FDX MRB
———–
࿐এটা’ভার্চুয়াল জগত࿐🙂
⭕༆এখানে࿐⭕
✅No ইমোশন࿐❓
No রিলেশন࿐”💔
🙂༆যা আছে সব আলগা পিরিত💯
09/05/2026
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
অনেক ভেবে দেখলাম, মানুষের রিজিক মহান রাব্বুল আলামীন কখন, কোথায় এবং কীভাবে নির্ধারণ করে রেখেছেন, তা সত্যিই আমাদের জানা নেই। জীবনে অনেক কিছুই পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া হঠাৎ করেই ঘটে যায়। ঠিক তেমনি আর্থিক অবস্থার পরিবর্তনও কখনো কখনো অপ্রত্যাশিতভাবেই আসে।
মানুষ বহু চেষ্টা, পরিশ্রম ও দোয়া করার পরেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দেখতে পায় না। অথচ আল্লাহ চাইলে মুহূর্তের মধ্যেই ভাগ্যের চিত্র বদলে যেতে পারে। আমিও বিশ্বাস করি, হঠাৎ করে একটি সুন্দর পরিবর্তন আমার জীবনে আসুক, যার মাধ্যমে পরিবারকে স্বস্তি দিতে পারবো, প্রিয় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারবো এবং দায়িত্বগুলো আরও সুন্দরভাবে পালন করতে পারবো।
রিজিক শুধু অর্থের নাম নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শান্তি, ভালোবাসা, সম্মান এবং আপন মানুষদের সুখ। মহান আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে হালাল ও বরকতময় রিজিক দান করেন এবং আমাদের জীবনকে কল্যাণে পূর্ণ করে দেন। আমিন।
হুট-হাট এই বয়সে আনন্দ নিয়ে পেটের রিজিক চলে আসে। অকল্পনীয় ভাবে আমাদের জীবনে।
08/05/2026
মরহুম মোঃ মোজ্জামেল চৌধুরী, আমাদের সবার প্রিয় “মোজাম্মেল জেটা” অনেকে হয়তো চিনেন। দৌলতপুর চৌধুরী বাড়ির সন্তান।
ছোটবেলা থেকে তাঁকে দেখে বড় হয়েছি। আমাদের বাসার সামনে ও মসজিদের পাশের সেই পুকুরটি যেন আজও তাঁর স্মৃতিকে জীবন্ত করে রাখে। শৈশবে আমরা সারাদিন দল বেঁধে পুকুরে গোসল করতাম, ডুবাডুবি করতাম, দুষ্টুমি করে পানি নোংরা করতাম। তখন জেটা দূর থেকে ডাক দিতেন, শাসন করতেন, কখনো কাপড় নিয়ে যেতে বলতেন,আবার পানিতে ফেলে দিতেন, কখনো মসজিদে দুষ্টামি করলে বকাঝকা করতেন।
সেই সময় তাঁর শাসনকে ভয় পেতাম, বিরক্তও লাগতো। তাঁকে দেখলে অনেকে রাস্তা বদলে চলতাম। কিন্তু আজ বুঝি, সেই শাসনের ভেতরেই ছিল মায়া, দায়িত্ববোধ আর আমাদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার আন্তরিক চেষ্টা।
আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই, বহু বছর আগে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু পুকুরপাড়ে গেলে, মসজিদের পাশে দাঁড়ালে, শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো বারবার মনে ভেসে ওঠে। মনে হয়, সমাজে এখন আর তেমন মানুষ নেই,যারা তরুণদের ভুল ধরিয়ে দেবে, স্নেহভরে শাসন করবে, ভালো পথে ডাকবে।
বর্তমান সময়ে যখন অনেক তরুণ-যুবক বেয়াদবি ও অবক্ষয়ের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে, তখন মোজাম্মেল জেটার মতো মানুষদের অভাব গভীরভাবে অনুভব করি। কারণ, তিনি ছিলেন আমাদের সময়ের এক নীরব অভিভাবক; কঠোরতার আড়ালে লুকিয়ে ছিল অসীম স্নেহ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা।
আল্লাহ তাআলা মরহুম মোঃ মোজ্জামেল চৌধুরীর সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। তাঁর কবরকে শান্তিময় করুন।
আমিন।
07/05/2026
মরহুম মোঃ ওমেদ আলী ভুইয়া-এর বংশের চার প্রজন্মের আংশিক স্মৃতি....রোজার ঈদ, যে ঈদকে আনন্দ, মিলন ও আত্মার বন্ধনের ঈদ বলা হয়, সেই ঈদের নামাজের পর একসাথে কাটানো কিছু মূল্যবান মুহূর্ত।
একটি গোষ্ঠী, একটি গৌথ ও কয়েকটি প্রজন্মের আত্মার বন্ধন যেন এই ছবির মাঝেই আজও জীবন্ত হয়ে আছে। সময় বদলায়, মানুষ বদলায়, কিন্তু রক্তের সম্পর্ক, পারিবারিক ভালোবাসা এবং পূর্বপুরুষদের স্মৃতি কখনো হারিয়ে যায় না।
পুরোনো দিনের সেই মিলনমেলা আজও হৃদয়ে গভীর আবেগ জাগায়। এই ছবিগুলো শুধু কিছু মুহূর্ত নয়, বরং একটি বংশের ঐতিহ্য, ভালোবাসা ও একতার নীরব সাক্ষী।
আল্লাহ তাআলা বংশের মরহুমদের মাগফিরাত দান করুন এবং আমাদের পারিবারিক বন্ধন চিরদিন অটুট রাখুন। আমিন।
