My Quiet Moments
“মনের রঙে আঁকা কিছু কথা ✍️
Feelings, vibes & little moments"
28/05/2026
দিনের শুরুতে "তওবা"
"আস্তাগফিরুল্লাহ্-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি,লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম"🤍
পড়া শেষে- আলহামদুলিল্লাহ।
27/05/2026
শেষ রাতের ৫টা দোয়া — ৫টা সমস্যা — আল্লাহ নিজে বলেছেন "সাড়া দেবো"
আল্লাহ নিজে ডাকছেন — "কে আছো? ডাকো আমাকে। চাও আমার কাছে। ক্ষমা চাও — ক্ষমা করবো।"
আর আমরা? সেই সময় ঘুমাচ্ছি। বা ফোনে স্ক্রল করছি। বা সিরিজ দেখছি।
আজ ৫টা দোয়া শিখবো — শেষ রাতের জন্য। ৫টা সমস্যার ৫টা সমাধান। প্রতিটা নবী বা মুমিন এই দোয়া করেছেন — আল্লাহ সাড়া দিয়েছেন। আর শেষ রাতে পড়লে? আল্লাহ নিজে বলেছেন "সাড়া দেবো।"
---
দোয়া ১: রোগে পড়েছেন — আইয়ুব (আ.)-এর দোয়া
শেষ রাত। ঘুম নেই। শরীরে ব্যথা। ওষুধ খেয়েছেন — কাজ হচ্ছে না। ডাক্তার বলেছে "কঠিন।" পরিবার চিন্তিত। আপনি অসহায়।
আইয়ুব (আ.) ১৮ বছর এই অবস্থায় ছিলেন। ১৮ বছর। সম্পদ গেছে। সন্তান গেছে। শরীরে এমন রোগ যে মানুষ কাছে আসতো না। শুধু স্ত্রী পাশে ছিলেন।
কিন্তু তিনি একটিবারও অভিযোগ করেননি। শুধু বলেছেন —
أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: আন্নি মাসসানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন।
(সূরা আম্বিয়া: ৮৩)
শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন?
ফজরের ৩০-৪০ মিনিট আগে উঠুন। ওযু করুন। ২ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ুন। সেজদায় গিয়ে এই দোয়া পড়ুন — "আন্নি মাসসানিয়াদ দুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমীন।" নাম ধরে কাঁদুন — "ইয়া আল্লাহ, আমাকে সুস্থ করুন।"
---
দোয়া ২: চারদিকে অন্ধকার — ইউনুস (আ.)-এর দোয়া
শেষ রাত। অন্ধকার ঘরে বসে আছেন। চাকরি নেই। ব্যবসা ডুবে গেছে। ঋণ বাড়ছে। কোনো পথ দেখছেন না। মনে হচ্ছে সব শেষ।
ইউনুস (আ.) তিন স্তরের অন্ধকারে ছিলেন — রাতের অন্ধকার, সমুদ্রের অন্ধকার, মাছের পেটের অন্ধকার।
সেখান থেকে ডাকলেন —
لَّا إِلَـٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন।
(সূরা আম্বিয়া: ৮৭)
নবীজি ﷺ বলেছেন — "যেকোনো মুসলিম যেকোনো বিষয়ে এই দোয়া করলে আল্লাহ সাড়া দেন।" (জামে তিরমিযী: ৩৫০৫)
শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন?
সেজদায় গিয়ে বারবার পড়ুন — "লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমীন।" ৪০ বার। ১০০ বার। কাঁদতে কাঁদতে। আল্লাহ মাছের পেট থেকে বের করেছেন — আপনার অন্ধকার থেকেও বের করবেন।
---
দোয়া ৩: রিজিকের সংকট — মুসা (আ.)-এর দোয়া
শেষ রাত। চিন্তা ঘুরছে — মাসের ভাড়া কীভাবে দেবো? সন্তানের স্কুলের বেতন? বাবা-মায়ের ওষুধ? মাসের শেষে সবসময় শূন্য।
মুসা (আ.) মাদইয়ানে এসেছিলেন — একা, পরদেশি, ক্ষুধার্ত। কিছুই নেই।
গাছের ছায়ায় বসে বললেন —
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।
ষ
(সূরা কাসাস: ২৪)
তারপর? একসাথে সব — বিয়ে, ঘর, চাকরি, পরিবার, নিরাপত্তা। চাওয়ার চেয়ে বেশি।
শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন?
