 😁😁😁)

#চলবে

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Cumilla?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Cumilla