05/05/2026
কিছু অনুভূতি আছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।তবুও আজ কবরস্থানে গিয়ে দাঁড়িয়ে মনে হলো, এগুলো লিখে রাখা দরকার।
কি এক অদ্ভুত জীবন আমাদের। আজ কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের বংশ, পূর্বপুরুষ আর সময়ের পরিবর্তন নিয়ে গভীরভাবে ভাবছিলাম। যে পরিবারে আমার জন্ম-একসময় যার ছিল প্রভাব, প্রতিপত্তি, সম্মান-সেই পরিবারেরই একজন হয়ে,আজ প্রায় ৩০+ বছর আমার।দিন দিন ক্ষমতার শূন্যতা চোখে দেখতাছি দিন দিন ডাউন্ড হচ্ছে। নিজের চোখে যা দেখেছি, তা বললে অনেকের কাছেই অবাস্তব মনে হতে পারে।
#আমরা_মরহুম উম্মেদ আলী ভূঁইয়া সাহেব এর বংশধর, পিতা- মরহুম নাসীর ভূঁইয়ার। এই বংশের শেকড় এই অঞ্চলে শত শত বছর আগে, প্রায় বাংলা-১২০০ শতাব্দী থেকে গড়ে উঠেছে। ছোটবেলায় দাদাদের কাছ থেকে পূর্বপুরুষদের দাপট, প্রভাব আর সম্মানের অনেক গল্প শুনেছি,যা আজকের প্রজন্মের কাছে রূপকথার মতোই শোনাবে। বিশেষ করে ১৯৯০-এর পরে আমার জম্ম, ওই সময় থেকে সেই গল্পগুলো আমার কাছেও অনেকটা অবিশ্বাস্য মনে হয়েছে। আমাদের দাদা মোঃ শহিদুল হক ভূঁইয়ার বড়-দাদা মরহুম-মোহাম্মদ আমির হোসেন ভূঁইয়া ১৯৮০-এর দশকের পর মৃত্যুবরণ করেন।এটুকুই নিশ্চিতভাবে আমি জানি।
তার আগের প্রজন্ম, এমনকি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই বড়- দাদা এই পৃথিবী ছেড়ে গেছেন, তাদের জীবনকালও আমাদের অজানা। একে একে বংশের মুরব্বিরা চলে যাচ্ছেন। যাদের দেখে বড় হয়েছি, তারা আজ কবরবাসী।
এই দুনিয়ায় থাকতে থাকতে কত হানাহানি, বিরোধ, দ্বন্দ্ব।সবকিছু নিয়েই আমরা ব্যস্ত থাকি। অথচ চলে যাওয়ার সময় কেউ কিছু সঙ্গে নিতে পারে না,শুধুই শূন্যতা। কিছুদিন আগেই আরেকজন আপনজন বিদায় নিলেন। তখনই বোঝা যায়, বংশ কি হারালো।।
ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি-বংশের ভেতরে বিভেদ, দ্বন্দ্ব, মনোমালিন্য। অথচ একসময় এই বংশের প্রভাব এমন ছিল যে, লোকজন আমাদের সম্পত্তির ওপর দিয়ে জুতা হাতে নিয়ে চলাফেরা করত- মুরব্বিদের মুখে শোনা সেই কথাগুলো সত্য-মিথ্যা আল্লাহই ভালো জানেন। কিন্তু এটা সত্য, এক পুরুষের সম্পদ বহু প্রজন্মে ভাগ হয়ে আজ অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে গেছে।
আজ কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মনে হলো-শেষ পর্যন্ত আমাদের সবার গন্তব্য একই। শূন্য হাতেই চলে যেতে হবে। তাহলে এত অহংকার, এত হিংসা, এত বিরোধ-এসবেরই বা অর্থ কী??
কেউ কিছু সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেনি, আমরাও পারবো না।
দাদার বয়স ৯০+, বাবার বয়স ৫৫+, আর আমার বয়স ৩০+ কখন কার ডাক এসে যাবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। জীবন বড়ই অনিশ্চিত।
তাই মনে হলো,এই বংশের মানুষের মধ্যে আবারও ঐক্য, ভালোবাসা, বিচক্ষণতা আর পারস্পরিক সম্মান ফিরে আসা দরকার। সমাজে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা দরকার। আমাদের মধ্য থেকেই কেউ না কেউ যেন দেশ ও সমাজের জন্য ভালো কিছু করতে পারে,এই দায়িত্ব আমাদেরই।
সবশেষে, নিজের মনেই প্রশ্ন জাগে,জানি না আর কতদিন আছি এই পৃথিবীতে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে হেদায়েত দেন, হিংসা-বিদ্বেষ থেকে দূরে রাখেন, এবং সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করেন। আমিন🤲🤲
25/04/2026
In the middle of life’s pressure, family responsibilities, and social expectations.
the real peace is spending time with friends.
25/04/2026
A short escape for peace of mind. ✈️
Sometimes a little journey is all we need to refresh the soul.
Stepping away from the rush of life, even for a moment, brings calm, clarity, and new energy.
Some trips are not about distance, they are about finding inner peace. 🤍
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Opening Hours
| 17:30 - 22:00 |