সেজদায় গিয়ে বলুন — "রাব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।" নির্দিষ্ট করে চাইতে হবে না — "যেকোনো খাইর।" আল্লাহ জানেন আপনার কী দরকার। মুসা (আ.)-কে দিয়েছেন — আপনাকেও দেবেন।
---
দোয়া ৪: একাকীত্ব — যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া
শেষ রাত। বাড়িতে একা। বা প্রবাসে একা। বা সংসারে থেকেও একা — কেউ বোঝে না, কেউ পাশে দাঁড়ায় না, কেউ কষ্টটা অনুভব করে না।
যাকারিয়া (আ.) বৃদ্ধ। সন্তান নেই। কে তাঁর কাজ এগিয়ে নেবে? কে সঙ্গ দেবে?
তিনি বললেন —
رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
উচ্চারণ: রাব্বি লা তাযারনি ফারদান ওয়া আনতা খাইরুল ওয়ারিসীন।
(সূরা আম্বিয়া: ৮৯)
আল্লাহ সাড়া দিলেন — বৃদ্ধ বয়সে, বন্ধ্যা স্ত্রীর গর্ভে ইয়াহইয়া (আ.) দান করলেন।
শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন?
একা ঘরে। সেজদায়। কাঁদতে কাঁদতে বলুন — "রাব্বি লা তাযারনি ফারদান।" ইয়া আল্লাহ, আমাকে একা রাখবেন না। সঙ্গী দিন। সন্তান দিন। বন্ধু দিন। পরিবার ফিরিয়ে দিন।
---
দোয়া ৫: গুনাহের বোঝা — মুমিনদের দোয়া
শেষ রাত। অতীতের গুনাহ তাড়া করছে। মনে হচ্ছে — "আমি এত গুনাহ করেছি, আল্লাহ কি মাফ করবেন?" "আমি কি জান্নাতে যেতে পারবো?" "আমি কি আল্লাহর কাছে আর গ্রহণযোগ্য?"
সূরা আলে ইমরানে মুমিনদের দোয়া —
رَبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلْإِيمَانِ أَنْ آمِنُوا بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا ۚ رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْأَبْرَارِ
উচ্চারণ: রাব্বানা ইন্নানা সামিনা মুনাদিইয়্যান ইউনাদি লিলঈমানি আন আমিনু বিরাব্বিকুম ফাআমান্না, রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিআতিনা ওয়া তাওয়াফফানা মাআল আবরার।
(সূরা আলে ইমরান: ১৯৩)
শেষ রাতে কীভাবে পড়বেন?
সেজদায় গিয়ে কাঁদুন। আল্লাহর কাছে বলুন — "রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনুবানা।" আমার সব গুনাহ ক্ষমা করুন। "ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিআতিনা।" আমার পাপ মুছে দিন। "ওয়া তাওয়াফফানা মাআল আবরার।" নেককারদের সাথে মৃত্যু দিন।
26/05/2026
চলুন একটু ইস্তেগফার পাঠ করি..
আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলাওয়ালা কুয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযিম
আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযিম
সুবহানাল্লাহ!
সুবহানাল্লাহ!
সুবহানাল্লাহ!
সুবহানাল্লাহ!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নালাহা গাফুরুর রাহিম!
আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নালাহা গাফুরুর রাহিম!
আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নালাহা গাফুরুর রাহিম!
রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়াতারহামনা লানা কুনান্না মিনাল খাসিরীন
রব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়াতারহামনা লানা কুনান্না মিনাল খাসিরীন
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম!
সুবহানআল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম সুবহনাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযিম!
ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আস্তাগীস
ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আস্তাগীস
ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু, বিরাহমাতিকা আস্তাগীস
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'আমাল ওয়াকিল!
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'আমাল ওয়াকিল!
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'আমাল ওয়াকিল!!
রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাছানা ওয়া ফিল আখিরাতি হাছানা ওয়া কিনা আজাবান্নার
ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমানু, ইয়া রাহিমু, ইয়া জাব্বারু,ইয়া বাসিতু,ইয়া ওয়াদুদু,ইয়া যুল যালালি ওয়াল ইকরাম,ইয়া আরহামার রহিম।
পড়া শেষ হলে বলি আলহামদুলিল্লাহ 🌸
26/05/2026
আরাফার দিনে অসম্ভব চাওয়াগুলোও আল্লাহর কাছে চান....🤲🕋❤️
25/05/2026
_ তওবা-🌸
"আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু ওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাহি, লা হাওলা ওয়া লা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযী'ম"-🌸
_ পড়া হলে আলহামদুলিল্লাহ..!!
23/05/2026
আপনার মেয়েকে অবশ্যই শেখাবেন
একজন মুমিন নারীর সৌন্দর্য শুধু তার বাহ্যিক রূপে নয়; বরং তার লজ্জাশীলতা, চরিত্র, আচার-আচরণ ও দ্বীনের উপর অবিচল থাকার মধ্যেই প্রকৃত সৌন্দর্য প্রকাশ পায়। তাই ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের এমন কিছু শিক্ষা দেওয়া জরুরি, যা তাকে সম্মানিত, নিরাপদ ও আল্লাহভীরু একজন নারী হিসেবে গড়ে তুলবে।
🔹 ১- মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক হাত দিয়ে তারপর উঠাতে যাবে।
সতর ঢাকার সতর্কতা স্বরূপ এটা করা উচিত।
🔹 ২- পুরুষ মানুষের সামনে কখনও পায়ের উপর পা তুলে বসবে না; দুই পা মিলিয়ে বা কাছাকাছি রেখে বসবে।
🔹 ৩- সিঁড়িতে উপরের দিকে উঠার সময় যদি পেছনে কোনো পুরুষ মানুষ থাকে, তাহলে এক পাশে দাঁড়িয়ে যাবে। লোকটি চলে গেলে তারপর উঠবে।
🔹 ৪- লিফটে ওঠার সময় যদি অপরিচিত কোনো পুরুষ একা থাকে, তাহলে তার সাথে একা উঠবে না; অপেক্ষা করবে।
🔹 ৫- সবসময় মুচকি হাসার অভ্যাস করবে; উচ্চস্বরে অট্টহাসি থেকে বিরত থাকবে।
🔹 ৬- চাচাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাইদের সাথেও পর্দা ও সীমারেখা বজায় রাখবে। তারা গায়রে মাহরাম—এ শিক্ষা ছোট থেকেই দিতে হবে।
🔹 ৭- কোনো প্রয়োজনে পুরুষ মানুষের সাথে কথা বলতে হলে, ভদ্রতা ও যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলবে।
🔹 ৮- নিকটাত্মীয় হলেও কথা-বার্তা ও চলাফেরায় শালীনতা বজায় রাখবে; অতিরিক্ত ফ্রি-মিক্সিং থেকে দূরে থাকবে।
🔹 ৯- রাস্তাঘাটে বান্ধবীদের সাথে উচ্চস্বরে হাসি-ঠাট্টা করবে না; রাস্তার শিষ্টাচার বজায় রাখবে।
🔹 ১০- বেপর্দা হয়ে বাইরে যাবে না। চুল খোলা রাখা, অতিরিক্ত টাইট বা আকর্ষণীয় পোশাক পরা থেকে বিরত থাকবে।
🔹 ১১- মোবাইল ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সতর্ক থাকবে। অপরিচিত ছেলে মানুষের সাথে অপ্রয়োজনীয় চ্যাট বা সম্পর্ক তৈরি করবে না।
🔹 ১২- নিজের ছবি বা ভিডিও অহেতুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে না।
🔹 ১৩- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে “আমি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার মতো পোশাক পরেছি কি না” — এই প্রশ্ন নিজেকে করবে।
🔹 ১৪- কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও যিকিরের অভ্যাস ছোট থেকেই গড়ে তুলবে।
🔹 ১৫- বাবা-মায়ের সাথে সম্মান ও নম্র আচরণ করবে। পরিবারের আদব-কায়দা শিখবে।
🔹 ১৬- নিজের আত্মসম্মান ও লজ্জাশীলতাকে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ মনে করবে।
🔹 ১৭- কারো সাথে সম্পর্ক, বন্ধুত্ব বা কথাবার্তায় যেন আল্লাহর সীমারেখা অতিক্রম না হয়—এ ব্যাপারে সচেতন থাকবে।
🔹 ১৮- নিজের কণ্ঠ, আচরণ ও উপস্থিতি দিয়ে যেন কারো মনে ফিতনার কারণ না হয়—এটা খেয়াল রাখবে।
🔹 ১৯- সবসময় মনে রাখবে, একজন নেককার নারী পুরো পরিবারকে জান্নাতের পথে নিয়ে যেতে পারে।
🔹 ২০- দুনিয়ার সৌন্দর্যের চেয়ে আখিরাতের সফলতাকে বেশি গুরুত্ব দিতে শিখবে।
একজন লজ্জাশীলা, পর্দাশীলা ও চরিত্রবান নারী আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। তাই আমাদের দায়িত্ব হলো—মেয়েদের শুধু দুনিয়াবি শিক্ষা নয়, বরং দ্বীন, লজ্জাশীলতা, আত্মমর্যাদা ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষায় গড়ে তোলা।
মহান আল্লাহ আমাদের মা-বোনদের হায়া, ইমান ও তাকওয়ার সাথে জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন
(সংগৃহীত)
22/05/2026
"রাগী মানুষের মন ভালো হয়"
কথাটা খুবই বাজে একটা কথা। এবং এই জঘন্য কথা দিয়ে রাগকে গ্লোরিফাই করা বন্ধ হওয়া উচিত। রাগ ভালো কোন জিনিস না। রাগের সাথে মনের কোনো সম্পর্কও নাই। বরং রাগে হিতাহিত জ্ঞান শূন্য মানুষ জানোয়ারের চেয়েও খারাপ।
এক ব্যক্তি নবীজি (সা.)-কে বললেন, আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেন, “তুমি রাগ করো না। ওই ব্যক্তি কয়েকবার তা বললেন। নবীজি (সা.) প্রতিবারই বললেন, “রাগ করো না!" [বুখারি, খণ্ড: ৮, অধ্যায়: ৭৩, হাদিস: ১৩৭]
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সেই ব্যক্তি শক্তিশালী নয় যে কুস্তি লড়ে অন্যকে ধরাশায়ী করে। বরং সেই ব্যক্তি প্রকৃত শক্তিশালী যে রাগের সময় নিজেকে সংবরণ করতে পারে।[বুখারি, হাদিস : ৬৮০৯]
এ ছাড়া নবীজি (সা.)-এর জীবন থেকে এমন অসংখ্য ঘটনা আমরা দেখতে পাই, যেগুলো থেকে আমরা বুঝতে পারি, যখন রাগ আমাদের গ্রাস করতে চায় কিংবা আমরা রাগান্বিত অবস্থায় থাকি, তখন আমাদের কী করা উচিত।
‘যখন তোমাদের কারো রাগ হয় তখন সে যদি দাঁড়ানো থাকে, তবে যেন বসে পড়ে। যদি তাতে রাগ চলে যায় ভালো। আর যদি না যায়, তবে শুয়ে পড়বে। ’ [আবু দাউদ, হাদিস : ৪৭৮৪]
ধারণা করি, "রাগী মানুষের মন ভালো হয়" কথাটার প্রচলন করা হয়েছিলো ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সকে জাস্টিফাই করার জন্য। মানুষ কোন কাজ করার পর নিজের কুকর্মের দায় তারা চাপায় রাগের উপর। আবার সাধারণত নির্যাতিত হওয়ার পরে ঘরের বৌ বা ছেলে মেয়ের জবাব এমন হয়, আমার বাবার রাগটা একটু বেশি, কিন্তু মনটা কিন্তু অনেক ভালো।
রাগের মাথায় বৌ পেটানো, বাচ্চা পেটানো, ছাত্র ছাত্রী পেটানো, এমনকি রাগের মাথায় তিন ত্বালাক দেওয়া, এই "রাগের" দোহাই দিয়ে কোন আকামটা করতে বাকি রাখি আমরা?
আপনার বাপ হোক আর দাদা হোক বা ভাই-বোন, প্রিয়জন রাগী যেই হোক না কেন তাকে স্পষ্ট করে বলতে হবে, রাগ একটা খারাপ জিনিস, বাজে জিনিস। এটা ভালো মানুষের গুন না।
নিজের চেষ্টায়, পরিবারের চেষ্টায় বা সাইকিয়াট্রিস্ট এর সাহায্য নিয়ে রাগ কমিয়ে ফেলা যায়। রাগের মাথায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলাও একটা মানসিক অসুস্থতা। একটা মানসিক অসুস্থতাকে সুন্দর মনের দোহাই দিয়ে গ্লোরিফাই করা বন্ধ করেন। (সংগৃহীত)
21/05/2026
কতটা রা'গ, ক*ষ্ট, ক্ষো'ভ থাকলে একজন বাবা এভাবে বলতে পারে😥রামিসার বাবা সাংবাদিকদের বলেন,,,আপনারা আমার মেয়ের হ*ত্যার বিচার করতে পারবেন না' আমি লিখে দিতে পারি,,আমার ৫৫ বছর বয়স, এখন পর্যন্ত কোন বিচার আমি দেখিনি এই দেশে।
সর্বোচ্চ ১৫ দিন সবাই আমার মেয়ের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করবে। তারপরে আবার নতুন বড় কোন ঘটনা ঘটলেই আমার মেয়ের ঘটনা হারিয়ে যাবে।
যদি কারো সামর্থ্য থেকে থাকে এই দেশে থাকবেন না। এই দেশে মানুষ শান্তিতে বাঁ*চতে পারে না। ন্যায় বিচার পায় না। এখানে অ*ন্যায় করলে কোন শা*স্তি নেই 😥
উল্লেখ্য প্রতিবেশীর হাতে ধ*র্ষ*নের পর নি*র্মমভাবে খু**ন হয় ৭ বছরের রামিসা। হত্যার পরের আমি রামিসার শ*রীর থেকে মা*থা আ*লাদা করে ফেলা হয়। 😥
মেয়েকে হারিয়ে রামিসার বাবা-মায়ের আহাজারি যেন থামছেই না। যে সন্তানকে এত আদরে বড় করেছে। তার এমন ক*রুন পরিণতি মেনে নিতে পারছে না তারা 😥
সরকারের কাছে অনুরোধ বিচার ব্যবস্থার পরিবর্তনে এনে। ধ*র্ষ*ক দের দ্রুত মৃ**ত্যুদ*ণ্ড কার্যকর করার আইন পাস করা হউক।
#শিশুরামিসা
21/05/2026
মা'য়ার সম্পর্ক কখনো বি/চ্ছি/ন্ন হয় না! 🤍
19/05/2026
এই জন্য ই তো বলি মাঝে মধ্যে সাপের মত ফস ফস করে কেন!
19/05/2026
আল্লাহ তাআলা নারীকে একথা বলেননি :
‘তুমি হিজাব করো’!
‘তুমি বোরকা পরো’!
‘তুমি স্কার্ফ পরো’!
আল্লাহ তাআলা বলেছেন :
১. মুমিন নারীগণ যেন বে-গা-না পুরুষের কাছে সৌন্দর্য প্রকাশ না করে!
وَلَا یُبۡدِینَ زِینَتَهُنَّ
(সূরা নুর : ৩১)
২. তোমরা আদি জা-হে-লি যুগের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বেড়িয়ো না!
وَلَا تَبَرَّجۡنَ تَبَرُّجَ ٱلۡجَـٰهِلِیَّةِ ٱلۡأُولَىٰۖ
(সূরা আহযাব : ৩৩)
৩. মূল নিষেধাজ্ঞা সৌন্দর্য প্রকাশ করার বিষয়ে। যে বোরকা-হিজাবের মাধ্যমে সৌন্দর্য প্রকাশ পায়, বলাবাহুল্য সেটাও নি-ষি-দ্ধ। বোরকা-হিজাব এমন হওয়া জরুরী, যাতে সৌন্দর্য প্রকাশ না পায়।
বলাবাহুল্য চেহারাতেই সমস্ত সৌন্দর্য কেন্দ্রীভূত থাকে। কখনো চোখেও। এজন্য দৃষ্টিও অবনত রাখতে বলা হয়েছে।
— আতিক উল্লাহ (হাফি.)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
Chittagong